Saturday 21st of September 2019 10:45:03 AM

“জলবায়ূ পরিবর্তনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া মোকাবেলায় বিশ্ব নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা” 

এম এম সামছুল ইসলাম জুড়ী,মৌলভীবাজারঃ  মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা স্কাউট কর্তৃক সমাজ উন্নয়ন ক্যাম্প ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন পরিবেশ ও জলবায়ূ পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এম,পি বলেন, জল বায়ূ পরিবর্তনের বিরুপ প্রতিক্রিয়া মোকাবেলার এক মাত্র মাধ্যম হলো বৃক্ষ রোপন করা। তিনি বলেন আগামী বৎসর সারা দেশে একযোগে এক কোটি বৃক্ষ রোপন করা হবে।

এই কর্মসূচিতে জুড়ী উপজেলার সকল স্কাউটদের অংশ গ্রহণ করার নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জলবায়ূ পরিবর্তনের বিরুপ প্রতিক্রিয়া মোকাবেলায় বিশে^ নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আমাকে বাংলাদেশে এই দায়িত্বটি দিয়েছেন। আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি এই দায়িত্বটি সুষ্ঠু ভাবে পালন করতে পারি। মন্ত্রী বলেন, একনেকের সভায় প্রধানমন্ত্রী স্কাউটের উন্নয়নে সাড়ে তিন শত কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট বরাদ্ধ দিয়েছেন।

উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা বিশিষ্ট সাংষ্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ মাহবুবুর ইসলাম কাজল ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মামুনুর রশিদ সাজুর যৌথ স ালনায় ও উপজেলা স্কাউটের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার অসীম চন্দ্র বনিক এর সভাপতিতে বুধবার (৪/৯) জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজার জেলা প্রসাশক নাজিয়া শিরীন, পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ বিপিএম (বার), বাংলাদেশ স্কাউটস্ এর জাতীয় কমিশনার কাজী নাজমুল হক নাজু, মৌলীবাজার জেলা আওমীলীগ সাধারণ সম্পাদক মিছবাহউর রহমান, জুড়ী উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান রঞ্জিতা শর্মা, উপজেলা আওয়ামীলীগ আহবায়ক বদরুল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুক আহমদ, উপজেলা স্কাউট ক্যাম্প ইনচার্জ ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ প্রমূখ।

উল্লেখ্য যে, প্রধান অতিথি জুড়ী উপজেলা স্কাউটস্ দের উন্নয়নে নগদ এক লক্ষ টাকা প্রদান করেন। বিভিন্ন স্কুলের স্কাউটস্ সদস্যরা দিনবর সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য ও পরিবেশনা উপস্থাপন করে অতিথি ও দর্শকদের মাতিয়ে তুলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিশেষ করে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা-গবেষণা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে কথা হয়েছে।

এছাড়া আজকের বৈঠকে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছেন। জ্বালানি খাতসহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর নানা দিক আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়েও কথা বলেন।

জাওয়াদ জারিফ ও ড. আব্দুল মোমেন

তিনি বাংলাদেশের সংসদ স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং ফার্সি ভাষার শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে কথা রয়েছে।

আগামীকাল সকালে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর সম্মেলনেও অংশ নেবেন ড. জারিফ।পার্সটুডে

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কেরামতির জালিয়াতিতে বিপাকে পড়েছে বিক্রেতা এখন ভিটে বাড়ি রক্ষা করা কঠিন হয়ে গেছে। অভিযোগে জানা গেছে ধানী জমি বিক্রয় করা হলেও ক্রেতা কৌশলে ভিটা জমি উল্লেখ করায় বিপাকে পড়েছেন দাতারা। ঘটনাটি ঘটেছে আত্রাই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের আওতাধীন নাটোরের খাজুরা মৌজায়। এ ব্যাপারে দাতাগণ নওগাঁ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খাজুরা গ্রামের হাসেম আলী ও হোসেন আলী দুই ভাই ১৯৭৯ সালের ২১ মে তারিখে ৪ শতক ধানী জমি বিক্রয় করেন। আত্রাই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নং ২৯৬৪, তারিখ ২১/০৫/৭৯, বালাম নং ৪৮, পাতা নং- ১০২-১০৪। উক্ত জমির ক্রেতা সুরজান বিবি কৌশলে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের অসাধু লোকজনের সহায়তায় ধানীর পরিবর্তে ভিটা উল্লেখ করে দীর্ঘদিন পর তা জবর দখল করতে আসছে। এতে করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার আত্রাইয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরেজিস্টার জবা মন্ডলের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, জমির শ্রেনী পবির্তনের বিষয়টি সঠিক নয়। তবে ওই দলিলের বালাম বইয়ে অংশ কর্তনে কিছু রদবদল করায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শোকোজ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কোনো বৈঠক না করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক  চৌধুরী শোভনের সুনামগঞ্জ আগমন উপলক্ষ্যে কর্মী সভা ডাকায় এ সভা বয়কট করেছে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের একাংশ।
বুধবার দুপুরে শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জরুরী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের ৭ সহ-সভাপতি ৩ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ৪ জন সাংগঠনিক সম্পাদক আজকে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে হওয়া কর্মী সভা বয়কট করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিসান এনায়েত রেজা, ওমর ফারুক সিদ্দিকি মামুন, ওয়াসিম মাহমুদ, আশরাফুল ইসলাম, তৌফিক ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান লিমন, তৌহিদ ইসলাম সাবের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ হারুন, মাসকাওয়াত ইসলাম ইন্তি, মাহবুবুল আলম মাহি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন মিয়া, আসেফ বখত রাদ, সৃজন দেবনাথ প্রমুখ।
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আলম পিয়াল বলেন,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্রলীগ। বিগত ২৪ এপ্রিল ২০১৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ থেকে একটি প্রেসের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন করা হয়। ৩০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১২ জন সহ-সভাপতি, ৮ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ৮ জন সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব প্রাপ্ত হন।
এই কমিটি গঠন হওয়ার পর থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোনো কার্যকারী সভা বা পরিচিত সভা করতে পারেনি। আমরা ৭ জন সহ-সভাপতি, ৩ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ৪ জন সাংগঠনিক সম্পাদক তাদের সাথে কখনোই একই মতামতে আসতে পরিনি এবং কখনো কোনো সুযোগ তারা করেনি। বিগত ১৫ আগস্টে আওয়ামী লীগের সাথে তারা যে ব্যবহার করেছে তা অগ্রহনযোগ্য।
বক্তব্যে আরো বলা হয়,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক হক চৌধুরী শোভনের সুনামগঞ্জ আগমন উপলক্ষে বর্তমান জেলা কমিটি দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে কোনো প্রস্তুতি বা আলোচনা সভা করেন নাই। ৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক হক চৌধুরী শোভন ভাই সুনামগঞ্জ আসবেন।
আমরা তাকে স্বাগতম জানাই। কিন্তু আমরা শুনেছি সংগঠনের এই সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তির আগমন উপলক্ষে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সকল দায়বার এড়িয়ে চলে নিজেদের মতো করে কর্মী সভা সাজিয়েছেন। তাই আমরা স্বজ্ঞানে নিজ দায়িত্ব প্রাপ্ত পদ থেকে আজকের কর্মীসভাকে বয়কট করেছি।

আজ হতে ১৩৮০ চন্দ্র বছর আগে ৬১ হিজরির মহররম মাসের ৩ তারিখে ইমাম হুসাইনের (রাঃ) কাফেলাকে ঘেরাও করতে কারবালায় আসে উমাইয়া কমান্ডার ওমর সাদ। তার সঙ্গে আসে চার হাজার সেনা।

এর আগের দিন ইমাম হুসাইন (রাঃ) কারবালায় পৌঁছেন। তিনি সেখানে পৌঁছেই জানতে পারেন ওই এলাকার নাম কারবালা। তখনই তিনি জানান যে, সেখানে তাঁর ও সঙ্গীদের  শাহাদত ঘটবে এবং তাঁদের নারী ও শিশুদের বন্দী করবে ইয়াজিদ বাহিনী। এ দিনেই তিনি কাইস বিন মাসহারকে দূত হিসেবে কুফায় পাঠান। ইমাম তার কাছে একটি চিঠি দিয়েছিলেন কুফায় তাঁর সমর্থক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে। কিন্তু ইয়াজিদের সেনারা কাইসকে পথে গ্রেফতার করে। কাইস ইয়াজিদের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাঁকে শহীদ করা হয়।

ইমাম হুসাইন (রাঃ) তেসরা মহররম কারাবালায় তাবু স্থাপন করেন। আর ইয়াজিদ বাহিনীর সেনাপতি ওমর ইবনে সাদ তার সেনাদের নিয়ে কারবালায় পৌঁছে। প্রথমে নানা জায়গায় ইমামের কাফেলার তাবুগুলো  কিছুটা উঁচু বা টিলার মত স্থানে বসানো হয়েছিল।  কিন্তু পরে ইমাম (রাঃ) সমতল বা কিছুটা গর্তময় স্থানে তাবু বসানোর নির্দেশ দেন। সম্ভবত এর কারণ ছিল শিশু ও নারীদেরকে যাতে যুদ্ধের দৃশ্য দেখতে না হয়।

হোর ইবনে ইয়াজিদ (রা.) নামের একজন সেনা কর্মকর্তা সর্ব প্রথম কারবালায় ইমাম শিবিরের বিপরীতে তাবু গাঁড়েন। তিনিই ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে প্রথম খবর দেন যে ইমাম হুসাইন (রাঃ) কারবালায় এসেছেন। (হোর পরে ইয়াজিদের পক্ষ ত্যাগ করে ইমামের শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন এবং ইয়াজিদ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হন।)

ইমাম জানতেন কারবালায় কি ঘটতে যাচ্ছে। তিনি তেসরা মহররমই কারবালার জমি স্থানীয় নেইনাভাবাসীদের কাছ থেকে কিনে নেন। তিনি তাদের এ শর্ত দেন যে ভবিষ্যতে যারা এখানে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারত করতে আসবেন তাদের জন্য যেন আপ্যায়ন করা হয় ও পথ দেখিয়ে দেয়া হয়।

কুফায় নিযুক্ত উমাইয়া গভর্নর ইবনে জিয়াদ দোসরা মহররম ইমামের কাছে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে সে জানায়, তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীদেরকে ইয়াজিদের প্রতি বায়আত বা আনুগত্যের অঙ্গীকার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, এর অন্যথা হলে তাঁদেরকে হত্যা করতে বলেছেন ইয়াজিদ। ইমাম এ চিঠির জবাব না দিয়ে বললেন, ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।

ইবনে জিয়াদ ইমামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ওমর বিন সাদকে পাঠান। তাকে ইরানের রেই শহরের শাসনভার দেয়ার লোভ দেখানো হয়। (এই শহরটি ইরানের আধুনিক তেহরান শহরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত)। সাদ ইমামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ভয় পাচ্ছিল। কিন্তু একদল সঙ্গীর নিষেধ সত্ত্বেও সে শেষ পর্যন্ত ইমামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে অগ্রসর হয়। তেসরা মহররম কুফার চার হাজার সেনা নিয়ে ওমর বিন সাদ কারবালায় প্রবেশ করে।

সে প্রথমে ইমামের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একজন দূতের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে জানতে পারে যে, ইমাম বলেছেন, কুফার জনগণই তাঁকে দাওয়াত করেছে ও প্রতিনিধিও পাঠিয়েছিল তাঁর কাছে যাতে তিনি এই শহরে আসেন।  তারা (কুফাবাসী) যদি তাঁর আগমনে  অসন্তুষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তিনি ফিরে যাবেন বলে জানান। ওমর বিন সাদ এই তথ্য ইবনে জিয়াদের কাছে পাঠালে ইবনে জিয়াদ ধারণা করে যে ইমাম (রাঃ) যুদ্ধের ফাঁদে পড়েও মুক্তির আশা করছেন, কিন্তু সে সুযোগ আর নেই।

তিনি সাদকে এক চিঠিতে জানান, তোমার চিঠি পেয়ে সব কিছু জেনেছি। হোসাইন (রাঃ) ও তাঁর সঙ্গীদের বল ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করতে। যদি তারা তা করে তাহলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানাব। সাদ বুঝতে পারে যে জিয়াদের উদ্দেশ্য ভাল নয়। তাই সে জিয়াদের এই চিঠি ইমামের (রাঃ) কাছে পাঠায়নি। কারণ, সে জানত ইমাম হুসাইন (রাঃ) কখনও ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য করবেন না। সুত্রঃ পার্সটুডে

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: মৎস ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার খাল-বিল ও নদীর পানি কমতে শুরু করার সাথে সাথে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে দেশি নানা প্রজাতির মাছ। ফলে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে দেশি মাছে ভরপুর আড়তগুলো।

হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে টেংরা, বাতাসি, কৈ, বোয়াল, আইড়, পাবদা, শোল, খলিশা, সরপুঁটি, গচি, শিং, রুই, কাতল, মৃগেলসহ প্রায় ৩০-৪০ প্রজাতির দেশি মাছ । দাম কোথাও একটু বেশি আবার কোথাও কম। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত চলছে এ বেঁচাকেনা। বিভিন্ন জাতের দেশি মাছগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে কিনে যাচ্ছেন পাইকাররা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন বৃহৎ মাছের আড়ত, ভবানীপুর বাজার, বান্ধাইখাড়া বাজার, নওদুলি বাজার, শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন বাজারসহ বিভিন্ন মাছ বাজারে উঠছে এসব দেশি মাছ। সময়, স্থান-কাল ভেদে এবং ক্রেতাদের চাহিদা অনুপাতে বিভিন্ন দরে এসব মাছ পাইকারি ও খুচরা বিক্রি হচ্ছে।

মৎস সংশ্লিষ্টরা জানান, একসময় এই এলাকায় দেশি প্রজাতির মাছের প্রাচুর্য ছিলো। নদী ও খাল-বিলে এসব মাছ ধরা পড়তো সহজেই। কিন্তু দিন দিন দ্রুত বর্ধনশীল মাছের বাণিজ্যিক চাষ, সংরক্ষণের অভাব ও নানা প্রাকৃতিক কারণে দেশি মাছের বহু জাতই বিলুপ্তি হয়েছিলো। কিন্ত গত কয়েক বছরে মৎস বিভাগের উদ্যোগে বিল নার্সাসি স্থাপন, পোনা মাছ অবমুক্ত, মা মাছ উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রম স্থাপনসহ নানামুখী পদক্ষেপ নেয়ায় বর্তমানে বিলুপ্তি হওয়া বিভিন্ন প্রজাতির মাছের আবির্ভাব ঘটেছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় আগের মতো মাছের আমদানি হচ্ছে না। মাছের আমদানি বাড়াতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। প্রতিদিন ভোর থেকে জেলেরা বিভিন্ন পরিবহনে করে বিক্রির জন্য মাছ নিয়ে আসেন আত্রাইয়ের মাছ বাজারের আড়তগুলোতে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা চলে কেনাবেচা। খালে, বিলে, নদীতে দেশি মাছ ধরা পড়ায় নওগাঁর আত্রাইয়ে জমে উঠেছে মাছের আড়তগুলো। বেশির ভাগ বিক্রীত মাছ যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অ লে।

মাছ ব্যবসায়ী মো. আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে মাছের ব্যবসা করে আসছি। আত্রাই ও আশপাশের এলাকা থেকে এই বাজারে দেশি মাছের আমদানি হয়। এই মাছগুলো আমরা আড়তের মাধ্যমে দিনাজপুর, পার্বতীপুর, সৈয়দপুর, রংপুরসহ উত্তর ও দক্ষিণা লের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করি।’

জেলার আত্রাই উপজেলাসহ আশপাশের চলনবিল, হালতিবিল, বিলসুতি বিলসহ আত্রাই নদীর মাছ নিয়ে প্রান্তিক পর্যায়ের জেলেরা মাছ কেনাবেচার জন্য প্রতিদিন ভোরে এই মাছের আড়তে আসেন।

প্রতিদিন সকালে ট্রেনে করে নাটোর থেকে আত্রাই মাছের বাজারে মাছ কিনতে আসেন এমনই একজন ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, আত্রাই থেকে ভোরবেলা মাছ কিনে নাটোরের বিভিন্ন হাটে নিয়ে বিক্রি করেন তিনি। এতেই তাঁর সংসার চলে।

উপজেলার পতিসরের সন্দিপ কুমার জানান,প্রতিদিন ভোরবেলা তিনি এই মাছের হাটে আসেন। নদী ও বিলের বিভিন্ন জাতের মাছ হাট থেকে কিনে নিয়ে যান। পাবদা, পাতাসি, গুচি, ট্যাংরা, শৈল, শাটিসহ বিভিন্ন জাতের মাছ পাইকারি কিনে নিয়ে বিভিন্ন হাটে সারা দিন বিক্রি করেন।

আত্রাই মাছ বাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মজনু আকন্দ অভিযোগ করে বলেন, ভোরবেলা হাট বসার কারণে দূর-দূরান্তের পাইকারদের রাতেই হাটে এসে থাকতে হয়। কিন্তু এখানে থাকার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। টাকা-পয়সা নিয়ে পাইকাররা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রাত যাপন করেন। এ জন্য হাটে পাইকারদের থাকার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

আত্রাই মাছ বাজার সমিতির সভাপতি বাবলু আকন্দ বলেন, আত্রাই মাছের আড়তের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত পরিমাণ মাছ আড়তে আনতে পারছেন না। অতিরিক্ত বর্ষায় আড়ত এলাকা পানির নিচে ডুবে যায়। প্রায় ৩৫ বছরের পুরোনো এই মাছের আড়ত থেকে দেশের উত্তরা ল, দক্ষিণা ল, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাছ সরবরাহ করা হয়। ঐতিহ্যবাহী এই মাছের আড়তটিকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আড়তগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

আত্রাই উপজেলার আশপাশের চলনবিল, সিংড়া বিল, হালতিবিলসহ কমপক্ষে ১০টি বিল ও নদী এলাকার প্রায় অর্ধকোটি টাকার মাছ প্রতিদিন কেনাবেচা হয় এই আড়তগুলোতে। অতিসত্বর যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে আত্রাই মাছের বাজার ফিরে পাবে তার হারিয়ে যাওয়া যৌবন।

অতঃপর উদ্ধার, মুছলেখা দিয়ে ছিনতাইকারী মুক্ত

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ অবৈধ পথে ভারতীয় আর.এস বা রুপি এবং বাংলাদেশী টাকা সীমান্তের বিভিন্ন পথ দিয়ে লেনদেন হয়ে থাকে। কিন্তু রুপি কিংবা টাকা ছিনতাইর ঘটনা ঘটেনি। গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় জৈন্তাপুর উপজেলা হরিপুর বাজারের চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের এক সদস্য জৈন্তাপুর সীমান্তের খলারবন্দ এলাকা দিয়ে ভারতে পাচার কালে পূর্বে থেকে উৎ পেতে থাকা ৪ ছিনতাইকারী রুপি বহনকারীকে গতিরোধ করে ১লক্ষ ৬৫ হাজার ৬শত রুপি এবং একটি টাচ মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এদিকে ছিনতাইর কবলে পড়া ভারতীয় রুপি বহনকারী তাৎক্ষনিক ভাবে চোরাকারবারী সিন্ডিকেটকে জানায়। খবর পেয়ে সিন্ডিকেট সদস্যরা তাদের স্থানীয় এজেন্টদের বিষয়টি অবগত করে। সিন্ডিকেট দলের আদেশ পেয়ে দ্রুত স্থানীয় এজেন্টরা ৩০মিনিটে চিরুনী অভিযান পরিচালনা করে ২জনকে আটক করে জৈন্তাপুর বাজারে নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায় আটক ছিনতাইকারীরা এঘটনায় আরও দুইজন জড়িত থাকার কথা জানায় এবং ছিনতাই করা ভারতীয় রুপি মোবাইল সেট অপর দুইজনের নিকট রয়েছে বলে জানায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য মনসুর আহমদ আটককৃতদের নিয়ে রুপি ও মোবাইল উদ্ধার করতে যান।

এক পর্যায় তারা রুপি ও মোবাইল উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আটক ছিনতাইকারীদের কোন প্রকার আইনি সহায়তা না নিয়ে ৩শত টাকার ষ্টাম্পে লিখিত মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেন। আটককৃত ছিনতাইকারীরা হলো উপজেলা ডিবির হাওর গ্রামের আব্দুল মালেক ওরফে আঙ্গুল কাটা মালেকের ছেলে হেলাল, একই গ্রামের ইসমাইল আলীর ছেলে রহিম, টিলাবাড়ী গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে জিয়া এবং মাহুতহাটি গ্রাামের আতর মিয়ার ছেলে রাজু আহমেদ।

টাকা ও মোবাইল উদ্ধারের পর এলাকাবাসী চোরাকারবারী দলের এজেন্ট ও সিন্ডিকেট দলের সদস্যরা ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, ভারতীয় রুপি পাচারের সময় ছিনতাই ঘটনায় সীমান্তের চোরাকারবারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে রুপি ও মোবাইল উদ্ধার করে। যদি ভারতীয় রুপি না হত কিংবা সিন্ডিকেটের সদস্য না হয়ে সাধারন মানুষ ছিনতাই ঘটনার স্বীকার হত তাহলে কোন সময়ই তাদেরকে ধরা কিংবা টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হত না বলে জানান। চোরাকারবারীরা ছিনতাইকারী ধরে ও রুপি উদ্ধার করে পুলিশে না দিয়ে নিজেরাই মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া মানে ছিনতাইকারীদের কাজে উৎসাহ দেওয়া। তারা যে কোন সময় পর্যটক সহ যে কোন ব্যক্তি ছিনতাই করতে পারবে। ছিনতাই ঘটনার পর পর জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ বিষয়টি জানালে পুলিশের এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি জানতে পারে। কিন্তু ইউপি সদস্য মনসুর আহমদ সহ অন্যান্যরা বিষয়টি স্বীকার করে টাকা উদ্ধারের কথা বলে তাদের নিয়ে চলে যায়। পরে কোথায় কি করা হয়েছে পুলিশ এখনো কিছুই জানেন না।

অপরদিকে উপজেলা সচেতন মহল মনে করছে গত ৪ আগষ্ট সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তিায়া ডিগ্রী কলেজ গেইটের সম্মুখে শাপলা ফিলং ষ্টেশনের ২০লক্ষ টাকা ছিনতাই হয়, ইতোমধ্যে ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার সহ ৫জন আসামী পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়। ৪ জন রুপি ছিনতাইকারী শাপলা ফিলিং ষ্টেশনের টাকা ছিনতাইর ঘটনায় জড়িত কিনা তদন্ত করা প্রয়োজন। নতুবা জৈন্তাপুরে শান্তি প্রিয় মানুষ যে কোন মুহুর্ত্বে ছিনতাইর কবলে পড়তে পারে এবং টাকা পয়সা হারিয়ে নিঃস্ব হবে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে জোরালো দাবী রুপি ছিনতাইকারীদের কে আইনের আওতায় এনে ঘটনার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।
বিয়য়টি জানতে নিজপাট ইউপি সদস্য মনসুর আহমদ ও হুমায়ুন কবির খাঁন বলেন- এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আমরা তাদেরকে আটক করে রুপি ও মোবাইল উদ্ধার করি। এলাকাবাসী, বিভিন্ন ইউপি সদস্যগন ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে এবং মুচলেখা নিলে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বণিক এরকম ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। কিন্তু ইউপি সদস্য তাদের নিকট হতে রুপি উদ্ধারের কথা জানিয়ে তাদেরকে নিয়ে চলে যায়। পরে কি করেছে তা থানা পুলিশকে অবহিত করেনি। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে প্রতিবেদককে জানান।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উত্তর বাজার টিএমএসএস অফিসের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুৎ খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে একটি প্রাইভেটকার আগুনে পুড়ে গেছে। যার নং ঢাকা মেট্রো- ক ০৩-৯৬০৬। ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় এঘটনাটি ঘটে। এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে
আগুন লাগার সাথে সাথেই কারে থাকা এক মহিলা ও পুরুষকে পালিয়ে যেতে দেখতে পান স্হানীয় লোকজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই প্রাইভেটকার চুনারুঘাটের উদ্যেশ্য আসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের কুটির সাথে ধাক্কা লাগে। মুহুর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তৎক্ষণাৎ স্হানীয়রা থানা পুলিশ ও শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কে খবর দেয়। পুলিশ ও  ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে। এব্যাপারে চুনারুঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) শেখ নাজমুল হক সত্যতা স্বীকার করে জানায়, ওই কারের মালিক এখনও সনাক্ত হয়নি। প্রাইভেটকার উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তে দেড় কেজি গাজা সহ সোহাগ মিয়া(২০) নামে এক যুবক কে আটক করেছে সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশ। সোহাগ উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রাজাই গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে।
সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের এস আই আমিনুল ইসলাম জানান,উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রাজাই গ্রামে এএসআই উস্থার আলী,ফারুক মিয়া সঙ্গী ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ৮ টা সময় তাকে আটক  করে।
সংবাদ লিখা পর্যন্ত জানা গেছে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মকিস মনসুর: গত ২রা সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং সোমবার বাদ জোহর কচুয়া রাজারবাড়ি এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসা’র হল রুমে, মাদরাসা’র ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক মিলাদ শরীফ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজবধি মাদরাসা’র উন্নয়নে নানাভাবে যারা সহযোগিতা করেছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো সহ দেশে বিদেশে বসবাসরত গ্রামের সবার জন্য ও সমগ্র মুসলিম উম্মার জন্ন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। এদিকে শুরু থেকেই মাদরাসা’র “প্রধান শিক্ষক” হিসাবে নিষ্টা ও নিরলসভাবে দায়িত্ত পালন করে আসছেন হাফিজ মাওলানা আহমাদ হোসাইন চৌধুরী শ্রীমঙ্গলী।
আমেরিকা প্রবাসী আলহাজ্ব বাহার মিয়া কুররীর নিজ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত কচুয়া এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসা’র সভাপতি হিসাবে শাহ গিয়াস উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক হিসাবে মোহাম্মদ মুজিব মনসুর দায়িত্বে রয়েছেন।

এখানে উল্লেখ্য যে গত বছর ২রা সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং তারিখে সুন্নিয়াতের অকুতোভয় বীর সিপাহসালার আল্লামা মুহাম্মদ হুসাম উদ্দিন চৌধুরী ছাহেব জাদায়ে ফুলতলী এক মোবারক মিলাদ শারীফ- নাসিহাত ও সংক্ষিপ্ত মোনাজাতের মাধ্যমে উক্ত মাদরাসা’র শুভ-উদ্বোধন করা হয়েছিলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিযুক্ত ১০০ টাকার একটি নোটের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তবে এ নোটটি ভুয়া বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শেখ হাসিনার ছবিযুক্ত কোনো নোট তারা ছাড়েনি। এ ধরনের নোট ছাড়ার কোনো সিদ্ধান্তও নেই তাদের, এমনটাই নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন মুদ্রিত নোটের ছবি পাওয়া যাচ্ছে। এ নোটের সম্মংখভাগের বাম পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পেছনভাগে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর ছবি রয়েছে। ফেসবুকের কতিপয় আইডির মাধ্যমে এ তথ্য ছড়ানো হয়েছে যা অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তির আইডি থেকে শেয়ার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ধরনের ছবি সম্বলিত কোনো ধরনের নোট মুদ্রণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। অর্থাৎ, ফেসবুকের মাধ্যমে যে নোটের ছবি দেখা যাচ্ছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী এ ধরনের নোটের ছবি ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা না করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে।

এছাড়া, বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী ব্যক্তিবর্গকে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জানা গেছে, প্রচলিত নোট ও কয়েনের পাশাপাশি স্মারক নোট ও মুদ্রা বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। লেনদেনের জন্য এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মানের ৫২ ধরনের প্রচলিত নোট ও ১১ ধরনের কয়েন বাজারে ছাড়া হয়েছে। আবার দেশের বিশেষ বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় রাখতে এখন পর্যন্ত ছয় ধরনের স্মারক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর স্মারক কয়েন তৈরি করেছে ১২ ধরনের।

সুত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নোট ছাপা হয়। ১৯৭২ সালের ২ জুন প্রথম বাজারে ছাড়া হয় ১০ টাকার নোট। এরপর ধীরে ধীরে বাজারে আসে ১, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট। এর প্রায় সবই বাজারে আসে ১৯৭২-৭৬ সালের মধ্যে। চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৯ সালে ২০ টাকার নোট ও ১৯৮৮ সালে ২ টাকার নোট ছাড়া হয়। ২০০৮ সালে প্রথম বাজারে আসে ১০০০ টাকার নোট। ওদিকে স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়া হয় ১, ৫, ১০, ২৫, ৫০ পয়সা ও ১, ২, ৫ টাকার কয়েন। এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন পর্যন্ত ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার চার ধরনের নোট বাতিল করে বাজার থেকে তুলে নিয়েছে।

বকেয়া ঋণের ২ শতাংশ টাকা জমা দিয়ে পুনঃতফসিলের সমসয়সীমা আবারও বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক। হাই কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ঋণ পুনঃতফসিলের এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন গ্রাহক। তবে নিতে পারবেন না নতুন কোনো ঋণ। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয়৴ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশন থেকে চলতি বছরের ২৯ আগস্টের আদেশের আলোকে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৫/২০১৯ এর আওতায় ঋণগ্রহিতা থেকে আবেদনের সময়সীমা আগামী ২০ অক্টোবর (২০১৯) পযন্ত বৃদ্ধি করা হলো। তবে, প্রদত্ত আদেশ ধনুযায়ী এই সময়ে পুন:তফসিল/এককালীন এক্সিট সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণগ্রহিতাদের অনুকূলে কোন নতুন ঋণ সুবিধা প্রদান করা যাবে না।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc