Thursday 2nd of April 2020 10:28:53 PM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার সন্ধ্যাায় ঘণ্টা ব্যাপী শহরের বিভিন্ন রোডস্থ বাজারের পাইকারি আড়ত ও খুচরা বাজার মনিটরিং করার সময় হ্যান্ড মাইকে সতর্ক বার্তা প্রচার করা হয়। এ সময় এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন আশরাফুজ্জামান সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার {শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেল}, এ সময় শ্রীমঙ্গল থানার ইনচার্জ আব্দুস ছালিকসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

হ্যান্ডমাইক হাতে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার {শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেল} আশরাফুজ্জামান কে  বাজারের বিভিন্ন গলিতে হুশিয়ারি প্রচারণা চালাতে দেখা যায় । এ সময় তিনি বলেন, যে বা যারা অধিক মুনাফা লাভের আশায় মাল মজুদ করবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে আতংক তৈরি করবে তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না সকল মজুদধারীকে আইনের আওতায় আনা হবে। জনগণের উদ্যেশ্যে আশরাফুজ্জামান আরও  বলেন আপনারা মজুদধারীদেরকে ধরিয়ে দিন,পুলিশকে খবর দিন।আপনাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।

পুলিশের বাজার মনিটরিং এর এই অভিযান ও হুশিয়ারিকে ক্রেতা সাধারণ অভিন্দন জানিয়ে প্রতিনিয়ত পাইকারি ও খুচরা বাজারে মনিটরিং করার প্রত্যাশা জানিয়ে রওশন আলি { বাড়ি, আশিদ্রোন} আমার সিলেটকে বলেন, এইভাবে বাজারের দিকে যদি পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহল নজর রাখতেন তাহলে ৩৫ টাকার পিঁয়াজ ৯০ টাকা কিনতে হতনা। তিনি আরও বলেন আমরা আশা করবো প্রশাসন ও সাংবাদিকরা যেন মাঝে মধ্যে বাজারে আসা যাওয়া করে অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসে,তাহলে আমরা কিছুটা স্বস্তিতে মালামাল ক্রয় করতে পারবো।

উল্লেখ্য, গত তিন দিন ধরে করোণা ভাইরাসের কারণে প্রচারিত বিভিন্ন গুজবের অজানা শংকায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অতিরিক্ত ক্রয়ের সুযোগে অসাধু সিন্ডিকেট মুনাফালোভীরা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে মূল্যের বেসামাল অবস্থা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা শুরু করে দিয়েছে।

“করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও এর মোকাবেলাতে তরুণরাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারে’শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক এএসপি  আনোয়ার হোসেন শামীম”

জহিরুল ইমলাম.স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের চৌমুহনা চত্বরে জনসচেনতা ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক এএসপি মো: আনোয়ার হোসেন শামীম নিজ উদ্যোগে নিরাপদ কর্নার নামে একটি পানির ট্রাংকী স্থাপন করেছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে শহরে পথচারীদের হাত পরিস্কার ও জীবানু মুক্ত রাখার জন্য পানির ট্যাব,হাত ধোয়ার বিভিন্ন সরঞ্জাম স্থাপনসহ পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন তিনি।

এ হাত ধোয়ার কার্যক্রম করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত জরুরী সময় পর্যন্ত উম্মুক্ত থাকবে বলে জানান আনোয়ার হোসেন শামীম।
শুক্রবার সকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লবের সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্বরে সর্বস্থরের জনসাধারনের মধ্যে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনা মূলক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আতংক নয় সচেতনতাই করোনা ভাইরাস থেকে উত্তরণের সঠিক উপায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লবের সাধারন সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী ও ইউ পি চেয়ারম্যান ভানুলাল রায়।
র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক  আনোয়ার হোসেন শামীম আরোও জানান, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস নিয়ে আতস্কিত না হয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে,করোনা ভাইরাস নিয়ে কাউকে গুজব না ছড়ানোর জন্য ও তিনি অনুরোধ করেছেন।

তিনি তার এই উদ্যোগের বিষয়ে আমার সিলেটকে জানান, আমরা যারা বাসা বাড়িতে থাকি আমাদের বারবার হাত ধোয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু যারা শহরে আসা যাওয়া করছে বা রিক্সা গাড়ী চালাচ্ছেন তারা কিন্তু বার বার হাত ধোয়ার সুযোগ পাচ্ছেনা।

এর মধ্যে শহরে থাকা খেঁটে খাওয়া লোক গুলো লুঙ্গি দিয়ে বারবার মুখ মুছে যাচ্ছে। না পারছে হাত ধুতে না পারছে সহজে পানির চাহিদা মিথাতে।সে জন্য  শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবে ষ্টেশন রোডের চৌমুহনা পয়েন্টে  “নিরাপদ কর্নার” নামে একটি পানির ট্যাব স্থাপন করেছেন।

এছাড়াও তিনি  আরও বলেন প্রতিটি শহরে ও গ্রাম-মহল্লাতে তরুণদের উদ্যোগ,বিত্তশালিদের সহযোগিতায় এই কাজটি করা যেতে পারে।করোনা প্রতিরোধে এবং এর মোকাবেলাতে তরুণরাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারেও বলে তিনি জানান ।
সব্যসাচী মিথূন বলেছেন এটি মনে হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম এ রকম উদ্যোগে ওনার মত প্রতিটি জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবীদসহ সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসার জন্য এটি উৎসাহ প্রদান করবে বলে আমরা আশা করছি। এ ছাড়াও অন্যান্য পথচারীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এই রকম জনগুরুত্বপুর্ন নজিরবিহীন কাজে র‍্যাব কর্মকর্তার সফলতা কামনা করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক,সমাজকর্মী,ব্যবসায়ী,রাজনীতিবিদসহ সাধারণ পথচারীরা ।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ করেছেন মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন। সকালে করোনাভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকি রোধে করণীয় নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে তৈরি লিফলেট নিজ উদ্যোগে তিনি শহরের পশ্চিম বাজার এলাকায় লিফলেট ও মাস্ক ব্যবসায়ী, দিনমজুর ও সাধারন মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন।

এসময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন (এম.পি) সবাইকে জনসমাগম এড়িয়ে চলার ও আতংকিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন এবং বাজার এলাকা পরস্কিার – পরচ্ছিন্ন রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন।

করোনা ভাইরাস রোধে করণীয় বিষয় তুলে ধরে লিফলেটে বলা হয়- ঘন ঘন দুই হাত সাবান পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত পরিষ্কার করতে হবে, জ্বর-কাশি-শ্বাসকষ্ট করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯) এর লক্ষণসমূহ, যেখানে-সেখানে কফ ও থুতু ফেলবেন না। হাত দিয়ে নাক,মুখ ও চোখ স্পর্শ থেকে বিরত থাকতে, হাঁচি- কাশির সময়ে টিস্যু অথবা কাপড় দিয়ে বা বাহুর ভাঁজে নাক-মুখ ঢেকে ফেলুন,এবং ব্যবহিত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন ও হাত পরিষ্কার করুন। সুস্থ ব্যাক্তি হতে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন, প্রয়োজনে আইইডিসিআর-এর হটলাইন নাম্বারে ০১৯৩৭-১১০০১১, ০১৯৩৭-০০০০১১,০১৯২৭-৭১১৭৮৪, ০১৯২৭-৭১১৭৮৫, যোগাযোগ করুন
লিফলেট বিতরনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা আওয়ামী লীগ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রেজিয়া রহমান, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহিলা আহমেদ, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুবিনা ইয়াছমিন।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল শহরের খাদ্য গুদামের শ্রমিক এবং বরাশুলা কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোত্তুর্জার “করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতা মুলক প্রচার সভা ” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে খাদ্য গুদাম চত্বরে এবং বরাশুলা কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংক্ষিপ্ত পরিসরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা বলেন , সারা পৃথিবীতে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারন করেছে। এটা নিয়ে আতংকিত হবার কিছু নেই , এটাকে প্রতিরোধের জন্য চেষ্ঠা করা হছে এবং সকলে এ ভাইরাস প্রতিরোধের চেষ্টা করবেন, এটা প্রতিরোধের জন্য জন সচেতনতা তৈরী করতে হবে। শ্রমিক ভাইয়েরা ও মাদ্রাসার শিক্ষাথীরা সবাই সব সময় নিয়মিত ভাল করে হাত ধুবেন , পরিস্কার পরিছন্ন থাকবেন। সকলে সচেতন হলে এটা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য সৌমেন বোস, সংসদ সদস্যের পিএস মোঃ সানি, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সিদ্ধার্থ সিংগ পল্টু নড়াইল সদরের খাদ্য গুদামের কর্মকর্তাগন ও শ্রমিকরা এবং বরাশুলা কওমী মাদ্রাসার ও এতিমখানার কর্মকর্তা শিক্ষক, আবাসিক কিছু শিক্ষার্থী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এম, ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বিশ্বব্যাপী করোনা আতঙ্ক দিন দিন আরো বেশি প্রকট হওয়ায় চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমনে যে সব বাংলাদেশিরা ভারতে অবস্থান করছিলেন তারা আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে দ্রুত দেশে ফিরে আসছেন। তবে দুই দেশের মধ্যে বিমান, বাস ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের কষ্ট করে ফিরতে হচ্ছে। দেশে ফেরার সময় সব ধরনের যাত্রীদের ইমিগ্রেশনে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা  করতে হচ্ছে।
এদিকে বাংলাদেশে ভ্রমনের ক্ষেত্রে ভারতীয় ইমিগ্রেশনে কড়াকড়ি আরোপে সাধারণ কোন ভারতীয় বা বিদেশি নাগরীক ১৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশে আসা বন্ধ রয়েছে। তবে যে সকল বাংলাদেশিরা ভারতে অবস্থান করছিলেন তারা দেশে ফিরে আসছেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়রা নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন। নতুন করে সাধারণ পাসপোর্টধারী যাত্রী আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইমিগ্রেশনের এক অংশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার আজিম উদ্দীন বলেন, করোনা সংক্রমন এড়াতে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, স্থলবন্দররের দুটি পণ্য প্রবেশ দ্বার ও রেল ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে গত ১৭ জানুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯০ হাজার ভারত ফেরত দেশী-বিদেশি যাত্রী ও পণ্য বাহী ট্রাক চালককে স্বাস্থ্য  পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে যাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে এরা সবাই ছিল করোনা ঝুকি মুক্ত।
বেনালোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মহাসিন হোসেন বলেন, কোন ভারতীয় বা বাংলাদেশি নাগরীক বাংলাদেশে প্রবেশে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা জারী হয়নি। তবে সাধারণ ভারতীয় বা বিদেশি নাগরীক ভারত থেকে আসছেনা। যে সকল বাংলাদেশি ভারতে অবস্থান করছিলেন তারা ফিরে আসছে। এছাড়া যে সকল ভারতীয়রা বাংলাদেশে ছিলেন তারাও ফিরছেন।
ভারত ফেরত বাংলাদেশি যাত্রী আবুল কাশেম বলেন, করোনা নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত তারা এতে দ্রুত কাজ শেষে ফিরে এসেছেন।
যাত্রী রহিম বলেন, তিনি রেল পথে ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন দুই দেশ।  মধ্যে বাস, ট্রেন ও বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় কষ্ট করে ফিরতে হয়েছে।
উল্লেখ্য করোনা সংক্রমন এড়াতে গত ১৩ মার্চ বিকাল ৫ টা থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ভারত সরকার সাধারণ বাংলাদেশিদের ভারতে ভ্রমনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে। আর ১৫ মার্চ থেকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী রেল,বাস ও বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে। তবে এপথে এখনও স্থল ও রেল পথে আমদানি,রফতানি বাণিজ্য সচল  রয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc