Friday 28th of February 2020 03:57:53 PM

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ  ভালবাসা ! শব্দটি খুবই মধুর, আর তার সাথে যদি যুক্ত হয় ফেব্রুয়ারি মাসের ছোয়া তাহলে তা আলাদা রুপ নিয়ে আবির্ভাব করে ফেব্রুয়ারি মাসটি অন্য সকল মাসের থেকে একটু আলাদা কারন ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস, এই দিনে সবাই সবার ভালবাসা প্রকাশ করে দ্বিগুণ উদ্দীপনার সাথে,আমরাই বা কেন তার ব্যতিক্রম হতে যাব, ভালবাসা তো শুধু প্রেমিক প্রেমিকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, ভালবাসা ছড়িয়ে আছে মায়ের মমতায়, বাবার আদরে, ভাই বোনের আদরে, বন্ধুর দুষ্টুমিতে অসহায়দের প্রতি মমতা ভালবাসারই একটি অংশ, আমাদের ইট কাঠের দেয়ালে ঘেরা এই শহরে ওদের প্রতি ভালবাসা দেখানোর মানুষের খুবই অভাব, কি হয় যদি এক ভালবাসা দিবসে একজন অসহায় শিশুর মুখে একটু খাবার তুলে দিলে ? তার সেই হাসিতে কি ভালোবাসা লুকিয়ে নেই ?

মৌলভীবাজার ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাস দিবস উপলক্ষে গ্রীন লাইফ আয়োজন করেছে সুবিধাবি তদের সাথে কাটুক আমার আপনার ভালোবাসা দিবস। সকালে মৌলভীবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাটে সুবিধাবি তদের নিয়ে বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে,বিকেলে গ্রীন লাইফের প্রতিষ্টাতা সভাপতি রিংকু দেব এর সভাপতিত্বে ও বিকাশ মল্লিকের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগে তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক সজীব আহমদ,বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুবলীগের সদস্য কামরুল ইসলাম শোহাগ। এসময় বক্ত্যরা বলে আমরা যদি প্রতিটি শিুদেও আপন করতে হবে।
সারাদেশে পথশিশুদের নিয়ে অনেক বেসরকারি সংগঠন কাজ করে। কেউ খাবার দেয়। কেউ পোশাক দেয়। কেউ দেয় শিক্ষা। কেউ আবার তাদের বিনোদনের ব্যবস্থাও করে। তবে দিনশেষে তাদরে পথেই ফিরে যেতে হয়। তাদের  পুরোপুরি পুর্নবাসনের জন্য খুব বেশি উদ্যোগ নেই। শহরে অনেক বেসরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ আছে এই পথশশিুদের জন্য। সরকারি কছিু উদ্যোগও আছে। কিন্তু কোনো উদ্যোগই টেকসই নয়। এটা ঘায়ে মলম দেয়ার মতো। আসলে তাদরে দরকার স্থায়ী পুর্নবাসন। আয়োজন শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার তুলে দেয়া হয়। এর পর সুবিধাবি তদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: মৃদুমন্দ বাতাসে ভেসে আসা ফুলের গন্ধে বসন্ত জানিয়ে দিচ্ছে, সত্যি সত্যি সে ঋতুর রাজা। বসন্ত তারুণ্যেরই ঋতু। স্বাগত বসন্ত। প্রাণ খুলে তাই যেন কবির ভাষায় বলা যায়, ‘আহা আজি এ বসন্তে/ এতো ফুল ফোটে/এতো বাঁশি বাজে/এতো পাখি গায়’। বাঙালির জীবনে বসন্তের উপস্থিতি অনাদিকাল থেকেই। কবিতা,গান, নৃত্য আর চিত্রকলায় আছে বসন্তের বন্দনা।
ষড়ঋতুর দেশে আবহমান গ্রামবাংলার প্রকৃতিতেই মূলত বসন্ত জানান দেয় তার আগমনী বার্তায়। গ্রামের মেঠোপথ, নদীর পাড়, গাছ, মাঠভরা ফসলের ক্ষেত বসন্তের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে।

তেমনি এবারও মেঘালয় পাহাড় ও যাদুকাট নদীর তীরে প্রাকৃতির অপরুপ এক অনবদ্র কাব্যবিক ভাবনায় প্রান্তর দেশের বৃহত্তর জয়নাল আবেদিন শিমুল বাগানেও ফুটেছে শিমুল ফুল। প্রতি বছরের মতই শীতের শেষে ফাল্গুনের আবাশে প্রয়াত বৃক্ষপ্রেমী জয়নাল আবেদিনের হাতে লাগানো সারিবদ্ধ ভাবে সাজানো ৩হাজারের অধিক শিমুল গাছে সবুজের আবৃত্ত বেধ করে রক্তিম লাল শিমুল ফুল ফুটতে শুরু করে।

আর ইতিমধ্যে প্রতিটি গাছের ডালে ডালে শিমুল ফুলের পাপড়ি মেলেছে। যার ফলে বাগানটাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় লাল ফুলের গালিছা বিছিয়ে ডাকছে দেশ-বিদেশের প্রকৃতি প্রেমী,পর্যটক ও সৌন্দর্য পিপাসুদের।
শিমুল বাগানে প্রকৃতি প্রেমী,পর্যটক ও সৌন্দর্য পিপাসুদের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে। এমনটাই মনে করছেন বাগান মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাগন। আর আগত দেশ-বিদেশের পর্যটক,দর্শনার্থী ও প্রকৃতি প্রেমীদের নিরাপত্তা সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জি।
তিনি জানান,আগত সকল পর্যটকদের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্নক সহযোগীতা করা হবে।
সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ও উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থান মানিগাওঁ গ্রাম সংলগ্ন শিমুল বাগানটির অবস্থান।
এদিকে,আগতদের সুবিধার্ত্বে সম্প্রতি বাগানের মালিকদেরপক্ষ থেকে একটি খাবার হোটেল নির্মান এবং বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে করে আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীরা উপকৃত হবে বলে জানান,শিমুল বাগানের প্রতিষ্টাতা জয়নাল আবেদিনের ছেলে সাবেক বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  রাখাব উদ্দিনবলেন,বাবার রেখে যাওয়া এই দৃষ্টি নন্দন শিমুল বাগানটি দেখা শুনা করার পাশা পাশি আরো কি ভাবে ভাল রাখা যায় সৌন্দর্য ভাড়ানো যায় সে চেষ্টা আছে।
এছাড়াও বাগানে প্রতিদিনেই হাজার হাজার পর্যটক ও দর্শনার্থীরা আসছে তাদের খাবার সুব্যবস্থার জন্য হোটেল,বসার স্থান নির্মান করা হয়েছে। যাতে করে আগতরা কষ্ট করতে না হয়। এছাড়াও এই বাগানটিকে ঘিরে
পর্যটকদের স্বার্থে ও জেলার একটি আত্নর্জাতিক মানের রিসোর্স করা যায় সে চেষ্টাও আমরা পারিবারিক ভাবে করছি।
পর্যটক আবুল কাশেম বলেন,এই বাগানটি দেখতে অসাধারন,এত বড় শিমুল বাগান দেশের কোথাও আর দেখে নি। যার ফলে বাগানের ভিতরটায় গেলে এক অন্য রখম ভাল লাগার জন্ম নেয়। হারিয়ে যায় অন্য এক অজানা ভুবনে। নদী,পাহাড় আর শিমুল বাগান প্রকৃতির এক অপূর্ব মিলন মেলা এখানে। শুরু থেকে এপর্যন্ত ১৮বছরের ব্যবধানে শিমুল চারা এখন ডালপালা পুষ্প পল্ববে এক অতুলনীয় দৃষ্টি নন্দত বাগানে পরিনত হয়েছে। শুধু তাই নয় এই বাগানে বিভিন্ন ছবি,নাটক ও গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং হচ্ছে।
বসন্তের এ দিনে কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক আর না ফুটুক/আজ বসন্তৃ। ঋতুরাজ বসন্তের ফুল ফোটানোর পুলকিত সময় আজ। মাতাল হাওয়া, উড়াল মৌমাছিদের গুঞ্জরন, গাছের কচিপাতা আর কোকিলের কুহুতানে জেগে ওঠার দিন আজ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে আধুনিককালের বাউল কবির মনকেও বারবার দুলিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত।  চোখ বুজলেও টের পাওয়া যায় এসব দৃশ্যপট। তবে নগর জীবনেও বসন্ত ছন্দ তোলে মৃদু হিল্লোলে। কংক্রিটের নগরীতে কোকিলের কুহুস্বর ধ্বনিত হয় ফাগুনের আগমন সামনে রেখে।
ফাগুন হাওয়ার দোল লেগেছে বাংলার নিসর্গ প্রকৃতিতেও। ফুলে ফুলে রঙিন হয়ে উঠছে প্রকৃতির সবুজ অঙ্গন। মাঘের শেষ দিক থেকেই গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। শীতে খোলসে ঢুকে থাকা কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, নাগলিঙ্গম এখন অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠেছে।

এই বাগানে বেড়াতে আসা স্থানীয় সোহেল আহমেদ সাজু, অনেকেই বলেন,দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীরা শিমুল বাগানে শীত,বর্ষায় সব সময় দল বেঁেধ ছুঠে আসে সৌর্ন্দয উপভোগ করতে। ফলে হাওর,পাহাড়,নদীর পাশেই শিমুল বাগান সব মিলে মিশে মানিগাঁও গ্রামটি গড়ে উঠেছে প্রাকৃতির কাব্যবিক ভাবনায় প্রান্তরে।

জানা যায়,২০০২সালে বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত জয়নাল আবেদীন উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মানিগাঁও গ্রামে বালু আবরিত ৯৮ বিঘা অনাবাদী জমি ক্রয় করে বানিজ্যিক ভাবেই এই শিমুল বাগান তৈরী করার জন্য তিনি প্রাথমিক ভাবে চিন্তার করেন। এই চিন্তা থেকেই তিনি এবাগানে সারিবদ্ধ ভাবে ৩হাজারের অধিক
শিমুল চারা রোপন করেন।

কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সরাসারি বিভিন্ন ধরেনের বাসে সুনামগঞ্জ। সুনামগঞ্জ আব্দুল জহুর সেতু থেকে সিএনজি বা মটর সাইকেল জন প্রতি একশত টাকা লাউড়েরগড় বাজার। বাজার পার হয়ে যাদুকাটা নদী আর নদী পার হলেই শিমুল বাগান। আবার সুনামগঞ্জ আব্দুল জহুর সেতু পাড় হলে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি দিয়ে তাহিরপুর উপজেলা এরপর বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদাঘাট বাজার হয়ে শিমুল বাগান।

শ্রীমঙ্গল থেকে নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। আর এই ভালোবাসার দিবসকে বিভিন্ন শ্রেনিপেশার সুযোগ সন্ধানীরা ভিন্ন খাতে ব্যবহার করে লুটে নিচ্ছে বহু নিরপরাধ, সহজ-সরল, অন্ধবিশ্বাসী যুবক যুবতী এমনকি মধ্যবয়সী নারী পুরুষ ও সম বা অসম বয়সী অপরাধ প্রবণ সুযোগ সন্ধানীরা ফেলে দিচ্ছে অনিশ্চয়তার দিকে।

এতে বেড়ে যাচ্ছে অপরাধ, হিংসা-বিদ্বেষ ও ভালবাসার প্রতি অনীহা। যেখানে আজ পার্ক মাঠ-ঘাট বাগান রিসোর্ট হোটেল-মোটেলসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকাসহ ভালোবাসার নামে কলঙ্কিত, নিন্দিত হচ্ছে সমাজ ভারী হচ্ছে নির্জাতিতদের লম্বা লাইনের দীর্ঘশ্বাস।

আর ঠিক এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিতে দাঁড়িয়ে উপযোগী সময়ে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলের একঝাঁক তরুণ-যুবক মিলে স্বেচ্ছায় ব্যতিক্রমধর্মী এক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আর এই কর্মসূচিতে তারা শ্রীমঙ্গল শহর ও আশপাশের প্রায় তিন শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু, কিশোর-কিশোরী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে বিতরণ করেছে গোশত দ্বারা পাকানো বিরিয়ানি। আর এই মহৎ কাজটির আয়োজন করেছে “শ্রীমঙ্গল অনলাইন রক্তদান সংগঠন” নামের স্বেচ্ছা সেবী প্রতিষ্ঠান।

ভালবাসা দিবসের উপহার বিরিয়ানি প্যাকেট পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়া হয় অপেক্ষারত সুবিধা বঞ্চিত দের হাতে।   

এব্যাপারে তাদের টিমের একজন আরিফুর রহমান রাজু’র (লিলি হোটেলের পরিচালক) সাথে কথা হয়। রাজুকে এমন আয়োজনের কারণ জিজ্ঞাসা করলে “সে বলে আমরা কয়েকজন মিলে শ্রীমঙ্গল অনলাইন রক্তদান সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছি, আর এই সংগঠনের উদ্যোগেই আজকের এই আয়োজন। তিনি আরও বলেন,অনেক কারণ রয়েছে।যেখানে ভালোবাসা দিবসের নামে কিছু লোক অসৎ চিন্তা চেতনা ও মন ভাবনা নিয়ে সমাজের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্ম কাজে নিয়োজিত থাকে আমরা এর থেকে বেঁচে থাকতে এবং আমাদের সমবয়সী অন্যান্য ভাই বন্ধুদের কে উদ্বুদ্ধ করার জন্যই এই উদ্যোগ। ভালবাসার নামে প্রকৃত ভালোবাসা কিভাবে বাসতে হয় ? এর সামান্য উদাহরণ তৈরি করার চেষ্টা করছি মাত্র। যাতে করে সমাজের বিত্তবানরা বা বিত্তবানের সন্তানেরা এভাবে শুধু ভালোবাসা দিবস নয় বছরের প্রতিটা দিন এগিয়ে আসে গরিব অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে।

জানা যায়, শ্রীমঙ্গল অনলাইন রক্তদান সংগঠনটির সদস্যরা সুবিধা বঞ্চিত অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম আজ শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত বিতরণ করা হয়। এতে প্রায় প্রায় তিন শতাধিক (৩০০) সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু এবং অসহায় গরীব,মিসকিনদের মধ্যে ভালোবাসা দিবসে খাদ্য উপহার তুলে দেওয়া হয় ।

কাজ শেষে  শ্রীমঙ্গল অনলাইন রক্তদান সংগঠনটির সদস্যরা এক ফ্রেমে।

“শ্রীমঙ্গল অনলাইন রক্তদান সংগঠন”টির সদস্যরা হচ্ছে, সভাপতি ইমরান আহমেদ, মোঃ শাহ আল্‌ মোঃ আরিফুর রহমান রাজু ,সাইদুল ইসলাম সবু্‌জ,বাবুল মিয়া,আজহার উদ্দিন,আব্দুল হামিদ, মোঃ জোনায়েদ আহমেদ, পুলক দাশ , রাসেল আহমেদ , সাকিব আহমেদ , তারেক আহমেদ , শুভজিৎ , নুর আলম , সজল আহমেদ , মোজাহিদ আলি , অপু চন্দ্র শীল , রিপন আহমেদ , জাহিদ হাসান , আব্দুল খালিক , জাকারিয়া আহমেদ , মাহবুবর রহমান পারভেজ , মতিউর রহমান, আব্দুল মুকিত , মোঃ আজিজুর রহমান , মোঃ শহিদুল, অনিক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, সংগঠনটি ২০১৭ সাল থেকে অনলাইনে রক্ত কর্ম সূচির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। এ ছাড়া সরেজমিনে দেখা যায় “সেলফি দানে”র দিকে তাদের কোন আগ্রহ ছিল না ।সবাই আগত লোকদের খাওয়ানোর কাজেই নিজেদের ব্যাস্ত রেখেছে।

আকস্মিকভাবে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় একজন পূর্ণমন্ত্রী ও দু’জন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে পরিবর্তন এনেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সচিব জানান, মন্ত্রিসভায় রদবদল এনে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউলকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরুকে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে জয়ের পর গেল বছরের ৬ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। পরদিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যগণ শপথ নেন। এক বছরের মাথায় এসে আজ প্রথমবার এ রদবদল করা হয়েছে।

গুঞ্জন রয়েছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম আইনজীবী হিসেবে আইনানুগ পথ অনুসরণ করতে গিয়ে প্রভাবশালী মহলের বিরাগভাজন হন। সে কারণে তাকে এ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জ জেলার মিরপুর আলিফ সুবহান চৌধুরী সরকারি কলেজে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার এক কর্মির উপর ছাত্রলীগের কর্মীরা হামলা চালায়। সন্ত্রাসী এই হামলায় ওই কলেজের ছাত্রসেনার সাধারণ সম্পাদক গুরুত্বর আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মিরপুর আলিফ সোবহান চৌধুরী সরকারি কলেজে শাখার ( হবিগঞ্জ জেলার আওতাধীন) সাধারন সম্পাদক শামসুল ইসলাম জাকীরের উপর ছাত্রলীগ নেতা রায়হান এর নেতৃত্বে আজ (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ বর্বর হামলা হয়। এতে শামসুল ইসলাম জাকী গুরুত্বর আহত হয়।
জানা গেছে, কলেজের একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কর্মিরা এই হামলা করে। এর আগে মিরপুর আলিফ সুবহান চৌধুরী সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের বিভিন্ন অন্যায় কাজে প্রতিবাদ করা নিয়ে ছাত্রলীগের কর্মীদের সাথে ছাত্রসেনার সাধারণ সম্পাদকের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ১৩ ফেব্রুয়ারী কলেজের বিতর্ক প্রতিযোগীতায় শামসুল ইসলাম জাকীকে অংশ গ্রহন করতে ছাত্রলীগ কর্তৃক বাধা প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি ছাত্রলীগের বাধাকে উপেক্ষা করে বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করেন এবং বিজয়ী হন।
পরবর্তীতে দুপুরে কলেজের ছাত্রলীগ নেতা রায়হান এবং তার কিছু সহযোগীদের নিয়ে ছাত্রসেনার সাধারন সম্পাদক এর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার সময় কলেজের শিক্ষকগন বাধা প্রদান করলে তারা শিক্ষকদের গায়েও হাত তুলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে আহত জাকিকে ছাত্রসেনার অন্যান্য কর্মীরা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহত জাকীকে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তাকে দেখতে হাসপাতালে আসেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা কাউছার আহমদ রুবেল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট বাহুবল উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ,জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি নুরুদ্দীন, শাহজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনী, এম এ কাদির ও জুনের প্রমূখ।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: জমি সংক্রান্ত বিরুদের জের ধরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জৈন্তাপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। হামলার ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা সহ আহত ২জন গুরুত্বর আহত হয়। এঘটনায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলে শফাত হুসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে।

অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সাথে বিরোধ চলে আসছে। ১০ ফেব্রুয়ারী ঘর মেরামত কাজের জন্য বসত বাড়ীর পূর্ব পাশ হতে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আলী আহমদের স্ত্রী ২টুকরি মাটি নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ খারুবিল গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে মাহবুব হুসেন (৪০), জাকারিয়া (৩৮), কিবরিয়া (৩২), ইয়াহিয়া (২৮), নোমান (২২), একই গ্রামের মৃত তবারক আলীর ছেলে বশির আহমদ (৫৫) এবং বিরাইমারা গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (৪৮) গংরা দলবদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধার পরিবারে প্রবেশ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ছইদ আলী ও তার ছেলে আলী আহমদ উপর হামলা চালায়।

গুরুত্বর আহত হওয়ার পরও হামলাকারীরা শান্ত হয়নি, প্রাণে মারার লক্ষ্যে দেশিয় অস্ত্র শাবল সুলফি দিয়ে উপযুপরি আঘাত করে। বাড়ীর শিশু মহিলাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয় এলাকাবাসী ঘটনা দেখতে পেয়ে দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কবল হতে গুরত্বর আহতবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ছইদ আলী ও তার ছেলে আলী আহমদকে উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।

এলাকাবাসীর বাঁধায় পড়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

এদিকে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনের অবস্থা বেগতিক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। বর্তমানে আলী আহমদ কিছুটা সুস্থ হলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছইদ আলী এখন সঙ্গাহীন রয়েছেন। অপরদিকে চিকিৎসা কাজে ব্যস্থা থাকায় গত ১১ ফেব্রুয়ারী মুক্তিযোদ্ধার ছেলে শফাত হুসেন বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগটি প্রাথমিক তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে এবং আহতরা চিকিৎসাধীন থাকায় জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ দন্ডবিধি আইনের ১৪৩/ ৪৪৭/ ৪৪৮/ ৩২৩/ ৩২৪/ ৩২৫/ ৩২৬/ ৩০৭ পেনাল কোড ১৮৬০ ধারায় মামলা হিসাবে রেকর্ড করে (যাহার নং-০৫, তারিখ: ১১-০২-২০২০)।

এলাকাবাসী বলেন ২টুকরী মাটির জন্য তারা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা চালায় এটা অত্যান্ত নিন্দনীয় কাজ করেছে, প্রয়োজনে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারত। আমরা এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ট তদন্ত পূর্বক দোষিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী জানান।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা যোদ্ধা পরিবারের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্ধা জানান জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্ধরা। তারা আরও বলেন এই ধরনের হামলার ঘটনায় সুষ্ট বিচার না পেলে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের পক্ষে তীব্র আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক প্রতিবেদককে জানান, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে তদন্তপূর্বক অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড করেছি এবং আসামীদের গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি। আশারাখি দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট  ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার দুপুরে(১৩/০২/২০২০)মোল্লা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা হঠ্যাৎ করেই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন  করেন। পরে পরিদর্শন খাতায় স্বাক্ষর করার পর স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করান।
পরিদর্শন কালে সাথে ছিলেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলকাজ খন্দকার  লিটন,উত্তর  বড়দল  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালেদা কুমকুম,স্কুলের সহকারী শিক্ষকগন,আলী আহমদ মেম্বারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের দিলীপ রায়ের পুত্র মাদকসম্রাট রিংকু রায় (৩৪) বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, হবিগঞ্জ এ হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাহমিনা বেগম তাহার আবেদন নামঞ্জুর করে জেল কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

রিংকু রায় চুনারুঘাট থানার মামলা নং- ১২, তাং- ১৮/০৪/২০১৯ ইং, ধারা- ২০১৮ ইং সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১৯(ক) মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামী ছিল।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রিংকু রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন যাবত পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc