Thursday 18th of July 2019 03:02:05 PM

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুরে ইমরান আহমদ সরকারি মহিলা কলেজের একাদ্বশ শ্রেনীর ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ও কলেজের ২০তম ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্টিত।
“অপরাধকে না বলুন, মেধাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসাবে নিজেকে গঠন করুন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গতকাল ১লা জুলাই সোমবার সকাল ১১টায় ইমরান আহমদ সরকারি মহিলা কলেজের হল রুমে আনুষ্ঠানিক ভাবে ২০তম ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যক্ষ ড. এনামুল হক সরদারের সভাপতিত্বে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জৈন্তাপুর উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড এর ব্যবস্থাপক মোঃ হেলাল উদ্দিন, অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহেদ আহমদ, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুক্তি বড়–য়া।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ হায়দর আলী, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, ইমরান আহমদ সরকারি মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক নাহিদ সুলতানা রুমি, প্রভাষক শিখা রায়, এম নুরুন্নবী, মোহাম্মদ রেজাউল হাসান, মোঃ ইদ্রিছ আলী, আব্দুল কুদ্দুছ, প্রদর্শক পপি রানী রায়, সহ শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মোঃ আসিফ ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীর বিষয়ে স্মাক্ষী দিতে আসেন অভিযোগকারী নারী।
সোমবার দুপুর ১টায় সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা মেজিষ্ট্র্যাট মোঃ হারুনূর রশিদের কার্যালয়ে অভিযুক্ত ইউএনও অসিফ ইমতিয়াজ ও অভিযোগকারী ওই নারীর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানীতে নারীর পক্ষে অংশগ্রহণ করেন,সুনামগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এডঃ শামছুন্নাহার বেগম শাহানা রব্বানী,এডিশনাল এপিপি এডঃ সামসুল অবেদীন ও এডঃ হিমেল। অভিযোগকারী নারী প্রকাশ্যে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে ইউএনও আসিফ ইমতিয়াজের প্রেম পরবর্তী তাকে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে সংসার করার কথা জানান।
ওই নারী জানান,তাকে চাকুরী দিবেন বলে আসিফ ইমতিয়াজ তার কাছ থেকে ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। সম্পর্কের এক পর্যায়ে কাবিন নামা করে দীর্ঘদিন তারা স্মামী-স্ত্রীর মতো বাসা ভাড়া নিয়ে ঢাকার মীরপুরে একটি ফ্লাটে বসবাস করলেও হঠাৎ ওই নারীর গর্ভে সন্তান আসায় ইউএনও তাকে সন্তান নষ্ট করার কথা বলেন। ইউএনওর এমন প্রস্তাবে রাজী না হলে ওই নারীকে বিয়ে না করার জন্য জানিয়ে দেন। পরে ওই নারী জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে ইউএনও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এ কারণে ইউএনও তার লোক দিয়ে ওই নারীর উপর হামলা চালালে অন্ত:স্বত্তা অবস্থায় তিনি একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে তার প্রচ- রক্তক্ষরণ হয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয় বলে জানান ওই নারী।

জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে ওই নারীর ইউ্এনও বিরোদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রথম দফা সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (স্থানীয় সরকার বিভাগ শাখা) মোঃ এমরান হোসেনকে দায়িত্ব দিলে ওই নারী তদন্ত কর্মকর্তার আচরনে এমরান হোসেনের সাথে কথা বল্লে তিনি প্রভাবিত হয়েছেন মর্মে আবারো তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে লিখিত আবেদন করেন।
ওই ভিকটিম নারীর আবেদনের পর সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা মেজিষ্ট্র্যাট মোঃ হারুনূর রশিদকে বিষয়টি তদন্তাভার দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত তাহিরপুর উপজেলার ইউএনও আসিফ ইমতিয়াজের সাথে তদন্ত কর্মকর্তার কর্যালয়ের সামনে কথা বলতে চাইলে তিনি,তার হাতে থাকা ফাইল দিয়ে মুখ ঢেকে বক্তব্য দেবেন না বলে জানিয়ে একটি কক্ষে দ্রুত প্রবেশ করেন।
এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হারুনুর রশিদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,উভয়পক্ষের স্বাক্ষ্যগ্রহন চলছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি কিছু না বলে স্বাক্ষ্যগ্রহন শেষে তদন্ত প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করবেন বলে জানান।

এস এম সুলতান খান চুনারুঘাট থেকে: চুনারুঘাটে কলেজ ছাত্রের ছুরিকাঘাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন হয়েছে। ঘাতক খুনিকে ও আটক করা হয়। জানা যায়, সোমবার বিকালে চুনারুঘাট পৌর শহরের পশ্চিম বড়াইল গ্রামের কুয়েত প্রবাসী মোঃ রিপন মিয়ার স্ত্রী হুছনা বেগম (২৮) এর সাথে একই বাড়ীর ছুরত আলীর স্ত্রী খুদেজা বানুর তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরত আলীর ছেলে কলেজ ছাত্র মোঃ সাইফুর রহমান (২২) দ্বারালো ছুরি দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী হুছনা বেগম (২৮) কে আঘাত করে।এতে তিনি মারাক্তক আহত হয়।
আহত হুছনাকে রক্তাক্ত অবস্তায় চুনারুঘাট হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্ব্যরত চিকিৎসক হুছনাকে মৃত ঘোষনা করে । তাৎক্ষনিক স্থানীয় জনতা  ঘাতক সাইফুরকে আটক করে  মারপিট দিয়ে থানায় সোপর্দ করেছে।

রাজধানীর ঢাকায় হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গুলিসহ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টার দিকে ৭ রাউন্ড গুলিসহ তাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার ওসি নূরে আজম মিয়া সাংবাদিকদের জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে চট্টগ্রামে যাওয়ার উদ্দেশে সকালে বিমানবন্দরে আসেন রেদোয়ান। পরে  স্ক্যানিংয়ের সময় তার ব্যাগে গুলির অস্তিত্ব টের পেয়ে তাকে আটক করেন সেখানে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা।

পরে শাহজালাল বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) পরিচালক উইং কমান্ডার ওবায়দুর রহমান জানান, নিয়মবহির্ভূতভাবে বিমানবন্দরে গুলি নিয়ে প্রবেশ করায় তাকে আটকে দেওয়া হয়েছে।  তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা জানিয়েছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আজ (সোমবার) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় বলেন, ‘এরশাদ সাহেবের যে অবস্থা তার থেকে ফেরার (বাঁচার) আর কোনো আশা নেই। যদি তিনি ফেরেন সেটা হবে মিরাকেল। সকাল বেলা ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি, তারা জানিয়েছেন তার অবস্থা অপরিবর্তিত।’

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ৬টার দিকে বনানীতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এরশাদের ছোট ভাই জি এম কাদের বলেছিলেন, ‘দেশে এরশাদের যে চিকিৎসা চলছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট। আশা করি, শিগগিরই তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘চার দিন আগে যে শারীরিক অবস্থা নিয়ে এরশাদ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, সে অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছিল। তবে রোববার সকালে তার শারীরিক অবস্থার আবার অবনতি হয়। এরপর আর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। এরশাদের ফুসফুসে ইনফেকশন রয়েছে। তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে।’

রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লিভারে দীর্ঘ দিনের সমস্যার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বুধবার (২৬ জুন) সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন এরশাদ। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

এরশাদকে দেখতে সিএমএইচে ওবায়দুল কাদের

গুরুতর অসুস্থ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এরশাদকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে যান মন্ত্রী। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এরশাদকে দেখতে যান ওবায়দুল কাদের। তিনি জাতীয় পার্টির প্রধানের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লিভারে দীর্ঘ দিনের সমস্যার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত বুধবার (২৬ জুন) সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন এরশাদ। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের শেষের দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন এরশাদ। অসুস্থতার কারণে জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণাতেও অংশ নিতে পারেননি তিনি। ওই অবস্থাতেই ১২ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান এরশাদ। পরে নির্বাচনে জয়লাভের পর দেশে ফিরে শপথ নেন তিনি। পরে ২০ জানুয়ারি ফের চিকিৎসা নিতে সিঙ্গাপুর যান। দেশে ফেরেন ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকে সিএমএইচেই চিকিৎসা নিচ্ছেন এরশাদ।পার্সটুডে

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের কূটনৈতিক এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে বহু মানুষ আহত হয়েছে তবে নিহতের সংবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। বিস্ফোরণের পর কালো ধোঁয়ায় আকাশ ছেয়ে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় লোকজন এদিন ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকে।

আজ সোমবার সকালে কর্মব্যস্ত সময়ে এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বিস্তারিত জানা যায় নি। বহু আহত ব্যক্তিকে হাসপাতলে নেয়া হয়েছে। কাবুলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের অফিস ভবনটিও বিস্ফোরণের ফলে কেঁপে ওঠে। বিস্ফোরণের পর সেখানে গুলির শব্দ শোনা গেছে।

বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কাবুল পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেন নি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসরাত রহিমি বলেছেন, ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় ওই বিস্ফোরণ হয়েছে। ওই এলাকায় আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবস্থিত।

এদিকে, জনস্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রী ওয়াহিদুল্লাহ মায়ারের টুইট উদ্ধৃত করে টোলো নিউজ বলছে, এ বিস্ফোরণে কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিস্ফোরণের দায়িত্ব স্বীকার করে নি। তবে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত তালেবানকে-ই দায়ী করা হয়।

“টেন্ডার হওয়া এডিপি খাতের টাকাগুলো উন্নয়নের স্বার্থে তুলে রাখা হয়,উপসহকারী প্রকৌশলী”

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় কাজ না করেই ৫টি প্রকল্পের ৩৮লাখ টাকার টাকা উত্তোলন করে রেখেছে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়ন কাজ শুরু কিংবা শেষ নি। সেখানে কাজ না করেই কেন এত টাকা উত্তোলন করা হল তা কারোই বোধগম্ম হচ্ছে না। নাকি এই টাকা গুলো কৌশলে নিজেদের পকেটে ভরার গোপন সন্ধি রয়েছে এমনটাই মনে করছেন উপজেলার সচেতন মহল। ফলে সবার মাঝে চরম ক্ষোব বিরাজ করছে।
প্রকল্প গুলো হলো-তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের টিনশেড ভবন মেরামত রাজস্ব খাতের ৫লাখ ৭০হাজার টাকা,আব্দুজ জহুর চত্বর থেকে সোনালী ব্যাংক পর্যন্ত রাজস্ব খাতের ২০লাখ ৯৯হাজার টাকা,তাহিরপুর থেকে কাউকান্দি পর্যন্ত রাস্তায় কালভার্ট নির্মাণ রাজস্ব খাতের ৪লাখ ৮৪হাজার টাকা,উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি মেরামত ৪লাখ ৬২হাজার টাকা,খলাহাটি ব্রিজের পশ্চিমে ঘাটলা নির্মাণে এডিপি খাতের ২লাখ ৮৫হাজার টাকা। মোট ৩৮লাখ ৬৪হাজার টাকা।

এই সব প্রকল্প গুলো সরজমিনে দেখা যায়,উন্নয়নমূলক ৫টি প্রকল্পের মধ্যে আব্দুজ জহুর চত্বর থেকে সোনালী ব্যাংক পর্যন্ত রাস্তা,তাহিরপুর থেকে কাউকান্দি পর্যন্ত রাস্তায় কালভার্ট নির্মাণ ও খলাহাটি ব্রিজের পশ্চিমে ঘাটলা নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় পানি থাকার কারণে কাজ করানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে,তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের টিনশেড ভবন মেরামত ও তাহিরপুর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি মেরামত প্রকল্পটিকে কাজ করার যথেষ্ট সময় সুযোগ থাকার পরও কাজ গুলো করা হয় নি কিন্ত বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

এবিষয়ে তাহিরপুর এলজিইডি অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন,টেন্ডার হওয়া রাজস্ব খাতের টাকা উন্নয়ন খাতে চলে যাবে। সেক্ষেত্রে টেন্ডার হওয়া এডিপি খাতের টাকাগুলো উন্নয়নের স্বার্থে তুলে রাখা হয়।

তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুল্লাহ মিয়া বলেন,টেন্ডার হওয়া স্থান গুলোতে পানি থাকায় কাজ করানো সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য ৩০জুনের মধ্যে বিলের টাকা তুলে রাখতে হবে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীর সাথে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করে ইকবাল হোসেন (২০)। ইকবাল হোসেন বাদাঘাট ইউনিয়নের দীঘিরপাড় গ্রামের মোঃ আতাউর রহমানের ছেলে।
শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করার ফলে ঐ কিশোরীটি ৫মাসের অর্ন্তসত্তা হয়ে পরে। শনিবার (২৯,০৬,১৯) বিকেলে ঐ কিশোরী পিতার বাড়িতে ৫মাসের একটি মৃত ছেলে সন্তান প্রসব করার পর ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।
এ ঘটনার পর কিশোরীর পিতা বাদি হয়ে ইকবাল হোসেনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে রাত ১০টায় তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ও থানার এ এস আই মোঃ মণির হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা দীঘিরপাড় গ্রামে গিয়ে অভিযান চালিয়ে ধর্ষনকারী লম্পট ইকবালকে গ্রেফতার করে।
এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতিকুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ ইকবাল হোসেনের (২০) বিরোদ্ধে তাহিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ৩০। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ ইকবাল হোসেনকে (২০)কে রাতে গ্রেফতার করা রবিবার সকালে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দীঘিরপাড় গ্রামের ইকবাল হোসেন একই গ্রামের ঐ তরুণীকে এক বছর পূর্বে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে ইকবালের কথা বিশ্বাস করে দুজনের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। এর মধ্যে ইকবালের সাথে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করায় এক পর্যায়ে কিশোরীটি ৫মাসের গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে।

শনিবার বিকালে পিতার বাড়িতেই সে ৫মাসের একটি মৃত ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। এর পর তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয় মুরুব্বীদের নিয়ে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে গরীব কিশোরীর পিতাকে কিছু অর্থখড়ি দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল ধর্ষনকারী ও তার পিতা।

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলে অগ্রনী কুরিয়ার সার্ভিস থেকে আমদানি পণ্য পরিবহনের নাম করে ভারতীয় আমদানি যোগ্য পণ্য পাচারের সময় ৬৭ লাখ ৫৩ হাজার ৯শ’ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্যসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।তবে এসময় কোনো পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।
রোববার (৩০ জুন) রাতে চোরাচালান পণ্য আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিজিবি কর্তৃপক্ষ।
জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় থান কাপড়, ওয়ান পিস, টু পিস, চাদর, ঘাসের বীজ, ছাতা ও একটি কাভার্ড ভ্যান।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র যশোর-৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোঃ সেলিম রেজা (পিএসসি) জানান, গোপন খবরে জানা যায় বন্দর নগরী বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী অগ্রনী কুরিয়ার সার্ভিসের একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণে আমদানি যোগ্য পণ্য পাচার হচ্ছে।
পরে বিজিবি সদস্যরা আমড়াখালী চেকপোষ্ট থেকে ট্রাকটি আটক করে। এ সময় তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ পণ্য পাওয়া যায়। আটককৃত মালামালের মোট বাজার মুল্য ৬৭ লাখ ৫৩ হাজার ৯শ টাকা। আটককৃত মালামাল কাস্টমস হাউজে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc