Monday 19th of August 2019 12:22:21 PM

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাটে এক সন্তানের জননী ( স্বামী পরিত্যক্ত) ৩৫ কে নির্যাতন ও দর্শনের চেস্ট। দর্শন কারী লম্পট ফারুক মিয়া ( ৪২) কে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাটিয়েছে ।
জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার ১নং গাজীপুর ইউনিয়নের কোনাগাওঁ গ্রামের মৃত আঃ গনীর ছেলে মোঃ ফারুক মিয়া গত ১৯ জুলাই ২০১৯ ইং তারিখে একই গ্রামের স্বামী পরিত্যাক্তা ১ সন্তানের জননীকে ঘড়ে একা পেয়ে জোর পুর্বক ধর্ষনের চেস্টা চালায়। এ সময় মহিলার চিতকারে বাড়ীর লোকজন এগিয়ে আসলে লম্পট পালিয়ে যায়। পরে ওই মহিলা বাদী হয়ে গত ২ আগষ্ট চুনারুঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে চুনারুঘাট থানার এস আই শেখ আজহারুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে কোনাগাওঁ গ্রাম তার নিজ বাড়ী থেকে আসামী ফারুক মিয়াকে গ্রেফতার করে, জেল হাজতে প্রেরন করেন।

“ডেঙ্গু নিয়ে যেমন আতংকের কারণ নেয়, তেমনি ডেঙ্গু নিয়ে মিথ্যা আশ্¦াস দেয়াও ঠিক না। ডেঙ্গুর ব্যাপারে আমাদের বছরব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। এটা একদিনের ব্যাপার নয়। আমরা যদি সময় মতো ব্যবস্থা নিতাম তাহলে ডেঙ্গুর এই প্রাদুর্ভাব হতো না।”

আজ ৬ আগস্ট সকাল ১১টায় আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সামনে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত সভাপতির বক্তৃতায় কমরেড রাশেদ খান মেনন এ কথা বলেন।

১৪ দলের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন কমরেড দিলীপ বড়–য়া, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, এজাজ আহমেদ মুক্তা, শিরিন আক্তার এমপি, ডা. শাহাদৎ হোসেন, নাদের চৌধুরী, এস কে শিকদার, রেজাউর রশিদ খান, ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, ড. শাহান আরা বেগম, ডা. দিলীপ রায় প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম আশরাফ তালুকদার।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে আইনজীবী কর্তৃক পুলিশি হেফাজতে থাকা সুমন নামে এক আসামিকে লাঞ্চিতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ আগষ্ট) দুপুরে আদালত চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আসামি সুমন হোসেনের (সম্প্রতি মুসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন) বিরুদ্ধে আদালতে তার স্ত্রী শিপ্রা রায়ের যৌতুকের মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে আসামি সুমনকে পুলিশ হেফাজতে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় সুমন শিপ্রা রায়ের আইনজীবী নজরুল ইসলামকে এ মামলাটি মিমাংসার প্রস্তাব দেয়। মামলাটি মিমাংসার প্রস্তাব দেয়ায় সেখানে উপস্থিত থাকা নজরুল ইসলামের জুনিয়ন খন্দকার সোহেলী পারভীন শিলি ক্ষিপ্ত হন। কিছুক্ষন পর আসামি সুমন পুলিশ হেফাজতে আইনজীবী ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে দাড়িয়ে থাকা আইনজীবী খন্দকার সোহেলী পারভীন শিলি আসামিকে (সুমন) মুখে চড়-থাপ্পড় মারে।

কোর্ট ইন্সপেক্টর মোঃ আমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় পুলিশি আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে অ্যাডঃ খন্দকার সোহেলী পারভীন শিলিকে তিন বার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে টাকা ছিনতাইর ঘটনায় আটককৃত ৩জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, আদালতে প্রেরণ।

সিলেটের জৈন্তাপুরে ২০লক্ষ টাকা ছিনতাইর ঘটনায় জনতা ও পুলিশ কর্তৃক আটককৃত ৩জনকে ৬ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ আদালতে প্রেরন করে (মামলা নং-৩, তারিখ ০৫-০৮-২০১৯)। আটককৃত ছিনতাইকারীরা হল কানাইঘাট উপজেলার গড়াইগ্রাম বর্তমান শাহপরান থানার শাহজালাল উপশহর ডি ব্লকের ২৭নং রোডের ৭নং বাসার বসিন্ধা মুজিবুর রহমান চৌধুরী উরফে লাল মেম্বারের ছেলে আতিকুর রহমান চৌধুরী লাভলু (৩৩) ও জকিগঞ্জ থানার পরচক গ্রামের মৃত একরামুল চৌধুরীর ছেলে বদরুল হক চৌধুরী ফাহিম (৩২)। কানাইঘাট উপজেলার বড়বন্দ (লাকটিলা) গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মঞ্জুর উদ্দিন (৩২)।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় তেল পাম্প ডাকাতির ঘটনা পুরো মাষ্টার প্ল্যান তৈরী করে আতিকুর রহমান লাভলু, তার নির্দেশনা মোতাবেক ১০/১২ জনের একটি ছিনতাইকারী চক্র ছিনতাইর কাজে ছিল। তারা টাকা লুটের আগেই দরবস্ত হতে তেল পাম্প পর্যন্ত এলাকায় পাহারায় নিয়োজিত ছিল। যখন শাপলা ফিলিং ষ্টেশনের কর্মচারী বাহার উদ্দিন, সাহাব উদ্দিন ও শহিদ মিয়া পাম্প হতে টমটম গাড়ী যোগে পূবালী ব্যাংকে যাওয়ার পথে জৈন্তিয়া ডিগ্রী কলেজ এলাকার পৌছা মাত্রই টমটমের গতিরোধ করে টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

এসময় বাহার সাহাব শহিদের চিৎকারের করনে লোকজন লাভলু ও ফাহিমকে আটক করতে পারলেও বাকীরা কানাইঘাট উপজেলার নানকা চা-বাগান এলাকা দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ পরে নানাকা চা বাগান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকারী চক্রের অন্য সদস্যকে ১লক্ষ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পুলিশ আরও জানায় চক্রটি দীর্ঘ দিন হতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাইর কাজ পরিচালনা করত। তারা বিশেষ করে শহরের বাহিরে ডাকাতি ও ছিনতাইর ঘটনা করত না।

এই প্রথম তারা শহরের বাহিরে ছিনতাইর ঘটনা ঘটায়। তাদের বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। লাভলু ও ফাহিম সিলেট বিভাগের সেরা ৫জন ডাকাত ও ছিনতাইকারীর অন্যতম ২জন। এ ঘটনায় ছিনতাইকারী চক্রের অন্যান্য ছিনতাইকারীদের ধরতে এবং লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার করতে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক জানান- এলাকাবাসী যতেষ্ট সহযোগিতা আমি তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। আটককৃতরা বিভিন্ন তথ্য দিয়েছে তাদেরও দেওয়া তথ্য মতে বাকীদের আটক ও টাকা উদ্ধার করতে আমরা সিলেট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আটককৃত ৩জনকে আদালতের মাধ্যমে হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৯লাখ টাকাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার,স্ত্রী আটক

 

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের একাধিক মাদক মামলার আসামী ডজন খানের পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়দানকারী আলোচিত মাদক সম্রাট উজ্জ্বল রায়ের আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (৫ আগষ্ট) রাত সাড়ে ৯টা হতে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দুইঘন্টাব্যাপী অভিযান পরিচালিত হয়।

নড়াইলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (এনডিসি) মুহাম্মদ আল-আমিনের নেতৃত্বে অভিযানকালে মাদক সম্রাটের আস্তানায় বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রাখা ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৪শত ৬৩ টাকা, প্রায় দুইশ গ্রাম গাজাসহ খাওয়ার সরঞ্জমান, ১২টি ফেনসিডিলের খালি বোতল, ১৭ প্যাকেজ সিগারেট সহ অন্যান্য উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানকালে উজ্জ্বল রায়কে পাওয়া না গেলেও তার দ্বিতীয় স্ত্রী দীপালী রায়কে আটক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই উজ্জল রায় যশোর ও নড়াইলে মাদকসহ কয়েকবার পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। এসব মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন। মাদকের ব্যবসায় নির্বঘ্নে চালিয়ে যেতে উজ্জ্বল রায় যশোর, খুলনা ও ঢাকা হতে প্রকাশিত ডজন খানেক খ্যাত-অখ্যাত পত্রিকা ও বেশ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক বলে দাবি করতো।

উদ্ধারকৃত বিভিন্ন প্রকারের মাদক ও টাকার বান্ডিল 

সাংবাদিতার পরিচয় দিয়ে নড়াইলের পুলিশ প্রশাসনের সাথে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তোলে। যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক যশোর, সমাজের কাগজসহ একাধিক পত্রিকায় তার অধিকাংশ নিউজ ছাপা হতো পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে।

অভিযোগ রয়েছে মাদক ব্যবসা চালাতেই সাংবাদিকতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। তার মাদক ব্যবসা ছিল অনেকটা ওপেন সিক্রেট। জেলার প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় সে দিব্যি মাদক ব্যবসা চালালেও এতদিন ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর বিদ্যুৎ বিহারী নাথ জানান, বিপুল পরিমান এ অর্থ একটি ভাঙ্গা ঘরের বিভিন্ন কৌটা, ময়লাযুক্ত জায়গা, কাঠ-খড়ি রাখার জায়গাসহ কমপক্ষে ৫০টি স্থান থেকে বিপুল পরিমান এ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত বিভিন্ন প্রকারের মাদক টাকার বান্ডিল

নড়াইলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, অভিযানকাালে ছোট একটি ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। তার ধারনা একটি মাদক সিন্ডিকেট এ অর্থ নিয়ন্ত্রন করছে। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টরেট (এনডিসি) এর কার্যালয়ে এনে পুলিশ কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত টাকা গণনা করে মোট ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৪শত ৬৩ টাকা পাওয়া যায়।

এছাড়া প্রায় দুইশ গ্রাম গাজাসহ খাওয়ার সরঞ্জমান, ১২টি ফেনসিডিলের খালি বোতল, ১৭ প্যাকেজ সিগারেটসহ অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় উজ্জ্বল রায়ের স্ত্রী দীপালী রায়কে আটক করা হয়েছে।বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc