Wednesday 13th of November 2019 05:13:21 AM

‘০০৭ গ্রুপের সবাইকে কলেজে দেখতে চাই।’ রিফাত ফরাজী নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে মেসেঞ্জার গ্রুপে এ আহ্বান জানানো হয়েছিল। ‘মোহাম্মদ’ নামে আরেকটি আইডি থেকে জানতে চাওয়া হয়- কয়টার সময় আসতে হবে। এরপর মোহাম্মদ আরও জানতে চায়, কলেজের কোথায়? উত্তরে রিফাত ফরাজী বলে, ‘৯টার দিকে।’ এই মেসেঞ্জার গ্রুপের কথোপকথনে একটি চাপাতির ছবি দিয়ে বলা হয় ‘পারলে হেইডাসহ।’ মোহাম্মদ বলে, ‘আমু আনে’। ০০৭ নামে একটি মেসেঞ্জার গ্রুপের এই তথ্য মিলেছে, যেখানে আগের রাতেই বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যায় জড়িতরা নিজেদের মধ্যে কথা চালাচালি করে খুনের চূড়ান্ত ছক ঠিক করে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার বরগুনায় প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফ হত্যার মূল আসামি নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজী ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ ‘০০৭’ মেসেঞ্জার গ্রুপে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করত।

ঔপন্যাসিক ইয়ান ফ্লেমিংয়ের লেখা বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র জেমস বন্ড। লন্ডনের সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এসআইএসের প্রধান গুপ্তচর হিসেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালের পর এসআইএসের নাম বদলে করা হয় ‘এমআই ৬’। জেমস বন্ড ‘০০৭’ সাংকেতিক নম্বর ধারণ করেন। এখানে ডাবল-ও বা ডাবল-জিরো সংকেতের মাধ্যমে তাকে কর্তব্য পালনের প্রয়োজনে যে কাউকে হত্যা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জেমস বন্ড কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সময় এভাবে বলেন- ‘বন্ড, জেমস বন্ড।’ সংশ্নিষ্ট সূত্র বলছে, জেমস বন্ডকে অনুকরণ করেই বরগুনার বখাটে মাদক ব্যবসায়ী নয়ন বন্ড ‘০০৭’ মেসেঞ্জার গ্রুপ চালিয়ে আসছিল। এমনকি নয়নের প্রকৃত নাম সাব্বির আহম্মেদ নয়ন হলেও নিজেকে পরিচয় দিত ‘নয়ন বন্ড’ হিসেবে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নয়ন এলাকায় ‘বন্ড’ নামে যে বখাটে গ্রুপের নেতৃত্ব দিত তার সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিল রিফাত ফরাজী। নয়ন ও রিফাত এলাকায় মাদক কারবার, ছিনতাইয়ে জড়িত ছিল। বিশেষ করে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে যারা অধ্যয়ন করছেন তাদের অধিকাংশ অন্যান্য জেলার বাসিন্দা। তারা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট মেসে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে আসছেন। এসব মেসে প্রায়ই নয়ন ও রিফাত বাহিনীর সদস্যরা হানা দিয়ে মোবাইল ফোন সেট ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিত। অনেক মেসে কৌশলে তাদের ভাড়া করা মেয়ে ঢুকিয়ে দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাতত ০০৭ গ্রুপের এই বখাটেরা।

বরগুনার একাধিক সচেতন নাগরিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রিফাত হত্যায় জড়িতরা আগে থেকেই এলাকাবাসীর কাছে চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত। এ ঘটনায় জড়িত নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজীসহ অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় চলাফেরা করত তারা। রিফাত ফরাজীর আপন খালু বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি দেলোয়ার হোসেন। বরগুনার স্থানীয় রাজনীতিতে দেলোয়ার হোসেন ও বর্তমান এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এলাকার অনেকের অভিযোগ, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথের প্রভাবে নয়ন বন্ড অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। আর রিফাত ফরাজী তার খালু দেলোয়ার হোসেনের জোরে এলাকায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল। দেলোয়ার ও শম্ভুর মধ্যে বিরোধ থাকলেও নয়ন বন্ড এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা দুই গ্রুপের ছত্রছায়ায় বখাটেপনা করে আসছিল। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথ সমকালকে বলেন, নয়ন বন্ড ও রিফাতের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং যে নিহত হয়েছে তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল তার। রিফাত ফরাজী তার খালু দেলোয়ার হোসেনের প্রভাব-প্রতিপত্তি ব্যবহার করে অনেক অপকর্ম করেও পার পেয়ে আসছিল। সুনাম দেবনাথের দাবি, একবার রিফাত ফরাজীকে আটক করে থানায় দেওয়ার পরও দেলোয়ার তদবির করে তাকে ছাড়িয়ে আনেন। একটি পক্ষ নয়ন বন্ডের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে।

তবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন এ প্রসঙ্গে সমকালকে বলেন, ‘রিফাত ফরাজী মাদকাসক্ত, ছিনতাইকারী ও চোর। ৪/৫ বছর আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। ওকে বলেছি যাতে সে আমার বাসার ধারেকাছে না আসে। বহুবার রিফাতকে ধরে পুলিশে দিয়েছি। জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি হিসেবে নিজে প্রভাব খাটাই না, ওর (রিফাত ফরাজী) মতো তিন নম্বর আত্মীয় আমার নাম ব্যবহার করে কী প্রভাব খাটাবে?’ দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, ‘নয়ন বন্ডের গডফাদার তো সুনাম দেবনাথ। এলাকায় তার মাধ্যমে মাদক ঢুকেছে। এলাকায় আমি জনপ্রিয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে ভালোবাসে বলে একটি গ্রুপ ঈর্ষাণ্বিত হয়ে আমার সুনাম নষ্টের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।’

কেন খুনিরা এতটা বেপরোয়া ছিল- এমন প্রশ্নের উত্তরে এলাকাবাসী জানান, বিভিন্ন সময় নানা অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ায় নয়ন ও রিফাত ফরাজীরা দিনদুপুরে একজনকে খুন করতেও দ্বিধা করেনি। তাদের বিশ্বাস ছিল, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছায়া তাদের মাথার ওপর তো রয়েছেই। কে তাদের টিকিটি স্পর্শ করবে। আর যারা এ হত্যায় জড়িত তাদের অধিকাংশ মাদক কারবারি ও মাদকাসক্ত। সুস্থ ও স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতা অনেক আগেই তাদের লোপ পেয়েছে।

স্থানীয় সূত্র সমকালকে জানায়, বরগুনায় মাদক এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, গাঁজাসহ নানা ধরনের নেশা। এর মূল হোতা নয়ন বন্ড। পুলিশের সোর্স হিসেবে নয়ন কাজ করে আসছিল। পাইকারি মাদক কারবারি হিসেবে নয়ন খুচরা কারবারিদের কাছে মাদক বিক্রির পর পুলিশকে খবর দিত। সে নিজে মাদক বিক্রি করে পুলিশকে জানিয়ে দিত- খুচরা কোন বিক্রেতার কাছে মাদক রয়েছে। সেখানে গিয়ে পুলিশ অভিযান চালানোর নামে অনৈতিক বাণিজ্য করত। এভাবে খুচরা মাদক কারবারিদের ব্যাপারে তথ্য দিয়ে পুলিশকে ঘুষ খাওয়ার পথ তৈরি করে দিত নয়ন বন্ড। এ জন্য নয়ন পুলিশের কাছেও প্রিয় ছিল।

বরগুনার নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল বলেন, মাদক বরগুনায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি একটি গার্লস স্কুলের ১৪ ছাত্রীর কাছে গাঁজা পাওয়া যায়। নয়ন বন্ড ও তার সঙ্গীরা এলাকায় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। পুলিশের সঙ্গে তাদের এক ধরনের সখ্য ছিল।

বরগুনার সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান বলেন, মাদক নির্মূলে জনপ্রতিনিধিদের যে ধরনের ভূমিকা রাখার কথা, সেটা বরগুনায় অনুপস্থিত। এ ব্যাপারে সোচ্চার না হলে তরুণ প্রজন্ম আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সমকাল

শুক্রবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভারতে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ছাত্রনেতা হাফেজ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহসভাপতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহ সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জননেতা আব্দুল হাকিম।
বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগরের অর্থ সম্পাদক জননেতা এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক যুবনেতা অধ্যক্ষ আবু নাসের মুহাম্মদ মুসা। প্রধান বক্তা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার।সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন-বনশ্রী লিবারেল ইসলামিক স্কুলের অধ্যক্ষ সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া আল-আযহারী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা আরিফুল ইসলাম আশরাফী।
বক্তারা বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা একজন মানুষের মৌলিক অধিকার। ভারতে মুসলিম যুবক তাবরিজ আনসারীকে ‘জয় শ্রীরাম’ ও ‘জয় হনুমান’ বলতে বাধ্য করা হয়েছিল, যা কোনো ধর্ম বিশ্বাসীর কাজ হতে পারে না। সর্বশেষ তাকে ভারতীয় পুলিশ হেফাজতে হত্যা করা হয়। আরেকজন মাদরাসা শিক্ষক শাহরুক হাওলাদারকে টুপি, দাঁড়ি ও পাঞ্জাবী পরিধানের অপরাধে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া হয়। বর্তমান ভারত মুসলমানদের জন্য নিরাপদ নয়। চলমান মুসলিম নিধন বন্ধ না হলে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন ঘেরাও করা হবে।
আরো উপস্থিত ছিলেন- নগর যুবসেনার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল হাই, মুহাম্মদ মাসউদ হোসাইন, যাত্রাবাড়ী থানা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম মাইজভান্ডারী,  ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ সভাপতি ছাত্রনেতা সাহাব উদ্দীন মীর, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা খাজা সাইফুল হক আখন্দ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা আহমাদ রেজা সবুজ, ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা নিয়ামুল ইসলাম, আবু ইউসুফ, আরিফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, ইয়াছিন রাসেল প্রমুখ।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের পাইকুড়া তালতলা নামক স্থান থেকে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে গাড়িতে তুলে নেয়া দুলা মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির সন্ধান ১১ দিনেও মেলেনি। তার সন্ধানে পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েছেন। দুলা মিয়া উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের পাট্টাশরীফ বড়বাড়ি গ্রামের মৃত মকসুদ আলীর ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুন সোমবার সন্ধ্যায় দুলা মিয়া তার নিজ বাড়ি থেকে একই ইউনিয়নের শাকির মোাহম্মদ বাজারে যাওয়ার জন্য টমটম গাড়ি যোগে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে আ: মতিনের বাড়ির নিকটস্থ পাইকুড়া তালতলা নামক স্থানে পৌছামাত্রই ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে একটি মাইক্রোবাস এসে টমটমের গতিরোধ করে টেনে-হেছরে দুলা মিয়াকে গাড়িতে তুলে নিয়ে দ্রুতবেগে চলে যায়।

এ বিষয়ে পরিবারের পাশাপাশি পুলিশও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অপহৃত দুলা মিয়ার বড় ভাই ইদু মিয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও দুলা মিয়ার সন্ধান মিলছে না। পুলিশ জানিয়েছে তারা আমার ভাইকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে দুলা মিয়ার বড় ভাই ইদু মিয়া বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় ৪ জনকে আসামী করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং- ২০, তাং- ১৬ জুন ২০১৯, ধারা- ৩৬৪/৩৪ পেনাল কোড।

আসামীরা হলেন- উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের পাট্টাশরীফ গ্রামের আ: রহিমের পুত্র রফিক মিয়া (৩৫), পাইকুড়া গ্রামের আবু মিয়ার পুত্র আ: মতিন (৫০), আ: মতিনের পুত্র রুমান মিয়া (২২), শাকিল মিয়া (১৮)। মামলা করার পর থেকে আসামীরা পলাতক রয়েছে।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ আসামী রফিক মিয়ার ভাই ছাদেক মিয়ার স্ত্রী মর্জিনা আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে.এম আজমিরুজ্জামান বলেন- দুলা মিয়া কিছুটা সহজ-সরল প্রকৃতির লোক। সে এলাকার একজন নিরীহ কৃষক। ভিটে বাড়ি ছাড়া তার কিছুই নেই। তিনি জানান, দুলা মিয়ার সন্ধান বের করতে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্য নেয়া হচ্ছে। মোবাইলের কললিস্ট পাওয়া গেলে রহস্য উদঘাটন অনেকটা সহজ হবে।

এদিকে টমটম গাড়ির চালক আয়াত আলী এ প্রতিবেদককে জানান, অপহরণকারী নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে পরিচয় দিয়েছিল এবং তাড়াতাড়ি দুলা মিয়াকে টেনে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় তারা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই নাজমুল ইসলাম।

উল্লেখ্য যে, রফিক মিয়া, আ: মতিন ও ছাদেক মিয়া গংদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে অপহৃত দুলা মিয়ার বসতবাড়ির ভিটে, রাস্তা, বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা সহ বিরোধ চলে আসছিল।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুমড়াকাপন গ্রামের আমিরুন বেগমের বিয়ে হয় একই গ্রামের ছায়েদ আহমেদ এর সাথে। তার স্বামী পরিবারের বড় ছেলে সংসারের দায়িত্ব তাকে নিতে হয়। কিন্তু সংসারে অভাব থাকায় কুল কিনারা পায় না। ব্যাবসা করবে, কিন্তু পুঁজি নাই। এমতাবস্থায় আমিরুন বেগম শুনতে পায় কুমড়াকাপন গ্রামে মুসলিম এইড বাংলাদেশ নামে একটি এনজিও সংস্থার কথা। তাই উক্ত গ্রামের সমিতিতে ভর্তি হয়ে প্রথমে ১০ হাজার টাকা লোন নিয়ে ছোট একটি মুদি দোকান শুরু করেন।

পরবর্তীতে ২০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ীর সাথে কিছু ব্রয়লার মুরগী বাচ্চা ক্রয় করেন। কয়েক মাস এভাবে মুরগী পালতে থাকেন ও বিক্রি করতে থাকেন, ভাল লাভ করতে থাকেন। তার আশা সে মুরগীর খামার বড় করবেন। তাই এভাবে পর্যাক্রমে ১২ বার লোন ও বিনিয়োগ নিয়ে খামারে বড় দুইটি ঘর তৈরী করেন। প্রচুর লাভ হতে থাকে।

বিভিন্ন খুচরা দোকানীরা তার নিকট হতে মুরগী ক্রয় করে নিয়ে যায়। মাসে ৩০- ৩৫ হাজার টাকা আয় হতে থাকে। তার খামারে আয় দিয়ে তার দুই ভাইকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন ও চাকরির ব্যাবস্থা করেছেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ের লেখা পড়ার খরচ চালাচ্ছেন।

এই আয় থেকে উপজেলার ভানুগাছ বাজারে একটি বড় দোকান দিয়েছেনও দুইতালা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ী তৈরীর কাজ শুরু করেছেন। তাদের সংসারে আর তেমন কোন অভাব নেই। তাদের এ অবস্থার জন্য আমিরুন বেগম মুসলিম এইডের অবদান বেশী বলে মনে করেন।

বর্তমান তার চলমান পুজিঁ ৭লক্ষ টাকা। তার সফলতা দেখে সর্বশেষ মুসলিম এইড তাকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ নেন ও আরও উন্নতি করতে থাকেন।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুবাই প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মো. জহির উদ্দিন কর্তৃক শিক্ষা ও ক্রীড়া উপকরণ ও ২টি সিলিং ফ্যান প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বেলা ৩টায় বিদ্যালয় হলরুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসএমসি সভাপতি মো. শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও শিক্ষানুরাগী সদস্য মিজানুর রহমান মিস্টারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুবাই প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মো. জহির উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, বিদ্যালয়ের পিটিএ সভাপতি সৈয়দ মুজিবুর রহমান মমরুজ, প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, নয়াবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি আং মন্নান মনোয়ার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দুবাই প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মো. জহির উদ্দিনকে ক্রেষ্ট ও ফুলের তোড়া প্রদান করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন যায়েদ আল নাহিয়ান বলেছেন, ওমান সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর ব্যাপারে ইরানকে দায়ী করার মতো পরিষ্কার, বৈজ্ঞানিক ও সন্তোষজনক কোনো প্রমাণ নেই।

ওই হামলার জন্য আমেরিকা ও সৌদি আরব ইরানকে দায়ী করে আসছে। তাদের এ বক্তব্যের সুস্পষ্ট বিপরীত অবস্থান ঘোষণা করল আমিরাত। ইরান মার্কিন ও সৌদি দাবি নাকচ করে হামলাকে সন্দেহজনক বলে মন্তব্য করেছে।

গতকাল (বুধবার) রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শেখ আবদুল্লাহ বিন যায়েদ আল নাহিয়ান বলেন, তার দেশ কোনো দেশকে হামলার জন্য দায়ী করতে পারছে না কারণ যে তদন্ত হয়েছে তাতে পর্যাপ্ত প্রমাণ উঠে আসে নি। তিনি পরিষ্কার করে বলেন, “আসলে আমরা কাউকে দায়ী করতে পারছি না কারণ আমাদের হাতে প্রমাণ নেই।”

গত মাসে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর কাছে ফুজায়রা বন্দরে চারটি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়। এরপর চলতি মাসের মাঝামাঝি দিকে ওমান সাগরে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে। সব ঘটনার জন্যই সৌদি আরব ও আমেরিকা ইরানকে দায়ী করেছে তবে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারে নি।পার্সটুডে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর চা বাগানে গত ২৪ জুন চা শ্রমিকদের চা পাতা ওজনের সময় ৪-৬ কেজি চা পাতা কর্তন করার প্রতিবাদে আজ বাগানের অফিস প্রাঙ্গণে প্রতিবাদি ঝড় তুললেন চা শ্রমিকরা।
চা শ্রমিকের সন্তান শ্রী প্রসাদ চৌহান সোমবার দুপুর ১২.৩০ মিনিটে বাগানের ১৭ নম্বর সেড ঘরে ওজন মাপার সময় বিষয়টি প্রত্যক্ষ ভাবে লক্ষ্য করেন এবং সেই কাজে নিয়োজিত থাকা নিপেন বাবুকে প্রশ্ন করেন ৪-৬ কেজি চা পাতা ওজন থেকে কমানোর অনুমতি কোথা থেকে পেয়েছেন,উত্তরে নিপেন বাবু জানান চা বাগানের ম্যানেজার এবং চা শ্রমিকরা বিষয়টা জানেন,কিন্তু চা শ্রমিকদের কাছে জানতে চাইলে চা শ্রমিকরা বিষয়টা অস্বীকার করেন।পরবর্তী সময়ে বাগানের ম্যানেজার কাছে জানতে চাওয়া হবে বলে সেখান থেকে চলে যায় বাড়িতে।

অন্যদিকে ২৫ জুন দুপুরে পাতা ওজনের সময় সেকশনের কাজে নিয়োজিত থাকা নিপেন বাবু প্রত্যক্ষ ভাবে প্রধান ম্যানেজার আরিফ আহমেদের কাছে অভিযোগ করেছে “শ্রী প্রসাদ” নামের এক ছেলে খারাপ ব্যবহার করেছেন। বিষয়টা বোঝে উঠার আগেই চা শ্রমিকদের উপস্থিতিতে ছেলেটা কোন জায়গার ফালতু ছেলে এবং কোন সাহসে সেকশনে এসব কথা বলে,তাকে ধরে চড় থাপ্পর মারা উচিত ছিলো বলেছেন বলে চা শ্রমিকদের কাছে জানা যায়।

তারই ফল স্বরুপ আজ সকল চা শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ব ভাবে প্রতিবাদ করার অনুপ্রেরণা জাগিয়ে চা শ্রমিক, শিক্ষার্থী, যুবক যুবতি সহ সবাইকে নিয়ে বাগানের অফিস প্রাঙ্গণে সকাল ৯ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত বাগানের ম্যানেজার আরিফ আহমেদকে প্রশ্ন করে জানতে চাওয়া হয় যে ৪-৬ কেজি চা পাতা কর্তন করার অনুমতি কেনো দিয়েছেন বাবুকে,উত্তরে বড় ম্যানেজার জানান যে ১ কেজি চা পাতা কাটারোও অনুমতি দেওয়া হয় নাই বাবুকে,এবং গালিগালাজ করার জন্য চা শ্রমিকদের কাছে এবং শ্রী প্রসাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন জনাব আরিফ আহমেদ।
সকল চা শ্রমিকরা দাবি করেছেন নিপেন বাবু যেনো বাগান থেকে চলে যান এবং চা শ্রমিকের যেনো ডিজিটালে মেশিনে পাতা ওজন করা হয় তাছাড়া বাগানের শিক্ষিত কোন মহিলা চা শ্রমিক যেনো ওজনের বিষয়টা প্রতিদিন খেয়াল করেন। চা শ্রমিকদের এইসব দাবি পুুরন করবেন বলে আশ্বাস দেন প্রধান ম্যানেজার এবং বলেন এর পরবর্তী সময়ে যদি কোন বাবু এক কেজিরও বেশি পাতা কর্তন করে তাহলে তাকে বাগান থেকে বহিঃস্কার করা হবে।
চা শ্রমিকরা বলেন দুইমাসের মধ্যে যদি বাগান থেকে বাবুকে বহিঃস্কার করা না হয় তাহলে বাগানে কাজ কর্ম বন্ধ থাকবে।
অবশেষে চা শ্রমিকরা আবারো তাদের কর্মে ফিরে গেলেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে কয়েক দিনের ক্রমাগত বর্ষণের কারণে জেলার অধিকাংশ নদ-নদী সমূহের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলায় গত ২৪ঘন্টায় ৮৪ সেঃ মিঃ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭/০৬/২০১৯ইং)বিকাল ৩টায় সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ৭:২৪ মি. রেকর্ড করা হয়েছে যা বিপদসীমা হতে ৪.০ সেমি উপরে জানিয়েছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোড।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোড নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক ভূঁইয়া থেকে জানা যায়,গত ২৪ ঘন্টায় সুনামগঞ্জ জেলায় ১৫০.০০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী চরয়েছে। তবে সুনামগঞ্জ জেলায় কোথাও আগাম বন্যার কোন খবর পাওয়া যায়নি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নিম্না ল প্লাবিত হতে পারে।
এবিষয়ে ২৭/০৬/২০১৯ তারিখ বিকাল ০৪:৩০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা আহবান করেন জেলা প্রশাসক। একই সাথে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা আহবানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জরুরী প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে(ফোন নং-০৮৭১-৬১৩৭৫)এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে অবস্থানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ।

বেনাপোল (যশোর) থেকে এম ওসমান: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র গুলিতে মনিরুল ইসলাম (৩৮) নামে  এক বাংলাদেশী গরুর রাখাল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ভারতে প্রবেশ কালে সে বিএসএফ’র গুলিতে আহত হয়। আহত যুবক বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামের গোলদার আলীর ছেলে।
পুটখালি বিজিবি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে পুটখালী সীমান্ত থেকে একদল গরু ব্যবসায়ি ভারতে প্রবেশকালে তাদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় তাদের ছোড়া গুলিতে আহত হয় মনিরুল। তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মনিরুলের চাচা লিয়াকত হোসেন যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার সত্যতা শিকার করেছেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) খুলনা-২১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ইমরান উল্লাহ সরকার পিবিজিএমএস বৃহষ্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মনিরুল নামে এক গরুর রাখাল ভারতীয় বিএসএফ এর গুলিতে আহত হয়েছেন। তিনি আরো জানান, পুটখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৭/৭ এস এর ১৩৪ আর পিলার এর নিকট দিয়ে গরু চোরাকারবারী মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৮) সহ ০৩ জন গরু চোরাকারবারী ভারতের অভ্যন্তরে আংড়াইল এলাকায় প্রবেশ করে। উক্ত চোরাকারবারীরা ভারত হতে ২ টি গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করলে আংড়াইল ক্যাম্পের বিএসএফ টহল দল অতর্কিত ঘটনাস্থলে হাজির হয় এবং তাদেরকে থামার সংকেত দিলে তারা পলায়নের চেষ্টা করে। পলায়নের পর চোরাকারবারীদের উপর বিএসএফ টহল দল ০১ রাউন্ড রাবার বুলেট ফায়ার করলে মোঃ মনিরুল ইসলাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্য দুইজন পালিয়ে যায়। আহত মনিরুল ইসলাম নদী সাঁতরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সকালে তার স্বজনদের সহায়তায় যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার নিমিত্তে গমন করলে খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) বিষয়টি অবহিত হয়। পরবর্তীতে খুলনা ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল যশোর সদর হাসপাতালে আহত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করে এবং সেই মোতাবেক অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার দায়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের করে।

বরগুনায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। বাসস

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যেকোনো মূল্যে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।’

গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা শহরের কলেজ রোডে সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামের দুলাল শরীফের ছেলে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে জখম করে একদল যুবক। তাকে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শরীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

দিনদুপুরে শতাধিক লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চন্দন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি নয়নসহ অন্যরা এখনো পলাতক রয়েছে। বুধবার রাতে চন্দনকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।

বরগুনা সদর থানা সূত্র জানায়, ঘটনার দিন বুধবার রাতেই বরগুনা সদরের আমতলা এলাকা থেকে চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি এ হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। সঙ্গে ডিবি পুলিশও মাঠে নেমেছে।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডার গার্টেনের সামনে শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এই হামলার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই দিন সকাল ১০টার দিকে নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে ৪-৫ জন সন্ত্রাসী রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এ সময় বারবার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

রিফাত বরগুনার বুড়িরচর ইউনিয়নের মাইঠা গ্রামের দুলাল ফরাজীর একমাত্র ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন রামদা হাতে রিফাতকে একের পর এক আঘাত করে চলছেন। এসময় রিফাতের স্ত্রী হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও পারছিলেন না। রিফাতকে বাঁচানোর জন্য তার স্ত্রী চিৎকার করলেও আশপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি। হামলাকারী যুবকরা রিফাতকে রক্তাক্ত করে সবার সামনে দিয়েই চলে যায়।

পরে স্থানীয়রা রিফাতকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় তার রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় চিকিৎসক বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে নেওয়ার পথে বিকাল ৪টার দিকে রিফাতের মৃত্যু হয়।

এলাকাবাসী বলছে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িতে নয়ন এলাকায় দাপটের সঙ্গে চলতেন। তিনি বন্ড নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

বরগুনা থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, নয়ন স্থানীয় কলেজছাত্রী মিন্নিকে ভালবাসতেন। দুই মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে রিফাত শরীফের বিয়ে হয়। তারপরও নয়ন ওই ছাত্রীকে নিজের স্ত্রী দাবি করে আসছিলেন। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার রিফাত শরীফের উপর হামলা চালায় নয়নসহ একদল যুবক।ইত্তেফাক

“বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন করা না গেলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে।
২৬ জুন বুধবার  জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান।  শেখ হাসিনা বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অধিবাসীরা অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের অনেক অভাব অভিযোগ রয়েছে। তাদের প্রত্যাবাসনে সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
‘মিয়ানমারের ১১ লাখের অধিক নাগরিকের জন্য অনির্দিষ্টকাল ধরে খাদ্য, পোশাক ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা আমাদের জন্য খুব কঠিন ব্যাপার,’ যোগ করেন তিনি।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের স্বেচ্ছায় আসেননি এখানে। সেদেশের সেনাবাহিনী তাদের জোর করে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করেছে। তাদের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক মানবিক সহায়তা জরুরি ছিল। আমরা তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় এনজিও’র সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের আমরা আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করছি।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যথাযথ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য চাপ অব্যাহত রেখেছে। আমরা বিভিন্ন ফোরামে বলেছি এসব বাস্তুচ্যুত জনগণের ফেরত মিয়ানমার সরকারের ওপর বর্তায় এবং তাদেরকেই উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, মিয়ানমার সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দৃশ্যমান কোনও অগ্রগতি হয়নি। উপরন্তু মিয়ানমার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে এবং বলছে, বাংলাদেশের অসহযোগিতার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে।
বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট প্রেরণ করেছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদের এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও আমরা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক দুইটি পথই খোলা রেখেছি।

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টার: সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী কমিউনিটির জন্য অনন্য সুনাম বয়ে আনার দ্বার উম্মুক্ত করলেন বাংলাদেশী বংশদূত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের মোহাম্মদ আকিফ জামান। তিনি সম্প্রতি লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগে পুলিশ অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে বাংলাদেশীদের জন্য এই সম্মান বয়ে আনলেন।তিনি বাংলাদেশী বংশদ্ভূত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের সন্তান যিনি লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগে  জানা মতে শ্রীমঙ্গল থেকে একমাত্র পুলিশ অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত জানা গেছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ অস্ত্র ছাড়াই ডিউটি পালন করে থাকে।
আকিফ জামান জানান,তার ইচ্ছে হলো তিনি কয়েকবছর লন্ডন পুলিশে কাজ করে যথাযথ সুনাম অর্জন করার পর এশিয়ান কমিউনিটি বিশেষ করে বাংলাদেশীদের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার।তার কাছে তার প্রিয় সবচেয়ে বড় প্রেরণা তার দাদী মমতাজ জালাল।

অভিবাদন জানাচ্ছেন আকিফ জামান

জানা যায়,তার দাদী মমতাজ জালালের পরিচয় হলো তিনি একজন স্বনামধন্য কবি ও সাহিত্যিক।শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজারে তার যথেষ্ট সুনাম ও পরিচিতি রয়েছে।

আকিফ জামানের গর্বিত বাবা মোহাম্মদ কামরুজ জামান একজন সফল ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ।তিনি সাউথ লনৃডন এলাকার আওয়ামীলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।তাছাড়া তিনি অর্পিংটন ওয়েলফেয়ার লন্ডন শাখার কোষাধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্যাটারার এসোসিয়েশনের সভাপতি।তার বাবার স্বপ্ন তিনি বাংলাদেশে তার জন্মস্থান এলাকার শ্রীমঙ্গলের জনগণের জন্য কাজ করতে আগ্রহী,যদি এলাকার মানুষ তার এই স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করে।
উল্লেখ্য মোহাম্মদ আকিফ জামান,মোহাম্মদ কামরুজ জামান জুয়েল ও সুজলা জামানের তৃতীয় সন্তান।তার আরো ১ ভাই ও ৩ বোন রয়েছেন।তার দাদার নাম মরহুম জালাল উদ্দিন আহমদ,দাদী কবি মমতাজ জালাল।তার গ্রামের বাড়ি শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৬ নং আশিদ্রোন ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের আশিদ্রোন গ্রামের (বড়বাড়ি)।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান শিক্ষক মোসাহিদ আলীর স ালনায় আলোচনায় অংশ নেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার পারভীন, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান, কমলকুঁড়ি সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, সাংবাদিক এম, এ, ওয়াহিদ রুলু, সাংবাদিক শাহীন আহমদ, মোনায়েম খান, আদিবাসী নেতা ভিম্পল সিংহ, চা- শ্রমিক নেত্রী গীতা রানী কানু প্রমুখ।

আলোচনা শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নের শ্রীকুটা গ্রামের মৃত রোশন আলীর কন্যা ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিত ভিকটিম বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামী করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত রবিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার শ্রীকুটা গ্রামে আহাদ মিয়ার বসতঘরে এ ঘটনাটি ঘটে। ভিকটিমের শোর চিৎকারে স্থানীয় আশপাশের লোকজনরা এগিয়ে আসলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। ভিকটিম বাদী হয়ে বুধবার সকালে ৩ জনকে আসামী করে চুনারুঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশো/০৩) এর ৯(১)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ২৬, তাং- ২৬/০৬/১৯ইং। মামলার আসামীরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার তেঘরিয়া (সিমেরগাঁও) গ্রামের আলাউদ্দিনের পুত্র জয়নাল মিয়া (৩০), শ্রীকুটা গ্রামের আন্নর আলীর পুত্র আশিক মিয়া (২০), জলিল মিয়ার পুত্র আহাদ মিয়া (২৪)।

মামলা রুজুর পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মোহাম্মদ মহিন উদ্দিন বুধবার দুপুরের দিকে শ্রীকুটা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামী শ্রীকুটা গ্রামের আন্নর আলীর পুত্র আশিক মিয়া (২০) ও হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার তেঘরিয়া (সিমেরগাঁও) গ্রামের আলাউদ্দিনের পুত্র জয়নাল মিয়া (৩০) দ্বয়কে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর আসামী আহাদ মিয়া পালিয়ে যায়। পরে তাদেরকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি কে.এম আজমিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে নির্যাতিত ভিকটিম সুবিচার পাওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc