Monday 19th of August 2019 11:22:33 AM

শংকর শীল,হবিগঞ্জ:লালমনিরহাট তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন (এলটিএ) এর প্রতিষ্ঠাতা ও জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ বিজয়ী সান্ত্বনা রানী রায় ১২ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট লষ্করপুর চা বাগানের প্রায় ৩০ জন যুবকদের মার্শাল আর্ট (আই.টি.এফ তায়কোয়নদো) প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সান্ত্বনা রানী রায় বলেন, আমি নিজের প্রচেষ্টায় দেশের সকল জেলায় ITF তায়কোয়নদো শেখাতে চাই। সেই উদ্যোগে আজ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় এসেছি। তাদের তায়কোয়নদো শেখানোর উদ্দেশ্য, আত্মরক্ষার কৌশল এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় তৈরি করা।
উল্লেখ্য যে, সান্ত্বনা রানী রায় একজন অনার্স, মাস্টার্স ও এলএলবি করে বর্তমানে ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজে প্রফেসর হিসেবে আছেন এবং তিনি এখন পর্যন্ত আটটি স্বর্ণ পদক, দুইটি ব্রোঞ্জ পদক দুইটি রৌপ্য পদক অর্জন করেছেন। আগামী ২৩ আগস্ট ২১ তম বিশ্ব তায়কোয়নদো প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন বুলগেরিয়ার প্লবদিভ এ।

এম ওসমান, বেনাপোল : অবৈধ পথে ভারতে পাচার হওয়া ৭ বাংলাদেশী নারী-শিশুকে স্বদেশ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মাধ্যমে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত সরকার।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় কাগজ পত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে যৌথভাবে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের হাতে তুলে দেয়।
রাইটস যশোর নামে একটি এনজিও সংস্থা তাদেরকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে নিজেদের জিম্মায় নিয়েছেন।
ফেরত আসা নারী-শিশুরা হলেন- ঢাকার রুপা চৌধুরী (৩৫), রাবেয়া খাতুন (৪৫) ও লাবনী (১৮), যশোরের নারগীস (১৬), নড়াইলের অথৈই শিলা (১৫), বাগেরহাটের সাগর মোল্লা (১৩) ও চাঁপাইনবানগঞ্জের শফিকুল ইসলাম (১৩)।
পাচারের শিকার রুপা চৌধুরী জানান, ভালো কাজের প্রলোভনে দালালদের খপ্পরে পড়ে সীমান্ত পথে সে ভারতে পাড়ি জমায়। পরে দালালরা তাকে সেখানে ফেলে পালিয়ে আসে। ভারতীয় পুলিশ তাকে আটক করে জেলে পাঠায়। সেখান থেকে নিলুয়া হোম নামে একটি এনজিও সংস্থা তাকে ছাড়িয়ে নিজেদের আশ্রয়ে রাখে। সাত বছর পর তিনি বাড়ি ফিরছেন।
এনজিও সংস্থা যশোর রাইটসের তথ্য ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা তৌফিকুজ্জামান জানান, দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে স্বদেশ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এরা যদি পাচারকারীদের শনাক্ত করে মামলা করতে চায় তাহলে আইনি সহায়তা করা হবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মাসুম বিল্লাহ জানান, কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদেরকে পোর্টথানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার বাগুডাঙ্গা গ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা এবং যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির নামে গরু কোরবানি করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা কাজী ছরোয়ার হোসেন। দীর্ঘ ১১ বছর যাবৎ তিনি বঙ্গবন্ধু-প্রধানমন্ত্রীর নামে গরু কোরবানি করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারও (১৩ আগস্ট) গরু কোরবানি করেন।
জানাগেছে, নড়াইলের নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের বাগুডাঙ্গা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী লোকমান হোসেনের ছেলে কাজী ছরোয়ার হোসেন। ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর নিতী ও আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্রলীগের রাজনিতীতে হাতে খড়ি। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য তিনি।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কাজী ছরোয়ার হোসেন বলেন, আমি ২০০৯ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং যবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির নামে গরু কোরবানি করে আসছি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার যায়গা থেকে আমি এ কাজ করে আসছি।

এম ওসমান, বেনাপোলঃ যশোরের শার্শা উপজেলায় এবছর দাম কম হওয়ায় কুরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মানুষ। অনেকে বিক্রি না করে মাটিতে পুতে দিয়েছেন পশুর চামড়া।
মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) সরেজমিনে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। কুরবানির পশুর চামড়া নিয়ে শার্শা উপজেলার কুরবানি দেয়া মানুষের মধ্যে হতাশা দেখা গেছে। উপজেলা পশুসম্পদ বিভাগের দেয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী শার্শা উপজেলাতে এবছর সাড়ে ৩ হাজার গরু ও ২৬ শ’ ছাগল কুরবানি করা হয়েছে। কিন্তু কুরবানি দাতারা এবার জবাই করা গরু-ছাগলের চামড়া বিক্রি করতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন । কুরবানির চামড়া বিক্রির টাকা সাধারনত দান খয়রাত করা হয়। গরীব-মিসকিনরা আগে থেকেই দাবী করেন চামড়া বিক্রীর টাকা। তবে এবছর চামড়ার দাম খুবই কম। গ্রামে গ্রামে ক্রেতা ঘুরলেও চামড়ার দাম না থাকায় অনেকে চামড়া বিক্রি না করে মাটির নিচে পুতে দিয়েছে। আবার অনেকে দুরে কোথাও ফেলে এসেছে। কুরবানির দিন থেকে গাছে গাছে ঝুলতে দেখা গেছে চামড়া।
শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানায় তাদের একটি গরুর চামড়ার দাম ১৪০ টাকা বলার কারনে বিক্রি না করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। একই কথা বলেছেন ইস্রাফিল। মিন্টু চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুতে দিয়েছেন।
আমিরুল হোসেন নামে একজন চামড়া ক্রেতা জানিয়েছেন, সে ঈদের দিন সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা ও সর্বনিম্ন ৪০ টাকায় গরুর চামড়া কিনেছিলেন। ছাগলের চামড়া কিনেছেন ২০ টাকা করে। সে এসব চামড়া বাগআঁচড়া বাজারে চামড়ার আড়তে বেঁচতে গেলে তারা নেয়নি। এরপর সে গয়ড়া বাজারে এক আড়তে লোকসানে কিছু চামড়া বিক্রি করে এবং বাকী চামড়াগুলি মাঠের ভেতর ফেলে রেখে আসে। সীমান্তে বিজিবির ব্যাপক নজরদারীর কারনে ভারতে চামড়া নিতে পারেনি কালোবাজারীরা। যার ফলে চামড়া নিয়ে নাজেহাল হতে হয়েছে এলাকার মানুষদের।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ন্যায মূল্য না পেয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৯০০কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে দিয়েছে একটি মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে গরুর চামড়া রয়েছে ৮০০ ও ছাগলের ১০০ পিস। চামড়া ক্রয় করতে কেউ আসেনি। বাধ্য হয়ে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছে চামড়াগুলো। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর হোসাইনিয়া হাফিজিয়া আরাবিয়া দারুল হাদিস মাদরাসা প্রাঙ্গণে ওই সব চামড়া পুঁতে মাটি খুঁড়ে পুতে দেয়া হয়।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা জানান,প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর চামড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ঈদের দিন সৈযয়দপুর হোসাইনিয়া হাফিজিয়া আরাবিয়া দারুল হাদিস মাদরাসার পক্ষে থেকে সংগ্রহ করা হয়।
কোরবানিদাতারা মাদরাসার উন্নয়ন তহবিলে চামড়াগুলো দান করেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষে চামড়া বিক্রয়ের জন্য দিনভর অপেক্ষা করেও বিক্রি করতে পারেননি। প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ওই সব চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাদরাসার নিকটস্থ এলাকায় মাটিতে পুঁতে দেয়। এসময় মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা সৈয়দ ফখরুল ইসলাম বলেন বলেন,অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও আমাদের মাদরাসার পক্ষ থেকে কোরবানিদাতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের নিকট থেকে প্রায় ৯০০চামড়া সংগ্রহ করা হয়।
তিনি বলেন,চামড়াগুলো সংগ্রহে এবং চামড়ায় লবণ ব্যবহারের ৫০হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। যা আমাদের ক্ষতি হয়েছে।

কমলগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের  কমলগঞ্জে   আদমপুর এম এ ওহাব  উচ্চ  বিদ্যালয়ের  ১৯৯৩-১৯৯৮ সালের  প্রাক্তন  শিক্ষার্থী পূনর্মিলনী  অনুষ্ঠিত  হয়েছে । ১৩ আগষ্ট  মংগলবার  বেলা  সাড়ে  এগারোটায়  পাইওনীয়ার কিন্ডারগার্টেনে  অনুষ্ঠিত  পূনর্মিলনীতে  দেশে  বিদেশে  নানা  কর্মক্ষেত্রে  অবস্থানরত  এ  স্কুলের  ছাত্র  ছাত্রীরা  স্মৃতিচারণ  ,  খোশ  গল্প  ও মধুর  আড্ডায়  মেতে ওঠে ।

পূনর্মিলনী  অনুষ্ঠানের  অন্যতম  উদ্যোক্তা  আব্দুস সালাম  বলেন,  আজ  আমরা  সবাই  অতীতে  ফিরে গিয়েছিলাম । কিছু  সময়ের জন্য হলেও  সময়টা  খুব  ভালো  কাটিয়েছি ।

শমশেরনগর চা বাগানকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করার লক্ষে ১৩ আগস্ট মঙ্গলবার চা-শ্রমিক ও ছাত্র-যুবকদের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র ্যালী বের হয়। র ্যালী শেষে জাগরণ যুব ফোরামের সভাপতি মোহন রবিদাসের ও বাবুল মাদ্রাজির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ৪ং শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েল আহমদ,ইউ পি সদস্য  ইয়াকুব মিয়া,ইউ পি সদস্য সিতারাম বিন,পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত কানু গোপাল,সুজন লোহার,অাপন বাউরী,মনিসংকর রায় প্রমুখ। প্রেস বার্তা

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc