Tuesday 7th of April 2020 03:59:20 AM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় প্রবাস ফেরতসহ ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা জানা গেছে । এদের মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ১৬ জন ও বড়লেখা উপজেলায় ২ জন ও ১ জন কুলাউরাসহ মোট  ২১জন কোয়ারেন্টাইন এ  রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে ।

এর মধ্যে রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ এর তথ্যে ৯ জনকে হোম  কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, প্রবাসীদের মধ্যে করোনা ভাইরাস জনিত কোন সমস্যা আছে কিনা সেটার জন্য তাদেরকে নিজ বাসায় ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকতে বলা হয়েছে। সমস্যা দেখা দিলে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ দল স্যাম্পল নিয়ে যাবেন।

অপর দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা  স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাজ্জাদ চৌধুরি রোববার সন্ধ্যায় আমার সিলেটকে বলেন, পৃথক দু ‘ইটি তারিখে ১৬ জন প্রবাসী শ্রীমঙ্গলে এসেছে। এদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোন লক্ষণ দেখা যায়নি, তারপরেও আমরা তাদের এডভাইস দিয়েছি  নিজ উদ্যোগে ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকার জন্য। এদের মধ্যে এখনো কোন সিম্পটম দেখা না গেলেও ৪/৫ দিন পরে সিম্পটম দেখা দিতে পারে,সে জন্য সতর্কতা জরুরী। যেহেতু আমাদের এখানে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য কিট নেই তাই যদি কোন লক্ষণ দেখা যায় তাহলে মহাখালী সেন্টারে আইডিসিআর হটলাইনে যোগাযোগ করার কথা বলা হয়েছে।তবে তাদের ঠিকানা আমার জানা নেই।

উল্লেখ্য দেশে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৩১৪ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ,এ পর্যন্ত ১০ জন আইসোলেসনে আছেন বলেও জানান আইইডিসিআর পরিচালক।

রবিবার দুপুরে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআর পরিচালক জানান, বিদেশ থেকে ফেরত আসা অনেকেই হোম কোয়ারেন্টাইন ঠিকভাবে মানছেন না। সে কারণে যারাই আসছেন, তাদের হজক্যাম্পের কোয়ারেন্টনাইনে পাঠানো হচ্ছে।

ডা. ফ্লোরা  বলেন, শরীরের করোনার উপস্থিতি নেই, এটি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরই বিদেশ-ফেরতদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে।

আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, আক্রান্ত দেশ থেকে যারা এসেছেন হোম কোরারেন্টাইন কঠোরভাবে পালন করবেন। এ ব্যাপারে গাফিলতি করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্ভব হলে আলাদা কক্ষে হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করবেন। আর তা সম্ভব না হলে অন্তত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন। এছাড়া কারও হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা না থাকলে যোগাযোগ করলে আইইডিসিআর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করবে বলে জানান পরিচালক।

ডা. ফ্লোরা জানান, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তারা অনেক সহযোগিতা পাচ্ছেন। কেউ হোম কোয়ান্টাইন না মানলে প্রতিবেশীরা তা জানিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া গণমাধ্যমও তাদের সহযোগিতা করছে। এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রসঙ্গত,করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে আসলেই কেহ করোনা আক্রান্ত নয়, তবে সতর্কতা থাকা জরুরী। ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকা মানে হচ্ছে নিজে  নিরাপদ এবং অন্যকে নিরাপদে থাকার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এমনটিই সচেতনদের ধারনা।

সুনামগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ সুনাসগঞ্জের তিন উপজেলার বাসিন্দা ইতালীর ৩,স্পেনের ১ ও ১ জন ওমান থেকে অfসা মোট ৫জনকে নিজ বাড়ীতে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

প্রবাসী এই ৫ জন রয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর,দোয়ারাবাজার এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায়।

জানা যায়,শনিবার প্রবাস ফেরত ৫ জন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মেডিকেল চেক-আপ করার পর রবিবার তাদেরকে হোম কোয়ারান্টাইন ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এখনো তাদের মধ্যে ভাইরাসের উপস্থিতির কোন প্রমাণ মিলেনি। শুধু মাত্র সাবধানতার জন্যই নিজ বাড়ির আইসলুসনে থাকা জরুরী।

সুনামগঞ্জ  সিভিল সার্জন ডাঃ সামছুদ্দিন আহমদ জানান,প্রবাসী ৫ জনকেই স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাদের মধ্যে কোন অসুস্থতা নেই। তারা সুস্থ  আছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের সম্পর্কে খোজ রাখছে এবং তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৪দিন রাখা হবে।

আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধের আশঙ্কা

এম ওসমান,বেনাপোলঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে এক মাসের জন্য ভারতে ভ্রমণ স্থগিত ঘোষণার পর বেনাপোল স্থলবন্দরের ব্যস্ত ইমিগ্রেশনে প্রায় জনশূন্য অবস্থা। এতে বিপাকে পড়েছেন অসহায় রোগী ও ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রয়োজনীয়  কাজ মেটাতে ইমিগ্রেশন এলাকায় ছিল বাংলাদেশিদের উপচে পড়া ভীড়। এরপর থেকে জনশুন্য হয়ে পড়ে ইমিগ্রেশন। বিভিন্ন প্রয়োজনে এদিন সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৫০ জন ভারতে গেছেন। ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছেন ৩ হাজার ৯০০ জন। এদের মধ্যে ১২ শতাংশ ছিলেন বিদেশি যাত্রী।

এদিকে, হঠাৎ করে বাংলাদেশি ভিসায় ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারিতে বাণিজ্যে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও এখন পর্যন্ত তার কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে এক মাস ভারতে প্রবেশ বন্ধ থাকলে আমদানি বাণিজ্যে ব্যহত হওয়ায় শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যাহতের পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রীর বাজারে মূল্য বাড়ারও শঙ্কা রয়েছে ব্যবসায়ীদের।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বড় বাণিজ্যিক সম্পর্ক। ব্যবসায়ীরা ভারতে যেতে না পারলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যও বন্ধ হতে পারে। এক মাসেরও বেশি সময় চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। আবার ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ হলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও বেড়ে যাবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, বাণিজ্যিক বিষয়ে যাতে কোনো প্রভাব না পড়ে তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা চালুতে সরকারের এখনই পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

বাংলাদেশি যাত্রীরা বলেন, বাংলাদেশে মাত্র তিন জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৮০ জনেরও বেশি। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তার দেশের নাগরিকের নিরাপত্তায় বিদেশিদের বাংলাদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি না করলেও ভারত সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। নিষেধাজ্ঞার ফলে অনেক যাত্রী বিশেষ করে যাদের চিকিৎসা ও ব্যবসার কাজে যাওয়ার দরকার রয়েছে তারা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ৮/১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী দু’দেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়া প্রতিদিন প্রায় ৪/৫শ’ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য ভারত থেকে আমদানি হয়। ভারতে রফতানি হয় দেড়শ’ থেকে ২শ’ ট্রাক বাংলাদেশি পণ্য। প্রতিবছর এ বন্দর থেকে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা আমদানি পণ্য থেকে ও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে সরকার।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহাসিন হোসেন রোববার বিকালে জানান, ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় শুক্রবার বিকেল ৫টার পর থেকে এ পর্যন্ত ভারতীয় ভিসায় কেউ ভারতে ঢোকেনি।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আগামী ১৫ এপ্রিল অবধি এ আদেশ বহাল থাকবে। তবে, বাংলাদেশিদের ভারতে যাওয়া বন্ধ হলেও ভারতীয়রা স্বাভাবিক নিয়মে বাংলাদেশে আসছেন এবং বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাচ্ছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো কোন নারী ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ক্লাবের সদস্যদের ভোটে এই প্রথম নারী সাংবাদিক এ.এস.কাঁকন (দৈনিক ভোরের পতা, দি পিপলস টাইম) ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এই সংগঠনটি দেশের সেই সময়কার মহকুমা পর্যায়ে গঠিত দ্বিতীয় প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরুর পর এর আগে কখনও কোনো নারী শীর্ষ পদে আসেননি। ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত কাঁকন হলেন মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের ইতিহাসে কার্যকরি কমিটির প্রথম নারী সদস্য।

শনিবার (১৪ মার্চ) প্রেসক্লাব ভবনে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের মোট ৪০ টি ভোটের মধ্যে সবক’জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে এ.এস.কাঁকন ২২টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই পদে অপর প্রার্থী মাহবুবুর রহমান রাহেল পেয়েছেন ১৭ টি ভোট। নির্বাচনে সভাপতি পদে এম এ সালাম (চ্যানেল আই) ২১ টি ভোট, সাধারণ সম্পাদক পদে পান্না দত্ত (ডিবিসি নিউজ) ২২টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ভোট শেষে নির্বাচন কমিশনার এড. আব্দুল মোছাব্বির বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সাংবাদিক এ.এস.কাঁকন দীর্ঘদিন ধরে সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, তিনি মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সদস্য এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র সিলেট শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব। নতুন এই দায়িত্ব পালনে তিনি সকলের আন্তরিকতাপূর্ন সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বে এরইমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিশ্বব্যাপি, যা অনেক দেশের জন্য এখন অনুসরণীয়। এ.এস.কাঁকন এর জয়ের মধ্য দিয়ে সে অর্জন আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো বলে মনে করছেন সাংবাদিকরা।

ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম থেকে আসা আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলার আল্লামা পীর সাকিব ইকবাল সামী (মু.জি.আ) শনিবার চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে বেলা ১টা ৪০ মিনিটের একটি ফ্লাইটে চট্টগ্রাম ত্যাগ করবেন। শানে মোস্তফা (দ.) প্রচার ফোরাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুপুরে শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মেহমানকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফজলুল করিম তালুকদার, এইচ এম মন্জুরুল আনোয়ার, মাওলানা মুহাম্মদ আলমগীর, মাওলানা মুহাম্মদ ইদ্রিস, মাওলানা ইকবাল হোসাইন আলকাদেরী, মাওলানা মুফতি নেজাম উদ্দিন, মুহাম্মদ ইসমাইল, মাষ্টার মুহাম্মদ ইছমাইল হোসেন, মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম কাদেরী, মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ ওমর আলী, মুহাম্মদ মুসা, মুহাম্মদ হামেদ রেযা, মুহাম্মদ আলা উদ্দিন জিলানী, মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুনীর, মুহাম্মদ রবিউল মোস্তফা, মুহাম্মদ জানে আলম কাদেরী, আ.ল.ম কায়সান, মুহাম্মদ আশিকুর রহমান, মুহাম্মদ জাওয়াদ ইবনে আব্দুল্লাহ, মুহাম্মদ বুরহান, মুহাম্মদ নিজাম কাদেরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, তিনি গত ১১ মার্চ শানে মোস্তফা (দ.) প্রচার ফোরাম বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় এক সংক্ষিপ্ত সফরে চট্টগ্রামে আগমন করেন। তিনি ঢাকায় দুটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে আগামী ১৯ মার্চ ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন।প্রেস বার্তা

নড়াইল প্রতিনিধিঃ “মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার- সুরক্ষিত ভোক্তা- অধিকার ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে নড়াইলে পালিত হল বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ।
রবিবার দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর ও কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ক্যাব ), নড়াইল জেলা কমিটির সহযোগীতায় র‌্যালী ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই ¯’ানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দিবসের তাৎপর্যের উপর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক আনজুমান আরার সভাপতিত্বে¡ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মোঃ ইয়ারুল ইসলাম,সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল মোমেন, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাধায়ক ডাঃ আব্দুর শাকুর, সমাজ সেবা নড়াইলে উপ-পরিচালক রতন কুমার হাওলাদার,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন কমিটির সদস্য এনডিসি সচিব মোঃ জাহিদ হাসান, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মনিরুল ইসলাম, কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ক্যাব ), নড়াইল জেলা কমিটির সভাপতি কাজী হাফিজুর রহমান, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাবসায়ি, ভোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি : সরকারি ভাবে মুজিব বর্ষ পালনে ভারত থেকে প্রায় ৭ মেট্রিক টন বাজি আমদানি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বাজি বহনকারী ট্রাক দুটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। পরে রাতেই  বেনাপোল বন্দর থেকে  বাংলাদেশি দুটি ট্রাক এসব বাজি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

পণ্য ছাড় কারক প্রতিষ্ঠান সিএন্ডএফ এজেন্ট সারথী এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম জানান, সরকারি ভাবে মুজিব বর্ষ পালনে এসব বাজি ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। বাজির আমদানিকারক ঢাকার এশিয়াটিক ইভেন্ট মার্কিটিং লি.।

ভারতীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান সনি ফায়ার ওয়ার্কস প্রাইভেট লি.। রাতেই জরুরি ভাবে বন্দর ও কাস্টমসের কার্যাদি শেষে  পুলিশি নিরাপত্তায় বাজি বহনকারী দুটি ট্রাক গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

শাব্বির এলাহী,কমলগঞ্জঃ শোয়েব এলাহী, মূক ও বধির। মানে কথা বলতে পারেন না, আবার কানেও শুনেন না।একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শত্রুপক্ষের মর্টার বিষ্ফোরণের প্রচন্ড শব্দে শোয়েব এলাহীর কান ফেটে যায়। সে সময় মাত্র দশ মাসের শিশু শোয়েব ভারতে শরণার্থী হিসেবে বসবাসরত তার মায়ের কোলে ছিলেন। তার বাবা ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে গিয়ে শরণার্থী বাঙালীদের রেশন সরবরাহ করতেন ও পাক হানাদারদের গতিবিধি গোপনে পর্যবেক্ষণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য দিতেন। মূলত পাক হানাদাররা শোয়েব এলাহীর মাকে লক্ষ্য করে মর্টার ছুঁড়ছিলো। ভাগ্যক্রমে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তাদের অদুরে পড়ে মর্টার বিষ্ফোরিত হয়।সে থেকে আজ ৪৬ বছর ধরে মূক ও বধির জীবন কাটাচ্ছেন শোয়েব এলাহী।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি প্রয়াত এম,এ, সবুর ও শামছুন নাহারের ২য় সন্তান শোয়েব এলাহী।যখন যুদ্ধের দামামায় চারদিক সরগরম। রাজনীতিবিদ বাবা এম,এ,সবুর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করছেন। কমলা খাঁন, কুতুব খাঁন, চেরাগ আলীসহ এলাকার অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে উত্তরভাগস্থ নিজের বাড়ীর বৈঠকখানায় গোপন সভা করে শলা পরামর্শ করতেন।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্থানীয় শান্তি কমিটির সদস্য ও রাজাকাররা রাতের আঁধারে সে বাড়ীতে আগুন লাগিয়ে দিলো।

এলাকার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন আতংকিত হয়ে পড়লো।এম,এ,সবুর কয়েকটি হিন্দু পরিবারকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের হালাহালি শহরে পৌঁছে দিলেন।সাথে তার স্ত্রী শামছুন নাহার, আড়াই বছরের শিশু কন্যা ইশরাত জাহান বীথি ও ৯ মাসের শিশুপূত্র শোয়েব এলাহী। তারাও আশ্রয় নিলেন ভারতের থানাবাজার এলাকার পারকুল গ্রামে এক হিন্দু বাড়ীতে।

শোয়েব এলাহীর মা শামছুন নাহার জানান, তাদেরকে জনৈক নগেন্দ্র দেবের বাড়ীতে রেখে স্বামী এম,এ,সবুর বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সুসংগঠিত করা,ধলাই সীমান্ত পেরিয়ে তাদেরকে ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পৌঁছে দেওয়া এবং পাকিস্তানী সৈন্যদের গতিবিধি গোপনে পর্যবেক্ষণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য সরবরাহের কাজে ব্যস্ত হযে গেলেন। এ ছাড়া রতৎকালীন এম,এন,এ মুক্তিযুদ্ধে চার নম্বর সেক্টরের ডেপুটি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াসকে নিয়ে ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে শরণার্থীদের রেশন ও রসদ সরবরাহ করতেন। তখন ছিলো এপ্রিল মাসের কোন এক দুপুর। বাড়ীতে বৃদ্ধ শ্বশুর একা রয়েছেন। এর মধ্যে খবর এসেছে রাজাকাররা জমির পাকা ধান কেটে নিয়েছে। স্বদেশ আর নিজের বাড়ীর চিন্তায় অস্থির শামছুন নাহার শোয়েব এলাহীকে কোলে করে নগেন্দ্র দেবের বাড়ীর উঠানে পায়চারি করছিলেন।হঠাৎ অদুরে হেলমেট মাথায় জলপাই রঙের ইউনিফর্ম পরা কয়েকজন সৈন্য চোখ পড়লো। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই আকাশ ফাঁটানো শব্দে একটি মর্টার এসে বিষ্ফোরিত হলো শামছুন নাহারের পায়ের কাছে।ছেলেকে কোলে নিয়েই দৌড়ে পালালেন বাড়ীর আড়ালে। পরদিনই বাড়ী বদল করে চলে গেলেন হালাহালি গ্রমের শরফ উদ্দিনের বাড়ীতে।কিন্তু শোয়েবকে ডাকলে আর সাড়া দেয় না। অনেক ডাক্তার দেখালেন। কোন লাভ হয়নি।মাসের পর মাস অপেক্ষা করলেন। সন্তানের মুখ থেকে আর মা ডাকটি শুনতে পেলেন না।ডাকলেও আর সাড়া মিলছে না। ইশারাতে চলছে বাক্য বিনিময়। সবাই বললেন, মর্টারের প্রচন্ড শব্দে শিশুটির কান ফেটে গেছে। কাঁদতে কাঁদতে মায়ের চোখের জলও শুকিয়ে গেলো।দেশ স্বাধীন হলো। কিন্তু মুখের ভাষা ফিরে পেলো না মায়ের কোলের সে নিষ্পাপ শিশু। সে থেকে আজ অবধি মূক ও বধির হয়ে জীবন কাটাচ্ছেন আটচল্লিশ বছরের যুবক শোয়েব এলাহী। সিলেট শেখঘাট মূক ও বধির বিদ্যালয়সহ ঢাকা ও ফরিদপুরের বিভিন্ন মূক ও বধির বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন। খুব ভালো ছবি আঁকতে পারেন। জীবিকার তাগিদে এখন গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় একটি গার্মেন্ট কারখানায় সামান্য বেতনে কাজ করছেন। এক কন্যা সন্তানের জনক শোয়েব এলাহীর স্ত্রী পারবীন বেগমও জন্ম থেকেই মূক ও বধির।
আজকের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার পেছনে শোয়েব এলাহীর অবদান কি একেবারেই নগন্য ? এ উত্তর কে দেবে ?

জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ: পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা। এ উপজেলায় বিভিন্ন পর্যটন স্পট গুলো পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে আগতরা। শুধু নিরাপত্তাই নয় নেই দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড,ঝড়-বৃষ্টির দিনে নিরাপদ অবস্থানের স্থান,থাকা ও খাওয়ায় ভাল মানের হোটেল রেস্তুরা নেই। ফলে বেড়াতে আসা পর্যটক ও দর্শনার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য টুরিষ্ট পুলিশের জন্য দাবী জানিয়ে আসলেও কোন কাজ হচ্ছে না। এদিকে তাহিরপুর থানায় প্রয়োজনীয় জনবলের বেশী না থাকায় পর্যটকগনের নিরাপত্তা দিতে হিমসিম খাছেন কর্মরত অফিসারগন।

জানাযায়,উপজেলার টাংগুয়ার হাওর,বারেকটিলা,যাদুকাটা নদী,সীমান্ত ছড়া,শহীদ সিরাজ লেক,শিমুল বাগানসহ একাধিক পর্যটন স্পটে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এসব দর্শনীয় স্থানকে কেন্দ্র করে গত দুই যুগেরও বেশী সময়ের ব্যবধানে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি কোন ধরনের সুযোগ সুবিধা। এই পর্যটন স্পট গুলো দেখার জন্য প্রতিদিনেই দেশর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয় দেশের বাহিরের বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে নানান বয়সী দর্শনার্থী ও পর্যটকগন। বর্ষার সময় এসেই তারা ভাড়ায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে ছুটে যান টাংগুয়ার হাওরসহ অন্যান্য স্থানে।

এসব নৌকা নিয়ে পর্যটকরা কখনও টাংগুয়ার হাওরেই রাত যাপন করে আবার কেউ কেউ যাদুকাটা নদীতে রাতে কোন ধরনের নিরাপত্তা বেষ্টিত অবস্থান তৈরী না করে এছাড়াও দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড,ঝড়-বৃষ্টির দিনে নিরাপদ অবস্থানের স্থান,থাকা ও খাওয়ায় ভাল মানের হোটেল রেস্তুরা না থাকায় দিনে ও রাতে অবস্থান নিয়ে চরম দূভোর্গের শিকার হচ্ছেন। এতে করে বড় ধরনের দূঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ঢাকা টুরিস্ট প্রধান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,হাওর দেখতে আমাদের মাধ্যমে অনেক টুরিষ্ট আসেন কিন্তু ঝড় বৃষ্টির দিনে অবস্থান,স্থায়ী ভাবে হোটেল,পাবলিক টয়লেট না থাকায় টুরিষ্টদের অনেক সমস্যা হয়। এছাড়াও নিরাপত্তার জন্য টুরিষ্ট পুলিশ থাকলে অনেক ভাল হত। না হলে অনেক পর্যটক ও দর্শনার্থী মুখ ফিরিয়ে নিবেন।

শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় শিমুল বাগানে আসেন পর্যটক রুবেল আহমেদ তিনি জানান,এখানে নেই রৌদ বৃষ্টির দিনে নিজের বাচাঁতে বসার স্থান। নেই আশপাশের কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে নিরাপদ অবস্থান। ফলে আজ বৃষ্টিতে ভিজতে হয়েছে আমার মত আগত হাজার হাজার পর্যটককে। এখানে ঝড় বৃষ্টি যাই হউক নিরাপদে অবস।থান করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেওয়ায় খুবেই প্রয়োজন।

তাহিরপুরে সাদেক আলীসহ টাংগুয়ার হাওরের পাড়ের স্থানীয় বাসীন্দারা বলেন,টাংগুয়ার হাওরসহ উপজেলার প্রতিটি পর্যটন স্পটে প্রতিদিনেই হাজার হাজার পর্যটক আসে কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়ে আমরাও থাকি দুশ্চিন্তায়। কারন কখন কি ঘটে বলা যায় না। ফলে টুরিষ্ট পুলিশের ব্যবস্থা করা হলে ভাল হত নিরাপত্তা থাকত নানান বিরাম্ভনার শিকার থেকে নিরাপদে চলাচল করতে পারত আগত পর্যটকগন।
সমাজ সেবক মাসুক মিয়াসহ সচেতন মহল বলেন,যে পরিমান পর্যটক ও দর্শনার্থী বিভিন্ন পর্যটন স্পর্টে আসে তাদের নিরাপত্তা ও ঝড় বৃষ্টির দিনে নিরাপদ অবস্থান,স্যানিটেশনের প্রর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বেড়াতে আসা বেশীর ভাগ মহিলা ও শিশুরাই বেশী দূর্ভোগ পোহাতে হয়। আর পর্যটন স্পট গুলোর কোনটি কোন দিক দিয়ে যাওয়া যায় আর দুরত্ব কত এর দিক নির্দেশনা সাইনবোর্ড না দিলে যে বারেকটিলায় যেতে চায় সে দেখা যায় টেকেরঘাট চলে গেছে।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আতিকুর রহমান জানান,পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশে এই এলাকার আসা প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকগনকে আমাদের জনবল কম থাকার পরও সাধ্যমত সর্বোচ্ছ নিরাপত্তা দেবার চেষ্টা করছি।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্দু চৌধুরী বাবুল বলেন,এ উপজেলার পর্যটন স্পর্ট গুলোতে আগত দেশ-বিদেশী হাজার হাজার পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য টুরিষ্ট পুলিশ ও দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড স্থাপনের ব্যবস্থা করা খুবেই প্রয়োজন।

সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান বলেন,ট্যুরিস্ট পুলিশের কোন ক্যাম্প না থাকায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা নিরাপত্তা দিয়ে থাকি। এখন ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ যদি কোন ক্যাম্প করে দায়িত্ব পালন করেন তাহলে সুবিধা হয়।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ বলেন,এবিষয়ে পর্যটক ও দশর্র্র্র্র্র্র্র্নাথীদের সুবিধার জন্য সড়কের মোড়ে মোড়ে পর্যটন স্পটগুলোর রাস্তার নির্দেশনা দিয়ে এবং স্পটগুলোর বিভিন্ন বিষয়াদি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট স্পটের সাইনবোর্ড টানানোর ব্যবস্থা করা হবে।

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এজিএম সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর এজিএম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ প্রতিষ্টা হওয়া পর হতে এ অ লে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে। বিভিন্ন সময় স্বাভাবিক ঘটনা সহ নানা কারনে গ্রাহকদের চরম হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগের এক শ্রেণীর দালল চক্র নিজেদের ফায়দা হাসিলের জন্য গ্রাহকদের নান কু-পরামর্শ দিয়ে সাধারন গ্রাহকদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পরও পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর লোকজন যে ভাবে আমাকে হয়রানি করছে তাতে বুঝা যায় সাধারন গ্রহকদের কত না হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তিনি অভিলম্বে এসব গ্রাহক হয়রানি বন্ধ করে সুষ্ঠ পরিসেবা প্রদানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার আহবান জানান।

তিনি আরও বলেন সমিতি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর হতে গ্রাহকদের নিকট হতে মিটার ভাড়া হিসাবে প্রতি মাসে সুনির্দিষ্ট অংঙ্কের টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে তা বাতিল করে মিটারের সুনির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করার কথা বলেন। মিটার ভাড়ার নামে একজন গ্রাহক যুগের পর যুগ ভাড়া দিতে হবে এটা সমুচিত নয়। নিশ্চয় ভাড়ার নামে এখানে বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে। আমার এপ্রস্তাবটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সভায় তুলে ধরার কথা বলেন।

এছাড়া এরক এজিএম সভা আহবান করে সভা স্থলে গ্রাহকদের আমন্ত্রন করে নিয়ে এসে গরমে মধ্যে গ্রাহকদের প্রযাপ্ত বাতাসের ব্যবস্থা না রাখায় তিনি ক্ষুব্দ হন। আগামীতে এরকম এজিএম সভা করলে গ্রাহকদের পর্যাপ্ত বাতাসের ব্যবস্থা রাখার কথা বলেন।
১৪ মার্চ শনিবার সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সদর দপ্তর দরবস্তে বার্ষিক এজিএম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতি পরিচালানা বোর্ডের সভাপতি মোঃ মুদাচ্ছির আহমদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কামাল আহমদ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আবু হানিফ মিয়া। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা বোর্ডের সহ-সভাপতি শাহিনা আক্তার হাছিনা, সচিব মনোয়ারা বেগম, কোষাধ্যক্ষ বীনা রানী সরকার, পরিচালক মোর্শেদ আহমদ, মোঃ মুছব্বির আলী, এডভোকেট জামাল উদ্দিন, সমছির আহমদ, মোঃ আব্দুল লতিফ, আব্দুল মালিক, মোঃ গোলাম নবী, সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ মুহিবুর রহমান।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর প্রকৌশলী আবু রায়হান, প্রকৌশলী মুহাম্মদ শাহিন রেজা ফরাজী, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল হাফিজ, এবিএম সাখাওয়াত উল্লাহ, প্রকৌশলী মোঃ তৌহিদুর রহমান, মোঃ মুসা মিয়া, নাঈমুর রহমান, রানা আহমদ, রাশেদুজ্জামান, রমিজুল ইসলাম, অসিম কুমার দাস, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক হাসিনুল হক হুসনু ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ফারুক আহমদ। পরে এজিএম সভায় নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করায় গ্রাহকদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশের চা বাগানগুলোতে নানান জাতিগোষ্ঠির বাস। অখ- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষা, বিহার, মাদ্রাজ, তেলেঙ্গানাসহ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে এসে আবাস গড়া চা শ্রমিকদের যেমন নিজেদের পৃথক ভাষা, তেমন পৃথক সংস্কৃতিও। ভাষা ও স্ংস্কৃতিতে একেকটি চা বাগান যেন একেকটি দেশ। তবে ফাল্গুনের ‘ফাগুয়া’ উৎসবে এসে সবাই এক হয়ে তারা মেতে ওঠে রঙের উৎসবে। দরিদ্র তবে প্ররিশ্রমি চা জনগোষ্ঠির ফাগুয়াকে আরো রঙিন করে তোলতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রথমবারের মতো ফাগুয়া উৎসবের আয়োজন করল ফাগুয়া উৎসব উদযাপন পরিষদ। চা জনগোষ্ঠি থেকে জনপ্রতিনিি সহ সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রে নেতৃত্বে ওঠে আসা ব্যক্তিদের সম্মিলনে শুক্রবার শ্রীমঙ্গল শহরের অদূরে ফুলছড়া চা বাগানের মাঠে আয়োজন করা হয় এই ফাগুয়া উৎসবের।
শুক্রবার বিকেলে ফুলছড়া মাঠে নানান বয়সি হাজারো নারী পুরুষ আবির নিয়ে রঙের খেলায় মেতে ওঠলে সবুজ চায়ের বাগানের হৃদয় কিছুক্ষণের জন্য হয়ে ওঠে নানান রঙে রক্তিম।
উৎসবে কেবল রঙের হোলিই নয়, ছিল ভিন্ন সংস্কৃতির অন্তত ১৩টি পরিবেশনা। পত্রসওরা, নৃত্যযোগি, চড়াইয়া নৃত্য, ঝুমর নৃত্য, লাঠিনৃত্য, হাড়িনৃত্য, পালা নৃত্য, ডং ও নাগরে, ভজনা, মঙ্গলা নৃত্য, হোলিগীত, নিরহা ও করমগীত একসাথে উপভোগ করতে পেরে যেমন আনন্দে ভেসেছেন চা শ্রমিকরা তেমন অভিভূত হয়েছেন উৎসবে আসা নাগরিক সমাজও।
উৎসবে আসা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু বলেন, একসাথে নৃত্যগীতের এত বৈচিত্রপূর্ণ আয়োজন দেখে অন্য সবার মতো আমিও অভিভূত। আমার বিশ^াস চা বাগানের সংস্কৃতি এই অ ল তথা দেশের একটি সম্পদ। এটি চর্চা ও সুরক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। এই উৎসব অব্যাহত রাখতে হবে।
সিলেট থেকে উৎসবে যোগ দিতে আসা চা জনগোষ্ঠির তরুণি কাজল গোয়ালা বলেন, আমি নিজে উদীচীর সাথে জড়িত। কিন্তু চা বাগানেই যে এতো নৃত্যগীতের সমাহার এখানে না আসলে আমার জানা হতো না। নিরহা, করমগীত আমি প্রথমবার দেখলাম।
বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন স্থানীয় সাংসদ, সাবেক চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ।তিনি বলেন, চা বাগান একটি বৈচিত্রপূর্ণ এলাকা। সরকার চা শ্রমিক এবং তাদের সংস্কৃতির সুরক্ষায় অত্যন্ত আন্তরিক।
আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব কালিগাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রাণেশ গোয়ালা বলেন, প্রথমবারের মতো এই আয়োজন হলেও আয়োজনটি জাতির জনককে উৎসর্গ করা হয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে চা শ্রমিকদের এটি একটি বিশেষ আয়োজন। আশা করি পরবর্তী বছর আরো বড় আয়োজনে ফাগুয়া উৎসব করা হবে।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে মাদক বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে চার মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলো, উপজেলার সিংসাড়া গ্রামের শষি সরকারের ছেলে বিশ্বনাথ সরকার (৩০), বজ্রপুর গ্রামের সবল সরকারের ছেলে বলরাম সরকার (৪০), রনশিবাড়ি গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে আমিরুল প্রামানিক (২৮) ও বলরামচক গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে সাজেদুর রহমান (৩৭)।

শনিবার সকালে তাদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোসলেম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মোস্তাফিজুর, প্রদীপ কুমার, হাইদার আলী ও এসআই জাহাঙ্গীর সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার সিংসাড়া-বজ্রপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ সরকার ও বলরাম সরকারকে ৭০গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয় এবং বলরামচক এলাকা থেকে সাজেদুর রহমানকে ৫পুড়িয়া হেরোইনসহ ও রনশিবাড়ি এলাকা থেকে আমিরুল প্রামানিককে ১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের সবাইকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সরকারের টাকা লুটপাটের মহোউৎবসের একটা অংশ হিসাবেই বৌলাই নদীতে খননের নামে অ্যাস্কেভেটর ব্যবহার করা হচ্ছে। কারন নদীর তলদেশের প্রশস্ততা প্রায় ৩০০ফুট। খনন করা হচ্ছে ১০মিটার অর্থাৎ ৩০ফুট। আর যেখানে ড্রেজিং করা প্রয়োজন সেখানে অ্যাস্কেভেটর দিয়ে খনন করা মাটি নদীতেই মাটি ফেলা হচ্ছে। সামন্য বৃষ্টি হলেই বালু-মাটি আবার খননকৃত স্থানেই চলে যাবে এতে করে কোন উপকারেই আসবে না নৌ-যান চলাচলে। আর খননে নদী বা এলাকাবাসীর কোনো উপকার হবে না,বরং সাড়ে সাত কোটি টাকার অপচয় হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী যা রীতিমত হাস্যকর বিষয়ে পরিনত হয়েছে উপজেলা জুড়ে।
গত ৯মার্চ থেকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বৌলাই নদীতে তিনটি অ্যাস্কেভেটর দিয়ে খনন কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়োজিত ঠিকাদার। আর নদীর বুকের নীচে থেকে ওঠানো বালি-মাটি থাকছে নদীর বুকেই। একাজে স্থানীয় এলাকাবাসী বাধা দিলেও কোন কাজে আসছে না। ফলে জনমনে চরম ক্ষোব জন্ম নিয়েছে।

পানি উন্নয়ন র্বোড সুত্রে জানাযায়,তাহিরপুর থানার সম্মুখ থেকে সোলাইমানপুর বাজার পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার নদী খননের জন্য ৭কোটি ৩২লাখ ৬৩হাজার টাকা ব্যায়ে টেন্ডারের মাধ্যমে কাজটি পায় আলম খান নামে এক ঠিকাদার।

জানা যায়,উপজেলার থানা সামনে(পশ্চিম দিকে)এই খনন কাজ শুরু থেকেই খননে নদীর মাঝ থেকে মাটি কেটে নদীর পাশেই ফেলা হচ্ছে। থানার সম্মুখ থেকে সোলাইমানপুর বাজার পর্যন্ত ৬কিলোমিটার বর্ষায় নৌযান চলাচল করতে পারলেও নদীর নাব্যতা সংকটের কারনে কোন ধরনের নৌযান চলাচল করতে পারে না শুষ্ক মৌসুমে। ফলে ভৈরব,কিশোরগঞ্জ,মোহনগঞ্জ,সুনামগঞ্জ থেকে বিভিন্ন মালামাল ও টাংগুয়ার হাওরে নৌ-পথে পর্যটকদের পরিবহন সম্ভব না হওয়ায় সড়ক পথে খরছের পরিমান বেশী হওয়ায় ব্যবসা বানিজ্যে ক্ষতির শিকার হওয়ায় পাশা পাশি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পর্যটক ও ব্যবসায়ীসহ সর্বস্থরের জনসাধানের সুবিধার্ত্বে নদীর নাব্যতা সংকট দুর করার জন্য ড্রেজার দিয়ে বর্ষায় নদী খননের কথা থাকলেও ঐ ঠিকাদার এখন অ্যাস্কেভেটর দিয়েই নদী খনন কাজ শুরু করেছেন।

সাজিদ মিয়া,রফিক মিয়াসহ স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,বৌলাই নদীতে এখন ড্রেজারের পরির্বতে অ্যাস্কেভেটর দিয়ে মাটি খনন করছে। নদীর বুক থেকে মাটি খনন করে সেই মাটি আবার নদীর পাশে ফেলে রাখছে। এতে করে সামান্য বৃষ্টি হলে সেই মাটি আবার খনন করা জায়গায় চলে যাবে। এখন এই খনন কাজে যে টাকা খরচ হবে তা সরকারের ক্ষতি। পানি বাড়লে ড্রেজার দিয়ে খনন কাজ করা যুক্তি সংগত হত।

এবিষয়ে অ্যাস্কেভেটরের মালিক আলীম উদ্দিন জানান,ভাই আমাকে ঐ কন্ট্রাক্টার শুধু বলেছে নদীর বুক থেকে কিছু গভীর করে মাটি তুলে নদীর পাশে রাখার জন্য। আমি আমার লোকদিয়ে সেই কাজটি করছি। এর বেশী কিছু আমি জানি না। দৈনিক তিনটি মেশিন দিয়ে কাজ করছি। আমাকে না করলে আমি কাজ বন্ধ করে দিব।

ঠিকাদার আলম খান বলেন,আমার সঙ্গে কথা না বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন কারন আমি যে ভাবে কাজ পেয়েছি সে ভাবেই কাজ করছি।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাজ্জাদ আহমদ বলেন,নদী খনন ১০মিটার খনন কম হওয়ায় বিবেচনা করে আবারও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের নিকট নতুন প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে ২০মিটার অর্থাৎ ৬০ফুট খনন করার জন্য। এখনো এই প্রস্তাবনা অনুমোদিত হয় নি।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান বলেন,পরিকল্পিতভাবেই নদী খনন করা হবে। এই কাজ কেবল শুরু হয়েছে। নদী ২০মিটারই খনন হবে। মাটিও নদী থেকে সরিয়ে ফেলা হবে। কাজ কেবল শুরু হয়েছে। সময় গেলেই সকলে বুঝতে পারবেন কী হচ্ছে না হচ্ছে।

এবিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জি বলেন,নদীর গভীরতা বেশী না হলে নদী খনন কোন কাজেই হবে না। আর নদীতে অ্যাস্কেভেটর দিয়ে কাটা মাটি নদীতে না রেখে সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc