Thursday 18th of July 2019 02:42:34 PM

বেনাপোল থেকে এম ওসমান : চলতি অর্থবছর (২০১৮-১৯) দেশের সর্ববৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ঘাটতি হয়েছে ১ হাজার ৪শ’ ৪৩ কোটি টাকা। তবে কাস্টমসের পরবর্তী সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ১শ’৮৫ কোটি টাকা হিসাবে এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৪৫ কোটি ।
বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্যের সঙ্গে সংশিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা বলছেন, বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, শুল্কফাঁকি ও পণ্য খালাসে হয়রানি বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব ঘাটতির কারণ। বাণিজ্য তদারকিতে নিয়োজিত সংস্থ্যা গুলোর মধ্যে পরস্পরের সমন্বয়ের অভাব। এতে ব্যবসায়ীরা এ পথ থেকে বাণিজ্যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে সরকার যেমন রাজস্ব আয়ে বাধাগ্রস্থ হয়েছে তেমনি লোকশান গুনেছেন ব্যবসায়ীরাও। বৈধ সুবিধা নিশ্চিত হলে আবার গতি ফিরবে বাণিজ্যে।
আর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন, শুল্কফাঁকি রোধে কড়াকড়ি আরোপ করায় আমদানি কমে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের বৈধ সুবিধাগুলো বাড়াতে কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
জানা যায়, দেশে ২৩ টি স্থলবন্দরের মধ্যে চলমান ১৩ বন্দরের সবচেয়ে বড় আর বেশি রাজস্ব দাতা বেনাপোল বন্দরের কাস্টমস হাউজ। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এ পথে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যে আগ্রহ বেশি। দেশে স্থলপথে যে পণ্য আমদানি হয় তার ৫ শতাংশ হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে।
১৯৭২ সাল থেকে এ পথে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক যাত্রা। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়ে থাকে। যা থেকে সরকারের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। বন্দরে আমদানি পণ্যের ধারণ ক্ষমতা ৪২ হাজার মে.টন কিন্তু এখানে সার্বক্ষণিক পণ্য থাকে প্রায় দেড় লাখ মে.টন। বর্তমানে বন্দরে ২৮টি পণ্যগার, ৮টি ওপেন ইয়ার্ড, একটি ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল, একটি রফতানি ট্রাক টার্মিনাল ও ১টি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের মাধ্যমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
২০১৭-১৮ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছিল ৪ হাজার ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এতে ঘাটতি ছিল ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা । এখানে ঘাটিত রয়েছে ১ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আজিম উদ্দীন বলেন, কাস্টমসে আমদানি পণ্য পরীক্ষণের নামে হয়রানি বেড়েছে। টাকা না দিলে নমুনা ঢাকায় ল্যাবরোটরিতে পাঠাতে চায়। পণ্য পরীক্ষণের ভাল ব্যবস্থা আর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজর থাকলে হয়রানি পোহাতে হতোনা। ঝামেলা এড়াতে এপথে আমদানি কমিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমদানি পণ্য কাস্টমস কর্তৃক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সুনিদিষ্ট কোন অভিযোগ ছাড়া আবার বিজিবি সদস্যরা তা আটক করেছে। সেখানে ২/৩ দিন পণ্য চালান আটকে থাকছে। আমদানি, রফতানি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিজিবি আর কাস্টমসের মধ্যে পরস্পরের সমন্বয় দরকার। এতেও লোকশানের কারণে বাণিজ্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে এ বন্দর দিয়ে সবাই ব্যবসা করতে চায়। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন সমস্যায় সুষ্ঠ বাণিজ্য বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে। সপ্তাহে ৭ দিন বাণিজ্য সেবা চালু থাকলেও ব্যবসায়ীরা তার সুফল পাচ্ছে না। বাণিজ্য প্রসার করতে হলে বৈধ সুবিধা প্রদান ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিকল্প নেই।
আমদানি রফতানি ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি আমিনুল বলেন, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন সমস্যা আর অনিয়মে বার বার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটছে। এতে পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছে অনেক ব্যবসায়ী। এখনও সাধারণ পণ্যগারে কেমিকেল পণ্য খালাস করা হয়। বহিরাগতরা অবাধে প্রবেশ করে বন্দরে। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল বন্দরের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। এখন এ বন্দর দিয়ে ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে ভয় পায়।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার জাকির হোসেন জানান, পণ্য চালান খালাসে পূর্বের চেয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বেড়েছে কাস্টমসে। শুল্কফাঁকি বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করায় কিছু ব্যবসায়ী এ বন্দর দিয়ে আমদানি কমিয়েছেন। বিশেষ করে রাজস্ব বেশি আসে এমন পণ্য চালান কম আমদানি হচ্ছে। এতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। শুল্কফাঁকির সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। ব্যবসায়ীদের বৈধ সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে তারা আন্তরিক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

বেনাপোল থেকে এম ওসমান: যশোরের বেনাপোল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চলাচল আগামী ২৫ জুলাই থেকে চালু হচ্ছে বলে জানালেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি বুধবার বিকেলে বেনাপোল রেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করবেন বলে তিনি জানান।
ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ চালু হলে ব্যবসা বাণিজ্যের পাশাপাশি পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াতের ব্যাপক সুবিধা হবে প্রতিদিন দেশের প্রত্যান্ত অ ল থেকে ভারতে ছয় থেকে সাত হাজার পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এই যাত্রীদের সিংহভাগ আসে ঢাকা থেকে। বেনাপোল থেকে পরিবহন সংকট, দৌলতদিয়া পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যাত্রীরা নানামুখি হয়রানির শিকার হয়। রেল চালু হওয়ায় সেই হয়রানি লাঘব হবে। থাকবে না কোন বিড়ম্বনা।

রেলটিতে ১০টি বগি থাকবে। তবে রেলের কোন নাম এখনও নির্ধারণ হয়নি। প্রাথমিকভাবে বেনাপোল এক্সপ্রেস, বন্দর এক্সপ্রেস ও ইছামতি এক্সপ্রেস এই তিনটি নাম পছন্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১০টি বগির ভিতর দুটি কেবিন, দুটি এসি চেয়ার ও বাকিগুলো চেয়ার থাকবে। কেবিনের ভাড়া প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২০০ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া এক হাজার টাকা ও নন এসি চেয়ার ভাড়া হবে ৫০০ টাকা। তবে এটি সামান্য কয়েকটি স্টপিজে থামানো হবে। এক কথায় ননস্টপ হিসেবে এ রেলটি চলবে।

মন্ত্রী বেনাপোলে আসলে তাকে সংবর্ধনা জানান, শার্শা উপেজলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি সভাপতি সিরাজুল হক মঞ্জু, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রহিম খলিল, অহিদুজ্জামান অহিদ, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, ভারত বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট চেম্বার অব কমার্সের বন্দর সাব কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, বেনাপোল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মহসিন মিলন, সাধারন সম্পাদক রাসেদুর রহমান রাসু সহ বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন সংগঠনের ব্যবসায়ী বৃন্দ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের কয়েকটি উপজেলার প্রধান সড়কের বিভিন্ন অংশ সম্প্রতি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তুরে ভেঙ্গে পড়েছে। প্রধান সড়ক ছাড়াও উপজেলার অভ্যন্তরিন সড়ক গুলো ভাঙ্গনের ফলে যানবাহন চলাচল কোন স্থানে বন্ধ রয়েছে। আবার চলাচল করতে গিয়ে চরম দূর্ভোগে পরেছে।
সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানাযায়,সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা,তাহিরপুর,ধর্মপাশা,বিশ্বম্ভরপুর,জামালগঞ্জ,দোয়ারাবাজার উপজেলার ২০কিলোমিটারে বেশী সড়ক,২৫টি ব্রিজ ও কালভার্টের সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে এসব উপজেলার লাখ লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
সম্প্রতি সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তাহিরপুর উপজেলায়। তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ ও তাহিরপুর-বাদাঘাট,আনোয়ারপুর-ফতেহপুর সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সীমান্ত সড়ক ও তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুর সেতুর এক কিলোমিটার সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় ধর্মপাশা-তাহিরপুর,বিশ্বম্ভরপুর,মধ্যনগর,কলমাকান্দা রুটে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। এউপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বারিক টিলা থেকে মধ্যনগড় থানার মহেশখলা পর্যন্ত সীমান্ত সড়কের ১২টি জায়গায় পাহাড়ী ঢলের কারণে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে এসব সড়ক দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। মানুষ পায়ে হেঁটে,নৌকায় চড়ে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করছেন।
এছাড়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা দূর্ঘাপুরে ১০০মিটার এলাকার পাহাড়ী ঢলের পানিতে ডুবে যায় ফলে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বন্ধ থাকে। দোয়ারাবাজার-বাংলাবাজার,হালুয়ারঘাট-নারায়নতলা সড়কসহ পাঁচটি উপজেলার ১২টি সড়কে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিনকুল গ্রামের সাইফুল মিয়া,জাকেরিন বলেন,যাদুকাটা নদী দিয়ে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে আনোয়ারপুর ব্রিজের সংযোগ সড়কের এক কিলোমিটার অংশ ভেঙ্গে যাওয়া এই সকটি দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক দিয়ে তিনটি উপজেলার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
চাঁনপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম,লাকমা গ্রামের আল আমিন জানান,বারেকটিলা বংশীকুন্ডা সড়কের বেলাহ অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানে স্থাণে ভাঙ্গনের কারনে চলাচল করা একারেই দূর্ভোগ পোহাচ্ছি আমরা। তিছুই করার নেই জরুরী প্রয়োজনে উপজেলা ও জেলা সদরে যেতে হচ্ছে খুবেই কষ্ট করে পায়ে হেটে ও নৌকা দিয়ে।
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জানান,ভেঙ্গে যাওয়া সড়ক দ্রুত সংস্কার করা খুবেই প্রয়োজন না হলে জেলা শহরের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে সর্বস্থরের জনসাধারন। এখন চলাচলে চরম দূর্ভোগে আছে। এছাড়া উপজেলার তিনটি শুল্ক স্টেশনের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের চলাচল বিঘিœত হবে।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যার করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল জানান,সম্প্রতি কয়েকদিনের টানা বর্ষণ আর পাহাড়ী ঢলে আমার উপজেলার বিভিন্ন সড়ক বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমি এলাকার পরিদশনে গিয়ে দেখেছি মানুষ কত কষ্ট করছে। সড়ক পথে ভাঙ্গন মেরামত করা না হলে শিক্ষার্থীসহ সর্বস্থরের জনসাধারন খুবেই কষ্টের মাঝে থাকবে। গুরুত্বপূর্ন আনোয়ারপুর ব্রীজজের সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় জেলা শহরের সাথে এখন যানবাহন চলে চরম দূভোর্গে আছে সবাই। আমি আমার উপজেলার ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক গুলোর তালিকা তৈরী করছি। জনসাধারনের দূর্ভোগ লাগবে আমি আমার পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টায় আছি।

সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইকবাল আহমদ বলেন,সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুতই সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হবে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাক্কাবাড়ি গ্রামের প্রতিবন্ধী কিশোরী জোসনা আক্তার (১৬) কে ধর্ষণের পর জোসনার ৭ মাসের গর্ভ। অতঃপর লম্পট ইয়াকুত মিয়া বাবুর্চী জোসনার গর্ভ নষ্ট করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে লম্পট ইয়াকুত মিয়ার বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাক্কাবাড়ি একই গ্রামের মৃত কনা মিয়ার ছেলে ইয়াকুত মিয়া বাবুর্চী আসামপাড়া বাজারে তার একটি ডেকোরেটার্সের দোকান রয়েছে।

এ দোকানে একই গ্রামের দিনমজুরী প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা বদর মিয়া ও তার স্ত্রীসহ বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়ে জোসনাকে নিয়ে গত ৩ বছর ধরে দিনমজুরীর কাজ করত। এ সুবাদে লম্পট ইয়াকুত আলী বাবুর্চীর কুনজর পড়ে প্রতিবন্ধী কিশোরী জোসনার উপর। ইয়াকুত বাবুর্চী প্রতিবন্ধী কিশোরীকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষন করে। একপর্যায়ে জোসনা ০৭ মাসের গর্ভবতী হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে জোসনার মা-বাবা এলাকাবাসীর মাঝে গর্ভের বিষয়টি জানাজানি হলে তারা লম্পট ইয়াকুতকে প্রতিবন্ধী জোসনার গর্ভের বিষয়টি অবহিত করে।

উক্ত ঘটনা দামাচাপা দিতে শুরু করে এক পর্যায়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির খান সহ মেম্বার হাশিম মুন্সীর শরণাপন্ন হলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা লম্পট ইয়াকুত মিয়া বাবুর্চীকে কিশোরী ধর্ষণ ও গর্ভধারনের বিষয়টি জানতে চাইলে সে অস্বীকার করে। সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীর চাচা মো: আক্কাস মিয়া বাদী হয়ে গত ১৯ জুন হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ইয়াকুত মিয়াকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং- ১৪১/১৯। মামলা দায়েরের পর থেকে লম্পট ইয়াকুত মিয়া মামলার বাদী আক্কাছ আলী ও তার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

একপর্যায়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীর উপর আরো বেপরোয়া হয়ে নির্যাতন চালায় লম্পট ইয়াকুত। নির্যাতনের শিকার হয়ে অসহায় প্রতিবন্ধী জোসনা হঠাৎ করে তার প্রসব ব্যাথায় ছটপট শুরু করলে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে প্রতিবন্ধী জোসনাকে তার পরিবারের লোকজন সিএনজি যোগে চুনারুঘাট হাসপাতালে নিয়ে আসার পথ চলন্ত সিএনজির ভিতরেই প্রতিবন্ধী জোসনার ৭ মাসের একটি মৃত নবজাতক ছেলে সন্তান প্রসব করে। এ ব্যাপারে লম্পট ইয়াকুত আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী কিশোর জোসনা বাদী হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চুনারুঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ প্রতিবন্ধী কিশোরী জোসনাকে হাসপাতালে ভর্তি করে ও নবজাতক ছেলেকে সুরতহাল তৈরি করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এ ব্যাপারে প্রতিবন্ধী পরিবারের লোকজন সুবিচার পাওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি সুদষ্টি কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল। অভিযোগ দায়েরের পর থেকে লম্পট ইয়াকুত মিয়া পলাতক রয়েছে। অন্যদিকে এস.আই জাহাঙ্গীর কবির নবজাতক ছেলে সন্তানের লাশ প্রতিবন্ধীর চাচা আক্কাস আলীর নিকট হস্তান্তর করিলে মৃতদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। লম্পট ইয়াকুত আলী বাবুর্চীকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানা যায়।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন মারমুখী ব্যাটিংয়ে সম্ভাবনা জাগিয়েও ভারতের কাছে ২৮ রানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ। আর আসরে ষষ্ঠ জয় তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পর দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত।

বার্মিংহামের এজবাস্টনে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে দুই ওপেনার রোহিত শর্মার ১০৪ ও লোকেশ রাহুলের ৭৭ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ৩১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ভারত। ৩১৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১২ বল বাকি থাকতেই বাংলাদেশ থেমেছে ২৮৬ রানে।

বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৯.৩ ওভারে দলীয় ৩৯ রানে ফেরেন তামিম ইকবাল। এবারের বিশ্বকাপে এখনও নিজের স্বভাবসূলভ ব্যাটিং করতে পারেননি দেশসেরা এ ওপেনার। ৩১ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। তামিম ইকবাল আউট হওয়ার পর ৩৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন অন্য ওপেনার সৌম্য সরকার। তার আগে ৩৮ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ৩৩ রান করেন সৌম্য। তৃতীয় উইকেটে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান মুশফিকুর রহিম। যুজবেন্দ্র চাহালের বলে সুইপ শট খেলতে গিয়ে মোহাম্মদ সামির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন জাতীয় দলের এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান।

এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান লিটন দাস। আগের বলে হার্দিক পান্ডিয়াকে ছক্কা হাঁকানোর ঠিক পরের শট বলে ক্যাচ তুলে দেন লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে ২৪ বলে ২২ রান করেন তিনি।

ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে হার্দিক পান্ডিয়ার অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ইনিংসের শুরু থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে খেলায় রেখে ছিলেন সাকিব আল হাসান। পান্ডিয়ার বলে ডাবল রান নেয়ার মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্বকাপে ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির পাশাপাশি চতুর্থ ফিফটি গড়েন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে তার ব্যাটে জয়ের ক্ষীণ স্বপ্ন দেখছিল টাইগার সমর্থকরা। ভালোয় ভালোয় খেলা সাকিব হঠাৎ করেই পান্ডিয়ার বলে ক্যাচ তুলে দেন। তার আগে ৭৪ বলে ছয়টি চারের সাহায্যে ৬৬ রান করেন সাকিব। তার বিদায়ে ৩৩.৫ ওভারে ১৭৯ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সপ্তম উইকেটে ৬৬ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরানোর পাশাপাশি জয়ের স্বপ্ন দেখান সাব্বির রহমান রুম্মন ও সাইফউদ্দিন।

শেষ দিকে জয়ের জন্য ৪২ বলে প্রয়োজন ছিল ৭০ রান। যে স্টাইলে সাব্বির-সাইফউদ্দিন ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন তাতে মনেই হয়েছিল জয় পাবে বাংলাদেশ। কিন্তু ৪৪তম ওভারে জযপ্রিত বুমরাহর বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাব্বির। ৩৬ বলে পাঁচটি বাউন্ডারিতে ৩৬ রান করে সাব্বির আউট হলে দুশ্চিন্তায় পরে যান টাইগার সমর্থকরা।

এরপর একাই লড়াই করে যান সাইফউদ্দিন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা ও রুবেল হোসেন। যে কারণে ৩৮ বলে ৯টি বাউন্ডারির অপরাজিত ৫১ রান করেও দলকে জয় উপহার দিতে পারেননি এ অলরাউন্ডার।

ভারতের পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ ১০ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে তুলে নেন চারটি উইকেট। ১০ ওভারে ৬০ রান খরচায় তিনটি উইকেট তুলে নেন হার্দিক পান্ডিয়া। একটি করে উইকেট পান যুভেন্দ্র চাহাল, ভুবনেশ্বর কুমার এবং মোহাম্মদ শামি।

এর আগে দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের ব্যাটে দাপুটে শুরু পায় তারা। যদিও শুরুতেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তামিম ইকবালের ভুলে সুযোগটা কাজে লাগেনি বাংলাদেশের। ব্যক্তিগত ৯ রানে মুস্তাফিজের বলে তোলা রোহিতের ক্যাচ নিতে পারেননি তামিম।

নিজেদের স্বপ্নকেই যেন মাটিতে ফেলে দেন বাংলাদেশ ওপেনার। জীবন ফিরে পাওয়ার সুযোগ পুরোপুরিভাবে কাজে লাগিয়েছেন ভারত ওপেনার। যা বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে লম্বা সময়। চলতি বিশ্বকাপে চার ম্যাচে জীবন ফিরে পাওয়া রোহিত তিন ম্যাচেই সেঞ্চুরি করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষেও ভুল হয়নি তাঁর।

ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান তুলে নিয়েছেন চলতি বিশ্বকাপে নিজের চতর্থ সেঞ্চুরি। ৯২ বলে সাতটি চার পাঁচটি ছক্কায় খেলেছেন ১০৪ রানের ঝলমলে এক ইনিংস। অন্য পাশে লোকেশ রাহুলও সমানে ব্যাট চালিয়েছেন। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৭৭ রান। উদ্বোধনী জুটি থেকে রেকর্ড ১৮০ রান পেয়ে যায় ভারত।

এ সময় বাংলাদেশের বোলাররা কেবল চেষ্টাই করে গেছেন। এই জুটি ভাঙতে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা তাঁর সব বোলারকে দিয়ে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু লম্বা সময় ধরে অবলীলায় ব্যাটিং করে গেছেন রোহিত-রাহুল। সবাই যখন ব্যর্থ, সৌম্য সরকার তখন বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন। অনিয়মিত এই বোলারই রোহিতকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন।

রোহিতকে ফেরানোর বাংলাদেশের অন্যান্য বোলাররাও ছন্দ ফিরে পান। কিছুক্ষণ পরই রাহুলকে বিদায় করেন ডানহাতি পেসার রুবেল হোসেন। তবে সবচেয়ে কার্যকর হয়ে ওঠেন মুস্তাফিজ। পুরোনো ছন্দে ভারত শিবিরে আঘাত হানতে থাকেন বাঁহাতি এই পেসার। ৫৯ রান খরচায় তুলে নেন ৫ উইকেট। তাঁর বোলিংয়ের সামনেই মূলত ধুঁকতে হয়েছে ভারতের পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের।

ভারতের দুই উইকেট পড়ার পর মাঝে সাকিব কেবল একটি উইকেট নিয়েছেন। শেষের ৫ উইকেট উঠেছে মুস্তাফিজের ঝুলিতে। এর মাঝেও ঋষভ পান্ত ৪১ বলে ৪৮ রানের দারুণ একটি ইনিংস খেলেন। শেষের দিকে ৩৫ রান করে ভারতকে ৩১৪ রানে পৌঁছে দেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

সাকিব ১০ ওভারে ৪১ রান খরচায় তুলে নেন একটি উইকেট। মোসাদ্দেক হোসেন ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। সৌম্য সরকার ৬ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে তুলে নেন একটি উইকেট। রুবেল হোসেন ৮ ওভারে ৪৮ রানে নেন একটি উইকেট। মাশরাফি ৫ ওভারে ৩৬ রান খরচায় কোনো উইকেট পাননি। সাইফউদ্দিন ৭ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। মুস্তাফিজ ১০ ওভারে ৫৯ রানে তুলে নেন পাঁচটি উইকেট।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৯ বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী ৫ জুলাই লর্ডসে বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, এখন থেকে তার দেশ ইউরোপীয় দেশগুলোর গৃহিত পদক্ষেপের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরমাণু সমঝোতা রক্ষার পদক্ষেপ নেবে। ইরানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইইউ এক বিবৃতি প্রকাশ করার পর মঙ্গলবার রাতে জাওয়াদ জারিফ এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

তিনি নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে লিখেছেন, “তিন ইউরোপীয় দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ যতদিন ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি মেনে চলবে ততদিন পরমাণু সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে তেহরান।” জারিফ তার পোস্টে আরো বলেন, “এই মুহূর্ত থেকে ইরান পরমাণু সমঝোতা ততটুকু মেনে চলবে যতটুকু ইউরোপীয়রা এতদিন মেনে চলেছে এবং এখনো চলছে। এক্ষেত্রে যথেষ্ট ন্যায়নিষ্ঠা বজায় রাখা হবে।”

ইরানের একটি পরমাণু স্থাপনা (ফাইল ছবি)

এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) ইরানকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের পরিমাণ ৩০০ কেজির নীচে নামিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনি এবং জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

তারও আগে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ ঘোষণা করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তার দেশ এ সমঝোতার ৩৬ নম্বর ধারা অনুসরণ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পরিমাণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বাড়িয়েছে। জারিফ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইউরোপীয় তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে এর পরের পদক্ষেপে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের নির্ধারিত ৩.৬৭ মাত্রাও অতিক্রম করবে।ইরনা

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc