Monday 27th of January 2020 12:13:54 AM

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরনো কেন্দ্রীয় মসজিদ ভাঙ্গার সময় ইটের দেয়াল ধ্বসে আকাশ মোল্যা নামে ১০ বছরের এক পথচরী শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানাগেছে, কালিয়া উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি সরকারীভাবে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পুরনো মসজিদটি ভাঙ্গার কাজ চলছিল। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মসজিদের রাস্তার পাশের দেয়ালের একটি অংশ ধ্বসে পড়ে। এসময় পৌরসভার বড়কালিয়া এলাকার হোসাইন মোল্যার ছেলে আকাশ মোল্যা চাপা পড়ে এবং গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্ষে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, সরকারীভাবে নতুনভাবে মসজিদ নির্মাণের জন্য পুরনো মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলার কাজ চলছিলো। বৃষ্টির কারনে ওয়ালের একটি অংশ রাস্তার ওপর ধ্বসে পড়লে ওই শিশুটির মাথা ও পা সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ব্রাজিলের একটি কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দু’টি অপরাধী চক্রের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও দাঙ্গায় অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছে।এর মধ্যে কারাগারের কয়েকটি সেলে লাগা আগুনের ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে ৩৬ বন্দি নিহত হয়েছে বলে  জানিয়েছে পার্সটুডে।

দেশটির ‘প্যারা’ অঙ্গরাজ্যের ‘আলটামিরা’ কারাগারের একটি ব্লকে অবস্থানরত একটি অপরাধী চক্রের সদস্যরা গতকাল (সোমবার) অন্য একটি ব্লকে প্রতিদ্বন্দ্বী চক্রের সদস্যদের ওপর হামলা চালালে এ সংঘর্ষ শুরু হয় এবং তা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে কারাগারের কয়েকটি সেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

দাঙ্গা থেমে যাওয়ার পর কারা কর্মকর্তারা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ১৬ জনের গলা কেটে ফেলা হয়েছে এবং বাকিদের বেশিরভাগ তাদের সেলে আগুন লাগার কারণে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে মারা গেছে। দাঙ্গার সময় দু’জন কারারক্ষীকে জিম্মি করা হলেও পরে তারা মুক্তি পেয়েছেন।

সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় দাঙ্গা শুরু হয় এবং দুপুর পর্যন্ত চলে। প্যারা অঙ্গরাজ্যের সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কারাগারে আটক ‘কমান্ডো ক্লাস-এ’ গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাং ‘কমান্ডো ভারমেলহো’র সদস্যদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে এ দাঙ্গা শুরু হয়।

এর আগে গত মে মাসে ব্রাজিলের অ্যামাজনস রাজ্যের মানাউস কারাগারে দাঙ্গায় ৪০ জন নিহত হয়েছিল।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুর হতে বিয়ানীবাজার থানার অপহরন মামলার আসামীসহ ভিকটিমকে  উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়- সিলেটের বিয়ানী বাজার থানার অপহরন মামলা নং- ১০, তারিখঃ ১৬-০৬-২০১৯ এর আসামী সহ ভিকটিম জৈন্তাপুর থানা এলাকায় আত্মগোপন করে রয়েছে। সংবাদের ভিত্তিত্বে পুলিশ অপহরন মামলার ভিকটিম মারিয়া আক্তার শান্তা (১৬) কে উদ্ধারের জন্য জৈন্তাপুর উপজেলার ভিবিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে গত ২৮ জুলাই গভীর রাত ২টায় জৈন্তাপুর মডেল থানার এস.আই আজিজুল রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার পাখিবিল গ্রামে আব্দুল লতিবের ছেলে জসিম উদ্দিনের বাড়ীতে অভিযান করে। কিন্তু চতুর জসিম উদ্দিন পুলিশের উপস্থিতি বুঝে নির্জন জঙ্গলে ভিকটিম সহ অপহরনকারীকে লুকিয়ে রাখে। এঘটনায় পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য সোর্স নিয়োগ করে রাখে। সোর্সের দেওয়া তথ্য মতে ২৯ জুলাই সকাল ১১টায় নৌকা যোগে সারী নদী দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রক্কালে ভিকটিম মারিয়া আক্তার শান্তা (১৬) সহ অপহরনকারী বিয়ানীবাজার উপজেলার সাদিমাপুর (চাতলপাড়) গ্রামের সুহেল আহমদ ব্রড়া ছেলে শাহিন আহমদ (১৭) কে আটক করতে সক্ষম হয়। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে জৈন্তাপুর থানায় নিয়ে আসে। পরে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশকে খবর দিলে বিয়ানীবাজার থানার এস.আই মোঃ মহসিন কবির জৈন্তাপুর থানা হতে উদ্ধারকৃত মারিয়া আক্তার শান্তা ও অপহরনকারী শাহিন আহমদকে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মইনুল জাকির ও এস আই আজিজুর রহমান বলেন- আমরা সংবাদ পাওয়ার পর পর বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করি। পরে নৌকা যোগে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার সময় সারী নদী হতে তাদের আটক করি। যেহেতু মামলটি বিয়ানী বাজার থানার তাই আটককৃতদের বিয়ানী বাজার পুলিশের কাছে আটক অপহরানকারীসহ মারিয়াকে তুলে দেই।

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের উসমানপুর গ্রামের প্রবাসী তাজুল ইসলামের স্ত্রী রুহেনা আক্তার (৩০) এর সাথে আসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জনতা সাহিদ মিয়া (৩৫) কে মারপিট দিয়ে থানায় পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছে।

অপরদিকে একই ঘটনায় ভিকটিম রুহেনা আক্তার বাদী হয়ে দুধপাতিল গ্রামের মৃত রমিজ আলীর পুত্র সাহিদ মিয়া (৩৫) কে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত রবিবার গভীর রাতে উসমানপুর গ্রামের রুহেনা আক্তারের বসতঘরে কৌশলে সাহিদ মিয়া প্রবেশ করে ভিকটিম রুহেনা আক্তারকে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের শোর চিৎকারে আশপাশের লোকজনেরা এগিয়ে এসে লম্পট সাহিদ মিয়াকে আটক করে থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে থানার এস আই আল আমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম রুহেনাকে উদ্ধার করেন এবং আসামী সাহিদ মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

অভিযুক্ত সাহিদ মিয়া আসামপাড়া বাজারস্থ ওয়ার্কশপ দোকানের মালিক। পরে ভিকটিম রুহেনা আক্তার বাদী হয়ে  সাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে সোমবার দুপুরের দিকে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ লম্পট সাহিদ মিয়াকে উক্ত মামলায় গ্রেফতার পূর্বক হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম রুহেনা আক্তারের স্বামী তাজুল ইসলাম প্রবাসে থাকায় লম্পট সাহিদ মিয়া এই সুযোগে রুহেনার বসতঘরে প্রবেশ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সোমবার ২৯শে জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে বিদায় গ্রহন করেছেন এবং বিকেলে পুলিশ সুপারের অফিসিয়াল পেইজে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন মৌলভীবাজারের বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল (পিপিএম,বিপিএম)।তিনি ৪ বছরের অধিককাল এই জেলাতেই কর্মরত ছিলেন।

নিম্নে তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলঃ –

“মৌলভীবাজারের সুপ্রিয় নাগরিকবৃন্দ, অবশেষে বিদায় বলার ক্ষণ সমাগত। তাই, বিদায়!!! বিগত চার বছর জুড়েই আপনাদের ভালবাসায় সিক্ত ছিলাম আমি , কিন্ত গত দুই সপ্তাহ যাবৎ আপনারা আমার প্রতি যে অভূতর্পূব ভালবাসার অভিব্যক্তি ঘটিয়েছেন, তা আমৃত্যু আমার অন্তরকে আলোড়িত করবে। এত দিন মনে হতো মৌলভীবাজারের জন্য আমি অনেক কিছু করেছি। কিন্ত আজ যাবার বেলায় আপনাদের এ অনুভূতির সামনে দাঁড়িয়ে আমার মনে হচ্ছে, আমি এ ভালবাসার যোগ্য নই, আমার আরো অনেক কিছু করা উচিৎ ছিল। এ অর্পূণতার আক্ষেপ আমাকে তাড়িত করবে চিরদিন। মৌলভীবাজারকে হয়তো বেশি কিছু দিতে পারিনি, কিন্ত মৌলভীবাজারের মানুষকে, মৌলভীবাজারের মাটি, পানি, প্রকৃতি সবকিছুকে প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছি, এতে কোন ফাঁকি নেই। আমি চলে যাচ্ছি, এ সত্যিই ‘প্রস্থান নয়’। আমার অন্তর চিরদিন আপনাদেরই অন্তরে ঠাঁই খুঁজে বেড়াবে। আমি হব ‘আপনাদেরই একজন।

শুভেচ্ছান্তে

মোহাম্মদ শাহ জালাল বিপিএম, পিপিএম

বিদায়ী পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার।”

প্রসঙ্গতঃ ২০১৫ সালে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন মোহাম্মদ শাহ জালাল। এ সময় তিনি মানবিকবোধ ও দক্ষতায় সর্বমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। অপরদিকে পুলিশের নতুন কর্মকর্তা ফারুক আহমদ (পিপিএম) দায়িত্ব গ্রহন করে আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করার কথা রয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ গুজব ছড়াবেন না, আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না’ ছেলে ধরা সন্দেহ হলে পুলিশের হাতে তুলে দিন। ২৯ জুলাই সোমবার সকাল ১১টা হতে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জৈন্তাপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে বিগ্রোডিয়ার মজুমদার বিদ্যানিকেন, সারীঘাট উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সতর্কীকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করনসভা করেন৷
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো: ময়নুল জাকিরের অায়োজনে সচেতনতা মূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কানাইঘাট সার্কেল এসপি মো: অাব্দুল করিম৷ তিনি বলেন “পদ্মা সেতুর জন্য মানুষের মাথা ও রক্ত লাগবে” এই গুজবকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলে ধরা সন্দেহে গনপিটুনিতে বেশ কয়েকজন মর্মান্তিক ভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। জৈন্তাপুর উপজেলাবাসীর জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে, এটি একটি গুজব। অাপনারা কোন প্রকার গুজবে কান দিবেন না এবং গুজব ছড়িয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে ছেলে ধারা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। এ পর্যন্ত গণপিটুনির ফলে যত গুলো নিহতের ঘটনা ঘটেছে, প্রত্যেকটি ঘটনা আমলে নিয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্র বিরোধী কাজের শামিল। গণপিটুনি একটি ফৌজদারী অপরাধ। তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন গুজব ছড়ানো এবং গুজবে কান দেয়া থেকে বিরত থেকে কাউকে ছেলে ধরা সন্দেহ হলে গণপিটুনি না দিয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিন।
বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসার সচেতনতা মুলক সভায় অফিসার ইনচার্জ খান মো: মইনুল জাকির বলেন- অামরা স্কুল কলেজ মাদ্রাসা সহ উপজেলার হাট বাজর গুলোতে মাইকিংয়ের মাধ্যেম উপজেলাবাসীকে সর্তক করেছি৷ বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীরা যাহাতে অাত্মংকের স্বীকার না হয় এবং পড়া লেখা বন্ধ না করে সে জন্য পুলিশের পক্ষ হতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে৷ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে খোলামেলা বিষয়টি বুঝিয়ে দিলে তারা এসব গুজবে কখনও কান দিবে না৷ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে৷ ছেলে ধরা সন্দেহ হলে তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশে খবর দেওয়ার অাহবান জানান৷

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ছাতক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক,দৈনিক যুগান্তর’র উপজেলা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন রনিকে ট্রাফিক পুলিশের দায়েরকৃত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে সুনামগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালত। গত ২৫ জুলাই যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালত এর বিজ্ঞ বিচারক মোঃ ইব্রাহিম মিয়া দায়রা মামলা নং ৩৮২/২০১৯ এর ৩নং আদেশে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনিকে অব্যাহতি দেন। আদালতে আসামী পক্ষে এডভোকেট মোহাম্মদ কামাল হোসেন ওই মামলাটি পরিচালনা করেন।
জানা যায়,জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজী নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন ওয়েবপোর্টাল ও একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় আনোয়ার হোসেন রনির প্রেরিত সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে পুলিশ প্রশাসন ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর গ্রামের বাড়ীতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

পরে সাজানো ঘটনা উল্লেখ্য ছাতক বাজার ট্রাফিক শাখার টিএসআই মোস্তফা কামাল (বিপি নং ৬৯৮৮০৪৩০৫২) বাদী হয়ে আটককৃত নিরীহ সংবাদকর্মী রনির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৩৮৬/৫০৬ধারায় ছাতক থানায় মামলা নং ৭ (জিআর ২৫০/২০১৮) তাং ৩/৯/২০১৮ইং দায়ের করেন।

ট্রাফিক পুলিশের দায়েরকৃত মামলাটি তদন্ত করে গত ৩১ মার্চ ৭৪/২০১৯ নং অভিযোগপত্র দাখিল করেন ছাতক থানা এসআই নিরস্ত্র অরুপ সাগর গুপ্ত কমল (বিপি নং ৮৪১৩১৫১৪৬৬)। তথাকথিত অভিযোগপত্রে বাদীসহ মোট ১১জনকে সাক্ষী দেখানো হয়। এরমধ্যে ৫জনই পুলিশ প্রশাসনের সাথে জড়িত। বাকী বেসামরিক ৬জনের মধ্যে ৫জন সাক্ষী কথিত মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন সাজানো মামলাটির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে হলফনামা প্রদান করেন। এছাড়া আসামী পক্ষের কৌসুলীর জেরার ভয়ে কোন পুলিশ সদস্যরাই আদালতে এসে একমাত্র আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেননি। একপর্যায়ে মামলাটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাত্র ৮মাস ২২দিনের ব্যবধানে ওই হয়রানীমূলক মামলাটির দায় থেকে অব্যাহতি পান সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনি।
উল্লেখ্য,ছাতক উপজেলার আলমপুর নিবাসী মরহুম জহুর আলীর পুত্র আনোয়ার হোসেন রনি একজন সাহসী সিনিয়র সাংবাদিক যিনি অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখালেখি করতে গিয়ে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলার শিকার হন। এরপরও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার কলমসেবা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি ও প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক আল-হেলাল বলেন,সংবাদে ক্ষুব্ধ ট্রাফিক পুলিশ প্রকাশিত সংবাদটির বৈধ পন্থায় মোকাবেলা না করে জোর-জুলুম ও বাড়াবড়ির আশ্রয় নিয়ে একজন নিরীহ সংবাদকর্মীকে অন্যায়ভাবে হয়রানী করেছেন। যারা এ জগন্য কাজটি করেছেন তারা আইনের আদালতে দোষী না হলেও বিবেক ও প্রকৃতির বিচারে কোননা কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। মিথ্যা মামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রনিকে সমবেদনা জানান।
রোববার বিকেলে আনোয়ার হোসেন রনি সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি পিপি এডভোকেট শামছুন নাহার বেগম শাহানা রব্বানীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানীমূলক মামলার ইতিবৃত্ত তুলে ধরেন।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ কেজি গাঁজা সহ মাদক সম্রাট আরিফকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস.আই আল-আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চুনারুঘাট-সাতছড়ি মহাসড়কের চাকলাপুঞ্জি চা বাগান গেইটের সামনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার ১২নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামের মুসা মিয়ার পুত্র আরিফ মিয়া (২০) কে ৩৪ কেজি গাঁজা সহ হাতে নাতে আটক করে থানা পুলিশ।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জিলানী (২৮), সেলিম মিয়া (২৬) নামে দুই মাদক সম্রাট পালিয়ে যায়। এসময় আরিফের হেফাজত হইতে সাদা প্লাস্টিকের ১৭টি ব্যাগে ২ কেজি করে মোট ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩৪ হাজার টাকা হবে। আটককৃত মাদক সম্রাট আরিফ ৩৪ কেজি নিয়ে সিলেটের সুনামগঞ্জে যাওয়ার জন্য চাকলাপুঞ্জি চা বাগানের গেইটের সামনে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল বলে জানায়।

পরে পুলিশ বাদী চুনারুঘাট থানায় আরিফ মিয়া সহ ২ জন অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছে। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক মাদক ব্যবসায়ী আরিফকে ৩৪ কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতারের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এম ওসমানঃ বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ফরহাদ হোসেন (২৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।
সোমবার (২৯ জুলাই) বিকালে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন খড়িডাঙ্গা চৌধুরী ইট ভাটার সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ফরহাদ বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী পূর্বপাড়া গ্রামের জয়নাল মিস্ত্রির ছেলে।
বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে, এএসআই রবিউল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে ফরহাদকে আটক করে। এসময় তার কোমরে বাধা অবস্থায় ৩০ টি নীল রঙের পলি প্যাকে মোড়ানো ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আটক ইয়াবা ট্যাবলেটের মূল্য ৩০ লাখ টাকা বলে জানায় পুলিশ।
আটক আসামির বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার যশোর আদালতে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুর ব্রীজ সংযোগ সড়কে ব্যাপক ভাঙ্গন ও ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক পরিদর্শন করেন,এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীগন। এসময় তারা যানবাহন চলাচল ও জনদূর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত মেরামত করবেন বলে আশ্বাস্থ করেন।
সোমবার(২৯জুলাই)দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর ব্রীজ সংযোগ সড়কে ব্যাপক ভাঙ্গন ও ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক পরিদর্শন করেন,এলজিইডি ঢাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক,সিলেট অ লের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ মহসিন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগম,নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সুনামগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন,সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন,তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ছাইদুল্লাহ মিয়া,সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান,ছাত্রলীগ সভাপতি আবুল বাসার,তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সাজিদ প্রমুখ।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল,এসড়কে ভাঙ্গনের কারনে একমাস ধরে জেলা সদরের সাথে এসড়ক দিয়ে সিএনজি,লেগুনাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল একবারেই বন্ধ ছিল। যানবাহন বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী,চাকরীজীবি,পর্যটক,ব্যবসায়ীসহ সর্বস্থরের মানুষ চরম দূর্ভোগ মাঝে ভাঙ্গা অংশে পায়ে হেটে চলাচল করছিল। এখন(সোমবার থেকে)কিছু অংশ মেরামত করায় যানবাহন চলাচল করছে তা সম্পুর্ন হয় নি। ঈদের পূর্বেই এই সড়কে চলাচল সম্পূর্ন চাল হবে। চালু হলে মানুষের দূর্ভোগ কম হবে।

উল্লেখ্য,গত ২৪জুন থেকে টানা কয়েকবার তাহিরপুর উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে পানির চাপে গুরুত্বপূর্ন তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের একাধিক স্থানে ভাঙ্গনসহ আনোয়রপুর ব্রীজের সংযোগ সড়কটি বেশ কিছু অংশ ভেঙ্গে যায়।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে র‌্যাব ও থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ৫ জন ডকাত ও মাদক ব্যবসায়ী আটক ও জনতার ৪ গরুচোর আটক করে গণ ধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর। আটককৃতদের আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে  জানা যায়- জৈন্তাপুর মডেল থানার এস.আই আজিজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার উত্তরকাঞ্জর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে মৃত হরমুজ আলী বাটুলের ছেলে মনতাসির আলী গগন (৫৫) নামের চিহ্নিত ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়। আটককৃত গগন ডাকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে জৈন্তাপুর মডেল থানার এ.এস.আই মনির এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফৌস নিয়ে উপজেলার ফতেপুর(হরিপুর) ইউনিয়নের দলইপাড়া বাঘেরখাল গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান পরিচালনা করে জিআর ২২২/১৭ মামলার পলাতক আসামী চিহ্নিত চোর মৃত আব্দুল মালিকের ছেলে আব্দুল হান্নান (৩২) কে আটক করা হয়।

অপরদিকে চিকনাগুল ইউনিয়নে গরু চুরি করার প্রক্কালে স্থানীয় জনতা ৪ জন গরুচোর কে গণধোলাই দিয়ে জৈন্তাপুর থানা পুলিশকে খবরদেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশের এস.আই আজিজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌছালে এলাকাবাসীর আটককৃতদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটককৃতরা হল ফে ুগঞ্জ উপজেলার কাটালপুর তেরাকুরী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল আহাদ আব্দুল্লাহ (২৬), ফে ুগঞ্জ কাটালপুর গ্রামের জহির আলীর ছেলে জুবের আহমদ (২০), ফে ুগঞ্জ কাটালপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত কমর উদ্দিনের ছেলে সালাহ উদ্দিন (২৬) ও ফে ুগঞ্জ উপজেলার কাটালপুর হাজিগঞ্জ গ্রামের মৃত মিছির আলীর ছেলে ইসকন্দর আলী উরফে ইসা মিয়া (৫০)।
এছাড়া র‌্যাব-৯ এর অভিযানে উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের বালীদাঁড়া (সিঙ্গারির পার) এলাকা হতে ৩ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী কে ৩৭৬ পিছ ইয়াবা সহ আটক করে জৈন্তাপুর মডেল থানায় সোপর্দ্দ করা হয়। আটককৃতরা জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের সরুফৌদ গ্রামের মোঃ ফারুক আহমদের ছেলে রাসেল আহমদ (২২), নয়াখেল দক্ষিণ গ্রামের মোঃ আব্দুর রবের ছেলে মোঃ মোখলেছুর রহমান (২৪) ও কানাইঘাট উপজেলার বড়বন্দ সিঙ্গারীরপাড় গ্রামের সামছুল হকের ছেলে মোঃ আনছার আলী (১৮)।
জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মইনুল জাকির বলেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে পুলিশ পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে চিহ্নিত ডাকত দলের ১ সদস্য সহ থানা পুলিশ ৬ জনকে আটক করি। অপরদিকে ইয়াব সহ র‌্যাবের হাতে আটক ৩জনকে আদালতের মাধ্যেমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন আইন শৃংঙ্খলা বজায়, চুরি, ডাকাতি ও মাদক মুক্ত রাখতে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অভ্যহত রয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত বাজার হতে এক বাক প্রতিবন্ধি ১৩-১৪ বৎসরের ছেলে পাওয়া গেছে। দরবস্ত বাজার এলাকায় ঘুরাঘুরি করতে দেখে এলাকাবাসী ছেলেটি জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পুলিশ জানায় ছেলেটি তার নাম ঠিকানা কিছুই বলতে পারছে না। ধারনা করা হচ্ছে পথ ভূলে কিংবা কোন দুষ্ট লোক ছেলেটিকে নিয়ে এসে বাজারে ছেড়ে যায়। ছেলেটি পরিচয় না বলতে পারায় পুলিশ সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সিলেট হস্তান্তর করেছে।

এদিকে ছেলেটির পরিচয় জানতে সভার সহযোগিতা কামনা করেন জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মইনুল জাকির। যোগাযোগ নং ০১৭১৩-৩৭৪৩৭৭। কোন হৃদয়বান ব্যক্তি ছেলেটির পরিচয় পেলে উল্লেখিত নাম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়ছে।

সামাজিক আন্দোলন ও মাশরাফি বিন মোর্তুজার আলোর পথে সারথি হয়ে স্বপ্নের সমৃদ্ধ নড়াইল গড়ার উদ্দেশ্যে জনসচেতনতা মুলক র‌্যালী ও সভা অনুষ্টিত

জেলা প্রতিনিধি,নড়াইলঃ নড়াইল জেলার ডেঙ্গু ,গুজব,শিশু নির্যাতন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও মাশরাফি বিন মোর্তুজার আলোর পথে সারথি হয়ে স্বপ্নের সমৃদ্ধ নড়াইল গড়ার উদ্দেশ্যে জনসচেতনতা মুলক র‌্যালী ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার একটি বে-সরকারি সংগঠন টিম তারুন্য ১০০ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, নড়াইলের যৌথ আয়োজনে চলো পাল্টাই ( সামাজিক সংগঠন) ও রেড ক্রিসেন্টে নড়াইল ইউনিট এর সহযোগীতায় র‌্যালীটি শেখ রাসেল সেতু থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে আউড়িয়া ইউনিয়নের মাদ্রাসা বাজারে গিয়ে শেষ হয়। পরে ঐ ইউনিয়নের স্কুল , মাদ্রাসা , হাট ও বাজারে সচেনতা মুলক প্রচার করা হয়।
জেলা প্রশাসক আজনুমান আরা , পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার), গনপূর্ত নড়াইলে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবিব, আউড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পলাশ শেখ, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি নড়াইলের সাধারন সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান,,দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ও টিম তারুন্য১০০ এর কর্মকর্তা, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নড়াইলের কর্মকর্তাগণ, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি,জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কোন প্রকার গুজবে কান না দিয়ে ,আইনকে নিজের হাতে তুলে না নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। যদি কাউকে সন্দেহ হয় তাহলে পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেয়ার জন্য বলা হয়। ডেঙ্গু ,গুজব,শিশু নির্যাতন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলাসহ সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজার আলোর পথে সারথি হয়ে স্বপ্নের সমৃদ্ধ নড়াইল গড়তে সকলের সহযোগীতা কামনা করা হয়।

এম ওসমান : শার্শার পাঁচ ভুলাট সিমান্তে চোরাকারবারীদের নিক্ষিপ্ত বোমায় গুরুত্বর আহত হাবিলদার মোঃ আকমল হোসেন (৫২) সিএমএইচ, ঢাকায় ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সে শার্শা উপজেলার পাঁচভুলট সীমান্তে টহলে নিয়োজিত ছিলেন (খুলনা ব্যাটালিয়ন ২১ বিজিবি) । যার ব্যচ নম্বর-৫০০৩২। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা এবং এক পূত্র সন্তান রেখে গিয়েছেন।

খুলনা-২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, হাবিলদার আকমল হোসেন গত ২৬ জুলাই রাত আনুমানিক ২ টায় পাঁচভুলট বিওপির একটি নিয়মিত টহল দলের দলাধিনায়ক হিসেবে সীমান্তের ১৭/৭ এস এর ৯৮ আর পিলারের সন্নিকটে চোরাচালান প্রতিরোধী টহলে নিয়োজিত ছিলেন। ঐ সময়ে দু’টি ভারী ব্যাগ হাতে দু’জন ব্যক্তি এবং আরো কয়েকজন ব্যক্তি টহল দলের দিকে আগুয়ান হতে থাকলে সন্দেহবশতঃ টহল কমান্ডার হাবিলদার মোঃ আকমল হোসেন তাদেরকে থামার সংকেত দেন।

কিন্তু আগুয়ান প্রথম ব্যক্তি না থেমে আকস্মাৎ তার হাতে থাকা ব্যাগটি সজোরে হাবিলদার আকমলের দিকে নিক্ষেপ করে দৌঁড়ে পলায়ন কালে ব্যাগে রক্ষিত হাতবোমা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এর ফলে বোমার স্পিন্টারের আঘাতে হাবিলদার আকমলের সমগ্র শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়। একটি স্পিন্টার তার বাঁ চোখের কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্থ করে মস্তিস্কে ঢুকে যায়। আশঙ্কাজনকভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে অতিদ্রুত যশোর সিএমএইচ-এ প্রেরণ করে।
গত ২৭ জুলাই সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকা সিএমএইচ-এ প্রেরণ করা হয়। সেখানে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট লালচাঁন্দ চা বাগানে একদল ডাকাত ডাক বাংলোতে ডাকাতি করেছে। ডাকাতের হামলায় নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। ২৮ জুলাই রবিবার গভীর রাতে এঘটনাটি ঘটেছে। আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডাকাত দলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন ম্যানেজার মোফাজ্জল হোসেন (৫৫), তার স্ত্রী আফরোজা বেগম লিপি (৪৮) ও কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মালিয়া হোসেন লিপি (১৮)। জানা যায়, ১০/১২ জনের ডাকাত দল প্রথমে বড় বাংলোতে হানা দেয়।
বাংলোর মুল গেট ভেঙে ডাকাতদল ঘরে ঢুকে ম্যানেজার মোফাজ্জল হোসেনের কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে অস্ত্র ঠেকিয়ে
নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার দেওয়ার জন্য দাবি জানান। এসময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার দিতে না পারায়  ডাকাতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে মোফাজ্জল সহ তার স্ত্রী ও মেয়ে কে। এঘটনা পর পরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমাদের প্রাথমিক ধারণা ম্যানেজার মোফাজ্জল হোসেনের বাংলোতে কিছু না পাওয়ায় ডাকাত দল তাদের উপর হামলা করেছে। তিনি আরও জানান, ডাকাত দলের সদস্যদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc