Thursday 26th of November 2020 07:41:06 AM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন ও ইউপি সদস্য মনির উদ্দিন সরকারী আদেশ লঙ্গন করে রোহিঙ্গা সনদ দেওয়া ও নিয়মবর্হিভূত ভাবে কাজ করায় বহিস্কার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত ০৪,০২,২০২০ইং তারিখে আফতাব উদ্দিনকে স্মারক নং ৪৬.০০.৯০০০.০১৭.০০৪.১৯-১৩৫ এছাড়াও একেই পরিষদের সদস্য মনির উদ্দিনকে স্মারক নং ৪৬.০০.৯০০০.০১৭.০০৪.১৯-১৩৭কে বহিস্কার করা হয়েছে।
স্মারক জানাযায়,জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা ২০১৮এর বিধি ৯ ও ১০ধারায় জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র প্রদানের বিষয়ে সু স্পষ্ট নির্দেশনা প্রতিপালন না করে রোহিঙ্গাদের জন্ম সনদ প্রদান করে সরকারী আদেশ অমান্য করার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হয়েছে। সরকারী আদেশ অমান্য করায় জনস্বার্থে তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাশনিক দৃষ্টিকোনে সমীচীন নয় মর্মে মরকার মনে করে। সেহেতু সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন কতৃক সংঘটিত অপরাধমূলক র্কাযক্রম পরিষদসহ জনস্বার্থেও পরিপন্থি বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ)আইন ২০০৯এর ৩৪(১)ধারা অনুযায়ী উল্লেখিত চেয়ারম্যানকে তার স্বীয় পদ হতে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হলো। এ আদেশ কতৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে জনস্বার্থে জারী করা করা হলো এবং তা অবিলম্বে র্কাযকর কবে। একেই পরিষদের সদস্য মনির উদ্দিনকেও উপরোক্ত কারনে বহিস্কার করা হয়েছে।
এবিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যনার্জি জানান,এখন পর্যন্ত আমার কাছে এমন কাগজ আসে নি। তবে জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয় থেকে নিয়মবর্হিভূত ভাবে কাজ করায় চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন কে বহিস্কার করা হয়েছে বলে আমাকে জানানো হয়েছে। হয় ত কাল সকালে এই কাগজ পেয়ে যাব।

উল্লেখ্য,২০১৬সালে রোহিঙ্গা নির্যাতনের সময় দালাল ধরে সপরিবারে টেকনাফে আসেন আব্দুছ ছবুর ও তার পরিবার। সেখানে কিছুদিন থাকার পর রমজানে মাওলানা আল আমিনের হাত ধরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তের গুটিলা গ্রামে চলে আসেন। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিকত্ব সনদ বের করেন। পরে গোপন সংবাদের বৃহস্পতিবার(১৪সপ্টেম্বর-২০১৭)গুটিলা গ্রামে অভিযান চালায় রাতে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসার পর আব্দুছ ছবুর,তার স্ত্রী,দুই ছেলে,চার মেয়ে,পুত্রবধূ ও নাতিসহ মোট ১২জনকে টেকনাফ রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

বিজয়ের আগুন জ্বলেছিল তাদের চোখের  কোনে , বিশ্ব জয়ের এই নেশা চেপে বসেছিল অনির্বাণ হৃদয়ের গভীর গহ্বরে। হ্যামস্ট্রিংয়ের যন্ত্রণা কাতর ইমনদের সঙ্গে চাতকের মতো আবেগ নিয়ে বসে ছিল পুরো দেশ। নতুন আকাঙ্ক্ষা, নতুন সময়, বিশ্বজয়ের মুকুট- পুরোনো নক্ষত্রদের দিন শেষ হয়ে নতুনরা আসবে বলেই আশার ডালি নিয়ে টেলিভিশনের সামনে বসেছিল যে মুখগুলো- তাদের হতাশ করেননি যুবারা। ক্রিকেট ইতিহাসের এক ব্রাহ্মমুহূর্তে ভারতকে ডিএল মেথডে ৩ উইকেটে হারিয়ে যুব ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট এখন বাংলাদেশের। মেধা, প্রজ্ঞা, প্রচেষ্টা, প্রতিভা- সব মিলিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ভুবনজয়ী এই বাংলাদেশ। বুকে হাত রেখে নতুন এই প্রজন্মের জন্য প্রত্যেক বাংলাদেশিই- ‘আমরা করবো জয় একদিন…’-এর বদলে আজ থেকে গাইতে পারে ‘আমরা করেছি জয়…।’ সেই দিন, যেদিন বিশ্বক্রিকেটকে মোহিত করে যুব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-সবুজের বাংলাদেশ।

ক্রিকেটে সেক্টরে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব শিরোপা জয়টি সহজে আসেনি। প্রতিপক্ষ ভারতকে মাত্র ১৭৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৫০ রান তুলে ফেলার পরও না। রবি বিষ্ণয়ের লেগস্পিন ভেলকি আর নিজেদের শট নির্বাচনের ব্যর্থতায় ১০২ রানেই চলে গিয়েছিল ৬ উইকেট। ১৭৮ রানের লক্ষ্যটা তখন বহু দূরের পথ। ব্যাটসম্যান বলতে অধিনায়ক আকবর আলী; সঙ্গে অর্ধেক সুস্থ পারভেজ হোসেন ইমন। পেশির টানে মাঝপথে মাঠ ছেড়ে যাওয়া বাঁহাতি ওপেনার দলের প্রয়োজনে ফেরেন সপ্তম উইকেটে। পেইন কিলার নিয়ে সঙ্গ দেন আকবরকে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে দু’জন মিলে দলের স্কোরবোর্ডে মহামূল্যবান ৪১ রান যোগও করেন। তবে ইমন ৭৯ বলে ৪৭ রান করে আউট হওয়ার পরও জিততে দরকার ছিল ৩৫ রান। যুব ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ১৩ রান করা রকিবুল হাসানকে নিয়ে আকবর তখন প্রায় নিঃসঙ্গ নাবিকের মতো। ওদিকে আকাশে বৃষ্টির চোখরাঙানি থাকায় উইকেট পড়লে ডিএল মেথডে এসে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা। সব মিলিয়ে প্রতিকূল হয়ে ওঠা মুহূর্তটিতে ধীরস্থির মাথায় টিকে থাকার মন্ত্র নেন আকবর। ইমন আউট হওয়ার পর টানা ১৭ বল তিনি কোনো রান নেননি। এরপর রকিবুলও পিচে কিছুটা গুছিয়ে ওঠার পর আস্তে আস্তে রানের জন্য শট খেলতে থাকেন। কোনো বিপদ ছাড়াই ডিএল মেথডে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধের মুহূর্তে ৫৪ বলে ১৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। কিছুক্ষণ খেলা বন্ধের পর পরিবর্তিত লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ বলে ৭ রানের। ৭ বল খরচায় তা নিপুণ দক্ষতায় তুলে নেন আকবর-রকিবুল। আনকোলেকারের বল মিড উইকেটে খেলে জয়ের রান নেন রকিবুল। অন্য প্রান্তে আকবর অপরাজিত তখন ৪৩ রানে। ৭৭ বল খেলা যে ইনিংসের মাহাত্ম্য কেবল একটি ম্যাচের বা যুব বিশ্বকাপ ফাইনালেরই নয়, আগামীর বাংলাদেশের আগমনী বার্তারও।

অবশ্য এর আগে বাংলাদেশের বিশ্বকাপজয়ের স্বপ্নটা উজ্জ্বল করে তোলেন বোলাররা। বিশেষ করে তিন পেসার শরিফুল, সাকিব ও অভিষেক। টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর পর নতুন বলে প্রথম দুই ওভারই মেডেন নেন শরিফুল ও সাকিব। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে ভারতকে জিতিয়েছিলেন যশস্বী জয়শাল ও দিব্যান সাক্সেনা। বাংলাদেশের দুই পেসার সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে টিকে থাকতে গিয়ে প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৮ রান নিতে পারেন তারা। শুরুর এই চাপ সামলাতে টার্গেট করেন তৃতীয় পেসার অভিষেককে। আর তা করতে গিয়েই উল্টো সাক্সেনা আউট হয়ে যান। তবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক যশস্বী তিলক ভার্মাকে নিয়ে পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠেন।

তবে কোনো পর্যায়েই হোক চ্যালেঞ্জের দ্বিতীয় উইকেটে ৯৪ রান যোগ করেন দু’জন। সাকিব এসে ৬৫ বলে ৩৮ রান করা তিলককে ফেরানোর পর রকিবুলের স্পিনে কাটা পড়েন প্রিময় গার্গ। ১১৪ রানে তিন উইকেট যাওয়ার পর চতুর্থ উইকেটে আবার স্বস্তিতে ফেরে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। তবে স্কোরবোর্ডে দেড়শ’ রান তুলতে ৩৯ ওভার পেরিয়ে যায়। হাতে উইকেট রেখে শেষ দশ ওভারে চালিয়ে খেলার চিন্তা করলেও চল্লিশতম ওভারে জোড়া ধাক্কা খায় ভারত। শরিফুলের টানা দুই বলে আউট হন জয়শাল আর সিদ্ধেশ ভীর। সেমিফাইনালের সেঞ্চুরিয়ান জয়শাল আউট হন ১২০ বলে ৮৮ রান করে। ৫ উইকেট নিয়ে এরপরের ওভারগুলোয় আর রান বাড়াতে পারেনি ভারত। উল্টো টপাটপ উইকেট হারিয়ে ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রানে গুটিয়ে যায়। ২১ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারায় দলটি। বোলিংয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেওয়া অভিষেক এ সময় নেন আরও দুই উইকেট। ডানহাতি এ পেসার ৯ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেও আধিপত্য বিস্তারে ও রান আটকানোয় বেশি সফল শরিফুল আর সাকিব। বাঁহাতি শরিফুল ১০ ওভারে ৩১ রানে নেন ২ উইকেট; সাকিব ৮.২ ওভারে ২ উইকেট নেন ২৮ রানে। এ ছাড়া স্পিনে মাত্র এক উইকেট নিলেও দশ ওভারে মাত্র ২৯ রান দেন। তৌহিদ হৃদয়ও চার ওভারে মাত্র ১২ রান দেন। প্রায় সব বোলারের এই আঁটসাঁট বোলিং আর পেসারদের দুর্দান্ত কিছু ডেলিভারির সুবাদে ভারতকে দুইশ’র কমে বেঁধে রাখে বাংলাদেশ, যা কঠিন-দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে অর্জিত হয়ে যায় ৪২.১ ওভারে।

অভিনন্দন: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতায় বাংলাদেশের যুবাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজনীতিবিদ, বিশিষ্টজনসহ অনেকেই। তাদের মধ্যে রয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে ঘটনার মুল নায়ক টমটম চালক কবির মিয়াসহ আটক ৩ অপরাধী।

(more…)

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী বলেছেন, আরএসএস ক্যাডাররা পাকিস্তানি জঙ্গিদের মতো প্রশিক্ষণ পায়। শনিবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) বিরোধী দলীয় সভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি ওই মন্তব্য করেন।

বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী বলেনআরএসএস ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে গিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। পাকিস্তানি জঙ্গিদের যে কায়দায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়সেইভাবেই আরএসএসের কর্মীরা ট্রেনিং পায়। তিনি আরও বলেনএরা ঘরে ঘরে গিয়ে বিভেদনীতি ছড়িয়ে দিচ্ছেদাঙ্গা বাঁধাচ্ছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই আলিপুরদুয়ার জেলা জুড়ে সিএএএনআরসি বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। ওই ইস্যুতে শনিবার আলিপুরদুয়ারে ছিল তৃণমূলের অবস্থান-বিক্ষোভ। সেই মঞ্চ থেকেই উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরএসএস ও বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী।

তিনি বলেনআরএসএস হল বিজেপির মুখ। ওদের জঙ্গি কার্যকলাপ দেখতে পাচ্ছি। পার্টি অফিস ভেঙে দিচ্ছে। খুন করে দিচ্ছে। ওঁরা মানুষের ভালো করার জন্য আসেনি।

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী এভাবে আরএসএস-বিজেপির কঠোর সমালোচনাসহ সরাসরি পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তুলনা করায় আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘাতের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

গেরুয়া শিবির পাল্টা আক্রমণের পথে হেঁটে শাসকদল তৃণমূলের ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপির জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, ‘আইনি নোটিশ পাঠাব। ওনাকে প্রমাণ করতে হবে আরএসএস স্ময়ংসেবকদের জঙ্গিদের মতো প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তৃণমূল বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী অবশ্য ওই হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন না।সুত্রঃপার্সটুডে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে থাকা ১৭১ জন বাংলাদেশিকে আনতে বাংলাদেশ বিমানের কোনো উড়োজাহাজ ও ক্রুকে দেশটিতে পাঠানো যাচ্ছে না। তাই করোনাভাইরাস সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল থেকে আটকে পরা বাংলাদেশিদের আনা এ মুহূর্তে সম্ভব হচ্ছে না।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “চীন থেকে ৩১২ জনকে ফিরিয়ে আনতে বিমানের যে ক্রুরা গিয়েছিলেন তাদের অন্য দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে এখনো যারা রয়েছেন তাদের ফিরিয়ে আনতে অনেক অর্থ খরচ করা হয়েছে। এরপরও তাদের দেশে আনা যাচ্ছে না। শুধু চীনের বিমান প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ফিরিয়ে আনতে পারে। এ বিষয়ে চীন প্রথমে রাজি হলেও পরে তারা নাকচ করে দেয়। চীনে কোনো ক্রু সদস্য না যেতে চাওয়ায়, আমরা কোনো ফ্লাইট পাঠাতে পারছি না।”

আব্দুল মোমেন বলেন, “প্রথমে এসে তাঁরা খুব অসন্তুষ্ট ছিলেন, আমরা তাঁদের প্রথম শ্রেণির সেবা দিইনি। পাঁচ তারকা হোটেলে রাখিনি। তাঁদের কেন ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখব? এখন যাঁরা আসতে চান, তাঁদের আনতে গেলে অনেক টাকা খরচ হবে। আমরা তাঁদের আনতে চাই। কিন্তু আমাদের বিমান যেটি আগে গিয়েছিল, তার ক্রুদের সবাই এখন লেট কোয়ারেন্টাইনে বসে আছেন। এখন তাঁরা কোথাও যেতে চাচ্ছেন না। বিমান কোথাও যেতে চাচ্ছে না। আমরা ডিসইনফেকশন করেছি অনেক টাকা খরচ করে। ১ লাখ ৩৩ হাজার ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে। এ জন্য আমরা বলেছি, যাঁরা ফিরতে চান তারা যদি চাইনিজ চার্টার্ড ফ্লাইট ঠিক করে…আমাদের দূতাবাসকে বলছি তারা চেষ্টা করছে। একপর্যায়ে পাওয়া গিয়েছিল (চার্টার্ড ফ্লাইট) এখন চীনারা অনুমতি দিচ্ছে না। তাই আমরা একটি দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি।”

উহানে থাকা বাংলাদেশিদের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তাঁদের খাওয়া-দাওয়া সব চীনারা নিশ্চিত করছে। চীনের একজন উপনেতাকে তাঁদের জন্য যুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা ২৩টি জায়গায় থাকেন। একেকটি জায়গায় লোক নিয়োগ করা হয়েছে। খাবার-দাবার, পানীয়সহ তাঁদের সবকিছু যথাসময়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কেউ যদি বলে থাকেন খাবার পান না, এটা ঠিক না।”

বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস কী করছে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “দূতাবাস যোগাযোগ রাখছে। নিয়মিত তাঁদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। ৩৮৪ জনের একটি গ্রুপ করা হয়েছে উইচ্যাটে। তাঁদের বলেছি, ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থেকে চাইনিজরা যখন বলবে, তখন তোমরা আসো। সরকার যদি ওদের পয়সা দিয়ে না আনে, তবে এদের ৮০ শতাংশই আসবে না। বাকিগুলো থেকে যাবে। সরকার বিনে পয়সায় নিয়ে আসে, সে জন্য তাদের আরেকটু উৎসাহ আছে। তারা এখানে আসলে ভালো হয়ে যাবে, এটা ঠিক না।”

আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাসে চীনে ইতোমধ্যে সাত শতাধিক মানুষ মারা গেছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইলে উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতায় ম্যাজিস্ট্রেসী ফুটবল দল ২-০ গোলে জজশীপ ফুটবল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
খেলার প্রথমার্ধে ম্যাজিস্ট্রেসী ফুটবল দল প্রতিপক্ষ জজশীপ ফুটবল দলের জালে ২টি গোল দিয়ে জয়ের পথে এগিয়ে থাকেন। ম্যাজিস্ট্রেসী দলের ব্যারিস্টার কাজী সেতু ও রাশেদ গোল দু’টি করেন। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে কোন দলই আর গোল করতে পারেননি। নির্ধারিত সময় শেষে রেফারীর বাঁিশর মধ্যদিয়ে বিজয়ী ম্যাজিস্ট্রেসী দলের খেলোয়ার ও সমর্থকরা বিজয় আনন্দে মেতে ওঠেন।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো অপারেটিভ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে চ্যাম্পয়ন ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ নীলুফার শিরিন।

এসময় ম্যাজিস্ট্রেসী দলের অধিনায়ক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদী আল মাসুদ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হায়দার আলী খোন্দকার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আসাদুল্লাহ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোরশেদুল আলম, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নয়ন বড়াল, ম্যাজিস্ট্রেসী দলের টীম ম্যানেজার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদা, সিনিয়র সহকারী জজ মোঃ রহমত উল্লাহ, সহকারী জজ হাবিবুর রহমান, সহকারী জজ তাকিয়া সুলতানা, ব্যারিস্টার কাজী সেতু সহ অতিথিবৃন্দ।
বক্তব্যকালে প্রধান অতিথি বলেন. আমরা আজ একটি সুন্দর বিকেল অতিবাহিত করলাম। আমরা একটু হলেও গতানুগতি জীবনের ধারা হতে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। আমরা আজ নির্মল আনন্দ পেয়েছি। দুটি দলই খুব সুন্দর খেলেছে। এটা মুলত একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। নির্মল আনন্দ পেতে পরবর্তীতে এধনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে প্রধান অতিথি জানান।
খেলা চলাকালে জজ আদালত ও চীফ জুডিসিয়াল আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা, আইনজীবি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার ক্রীড়ামোদীরা খেলা উপভোগ করেন।

সিলেটের জৈন্তাপুরে ব্লক ইট কারখানা উদ্বোধন কালে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সকল ইটভাটা বন্ধ করে দেবে সরকার। ভাটায় পোড়ানো ইটগুলো পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর।তিনি অারও বলেন, ইটভাটা গুলো দিন দিন নষ্ট করছে ফসলি জমি, ব্যাপক ক্ষতি করছে পরিবেশের। তাই এখন থেকে সবাইকে পরিবেশবান্ধব ব্লক ইট ব্যবহারের চেষ্টা করতে হবে।

০৮ ফেব্রুয়ারী শনিবার সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরের বাঘেরখাল এলাকায় দুপুরে ‘পরিবেশ বান্ধব ব্লক (ইকোইট) ইট ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। একই স্থানে ‘ সাধ্যের মধ্যে স্বপ্নের বাড়ি’ নামক আরেকটি প্রকল্প উদ্বোধন করেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী।প্রকল্প দু’টির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার নাহিদা পারভীন, স্বাগত বক্তব্য রাখেন ‘পরিবেশ বান্ধব ব্লক (ইকোইট) ইট ইন্ডাস্ট্রি’র ফাউন্ডার ও সিইও মিটু তালুকদার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এ.কে. এম রফিক, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ইসরাত জাহান পান্না, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তর মো. মাহবুবুল আলম, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক, অফিসার ইনচার্জ তদন্ত ওমর ফারুক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরী, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এ্যাড. রণজিৎ সরকার, ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরী, ও ‘পরিবেশবান্ধব ব্লক (ইকোইট) ইট ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচালক রজত কান্তি গুপ্ত, রমজান রূপজান বাঘেরখাল একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল সিরাজুল ইসলাম, জৈন্তাপুর উপজেলা অাওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ফারুক অাহমদ, উপজেলা যুব লীগের অাহবায়ক অানোয়ার হোসেন প্রমুখ৷ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ক্বোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন বাঘেরখাল মাদরাসার ছাত্র আব্দুর রহিম।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc