Wednesday 23rd of October 2019 07:10:50 AM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বিকিবিলে কয়েক মাসের জন্য পূর্ব আকাশে সূর্যের আলোকেও হার মানায় শতসহস্র রক্তিম লাল শাপলায়। প্রথম দেখায় মুখ থেকে অস্ফুটে বেরিয়ে আসবে সুন্দর যেন ফুলে ফুলে সাজানো হাওরের দেশে লালগালিচা। মনের অজান্তেই গান ধরতে পারেন তুমি সুতোয় বেঁধেছ শাপলার ফুল,নাকি তোমার মন।

প্রকৃতিতে শীতের আগমন না ঘটলেও ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বিধাতা যেন নিজ হাতে সাজিয়ে দিয়েছে বিকিবিলের চারপাশে লাল লাল ফুলের সমারোহে লাল শাপলায়। এর সঙ্গে রয়েছে দেশীয় নানা প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির সুর। মনে হয় যেন প্রকৃতি তার রূপের সঙ্গে নিজে বাদ্যযন্ত্রে সুরের ঝরনাধারা ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রাকৃতিক ভাবেই এই হাওরে ফুটছে আর্কশনীয় লাল শাপলা হাওরের আশপাশের পরিবেশ আর গ্রাম গুলোকে মনোমুগ্ধকর করে তোলে।

ব্যাপারটা স্বপ্নের মতো লাগছিল। তা দেখতে হলে যেতে হবে সুনামগঞ্জ জেলা তাহিরপুর উপজেলার ইউনিয়নের উত্তর বড়দল ইউনিয়নের কাশতাল গ্রামের পাশে বিকিবিল হাওরে। শুধু লাল শাপলার উৎস নয় এটি লাল শাপলার গ্রাম। লাল শাপলার বিলে ছুটে আসে স্থানীয় প্রকৃতি প্রেমীরা। তবে এতটা পরিচিতি পায় নি টাংগুয়ার হাওর,বারেকটিলা,যাদুকাটা,শহীদ সিরাজ লেকসহ সীমান্তের কয়েকটির ছড়ার মত বাহিরের পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছে।
সূযের্র উপস্থিতির সঙ্গে সঙ্গে শাপলা তার আপন সৌন্দর্যকে গুটিয়ে নিয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিথর হয় ক্লান্তি নিয়ে ঘুমাতে শুরু করে। সূর্যোদয় থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লাল শাপলার সৌন্দর্য দৃশ্যমান থাকে। বিলের থেকে দেখা যায় ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য ফলে এ বিলটিকে আর্কষণীয় করে তুলেছে।
জানাযায়,বিকিবিল হাওরের ১শত কিয়ারের অধিক(৩০শতাংশে এক কিয়ায়)জমি নিয়ে এর অবস্থান। বর্ষার ৬মাস পানিতে নিমোজ্জিত থাকে এ হাওরটি। আর ৬মাস এখানে চাষ হয় এক ফসলী বোরো জমি। মাত্র কয়েক মাসের জন্য শাপলা ফুল ফুটে এখানে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শাপলার উপস্থিতি দেখা যায় এ হাওরে।

এখানে জন্মে লাল শাপলার পাশাপাশি সাদা ও বেগুনি রঙের শাপলার। তবে এর মধ্যে নয়নাভিরাম মনোমুগ্ধকর লাল শাপলার প্রতি আকর্ষণ সবার চেয়ে বেশী। সাদা ও বেগুনি রঙের শাপলা মূলত লাল শাপলার তুলনায় অপ্রতুল। অনেকে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য হওয়ায় এলাকার লোকজন শাপলা তুলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে এবং বিভিন্ন হাটে বিক্রি করে থাকেন।
হাওরের পাশের গ্রামের বাসিন্দা সমাজের সেবক মাসুক মিয়াসহ অনেকেই জানান,কোন প্রকার চাষ ছাড়াই জন্মেছে লাল শাপলা গুলো। গোটা এলাকা জুড়ে এখন লাল শাপলার অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়। বর্ষার শুরুতে শাপলা জন্ম হলেও হেমন্তের শিশির ভেজা রোদ মাখা সকালের জলাশয়ে চোখ পড়লে রং-বেরংয়ের শাপলার বাহারী রূপ দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। মনে হয় কোন এক সাজানো ফুল বাগানের মধ্যে স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছি। এদৃশ্য চোখে না দেখলে বোঝানো যাবে না।

আশরাফুল আলম আকাশসহ স্থানীয়দের সাথে কথা বলে তারা জানান,এই হাওরে আমারও জমি আছে। বর্ষা মওসুমের শুরুতে এফুল ফোটা শুরু হয়ে প্রায় ৬মাস পর্যন্ত বিল ঝিল জলাশয় ও নিচু জমিতে প্রাকৃতিক ভাবেই জন্ম নেয় লাল শাপলা। রান্নাবান্নার তরকারি হিসেবে ও বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংগ্রহের কারণে সাদা শাপলার সংখ্যা দিন দিন সংকীর্ণ হচ্ছে। এই লাল সাদা সব ধরনের শাপলা ফুলের গন্ধে গোটা হাওর মুখরিত হয়ে ছড়িয়ে পরে আশপাশের গ্রামগুলোতে। ছোটদের পাশা পাশি বড়দের কাছেও লাল শাপলা ফুল একটি প্রিয় পাশাপাশি অনন্ত সৌন্দর।
তিনি আরো জানান,বর্তমান সভ্যতায় বাড়তি জনগণের চাপের কারণে আবাদি জমি ভরাট করে বাড়ি,পুকুর মাছের ঘের বানানো এবং অপরিকল্পিত ভাবে জমিতে সার প্রয়োগের ফলে এ পরিমান যেমন কমেছে তেমনি শাপলা জন্মানোর জায়গা ও কমে আসছে।

খুলনায় দুর্গা-মূর্তি বিসর্জনের দিনে অতিরিক্ত মদপানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ওমর ফারুক বলেছেন, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকালের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার বিভিন্ন সময় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে একজন মারা যান। আর আজ সকালের দিকে মারা যান আরও চারজন। অতিরিক্ত মদপানেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানান ডা. ওমর ফারুক।

মদ খেয়ে যারা মারা গেছেন তারা হলেন খুলনা শহরের গ্যালাক্সির মোড় এলাকার সুজন শীল (২৬), গল্লামারীর প্রসেনজিৎ দাস (২৯), তার ভাই তাপস দাস (৩৫), ভৈরব টাওয়ারের রাজু বিশ্বাস (২৫) ও রূপসা রাজাপুর এলাকার পরিমল।

এছাড়া অতিরিক্ত মদপানে অসুস্থ আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। সুত্র ইরনা

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা,নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করার অভিযোগে করা তিন মামলায় আজ বুধবার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা গুলো দায়ের করা হয়। তিন মামলায় সমনের জবাব দেয়ার জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার অপর দুই আসামি হলেন একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।

এদিকে ড. ইউনূসের আইনজীবী রাজু আহম্মেদ আদালতকে বলেন, ড. ইউনূস সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি ব্যবসার কাজে বিদেশ অবস্থান করছেন। তিনি দেশে আসলে আদালতে উপস্থিত হবেন।

অপরদিকে মামলার বাদী প্রস্তাবিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়ন গঠন করে চাকরিচ্যুত করায় আমরা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করি। তিনি আজ বুধবার আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

অপরদিকে মামলার অপর দুই আসামি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারীর। ৮ অক্টোবর তাদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন আদালত।

এটা কখনও হতে পারে নাঃপ্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করে দেবে এটা কখনও হতে পারে না। ভারতের সঙ্গে গ্যাস নিয়ে চুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে তিনটায় শুরু হওয়া গণভবনে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা বিদেশ থেকে এলপিজি গ্যাস এনে প্রক্রিয়াজাত করে ভারতে রপ্তানি করবো। এটা প্রাকৃতিক গ্যাস নয়। অন্য পণ্য যেমন আমরা রপ্তানি করি ঠিক তেমন। এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কিছু নেই।

বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ভারত অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী গত ৩ থেকে ৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে নয়াদিল্লি যান। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)-এর ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশে তিনি ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। বিস্তারিত আসছে……।

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ী প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক কমিটি গঠনের ১৫ বছর পর প্রথম কাউন্সিল আগামী ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে সর্বস্থরের নেতকর্মীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীরা নির্বাচিত হতে কাউন্সিলারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন।
জানা গেছে, কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপি, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন কামরানসহ কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ। উপজেলা আ’লীগের সভাপতি পদে দু’জন সিনিয়র নেতার নাম শুনা যাচ্ছে।
এরা হলেন বর্তমান জুড়ী উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সহিদ চৌধুরী খুশি।
সাধারণ সম্পাদকের পদে ৬ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। এরা হলেন ফুলতলা ইউপির ৫ বারের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুক আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুল ইসলাম কাজল, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল খালিক সোনা, উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও সাবেক বাসষ্ট্যান্ড ম্যানেজার মাসুক আহমদ। আওয়ামী লীগের দলীয় সুত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবর জুড়ীকে উপজেলা ঘোষনা করে তৎকালিন সরকার। ওই বছরই জায়ফরনগর ইউনয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালিক চৌধুরীকে আহবায়ক করে জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তার মুত্যুতে যুগ্ম আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা আজির উদ্দিনকে আহবায়ক করা হয়। তিনিও মারা গেলে মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন উপজেলা আ’লীগের আহবায়কের দায়িত্ব পান। প্রায় ৩ বছর ধরে অদ্যাবধি তিনি এ দায়িত্ব পালন করছেন।
আহবায়ক কমিটির ৭ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালিন সভাপতি জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি ও সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমদ ২০১৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি নামে জুড়ী উপজেলা আ’লীগের একটি কমিটির অনুমোদন দেন। এ কমিটি প্রকাশ পাওয়ার পরই তা প্রত্যাখ্যান করেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোমিত আসুক, মুক্তিযোদ্ধা আজির উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন লেমন, নাজমুল ইসলাম মাস্টার, ফৈয়াজ আলী, ইউপি চেয়ারম্যান মাসুক আহমদ, আব্দুন নুরসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
১০ অক্টোবর প্রকাশ্য সভায় তারা ৭ সদস্যের একটি উপ-কমিটি গঠন করেন। কিন্ত শেষ পর্যন্ত দলীয় কোন্দলের কারণে ওই সম্মেলন আর অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে হতাশ হয়ে পড়েন দলীয় নেতাকর্মীরা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সহিদ চৌধুরী খুশি জানান, ১৯৬৮ সালে তৎকালিন সরকার বিরোধী আন্দোলন করায় তাকে নানা হামলা-মামলার শিকার হতে হয়েছে। ‘৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননি। পাক হানাদারের গুলিতে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। এরশাদ ও খালেদা জিয়া বিরোধী সকল আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হলে জুড়ী আওয়ামী লীগকে একটি সুসংগঠিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন।
জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন জানান, উপজেলা গঠনের পর এই প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নিয়ে নেতকর্মীরা বেশ উৎফুল্ল।
সম্মেলন সফল করার জন্য সবধরণের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। নেতাকর্মীরা চাচ্ছে বলেই তিনি সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন।

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার,লচনা নামক গ্রামে ফকির শাহ আব্দুর রহমান মাইজ ভান্ডারী (মাঃ জীঃ আঃ ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দায়রা শরীফে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মহান ২৩ আশ্বিন, হযরত গোলামুর রহমান প্রকাশ (বাবা ভান্ডারি রহঃ)’র খোশরোজ শরীফ উদযাপন উপলক্ষে আজিমুশশান মিলাদ (দঃ)মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান বক্তা হিসাবে তকরির পেশ করেন, এশিয়া খ্যাত দ্বীনি শিক্ষা নিকেতন,চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার শিক্ষার্থী ও রাংগুনিয়া মোগলেরহাটস্হ মির্জা হোসাইন তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদরাসার আরবি মুদাররিস, উদিয়মান তরুণ বক্তা ক্বারী মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন কাদেরী,(মাঃজিঃআঃ)। বিশেষ বক্তাঃ- মাওলানা সেলিম উদ্দিন জালালী সাহেব। এতে সভাপতিত্ব করেন–ফকির শাহ আব্দুর রহমান মাইজ ভান্ডারী, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন–চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়ার শিক্ষার্থী ও রাংগুনিয়া গোলশানে মদিনা চার আউলিয়া (রহ) সুন্নিয়া মাদরাসার সহঃ সুপার, শাহজাদা মাওলানা মো: মুজিবুল বশর মাইজ ভান্ডারী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মো: সিরাজুল ইসলাম মাইজভান্ডারী (কুমিল্লা)।

মাহফিলে দেশ ও জাতির কল্যানে মোনাজাত করা হয়।মোনাজাত পরিচালনা করেন শাহজাদা মাওলানা মো: মুজিবুল বশর মাইজ ভান্ডারী।

মানুষ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সঠিক রুপরেখা ইসলাম ও কুরআন সুন্নাহর আদর্শ ভুলে মানবগড়া মতবাদকে লালন করার কারনেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও আর্ন্তজাতিক অঙ্গনসহ সকল ক্ষেত্রে চরম আশান্তি ও হতাশা বিরাজ করছে। তাই কুরআন সুন্নাহর সঠিক আদর্শ বাস্থবায়নের মাধ্যমে সুন্নী দর্শনের আলোকে সুন্দর সমাজ বিনির্মানের জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সাংগঠনিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ হলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। ঈমানদার মুসলমানগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রেমের চেতনা উদ্ভুদ্ধ হয়ে ঐক্যের সূদীর প্রাচীর গড়ার মাধ্যমে সুন্নীয়ত প্রতিষ্ঠাই মুসলমানদের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব জননেতা আলহাজ্ব এম এ মতিন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা শাখার বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
অদ্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা  সভাপতি অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন আল-ক্বাদরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সচিব আলহাজ্ব স উ ম আব্দুস সামাদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন- মাদক, জোয়া, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা এবং দলীয়করন আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। যার কারনে আজ সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের কোথাও মানুষের নিরাপত্তা নেই।  সামাজিক এ অবক্ষয় হতে উত্তোরনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব আলহাজ্ব আ ন ম মাসউদ হোসাইন আল কাদেরী, সিনিয়র যুগ্ম-সাংগঠনিক সচিব সৈয়দ মোজাফ্ফর আহমেদ মোজাদ্দেদী, যুগ্ম-সাংগঠনিক সচিব মাওঃ জসিম উদ্দিন আশরাফী, সহকারী দপ্তর সচিব মাওঃ আব্দুল হাকিম, শ্রম ও কৃষি সচিব মাওঃ শাহ জালাল আহমদ আকঞ্জি, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সচিব মাওঃ সোলাইমান খান রব্বানী, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সচিব মাহমুদুল হাসান আনছারী।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ মহি উদ্দিন মোল্লা, সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ হাবিবুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল হক আল আজাদ, অধ্যাপক গোলাম মাওলা, পৌরসভা সভাপতি এড. সৈয়দ ছাইদুর রহমান আওলাদ, সদর উপজেলা সভাপতি মাওলানা সাদেকুল ইসলাম, বিজয়নগর উপজেলা সহ সভাপতি মাওঃ দেওয়ান আব্দুল কাদির, আশুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওঃ নুরুল ইসলাম আল-ক্বাদরী, সরাইল উপজেলা সাধারন সম্পাদক মাওঃ আতিকুল ইসলাম, নাছিরনগর উপজেলা সাংঠনিক সম্পাদক মীর জাকির হোসাইন, আখাউড়া উপজেলা সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মাওঃ হাবিবুর রহমান, কসবা উপজেলা সভাপতি মাওঃ আবুল খায়ের, নবীনগর উপজেলা সভাপতি এম কে গাজী মোবারক আলী, বাঞ্চারামপুর উপজেলা সাধারন সম্পাদক মাওঃ আব্দুল ওয়াদুধ, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মিজানুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জাফরুল কুদ্দুস গালেব, অর্থ সম্পাদক মাওঃ সায়েদুজ্জামান জাবের, সৈয়দ আবুল বাসার, মাওঃ মনির হোনাইন, মাওঃ আবু রায়হান, আবুল বাইয়ান, মাওঃ ছফিউল্লাহ, মাওঃ মাছুম বিল্লাহ, যুবসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মাওঃ আবু নাছের মোঃ মুছা, ঢাকা নগর সহ সাধারন সম্পাদক মাওঃ মাসউদ হোসাইন, যুবসেনা জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ নুরুল ইসলাম খান শাহীন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, লিয়াকত আলী,শাহাদৎ হোসাইন, ছাত্রসেনার জেলা সভাপতি শাহ মোঃ ইকবাল হোসাইন বাবুল, জোবাইর আহাম্মদ রানা, সৈয়দ বাকি বিল্লাহ নুরী, মোঃ আমান উল্লাহ, মাজহারুল ইসলাম, নূরে আলম রেজা, জিলন, উজ্জল, শফিক, ইমাম হোসাইন সহ প্রমূখ। উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব ও জেলা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ্যাডঃ মোঃ ইসলাম উদ্দিন দুলাল।

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টার: সারা দেশের ন্যায় অসাম্প্রদায়িক এলাকা শ্রীমঙ্গলেও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
মঙ্গলবার  বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্টান শারদীয় দুর্গাপূজা।কৃপারূপে মর্ত্যে অবতারণী দেবী দুর্গা আজ ফিরে যাবেন কৈলাশে।

স্থানিয় সাংসদ,আওয়ামীলীগ এর বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য পূজা দর্শনার্থী

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস প্রতিবছর দেবী দুর্গা অশুর রূপী অশুভ শক্তির বিনাশ করতে পৃথিবীতে আগমন করেন এবং পৃথিবীতে শান্তি অবতারণ করে বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে ফিরে যান কৈলাশে।

গতকাল (সোমবার) ছিল মহানবমী।নবমীর প্রধান আকর্ষণ ছিল মন্ডপে মন্ডপে আরতি প্রতিযোগীতা ও কুমারী পুজা।আর আজ ছিল বিজয়া দশমী।

দুপুরে শুরু হয় বিজয়া শোভাযাত্রা।বিজয়া শোভাযাত্রার প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ,স্থানিয় সাংসদ,আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ।

বিসর্জন প্রাক্ষালে আগে পিছে র‍্যাব-পুলিশের কড়া পাহারা ছিল নজর কাড়ার মত। 

শ্রীমঙ্গল সার্বজনীন দুর্গাবাড়িতে সম্মিলিত বাদ্য বাজনা,মন্ত্র উচ্চারণ ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ ধর্মীয় শোভা যাত্রা। এ সময় হাজার হাজার হিন্দু ভক্তদের রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে বিসর্জন উপলদ্ধি করতে দেখা গেছে।

বিভিন মন্ডপের দুর্গা প্রতিমা গুলো শোভাযাত্রা করা হয় পুরো শ্রীমঙ্গল শহরে।একে একে প্রতিমা গুলো শোভাযাত্রা করা হয় শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোড,হবিগঞ্জ রোড,মৌলভীবাজার রোড,কলেজ রোড প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রাটি।

বিসর্জনের ভিড়ে আটকা পড়ে একটি রোগী বহনকারী সরকারী এ্যাম্বুলেন্স ।

বিকাল প্রায় ৫ টায় শ্রীমঙ্গলের প্রধান সরক গুলো প্রদক্ষিণ করে ফিরে যায় স্ব স্ব মন্ডপে। সেখানেই স্থানীয় পুকুর, দিঘিতে দেয়া হয় প্রতিমা বিসর্জন।তাদের বিশ্বাস মতে ০৫ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে মর্তালোকে এসেছিলেন দুর্গতি নাশিনী দেবী দুর্গা।

পূজা উৎযাপন পরিষদ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার তথ্যমতে,এবছর শ্রীমঙ্গলে ১৬৭ টি মন্ডপে অনুষ্টিত শারদীয় দুর্গাপূজা।যার মধ্যে ১৫৫ টি মণ্ডপ ছিলো সার্বজনীন ও বাকি ১২ টি ছিলো ব্যক্তিগত।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতে,দেবী এবার নৌকায় চড়ে এসেছিলেন পিত্রালয়ে এবং ঘোড়ায় চড়ে ফিরে গেলেন কৈলাশে।

যানজটে আটকা পড়ে যাত্রীবাহী বাসসহ সিএঞ্জি ও সকল প্রকার যানবাহন।

এদিকে প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া শোভাযাত্রার শুরুর ফলে শ্রীমঙ্গলে দেখা দেয় বিশাল যানজটের এতে প্রায় ৩ ঘণ্টারও অধিক যাত্রীদের পোহাতে হয় অবণর্নিয় দুর্ভোগ।মৌলভীবাজার রোডস্থ রুপসপুর জামে মসজিদের সামনে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি ইমারজেন্সি এম্বুলেন্স জামে আটকা পড়ে।পড়ে ইমারজেন্সি লেন করে এম্বুলেন্সটিকে রাস্তা করে দেয়া হয়।

এদিকে বিজয়া শোভাযাত্রাকে সফল করার জন্য প্রশাসনের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনাকাঙ্ক্ষিত যেন কোন ঘটনা না ঘটে সেজন্য রাস্তায় ছিল পুলিশি টহল ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। তা ছাড়া দলমত নির্বিশেষে স্থানিয়দেরও সহযোগিতার কমতি ছিলনা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে আটক ছাত্রলীগ নেতারা। এ ঘটনায় ১৪ জন জড়িত ছিল বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।

বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ফাহাদ শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক কিছু চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে রোববার রাতে ফাহাদকে ডেকে নিয়ে অন্য একটি কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

এ ঘটনায় সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনের নামে চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল এবং দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদকে।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একজন উর্দতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আটক ছাত্রলীগ নেতারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এর আগে পুলিশ জানিয়েছে, ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলের ভিডিও ফুটেজ থেকে চিহ্নিতদের দশজনকে গতকালই আটক করা হয়েছে। মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে।

এদিকে, আজ দুপুরে গ্রেফতারকৃত ১০ জন ছাত্রলীগের নেতাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী প্রত্যেককে ৫ দিন করে পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম

এদিকে, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে চলমান আন্দোলন পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। অপরদিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় না বসায় বৈঠক চলাকালীন ভিসির কার্যালয়ের গেটে তালা লাগিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বুয়েটের ভিসির কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ভিসির পিএস (একান্ত সচিব) কামরুল ইসলাম।

বিক্ষোভে উত্তাল বুয়েট

বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরারের হত্যাকারীদের ফাঁসিসহ আট দফা দাবিতে আজ দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের দুই দিন হতে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির অনুপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা ভিসিকে বিকেল ৫টার মধ্যে ক্যাম্পাসে এসে জবাবদিহিতাসহ আট দফা দাবি জানান। পরে ভিসি উপস্থিত না হলে তারা কার্যালয় ঘেরাও করেন।পার্সটুডে

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc