Monday 17th of June 2019 01:12:31 AM

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরে পাওনা টাকা চাওয়ায় শহিদ উল্যা (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। সোমবার দুপুর ১২টায় আদমপুর ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কাউওয়ারগলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন। এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ মামলা দায়ের প্রস্তুুতি চলছে।
জানা যায়, আদমপুর ইউনিয়নের ফরিষ্ট অফিস সংলগ্ন কাউয়ারগলা গ্রামের শহিদ উল্যা (৬৫) একই গ্রামের প্রতিবেশী জমির উদ্দীনের ছেলে করিম মিয়ার কাছে কিছু টাকা পেতেন। সোমবার সকালে করিম মিয়ার কাছে ৪০ টাকা চাইতে গেলে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিবেশী করিম মিয়া ও আমির উদ্দিন মিলে বৃদ্ধকে মারধর করে রক্তাক্ত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত বৃদ্ধকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডা: আজিজুর রহমান মৃত ঘোষনা করেন।
আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করছে।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় নিহতের ছেলে আব্দুল মতিন বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের নৈশ প্রহরী আঃ মান্নানকে (৫০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাছিমদিয়ায় এসএম সুলতান সেতু এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ব্যাবহৃত মোটর সাইকেলটি লাশের পাশে পড়ে ছিল।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিকসূত্রে জানাগেছে, সংসারের খরচ বহন করতে নৈশ প্রহরীর চাকুরীর পাশাপাশি ভাড়ায় মোটর সাইকেল চালাতেন। রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোটর সাইকেলে যাত্রী নিয়ে সদর উপজেলার মির্জাপুরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নড়াইল শহরের এসএম সুলতান সেতু এলাকার জোড়া পাম্প সংলগ্ন আলমগীরের বাড়ীর কাছে আসলে তাকে বেপরোয়াভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দুবৃত্তরা। তবে মোটর সাইকেলটি নিতে পারেনি।
নিহতের গলায়, ঘাড়ে, বাম কাঁধে ও ডান ডান হাতের আঙ্গুলে কোপের চিহ্ন সহ শরীরে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।
বাশগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ দুর্বৃত্তৃরা মোটর সাইকেল ছিনতাইয়ের জন্য হত্যা করেছে নাকি বড় ধরনের কোন শত্রুতা ছিল তা এখনো বলা কষ্টসাধ্য। আশা করি পুলিশ প্রশাসন এ ব্যাপারে তদন্তের মাধ্যমে সঠিক তথ্য উদঘাটন করবে।’
নড়াইল সদর থানার এসআই মোঃ হাবিব জানান, নিহতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদও হাসপতাাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নিহত আব্দুল মান্নানের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের বল্লারটোপ গ্রামে। তার বাবার নাম ইয়াকুব আলী। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নড়াইল হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নৈশপ্রহরীর চাকুরী করেন। পরিবারে স্ত্রী, দুই ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলার গাজীরহাট বাজারে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে। রবিবার (৯ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কালিয়ার হামিদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোহাম্মদের (৫৫) সমর্থকেরা পার্শ্ববর্তী খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু মোল্যার (৫৭) ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আওয়ামী লীগ নেতা মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু জানান, গাজীaরহাট বাজার থেকে বাঘমারার বাড়িতে ফেরার সময় বাজারের মধ্যে গোলাম মোহাম্মদের সমর্থকেরা তার ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, গোলাম মোহাম্মদের সমর্থক কালিয়ার রামানন্দপুর গ্রামের হামিদ ভূঁইয়ার ছেলে টিংকু (৩২), ঝালু মুন্সীর ছেলে মিজাই মুন্সী (৪৫), সিলিমপুর গ্রামের মকবুল শেখের ছেলে আজিজুর (৪৫), বিষ্ণুপুর গ্রামের রস্তম শেখের ছেলে রুবেলসহ (৩৫) আরো কয়েকজন লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার (ঠান্ডু) ওপর হামলা চালায়। এ সময় ঠান্ডু পক্ষের লোকজন ঠেকাতে আসলে দিঘলিয়া উপজেলার বাঘমারা গ্রামের আলম মোল্যার ছেলে সাইফুল (২৭) ও কালিয়ার মচনন্দপুর গ্রামের নজির মোল্যার ছেলে ইফতেখার (৩০) গুরুতর আহত হন। তাদেরকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঠান্ডু মোল্যা রক্ষা পেয়েছেন।

তবে গোলাম মোহাম্মদের লোকজন এ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ঠান্ডু মোল্যার সমর্থকদের হামলায় তাদের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

কালিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গাজীরহাট বাজারে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সারী-গোয়াইনঘাট সড়কে লেগুনা সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘঠনাস্থলে নিহত ১, আহত ৪, প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতার সড়ক অবরোধ।
গতকাল ৯ জুন রবিবার সারী-গোয়াইন সড়কের কুরিহাই নামক স্থানে সিএনজি, লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৫ সদস্য দূর্ঘটনা কবলিত হলে ঘটনা স্থলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও ইউনিয়নের লাফনাউট (মইপুর) গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের শিশু কন্যা প্রিয়া আক্তার(১২)। আহতরা হলেন প্রিয়া আক্তারের মা ফরিদা বেগম(৩৫), সুফিয়ান আহমদ(১৬), রেজওয়ান আহমদ(১২) ও সাফায়াত হোসেন(১০), আহতদের জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

স্বজনদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ইসলাম উদ্দিন পরিবার নিয়ে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার চারখাই এলাকায় বসবাস করে আসছেন বেশ কিছুদিন থেকে ঈদুল ফিতর উদযাপনের জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে জন্ম মাটির টানে গ্রামের বাড়িতে ছুটে আসেন। আতœীয়-স্বজনের সাথে ঈদ উদযাপনের পর সিএনজি অটোরিক্সা দিয়ে চারখাইয়ে ফেরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় কবলিত হলে এলাকায় সুখের ছায়া নেমে আসে।

নাম্বার বিহীন গাড়ী ও অদক্ষ গাড়ী চালকের কারণে প্রতিনিয়ত সারী-গোয়াইনঘাট সড়কে দূর্ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় প্রশাসন এবিষয়ে কর্ণপাত না করায় স্থানীয় জনতা সারী-গোয়াইন সড়কের আলীরগাঁও ইউনিয়নের ধর্মগ্রাম এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রাখে। (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছে) এবং প্রিয়ার মৃতদেহ জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পড়ে রয়েছে।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এস আই নাছির উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- এলাকাবাসীর সমন্নয়ে রাস্তার অবরোধ প্রত্যাহারের চেষ্টা চলছে।

আত্রাইয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট এর একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট এর চার তলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

রবিবার সকালে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি ইসরাফিল আলম প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুল ইসলাম, রবীন্দ্র গবেষক মতিউর রহমান, ছাত্রলীগ সভাপতি মাহাদী মসনদ স্বরুপ, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির সোহাগসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জি এম সাইফুল ইসলামঃ অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে সাপ ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মুলত সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই কম এবং ঘরে গিয়ে দংশন করার প্রশ্নই আসে না।কোথায়ও সাপকে দেখলে তাকে তাকে চলে যেতে সুযোগ দিন, কোন সমস্যা হবে না।

ঘরে সাপ থাকার সম্ভাবনা থাকলে বিশেষ করে ইদুরের গর্ত থাকলে শুকনা মরিচ আগুনে পোড়া দিন। তাছাড়া বাজারে কার্বোলিক এসিড আছে, এগুলি বাড়িতে এনে বোতলসহ ঘরের মধ্যে রাখুন, সাপ চলে যাবে।

কাউকে সাপে দংশন করলে ওঝা বা বুদ্ধের কাছে না গিয়ে ১০০০ টাকা দিয়ে সাপের এন্টিভ্যানম ইনজেকশন দিন।ইনশাআল্লাহ সুস্থ্য হবে নিশ্চিত।

দংশিত ব্যাক্তির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাহস দেয়া। প্রয়োজনীয় সাহস না দিতে পারলে, রোগী হার্ট এটাকে মারা যাবে।সাপে দংশন করার পর ৭/৮ ঘন্টা পর্যন্ত রোগী বেঁচে থাকে, তাই ধৈর্য্য ধারণ করে দ্রুত ইনজেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কোন সাপে কামড় দিয়েছে সেটার পরিচয় জানা গেলে চিকিৎসায় কিছুটা সুবিধা হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন বেশী সময় নষ্ট না হয়।

বাংলাদেশের বিষাক্ত প্রায় সকল সাপের বিষ নষ্ট করার ইনজেকশন আবিস্কার হয়েছে। শুধুমাত্র রাসেল ভাইপার বা শংখচুড় সাপের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে। আর এই সাপ বাংলাদেশের রাজশাহী ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না।

সাপ যদি হাতে বা পায়ে কামড় দেয় তাহলে বাঁধন দিতে হবে। দংশিত স্থানের কিছুটা ওপরে দড়ি বা হাতের কাছে যা পান, তা দিয়েই বেঁধে ফেলুন। মনে রাখবেন বাঁধনটা যেন অস্থিসন্ধিতে যেমন কনুই, কবজি বা গোড়ালি এবং গলা বা মাথায় না হয়। যে দড়ি বা কাপড় দিয়ে বাঁধবেন তা যেন চওড়ায় দেড় ইঞ্চি হয়, কখনো তা যেন সরু সুতোর মতো বা রাবার ব্যান্ডের মতো না হয়। বাঁধনটি যেন খুব বেশি শক্ত না হয়। বাঁধনটি এমনভাবে দিতে হবে যেন একটা আঙুল ওই বাঁধনের মধ্য দিয়ে যেতে পারে। যদি বাঁধনটি শক্ত হয়, তাহলে ঢিলা করে দেবেন, তবে কখনোই তা খুলে ফেলবেন না। বাঁধনটি দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো রক্ত চলাচল বন্ধ রাখা। তবে বাঁধনটি একটানা ২০ মিনিটের বেশি একভাবে রাখবেন না। প্রতি ১০ মিনিট অন্তর তা আলগা করে দিতে হবে।

দংশিত স্থানটি পরিষ্কার পানি দিয়ে ধোবেন।

এবং জীবাণুমুক্ত ছুরি বা ধারালো ব্লেড দিয়ে দংশিত স্থান দুটোর প্রত্যেকটি সতর্কভাবে ১ সে. মি. লম্বা এবং ১ মি. মি. গভীরভাবে চিরে দিতে হবে।

চেরা স্থানে ছয় মিনিট মুখ দিয়ে চুষলে তিন-চতুর্থাংশ বিষ বেরিয়ে আসে। তবে ৩০ মিনিট চোষাই ভালো। মুখ দিয়ে চোষার ক্ষেত্রে যিনি চুষছেন তার মুখে কোনো ক্ষত থাকা চলবে না। চোষার জন্য রাবার বাল্ব কিংবা ইলেকট্রিক সাকার শ্রেয়।

বিষ চুষে বের করার পর দংশন স্থানে আয়োডিন টিংচার, কিংবা স্পিরিট লাগাতে হবে। স্থানটিতে এসিড কিংবা ফুটন্ত তেল দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মনে রাখতে হবে, সচেতনতাই পারে অনেকের জীবন বাঁচাতে।

এ মূহুর্তে সাপেরা ঠান্ডা বাতাসের জন্য বেশী বিচরণ করবে, তাই এ সময়ে মানুষ বেশী দংশিত হয়।আমার এ পোস্টটি যে কোনভাবে (শেয়ার করুন) মানুষদের জানিয়ে দিন। হতে পারে এভাবেই একটি মানুষ সচেতন হবে, এমনকি কেহ বেঁচেও যেতে পারে। অনলাইন থেকে সংগৃহীত।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc