Saturday 21st of September 2019 11:51:49 AM

‘আসামো কিতা অর (আসামে কী হচ্ছে), জানি না। গ্রামোর মাইনষে (মানুষ) নানা কথা কইরা (বলছে)। ইন্ডিয়ার বিষয় লইয়া আমরা কুছতা মাততাম (কিছু বলতে) চাই না। তার ফরেও (পরেও) চিন্তা অয়। চিটাগাং যেলা (যেভাবে) রোহিঙ্গা হকলে (সব) দখল করি বইছে, ইলা কুন্তা অইলে (সে রকম হলে) আমরার জকিগঞ্জর মানুষও বিপদো (বিপদে) পড়ি যাইব।’ এমন আশঙ্কা মনে থাকলেও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর ভরসা আছে শ্রমজীবী আব্দুল মন্নানের। সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বড় ছালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মন্নানের মতো প্রায় সবার মধ্যেই নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাজ করছে।

সীমান্তের ওপারে ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিক নিবন্ধনের চূড়ান্ত তালিকা (এনআরসি) প্রকাশের পর ১৯ লাখের ওপর মানুষ রাষ্ট্রহীন হওয়ার হুমকিতে রয়েছে। তাদের বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করার হুমকি দিচ্ছেন সেখানকার কিছু রাজনীতিবিদ। এমন পরিস্থিতিতে সিলেট সীমান্তজুড়ে বিজিবি ও পুলিশের সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। এতে এখানকার মানুষ কিছুটা আশ্বস্ত হলেও দুই বছর আগে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা সমস্যা তাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলা মিলে ভারতের আসামের সঙ্গে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৫৪ কিলোমিটার সীমান্ত থাকায় জকিগঞ্জের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেশি। এ উপজেলার সীমান্তবর্তী বীরশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সমকালকে বলেন, ‘আসামের এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সে দেশের সরকারকেই এর সমাধান করতে হবে। তারপরও সীমান্তের মানুষের মধ্যে নানা উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।’

সীমান্তের ওপারে ‘অস্থিতিশীল পরিস্থিতি’তে অনেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে চাইবে এমন আশঙ্কার বিষয়ে বিজিবি-১৯ ব্যাটালিয়নের লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাঈদ হোসেন বলেন, সে দেশের কোনো ধরনের প্রভাব যাতে আমাদের ওপর না পড়ে, সেজন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। সীমান্ত এলাকায় এমনিতেই সব সময় কঠোর নজরদারি থাকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দায়িত্বরতদের আরও তৎপর থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজিবির সতর্কতার মধ্যেও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা শঙ্কার কথা স্বীকার করেছেন জকিগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর রিপন আহমদ। তিনি বলেন, বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে ভারত দায়িত্বশীল আচরণ করবে বলে আমরা আশা করি। তারপরও কোনো কারণে বাংলাদেশে পুশইন করা হলে বা কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষ তাদের প্রতিহত করবে। তিনি বলেন, আমাদের জানামতে বাংলাদেশের কেউ ভারতে থাকে না।

জকিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মুক্তিযোদ্ধা খলিল উদ্দিন বলেন, পাশাপাশি এলাকা হওয়ায় স্বাধীনতার আগে আসামের সঙ্গে এপারের মানুষের আত্মীয়তা ছিল। বিয়ে-শাদির সূত্রে এখানের অনেকের ওখানে আত্মীয়স্বজন রয়েছে। তবে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রবণতা তেমনভাবে দেখা যায়নি।

জকিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী আমলসিদ, বড় ছালিয়া, বেউড়ের এলাকার অনেকে জানিয়েছেন, আসামে তাদের আত্মীয়স্বজন রয়েছে। তবে তাদের কেউ এনআরসিতে বাদ পড়েননি বলে জানা গেছে। আমলসিদ গ্রামের সুখেন বলেন, তার এক পিসির ভারতে বিয়ে হয়েছিল। বাবা মারা যাওয়ার পর সেই পিসির সঙ্গে আর যোগাযোগ নেই। আসামে আত্মীয় থাকার কথা শুনলেও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এদেশের অনেকেই সেই আত্মীয়তা ভুলে গেছেন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ওঠায়।

জকিগঞ্জের ছয়ল্যান্ডের বাসিন্দা মাহবুব আলম তাহের জানান, তার নানির পৈতৃক বাড়ি আসামের করিমগঞ্জের হাদারগ্রাম। সেখানে তার এক ফুফু, খালাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন রয়েছেন। জকিগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান জানান, তার নানার অধিকাংশ আত্মীয় আসামের করিমগঞ্জ শহরতলির লোহারমহল, ফেদলগ্রাম ও ফুয়ারা এলাকায় বাস করেন। তাদের অনেকে আসামের গৌহাটি শহরে ব্যবসা করেন। তাদের সঙ্গে মাঝে মধ্যে যোগাযোগ হয়।

বিয়ানীবাজারের দুবাগ ও মুড়িয়া ইউনিয়নের বড়গ্রাম, গজুকাটা, নয়াগ্রামের সঙ্গে আসামের চার কিলোমিটারের মতো সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তের মধ্যে শেওলা স্থলবন্দর থাকলেও আপাতত ‘পুশইনের’ আশঙ্কা নেই তিন গ্রামের মানুষের মধ্যে। অবশ্য কানাইঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। লোভাছড়া চা বাগানের বাসিন্দা নিরঞ্জন বৈদ্য জানান, তার পূর্বপুরুষের বাড়ি আসামের কালাইন এলাকায়। সেখানে তার মা ও ছোট ভাই থাকেন।

কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমদ বলেন, দেশ ভাগের আগে আসামের অনেক এলাকায় আমাদের অঞ্চলের লোকজন আত্মীয়তা করেছেন। দেশভাগের পর দুই দেশের বাসিন্দা হয়ে যে যার মতো জীবন-সংসার সাজিয়েছেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মতো আসামের লোকজনকে বাংলাদেশে পুশইন করা হলে বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী অঞ্চল বড়গ্রামের বাসিন্দা ও সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য আলমাছ উদ্দিন বলেন, যে কোনো দেশের মানুষ তার নাগরিকত্ব নিয়ে বিপাকে পড়াটা খুবই দুঃখজনক। আসামের ১৯ লাখ মানুষের নাগরিকত্ব জটিলতার বিষয়টি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমরাও উদ্বিগ্ন। আশা করি ভারত সরকার দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করবে।সমকাল থেকে

দু’দেশের প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালীকরণে গুরুত্বারোপ

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সফররত সৌদি নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল ফাহাদ বিন আবদুল্লাহ আল-গোফায়েলি। (আজ (সোমবার) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।পার্সটুডে

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সৌদি নৌবাহিনী প্রধান দুই দেশের প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ বাংলাদেশ সমাধান করেছে। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পালিয়ে আসা মিয়ানমারের নাগরিকরা স্থানীয় নাগরিকদের চেয়ে বেশি হয়েছে এবং তাদের মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

বৈঠকে সৌদি নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীকে জানান, দুই দেশের নৌবাহিনীকে এগিয়ে নিতে তার সাথে বাংলাদেশের নৌবাহিনী প্রধানের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

অপরদিকে ফাহাদ বিন আবদুল্লাহ আল-গোফায়েলি ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশি নাগরিকদের কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা কঠোর পরিশ্রম করে ভ্রাতৃপ্রতীম দুই দেশের জন্য অবদান রেখে যাচ্ছেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে- বাংলাদেশের নৌপ্রধান এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মায়ানমারে প্রত্যাবাসনের দাবিতে কানাডায় ফটো সাংবাদিক ফোজিত শেখ বাবুর গ্রুপ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শিত ছবিতে রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেন বাবু।

১লা সেপ্টেম্বর রোববার কানাডার টরেন্টো ডেনটোনিয়া পার্কে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া আলোকচিত্র প্রদর্শনীর ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন ভাষা সৈনিক জনাব শামসুল হুদা। প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন কানাডা ইমিগ্রেশন, রিফোজি ও নাগরিকত্ব মন্ত্রী আহমদ ডি হোসেইন, এমপি সালমা জাহিদ, এমপিপি রিমা বার্ন্স-মেকগ্রো, এমপিপি ডলি বেগম ও এমপিপি মাইক্যাল কটিঊ।

এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আহমদ ডি হোসেইন বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা রিফোজিদের মায়ানমারে প্রত্যাবাসনে কানাডিয়ান সরকার বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ট ভাবে কাজ করছে। এমপি সালমা জাহিদ বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি কানাডা সরকার ও প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডুর বিশেষ নজরে আছে। এমপিপি মাইক্যাল কটিঊ বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে এক মহত দায়িত্ব পালন করেছেন, এখন বিশ্বাসী এই দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিতে হবে।

কানাডিয়ান সরকার ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহব্বান জানাই রোহিঙ্গা রিফোজিদের মায়ানমারে পুর্ণ নাগরিত্ব দিয়ে পুর্ণবাসন করাতে এগিয়ে আসুন। ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল গফফার এর সভপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সেচ্ছাশ্রম প্রধান করেন সোহেল শাহরিয়ার রানা, শারিফুল হক ও মম কাজী।

ভাষা সৈনিক শামসুল হুদা বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি ক্ষুদ্র দেশের পক্ষে এতোগুলো রোহিঙ্গার দায়ভার একা বহণ করা সম্ভব না। রোহিঙ্গা সংকট ক্রমেই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। এই সমস্যাটি সমাধানে বিশ্বের অন্যান্য দেশেগুলোর বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা উচিত, অন্যথায় সামনে বিশ্ববাসীকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

অন্যান্য বক্তারাও এই সমস্যা সমাধানে কানাডা, আমেরিকা, চীন, রাশিয়াসহ মোড়ল দেশগুলোকে বাংলাদেশের পাসে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্যোক্তা ফোজিত শেখ বাবু বলেন, শুরুতেই ধন্যবাদ জানায় বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। যিনি মমতায়ী মায়ের মতো নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের প্রান বাচানোর জন্য বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছেন। তিনি শুধু রোহিঙ্গাদেরই আশ্রয় দেননি, তিনি আশ্রয় দিয়েছেন পুরো বিশ্ব বিবেক ও মানবতাকে। বর্তমানে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক শান্তির দেশ এটাই তার প্রমান।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের ছবির মাধ্যমেই সব প্রমানিত, তারপরও দু-চার কথা বলতে হয়- আজকে রোহিঙ্গারা যেমন দুঃখ-দুর্দশা কষ্ট ভোগ করছে আশির দশকে আমিও বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ চনপাড়া পূর্নবাসন কেন্দ্রের একটি বস্তি এলাকায় দুঃখ-দুর্দশা ভোগ করে বড় হয়েছি। সুতরাং আমি তাদের কষ্ট বুঝি। আর আমাদের এই দুঃখ-দুর্দশার মর্ম বুঝে ২০০৮ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লড়াকু সৈনিক আমাদের স্থানীয় এমপি গাজী গোলাম দস্তগীর বীরপতিক এর সহযোগিতায় আমরা আমাদের মানবাধিকার ফিরে পাই এবং বর্তমানে আমরা খুব সুন্দর ভাবে জীবন-যাপন করছি।

ঠিক একই অবস্থা রোহিঙ্গাদের। তাই এই রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে প্রয়োজন বিশ্ববাসীর সজাগ দৃষ্টি। তবেই তারা ফিরে পাবে তাদের মাতৃভূমি ও মানবঅধিকার। বাংলাদেশেও ফিরে আসবে সুন্দর পরিবেশ ও স্বস্তি।

তিনি আরো বলেন, ১০ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ যে আশ্রয় দিয়েছে এর অর্থ এই নয় যে তাদেরকে সারা জীবন রাখতে হবে। একটি বৃহত জাতিগোষ্ঠীর মাঝে ক্ষুদ্র কোন জাতিসত্ত্বা বসবাস করলে সেই জাতির প্রতি মানবাধিকার লংঘিত হয়। সেখান থেকে জন্ম নেয় বিভিন্ন উশৃঙ্খল গ্রুপ। তাই এই রোহিঙ্গারা শুধু বাংলাদেশের হুমকি নয়। হুমকি সারা বিশ্বের জন্য। আর এই ব্যাপারে সকলের সজাগ দৃষ্টি ও সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশের পক্ষে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

বাংলাদেশের ফটোসাংবাদিক ও রিপটারদেরকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রোহিঙ্গা রিফোজি বিষয়ে সচেতনতা মুলক আলকচিত্র প্রদর্শনী করতে চাই যদি আপনাদের সহযোগিতা পাই।

আমার ও অন্য যাদের ফটোগ্রাফি, দৈনিক যুগান্ত পত্রিকার ফটো সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন জয়, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার ফটোসাংবাদিক হারুনুর রশিদ, ডেইলি নিউ এজ পত্রিকার ফটো সাংবাদিক মোঃ সৌরভ, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফো এর ফটো সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মোমিন, দৈনিক বণিক বার্তা পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ফজলে এলাহী ওমর, ইত্তেফাক পত্রিকার ফটো সাংবাদিক রেহানা আক্তার, আবুল হোসেন ফটোগ্রাফার ও মো: গোলাম কিবরিয়া সাইমন ফটোগ্রাফর।

জাহাঙ্গীরআলম ভূঁইয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা বাদাঘাটে (২সেপ্টেম্বর )সোমবার বিকাল ৫ টা থেকে বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে উদ্ভোদন করা হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যাক্ষ জুনাব আলী,বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,বাদাঘাট বাজার বনিক সমিতির সভাপতি সেলিম হায়দার প্রমূখ।
ঐতিহ্যবাহী বাদাঘাট হাই স্কুল খেলার মাঠে উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করে আয়োজক টিম জাকির ফাউন্ডেশন স্মৃতি ক্লাব বনাম রাজাই যুব সংঘ।
জানা যায়,সাবেক ফুটবল প্লেয়ার মরহুম জাকির হোসেন ভূইয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট। জাকির ফাউন্ডেশনের আয়োজনে জেলার ৩২টি টিমের অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট চলবে মাসব্যাপী ধরে। জাকির হোসেন ভূইয়া তাহিরপুর উপজেলায় একজন কৃতি ফুটবলার হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিল।
বাদাঘাট আদর্শবাদী যুব সংঘের সাবেক এই ক্রীড়া সম্পাদকের স্মৃতির স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আয়োজক সংগঠন জাকির ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শ্রী গণেশ তালুকদার।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধী দুই শিশু সহোদরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব জাহিদপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব জাহিদপুর গ্রামের আজমান আলীর শিশু পুত্র প্রতিবন্ধী শাহান আহমেদ (১০) ও রাহান আহমেদ (৭)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উল্লেখিত সময় পরিবারের অগোচরে শিশু শাহান ও রাহান উঠানের পাশ্ববর্তী পুকুরে নামে। এরপর থেকে তাদের আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্ভাব্য স্থানে খুঁজাখুঁজি প্রায় ১ঘন্টা পর পুকুরে দুই ভাইর নিথর দেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। এসময় তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc