Thursday 18th of July 2019 03:09:15 PM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে তাহিরপুর উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার প্রায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত সাধারণ মানুষজন পানি বন্দী হয়ে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। এ সমস্ত পানি বন্দী মানুষের পাশে গিয়ে দিন রাত সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর সহ বিভিন্ন সহায়তায় পাশে দাড়িয়েছেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল। তিনি গত ৪দিন ধরেই তাহিরপুর উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে পানি বন্দি মানুষের খোঁজখবর রাখছেন। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ত্রান সহায়তা প্রদান করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদীগুলোর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র,হাট-বাজার,নিন্মা লের অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়,গ্রামের বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়াও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে কর্মহীন হয়ে নিম্ন আয়ের মানুষরা বিপাকে পড়েছেন। এছাড়াও ঐসব এলাকার রাস্তাঘাট,জনপদ,হাট-বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ ও স্কুল সংলগ্ন এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না অভিভাবকরা। ফলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে গেছে।

করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন,টানা কয়দিনের বৃষ্টিতে তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গ্রামের মানুষ খুবই কষ্টে দিনপার করছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে পরিমান ত্রান দেয়া হচ্ছে তা খুবই কম। এছাড়াও তিনি জানান,পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক,তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়ক,বাদাঘাট-সোহালা,আনোয়াপু–র-ফতেহপুর সড়ক,বিশ্বম্ভরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক ও বাজারের সড়ক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ উপজেলা সীমান্তের বিভিন্ন সড়ক পানির তোরে ভেঙ্গে ও পানিতে ডুবে চলাচল বন্ধ রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে বিভিন্ন ইউনিয়নের। অসহায় পানি বন্দী মানুষগুলোকে বাঁচাতে ত্রানের পরিমান আরো বাড়াতে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট দাবি জানিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার সবগুলো প্রধান নদ-নদীসহ সীমান্ত নদীগুলোর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা,বিশ্বম্ভরপুর,তাহিরপুর,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা,দোয়ারাবাজার,জগন্নাথপুর,শাল্লা,দিরাই উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র,নিন্মা লের অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়,শতাধিক গ্রামের বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়াও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে কর্মহীন হয়ে নিম্ন আয়ের মানুষরা বিপাকে পড়েছেন। এছাড়াও ঐসব এলাকার রাস্তাঘাট,জনপদ,হাট-বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ ও স্কুল সংলগ্ন এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না অভিভাবকরা। ফলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে গেছে।
জানাযায়,পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক,তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়ক,বাদাঘাট-সোহালা,আনোয়াপু–র-ফতেহপুর সড়ক,বিশ্বম্ভরপুর-সুনামগঞ্জ,সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ,ছাতক,জগন্নাথপুর,দোয়ারা বাজারের সড়ক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ উপজেলা সীমান্তের বিভিন্ন সড়ক পানির তোরে ভেঙ্গে ও পানিতে ডুবে চলাচল বন্ধ রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে বিভিন্ন ইউনিয়নের। এছাড়াও তাহিরপুর উপজেলা থেকে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সাথে সড়ক পথে চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক ভূইয়া বলেন,গত ৪দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের প্রধান নদী সুরমা,যাদুকাটা,পাটলাই,কুশিয়ারা,চেলা,খাসিয়ামারাসহ সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার রিডিং অনুযায়ী সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৮৪সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গত ২৪ঘণ্টায় জেলায় ১৮৬মিঃমিঃ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত ও ঢল অব্যাহত থাকায় বন্যা হতে পারে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতোমধ্যে জেলা সদরের বিভিন্ন উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর-বিশ্বম্ভরপুর ডুবন্ত সড়ক গত ৪দিন ধরে ডুবে আছে। ফলে চলাচল বিগ্নিত হচ্ছে। তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট-তাহিরপুর সড়কও নিমজ্জিত হয়েছে। পানিতে ভেসে গেছে সদর উপজেলা,দোয়ারাবাজার,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শতাধিক পুকুরের মাছ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মৎস্যচাষিরা। ঢল ও বর্ষণ অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হবে বলে জানান তিনি।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল জানান,তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক একাধিক স্থানে ভাঙ্গন ও পানিতে ডুবে যাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষ গুলো ও জনজীবনে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য উপজেলায় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ধার টিম,শুকনা খাবার,ঔষধ,পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট,বন্যায় আশ্রয় কেন্দ্র,মেডিক্যাল টিম গঠনসহ সবকিছু প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং উপজেলার সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মস্থলে থাকে সর্তক অবস্থানে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ জানান,পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতি উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। তাছাড়া বন্যা মোকাবেলায় প্রশাসনের সকল প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা করে মাঠ প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বৈঠকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলায় ৩লক্ষ টাকা,২০০মেঃটন চাল এবং ৩হাজার ৮০০প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ আছে।

সামান্য বৃষ্টি হলেই অফিস কক্ষে আশ্রয় নিতে হয়  বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রীরা
এস এম সুলতান খান চুনারুঘাট থেকেঃ  দেওয়ালে ভয়ংকর ফাটল তিনটি শ্রেণি কক্ষের সব কটারই চালে ফুটো সামান্য বৃষ্টি হলেই ক্লাস বর্জন করে বই খাতা নিয়ে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আশ্রয় নিতে হয় শিক্ষার্থীদের। বাহির থেকে দেখলে মনে হয়না এটি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেখানে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে বাজেটে কোনো কৃপণতা করছে না সেখানে চুনারুঘাট উপজেলার পড়াঝার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি শ্রেণি কক্ষের চালেই রয়েছে ছোট বড় অনেক গুলো ফুটো। বৃষ্টির পানি বন্ধ করতে টিনের বদলে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশের তরজা। দেওয়ালের ফাটলের দিকে তাকালে ভয় লাগে হালকা ভূমিকম্পেই বুঝি ধসে পড়ে।
উপজেলা জুড়ে যত গুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে পড়াঝার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেন সব গুলোর চেয়ে ভিন্ন। এখানে ১১৮ জন শিক্ষার্থী ও ৫জন শিক্ষক থাকলেও এর পারিপার্শ্বিক আসয় বিষয় দেখার যেন কেহই নেই। এমনকি এখানে কোনো ম্যানেজিং কমিটিও নেই প্রায় গত ২ বছর ধরে। এডহক কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে কাচুয়া ক্লাস্টারের আওতাধীন এ বিদ্যালয়টি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাত আফরোজ বলেন, তিনি উক্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন এখনো ১ বছর হয়নি। গত ১৬ মার্চ তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা উল্লেখ করে তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। কাচুয়া ক্লাস্টারের দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খুরশেদ আলমের সাথে বিষয়টি নিয়ে ফোনে কথা বললে তিনি জানান, গত ১ মাস আগে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেছেন। এখনো তিনি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন নি। তবে, অচিরেই তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রমিজ উদ্দিন আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করে হলে তিনি বলেন,
এ ব্যাপারে এর আগে কেউ তার সাথে যোগাযোগ করেনি। যেহেতু তিনি ব্যাপারটি জেনেছেন তিনি আজই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন সাপেক্ষ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে যা করণীয় তা করার তার যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন।
বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়টির গৃহ সংস্কারের ব্যাপারে তার চেষ্টা রয়েছে।  ইতিমধ্যেই তিনি বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার ৫০ হাজার টাকা ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে দিয়ে দিয়েছেন যা থেকে ফুটো টিন গুলো পাল্টিয়ে নিতেও বলে দিয়েছেন। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জরুরি ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করার পরামর্শও দিয়েছন। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ড থেকে বরাদ্দের সুপারিশও করেছেন। অচিরেই তিনি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে এর সকল সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবেন।

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,ঠাকুরগাঁওঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বৃহস্পতিবার সকালে পীরগঞ্জ হতে ঠাকুরগাঁও গামী সরুচী এন্টারপ্রাইজ মিনিবাসের কবলে পড়ে চাঁদ গাও গ্রামের মোঃ ভুবন আলীর পুত্র মোঃ রমজান আলীর  (২৬)  মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই  তিনি মারা যান।
জানা যায় পীরগঞ্জ থেকে  ঠাকুরগাঁও যাওয়ার পথে পিছন থেকে সুরুচি মিনিবাসের ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল চালক রমজান আলীর বাসের চাকা চড়িয়ে দিয়ে চলে যায়।সে সময় সংবাদ পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে  ময়না তদন্তের জন্যে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

সফিকুল ইসলাম শিল্পী,রানীশংকৈল প্রতিনিধিঃ  আমাদের সাপুড়ে তোঁতা মিয়ার কথা নিয়ে সাধারণ লোক মুখে শুধু এখন সম্ভবনাহীন একটি গাঢ় অন্ধকার প্রতিচ্ছবি! তোঁতা মিয়ার কিছু সাপ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত এবং বাকী সাপগুলোকে হত্যা না করে, উপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষন করার জন্য বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে আহবান জানিয়েছে পরিবেশ বিশেষজ্ঞগণ। ১৯ নভেম্বর ২০০৭, সোমবার, ৩:৩০ মিঃ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) মিলনায়তনে পবা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইল্ড লাইফ রেসকিউ সেন্টার এবং ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাষ্ট বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে বন্যপ্রাণী সংশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ‘বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণের আলোকে সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী পালন ও খামার স্থাপনের নীতিমালা’ বিষয়ক গোল-টেবিল বৈঠকে এ আলোচনা হয়।

যেমন আকাশটা নীল হয়, রঙ বদলায় । সাত রঙ এ ভরিয়ে যায় প্রকৃতি । ছোট ছোট মেধা,শ্রম আর ভালবাসা গুলো একসময় ভবিশ্যতে বড় কিছু হবার স্বপ্ন দেখে। আর সে সপ্নকে লালন করে পর্যটকদের ২০০৭ সালে সেদিনও খেলা দেখাচ্ছিলেন আমাদের তোঁতা মিয়া। একটু অসতর্কতায় হঠাৎ করেই একটি সাপ ছোবল দিয়ে বসে তার ডান হাতে। উপস্থিতি সবাই বুঝতে না পারলেও তোঁতা মিয়া বুঝেছিলেন কি ঘটছে এবং কি ঘটতে যাচ্ছে তার জীবনে। হয়ত জীবনে অনেকবার সাপের ছোবল খেয়েছেন। কিন্তু কে জানতো এটাই তোঁতার জীবনে সাপের শেষ ছোবল! গত কয়েক বছর আগে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী এলাকার তোঁতা মিয়ার সাপের কামড়ে মৃত্যু এবং খামারের বেশ কিছু সাপ না খেতে পেয়ে মারা যাওয়ায় এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ, পরিবেশবীদ, এলাকাবাসী সহ সারা দেশের মানুষের মাঝে এ খবরটি আলোড়ন সৃষ্টি করে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় তোঁতা মিয়ার মৃত্যুর পর কিছু সাপ চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর ও অবশিষ্ট সাপ হত্যা করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। আলোচকগণ সরকারের কিছু সাপ সংরক্ষনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন, বাকী সাপগুলোকে উপযুক্ত পরিবেশে সংক্ষনের আহবানও জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন ‘বাংলাদেশে অনেক প্রজাতির সাপ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, এ সাপগুলোকে সংরক্ষন করা হলে এগুলো একসময় প্রাকৃতির তধা দেশেরে সম্পদ হবে। পাশাপাশি এ ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদকে ধ্বংস না করে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা প্রয়োজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন। সে সময় পরিবেশ বিশেষজ্ঞগণ বলেন, বন্যপ্রানীর খামার তৈরির অনুমোদন প্রদান করা হলে বন্য প্রাণী ধ্বংস হতে পারে। তারা বন্যপ্রাণীর খাবার স্থাপনের অনুমোদন প্রদান না করার আহবান জানিয়েছিলেন। সাপুড়ে তোঁতা মিয়ার বাড়ি ছিল ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী বাজারে। বাংলাদেশে তিনিই প্রথম সাপের খামার করেছিলেন। বিভিন্ন ধরণের সাপের সংগ্রহ ছিল তার কাছে। প্রাকৃতিক ভাবে সাপের প্রজনন ঘটিয়ে সাপের বাচ্চা উৎপাদন করতেন। সেই সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় বেশ কয়েকবার শিরোনাম হযেছিল তার এই সাপের খামারের খবর। খামারটি এক পলক দেখার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন জাযগা থেকে অনেক মানুষ ছুটে আসতেন। দেশের বাইরে থেকেও আসতেন অনেক পর্যটক। তার এই সাপের খামারটি হয়েছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের গবেষণার বিষয়বস্তু।

ঠাকুরগাঁওয়ের সাপের খামারি তোঁতা মিয়ার নাম শোনেননি এমন মানুষ অন্তত ঠাকুরগাঁওয়ের কমই আছে। দেশের একমাত্র সাপের খামারি ছিলেন তিনি। অসংখ্যবার খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন তিনি ও তার খামার। দেশ বিদেশের অসংখ্য পর্যটক ছুটে আসতেন এক নজর দেখার জন্য! কথায় বলে সাপুড়িয়ার মৃত্যু নাকি সাপের দংশনেই হয়।তোঁতা মিয়ার ক্ষেত্রে তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিলো। দীর্ঘদিন ধরে তার তিলে তিলে গড়ে তোলা খামার বাণিজ্যিক ভাবে বিষ সরবরাহের আগেই এক ছোবলেই সব শেষ।অন্যান্য দিনের মতো ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী বাজারে দেশের একমাত্র সাপের খামার তোঁতা মিয়ার বাড়িতে মিডিয়াসহ অনেকেই ভিড় করছিলেন।সাপের খেলা দেখে খুশি হয়ে যে যা দেয় সেটা আর তার কষ্টের টাকা দিয়েই খাবার জোগাতেন সাপের।খেলা দেখাতে গিয়ে এটাই তার জীবনের সাপের শেষ ছোবল ছিল! সেই দৃশ্য ভিডিওতেও ধরা পড়ে। এতে দেখা গেছে তিনি দ্রুত তার স্ত্রীকে দিয়ে হাতে বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হন। বিষক্রিয়া কমে না যাওয়ায় দুদিন পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তোঁতা মিয়া।

তার মৃত্যুর তিন দিন পর কামরুপ কামাক্ষা থেকে একদল সাপুড়িয়া এসেছিল শেষ চেষ্টা করতে। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার দরুণ তাদেরকে লাশ তোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেসময় তার সংগ্রহে ছিলো কমপক্ষে তিন হাজার সাপ ও সাপের বাচ্চা। প্রাকৃতিকভাবে সাপের প্রজনন ঘটিয়ে সাপের বাচ্চা উৎপাদন করতেন তোঁতা মিয়া। তার এই সাপের খামারটি হয়েছিল চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের গবেষণার বিষয়বস্তু। তোঁতা মিয়ার মৃত্যুর পর পরিচর্যার অভাবে সাপসহ অনেক সাপের বাচ্চা মারা যায়।কিছু সাপ ঢাকা চিড়িয়াখানায় স্থানান্তরিত করা হয় ও কিছু সাপ চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগ নিয়ে যায়। ঠাকুরগাঁওয়ের খবরের সন্মানিত পাঠকদের জন্য তোঁতা মিয়ার জীবনের শেষ খেলা দেখানোর মূহুর্তে সাপের ছোবল দেবার দৃশ্য শেয়ার করা হলো।এটাই ছিল তার জীবনের শেষ সময়। তোতা মিয়ার সকল সাপ উপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষন এবং বন্যপ্রানীর খামার তৈরির অনুমতি শেষ পর্যন্ত পাইনি।
তোঁতার মৃত্যুর পর সাপ সহ কয়েক হাজার সাপের বাচ্চা মারা যায়, কিছু সাপ ঢাকা চিড়িয়াখানায় স্থানান্তরিত করা হয় ও কিছু সাপ চট্টগ্রাম ভার্সিটির প্রাণীবিদ্যা বিভাগ নিয়ে যায়। বেঁচে থাকতে সরকার তার সাপের খামার নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করতেন। তার সাপের খামারের বিষ দিয়ে জমিতে রাসায়নিক বিষ হিসেবে কাজে লাগানোর কথা জানা যায়। তবে বর্তমান কেউ খবর রাখেনা তার পরিবারের। অভাবের জ্বালা সহ করতে না পারায় দ্বিতীয় সংসার করতে বাধ্য হয় তোঁতা মিয়ার স্ত্রী জোসনা বেগম।জোসনা বেগম জানান, আমার স্বামীর খোঁজ খবর রাখতেন মারা যাওয়ার পর কেউ আমাদের খোঁজ খবর না। খুব কষ্টে দিন কাটছে আমাদের। প্রতিবেশী কবির বলেন, ভিটে মাটিতে কেউ থাকে না,তোঁতা’র এক ছেলে এক মেয়ে সহ নওগাঁ’র বাপের বাড়িতে থাকে জোঁছনা বেগম।

এম ওসমান, বেনাপোল : যশোরের বেনাপোল পুটখালী সীমান্তে ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র গুলিতে ইসরাফিল হোসেন (৩০) নামে এক গরু রাখাল গুরুতর জখম হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১জুলাই) ভোর ৪ টায় বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আংরাইল সীমান্তে সে গুলি বিদ্ধ হয়।
আহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, গুলিতে আহত ইসরাফিল হোসেনসহ কয়েকজন যুবক সীমান্ত পথে ভারত থেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল। এসময় পুটখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আংরাইল ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ইসরাফিল গুলি বিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকে। পরে সীমান্ত থেকে বিজিবি সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র খুলনা-২১ ব্যাটালিয়নের পুটখালী ক্যাম্পের সু্বদোর মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহত গরু ব্যবসায়ীকে শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারা চিকিৎসা শেষে সকাল ৯টায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
আহতের মা জাহানারা বেগম জানান, তার ছেলে ট্রাক চালায়। ক’দিন ধরে কাজ ভাল না থাকায় ভারতে গরু আনতে গিয়েছিল। ফেরার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে গুলি করে। জানতে পেরেছি বিজিবি তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিচ্ছে।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী মেডিবেল অফিসার নিজামুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিজিবি সদস্যরা ইসরাফিল নামে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তার বাম হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

চুনারুঘাট থেকেঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের আয়োজনে চুনারুঘাট উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মোস্তফা শহীদ অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আহমেদ ইকবালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আবিদা খাতুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান মহালদার, পৌর মেয়র নাজিম উদ্দিন শামছু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: মোজাম্মেল হোসেন, মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচএফপি) ডা: জান্নাতুল ফেরদৌস তালুকদার, ডা: সিরাজুম মুনিরা, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জুলাস মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু, চুনারুঘাট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিদ আহমদ চৌধুরী।

সভায় বক্তব্য রাখেন- মুসলিম উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, ইয়াছমিন আক্তার। সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনায় শ্রেষ্ঠ হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ পান- ৩/খ ইউনিট আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের জহুরা আক্তার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা সুহেনা খাতুন, সাটিয়াজুরী, শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো: কামরুল ইসলাম, দেওরগাছ, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু, আহম্মদাবাদ ইউপি, শ্রেষ্ঠ এসএসিএমও মুসলিম উদ্দিন, দেওরগাছ, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, সাটিয়াজুরী, শ্রেষ্ঠ বেসরকারি সংস্থা, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, উবাহাটা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য সংবর্ধনা, ইউএসএআইডি’র মা-মনি, এনএনসিএসপি, সীমান্তিক, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ছেলেধরার গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আবু তৈয়ব মুহাম্মদ মুজিবুল হক নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ভুজপুর থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানাধীন সুয়াবিল টেক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

আটক মুজিব সুয়াবিল টেক এলাকার হযরত আবদুল মালেক শাহ (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক।

শেখ আবদুল্লাহ বলেন, ‘মুজিবুল হক দুই-তিন দিন আগে তার ফেসবুকে ছেলে ধরার নিয়ে গুজব প্রচার করছিলেন। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় বিকালে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এখন তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ না দিতে পারলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।’বাংলা ট্রিবিউন

সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেটসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের একটি সুত্রে জানা গেছে,গত কাল বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ অবনী শংকর কর এর নেতৃেত্ব এসআই মোঃ কামরুল আলম এবং এক দল পুলিশ  থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২৫০ বক্সে ৫০০০০ পিস আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট মুল্য ১২৫০০০ টাকা ও বহনকাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারসহ নুরুল ইসলাম নামে একজনকে আটক করেন।

এ সময় তার সহযোগি আরও দুইজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তিন জনকে আাসামি করে এবং অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ অবনী শংকর কর সংবাদ মাধ্যমে জানান “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান আছে।”

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাটে শহিদ হালিম দিবস ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাবেক সহ সভাপতি, হবিগঞ্জ জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের উপদেষ্টা ও  চুনারুঘাট উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা আতের সাধারন সম্পাদক  পীর মাওলানা মুফতি ছালেহ আহমদ তালুকদারের অকাল মৃতুতে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনা চুনারুঘাট উপজেলা শাখার উদ্দোগে গতকাল বুধবার বিকালে স্থানীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল  অনুষ্টিত হয়।
ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মুফতি মোঃ মুসলিম খান। বিশেষ অতিথি উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারন সম্পাদক মাওঃ মোঃ ইয়াকুত মিয়া, উপজেলা যুবসেনা সভাপতি শফিকুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক এস এম সুলতান খান, জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি নুর উদ্দিন ইবনে মালেখ, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ মামুনুর রশিদ, সাবেক জেলা সহসাধারন সম্পাদক আব্দুল আউয়াল সুমন, উপজেলা সহ সভাপতি মোঃ হেলাল  উদ্দিন জাবেদ , সাধারন সম্পাদক আবু তাহের মিছবাহ্, পৌর সভাপতি মোঃ আবু তাহের, উপজেলা সাংগটনিক সম্পাদক মোঃ লোকমান চৌধুরী প্রমূখ।
সভায় মরহুম মুফতি ছালেহ্ আহমদ ও শহিদ আব্দুল মোস্তফা হালিমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ শরিফ ও মোনাজাত করা হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc