Wednesday 16th of October 2019 06:07:13 PM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলা বিএন‌পির সা‌বেক সহ সভাপ‌তি ও তা‌হিরপুর উপ‌জেলা প‌রিষদের সা‌বেক চেয়ারম্যান আ‌নিসুল হ‌কের বহিষ্কারা‌দেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি। সম্প্র‌তি আ‌নিসুল হক ব‌হিষ্কারা‌দেশ প্রত্যাহা‌রের আ‌বেদন কর‌লে কেন্দ্র তা গ্রহণ ক‌রে।সোমবার কেন্দ্রীয় বিএন‌পির উপ দফতর সম্পাদক বেলাল আহ‌মেদ সাক্ষ‌রিত এক সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এতথ্য জানা‌নো হয়। আ‌নিসুল হক ছাড়াও দে‌শের বি‌ভিন্ন জেলার বেশ ক‌য়েকজন নেতার ব‌হিষ্করা‌দেশ প্রত্যাহার করা হয়ে‌ছে।
ব‌হিষ্করা‌দেশ প্রত্যাহা‌রের ফ‌লে আ‌নিসুল হ‌কের বিএন‌পির রাজনী‌তি‌তে স‌ক্রিয় হ‌তে আর কোন বাঁধা থাক‌লো না। এই সংবাদ প্রকাশিত হলে তার সমর্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। কারন আ‌নিসুল হক বিএনপির দূদিনে পাশে ছিলেন দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে। রেখেছেন সকল বিপদ থেকে আগলে। এছাড়াও দলীয় সকল কার্যক্রম পালন করেছিলেন বলে সবার মানের মধ্য মনি হয়ে রয়েছিলেন তিনি।
সর্ব‌শেষ উপ‌জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে বিএন‌পি কেন্দ্রীয়ভা‌বে সিদ্বান্ত নেয় নির্বাচ‌নে অংশ না নেয়ার। সিদ্বান্ত ‌দে‌শের সব ইউ‌নিট কে জানায় কেন্দ্র। কিন্তু কে‌ন্দ্রের সিদ্বান্ত না মে‌নে তৎকালীন জেলা বিএন‌পির সহ সভাপ‌তি আ‌নিসুল হক নির্বাচ‌নে অংশগ্রহণ ক‌রেন। সিদ্বান্ত না মানায় দলীয় শৃঙ্খলা ভ‌ঙ্গের অ‌ভি‌যো‌গে নির্বাচ‌নের আগেই আ‌নিসুল হকসহ সুনামগঞ্জ জেলার বেশ ক‌য়েক জন‌কে ব‌হিষ্কার ক‌রে কেন্দ্র।
আনিসুল হক নি‌জেই ব‌হিষ্করা‌দেশ প্রত্যাহা‌রের বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকে দরিদ্র মায়েদের মধ্যে শাড়ী ও আয়রন ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের নারী উন্নয়ন ফোরাম কর্তৃক নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রসবকৃত দরিদ্র মায়েদের মধ্যে বিতরণের জন্য শাড়ী এবং প্রাইভেট সিএসবিএদের মাধ্যমে দরিদ্র মায়ের মধ্যে বিতরণের জন্য আয়রন ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে।

ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের আয়োজনে শাড়ী ও আয়রন ট্যাবলেট বিতরণ অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান,সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু তালেব,ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ এজাজুল ইসলাম প্রমুখ।

ওরাকল বিসিএস কর্তৃক ৩৯তম বিসিএস ক্যাডারদের সফলতায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ৩৯তম বিসিএস পরীক্ষায় ওরাকল বিসিএসের ঢাকাস্থ শাখাগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৭১৯ জন শিক্ষার্থী সাফল্যলাভ করায় শিক্ষার্থীদের এ সংবর্ধনা দেয় ওরাকল বিসিএস।

মঙ্গলবার বিকাল চারটায় জাতীয় জাদুঘর অডিটোরিয়ামে ওরাকল বিসিএসের প্রধান ব্যবস্থাপক হাসান কবির খানের পরিচালনায় ও ওরাকল বিসিএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিবুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা: অধীর কুমার দাস,বিশেষঅতিথি ছিলেন  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্মসচিব এইচ.এম. আফজাল হোসেন,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক আলাউদ্দিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

এসময় বক্তারা ৩৯তম বিসিএস ক্যাডারদের  উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের সাফল্যের অংশীদার হতে পেরে ওরাকল বিসিএস আনন্দিত ও গর্বিত। বিসিএস ক্যাডার হওয়া জীবনের সবচেয়ে বড় জয় নয়, একজন ভালো মানুষ হওয়াই প্রকৃত জয়।আশা করি আপনারা চাকুরী জীবনে সৎ থাকবেন এবং অসহায় দরিদ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর পাশে থাকবেন।সামনে আপনাদের যে সোনালী কর্মময় জীবনের অভিষেক হতে যাচ্ছে,সেই কর্মময় জীবন সুন্দর ও সুখময় হোক”প্রেস বার্তা

এম ওসমান,বেনাপোলঃ যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৩পিস সোনার বারসহ নাজমুল ইসলাম (৩৪) নামে এক সোনা পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা।
‌মঙ্গলবার বিকালে বেনাপোল পোর্ট থানার শিকড়ী বটতলা থেকে ১কে‌জি ১৬৯ গ্রাম সোনাসহ তাকে আটক করে।
আটককৃত পাচারকারী নাজমুল বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামের আ‌তিয়ার রহমানের ছেলে।
বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবির)’র যশোর- ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সে‌লিম রেজা বলেন, গোপন সংবেদের ভি‌ত্তিতে বেনাপোলের শিক‌ড়ি বটতলা এলাকায় অ‌ভিযান চা‌লিয়ে ১কে‌জি ১৬৯ গ্রাম স্বর্নসহ এক পাচারকারীকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনার মুল্য ৫২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
উদ্ধারকৃত স্বর্ন ও পাচারকারীকে বেনা‌পোল পোর্ট থানায় সৌপোর্দ করা হয়েছে।ো

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাবেক সহ সভাপতি, হবিগঞ্জ জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের উপদেষ্টা ও  চুনারুঘাট উপজেলা  ইসলামী ফ্রন্ট নেতা ও  আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সাবেক সাধারন সম্পাদক,  গোগাউড়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন এবং  পীর মাওলানা মুফতি ছালেহ আহমদ তালুকদার (৫৫) গতকাল মংগলবার সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তিনি  স্ত্রী  ২ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্তীয় স্বজন রেখে গেছেন। ঐদিন বিকাল ৬ টায় তার প্রতিষ্টিত, গাউছিয়া নুরীয়া ও আ’লা হযরত একাডেমী  মাঠে নামাজে জনাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাপন করা হয়।

জানাজায় শত শত আলেম ও হাজারো মানুষের উপস্থিত হয়। ইমামতি করেছেন পীরে তরিকত আল্লামা আব্দুল করিম ছাহেব কিবলা সিরাজনগরী (মাঃআঃ)।

উপস্তিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাদির লস্কর, ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী, মাওলানা ছোলাইমান খান রাব্বানী, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব শামীম আহমদ,  ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান মহালদার, মাওঃ এ কে আফছার আহমদ,ইসলামী ফ্রন্ট জেলা সহসভাপতি কাজী মাওঃ আবুল খায়ের শানু, সাধারন সম্পাদক বিএসসি জাহেদুল ইসলাম, জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এর সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম, শেখ ফারুক আহমদ, উপজেলা সাধারন  সম্পাদক  মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম তরফদার, এডঃ নাজমুল ইসলাম বকুল, আলহাজ্ব আব্দুল জাহির মেম্বার, মাওঃ শেখ মুশাহিদ আলী, উপজেলা যুবসেনা সভাপতি শফিকুল ইসলাম তালুকদার, রিপন ফরাজী, সৈয়দ আবু নাঈম হালিম, উপজেলা ছাত্রসেনা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমূখ।

“একত্ববাদীদের প্রথম ইবাদত কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা মানব জাতির আদি পিতা হযরত আদম (আঃ)”

আজ হতে প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগে ৫ জ্বিলহজ মহান আল্লাহর নির্দেশে মহান নবী হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও তাঁর প্রথম পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) মক্কায় পবিত্র কাবা ঘর পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করেন।এটিই ছিল একত্ববাদীদের প্রথম ইবাদত কেন্দ্র যা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রথম মানব মানব জাতির আদি পিতা হযরত আদম (আঃ)

এর এক হাজার ১৮৭ বছর আগে হযরত নুহ (আ)’র যুগ সংঘটিত মহাপ্লাবনে ধ্বংস হয়ে যায় এই পবিত্র কাবা ঘর। বন্যার ফলে কিউব বা চারকোনা আকৃতির এই ঘর লাল বর্ণের একটি ঢিবিতে পরিণত হয়েছিল। পবিত্র হজরে আসোয়াদ বা কালো পাথরটি উদ্ধার করা হয় নিকটবর্তী আবু কুবাইস পর্বত থেকে। পিতা ও পুত্র এ পাথরটি স্থাপন করেন কাবার এক কোনায়।

পুত্র ইসমাইলকে নিয়ে কাবাঘরের ভিত্তি গড়ে তোলেন হযরত ইব্রাহিম (আঃ)। এ প্রসঙ্গে সুরা বাকারার ১২৭ নম্বর আয়াতে এসেছে: স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাইল কা’বা ঘরের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ হে পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে (এ কাজ) কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।

পবিত্র কাবা ঘর মুসলমানদের ইবাদতের কেবলা। এমন কোনো সেকেন্ড বা মুহূর্ত নেই যখন মুসলমানরা মহান আল্লাহর এই প্রতীকী ঘরের দিকে মুখ করে মহান আল্লাহর উদ্দেশে রুকু ও সিজদা করছেন না।  পবিত্র কাবা ঘরের ভেতরে জন্ম-নেয়া একমাত্র ব্যক্তি হলেন আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (রাঃ)। সুত্র পার্সটুডে  থেকে নেওয়া ও কিছুটা সম্পাদিত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন রাজধানীর তিন সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত রিকশাচালকদের নগর ভবনে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন । একই সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে নগরীতে সুশৃঙ্খল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালায় এ আহ্বান জানান ডিএসসিসি মেয়র।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাঈদ খোকন বলেন, তাদের যদি কোনো কথা বা দাবি থাকে, আমরা সেগুলো শুনবো। আমি তাদের নগর ভবনে চায়ের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আলোচনার মাধ্যমে আমরা সমাধানের পথ বের করবো।

তবে দুই রুটের তিন সড়কে রিকশাচলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, যে সড়কগুলোতে রিকশা বন্ধ করা হয়েছে সেখানে যাত্রী বা নাগরিকদের তেমন একটা ভোগান্তির চিত্র দেখা যায়নি। নগরবাসীর চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক গণপরিবহন রয়েছে। এছাড়া আমরা পরীক্ষামূলকভাবে টিকিট সিস্টেম ফ্রাঞ্চাইজির বাস চালু করতে যাচ্ছি। পথচারীদের হাঁটার সুবিধার জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করছি। তাই এসব রুটে ফের রিকশা চলবে তেমনটা আপাতত আমরা মনে করছি না। তবুও সাতদিন পার হলে আমাদের কমিটির (ঢাকা ট্রাফিক কন্ট্রোল অথরিটি-ডিটিসিএ) সঙ্গে পুনরায় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।

গত রোববার থেকে রাজধানীর দুই রুটের তিন সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো রামপুরা রুটে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন রিকশাচালকরা।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ এবং বিশ্ব ব্যাংকের রিজিওনাল ডিরেক্টর জন রুম। এছাড়াও সভায় বাস রুট রেশনালাইজেশন বিষয়ে গঠিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

রাজধানীর কয়েকটি সড়কে রিকশাচলাচল বন্ধ করার ঘোষণায় মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন রিকশাচালকরা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন রাজধানীবাসীসহ ঢাকায় আগত নাগরিক।

শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি এলাকা থেকে রোববার দিবাগত রাতে পুলিশের হাতে গাঁজাসহ একজনকে আটক করা হয়।

পরে শ্রীমঙ্গল থানা সুত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫নং কালাপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য অমৃত সিং ছৈত্রী (৪৬)। তার  পিতার নাম, মৃত বসন্ত সিং ছৈত্রী, সাং- মাইজদিহি চা বাগান (৯নং লাইন), থানা শ্রীমঙ্গল, জেলা মৌলভীবাজার। এসআই অনীক বড়ুয়ার নেতৃত্বে এএসআই ইমাম হোসাইন, এএসআই সাকির হোসেনসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাইজদিহি চা বাগানস্থ ৯নং লাইনের তাহার বাড়ির সম্মুখ হইতে ৫ কেজি গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করেন।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুছ ছালেক বলেন, গ্রেফতারকৃত ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য স্থানীয়দের সুত্রে মোবাইল ফোনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনার রাতে আমার সিলেটকে জানান দু’ই বস্তা গাঁজাসহ অমৃত মেম্বারকে পুলিশ আটক করেছে তবে তারা এর পক্ষে কোন প্রমান দিতে পারেনি।

এ  ছাড়াও এতিম যুবকসহ দরিদ্র পরিবারের ২ কন্যা

ফারুক মিয়াঃ   ‘কনস্টেবল পদে উত্তীর্ণ ৯৭ জনের কারো বাবা কৃষক, শ্রমিক, কারো বাবা আইসক্রীম বিক্রেতা, ফল বিক্রেতা, কারো বাবা মিস্ত্রী। আবার কারো বিধবা মা শ্রমিকের কাজ করে সন্তানকে মানুষ করেছে। কেউ আবার নিজেই টিউশনি করে বা শ্রমিকের কাজ করে অথবা ভ্যান চালানোর পাশা-পাশি চালিয়েছে পড়াশুনা। এরা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও মেধার দিক দিয়ে এগিয়ে। এদের চোখে আছে দেশ সেবার স্বপ্ন। এরা অদম্য, চায় শত বাঁধার মুখেও এগিয়ে যেতে। এরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হতে চায়’।

কথা গুলো বলেছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

গত রবিবার বিকেল ৪ টায় পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত ২০১৯ সালে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় চুড়ান্ত উত্তীর্ণদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত কথা বলেন তিনি। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলামের পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘পুলিশ সদর দপ্তর হতে আগত ২ জন পর্যবেক্ষক, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা হতে আগত ২ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং আমার সমন্বয়ে গঠিত নিয়োগ বোর্ডের শ্রম, ধৈর্য্য ও মেধার ফসল উত্তীর্ণ এ প্রার্থীরা।

প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইন্সপেক্টর জেনারেল, ডি.আই.জি ও অতিরিক্ত ডি.আই.জি’র প্রেরণা আমাদেরকে সাহস জুগিয়েছে। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। উত্তীর্ণদের জন্য দোয়া ও আশির্বাদ করছি, তারা যেন ভবিষ্যতে কর্মস্থলে ন্যায় ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারে’। সংবাদ সম্মেলনে উত্তীর্ণদের অনেক অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকরা প্রধানমন্ত্রী এবং পুলিশ সুপারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে উত্তীর্ণদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই হতে ৭ জুলাই পর্যন্ত ২০১৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার পথ পরিক্রমা পাড়ি দিয়ে হবিগঞ্জ জেলা থেকে বিভিন্ন কোটায় কনস্টেবল পদে ৯৭ জন নারী-পুরুষ চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন।

এদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা পুরুষ কোটায় ২৯ জন, মুক্তিযোদ্ধা নারী কোটায় ৪ জন, সাধারণ পুরুষ কোটায় ২০ জন, সাধারণ নারী কোটায় ৩৪ জন ও অন্যান্য কোটায় ১০ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে রয়েছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমবাগ গ্রামের মৃত দুর্গা চরন দেবের দরিদ্র দুই জমজ কন্যা রুমা রানী দেব ও রুনা রানী দেব। এ ছাড়াও চুনারুঘাট উপজেলার আব্দুর রহিমপুর গ্রামের অন্ধ কদ্দুছ আলীর পুত্র সুমন আহমেদসহ ২ জন এতিম যুবক।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc