Friday 22nd of November 2019 11:15:03 AM

বিশেষ প্রতিনিধি,সুদীপ কৈরী: মৌলভিবাজার জেলার অন্তঃর্গত শ্রীমঙ্গল উপজেলার কাকিয়া ছড়া চা বাগানে শান্তি বিজয় যুব সংঘের উদ্যোগে গতকাল ০১ নভেম্বর শুক্রবার ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল কর্তৃক আয়োজিত ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদানের উৎসাহীকরন কর্মসূচি করা হয়।

উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজয় যুব সংঘের সভাপতি -মধুসূদন গোয়ালা সহ সভাপতি -রুবেল আহমেদ সম্পাদক -আবদুল রশি এবং আরো উপস্থিত ছিলেন ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল এর সদস্য মুহিবুর রহমান জুয়েল, মহসীন আবেদিন,শামিম আহমেদ,রিপন মৃর্ধা, আব্দুস সুবহান,ইকবাল হোসেন ভুইয়া,জাহিদুল ইসলাম বাবু,মাহফুজ আহমেদ ছাদি,আরিফুল ইসলাম,মাহবুবুল আলম বাশার,সাব্বির আহমেদ,সাব্বির,রুমান,সোহেল তন্তুবায় ,শাহেদ,জুয়েল, নজমুল,মনির,মতিভাই, রাকিব,আরিফ(সাতগাও), সাজ্জাদ,লিমন,বাপ্পিসহ ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল এর সকল সদস্যবৃন্দ।

কাকিয়া ছড়া চা বাগানের শিক্ষিত সমাজের লোকজনসহ সাধারণ চা শ্রমিক সবাই অনেক আনন্দসহিত উক্ত ফ্রি রক্ত গ্রুপ নির্ণয় ও গর্ভবতী মায়েদের গর্ভকালীন সময়ে করণীয় বিভিন্ন বিষয় সমুহের উপর সচেতনতা মূলক আলোচনা অংশগ্রহণ করেন।

এই কর্মসূচিতে কাকিয়া ছড়া চা বাগানে ৩০৪ জনের রক্তের গ্রুপ ফ্রি ভাবে নির্ণয় করা হয় এবং গর্ভবতী মায়েদের গর্ভকালীন সময় করণীয় বিভিন্ন বিষয়সমুহের উপর সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল কতৃক আয়োজিত এই মহান কর্মসূচি কে কাটিয়া ছড়া চা বাগানে সকলেই সাধুবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেদের উৎসর্গ করবেন বলে ব্লাডম্যান শ্রীমঙ্গল সংগঠনের সবাইকে প্রত্যাশা দেন।

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার যুবদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার ২নভেম্বর দুপুরে কোর্ট রোড থেকে জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জলের নেতৃত্বে শহরে আনন্দ র‌্যালি শুরু করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়, ঘন্টা খানেক ধস্তাধস্তির পর সেখানেই সংক্ষিপ্ত আলোচনা করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্টান শেষ হয়।
র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম.নাসের রহমান। এসময় তিনি বলেন বলেন ২০টি জেলায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ র‌্যালি হয়েছে পুলিশ বাধা দেয়নাই শুধু মৌলভীবাজারে তার ব্যতিক্রম ঘটেছে, আমরা চাইলে জোর করে আনন্দ র‌্যালি করতে পারতাম কিন্তু জেএসসি পরীক্ষার জন্য তা করিনি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উপস্তিত ছিলেন ,জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মুকিত, ফজলুল করিম ময়ুন সাংগঠনিক সম্পাদক বকসি মিজবা,স্বেচ্ছাবেবক দলের সভাপতি স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

মিনহাজ তানভীরঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের “আইটেক টেকনিক্যাল কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে”র উদ্যোগে আয়োজিত  শ্রীমঙ্গল গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ এর নওমি মঞ্জিলে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে কম্পিউটার কোর্সে শিক্ষার্থিদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ,বাৎসরিক কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অতিথি বৃন্দের সাথে “আইটেক টেকনিক্যাল কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে”র শিক্ষক ও  পুরস্কার প্রাপ্তরা।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সৈয়দ মুন্সুরুল হক,প্রিন্সিপাল দারিকাপাল মহিলা ডিগ্রি কলেজ। সভাপতিত্ব করেন ভুনবীর দশরত স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ঝলক কান্তী চক্রবর্তী।বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অসীম কুমার কর। দ্বারিকা পাল মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক রজত শুভ চক্রবর্তী। শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের প্রভাষক মো: সাইফুল ইসলাম। বিটিআর আই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সায়েক আহমদ। বর্ডার গার্ড পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিশি কান্ত দেব। আব্দুল ওহাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালেদ মো: আব্দুল বাছিত। আছিদ উল্ল্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: আক্তার হোসেন। মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপন কান্তি রক্ষিত। ধোবার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃপেশ চন্দ্র দেব। শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শামিম আক্তার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী প্রমুখ।

শ্রীমঙ্গল গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ এর নওমি মঞ্জিলেউপস্থিত দর্শক ও ছাত্র ছাত্রীদের একাংশ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জলি মল্লিক। এ সময় উক্ত ট্রেনিং সেন্টারের ৪৫জন মেধাবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ ও কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। বাৎসরিক কুইজ প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অধিকার করে অর্পা দাশ ।

এ ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের প্রধান শিক্ষক,শিক্ষকসহ স্থানীয় মিডিয়া কর্মী, রাজনৈতিক কর্মী, সমাজ কর্মী,সাংস্কৃতিক কর্মী ও শতাধিক ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সেনার সংখ্যা বেড় ৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার মালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি সেনা অবস্থানে এ হামলা হয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর আগে সেপ্টেম্বরের শেষে মালির কেন্দ্রে দুটি সামরিক ঘাঁটিতে সমন্বিত হামলা চালিয়ে ৩৮ জনকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার এ হামলা হল। সেপ্টেম্বরের হামলার পর ওই দুটি সেনাঘাঁটির নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা।

এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করে নি। তবে পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশটিতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল কায়েদা ও দায়েশ বা আইএস’র শক্ত ঘাঁটি রয়েছে।

মালিতে ফরাসী সেনা ও আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বেড়েছে।পার্সটুডে

সুজই বকশী,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধুর দর্শন সমবায়ে উন্নয়ন” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সারা দেশের সাথে নড়াইলেও ৪৮ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার জেলা সমবায় বিভাগ ও সমবায়ীদের আয়োজনে র‌্যালী,জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
র‌্যালী শেষে উপজেলা চত্বরে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলন করে দিবসের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা,
জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আসাদুল হকের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইমরান শেখ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলিম ,সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারি, সমবায়ীবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ঘটনা প্রবাহের সঠিক ইতিহাস দেশ-জাতি ও আগামী প্রজন্মকে সত্য পটভূমি জানাতে বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠন করা সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘৭ নভেম্বর ১৯৭৫; প্রচার ও অপপ্রচার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এমন দাবি করেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেন বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম (বোয়াফ)।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে সমালোচিত ও বিতর্কিত দিন ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের এইদিনের ঘটনা জাতীয় রাজনীতিতে যে ওলটপালট শুরু হয়েছিল, তার রেশ থেকে জাতি আজও মুক্ত হতে পারেনি, কলঙ্কমুক্ত হয়নি বাংলাদেশের রাজনীতিও। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি রহস্যময় অধ্যায় হয়ে আছে।

তাঁরা আরও বলেন, ৪৩ বছর পর আজও বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের ধারণা পরিচ্ছন্ন ও পরিপূর্ণ নয়। ৭ নভেম্বরকে এখন আর কেউ বিপ্লব বলে না। জাসদের ‘সিপাহি জনতার বিপ্লব’ এবং বিএনপির ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ সময়ের ব্যবধানে আর সঠিক ইতিহাসের অগ্রপথে ফিকে হয়ে গেছে।

অতিথিবৃন্দ আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের রহস্য উদঘাটন করতে রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা, বিচার-বিশ্লেষণ ও মুল্যায়ন করা; সময়ের অন্যতম দাবি হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিকে কলঙ্কমুক্ত করতে এবং দেশ-জাতি ও আগামী প্রজন্মকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা উচিত।

সংগঠনের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়ের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য-মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও কলাম লেখক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা-এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী, খালেদ মোশাররফের জ্যেষ্ঠ কণ্যা ও সাবেক সংসদ সদস্য-মাহজাবিন খালেদ, কবি ও লেখক-সোহরাব হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহির উদ্দিন জালাল (বিচ্ছু জালাল), সাংবাদিক মাহবুব কামাল, সার্জেন্ট সায়েদুর রহমানের পুত্র-মো. কামরুজ্জামান মিয়া, চাকুরী থেকে বরখাস্ত-করপোরাল আবদুল আউয়াল, মুক্তিযোদ্ধা সায়িদ মহিউদ্দিন হায়দার, সেক্টর কমান্ডার বীর উত্তম লে. কর্ণেল আবু ওসমানের মেয়ে-নাছিমা ওসমানসহ আরও অনেকে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ গোলমরিচকে বলা হয় মসলার রাজা। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার একমাত্র ফসল গবেষণা কেন্দ্র হল “সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র”। ১৯৮৬ সালে এই গবেষণা কেন্দ্র হতে প্রথম চারা উৎপাদন করে গোলমরিচের চাষাবাদ শুরু করে। তখন এই মসলার রাজার নাম দেওয়া হয়েছিল “জৈন্তিয়া গোলমরিচ”। এই উদ্ভাবনের স্বীকৃতি মিলে ১৯৯০ সালে। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট জৈন্তিয়া গোলমরিচের নাম করন করে “বারি-১ গোল মরিচ হিসাবে”। বিগত ৪ বৎসর হতে সারাদেশে গোলমরিচের চাষবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগনেয় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র। গবেষকরা গোলমরিচ চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখছেন।

সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল প্রতিবেদকে জানান, সিলেট বিভাগের তিনটি জেলার টিলাশ্রেণির কৃষিজমি ছাড়াও দেশের উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, রংপুর ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় এই মৌসুমে জৈন্তিয়া গোলমরিচের বা বারি-১ গোলমরিচের চাষাবাদ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের অনুপ্রেরণায় গোলমরিচের চারা পাহাড়ী ও টিলা রকম ভূমিতে চাষাবাদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে পাঁচ হাজার চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া গোলমরিচ চাষাবাদের উদ্যোগকে কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র মুলত সিলেট অঞ্চলের লেবু জাতীয় ফসলের কৌলি সম্পাদ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, উদ্ভাবিত জাতের উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণাধর্মী কাজ করে। ১৯৫১ সালে সিলেটের পাহাড়ী এলাকা জৈন্তাপুর উপজেলার কামলাবাড়ী এলাকায় গবেষণা কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তিতে ১৯৬১ সালে ৪৮ হেক্টর জায়গা জুড়ে কেন্দ্রটি স্থায়ী রূপপায়।

১৯৬১ সাল হতে ১৯৬৫ সালে ২৬.৩২ হেক্টর জায়গা অধিগ্রহন করার পর হতে জৈন্তিয়া গোলমরিচের চাষাবাদের একটি প্রকল্প চালু করে। ২০ বৎসর গবেষণা করে গোলমরিচের একটি জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয় কেন্দ্রটি। ফলে ১৯৮৬ সালে নিজস্ব একটি জাত উপাদনের ঘোষনাদেয় কেন্দ্রটি। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা জানান, নিজস্বতা রক্ষায় তখন এই গোলমরিরটির নাম দেওয়া হয় “জৈন্তিয়া গোলমরিচ”।

এই নামে গবেষণা কেন্দ্রের বাহিরে কৃষি উদ্যোগে আরও চারটি বৎসর চাষাবাদের পর ১৯৯০ সালে বারি-১ গোলমরিচ নাম দেয় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট। সিলেট অঞ্চলের মধ্যে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জের পাহাড় ও টিলাএলাকা গুলোতে গোলমরিচের চাষাবাদ ও উৎপাদন দেখে চলতি বৎসর থেকে বাংলাদেশের পাহাড়ী এলাকা এবং তুলনামূলক কম বৃষ্টিপাত অঞ্চলে চাষাবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিলেট বিভাগের কৃষি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহ লুৎফুর রহমান প্রতিবেদককে জানান, গোলমরিচকে মসলার রাজা বলা হয়। সিলেটের ১৩টি উপজেলায় গোলমরিচের চাষাবাদ হচ্ছে। ভেষজ গুনাগুনে অনন্য এই মরিচ কফ, ঠান্ডা জনিত সমস্যা, ক্যানসার ও গ্যাষ্ট্রিকের সমস্যার প্রতিরোধ করে। বারি-১ গোলমরিচের ফলন বৃদ্ধি করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাহিরেও রপ্তানির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক চঞ্চল শাহারিয়ার মিমকে সভাপতি এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুজ্জামান পলাশকে সাধারন সম্পাদক করে জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

শুক্রবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত পত্রে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে এ কমিটি বাতিলের দাবিতে সন্ধ্যায় শহরে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইম ভূইয়া, সাধারন সম্পাদক সিদ্ধার্থ সিংহ পল্টু, নড়াইল পৌর ছাত্রলীগের রাকিবুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক রেজওয়ান মোল্যা, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন ববি, সাধারন সম্পাদক জোবায়ের হোসেন মানিক প্রমুখ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের জরুরী সিদ্ধান্ত মোতাবেক নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তির্ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হলো এবং সেই সাথে আগামী এক বছরের জন্য নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলো। জেলা ছাত্রলীগের নব নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক রকিবুজ্জামান পলাশ কমিটি ঘোষনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জমান মুকুল বলেন, হটাৎ করে কেন্দ্র থেকে চাপিয়ে দেওয়া কমিটি কেউ মেনে নেয়নি। সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে যে দু’জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তারা দলে কয়েক বছর ধরে নিস্ক্রিয়। তাছাড়া এখনও বিভিন্ন ইউনিট কমিটি গঠন করা হয়নি। সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলে সবার মধ্যে প্রতিযোগিতা হতো এবং সঠিক নেতৃত্ব বেরিয়ে আসতো।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc