Saturday 21st of September 2019 10:32:04 AM

শেষ পর্যন্ত কক্সবাজারের উখিয়ায় এনজিও সংস্থা শেডের গুদাম থেকে উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ফেরত দেওয়া হয়েছে।

তবে রোহিঙ্গা সঙ্কটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়দের মধ্যে বিতরণের বৈধতা থাকায় সেগুলো ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে শেডের কার্যালয় থেকে এই অস্ত্রগুলো জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। জব্দ করার পর উখিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফখরুল ইসলাম বলেছিলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এগুলো বিতরণের অনুমোদন রয়েছে কিনা তার অনুকূলে নথিপত্র দেখাতে সংস্থাটির সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরে শেড কতৃপক্ষ অস্ত্রগুলো বিতরণের বৈধতার অনুমতিপত্র উপস্থাপন করে। তারা জানায়, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) অর্থায়নে এসব সরঞ্জমাদি মজুদ করা হয়েছিল। মূলত এগুলো রোহিঙ্গা সংকটের কারণে উখিয়ার রাজাপালং ও জালিয়াপালং ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় লোকজনের মাঝে বিতরণের কথা ছিল।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত না করায় এ ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে শেডকে ভবিষ্যত কার্যক্রম চালানোর ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রগুলো কৃষি উপকরণের জন্য তৈরি করায় সেগুলো শেডকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আইএনএফে চুক্তির আওতায় নিষিদ্ধ থাকা বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ভ্লাদিভস্তক শহরে এক অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তৃতা দেয়ার সময় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ ঘোষণা দেন।

তবে আমেরিকা যদি এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা থেকে নিজেদের বিরত রাখে, সেক্ষেত্রে মস্কোও তা মোতায়েন করা থেকে বিরত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা জানিয়ে পুতিন বলেন, মস্কোর পক্ষ থেকে অস্ত্র প্রতিযোগিতা কমানোর ক্ষেত্রে আমেরিকাকে অনুরোধ জানানো হলেও তারা কোনো সাড়া দেয় নি। বরং জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় আমেরিকা ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে যাচ্ছে। তিনি উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, রাশিয়ার বিভিন্ন অংশ এসব ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় পড়বে।

সম্প্রতি এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় আমেরিকা

গত মাসে আমেরিকা ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও চালিয়েছে। আইএনএফ চুক্তিতে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধ ছিল। ওই চুক্তির আওতায় ৩১০ মাইল থেকে ৩ হাজার ৪০০ মাইল পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধ ছিল।

আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিন বলেন, “অবশ্যই আমরা এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবো। আমরা মোটেও আনন্দিত নই, পেন্টাগন প্রধান আমাদের জানিয়েছেন, তারা জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে যাচ্ছে। এ খবরে আমরা বিমর্ষ এবং এটি নিঃসন্দেহে উদ্বেগের বিষয়।”

পুতিন আরো জানান, সম্প্রতি তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে বলেন, তারা চাইলে মস্কোর কাছ থেকে একটি হাইপারসোনিক পরমাণু অস্ত্র কিনতে পারে। কিন্তু প্রত্যুত্তরে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন নিজেই তেমন অস্ত্র তৈরি করছে।পার্সটুডে

১৩৮০ চন্দ্রবছর আগে ৬১ হিজরির ৬ মহররম কারবালার ময়দানে সত্য(হক্ক) ও মিথ্যার(বাতেল) উভয় শিবিরই সেনা-শক্তি জোরদারে সচেষ্ট হয় নিজ নিজ সমর্থকদের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে।

তবে কুফার জনগণ কার্যত ইমাম হুসাইন (রাঃ)’র কালজয়ী বিপ্লবের বিপক্ষে তথা মিথ্যার পক্ষে ঝুঁকে পড়েছিল। তৎকালীন আরব কবি ফারাজদাকের ভাষায়; তাদের (কুফাবাসীদের বেশিরভাগেরই) অন্তর ছিল ইমামের পক্ষে কিন্তু তাদের তরবারি ছিল ইমামের বিপক্ষে!

ইমামের একনিষ্ঠ সমর্থক ও বৃদ্ধ সঙ্গী  হযরত হাবিব বিন মাজাহের আল আসাদি (রা.) এই দিন তাঁর প্রিয় নেতার অনুমতি নিয়ে সাহায্যকারী আনার আশায়  রাতের আঁধারে বনি আসাদ গোত্রের কাছে যান। বনি আসাদ গোত্রের অনেকেই সাহায্যের প্রস্তাবে সাড়া দেন এবং তাদের ৯০ জন ইমাম হুসাইন (রাঃ)’র পক্ষে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন ও ইমাম শিবিরের দিকে রওনা হন।

কিন্তু ওমর সাদের গুপ্তচররা এ খবর সাদের কাছে পাঠালে সে ৪০০ ব্যক্তিকে পাঠায় যাতে ওই ৯০ জন ইমাম শিবিরে যোগ দিতে না পারেন। ফলে তাদের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায় এবং বনি আসাদ গোত্রের অনেকেই শহীদ ও আহত হন। অনেকেই পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। হাবিব এই ঘটনার কথা ইমামের কাছে তুলে ধরলে তিনি বলেন:

لاحولَولاقوّةَالاّبالله

লা হাওলা ওয়ালা কুউআতা ইল্লাহ বিল্লাহ।

অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কারো কোনো শক্তি নেই।

 হযরত হাবিব বিন মাজাহের (রা.) ছিলেন বিশ্বনবীর (দঃ) সাহাবি এবং হযরত আলীর (রাঃ) সঙ্গী ও ইমাম হুসাইন (রাঃ)’র শৈশবের বন্ধু। নবী-পরিবারের প্রতি গভীর ভালবাসার টানে তিনি নিজেকে এই পরিবারের ‘গোলাম’ বলে ঘোষণা করতে গর্ব অনুভব করতেন। আশুরার দিন তিনি ছিলেন ইমামের ক্ষুদ্র বাহিনীর অন্যতম সেনাপতি।

ষষ্ঠ মহররম থেকে কুফার কামারদের ব্যবসা রমরমা হয়ে ওঠে। রাসূল (দঃ)’র কলিজার টুকরা এবং হযরত আলী (রাঃ) ও ফাতিমা সালামুল্লাহি আলাইহার নয়নের আলোর রক্ত ঝরানোর জন্য লোহার তীর, বর্শা ও তলোয়ার কেনার এবং সেগুলোকে ধারালো করে বিষ মাখানোর ধুম পড়ে যায়। কোনো কোনো তীর ছিল তিন শাখা-বিশিষ্ট।

এই দিনে ইয়াজিদের পক্ষে বহু সেনা কারবালায় জড়ো হয়। একই দিনে ইবনে জিয়াদ ওমর সাদের কাছে একটি চিঠি পাঠায়। চিঠিতে লেখা ছিল: আমি  সামরিক দিক থেকে তোমাকে সুসজ্জিত করেছি। পদাতিক সেনা থেকে শুরু করে ঘোড়-সওয়ার- সবই তোমাকে দেয়া হয়েছে। তুমি জেনে রাখ, প্রত্যেক দিন ও রাত তোমার তৎপরতা সম্পর্কে আমার কাছে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে (গুপ্তচরদের মাধ্যমে)।

একই দিনে অর্থাৎ ৬১ হিজরির ৬ মহররম ইমাম হুসাইন (রাঃ) তাঁর অন্যতম সৎভাই মুহাম্মাদ আল হানাফিয়্যা ও মদিনায় বিশ্বনবীর (দঃ) আহলে বাইতের অনুরাগীদের কাছে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠান। (কোনো কোনো বর্ণনামতে হানাফিয়া অসুস্থ ছিলেন বলে ইমামের সফরসঙ্গী হননি।)

ওই চিঠিতে তিনি জোর দিয়ে লিখেছেন যে, ‘যারা আমার সঙ্গে যোগ দেবেন (কারবালায়) তারা অবশ্যই শহীদ হবেন, আর যারা যোগ দেবে না, তারা বিজয়ী হবে না।’

এ চিঠি থেকে বোঝা যায় ইমাম জানতেন যে, ইয়াজিদি-শাসনের বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবস্থান নেয়ার কারণে তিনি ও তাঁর অনুগত সঙ্গীরা শহীদ হবেন। এ চিঠির দ্বিতীয় বার্তা হল যাদের ঈমান দুর্বল বা নড়বড়ে এবং যারা আমার সঙ্গী হয়েছে দুনিয়ার কিছু পাওয়ার আশায়- তারা এখনই আমার শিবির ছেড়ে চলে যাও। ইমাম এ জন্যই  মক্কা থেকে কুফার উদ্দেশে সফর শুরু করার পর থেকে নানা সময়ে নিজ কাফেলার সঙ্গীদেরকে বলেছেন যে আমি তোমাদের কাছ থেকে পাওয়া আনুগত্যের প্রতিজ্ঞা বা বাইয়াতের বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে নিচ্ছি, তোমরা স্বাধীন, ইচ্ছে করলেই কোনো দ্বিধা ছাড়াই আমাকে ত্যাগ করতে পার।

মদিনা থেকে মক্কা হয়ে ইরাক অভিমুখে ইমাম হুসাইন (রাঃ)’র সফরের শুরুর দিকে কয়েক হাজার মুসলমান ইমামের কাফেলার সঙ্গী হয়েছিল। কিন্তু যখন এটা স্পষ্ট হয় যে, ইমামের এই আন্দোলনে যোগ দিয়ে পার্থিব কোনো স্বার্থ হাসিল করা যাবে না তখন দলে দলে বহু মুসলমান ইমামকে ছেড়ে চলে যায়।

এ চিঠির তৃতীয় বার্তা হল, যারা ইমামকে শহীদ করবে ও তাঁর সন্তানদের এবং পরিবারের নারীদের বন্দি করবে তারা যত বিজয়-উল্লাস বা উৎসবই করুক না কেন তাদের ভাগ্যে বিজয় নেই। যেমনটি ইতিহাসে দেখা গেছে নবী-পরিবারের সদস্য এবং তাঁদের পক্ষের বীর যোদ্ধাদের প্রায় প্রত্যেক ঘাতকই খুবই শিগগিরই কঠোর ও অপমানজনক শাস্তি পেয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। যেমন, ইয়াজিদ বাহিনীর অন্যতম কমান্ডার ওমর সা’দ, শিমার ও কুফার গভর্নর ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ ও দামেস্কের তথাকথিত খলিফা ইয়াজিদ ইহকালেই কঠোর শাস্তি পেয়েছিল।

এ চিঠির চতুর্থ বার্তা এটাও হতে পারে যে, কারবালার শহীদদের নিষ্পাপ রক্তের বদলা নেয়ার জন্য  বিশ্বনবীর (রাঃ) আহলে বাইতের অনুরাগীরা বার বার যেসব গণ-জাগরণ ঘটিয়েছেন তাতে সাফল্যের মাত্রা একই ধরনের ছিল না এবং সেসব কেবল অস্ত্র বা তরবারির জোরেই সংঘটিত হয়নি। অর্থাৎ কেবল অস্ত্র বা তরবারি দিয়ে পূর্ণ বিজয় অর্জন সম্ভব নয়।

এ চিঠির অন্যতম অন্যতম তাৎপর্য এটাও হতে পারে যে, যুগে যুগে যারা ইমাম হুসাইনের (রাঃ) মতই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন তারা হয় শহীদ বা গাজি তথা বিজয়ী হবেন, অন্যদিকে যারা রুখে দাঁড়াবেন না বা আপোষ করবেন তারা হবেন লাঞ্ছিত ও অপমানিত এবং জালিম শক্তিগুলো কখনও প্রকৃত বিজয় অর্জন করতে পারবে না। পার্সটুডে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে দু-পক্ষের সংর্ষষে ১৫জন আহত হয়েছে। গুরুত্ব আহতরা হলেন,রাদেন মিয়া (১৮),আবুল বাসার(২৬),রহমত আলী(৩২),আনিস মিয়া প্রমূখ। তাদের মধ্যে আবুল বাসারকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্ষে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যানদের প্রথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এঘটনায় গফুর মিয়া বাদি হয়ে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বড়ছড়া খেলার মাঠে গত সোমবার(০২,০৯,১৯)বিকালে দক্ষিন বড়দল ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামের শাহপরান মিয়ার ছেলে রাদেন মিয়ার সাথে একেই গ্রামের শাসছু মিয়ার ছেলে মিয়া হোসেন সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে শাসছু মিয়া,আক্তার মিয়া,জাকির হোসেন,ধন মিয়া,রাজ্জাক মিয়াসহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে বড়ছড়া আব্দুর রশিদ মিয়ার বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লটুপাট চালায়।

তাদের বাধা দিলে রাদেন মিয়া(১৮),আবুল বাসার(২৬),রহমত আলী(৩২),আনিস মিয়ার উপর এলোপাতারী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত শুরু করলে তারা গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে মামলার বাদি গফুর মিয়া জানান,বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ের ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনার পরপর ট্যাকেঘাট পুলিশ ফাড়িঁর সদস্যরা এসে সরজমিনে দেখে গেছেন। ৩দিন হলেও মামলাটি এফআইআর হয় নি। আমি ন্যায় বিচার চাই। প্রশাসনের সহযোগীতা চাই।

এব্যাপারে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত্য কর্মর্কতা আতিকুর রহমান জানান,অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে তর্দন্ত চলছে। মামলাটি প্রক্রিয়াধিন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বিজিবির অভিযানে আটক হচ্ছে অবৈধ মালামাল কিন্তু এলাকার চিহ্তি চোরাচালানীরা থেকে যাচ্ছে ধরাচোঁয়ার বাহিরে। প্রতিদিনের ন্যায় বিজিবি উপজেলা সীমান্তের বড়ছড়া স্থল শুল্কস্টেশন ও চানপুর বিওপির টহলদল সীমান্তবর্তী গ্রাম রাজাই থেকে অভিযান চালিয়ে মদের চালান আটক করেছে। জব্দকৃত মাদক তালিকাভুক্তির পর দুটি চালানই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সুনামগঞ্জ কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়।
সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মাকসুদুল আলম জানান,তাহিরপুর সীমান্তে বিজিবির টহলের পাশাপাশি মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান অব্যাহত আছে। বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার ভোরে বড়ছড়া পার্শ্ববর্তী রাজাই এলাকা থেকে দুটি বিদেশি মাদকের চালান আটক হয়েছে এর পেছনে কে বা কারা জড়িত সে সব বিষয় খতিয়ে দেখছে বিজিবি।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী করে জানান,বর্তমান সিও সাহেবের কঠোর নজরদারী ও তৎপরাতায় চোরাচালানীদের চোরাচালান কমে গেলেও একবারেই থামছে না। তাহিরপুর সীমান্তে প্রতিদিনেই বিজিবি বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মদ,গাজা,কয়লা,চুনাপাথরসহ বিভিন্ন রখমের অবৈধ মালামাল আটক করছে। কিন্তু উপজেলা সীমান্তে যারা চোরাচালান করে এবং তাদের মদদ দাতাদের নাম বিভিন্ন সময় পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং যারা ঐসব চোরাচালানীদের সাথে আতাত করে আর স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক নামধারীরা মাসোয়ারা নিচ্ছে এবং ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক হয়েছে তারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাহিরে। উঠতি বয়সী যুব সমাজকে রক্ষায় চোরাচালানী ও তাদের মদদ দাতাদের বিরোদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান উপজেলাবাসী।

বিজিবি জানায়,তাহিরপুরে বৃহস্পতিবার ভোররাত সাড়ে ৩টায় চানপুর বিওপির টহলদল সীমান্তবর্তী গ্রাম রাজাই থেকে ১২ক্যান বিয়ারের একটি চালান জব্দ করে। অন্যদিকে ট্যাকেরঘাট ক্যাম্পের বিজিবি বুধবার রাতে সীমান্তের বড়ছড়া শুল্কস্টেশনে ধাওয়া করলে বিদেশি মদ ও বিয়ারের একটি চালান ফেলে পালিয়ে যায় মাদক চোরাকারবারিরা। চালানটিতে ১৪বোতল বিদেশি মদ ও ৫০ক্যান বিয়ার রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc