Friday 22nd of November 2019 10:42:14 AM

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার আ’লীগের কেন্দ্রীয় চার নেতাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন। তারা দলের চার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জন্য সৎ এবং যোগ্য নেতা বাছাই করবেন।দায়িত্বপ্রাপ্ত এই চার নেতার মধ্যে রয়েছেন দলের দুই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান এবং দুই সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর আ’লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের আগে ৬ নভেম্বর কৃষক লীগ, ৯ নভেম্বর জাতীয় শ্রমিক লীগ এবং ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন হবে। ২৩ নভেম্বর হবে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেস। এসব সংগঠনের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবক’টি সম্মেলনই হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

সাম্প্রতিক সময়ে এই চার সংগঠনের কোনো কোনো শীর্ষ নেতা নানা কারণে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওসারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সম্মেলন সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথকে। যুবলীগ প্রেসিডিয়ামের দুই সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ ও নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে নিষিদ্ধ হয়েছেন।

এ অবস্থায় যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও শ্রমিক লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে বিতর্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ নেতাদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নিয়ে গত মঙ্গলবার গণভবনে আ’লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেছেন। তিনি আলোচিত চার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জন্য সৎ এবং যোগ্য নেতা বাছাই করতে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, বিএম মোজাম্মেল হক এবং আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এ আলোচনায় যুব লীগের জন্য সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব খুঁজতে যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানককে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব অনুসন্ধানের বিশেষ দায়িত্ব পেয়েছেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি। এই দুই সংগঠনের শীর্ষ নেতারাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন। এ কারণে এই দুই সংগঠনের ভবিষ্যৎ নেতা নির্বাচনে সততা, যোগ্যতা, স্বচ্ছ ও উজ্জ্বল ভাবমূর্তির প্রসঙ্গ বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।

গণভবনের আলোচনায় অংশ নেওয়া কয়েকজন নেতা সমকালকে জানিয়েছেন, ওমর ফারুক চৌধুরীর অপকর্মের বিষয়গুলো আগে থেকে না জানানোয় বৈঠকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের গ্রেপ্তার এবং ক্যাসিনোকাণ্ডে তাকে নেপথ্যে থেকে কোন কোন নেতা ইন্ধন জুগিয়েছেন, সেসব নিয়েও এ বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

নোয়াখালীর সম্মেলন ২১ নভেম্বর : আগামী ২১ নভেম্বর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে। চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এ তথ্য জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সৎ নেতার হাতে দেশ কখনও পথ হারায় না। শনিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার জন্য দারিদ্র্যের সীমা পার হয়ে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে চলে আসছি। এখন মধ্যম আয়ের দেশ হতে আমরা উন্নত বাংলাদেশে যাচ্ছি।

ভারত থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে মনিপুর রাজ্য। মনিপুরের মহারাজা লিসেম্বা সানাজাওবার প্রতিনিধিরা গতকাল (মঙ্গলবার) লন্ডন থেকে এই ঘোষণা দেন।

পাশাপাশি ব্রিটেনে একটি প্রবাসী সরকার গঠন করেছেন তারা। এর নাম দিয়েছেন ‘মনিপুর রাষ্ট্রীয় পরিষদ। স্বঘোষিত ওই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ামবেন বিরেন এবং পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নরেংবাম সমরজিত গণমাধ্যমের সামনে গতকাল এ ঘোষণা দেন। তাদের এই প্রবাসী সরকার ব্রিটেন থেকেই পরিচালিত হবে। তারা জাতিসংঘের সমর্থন অর্জনের চেষ্টাও চালাবেন বলে জানিয়েছেন। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস অবলম্বনে ইরনা এ খবর দিয়েছে।

ঘোষণায় নরেংবাম ও বিরেন জানান, তারা মনিপুরের মহারাজার অনুমোদন নিয়েই প্রবাসী নির্বাসিত সরকার গঠন করেছে। বক্তব্যের সমর্থনে একটি নথিপত্রও উপস্থাপন করেন তারা। তাতে দেখা যায়, মহারাজা ২০১৩ সালের ১৫ মার্চ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় তাদেরকে রাজ্যের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতা দিয়েছেন। তারা উভয়েই নিশ্চিত করেছেন, সরকারের নির্যাতন ও দমন থেকে পালিয়ে তারা ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছেন। তারা বলেন, ভারতে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে তাদের গ্রেপ্তার ও মেরে ফেলা হতো।

তারা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মনিপুরের স্বাধীন সরকারকে উপস্থাপন করার, স্বাধীনতা ঘোষণা করার ও স্বীকৃতি চাওয়ার এটিই সঠিক সময়। আমরা আজ থেকে মনিপুরের বিধিসম্মত এবং প্রবাসী সরকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য জাতিসংঘের সকল সার্বভৌম রাষ্ট্রের সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

“বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে এ প্রসঙ্গে”

সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি’র নিষেধাজ্ঞা ঘোষণায় দেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের মাঝে সৃষ্টি  হয়েছে তীব্র ক্ষোভ; নেমে এসেছে হতাশা। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন  তার নিজ জেলা মাগুড়াসহ  বিভিন্ন শহরের ক্রিকেট ভক্তরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে এ প্রসঙ্গে।

এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা গতকাল (মঙ্গলবার) বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। দু’বছর আগে তিনদফায় ম্যাচ ফিক্সিং এর প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন রাখার দায়ে  আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আওতায় সাকিবকে এ শাস্তি দিয়েছে আইসিসি।

বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান অবশ্য এর দায় মেনে নিয়েছেন। তিনি তার ভক্তদের আশ্বাস দিয়েছেন, শীঘ্রই তিনি আরো শক্তিশালী হয়ে খেলার মাঠে ফিরে আসবেন।

আইসিসির নিষেধাজ্ঞার খবর আসার পর মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এমসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মাইক গ্যাটিং বলেছেন, ‘কমিটি থেকে সাকিবকে হারিয়ে আমরা ব্যথিত। বিগত কয়েক বছর তিনি এই কমিটিতে অনেক অবদান রেখেছেন। তবে তার এই সিদ্ধান্ত সঠিক বলেই আমাদের বিশ্বাস।’

সাকিবের পাশে থাকবে বিসিবি- পাপন

এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিবি) সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এটাও জানিয়েছেন, মাঠে না ফেরা পর্যন্ত বিসিবি দেশসেরা এই অলরাউন্ডারের পাশে থাকবে।

বিসিবি সাকিবের পাশে দাঁড়ায়নি- সাবের হোসেন

তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী সাকিবের নিষেধাজ্ঞা প্রশ্নে বিসিবি সমালোচনা করে টুইট বার্তায় বলেছেন,  ‘কেউ অপরাধ করলে শাস্তি প্রাপ্য। বিসিবি অন্তত সাকিবের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমানোর চেষ্টা করতে পারত। দুঃখ লাগছে যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই জায়গায় সাকিবের পাশে দাঁড়ায়নি।’

এটা বাংলাদেশের জন্য মর্মান্তিক ঘটনা- ফখরুল

এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আজ দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের নিষেধাজ্ঞায় অগনিত ক্রিকেট অনুরাগীদের সাথে সুর মিলিয়ে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন এটা বাংলাদেশের জন্য একটা মর্মান্তিক ঘটনা।

মাগুরায় বিক্ষোভ

ওদিকে, বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতেই তার নিজ জেলা মাগুরা শহরে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ক্রিকেট অনরাগীরা।

আজ (বুধবার) সকাল ১১টায় মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে মাগুরার সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধন আয়োজন করে। এসময় বক্তারা বলেছেন, সাকিব যড়যন্ত্রের শিকার। পাশাপাশি এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ধ্বংস করার যড়যন্ত্র বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।

রাজশাহীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের শাস্তির প্রতিবাদে ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটে অবরোধ কর্মসূচি পালন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তারা। এ সময় তিন দফা দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবিগুলো হলো-বিসিবি থেকে নাজমুল হাসান পাপনের অপসারণ, আইসিসির সিদ্ধান্তকে পুনঃবিবেচনা করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসহ সব ধরনের ক্রিকেটে সাকিবকে ফিরিয়ে আনা ও বিসিবিকে মেরুদণ্ড সোজা করে বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গনে যথাযথ ভূমিকা পালন করা।

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্রকে নিভিয়ে দিতে নানাভাবে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। যখন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা তাদের বেতন নিয়ে ধর্মঘট শুরু করে তখন সাকিবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিসিবির সভাপতি। এরপরই সাকিবকে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। বিসিবি থেকে পাপনকে দ্রুত অপসারণ করতে হবে। সে বিসিবির দায়িত্বে থাকার যোগ্য নয় বলে আমরা মনে করি।’

এদিকে, আইসিসির সিদ্ধান্তকে পুনঃবিবেচনার দাবিতে বেলা ১১টায় একটি মৌন মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনের সামনে মৌন মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ। এতে একাত্মতা জানিয়ে অংশ নেয় অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন খান।

ভারতীয় পাঠকের প্রতিক্রিয়া

এদিকে ঢাকার একটি দৈনিকের অনলাইনে একজন ভারতীয় পাঠক মন্তব্য করেছেন, সাকিব কেবল বাংলাদেশের নন, পুরো এশিয়া মহাদেশের একজন হিরো। তাঁর খেলা ভালোবাসেন না এমন বাঙালি এই গোলার্ধে নেই। তিনি সৌরভ গাঙ্গুলির মতোই একজন আইকন। কিন্তু পচা শামুকে পা কেটে তিনি কেবল নিজের নয়, তাঁর ভক্তদেরও মাথা নীচু করলেন। এই ঘটনা আমরা খুব শীঘ্র ভুলে যেতে চাইব। সাকিব ভাই, ফের স্বমহিমায় মাঠে ফিরে আসবেন। কিন্তু বাস্তব সত্যটা এই তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আর কখনই হল অফ ফ্রেমে জায়গা পাবেন না।

তবে, এই ঘটনায় ভারতকে জড়িয়ে কথা বলা আদতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

সৌরভ গাঙ্গুলী

সৌরভ গাঙ্গুলীর প্রতিক্রিয়া

ভারতীয় ক্রিকেট কন্টোল কন্টোল বোর্ডের প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী উল্লেখ করেছেন, ঝড়-ঝাপটা যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। এর মধ্যেও ভারতে এসে দিবারাত্রির টেস্ট খেলতে রাজি হওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে কৃতজ্ঞতা জানান গাঙ্গুলী।

তিনি বলেছেন, “সাকিব আল হাসানের নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় অস্থির বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গন। আমার মনে হয় না, সাকিবের না থাকায় বাংলাদেশের বিশেষ সমস্যা হবে। সাকিব ছাড়াও ওদের দলে অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড় আছে। ওরা ঠিকই মানিয়ে নিতে পারবে।’পার্সটুডে

কোম্পানীগঞ্জ থেকে সংবাদ দাতাঃ  ‘স্যার আমার অমতে আমার পরিবার আমাকে জোর করে বিয়ে দিচ্ছে বলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার অনেক পরিচিত মানুষদেরকে ফোন করে বলছে। আমি আরো পড়ালখো করতে চাই।’ এভাবেইে কোম্পানীগঞ্জ উপজলোর বিভিন্ন মানুষকে ফোন দিয়ে বলছে “বাল্য বিয়ে থেকে আমাকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে খবর দেন”
আগামী ১ নভম্বের শুক্রবার বিবাহের দিন তারিখ নির্ধারন করেছেন পরবিার। ঐ ছাত্রী ফোন করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ইউএনও ও ওসির নাম্বার খোজতেছে। ওই ছাত্রী ফোন দিয়ে আমাকে আমার মার কাছ থেকে রক্ষা করুন, আমার মা আমাকে কম বয়সে বিয়ে দিচ্ছে যৌতুকের লাভে কোম্পানীগঞ্জ উপজলা নির্বাহী অফিসার ও ওসি স্যারসহ কোম্পানীগঞ্জ উপজলার সকল প্রশাসনের কর্মকর্তার প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছে মেয়েটি এই বিয়ে বন্ধ করার জন্য।
কোম্পানীগঞ্জ উপজলো পরষিদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামীম আহমদ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত অনুমান ১০ ঘটিকায় আমার মোবাইলে একটি মেয়ে কল করে বলে, ‘স্যার আমার অমতে আমার পরিবার আমাকে জোর করে বিয়ে দিচ্ছে”। আমাকে এই বিয়ে থেকে রক্ষা করুন।
তখন চেয়ারম্যান শামীম আহমদ মেয়েকে বলেন, ‘তোমার বয়স কত।’ মেয়েটি উত্তরে বলে, ‘জন্ম সনদ অনুযায়ী ১৫ বছর। আমি ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। আমি আরো পড়ালখো করতে চাই।’
চেয়ারম্যান শামীম বলেন, ‘তোমার বাড়ি কোথায়?’ মেয়েটি বলে, ‘আমার বাড়ি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তেলিখাল ইউনিয়নের চাটিবহর গ্রামের মরহুম বতুমোল্লার ছেলে প্রবাসী ময়না মিয়া ও পারুল বেগমের মেয়ে মোছা: সুমি বেগম।
এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমদ বলেন, এই বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসনসহ সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং যৌতুক লাভের আশায় মাকে থানায় এনে যৌতুক আইনে মামলা দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।
এব্যাপারে কন্যার চাচা মোঃ আশিক মিয়া জানান, আমার বাড়ীর এই ভাতীজি খুবই মেধাবী, আমার জানা মতে কন্যার মাত্র ১৫-১৬ বৎসর বয়স, কিন্তু‘ বাবা প্রবাসে থাকে বিদায় ৫৫ বছর বয়সের বরের সাথে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিজ মেয়েকে জোর করে বিয়ে দিচ্ছে। এই বিয়ের বিষয়ে আমার কোন সম্পৃক্ততা নাই। আমি প্রশাসনের সহযোগিতা  চাই, এবং এই বাল্য বিবাহ বন্ধের জন্য সহযোগিতা চাচ্ছি।

কোম্পানীগঞ্জ উপজলা আওয়ামীলীগরে সাধারণ সম্পাদক ও তেলিখাল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আপ্তাব আলী কালা মিয়া জানান, আমাকে কে ফোন দিয়ে বলেছে যে নানাভাই আমাকে কম বয়সে বিয়ে দিচ্ছে আমার মা, আমাকে রক্ষা করুন। তাই আমি অত্র এলাকার কিছু মুরব্বীদের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারলাম যে, এই মেয়েটি খুবই মেধাবী ও জন্ম সনদ অনুযায়ী বয়স খুবই কম, কিন্তু মায় জোর পূর্বক ৫৫ বছরের বেটার সাথে বিয়ে দিচ্ছে বাড়ী বা এলাকার কেউ এই বিয়ের পক্ষে নায়। কিন্তু তাদের লজিং মাষ্টার ডাঃ মস্তফা এই বিয়ের মূল কারিগর বলে এলাকাবাসী জানান। এই মেয়ের মার সাথে এই মোস্তফা ডাক্তারের সম্পর্ক বেশি। তাই আমি উপজেলা প্রশাসন ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি এই ধরনের বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে সহযোগিতা করুন।
ছাতকের জালালিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাওঃ মনির আহমদ জানান, আমাদের রেজিষ্টার খাতা অনুযায়ী এই মেধাবী ছাত্রী সুমি বেগমের খুবই কম বয়স মাত্র ১৫ বছর। কিন্তু আমরা জানতে পারি আমাদের অনেক ছাত্রীদের কাছ থেকে যে মা আর তাদের লজিং মাষ্টার ডাঃ মোস্তার নেতৃত্বে যৌতুকের লোভে এই কম বয়সে বিয়ে দিচ্ছে মা। আমরা এই বাল্য বিবাহ বন্ধের আহবান জানাচ্ছি।

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ৮বিঘা জমির ধান বিষ প্রয়োগে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ওই কৃষক হতাশ হয়ে পড়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার দিাবগত রাতের যে কোন সময় উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের নগেন্দ্রনগর মাঠে।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আত্রাই থানা ও উপজেলা কৃষি অফিসার বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নগেন্দ্রনগর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক গত আড়াই মাস পূর্বে তার ৮ বিঘা জমিতে হালচাষ করে বিআর-৩৪ জাতের (চিনি আতপ) আমন ধান রোপন করেন। নিয়মিত পরিচর্যায় সম্প্রতি ধানের শীষ বের হতে থাকে। ধানের শীষ দেখে কৃষকের মনে বুকভরা আশা জাগ্রত হয়। এ ধান গোলায় উঠবে, ধান বিক্রি করে পরিবারের ভরণ-পোষণসহ বিভিন্ন প্রয়োজন মিটানো হবে। কিন্তু না তার সব আশা-আকাঙ্খা ধুলোয় মিশিয়ে দিল দুর্বৃত্তরা।

রাতের অন্ধকারে ৮ বিঘা শীষযুক্ত ধানের উপর আগাছা নাশক বিষ প্রয়োগ করে সমুদয় ধানের গাছ মেরে ফেলা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জমিতে গিয়ে ধানের এ পরিনতি দেখে হতাশায় ভেঙ্গে পরেন কৃষক আব্দুর রাজ্জাক।

উপজেলা কৃষি অফিসার কেএম কাউছার হোসেন বলেন,বুধবারে সরে জমিনে গিয়ে ছিলাম। যা দেখলাম কোন মানুষ মানুষের এমন ক্ষতি করতে পারে না। সবেমাত্র ধানের শীষ বের হয়েছে, ধানগুলো সম্ভাবনাময় হয়ে দেখা দিয়েছে। এমন ধান বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করা এটা কোন শত্রুতা ?

আত্রাই থানার ওসি মোসলেম উদ্দিন বলেন, “কৃষক আব্দুর রাজ্জাকের সাথে মসজিদ ও ঈদগাহের কমিটি সংক্রান্ত কিছু বিরোধ তার গ্রামের লোকজনের রয়েছে। তারপরও সবকিছু সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষি ব্যক্তিদের অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”

জহিরুল ইসলাম,শ্রীমঙ্গল: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিকাশে অভ্যন্তরিন গণতন্ত্র বিষয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের গ্রান্ড তাজ হোটেলের হল রুমে ইউএসএআইডি, উইকেএআইডি ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর আয়োজনে ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা জাতীয় পার্টির সহযোগিতায় কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পাটির মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি সৈয়দ শাহাবুউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী রাহিমা বেগম, জেলা জাতীয় পার্টির সহ সম্পাদক মাষ্টার ট্রেইনার মিজানুর রব। এসময় জাতীয় পার্টির প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।

দখলে খামারবাড়ির সরকারি সব দপ্তর, কালো তালিকায় থাকা মনি সিংহ কাজ নিচ্ছে ভিন্ন লাইসেন্সে

কথিত আছে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ভবন নির্মাণ করে বাংলাদেশে পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য ‘বাঁশের দালান’ তৈরী করে চমক সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন ঠিকাদার মনি সিং ওরফে কালা মনি। কিন্তু বেরসিক তদন্ত কমিটি মনি সিংহের এস্বপ্ন পূরন হতে দেয়নি। উল্টো বাঁশ মনি খেতাব দিয়েছে। র‌্যাবের গোয়েন্দা জালে ধরাও পড়েন অনৈতিকতার জঘণ্য উদাহরন সৃষ্টিকারি ঠিকাদার মনি সিংহ।

কিন্তু আশ্চর্য্যরে বিষয় হলো বাঁশ মনিরের খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে জেল থেকে মুক্তি। আলোচনায় চলে আসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মণি সিংহ। গ্রেপ্তারের পর পর কালো তালিকায় স্থান পায় মনি সিংহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জয় ইন্টারন্যাশনাল। অভিযোগ উঠেছে, বাঁশ মনির একটি প্রতিষ্ঠান কালো তালিকাভূক্ত হলে তিনি ঠিকাদারি করতে আশ্রয় নিয়েছেন আরো অন্ততঃ ১০টি প্রতিষ্ঠান।

এর মধ্যে কোনটির লাইসেন্স নিজ নামে কোনটি পরিবারের সদস্যদের আবার কোনটি রয়েছে শুভাকাঙ্খিদের নামে। জেল মুক্তির পর ভিন্ন ভিন্ন নামে লাইসেন্সে ঠিকাদারী করছেন মনি সিংহ। নতুন করে শুরু করে টেন্ডার বানিজ্য। রাজধানীর ফার্মগেটের খামার বাড়ি, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, মৃত্তিকা ভবনসহ অত্র এলাকার চাঁদাবাজী ও টেন্ডারবাজী এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে মনি সিং ওরফে কালা মনি। জেল মুক্তির পর হয়ে উঠেছেন আরো বেপরোয়া। যেন ফিরে পেয়েছেন নতুন যৌবন। তার নামে থাকা খামারবাড়ির হোটেল ব্যবসায়ী মঞ্জু, শাহাবাগের শাহিন, মনিপুরিপাড়ায় চন্দন হত্যা মামলাগুলো টেন্ডারবাজির ক্ষেত্রে বড় হাতিয়ার। চাঞ্চল্যকর এসব খুনের কথা প্রচার করে মনি সিং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রকল্প পরিচালকদের ভয় দেখান। তার ক্যাডার বাহিনি নিয়ে ত্রাসের রাজস্ব কায়েম করে। যাতে করে কোন কাজের টেন্ডারে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন না করে। অথবা মনি সিংহের সাথে আপোষ করতে বাধ্য হয়। ওই এলাকার কোন প্রকল্প পরিচালক পাওয়া যাবেনা যাকে ভয় দেখাননি মনি সিংহ। কোনো কোনো পরিচালককে কাজ না দিলে হত্যার হুমকিও দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাসতুরা ইন্টারন্যাশনাল, জেনটিক ইন্টারন্যাশনাল, সিমেন্স ইন্টারন্যাশনাল, দেওয়ান এন্ড ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল ও মেসার্স মাহিয়া ইন্টারপ্রাইজ প্রভৃতি নামের লাইসেন্স কাজ ভাগিয়ে নেন সময়ের আলোচিত এ ঠিকাদার।

খামার বাড়ি এলাকার প্রকল্পগুলোর ৭০ থেকে ৮০ ভাগ কাজ করেন মনি সিং। সেখানে অন্য কোন ঠিকাদার টেন্ডারের সিডিউল কিনতে যেতে পারেনা । সিডিউল ড্রপ করার সময় তার বাঁশ বাহিনী চার পাশে সশস্ত্র অবস্থান করে। তার পালিত ক্যাডারদের মধ্যে পলাশ, পিচ্ছি পলাশ সুমন লালটু রুবেল, টিপু, কাদের, হুমায়ন, আহাদ, তুহিনসহ আরো ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি বাহিনী পাহারায় থাকে যাতে করে বাইরের কেউ টেন্ডার ড্রপ করতে না পারে। মনি বাহিনি নামে পরিচত এসব ক্যাডার খামার বাড়ি আ.কা.মু গিয়াস উদ্দিন মিল্কী অডিটরিয়ামে মদ ও জুয়ার আসর বসায়।

সন্ধ্যা থেকে সেখানে চলে বিভিন্ন ধরনের বিনোদন ও মাতলামি। তরুণিদের গভীর রাতে বের হতে দেখা যায় ওই অডিটরিয়াম থেকে। এতে সহজেই অনুমেয় সেখানে চলে নারী নিয়ে ফুর্তি। ওই অডিটরিয়ামে টর্চারের জন্য আলাদা রুম রয়েছে। এসব করেই শত কোটি টাকার মলিক মনি সিংহ। তার ঘনিষ্টজনেরা বলেছেন, টাকার জোরে মনি সিংহ থানা আ.লীগের অর্থ সম্পাদকের পদটি বাগিয়ে নিলেও নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের মূখে ওই কমিটি স্থগিত হয়ে যায়। তারপরও তিনি ওই পদটি ব্যবহার করেন।

দল ও পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঠিকাদারি কাজ ভাগিয়ে আনেন। তার ঘনিষ্টজনেরা বলেছেন, বড় ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে মনি সিংহ দেশ ছেড়েও পালিয়ে যেতে পারেন। তাদের দাবি, মনি সিংহকে এখনই গোয়েন্দানজরদারির মধ্যে রাখা উচিৎ। অন্যথায় তার হাতে কারো খুনের ঘটনা ঘটলেও আশ্চয্যের কিছু থাকবে না। উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গায় ‘বাংলাদেশ ফাইটোসেনেটারি ক্যাপাসিটি শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের অফিস ভবন কাম ল্যাবরেটরি নির্মাণ কাজে লোহার রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করা হয়।

এ ঘটনায় মনি সিংসহ চারজনকে আসামি করে দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন মনি সিংহ। সিলেটের কোতোয়ালি থানার সাগরদীঘির পাড়ের বাসিন্দা যতিন সিংয়ের ছেলে মনি সিংহ এর মামলার বিষয়টি তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। রাজধানীর ৬৪/এ মনিপুরি পাড়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জয় ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ছিলেন বহুল সমালোচিত মনি সিংহ।

জীবনের ভয় বলে কোন কথা আমার ডিকশনারিতে নেই:প্রধানমন্ত্রী

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে ‘আইওয়াশ’ বলে বিএনপির অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়ে তাদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, যারা (বিএনপি) আপাদমস্তক দুর্নীতিবাজ, যাদের বিরুদ্ধে খুন-দুর্নীতি-অগ্নিসন্ত্রাস-অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে, যে দলের শীর্ষ দুজনই দুর্নীতির দায়ে দন্ডিত, তারা দুর্নীতিবিরোধী অভিযান নিয়ে কথা বলে কোন মুখে, কোন সাহসে। অপরাধী অপরাধীই। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, সবাইকে ধরা হবে। কখন কাকে ধরা হবে, তা সময়ই বলে দেবে। আর অপেক্ষা করুন, চলমান অভিযান আইওয়াশ কিনা তা দেখতে পারবেন। আর জীবনের ভয় বলে কোন কথা আমার ডিকশনারিতে নেই। ভয় থাকলে এমন অভিযানে নামতাম না।

মঙ্গলবার গণভবনে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইসিসি নিষেধাজ্ঞা জারির আশঙ্কা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বলেছে তারা সাকিবের পাশে থাকবে। বিসিবি সব সময় সাকিবের সঙ্গে আছে এবং সব রকম সহযোগিতা দেবে। তবে আইসিসি যদি কোন ব্যবস্থা নেয়, সেক্ষেত্রে তো এখানে আমাদের খুব বেশি করণীয় থাকে না। ক্যাসিনো কান্ড নিয়ে সাংবাদিকদের একহাত নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এতদিন ধরে ক্যাসিনো পরিচালিত হয়ে আসছে, আপনারা (সাংবাদিক) তো কেউ কোন নিউজ করলেন না? আমারও প্রশ্ন, এ রকম ঘটনা ঘটে যাচ্ছে কেউ জানে না? খোঁজ করলে সাংবাদিকদের ভেতরেও হয়তো ক্যাসিনোতে জড়িত কাউকে পাওয়া যাবে। তখন কী হবে? তবে মানুষ যখন অপরাধের সঙ্গে জড়ায় হয়তো প্রথম কেউ জানে না। কিন্তু একপর্যায়ে তাকে ধরা পড়তেই হবে। কেননা, কখন কে কোন অপরাধে ধরা পড়ে তার কোন ঠিক নেই। আর অপরাধ করলে ধরা তাকে পড়তেই হবে।

মূলত গত ২৫ ও ২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণ এবং অর্জিত সাফল্যগুলো তুলে ধরতেই প্রধানমন্ত্রীর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু প্রশ্নোত্তর পর্বে ঘুরেফিরেই দেশে চলমান শুদ্ধি অভিযান, ক্রিকেট খেলোয়াড়দের হঠাৎ ধর্মঘট, সাকিবের বিরুদ্ধে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা ছাড়াও দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক বিষয়গুলোই উঠে আসে। এসব ইস্যুতে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের স্বভাবসুলভ হাস্যোজ্জ্বলভাবেই সব প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েও অনেক কিছু জানতে চান এই সরকারপ্রধান। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর সঙ্গে মূল মঞ্চে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ছিলেন। তারা দুজন ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভয় পেলে অভিযানে নামতাম না:ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান ও বিরোধী দলের আন্দোলনের হুমকি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভয় পেলে এ অভিযানে আমি নামতাম না। আর আমি যখন নেমেছি, তখন কি করে, পরিবারের কেউ কিনা, কোন দলের সেটি আমার কাছে বিবেচ্য বিষয় না।

তিনি বলেন, আমি ছোট বেলা থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক পরিবারে আমার জন্ম। আমার বাবাকে (জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু) দেখেছি কীভাবে সাহসের সঙ্গে বাংলাদেশকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই ভয় এ শব্দটা আমার ছোট বেলা থেকেই নেই। ভয় পাওয়ার লোক আমি না। ভয় পেলে এ অভিযানে আমি নামতাম না। আর আমি যখন নেমেছি, তখন সে কি করে, কোন দলের সেটি আমার কাছে বিবেচ্য বিষয় না।

বিএনপিকে ‘দুর্নীতির খনি’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দুর্নীতির দুয়ার খুলে দিয়েছিল জিয়াউর রহমান। তার (জিয়া) হাতে গড় দল, সেখানে আপনারা দেখেন বিএনপির প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা তো আছেই। হত্যা, খুন, দুর্নীতি, অগ্নিসন্ত্রাস- হেন কোন কাজ নেই যা তারা করেনি। সেই দলের নেতা যিনি চেয়ারপার্সন (খালেদা জিয়া), দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়ে এখন কারাগারে। আরেকজন যাকে (তারেক রহমান) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন করা হলো, সে দুর্নীতিগ্রস্ত এবং দুর্নীতি মামলায় দ-িত হয়ে এখন দেশান্তরে। তাদের (বিএনপি) মুখে এত কথা কোথায় থেকে আসে, কোন সাহসে।

রাশেদ খান মেনন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী: একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের প্রধান শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিতর্কিত বক্তব্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের এক নেতা (রাশেদ খান মেনন) হয় তো কিছু কথা বলেছেন। কারণ তার মনে তো একটা দুঃখ হতেই পারে। তিনি জেনে হোক, না জেনে হোক তাকে এক ক্লাবের চেয়ারম্যান করা হয়েছে এলাকার এমপি হিসেবে। স্বাভাবিকভাবেই কিছু তথ্য এসেছে। যখন কিছু তথ্য এসেছে, তিনি কিছু কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, তিনি (রাশেদ খান মেনন) হয়তো ভুলে গেছেন, তিনিও নির্বাচন করে জয়ী হয়ে এসেছেন। নির্বাচনের ব্যাপারে প্রশ্ন তুললে তার নির্বাচিত হওয়াটাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। কাজেই সেটা তিনি তখন বুঝে বলেছেন, নাকি না বুঝে বলেছেন- সেটা আমি জানি না। রাশেদ খান মেননের ব্যাপারে ১৪ দলের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ নাসিম তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন, উনি (মেনন) যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে ১৪ দল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ ইস্যুটি তো সেখানেই শেষ হয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত নির্বাচনে জনগণ যদি আমাদের ভোটই না দিত, আর জনসমর্থন যদি আমাদের পক্ষে না থাকত, তাহলে তো যেভাবে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল, যার বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি, দেশবাসী আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। দেশবাসী খালেদা জিয়াকে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল। তারাও (বিএনপি) সে ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলতে পারল না কেন? গত নির্বাচনে এদেশের সব ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, সব শ্রেণী-পেশার মানুষ, এমনকি সব সরকারী প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকে যেভাবে আমাদের সমর্থন দিয়েছে, এটা বাংলাদেশের জন্য একটা ‘অভূতপূর্ণ ঘটনা’- বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপির মতো এখন কোন হাওয়া ভবন নেই, যেখানে ব্যবসায়ীদের ব্যবসার ভাগ দিতে হতো।

ক্যাসিনো ইস্যুতে সাংবাদিকদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী: ক্যাসিনো ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন করে এ ইস্যুতে কোন সংবাদপত্রে কোন সংবাদ প্রকাশিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোন সাংবাদিক, কোন সংবাদপত্র কিন্তু একটা নিউজও করেননি যে, বাংলাদেশে ক্যাসিনো খেলা হয়। আমি যদি প্রশ্ন করি- আপনারা (সাংবাদিক) এত খবর রাখেন, এ রকম আধুনিক যন্ত্রপাতি (ক্যাসিনোর) এসে গেছে, এত কিছু হলো আপনারা কেউ খবর রাখলেন না ? কেউ খবর পেলেন না ? ক্যাসিনো সম্পর্কে তো কেউ কোন নিউজ দেননি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সব থেকে বেশি সংবাদপত্র। কয়েকশ’ সংবাদপত্র। এক সময় বাংলাদেশে একটাই চ্যানেল ছিল। আমি তো সবকিছু ওপেন করে দিলাম। ৩২টির মতো টিভি চ্যানেল চালু। কোন একটি চ্যানেল থেকে এ বিষয়ে কোন একটি নিউজ দিতে পারলেন না। এর জবাব কি আপনারা জাতির কাছে দিতে পারবেন ? পারবেন না। তিনি বলেন, মানুষ যখন কোন অপরাধের সঙ্গে জড়ায়, সে মনে করে- আর কেউ জানবে না। কিন্তু ধরা কোন না কোনভাবে পড়ে যেতেই হয়। এটা হলো বাস্তবতা। আমরা চাচ্ছি, দেশটা শান্তিপূর্ণভাবে চলুক। দেশের উন্নতি হোক। দিন-রাত পরিশ্রম করি দেশের মানুষের শান্তিতে থাকে, জীবনমান যেন উন্নত হয়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্যাসিনো কান্ডে ক্রিকেট বোর্ড জড়িত এটা ঠিক না। এটা বোর্ডের কিছু না। ক্যাসিনোতে যিনি ছিলেন, তিনি ধরা পড়েছেন। এছাড়া দেশের মধ্যে এ ধরনের একটা কান্ড (ক্যাসিনো) চলেছে, কেউই তো জানতো না! সংবাদমাধ্যমও তো জানে না! আমিই তো এদের ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু এতগুলো চ্যানেল আছে, আপনারা কেউ নিউজ করতে পারলেন না? আমরাই এদের ধরব, আবার আমাদেরই প্রশ্ন করবেন- সেটা তো হতে পারে না। আমিই ধরেছি, জানতে পেরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযান চালাতে বলেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা তো অভিযান চালাচ্ছি। কে কখন কিভাবে ধরা পড়বে, বলা যায় না। আমরা কিন্তু ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের ধরেছি। তাদের কেউ বহাল তবিয়তে আছে, সেটাও ঠিক না। এখন আপনারা খুঁজে দেখেন, কোথায় কী পাওয়া যাচ্ছে। তবে কারও যদি জুয়া খেলার আকাক্সক্ষা থাকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি- একটি চর বরাদ্দ দিন। সেখানে খেলুক, ট্যাক্স বসান। একটা নীতিমালা করুন, অন্তত ট্যাক্সটা তো পাওয়া যাবে।

দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এমন একশ’ জনের নাম আপনি দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনকে। এ রকম আর কতজনের তালিকা আপনার হাতে আছে- এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কতজনের তালিকা আছে, সেটা কেন আমি এখন বলব? তবে এতটুকু বলতে পারি- কোন এক পত্রিকার সম্পাদক, কোন এক ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে ফোন করে বলেছে- কিছু টাকা চায়, সেটা যদি না দেয়া হয় তাহলে এমন লেখা লিখবে যে, তার জীনটাই ধ্বংস হয়ে যাবে। সেটা আগে বের হোক তারপর জানবেন। ব্যাংকের এমপি ফোন করে বলে দিয়েছে কত দিতে হবে। না দিলে নিউজ হয়ে যাবে। এটা রেকর্ড আছে।

সাকিবের পাশে থাকবে বিসিবি

ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইসিসি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে যে নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে, সেটার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিসিবি বলেছে তারা সাকিবের পাশে থাকবে। এ বিষয়ে আমাদের আসলে বেশি কিছু করার নেই। তবে বিসিবি সব সময় সাকিবের সঙ্গে আছে এবং সব রকম সহযোগিতা দেবে। তবুও আমরা এটুকু বলব যে, আমাদের দেশের একটা ছেলে, সারা বিশ্বে ক্রিকেটে তাঁর একটা আলাদা অবস্থান আছে। ভুল সে করেছে এটা ঠিক। সে এটা বুঝতেও পেরেছে। তারপরও আমরা, বিশেষ করে বিসিবি বলেছে তার পাশে থাকবে। তবে খুব বেশি যে করণীয় আছে সেটা কিন্তু না।

সাকিব আল হাসনের মতো বিশ্বসেরা খেলোয়াড়দের ওপর জুয়াড়িদের নজর থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ক্রিকেট খেলোয়াড়দের সঙ্গে যারা ক্রিকেট জুয়াড়ি থাকে তারা যোগাযোগটা করে। ওর (সাকিব) যেটা উচিত ছিল যখন ফিক্সিংয়ের যোগাযোগ করেছে, তখন সাকিব এটাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। ফলে সে এ কথাটা আইসিসিকে জানায়নি। নিয়মটা হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে আইসিসিকে জানানো উচিত ছিল। এখানে সে একটা ভুল করেছে।

ক্রিকেটারদের হঠাৎ করে আন্দোলন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ক্রিকেটারদের কোন দাবি-দাওয়া থাকলে তা বিসিবিকে তারা জানাতে পারত। কথাবার্তা নেই, হঠাৎ করে ধর্মঘট ডাকা জীবনে শুনিনি। ক্রিকেটাররা এভাবে ধর্মঘট ডাকে তাও শুনিনি। আন্দোলনে না গিয়ে দাবি-দাওয়া উত্থাপন করতে পারত। তবে সেটা এখন মিটমাট হয়ে গেছে। কেননা, আমরা যেভাবে আমাদের ক্রিকেটারদের সমর্থন দিই, পৃথিবীর খুব কম দেশই আছে এমন সমর্থন দেয়। আমাদের ক্রিকেটাররা খেলছেও ভাল।

পেঁয়াজ নিয়ে সমস্যা থাকবে না

সাম্প্রতিক সময়ে পেঁয়াজ নিয়ে শুরু হওয়া সমস্যার সমাধান অচিরেই হয়ে যাবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে সমস্যা থাকবে না। এটা সাময়িক। কয়েকদিনের মধ্যে এটি ঠিক যাবে। ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজ চলে এসেছে। আরও আসবে। ইতোমধ্যে খবর পেলাম, প্রায় ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ চলে আসছে খুব শীঘ্রই। তাছাড়া ১০ হাজার টন তো চলে আসবে কয়েক দিনের মধ্যেই। কাজেই চিন্তার কিছু নেই।

এ সময় রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ ছাড়াও তো রান্না হয়। আমি নিজেও তো পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করি। তবে কারা পেঁয়াজ মজুদ করছে? মজুদ করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে কতদিন রাখা যাবে? পেঁয়াজ তো পঁচে যাবে, বেশিদিন তো রাখা যাবে না। তাই চিন্তার কিছু নেই।

সৌরভের আমন্ত্রণে কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভারত সফরে কলকাতায় টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। এই টেস্ট দেখার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দাওয়াত নয়। বাঙালী ছেলে সৌরভের দাওয়াত। সৌরভের দাওয়াত বলেই আমি সেখানে যাব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকব এবং বিকেলেই চলে আসব।

এ বিষয়ে বিসিসিআইয়ের প্রধান হওয়ার পর সৌরভ গাঙ্গুলীর ফোন পাবার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সৌরভ বাঙালীর ছেলে। সে একসময় ক্রিকেটে খুব নাম করেছিল। এই প্রথম একজন বাঙালী হিসেবে বিসিসিআইয়ের প্রধান হলো। এরপর সে (সৌরভ) ফোন করেছিল। আমাকে দাওয়াত দিল। বলল, আমি যেন ওখানে যাই এবং খেলার শুরুতে অন্তত থাকি। আমি রাজি হয়ে গেলাম। কলকাতা টেস্ট উপলক্ষে তিস্তা চুক্তি নিয়ে না হলেও ক্রিকেট কূটনীতি থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কিছুটা রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্রিকেটকে নদীর মধ্যে নিয়ে যাচ্ছেন কেন?

বিএনপি দুর্নীতির কারখানা

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বিএনপি এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কঠোর সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা চলমান অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা নিজেরাই (বিএনপি) দুর্নীতির খনি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জেনারেল জিয়াই দেশে প্রথম দুর্নীতির দুয়ার খুলে দিয়েছিল। তার হাতে গড়া দলটি খুন, দুর্নীতি, অর্থপাচার, অস্ত্র চোরাচালানসহ হেন কোন অপকর্ম নেই যার সঙ্গে জড়িত ছিল না। ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমাকে হত্যার চেষ্টার সঙ্গেও তারা জড়িত। ক্ষমতায় থাকতে তারা দুর্নীতিকেই নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

তিনি বলেন, বিএনপির এতই অবৈধ অর্থ যে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন এফবিআই অফিসারকে পর্যন্ত ভাড়া করেছিল আমার ছেলে জয়কে (সজীব ওয়াজেদ জয়) অপহরণ ও হত্যা করার জন্য। পরে তদন্ত করে এফবিআই নিজেরাই এই ষড়যন্ত্র ধরে ফেলে, তদন্তে উঠে আসে বিএনপিই এই ষড়যন্ত্রটি করেছিল। বিএনপির নেত্রীর এক ছেলের ঘুষের পাচার করা টাকা আমরা উদ্ধার করে দেশে ফেরত আনতে পেরেছি। যারা আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরা, তারা এ অভিযান নিয়ে কথা বলে কীভাবে?

তিনি বলেন, দেশ চালাতে এবং দেশের মানুষের উন্নয়ন করতে কাজ করে যাচ্ছি। রাজনীতি করতে গেলে বহুজন বহু ভাষণ দেবে, অনেক কথা বলবে। কিন্তু তাদের কথা শুনলে তো দেশের মানুষের জন্য কোন কাজই করতে পারব না। আর ভয় আমরা ডিকশনারিতে নেই। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হত্যার জন্য অতীতেও অনেক চেষ্টা হয়েছে, ষড়যন্ত্র এখনও আছে। সমস্ত বৈরী পরিবেশে উজানে নাও ঠেলেই আমরা ক্ষমতায় এসেছি, দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছি। একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কেউ দেশের উন্নয়ন করতে পারে না আমরা তা প্রমাণ করেছি। উন্নয়নে সারাবিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন এক বিস্ময়ের নাম। আমরা দেশের হৃদগৌরব আবারও ফিরে আনতে সক্ষম হয়েছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে যারা গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছে এটা কী শাস্তি নয়? এটাও কী তাদের জন্য শাস্তি নয়। আর নুসরাত জীবিত থাকতেই নিজে জবানবন্দী দিয়েছিল বলেই এই হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার সম্পন্ন হয়েছে। এতে সাংবাদিকরাও বিরাট ভূমিকা রেখেছে। এ হত্যাকান্ডের বিচারও একটা দৃষ্টান্ত।

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফেরত আনার চেষ্টা চলছে

পদ্মা সেতু ও বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফেরত আনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুটি অত্যন্ত হাইটেকনিক্যাল। সেখানে নদী খুবই খরস্রোতা। দোতালা পদ্মা সেতু হচ্ছে। তাই নির্দিষ্ট করে দিন-ক্ষণ এখনই বলা যাবে না, কিছুটা সময় লাগবে।

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফেরত আনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুনীদের ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা এক খুনীকে ফেরত পেতে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠি দিয়েছেন। আরেক খুনীর ব্যাপারে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সঙ্গেও তাঁর কথা রয়েছে। তবে সমস্যা হচ্ছে পৃথিবীর অনেক দেশ মৃত্যুদন্ড কার্যকরের বিরুদ্ধে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কাউকে ফেরত আনতে দেশ দুটির আদালতের কিছু আইনী বাধা রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী, বিদেশে পালিয়ে থাকা খুনীদের আমরা দেশে ফেরত আনতে পারব।জনকণ্ঠ থেকে

আমার সিলেট ডেস্কঃ  সারাদিন ধরেই সাকিবকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছিল। শোনা গিয়েছিল বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। কিন্তু এত বড় শাস্তি হয়তো কেউ আশা করেননি। জুয়াড়ির কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়া এবং সেটি আইসিসিকে না জানানোর অপরাধে ২ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হলেন সাকিব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। তবে, সাকিব তিনটি অভিযোগ স্বীকার করায় তার দুই বছরের মধ্যে এক বছরের শাস্তি স্থগিত। অর্থাৎ, তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে ১ বছর। তবে, সাকিব যদি ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

আইসিসির নিয়মানুযায়ী যদি খেলোয়াড় দোষ স্বীকার করে নেন তাহলে আর ট্রাইব্যুনাল গঠন করে শুনানির প্রয়োজন হয় না।  তাই সাকিব তার দোষ স্বীকার করে নেয়ায় আর ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রয়োজন হয়নি। সাকিব যদি পরবর্তীতে আবার এমন অপরাধ না করেন এবং তার সার্বিক কার্যক্রম আইসিসির কাছে সন্তোষজনক মনে হয় তাহলে তিনি ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর খেলায় ফিরতে পারবেন। সাকিব আল হাসান বলেছেন, ‘আমি যে খেলাকে চরমভাবে ভালোবাসি তা থেকে নিষিদ্ধ হওয়ায় চরমভাবে দুঃখিত। আমি নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরিভাবে মেনে নিচ্ছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য আইসিসি খেলোয়াড়দের উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে আমি আমার দায়িত্ব পালন করিনি।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘বিশ্বের অধিকাংশ খেলোয়াড় ও ফ্যানদের মতো আমিও দুর্নীতিমুক্ত খেলা চাই। আমি আইসিসি এসিইউ টিমের সাথে কাজ করব। তাদের এডুকেশন প্রোগ্রামকে সমর্থন দিয়ে যাব এবং নিশ্চিত করব যে, তরুণ ক্রিকেটাররা যেন এই ধরনের ভুল না করে।’আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার আলেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তিনি আইসিসির অনেক এডুকেশন সেশনে অংশ নিয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী তার বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জানেন। জুয়াড়ির প্রস্তাব সম্পর্কে আইসিসিকে তার জানানো উচিৎ ছিল।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘সাকিব তার ভুল স্বীকার করেছেন এবং তদন্ত প্রক্রিয়া পূর্ণাঙ্গভাবে সহায়তা করেছেন। ভবিষ্যতে এসিইউকে শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য তাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তরুণ ক্রিকেটাররা যেন সাকিবের এই ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারে। আমি খুশি যে, সাকিব এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।’ প্রায় দুই বছর আগে এক জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। প্রস্তাবটি সাকিব নাকচ করে দিলেও তা আইসিসির নজর এড়ায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইউনিট (আকসু)। তদন্তের পরই সাকিবের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

উল্লেখ্য সাকিবের এ নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ওই সময় বিসিবি সভাপতি পাপন বলেন, আমরা এখনো এ নিয়ে আইসিসির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাইনি। তাই এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। তবে এটুকু মাথায় রাখেন আন্দোলনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এটা একান্তই ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার বিষয়। সে সহযোগিতা চাইলে আমরা প্রস্তুত আছি।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদরের ভবানীপুরে প্রয়াত প্রভুপদ মন্ডল ১৬ দলীয় স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনাল খেলায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাগডাঙ্গা ফুটবল ক্লাব টাইবেকারে ৫-৪ গোলে সদর উপজেলার ভবানীপুর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে খেলা সম্পন্ন হওয়ায় ,পরে টাইবেকারে খেলার ফলাফল নির্ধারিত হয়।

মঙ্গলবার বিকালে ভবানীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বলাকা স্পোটিং ক্লাব,নড়াইলের আয়োজনে এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আঞ্জুমান আরা।

বলাকা স্পোটিং ক্লাবের সভাপতি আরিফ নাছিরের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার মোহম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার),সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ হুমায়ুন কবির, জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুরজ্জামান হিলু, জেলা ক্রিড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ আব্দুুর রশীদ মন্নু, প্রয়াত প্রভুপদ মন্ডলের পুত্র ইঞ্জিঃ বিশ্বজিৎ মন্ডল, শেখ তিলাপ হোসেন ,শরীফ মুস্তাফিজুর রহমান,ক্লাবের কর্মকর্তাগণ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক,মুক্তিযোদ্ধাসহ বিপুল সংখ্যক ফুটবল প্রেমি দর্শক এ সময় পস্থিত ছিলেন।
এ প্রতিযোগীতায় নড়াইল,যশোর.মাগুরার ১৬ টি ফুটবল দল অংশ গ্রহন করে।

সানিউর রহমান তালুকদার,নবীগঞ্জ থেকেঃ পঞ্চাশোর্ধ বয়সের মো. ইয়াওর মিয়া। তিনি দীর্ঘ এক বছর ধরে দুরারোগ্য মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। কিন্তু টাকার অভাবে করাতে পারছেন না উন্নত চিকিৎসা। এই সহায়-সম্বলহীন বৃদ্ধ মানুষটির নেই কোনো ঘর বাড়ি। তার স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে থাকেন অন্যত্র একজনের পরিত্যাক্ত একটি জায়গায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষমই ছিলেন ইয়াওর মিয়া।
কিন্তু দুরারোগ্য মরণব্যাধি ক্যান্সার তাকে কাবু করে ফেলেছে। এখন দু’বেলা দুমুঠো ডাল-ভাত রীতিমত খাওয়া নিয়েই হিমশিম খাচ্ছেন তার উপরে অপারেশনের দেড় লাখ টাকার বোঝা এনিয়ে বিপাকে পড়েছে তার পরিবার। হত দরিদ্র ইয়াওর মিয়ার বাড়ি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামে।
তার স্ত্রী জানান, গত বছর তিনি (ইয়াওর মিয়া) অসুস্থ হয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজনদের আর্থিক সাহায্য সহযোগীতায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বেশকিছু দিন চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এমতাবস্থায় সেখানে ২৮ দিন চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সিট কেটে দেন। এরপরে তাকে ঢাকা ইবনেসিনা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২৬ দিন চিকিৎসা শেষে সেখানকার চিকিৎসক বলেছেন, তার লিভার অপারেশন দ্রুত করতে হবে। এছাড়া কোনো উপায় নেই। অপারেশন করাতে প্রায় লাখ দেড় লাখ টাকার প্রয়োজন।
একথা শুনে মাথায় হাত পড়ে। এতো টাকা আমি কই পামু, কে সাহায্য করবে আমায়! পরে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসি। বাড়িতে নিয়ে আসার পর তার অসুস্থ আরো দিনদিন বেড়ে যায়। বর্তমানে তিনি জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাই দেশ ও দেশের বাহিরে অবস্থানরত দানশীল ও সাহায্যবান মানুষদের কাছে আর্থিক সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেবার আকুতি জানান তিনি

আলী হোসেন রাজন.মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে খাসিয়া পানের দর আকাশ চুম্বী বৃদ্ধি পেয়েছে। পাহাড়ি এলাকা অধ্যুষিত ও পানের ভান্ডারখ্যাত মৌলভীবাজার। এ অসময়ে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা হতাশ হয়েছেন।

ক্রেতারা বলেছেন পানের বাজারে সিন্ডিকেট কাজ করছে। প্রতি বছরের মাঘ, ফাল্গুন, চৈত্র ও বৈশাখ মাসে পানের দাম বেড়ে যায়। , মৌলভীবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকায় ৭০টি পান পুঞ্জি রয়েছে। এসব পুঞ্জি থেকে পান ক্রয় করে পাইকারেরা রাজধানীসহ দেশ-বিদেশে বাজারজাত করে থাকে।

এর মধ্যে লাউয়াছড়া পান পুঞ্জি,শ্রীমঙ্গলের নিরালা পুঞ্জি, কুলাউড়া উপজেলার ফানাই পুঞ্জি, রবিরবাজার নুনছড়া পুঞ্জি ও রাজনগর উপজেলার ইনাই পান পুঞ্জি অন্যতম। প্রায় ২শ বছরের পুরোনো পান এক প্রকার লতা জাতীয় সবুজ উদ্ভিদ, যা পাহাড়ি এলাকার অরন্যে বৃক্ষের উপর ভর করে বেড়ে উঠে। একটি পান গাছ ২শ থেকে ৩শ পান পাতার জন্ম দিতে পারে। এসব পান তুলে নিলে আবার নতুন করে কুঁিড় দেয়া শুরু করে।

শীতকালে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত না হওয়াতে গাছ থেকে পান কুঁড়ি দেয়া বন্ধ করে দেয়। এ কারণে এ ক’মাস খাসিয়া জাতের এসব পান তেমন একটা বাজারে দেখা যায়না। তখন ছুঁই ছুঁই কর দর বাড়ে। পরবর্তীতে বৈশাখ মাস থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হলে পান কুঁড়ি দিয়ে বাড়তে শুরু করে। একটি পান মোঠা আকার ধারণ করে পুর্ণরূপ নিতে মাস-দেড়-এক সময় লাগে। জৈষ্ঠ্য মাসে পান তার সরূপ ধারণ করে মোঠা হলে পানির দামে পাইকারী বাজারে বিক্রি করে খাসিয়ারা।
চলতি বাংলা বছরের আশ্বিন-কার্তিক মাসে হঠাৎ করে দর বাড়াতে খাসিয়া সিন্ডিকেট, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে পান চাষীরা বলছেন, এ বছর পান উৎপাদন কম হওয়াতে দাম বেড়েছে। এবার বৃষ্টিপাত না হওয়াটাই পানের দাম বাড়ার প্রধান কারণ। প্রতি ২০ কান্ডায় ১ কুড়ি পান এখন ২ হাজার থেকে ২২শ টাকায় আমরা বিক্রি করছি। পান উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে প্রতি কুড়ি ৭শ থেকে ৮শ টাকায় বিক্রি হয়।

আদী কালের এসব পান ভান্ডারখ্যাত ও খাসিয়া এলাকার পান পুঞ্জির নেতাকে বলা হয় মন্ত্রী। এখনো সেই মন্ত্রীদের দখলে খাসিয়া পুঞ্জি।

“৬ শ্রমিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন না করার অঙ্গীকারে ড্রেজার ও নৌকা মুক্ত”

আলী হোসেন রাজন ,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কুশিয়ারা নদী থেকে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলননের দায়ে ৬ শ্রমিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার রায় দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। অনাদায়ে তিন মাসের কারাদন্ড। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন না করার অঙ্গীকারনামায় আটককৃত ২টি ড্রেজার ও ৪টি নৌকা মালিকপক্ষের জিম্মায় দেওয়া হয়।

আটককৃতদের ছবি ।

সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এই অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমান আদালতে এই রায় দেন। ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করে মডেল থানা নিয়ন্ত্রিত শেরপুর ফাঁড়ির পুলিশ।
জানা যায়, একটি বিশেষ মহল দীর্ঘদিন ধরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কুশিয়ারা নদীর সদর উপজেলা অংশের বাহাদুরপুর এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এ খবর পেয়ে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি’র) নেতৃত্বে দুপুরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারে কাজ করা ৬ শ্রমিককে আটক করা হয়।

এ সময় বালু উত্তোলন বন্ধ করে মায়ের দোয়া বাবার আদর, মক্কা মদিনা নামে ২টি ড্রেজার ও জুনাঈদ পরিবহণ, আলী পরিবহণ, নৌসান পরিবহণ এবং এমবি এম এন পরিবহণ নামে ৪টি নৌকা আটক করা হয়। আটককৃত হল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবু সাঈদ, কান্ত মিয়া, বগুড়ার নীরু মিয়া, নারায়ণগঞ্জের রাকিব মিয়া, কিশোরগঞ্জের আব্দুস সালাম ও আব্দুল তৌহিদ। ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এসিল্যান্ড সঞ্জিত চন্দ্র চন্দ উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে ৬ শ্রমিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদন্ডের রায় দেন।
মডেল থানা নিয়ন্ত্রিত শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাব্বির আহসান বলেন ৬ ড্রেজার শ্রমিক ভ্রাম্যমান আদালতের রায়ের ৫০ টাকা জরিমানা পরিশোধ সাপেক্ষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ২টি ড্রেজার ও ৪টি নৌকার মালিকরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন না করার অঙ্গীকার দিলে তাদের জিম্মায় নৌকা ও ড্রেজার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর থানা পুলিশের অভিযানে ৮ বোতল ভারতীয় মদসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৯ অক্টোবর বিকাল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের টিম জৈন্তাপুর এর সদস্য এস.আই প্রদীপ রায় ও এ.এস.আই রায়হান কবীর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলা নিজপাট মেঘলী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে নূরুল ইসলাম (৪৫) বসত ঘরে অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় বিভিন্ন ব্যান্ডের ৮ বোতল মদ সহ আটক করা হয়। সে দীর্ঘ দিন হতে ভারতীয় মদ সহ ইয়াবা গাজা ফেন্সিড্রিল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক আটকের বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, জৈন্তাপুরকে মাদক মুক্ত করতে অঙ্গীকার নিয়ে যোগদান করেছি। সেই লক্ষ্যে আমি সহ আমার পুরো টিম কাজ করছে কাজের ধারাবাহিকতায় ভারতীয় মদ সহ নুরুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধিন।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক সিলেট বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারীরা বিগত ২৫/২৬বৎসর পূর্ব আন রেজিষ্ট্রারী ইস্তেফা মূলে রেকর্ডীয় মালিক আজমান আলীর ছেলে সালাম মিয়া গংদের নিকট হতে খরিদক্রমে উপজেলার আসামপাড়া মৌজার ৪নং জেল স্থীত ১৮নং এ.এ খতিয়ানের ১০/১ বি,এস খতিয়ানের ১৫১নং দাগের ৩.৪৩ শতক ভূমিতে অভিযোগকারী আসামপাড়া নয়াবস্তি গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে বাবুল মিয়া, রহমান মেইকারের ছেলে দুলাল মিয়া, মুতলিব মিয়ার ছেলে আলী আহমদ, মৃত ছাইদ মিয়ার ছেলে সুলেমান আহমদ, মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে দুলাল মিয়া, মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে আব্দুস শুকুর মৃত কুটি মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া ভোগদখল করে বসতবাড়ী নির্মাণ করে ফসলাদী ফলাইয়া ও গাছ গাছালী লাগাইয়া বসবাস করিয়া আসিতেছে। আমাদের জমি বিক্রেতাগন বিদেশে চলিয়া যান এবং সেখানে মৃত্যু বরন করার কারনে জমি রেজিষ্ট্রারী করিয়া দিতে পারেন নাই।

এই সুযোগে তাদের নালিশা ভূমি হইতে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে কেন্দ্রি গ্রামের বাসিন্ধা পরধন লোভী প্রতারক ও জালিয়াত চক্রের সদস্য আবুল কালাম আজাদ আবেদনকারীদের ক্ষতিগ্রস্থ করার লক্ষ্যে জাল দলিল সৃষ্টি করিয়া মাননীয় অতিরিক্ত জেলা হাকিম আদালত সিলেটে বিবিধ মামলা ১৪/১৮ইংরেজী তারিখে ১৪৪ ধারা মোতাবেক একটি মামলা দায়ের করে।

মাননীয় আদালত সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সহকারি কমিশনার(ভূমি) জৈন্তাপুরকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ভূমি অফিস সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্বভার অর্পণ করে। ঐ সুযোগে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলাম ভূক্তভোগিদের নিকট ৩০হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন। তাতে অপারগতা প্রকাশ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আবুল কালামের যোগসাজেসে মিথ্যা ভাবে ৪ বার ৪ রকমের প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এদিকে আবুল কালাম আজাদ ২বার ২টি নামজারি মোকাদ্দমা দাখিল করিলে স্থানীয় তহশীলদার তদন্তে করে আবুল কালামের দখল নাই মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) জৈন্তাপুর সিলেট নথিজাত করে। তারপরও সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামের কুপরামর্শে নানা ফন্দি ফিকির অবলম্বন করে আসছে।

ইতোপূর্বে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আবেদনকারীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের করার কারনে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলাম তার তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগকারীদের ২৫ হতে ৩০টি বসতবাড়ীর পরিবর্তে ৩টি ঘর উল্লেখ করে সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্হিীন বানোয়াট প্রতিবেদন দাখিল করে যাহার স্মারক নং-৫০১, তারিখ ২৩-০৫-২০১৮ইং, স্মারক নং-৭৭৮, তারিখ ০৭-০৮-২০১৯, স্মারক নং-২৮৯, তারিখ ২৫-০৩-২০১৯।

সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলাম ৪টি রিপোর্ট ৪ ভাবে দাখিল করে। একটি রিপোর্ট অন্য রির্পোটের সাথে কোন মিল নাই। আবুল কালামের সাথে যোগসাজেসে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলাম মিথ্যা রির্পোট দাখিল করে আসিতেছে।

আবেদনকারীদের দাবী জেলা প্রশাসকের নিকট সরেজমিন তদন্ত পূর্বক এবং সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং ভূক্তভোগিদের হয়রানী বন্ধ করার জন্য লিখিত অভিযোগ করেন। তারা আশাবাদি জেলা প্রশাসক মহোদয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য প্রকাশিত হবে।

এবিষয়ে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামে সাথে একাধিক বার ফোন যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc