Wednesday 13th of November 2019 08:51:42 PM

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে ১শিশু নিহত হয়েছে। এসময় যাত্রিবাহী বাসের ১০ যাত্রী আহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর দেড়টার সময় নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের হাড়িখালী কুচেমোড়া নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রেসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। নিহত আলেজা খাতুন (৩) রাজশাহীর শারনাল বিশ^াসের মেয়ে।
নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ টিটু মিয়া জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার সময় নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের হাড়িখালী কুচেমোড়া নামক স্থানে যশোর থেকে ছেড়ে আসা সাতক্ষীরা গামি একটি যাত্রীবাহি বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে একটি ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এ সময় যাত্রিবাহী বাসটি উল্টে রাস্তার পাশের ধান ক্ষেতে পড়ে যায়। যাত্রিবাহী বাসের ১০ যাত্রী আহত হয়েছে ও ১ শিশু নিহত হয়েছে।

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ী প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ২২ বছর থেকে পলাতক ও ১ বছরের সাজা পরোয়ানাভূক্ত আসামী আটক।
আজ শুক্তবার দুপুরে জুড়ী-লাটিটিল্লা রোডের নয়া বাজার থেকে ১৯৯৭ সাল থেকে পলাতক ও ১ বছরের সাজা পরোয়ানা আসামী মোক্তার হোসেন (৫০) কে আটক করেছে জুড়ী থানা পুলিশ। তিনি ফুলতলা ইউপির উত্তর বড়ডহর গ্রামের শুক্কর আলীর ছেলে মোক্তার হোসেন।
জুড়ী থানার অফিসার (ওসি) জাহাঈীর হোসেন সরদার এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান ছালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে।
জুড়ী থানার অফিসার (ওসি) জাহাঈীর হোসেন সরদার,ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা মদসহ ৩ব্যবসায়ীকে আটক করেছে তাহিরপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার পৃথক পৃথক ভাবে অভিযান চালিয়ে নিখিল চন্দ্র বর্মন(৫৫),আলমাছ মিয়া(২০),নিজাম উদ্দিন( ৪৫)কে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়,আজ ৪ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান’র নেতৃত্বে এস আই মোঃ হুমায়ুন কবির,এস আই দিপংকর,এস আই মনিতোষ পালসহ সংগীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাহিরপুর সদর বাজারে খেওয়া ঘাট থেকে ৫০০ গ্রাম গাজাসহ নিখিল চন্দ্র বর্মন (৫৫)কে গ্রেফতার করে। সে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনগর গ্রামের সুরেশ চন্দ্রের ছেলে।
ভোর রাতে আনোয়ারপুর বাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আনোয়ারপুর বাজারস্থ রতন মিয়ার দোকানের সামনে রাস্তা হইতে ০৫ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ নিজাম উদ্দিন (৪৫)কে গ্রেফতার করে। সে উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর গ্রামের মোঃ দ্বীন ইসলামের ছেলে।
একই দিনে সন্ধ্যায় তাহিরপুর সদর উপজেলার সূর্যের গাও গ্রামের রাস্তায় অভিযান চালিয়ে ৮বোতল ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের মদসহ আলমাছ মিয়া (২০) কে গ্রেফতার করে। সে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামের মৃত হারিছ উদ্দিনের ছেলে।
তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতারকৃত ৩মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক ৩টি মাদক মামলা দিয়ে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

অবশেষে জিতে গেলো তাফিদার বাবা মা। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৫ বছর বয়সী শিশু তাফিদা রাকিবের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। খুলে ফেলা যাবে না তার লাইফ সাপোর্ট। চিকিৎসার জন্য তাকে ইতালিতে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেওয়া যাবে না বাঁধা। বৃহস্পতিবার লন্ডনের উচ্চ আদালতের বিচারক রয়েল লন্ডন হাসপাতালকে এমন নির্দেশ দিয়েছেন।

রয়েল লন্ডন হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে কোমায় থাকা তাফিদার আশা ছেড়ে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তারা বলছেন, তাফিদার আর সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তারা তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়ার জন্য পরিবারকে চাপ দিতে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। রায়ে বিচারক ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ইইউভুক্ত অন্য একটি রাষ্ট্র থেকে চিকিৎসা গ্রহণের অধিকারে হস্তক্ষেপ করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আমি আশা করি, এই স্থানান্তর অবিলম্বে ঘটবে। এনএইচএস ট্রাস্ট, ইতালির গ্যাসলিনি হাসপাতাল বা অন্য যে কোনো হাসপাতালকে তাফিদার চিকিৎসা সেবা দিয়ে যেতে হবে।

বিচারক রায়ে আরও বলেন, চিকিৎসা পেশায় জড়িতদের অবশ্যই নৈতিক ও ধর্মীয় বিষয়গুলোর সঙ্গে ভারসাম্য রেখে প্রতিটি আলাদা রোগীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

রায়ের উপসংহারে বিচারক ম্যাকডোনাল্ড বলেন, চিকিৎসার জন্য ইতালিতে নিয়ে যাওয়া তাফিদার মা-বাবার পছন্দ। সন্তানের জীবন ও তার ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা তাদের অভিভাবকীয় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব চর্চা অবশ্যই তারা করবেন।

এদিকে, উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে এনএইচএস ট্রাস্ট আপিল করবে কি-না তা জানা যায়নি। রায় ঘোষণার পর তাফিদার আইনজীবী ব্যারিস্টার ডেভিড লক কিউসি বলেন, এ রায়ে তাফিদার মা-বাবা অনেক বড় যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেলেন।

এদিকে এনএইচএস ট্রাস্টের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার কেটিগলপ কিউসি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হয়তো রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

রায় ঘোষণার আগে বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাফিদার পক্ষে আন্দোলনরত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘সিটিজেন গো’ এক মানববন্ধন করে। সেখানে রায় বিপক্ষে গেলে এনএইচএস যাতে আর আপিলে না যায় তার দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে ‘সিটিজেন গো’র সমন্বয়ক ক্যারোলিন ফেরো বলেন, আমরা ছোট্ট মায়াবী শিশু তাফিদার বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষায় লড়াই করছি। এ লড়াই শুধু তাফিদার মা-বাবার সন্তান রক্ষার লড়াই নয়, এ লড়াই চিকিৎসক কর্তৃক জীবন হরণ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে মানবিক মর্যাদা রক্ষার লড়াই। এই ইস্যু শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস রক্ষার ইস্যু নয়, এটি হিউম্যান ডিগনিটি রক্ষার ইস্যু। এই আন্দোলন শুধু তাফিদার অধিকার রক্ষার আন্দোলন নয়, বরং বর্তমান ও অনাগত প্রজন্মের স্বাভাবিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রক্ষার লড়াই।

মেডিসিন কনসালটেন্ট ড. ফিলিপ হাওয়ার্ড বলেন, একজন রোগীর জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করা চিকিৎসকের নৈতিক দায়িত্ব। জীবন হরণের অনুমতির জন্য আদালতে যাওয়ার এমন ঘটনা আমার দীর্ঘ চিকিৎসক জীবনে দেখিনি। জীবন বাঁচানোর চেষ্টা না করে লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ অমানবিক। মানববন্ধনে স্থানীয় কাউন্সিলর ও কমিউনিটি নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

৫ বছর বয়সী তাফিদা রাকিব চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথায় ব্যথা অনুভব করে। এর একটু পরেই সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাকে স্থানীয় নিউহ্যাম হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ডাক্তাররা পরীক্ষা করে বলেন, তাফিদার ব্রেইন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপর তার মাথায় অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর থেকে রয়েল লন্ডন হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে কোমায় রয়েছে সে। ডাক্তাররা বলছেন, তাফিদার আর সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হলো তাকে শান্তিতে মরতে দেওয়া।

কিন্তু তাফিদার মা সেলিনা রাকিব বলে আসছেন, তার মেয়ে এখন আগের চেয়ে ভালো এবং সে দিন দিন সুস্থতার দিকে যাচ্ছে। তারা মেয়েকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ইতালির জেনোয়ার গ্যাসলিনি চিলড্রেনস হাসপাতালে স্থানান্তর করতে চায়। কিন্তু রয়েল লন্ডন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ইতালির হাসপাতালে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিলেন না।

চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের আঁচ এতদিন সরাসরি গায়ে না লাগলেও ইতোমধ্যে তাপ অনুভব করে ফেলেছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ওমর ফারুক চৌধুরী।

তবে এবার বুঝি আগুনের আঁচটা তার শরীরেও লাগতে যাচ্ছে।  যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সব ব্যাংক হিসাব তলব করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট থেকে ওমর ফারুক চৌধুরীর সব ব্যাংক হিসাব তলব করে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ওমর ফারুক চৌধুরীর নামে থাকা সব ধরনের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন, বিবরণীর তথ্য পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে পাঠাতে হবে।

ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির ঘটনায় এর আগেও কয়েকজন যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংক। অনেকের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধও (ফ্রিজ) করা হয়। ফ্রিজ করা হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে যুবলীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য হন ওমর ফারুক। এর আগের কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং  ২০১২ সালে হন চেয়ারম্যান। এরপর থেকে যুবলীগে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠনের শীর্ষ পদ পাওয়ার পর বেশ ধনাঢ্য জীবন যাপন করছেন তিনি। যদিও তার দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা বা আয়ের উৎস নেই।

এদিকে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর থেকেই সমালোচিত হচ্ছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান। অনেকে বলছেন, এমনই ভাগ্য ওমর ফারুকের, ৬৪ বছর বয়সে হয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান। অথচ যুবলীগের ইতিহাসে এর আগে ৫০ বছরের বেশি বয়সী কেউ চেয়ারম্যান হননি। ১৯৭২ সালের ​নভেম্বরে শেখ ফজুলল হক মণি যখন যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন, তখন তার বয়স ছিল ৩২ বছর।

২০১৭ সালের জাতীয় যুবনীতি অনুসারে, ‘১৮ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক যুব হিসেবে গণ্য হবে।’ কিন্তু যুবলীগ চেয়ারম্যানের বর্তমান বয়স ৭১ বছর। তিনি সাত বছর ধরে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর কমিটি করার কথা। শুধু তিনি নন, যুবলীগের নেতাদের আরও অনেকের বয়স ৬০ পেরিয়ে গেছে।

জানা গেছে, ১৯৪৮ সালে জন্ম নেওয়া ওমর ফারুক চৌধুরী সত্তরের দশকে চট্টগ্রাম জেলা বিড়ি শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের প্রয়াত কেন্দ্রীয় নেতা এস এম ইউসুফ ছিলেন তার রাজনৈতিক মুরব্বি। বিড়ি শ্রমিক লীগের নেতা হয়ে মিয়ানমার থেকে টেন্ডু পাতা আমদানি শুরু করেন ওমর ফারুক। তামাকের বিকল্প এ টেন্ডু পাতা বিড়ির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

এইচ এম এরশাদ ক্ষমতায় আসার সময় ওমর ফারুক শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। জাতীয় পার্টির প্রয়াত নেতা নাজিউর রহমান (মঞ্জু) এরশাদের মন্ত্রিসভার সদস্য হলে ওমর ফারুক দল বদল করেন। জাতীয় পার্টির অঙ্গসংগঠন যুব সংহতির চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ওমর ফারুক চৌধুরী নাজিউর রহমানের ভায়রা ভাই এবং শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ভগ্নিপতি।

এরশাদ সরকারের পতনের পর কিছুদিন নীরব ছিলেন ওমর ফারুক। ১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলে তিনি সদস্য হন। ১৯৯৭ সালে তিনি উত্তর জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ হন। ওই কমিটির মেয়াদ ছিল ২০০৪ সাল পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এরশাদের আমলে যুব সংহতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর ওমর ফারুকের আয় বাড়তে থাকে। মালিক হন পোশাক কারখানার। ওমর ফারুক চৌধুরী নিজেও একটি গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি ১৯৮৮ সালে রাউজানে পোশাক কারখানা স্থাপন করেছিলেন, যা পরে চট্টগ্রাম শহরের জুবিলি রোডে স্থানান্তর করেন।

তবে এই ব্যবসা করতে গিয়ে সম্পদ নিলামে ওঠার পরিস্থিতি তৈরি হয় ওমর ফারুকের। ব্যাংক ঋণের দায়ে নগরের একটি বাড়ি এবং রাউজানের সুলতানপুর গ্রামের জমি ও ঘর নিলামে ওঠার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে। নিলামে তোলার দিনক্ষণও ধার্য করেছিলেন চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত। উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ এনে নিলাম ঠেকান তিনি।

সম্পদ নিলামে ওঠার দুই মাস আগেই যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন ওমর ফারুক চৌধুরী। আওয়ামী লীগও ওই বছরের শুরুতে ক্ষমতায় আসে। পরিস্থিতি বদলাতে থাকে তার। ব্যাংকঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছেন তিনি। কিন্তু এখন আর ওমর ফারুক চৌধুরীর দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আগে পেঁয়াজ, আদা ও গুঁড়া দুধের আমদানিকারক ছিলাম। এখন বন্ধুদের সঙ্গে আমার ব্যবসা আছে।’ অবশ্য কোন বন্ধুদের সঙ্গে কী ব্যবসা করেন, সেটা পরিষ্কার করে বলেননি তিনি।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের সোনালীচেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে কামরুল ইসলাম (২৩)নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের রগারপাড় গ্রামের আসক আলীর ছেলে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানাযায়,দোয়ারাবাজার উপজেলার লাফার্স সীমান্তের শ্যামারগাও গ্রাম দিয়ে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কয়েকজন রাখাল গরু

আনার জন্য ভারতে প্রবেশ করে। পরে ভারতের কালারটেক পাথরঘাট বিএসএফের ক্যাম্পের পাশ দিয়ে গরু নিয়ে বৃহস্পতিবার ভোররাতে আসার পথে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ সময় নিহত কামরুল ইসলামের লাশ ভারতের ভেতরে ফেলে তার সহযোগী রাখালরা দৌড়ে বাংলাদেশে চলে আসে বলে জানায় স্থানীয়রা।

দোয়ারাবাজার সীমান্তে নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনালী চেলা সীমান্তে নিহতের ঘটনা শুনেছি বলে সিলেট ব্যাটালিয়ন(৪৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আহমেদ ইউসুফ জামিল পিএসসি জানান।  তিনি আরো জানান,তবে বিএসএফের গুলিতে মারা গেছে এটা বলা যাচ্ছে না । বিএসএফের সাথে কথা চলমান আছে । শুক্রবার বাংলাদেশ পুলিশের নিকট লাশ হস্থান্তর করার কথা রয়েছে। লাশ পেয়ে ময়নাতদন্ত করার পরে জানতে পারবো কিভাবে মারা গেল। খোঁজ-খবর নেওয়ার পর এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলে জানান।

প্রেস বার্তাঃ আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
‘দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি আজ সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’- এ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে উৎসব পালন করব। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। সকলে মিলে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই দেশ আমাদের সকলের। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি।
‘দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করি।‘আসুন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

শুভেচ্ছান্তে
মুজিবুর রহমান মুজুল
চেয়ারম্যান, ৫নং কালাপুর ইউনিয়ন পরিষদ।
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc