Wednesday 23rd of October 2019 05:29:44 AM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে হিংসাত্নক ও  আক্রোশ মূলক ভাবে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা রাহাত হায়দারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি বাদাঘাট বাজারে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্য্যালয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
এসময় ছাত্রলীগ নেতা রাহাত হায়দার বলেন,মোয়াজ্জেম হোসেন রতন উন্নয়নের রুপকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা তিন তিন বার উনার হাতে নৌকা তুলে দিয়েছেন। মোয়াজ্জেম হোসেন রতন একজন জীবন্ত কিংবদন্তি। স্বার্থান্বেষী মহলে চক্রান্ত এবং অপপ্রচার শুরু করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।
এসময় আরো বক্তব্য রাকেন,ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ  সন্তান কমান্ড সাধারন সম্পাদক এমাদ আহমেদ জয়,১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সুহেল আহমেদ,অর্থ সম্পাদক কবির হোসেন,যুবলীগ সহ সভাপতি ফারুক আহমেদ রনি,ওয়ার্ড কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুন নূর সহ ওয়ার্ড, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ছাত্রলীগ সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দেশের শীর্ষ ইসলামী বিদ্যাপীঠ গুলোর মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার  আসন্ন শতবার্ষিকী ও দস্তারবন্দী মহাসম্মেলন সফলের লক্ষ্যে আগামী ৯ অক্টোবর বুধবার সকাল ১১টায় জামেয়া মিলনায়তনে এক ফুযালা সম্মেলন (প্রাক্তন ছাত্র পুনর্মিলনী) অনুষ্ঠিত হবে।ো

সম্মেলনে জামেয়ার দাওরায়ে হাদিস ও হিফজ সমাপনকারী বিগত ৫২ বছরের সকল ফাযিলদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান করেছেন জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার মুহতামিম হযরত মাওলানা মুহিউল ইসলাম বুরহান।

তাওয়াক্কুলিয়া ফুযালা ও আবনা পরিষদ’র জেলা-উপজেলা ও মহানগর কমিটির সকল সভাপতি-সেক্রেটারি ও অর্থ সম্পাদককে বিশেষভাবে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার আসন্ন শতবার্ষিকী ও দস্তারবন্দী মহাসম্মেলন আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা এবং উপমহাদেশের বরেণ্য উলামা-মাশায়েখ ও ইসলামী চিন্তাবিদগণ উপস্থিত থাকবেন।প্রেস বার্তা

প্রবাসীদের নিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ডাটাবেজ চালু হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় একটি সফটওয়্যার করা হচ্ছে। সেখানে ফেরত আসা প্রতিটি প্রবাসীর নাম ঠিকানাসহ কতদিনের জন্য এসেছেন, কত বছর পর এসেছেন, কতবার এসেছেন, একেবারে চলে এসেছেন কিনা এসব তথ্য থাকবে।

এর ফলে সরকার সহজেই ফেরত আসা প্রবাসীদের সঠিক ডাটাবেজ তৈরি করতে পারবে। একইসঙ্গে ফেরত আসা কর্মীদের পুনর্বাসন কাজও সরকার নির্ভুলভাবে করতে পারবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ থেকে ফেরত আসা কর্মী বা প্রবাসীদের সঠিক কোনো ডাটা সরকারের কাছে নেই।

তাই এলক্ষ্যে সরকার একটি রূপকল্প বাস্তবায়ন করছে। এতে সহায়তা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। প্রতিষ্ঠানটি একটি সফটওয়্যার তৈরি করে দেবে। যেখানে ফেরত আসা সব প্রবাসীর তথ্য থাকবে। যা নিয়ন্ত্রণ করবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে সরকারের কাছে ফেরত আসা প্রবাসীদের কিছু তথ্য আসে, সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন থেকে। এতে সামান্য কিছু তথ্য পাওয়া যায়। বিশাল পরিসরে তথ্য সংরক্ষণের জন্য সরকার এ উদ্যোগটি নিয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটির গত জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে এটি সম্ভব হয়নি। ফলে তারা দুই মাস সময় বেশি নিয়েছে। সে হিসেবে নভেম্বরে চালু করার কথা, তারপরও একটু সময় বেশি ধরে সেটি ডিসেম্বর ধরা হয়েছে।

জনকণ্ঠ সুত্রে জানা জায়, হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাস কল্যাণ ডেস্ক থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে মোট ৩৪ হাজার ২১২ জন কর্মী দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে নারী কর্মী রয়েছেন ১১৮২ জন। আর সেপ্টেম্বর মাসে এসেছেন ৮ হাজার ৯১৯ জন। এর মধ্যে নারী কর্মী ছিলেন ২৫০ জন। যার বেশির ভাগ এসেছেন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের (অভিবাসী কল্যাণ অনুবিভাগ) অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, এ পর্যন্ত কতজন প্রবাসী দেশে ফেরত এসেছেন তার সঠিক পরিসংখ্যান দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার ফেরত আসা প্রবাসীদের হিসাব রাখতে একটি সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই সফওয়্যারটি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় করা হচ্ছে।

আশা করা যাচ্ছে আগামী দুই মাসের মধ্যে অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যে এর কার্যক্রম চালু করতে পারবো। এ বিষয়ে শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক হবে। সেখানে সফটওয়্যারে কী কী কার্যক্রম হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

গ্রেফতার হলেন বহুল আলোচিত জুয়ার বড় আসর হিসেবে পরিচিত ক্যাসিনো সম্রাট যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। সম্রাটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বহু অপরাধের সাক্ষী ক্যাসিনো জুয়ার অন্যতম কর্ণধার ঢাকা মহানগর যুবলীগের দক্ষিণের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারের পর সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে তার কাকরাইলের অফিসে টানা পাঁচ ঘণ্টা অভিযান চালায় র‌্যাব।

অভিযানে অফিস থেকে প্রায় বারো শ’ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, পাঁচ রাউন্ড তাজা বুলেট, একটি ম্যাগজিনসহ একটি অত্যাধুনিক বিদেশী পিস্তল ও দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া উদ্ধার হয়। উদ্ধারের পরপরই সম্রাটকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ক্যাঙ্গারুর চামড়া রাখার দায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। সাজা দেয়ার পর কাকরাইল থেকে কড়া নিরাপত্তায় সোজা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

আর মাদক ও অস্ত্রগোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের হচ্ছে।

সম্রাটের উত্তানের আড়ালেঃ 

পুরো নাম ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। তবে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবেই পরিচিত তিনি। গ্রামের বাড়ি ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের পূর্ব সাহেবনগর গ্রামে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন তার বাবা ফয়েজ আহমেদ।

বাড়ি পরশুরামে হলেও সেখানে সম্রাটদের পরিবারের কেউ থাকে না। বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকায় বড় হন তিনি। ক্যাসিনো কারবার সংযুক্ত করেন ঢাকার ক্লাবগুলোতে। এক দশকের বেশি সময় ধরে জুয়া খেলা ছাড়াও চাঁদাবাজি, টেন্ডার, বাড়ি ও জমি দখল করার মতো ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ উঠেছে। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে এই সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।

সম্রাটের রাজনৈতিক জীবন শুরু ১৯৯০ সালে। সারাদেশে এরশাদের শাসনবিরোধী আন্দোলন চলছিল তখন। ছাত্রলীগের সংগঠক হিসেবে রমনা অঞ্চলে আন্দোলন সংঘটিত করেছেন সম্রাট। এ কারণে জেলও খাটতে হয় তাকে। কথিত আছে, এরশাদের জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন ছাত্র সমাজের সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন। ২০০৩ সালে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। তখন দক্ষিণের সভাপতি ছিলেন মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। অভিযোগ, শাওনই সম্রাটকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতেন। পরে ২০১২ সালে সম্রাট ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি হন। এরপর আর তার পেছনে তাকাতে হয়নি।

দলীয় সমাবেশগুলো সফল করতে সম্রাট বিভিন্ন সময় ভূমিকা রাখেন। টাকা ও জনবল সরবরাহের কাজ করতেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। সম্রাটকে যুবলীগের ‘শ্রেষ্ঠ সংগঠক’ ঘোষণা করা হয়। আর তার ইউনিটকে ঘোষণা করা হয় সেরা সাংগঠনিক ইউনিট। যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মতো একটি বড় ইউনিটের সভাপতি হওয়ার সুবাদে তার ছিল বিশাল বাহিনী। কাকরাইলের অফিসে অবস্থান করলেও কয়েকশ’ নেতাকর্মী সব সময় তার আশপাশে অবস্থান করতেন। কার্যালয় থেকে বেরিয়ে কোথাও গেলে তাকে প্রটোকল দিত শতাধিক নেতাকর্মী। ক্যাসিনো ও চাঁদাবাজির টাকা দিয়ে বিশাল সাম্রাজ্য চালাতেন তিনি।

দক্ষিণ যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা মিল্ক্কী হত্যার পর সম্রাট তার প্রভাব-প্রতিপত্তি আরও বাড়াতে থাকেন। মতিঝিল, ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইল ও বাড্ডা এলাকার অপরাধ জগতে তার একক আধিপত্য তৈরি হয়। ঢাকার এক সময়কার শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদের সঙ্গে মিলে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। তবে অতি সম্প্রতি জিসানকে দুবাইয়ে গ্রেফতারের পর জানা যায়, সম্রাট ও জি কে শামীমকে হত্যার ছক ছিল তার।

ক্যাসিনো-কাণ্ডে জড়িত ছিলেন সম্রাটের বড় ভাই বাদল চৌধুরীও। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর সম্রাটের পরিবারের সবাই গা ঢাকা দেন। গতকাল রোববার সম্রাটের দ্বিতীয় স্ত্রীও বলেছেন, সম্রাটের নেশা ছিল জুয়া খেলা। তিনি একজন পেশাদার জুয়াড়ি। মাসে একাধিকবার সিঙ্গাপুরে তিনি জুয়া খেলতে যেতেন। সেখানকার সবচেয়ে বড় জুয়ার আস্তানা মেরিনা বে স্যান্ডস ক্যাসিনোতে পশ্চিমের দেশগুলো থেকেও আসে জুয়াড়িরা। সেখানেও সম্রাট ভিআইপি জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রথম সারির জুয়াড়ি হওয়ায় সিঙ্গাপুরের চেঙ্গি এয়ারপোর্টে তাকে রিসিভ করার বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে মেরিনা বে স্যান্ডস ক্যাসিনোয় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বিলাসবহুল লিমুজিন গাড়িতে।

বিয়ে নিয়ে নানা কাহিনীঃ

বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে একাধিক বিয়ে করেছেন সম্রাট। প্রথম স্ত্রী ডালিয়া বেগম ডলির সঙ্গে অনেক আগেই তার বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে। সেই ঘরে তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম শারমিন চৌধুরী। তিনি থাকতেন ডিওএইচএসের বাসায়। যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিন পর থেকে আর নিজের বাসায় যাননি সম্রাট। কাকরাইলের ভূঁইয়া ম্যানশনেই বেশিরভাগ সময় থাকতেন তিনি। মাসের শুরুতে স্ত্রী শারমিন চৌধুরী সেই অফিসে গিয়ে মাস খরচের টাকা নিয়ে আসেন। কথিত আছে, ছাত্রলীগের এক নেত্রী আর একজন অভিনেত্রীকেও বিয়ে করেছেন তিনি। তবে এসবের পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মালয়েশিয়ার নাগরিক সিন্ডলিংয়ের সঙ্গেও তার ‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক’ নিয়ে নানা কাহিনী শোনা যায়। ভার্চুয়াল জগতে সম্রাটের কিছু ছবি নিয়ে আছে নানা আলোচনা। কোনো এক অনুষ্ঠানে তোলা একটি ছবিতে সিন্ডলিংসহ কয়েকজনের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা যায় তাকে। সম্রাটের ঘনিষ্ঠজন বলছেন, ছবিটি ২০১৭ সালে সিন্ডলিংয়ের জন্মদিনে তোলা। অনুষ্ঠানস্থল মালয়েশিয়ার যহুর বারুতে সিন্ডলিংয়ের বাসা। তার জন্মদিন উপলক্ষে সে বার সম্রাট দেড় কোটি টাকা দিয়ে একটি প্রমোদতরী ভাড়া নিয়েছিলেন। সিন্ডলিংকে একটি বিলাসবহুল গাড়িও উপহার দিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি সম্রাট সিনেমা পরিচালনায়ও নামেন। বছরখানেক আগে তিনি সিনেমা নির্মাণের লক্ষ্যে ‘দেশবাংলা মাল্টিমিডিয়া’ নামে প্রতিষ্ঠান খোলেন। এই হাউস থেকে একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। আরেকটি সিনেমার শুটিং চলছে। সিনেমার কাজ দেখাশোনা করতেন তার সহযোগী আরমান।

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ গত দু সাপ্তাহের অধিক সময় ধরে যাদুকাটা নদীতে কাজ বন্ধ থাকার প্রতিবাদে হাজার হাজার শ্রমিক যাদুকাটা নদীতে কাজ করার দাবীতে যাদুকাটা বালি,পাথর ও সমবায় সমিতি ও শ্রমিকদের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে।
রবিবার (০৬,১০,১৯) দুপুরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগড়া কুরেরপাড় এলাকার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার শ্রমিকগন দু-ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে।
শ্রমিক সমাবেশ ও মানববন্ধনে শ্রমিকরা জানান,জাদুকাটা নদীতে ২০দিন ধরে কাজ করতে না পারায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আমরা বংশ পরম পরায় এই নদীতে কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। কিন্তু একটি কুচক্র মহল আমাদের কাজে বিভিন্ন ভাবে বাধা সৃষ্টি করে আসছে। এছাড়াও ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে তার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। না হলে না খেয়ে বৌ,ছেলেমেয়ে নিয়ে পথে বসতে হবে। আর না হয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে।
এসময় শ্রমিকগন দাবি করেন বলেন,আমরা দিন মুজুর দিনে আনি দিনে খাই। নদীতে কাজ না করতে পারলে বেকার থাকায় ছেলে,মেয়ে,মা,বাবাসহ পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। আমরা কাজ করে খেতে চাই।
আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করেছি আর আগামীতের করব। কারন আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। পাথর উত্তোলনের কাজে ড্রেজার বা বোমা মেশিন ব্যবহার হচ্ছে না,যাতে পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। শুধু ছোট সেইভ মেশিন(নদীর বুক থেকে মাটি সরিয়ে বালি ও পাথর উত্তোলন কাজে সহায়ক যন্ত্র)ব্যবহার হচ্ছে। তা বন্ধ করায় এখন বালু ও পাথর উত্তোলন করা যাচ্ছে না। ফলে কাজ বন্ধ রয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সভাপতি আব্দুস শাহিদ,সাধারণ সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম,কালা মিয়া,খুরশিদ আলম,আয়ুব নূর,আবু হানিফা,ফারুক মিয়া,মোস্তাকিম,মাসুক মিয়া,ইসমাইল,ইকবাল হোসেন,ইব্রাহিম,আবু তাহের প্রমুখ।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ হিন্দু ধর্মবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গোৎসব নড়াইলে বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। রবিবার মহাঅষ্টমি পূজাঁ অনুষ্ঠিত হয়। এই অষ্টমিতে অশুর নিধনের জন্য কিশোরীকে কুমারী সাজিয়ে পূজাঁ করা হয়। নড়াইল নিশিনাথ তলা মন্দির, বাধাঁঘাট মন্দির ও রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠে কুমারী পূজাঁ অনুষ্ঠিত হয় ।

এছাড়া শহরের মিতালী সংঘ, টাউন কালীবাড়ি, রুপগঞ্জ বাজার কালীবাড়ি, বাধাঁঘাট পূজাঁ মন্ডপ, মহিষখোলা,চরের ঘাট, সূর্য্যসেন ক্লাবসহ জেলার বিভিন্ন পূজাঁ মন্ডপে অষ্টমী পূজাঁ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অষ্টমী পূজাঁর অঞ্জলী দিতে প্রতিটি পূজাঁ মন্ডপে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিড় ছিল লক্ষনীয়। অশুর বধের জন্য এই দিনে দেবী দূর্গা কুমারী রূপ ধারন করে অশুররূপী শত্রু নিধনে মত্ত হন। সেই থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায় মহাঅষ্টমিতে কুমারী পূজাঁ করে আসছে।

তাই মহাঅষ্টমিতে কিশোরীকে কুমারী সাজিয়ে মন্দিরে মন্দিরে চলছে পূজাঁ অর্চনা ও দেবীর আরাধনা ।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের পল্লিতে বজ্রপাতে নড়াইল কৃষি বিভাগের তালিকাভূক্ত এক বীজ উৎপাদকের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম উজ্জল বিশ্বাস (৪০)। বাবার নাম মৃত ফনিভূষণ বিশ্বাস। বাড়ি সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের বীড়গ্রামে।
বীড়গ্রামের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক বিপুল দেব জানান, দুপুর ১টার দিকে উজ্জল বীড়গ্রাম মাঠে কাজ করছিল। এ সময় হটাৎ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটতে তিনি গুরুতর আহত হয়। পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc