Thursday 18th of July 2019 02:53:26 PM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে  সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন জামা বিতরণ করেছে স্থানীয় একদল শিক্ষিত যুবকদের সংগঠন “উৎসর্গ”। “উৎসর্গ” সংস্থার আয়োজনে আজ সোমবার (৩ জুন) বিকেল ৫টায় শহরের কলেজ রোডস্থ উদয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে নতুন জামা তোলে দেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন জামা বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল থানার নবাগত (ওসি) অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস ছালেক ও শ্রীমঙ্গল থানার (ওসি তদন্ত) সোহেল রানা এবং উদয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কবিতা দাস প্রমুখ।
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণে প্রেরণা সম্পর্কে “উৎসর্গ” এর সভাপতি মোঃ মহসিন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ঈদের আনন্দ সাধারণত শিশুদেরকে স্পর্শ করে বেশি।। আর তাদের এই আনন্দকে আরও একটু বেশি আনন্দময় করতে আমাদের একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিল এটি।
একই সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালমান হোসেন বলেন, “আমরা চেয়েছি ঈদের আনন্দ সকল শিশুর মাঝে ছড়িয়ে দিতে।। তাই প্রত্যেক বছরই আমরা এই ধরনের আয়োজন করে থাকি, ইনশা আল্লাহ্‌ আগামীতে আরও বৃহতাকারে করার চেষ্টা করবো।”
উল্লেখ্য,সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন জামা বিতরণ মুহুর্তে অতিথিগণকে অত্যান্ত আনন্দের সাথে তাদের হাতে জামার প্যাকেট গুলো তোলে দিতে দেখা গেছে।

“পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং রাজনীতির বিস্তর ফারাক রয়েছে। সেখানকার নিয়ম এখানে চলতে পারে না। বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখা ছেলের কর্তব্য বলেই ধরা হয়। বিয়ের পর স্বামীর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন স্ত্রী। যদি বিশেষ ক্ষেত্র না হয় তবে স্বামীকে অভিভাবকদের থেকে পৃথক করার জন্য মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করলে বিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী”

বাবা-মায়ের থেকে ছেলেকে আলাদা করতে চাইলে স্ত্রী’কে ডিভোর্স দিতে পারবেন হাজব্যান্ড। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের হিন্দু বিবাহ আইনে এই বিধান জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জাস্টিস অনিল দাভে এবং জাস্টিস এল নাগেশ্বর বলেন, বৃদ্ধ এবং ছেলের ওপর নির্ভরশীল বাবা-মায়ের থেকে স্বামীকে নিয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতে জোর করলে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী।

১৪ পাতার রায়ে বিচারপতিদ্বয় বলেন, ‘পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং রাজনীতির বিস্তর ফারাক রয়েছে। সেখানকার নিয়ম এখানে চলতে পারে না। বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখা ছেলের কর্তব্য বলেই ধরা হয়। বিয়ের পর স্বামীর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন স্ত্রী। যদি বিশেষ ক্ষেত্র না হয় তবে স্বামীকে অভিভাবকদের থেকে পৃথক করার জন্য মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করলে বিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী।’

বায়ে আরো বলা হয়, ‘অতীতে দেখা গিয়েছে স্বামীকে চাপ দিতে স্ত্রী আত্মহত্যার হুমকি বা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। যদি কোনো ক্ষেত্রে তিনি মারা যান তবে আইনি সমস্যায় জর্জরিত হতে হয় সেই ব্যক্তিকে। তার ক্যারিয়ার, পরিবার, সামাজিক সম্মান সব কিছু ছারখার হয়ে যায়। এ সব কিছুর কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত চাপের কাছে নতি করে নেন অনেকে। আর যাতে এই রকম ঘটনা না ঘটে তার জন্যই এই রায়ের বিধান করা হয়েছে।’

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট হল ভারতেরসর্বোচ্চ বিচারবিভাগীয় অধিকরণ ও ভারতের সংবিধানের অধীনে সর্বোচ্চ আপিল আদালত এবং সর্বোচ্চ সাংবিধানিক আদালত। ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সাংবিধানিক পর্যালোচনার অধিকারপ্রাপ্ত।ভারতের প্রধান বিচারপতি ও অপর ৩০ জন বিচারপতিকে নিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় গঠিত। এটির মৌলিক, আপিল ও উপদেষ্টা এক্তিয়ার রয়েছে। canvasemedia.com

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজধানী ঢাকার বংশাল  থেকে অপহৃত তানভীর হাসান (৮) নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক শিশু ছাত্রকে উদ্ধার করেছে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুস ছালেকের  নেতৃত্বে স্থানীয় থানার পুলিশের একটি দল।

আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার শহরতলী এলাকার সন্ধানী আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে  অপহরণকারীর খালার বাসা থেকে অপহৃত শিশু তানভীরকে উদ্ধার করা হয়েছে।শিশু তানভীর হাসান (৮) ওই এলাকার উজ্জ্বল সরকারের ছেলে। সে বংশালের একটি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।
শ্রীমঙ্গল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুস ছালেক আমার সিলেটকে জানান, রোববার রাত প্রায় দশটায় ঢাকার বংশাল এলাকা থেকে শিশুটিকে অপহরণ করা হয় সাথে সাথেই অপহৃত শিশু তানভীরের বাবা বংশাল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন এবং এই বিষয়ে ঢাকা থেকে আমাদের জানানোর পর ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটিকে আমরা শ্রীমঙ্গলের সন্ধানী  আবাসিক এলাকা থেকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। সেই সাথে অপহরণের সাথে জড়িত সন্দেহে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এলাকার বাসিন্দা মিলন মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।মিলন মিয়া সোনারগাঁও উপজেলার বাইশটেকি গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে। তিনি জানান অপহরণ কাজে তার সাথে আরো অনেকেই জড়িত থাকতে পারে ধারনা করা হচ্ছে। তবে তাদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

এস এম সুলতান খান,চুনারুঘাট থেকেঃ  বাংলাদেশ আওয়ামীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক তরুন রাজনিতীবিদ ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আরিফুল হাই রাজিব এর উদ্যোগে গত শনিবার বিকালে চুনারুঘাট ডাক বাংলোতে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আকবর হোসেন জিতুর সভাপতিত্বে ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মোঃ মানিক মিয়ার পরিচালনায়, এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মোঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী মোঃ আবু তাহের, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোঃ আঃ রহিম জুয়েল, উপজেলা সাবেক কমান্ডোর মোঃ আব্দুল গফফার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষণ এর সম্পাদক মোঃ আব্দুল আউয়াল চিতু, মোঃ ইমান আলী, সমাজসেবক সৈয়দ মোঃ নানু মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক কে এম আনোয়ার, আলহাজ্ব জিল্লুল কাদির লস্কর রিপন, সাইফুল আলম রুবেল, সি এন জি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদির সরকার,সাংবাদিক মোঃ নুরুল আমীন, সাংবাদিক এস এম সুলতান খান, সি এন জি মালিক সমিতির সেক্রেটারী মিজানুর রহমান সেলিম, কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ শাজাহান চৌধুরী, পৌর শ্রমীক লীগের সভাপতি মোঃ আমীর হোসেন, উপজেলা তাতীলীগের সভাপতি কবির খন্দকার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সৌকত,সারোয়ার আজাদ, রোমন ফরাজী, জোনাক আহমদ, আব্দুস ছালাম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক সোহেল আরমান, শাহজাহান সামী,ফুল মিয়া, সাহিদুল, কবির মিয়া, তারেক, মালেক বাবুল, ও রাসেল মিয়া প্রমূখ।

সৌদি আরব সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিনল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।স্থানীয় সময় রোববার রাত ১টা ৩০ মিনিটে লুফ্‌ৎহানজা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির উদ্যেশে রওনা দেন তিনি।খবর ইউএনবির।

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় চার ঘণ্টার যাত্রাবিরতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটির স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

ফিনল্যান্ড সফরকালে আগামী ৪ জুন দেশটির প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্টোর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৭ জুন পর্যন্ত ফিনল্যান্ডে থাকবেন তিনি।

১২ দিনব্যাপী ত্রিদেশীয় সফর (জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ড) শেষে আগামি ৮ জুন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমান।

আজ সোমবার সকালে উড্ডয়নের পরপরই পাখির সঙ্গে ধাক্কা লাগায় ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ মডেলের বিমানটি একই বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। তবে এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ সাংবাদিকদের জানান, বিজি ১৪৩৩ ফ্লাইটটি সোমবার সকাল ৮টায় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারে উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

তিনি বলেন, উড্ডয়নের পরপরই বিমানের ককপিটে থাকা ক্রু লক্ষ্য করেন বার্ড হিট হয়েছে। পরে পাইলট বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই জরুরি অবতরণ করান।

তবে জরুরি অবতরণের পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে অল্প সময়ের মধ্যেই ফ্লাইটটি পুনরায় কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে যায় বলেও জানান শাকিল মেরাজ।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৮ মে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সেরই আরেকটি ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ বিমান ৩৫ জন আরোহী নিয়ে মিয়ানমারের ইয়াংগুন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে যায়। এতে উড়োজাহজটি মাঝ বরাবর ভেঙে যায়, আহত হন বিমানটির অনেক যাত্রী।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল-ফুলতলা সড়কের ২৮কিঃ মিটারের মধ্যে প্রায় ১৭ কিঃমিঃ সড়ক চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ জায়গার কার্পেটিং উঠে বড় বড় গর্ত হয়েছে। রাস্তার সংস্কার না করে প্রায় ৩কিঃমিঃ ইটের সোলিং বোনা হয়েছে। আধা ঘন্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে এক ঘন্টার বেশী। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার ঈদ যাত্রী ভোগান্তি পোহাতে শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ে এ সড়কের ২ লেন বিশিষ্ট রাস্তার নির্মান কাজ শুরু না হওয়ায় এ ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
জানা গেছে, নড়াইল-গোবরা-খুলনার ফুলতলা সড়কটি এ অঞ্চলের একটি পুরোনো এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। খুলনার সাথে যোগাযাগ স্থাপনের জন্য নড়াইলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এ সড়কটি নির্মানের। এরই প্রেক্ষিতে জেলা মহাসড়কে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় এ সড়কে ২৮কিঃমিঃ ২ লেন বিশিষ্ট রাস্তা, ১টি সেতু এবং ১৯টি কালবার্টের নির্মান কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয় গত বছরের নভেম্বর মাসে। ১শ ১৭কোটি ৮৮লাখ ৫৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বৃহত্তর এ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও সম্প্রতি কাজের ওয়ার্ক ওর্ডার দেওয়া হয়েছে।
সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের মলয় সাহা এবং গোবরার পিযুষ বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কের সংস্কার কাজ হয়না। আর মাঝে মধ্যে সংস্কার কাজ হলেও এ কাজ বেশী দিন স্থায়ীত্ব হয়না। সবচেয়ে বেশী খারাপ এ সড়কের কাড়ার বিল, বড়েন্দার, কলোড়া, গোবরা, বড়কুলা, মির্জাপুর, রুখালি এবং চাকই। প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন বাহনে হাজার হাজার মানুষ কষ্ট স্বীকার করে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।
নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৗশলী মোঃ ফরিদ উদ্দীন জানান, ঈদের পূর্বে এ সড়কের ভাঙ্গাচোরা ও গর্ত বন্ধ করতে কিছু রুটিং ওয়ার্ক( সামান্য কিছু কাজ) করা হবে। এ সড়কের ২৮কিঃমিঃ কাজের ওয়ার্ক ওর্ডার সম্পন্ধসঢ়; হয়েছে। খুব শিগ্রই
এ সড়কের নির্মান কাজ শুরু হবে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ মাঈনুদ্দীন বাঁশি বলেন, দেড় মাস পূর্বে সেতু ও কালবার্ট এবং এক সপ্তাহ পূর্বে সড়কের কাজের ওয়ার্ক পেয়েছি। ঈদুল ফিতরের পর প্রথমে সেতু ও কালবার্টের কাজ শুরু হবে। সামনে বর্ষার কারনে রাস্তার কাজ শুস্ক মৌসুমে হাত দেয়া হবে। ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে সামগ্রিক নির্মান কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টর সড়ক ও জনপথ বিভাগ যশোর সার্কেল অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ সুরুজ মিয়া বলেন, এ সড়কের কাজের ওয়ার্ক ওর্ডার দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। মন্ত্রী অসুস্থ থাকায় ওয়ার্ক ওর্ডার দিতে দেরী হয়েছে বলে জানান।

মাশরাফি বিন মর্তুজার শেষ বিশ্বকাপের শুরুটা রাঙিয়ে তুলল টাইগাররা। প্রোটিয়া বধে বিশ্বকাপ শুরু করল। তাতে ঈদের আগে এই জয়ে জাতির ঈদ উপহারও যেন মিলে গেল। বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১ রানে হারিয়ে দিয়ে শুভ সূচনা করল মাশরাফিবাহিনী। ব্যাট হাতে মুশফিকুর রহীমের ৭৮, টানা চার বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করা সাকিব আল হাসানের ৭৫ রানের সঙ্গে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের অপরাজিত ৪৬ রানের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে ৩ উইকেট নেয়া মুস্তাফিজুর রহমান ও ২ উইকেট নেয়া সাইফউদ্দিনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে এই জয় মিলল।

লন্ডনে দ্য ওভাল ক্রিকেট মাঠে টস হেরে আগে ব্যাটিং করে মুশফিক, সাকিব, মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে সৌম্য সরকারের ৪২, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৬ ও মোহাম্মদ মিঠুনের ২১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ৫০ ওভারে ৩৩০ রান করল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। শুধু তাই নয়, ব্যাটসম্যানদের ঐক্যবদ্ধ নৈপুণ্য নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোরটিও করল বাংলাদেশ। এন্ডি পেহলুকওয়ায়ো, ইমরান তাহির ও ক্রিস মরিসরা ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানদের রুখতে পারেননি। বিশেষ করে তৃতীয় উইকেটে সাকিব-মুশফিক মিলে যে ১৪২ রানের জুটি গড়েছেন তা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যে কোন উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডও হয়ে থাকল। সাকিব-মুশফিকের জুটির পর শেষে গিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে যে মাহমুদুল্লাহ ও মোসাদ্দেক মিলে ৬৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়লেন, এতদূর যাওয়াতে এই জুটিই বিশেষ ভূমিকা রাখল। এত বড় রান তাড়া করতে গিয়ে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস (৬২) ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যান হাফ সেঞ্চুরির দেখা পাননি। আর তাই ৮ উইকেট হারিয়ে ৫০ ওভারে ৩০৯ রান করে হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা দ্বিতীয় হার হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। রেকর্ডের ম্যাচে এক উইকেট নিয়ে সাকিব আবার ২৫০ উইকেট ও ৫ হাজার রান করার অনন্য রেকর্ডও গড়েন।

বিশ্বকাপে বাজনা বেজেছে। সব ম্যাচে ৩০০ রানের ওপরে হবে। এমনকি ৩৫০, ৪০০ রানও অনায়াসে হতে পারে। এখানেই যত ভয় ছিল। বাংলাদেশ যদি এত বড় রানের চাপে পড়ে যায় তখন কী করবে? বাংলাদেশ চাপে পড়বে কি, উল্টো দক্ষিণ আফ্রিকাকেই চাপে ফেলে দিল। রবিবার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগেই চোট সমস্যায় জর্জরিত ছিল দল। কিন্তু ম্যাচের আগে সব চোটকে দূর আকাশে ঠেলে দিয়ে ঠিকই সেরা একাদশ খেলতে নেমে গেল। অস্বস্তি দূর করে এমনই স্বস্তি ফিরল, তার ছোঁয়া বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসেও লেগে গেল। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৫ সালে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ৩২৯ রান করেছিল বাংলাদেশ। সেটিই বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর ছিল। আর বিশ্বকাপে ২০১৫ সালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩১৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৪ উইকেটে ৩২২ রান করে ৬ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ছিল। এবার দুই রানকেই টপকে নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। এই রেকর্ডের দিনে জয়ের আনন্দেও ভাসল বাংলাদেশ।

দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং দেখেই মনে হচ্ছিল কাঁপছিল। এত বিশাল রান টপকে জিততে হবে, তাতেই যেন তাদের হাত পা কাঁপা শুরু হয়ে গিয়েছিল। ইংল্যান্ডের কাছে প্রথম ম্যাচে হারের পর আরেকটি ম্যাচ হারতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুরুতেই বিপদে ফেলে দিবে! এমন ভাবনা থেকে এতটাই সাবধানী হয়ে খেলতে থাকেন দুই ওপেনার কুইনটন ডি কক ও এইডেন মার্করাম ১০তম ওভারে গিয়ে ৫০ রান স্কোরবোর্ডে যোগ করেন। এই সময়ই আবার ছটফট করতে থাকা ডি কক (২৩) ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে রানআউট হয়ে যান। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে কককে স্টাম্পিং করে আউট করতে পারেননি মুশফিক। মুশফিকের হাত থেকে বল ফসকে একটু দূরে যায়। কক বল না দেখে রান নেবেন কিনা তাই বুঝতে পারেননি। এমন অবস্থায় দ্রুতই বল কুড়িয়ে নিয়ে স্টাম্পে আঘাত করে বেল ফেলে দেন মুশফিক। কক আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এই আউটেই যেন দক্ষিণ আফ্রিকার কম্পন বোঝা হয়ে যায়। কিন্তু পেশাদার দল। পেশাদার ক্রিকেটার। তারা জানে কিভাবে বিপদ দƒর করতে হয়। মার্করামের সঙ্গে অধিনায়ক প্লেসিস মিলে এমনই শান্তভাবে এগিয়ে যেতে থাকলেন ১৯ ওভারে দলকে ১০০ রানেও নিয়ে গেলেন।

দুইজন মিলে ৫৩ রানের জুটিও গড়ে ফেলেন। এমন সময়ই পঞ্চম ওভার করতে এসে স্পিন জাদু দেখিয়ে দেন সাকিব। মার্করামকে (৪৫) বোল্ড করে দেন। এই উইকেট পেয়ে সবচেয়ে কম ১৯৯ ম্যাচ খেলে ২৫০ উইকেট ও ৫০০০ রান করার রেকর্ড গড়লেন সাকিব। তিনি যে কেন বিশ্বসেরা ওয়ানডে অলরাউন্ডার ‘ব্রেক থ্রু’ এনে দিয়ে তা বুঝিয়ে দেন। শুরু থেকেই পেসের সঙ্গে স্পিনটাই বেশি কাজে লাগানো হয়। তাতে রানের গতিতে লাগাম টেনে রাখা যায়। চাপ তৈরিও হতে থাকে। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ‘সুপার এইটে’ দক্ষিণ আফ্রিকাকে গায়ানায় এভাবেই চাপে ফেলে ৬৭ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতি যেন ততক্ষণে তাজা হতে থাকে।

আবার সঙ্গে খানিক আশঙ্কাও থাকে। ডু প্লেসিসের মতো ব্যাটসম্যান যে উইকেটে থাকেন। তিনি আবার ধীরে ধীরে হাফ সেঞ্চুরিও করে ফেলেন। তবে প্লেসিসকে ৬২ রানের বেশি করতে দেননি মিরাজ। বোল্ড করে দেন। দলের ১৪৭ রানের সময় প্লেসিস আউটের পর যেন স্বস্তি ফিরে। তারপরও সাবধান থাকেন টাইগাররা। একটি বড় জুটিই যে সব ধ্বংস করে দিতে পারে।

হাশিম আমলা খেললে ডেভিড মিলার হয়তো একাদশে সুযোগ পেতেন না। মিলারকে বলা হয় ‘কিলার মিলার’। মিলার উইকেটে থাকেন। ফর্মহীনতায় ভুগছেন। কিন্তু যদি জেগে ওঠেন। যদি তার মরণফাঁদে পড়ে বাংলাদেশ? সেই ভয়ও থাকে। মিলার ও ভ্যান ডের ডুসেন মিলে এগিয়েও যেতে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৩৪ রানের টার্গেটে জেতার রেকর্ডও আছে। তবে বিশ্বকাপে ৩০০ রানের বেশি টার্গেট নিয়ে জিততে পারেনি প্রোটিয়ারা। তাতে স্বস্তি থাকে। কিন্তু অস্বস্তিও মিলতে থাকে। মিলার কিংবা ডুসেনকে যে আউটই করা যাচ্ছিল না। নিজের পঞ্চম ওভারে ফিরে মিলারকে আউট করার সুযোগও তৈরি করেন মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু সঠিক স্থানে না থাকায় ৩১ রানে থাকা মিলারের ক্যাচটি থার্ড ম্যানে ধরতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ। মাশরাফির চোখেমুখে বিরক্তির ছাপ দেখা যায়। এমন মুহূর্তে যেন বাংলাদেশ ফিল্ডারদের মধ্যেও একটু ঘাটতি দেখা যেতে থাকে। ৩৫ ওভারে ২০০ রান করে ফেলায় প্রোটিয়ার ব্যাটসম্যানরাও যেন একটু রিদমে ফিরেন। মিলার ও ডুসেন মিলে ৫০ রানের জুটিও গড়ে ফেলেন।

মিলার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকেন। এমন মুহূর্তেই মুস্তাফিজ নিজের চমক জাগিয়ে তুলেন। মিলারকে (৩৮) আউট করে দেন। দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে তখন আবারও আত্মবিশ্বাসের ছোঁয়া লাগে। ডুসেনকেও একবার রান আউটের সুযোগ মিলে। কিন্তু করা যায়নি। মহাচাপে থাকে প্রোটিয়ারা। ৩৮তম ওভারের প্রথম বলে মুস্তাফিজ ডুমিনিকে এলবিডব্লিউ করেন। আম্পায়ার পক্ষেও সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান ডুমিনি। একই ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে গিয়ে ডুসেন যে মুস্তাফিজের দুই বলে ছক্কা, চার হাঁকান, রানের গতি যেন সেখান থেকেই বাড়তে শুরু করে দেয়।

সাইফউদ্দিন নিজের চতুর্থ ওভার করতে এসে এমনই ঝটকা দেন, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হিলিয়ে দেন। ডুসেনকে (৪১) বোল্ড করার সঙ্গে মেডেন ওভারও করেন। আবার যেন চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডুমিনি-ডুসেন মিলে ভোগাতে থাকেন। সাইফউদ্দিন সেরা ওভার করে তা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেন। এই জুটি ভাঙ্গা খুব জরুরী ছিল। সেই জরুরী কাজটি করে দেন সাইফউদ্দিন। নিজের পরের ওভারে আবার পেহলুকওয়ায়োকেও (৮) সাজঘরে ফিরিয়ে আসল কাজটিই করে দেন এ পেস অলরাউন্ডার। ২৫২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা হারের খপ্পরেও যেন পড়ে যায়।

একটা সময় গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জিততে ৩০ বলে ৬৩ রান লাগে। হাতে থাকে ৪ উইকেট। উইকেট ফেলতে পারলেই জেতা খুব সহজেই সম্ভব। মুস্তাফিজ বল করতে এসে ক্রিস মরিসকে (১০) আউট করে দেন। ৭ উইকেট পড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের জয় পেতে যেন অপেক্ষা তৈরি হয়ে যায়। মুস্তাফিজ যখন ডুমিনিকেও (৪৫) বোল্ড করে দেন তখন থেকেই যেন ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ রব ওঠে। আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন দেশবাসী। ২৮৭ রানে ডুমিনি আউটের পর শেষ পর্যন্ত ৩০৯ রানের বেশি করতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে যে কম্পন তৈরি করবে এবার তার আলামতও দিয়ে দিল।

ম্যাচের শুরুটা হয় দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসের টস জেতা দিয়ে। টস জিতে ফিল্ডিং নেন। তিনি মনে করেছিলেন উইকেট যতই ব্যাটিংনির্ভর হোক; পেস, গতি আর বাউন্সের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানদের খাদের কিনারায় ফেলবেন। শর্ট বলেই কাত করে দেবেন। বাংলাদেশকে অল্পতে বেঁধে ফেলবেন। পরিকল্পনা কিছুটা পথ পর্যন্ত কাজেও দেয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী তা বুমেরাং হয়। শুরুতেই দ্রুত রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। মাঝপথে একটু তাতে বিঘ্ন ঘটে। আবার মাঝ থেকে শেষ পর্যন্ত রানের গতি সচল থাকে। তাতেই ৩০০ ছাড়ানো রান স্কোরবোর্ডে অনায়াসে যোগ হয়ে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামার আগে চরম অস্বস্তি যে ছিল তাও দূর হয়ে যায়। তামিম ইকবাল কব্জির পুরো না সারতেই দলের প্রয়োজনে ব্যাট হাতে নেমে পড়েন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও পিঠের ব্যথা দূর করে খেলেন। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জেতা ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ, সেখান থেকে শুধু একজনকে বদল করে একাদশ সাজায় মাশরাফিবাহিনী। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সাব্বির রহমান রুম্মনকে একাদশের বাইরে রেখে সাকিব আল হাসানকে ঢুকানো হয়।

ক্রিকেটারদের চোট বিপদেই ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ দলকে। শঙ্কায় ফেলে দিয়েছিল। সেরা একাদশ গঠন করাই কঠিন হয়ে পড়েছিল। অবশেষে সব বিপদ, শঙ্কা দূর করে সেরা একাদশই গঠন হলো। টস হওয়ার পর খেলাও শুরু হলো যথাসময়েই (বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে তিনটায়)। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা সবুজ-লালে ঘেরা জার্সি পড়েও খেলতে নামে।

শুরুটাও হয় দুর্দান্ত। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার অসাধারণ ব্যাটিং করতে থাকেন। তামিম যে কব্জিতে ব্যথা পেয়ে মুহূর্তেই তা সারিয়ে ব্যাটিং করতে নামেন। কি স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ব্যাটিং করছিলেন। ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকেন। সৌম্য সুযোগ বুঝেই বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন। দেখতে দেখতে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডেও ৬০ রান যোগ হয়ে যায়। ৮ ওভারেই এই রান যোগ হয়। কিন্তু এমন মুহূর্তে তামিম যেন খেই হারিয়ে ফেলেন। অস্বস্তি যেন তাকে ঘিরে ধরে। এতটা সুন্দর শুরুর পর আর এগিয়ে যেতে পারলেন না তামিম। পেহলুকওয়ায়োর চৌকস বোলিংয়ের সামনে নত হতে হয় তামিমকে (১৬)। যেমনটি মনে করা হয়েছিল, ব্যথা নিয়ে আর কতদূর এগিয়ে যেতে পারবেন তামিম। তাই হলো।

তামিম আউট হতেই বিশ্বসেরা ওয়ানডে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ব্যাট হাতে নামলেন। ২০১১, ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর তৃতীয় বিশ্বকাপ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হিসেবে খেলতে নামলেন সাকিব। যা আগে কোন ক্রিকেটার এমন কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। সাকিব তা করে দেখালেন। সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৫ রান করতেই সব সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়ে ১১ হাজার রানও করলেন সাকিব।

সৌম্যের সঙ্গে সাকিবও পথ চলাটা মসৃণ করে নিচ্ছিলেন। কিন্তু এবার সৌম্যই উইকেটে আর টিকে থাকতে পারলেন না। দক্ষিণ আফ্রিকা বোলাররা একের পর এক শর্ট বল করবেন। বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতায় আঘাত করবেন তা জানাই ছিল। কিন্তু তারপরও একের পর এক সাফল্য মিলতে থাকে প্রোটিয়া বোলারদের। এবার ক্রিস মরিস শর্ট বলে সৌম্যকে (৪২) সাজঘরের পথ দেখান। দলের ৭৫ রানের সময় যে পথে সৌম্য চলতে থাকেন, বাংলাদেশ দল বিপত্তি দেখতে থাকে।

শুরুটা যেভাবে হয়, সেই গতি কমে যেতে থাকে। শুরুটা দ্রুত হলেও ১০০ রান হতে ১৬ ওভার লাগে। দল চাপে পড়ে থাকে। সেই চাপ থেকে দলকে মুক্ত করতে সাকিব ও মুশফিকুর রহীম হাল ধরেন। ২৪তম ওভারে গিয়ে দলকে ১৫০ রানেও নিয়ে যান। সাকিব ও মুশফিক মিলে হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং দলকে শতরানের জুটিও ততক্ষণে উপহার দিয়ে ফেলেন। দুইজন মিলে এমনভাবে ব্যাটিং করতে থাকেন, প্রোটিয়া বোলারদের পাত্তাই দেন না। মনে হতে থাকে ৩৫০ রান করাও কোন ব্যাপার না!

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কখনই বাংলাদেশ ৩০০ রান বা তারবেশি রান স্কোরবোর্ডে যোগ করতে পারেনি। ২০১৭ সালে কিম্বার্লিতে ২৭৮ রান যে করেছিল বাংলাদেশ, সেটিই প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে রবিবারের ম্যাচের আগ পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোর ছিল। সাকিব-মুশফিক মিলে এমন খেলাই খেলছিলেন, আউট করার মতো কোন সুযোগই দিচ্ছিলেন না। কোন ঝুঁকিতে না গিয়ে স্কোরবোর্ডে রান তুলছিলেন। সেটিও আবার গতি বজায় রেখেই।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে দুইজন ব্যাটসম্যানই পাঁচ শ’ রানের মালিক ছিলেন। সাকিব ও মুশফিক। এই দুইজনই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভোগাতে থাকেন। সাকিব ও মুশফিক দুইজনই সমান তালে এগিয়ে যেতে থাকেন। দুইজন সেঞ্চুরির কাছে চলে যেতে থাকেন। কিন্তু সাকিব সেই সেঞ্চুরির দেখা পেলেন না।

দলের ২১৭ রান হতেই ৭৫ রান করা সাকিব আউট হয়ে যান। ইমরান তাহিরের ঘূর্ণির ফাঁদে পড়ে বোল্ড হয়ে যান। তাতে সাকিব-মুশফিকের ১৪২ রানের রেকর্ড জুটি ভেঙ্গে যায়। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেরা জুটি হন সাকিব-মুশফিক। কিন্তু আর দূরে এগিয়ে যেতে পারেননি সাকিব। তবে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ থেকে টানা চার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমেই হাফ সেঞ্চুরি করা দেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান এখন সাকিব। এবার মোহাম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন মুশফিক। মিঠুনের যেন কি হয়েছে। ব্যাটিং ঝলক আর দেখা যাচ্ছে না। ২১ রান করে তাহিরের বলে বোল্ড হয়ে মিঠুনও সাজঘরে ফেরেন। ততক্ষণে দল আড়াই শ’ রানের কাছে চলে যায়।

মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ মিলে এবার ইনিংস শেষ করে আসবেন মনে করা হলো। মুশফিক আউট হয়ে গেলেন। সাকিব না পারলেও মুশফিক সেঞ্চুরি করবেন ধারণা করা হলো। কিন্তু মুশফিকও পারলেন না। পেহলুকওয়ায়োর বলে ৮০ বলে ৮ চারে ৭৮ রান করে আউট হয়ে যান মুশফিক। দলের আড়াই শ’ রান হতেই মুশফিকের আউটের পর মাহমুদুল্লাহ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতই ভরসা হয়ে থাকেন।

দুইজন মিলে দলকে ৩০০ রানেও নিয়ে যান। দেখতে দেখতে দল ৩১৬ রানেও চলে যায়। মাহমুদুল্লাহ ও মোসাদ্দেক মিলে ৬৬ রানের মূল্যবান জুটিও গড়েন। দলের ৩১৬ রানের সময় মোসাদ্দেক (২৬) আউট হলেও মাহমুদুল্লাহ ঠিকই শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকেন। ৩৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৪৬ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। দলও শেষ পর্যন্ত ৩৩০ রানের মতো বড় স্কোরই গড়ে। রেকর্ড রান গড়ে বাংলাদেশ। যে রান দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়। তাতে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের পর ফাইনালে এবং সর্বশেষ শিরোপা জেতার যে স্বপ্ন, তার শুরুটা দুর্দান্ত হলো। নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ম্যাককালাম ও ভারতের ধারাভাষ্যকার মাঞ্জরেকার যে বাংলাদেশকে নিয়ে উপহাস করেছেন তারও উচিত জবাব প্রথম ম্যাচেই দেয়া হয়ে গেল। প্রোটিয়া বধে বিশ্বকাপের সূচনাও অসাধারণভাবে করে ফেলল টাইগাররা।জনকণ্ঠ  অবলম্বনে

আবেদনকারীদের ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহৃত নাম এবং গত পাঁচ বছর যাবত ব্যবহার করছে এমন ই-মেইল এবং ফোন নম্বর জমা দিতে হবে।

গত বছর যখন এই নিয়মের প্রস্তাব করা হয়, তখন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হিসেব করে দেখেছিল যে এর ফলে এক কোটি ৪৭ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করবে। কূটনীতিক এবং সরকারী কর্মকর্তাদের ভিসার ক্ষেত্রে সবসময় এই কঠোর ব্যবস্থা নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কিংবা পড়াশোনার জন্য যারা যেতে আগ্রহী তাদের তথ্য জমা দিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্পর্কে কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দেয় তাহলে তাকে অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

তবে কেউ যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার না করে তাহলে সেটি উল্লেখ করার সুযোগ থাকবে ভিসা আবেদন ফর্মে। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে দেখা গেছে যে সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ডের জন্য একটি ক্ষেত্র হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের বাছাই করা সম্ভব হবে বলে কর্মকর্তারা মনে করেন। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন এ নিয়মের প্রস্তাব করে।
সে সময় আমেরিকার একটি মানবাধিকার সংস্থা আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন বলেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নজরদারী করে কোনো কার্যকর কিছু হয়েছে এমন প্রমাণ নেই। সংস্থাটি বলেছে, এর ফলে মানুষ অনলাইনে তাদের মতপ্রকাশের বিষয়টি নিজে থেকেই সীমিত করে ফেলবে।বিবিসি

স্টাফ রিপোর্টার,ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ৩১ শে মে ২৬ শে রমজান শুক্রবার বিকেলে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে আলোচনা সভা ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও থানা বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক সুকুমার রায়,সহ সভাপতি মোঃ আব্দুর রসিদ, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান,সাংগঠনিক সন্পদক মোঃ লাবু রহমান, নির্বাহী সদস্য বকুল চন্দ্র রায়,ইউপি সদস্য মোঃ সামিউল হক সাংবাদিক মোঃ আবদুর রহমান প্রমুখ।
পরে বক্তব্য শেষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল করা হয়।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে সামাজিক সংগঠন “আস্থা” এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে এতিম কন্যা শিশুদের ঈদের নতুন পোষাক উপহার তুলে দেয় এসোসিয়েশনের সভাপতি নাঈম হোসেন ও সাধারন সম্পাদক আরিফুল ইসলামসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ। ঈদ উপলক্ষে নতুন পোষাক হাতে পেয়ে এসব শিশুদের চোখে দেখা দেয় আনন্দাশ্রু ।
রবিবার সকালে উপজেলার বান্দাইখাড়া মধ্যপাড়া হযরত আয়েশা (রাঃ) মহিলা নুরানী হাফেজিয়া মাদ্ররাসা ও লিল্লাহ বোডিং এর ১৪জন এতিম কন্যা শিশুর মাঝে নতুন পোষাক দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ ফিরোজ হোসেন, মাসুদ রানা, সোহেল রানা, কামরুল, মাসুম প্রমুখ।

মাদ্রাসার সুপার ফিরোজ হোসেন বলেন আস্থার মত অন্যরাও যদি এগিয়ে আসেন এই এতিম শিশুদের সহায়তা করেন, আর একটু ভাল থাকতে পারে, হতে পারত অধিকতর সুখি।

আস্থা এসোসিয়েশন এর সভাপতি নাঈম হোসেন বলেন, গরিব অসহায় ও এতিম শিশুদের হাতে একটি নতুন পোষাক তুলে দেওয়ার আনন্দটাই অন্য রকম। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস এতিম শিশুদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করেছি মাত্র। আগামীতে “আস্থা” এসোসিয়েশন এতিম ও পথ শিশুদের নিয়ে ব্যাপক পরিসরে কাজ করবে এমন প্রত্যাশা তাঁর।

এস এম সুলতান খানঃ বাংলাদেশ আওয়ামীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক তরুন রাজনিতীবিদ ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আরিফুল হাই রাজিব,শনিবার বিকালে চুনারুঘাট ডাক বাংলোতে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আকবর হোসেন জিতুর সভাপতিত্বে ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মোঃ মানিক মিয়ার পরিচালনায়, এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মোঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী মোঃ আবু তাহের, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোঃ আঃ রহিম জুয়েল, উপজেলা সাবেক কমান্ডোর মোঃ আব্দুল গফফার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষণ এর সম্পাদক মোঃ আব্দুল আউয়াল চিতু, মোঃ ইমান আলী, সমাজসেবক সৈয়দ মোঃ নানু মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক কে এম আনোয়ার, আলহাজ্ব জিল্লুল কাদির লস্কর রিপন, সাইফুল আলম রুবেল, সি এন জি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদির সরকার।

আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মোঃ নুরুল আমীন, সাংবাদিক এস এম সুলতান খান, সি এন জি মালিক সমিতির সেক্রেটারী মিজানুর রহমান সেলিম, কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ শাজাহান চৌধুরী, পৌর শ্রমীক লীগের সভাপতি মোঃ আমীর হোসেন, উপজেলা তাতীলীগের সভাপতি কবির খন্দকার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সৌকত,সারোয়ার আজাদ, রোমন ফরাজী, জোনাক আহমদ, আব্দুস ছালাম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক সোহেল আরমান, শাহজাহান সামী,ফুল মিয়া, সাহিদুল, কবির মিয়া, তারেক, মালেক বাবুল, ও রাসেল মিয়া প্রমূখ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত সাত জনের প্রত্যেকের পরিবারকে সুনামগঞ্জের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ হাজার করে টাকা প্রদান হয়েছে।
রবিবার বিকালে নিহতদের প্রত্যেকের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি,সুনামগঞ্জ- ৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক,সুনামগঞ্জ-১আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন,জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হারুন অর রশীদ,পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান,সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল,দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সফি উল্লাহসহ অন্যান্যরা। এসময় শোকাহত পরিবারে সদস্যদের শান্তা দেন সবাই।
উল্লেখ্য,রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কের পাথারিয়া-গণিগঞ্জ এলাকায় বাস-লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭লেগুনা যাত্রী নিহত হয়েছে। এসময় বাস ও লেগুনা সড়কের দুপাশে ছিটকে পড়ে যায়।
নিহতরা হল,দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের দূর্বকান্দা গ্রামের ইষ্টু মিয়ার ছেলে মোঃ সাগর মিয়া (১৬),একই উপজেলার গাগল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে মোঃ মিলন মিয়া (১৭),মোঃ আলীর ছেলে মোঃ আফজাল মিয়া (১৭),শাল্লা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মনিন্দ্র কুমার দাশের ছেলে মিতেশ দাস(২৫),ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কুটি পাড়া গ্রামের নারায়ন চন্দ্র সাহার ছেলে শিপন কুমার সাহা (৩৩),দিরাই উপজেলার রাফি নগড় ইউনিয়নের সিচনী গ্রামের মোঃ ফুল মিয়ার ছেলে ফজল করিম ও লেগুনার চালক জয়কলস ইউনিয়নের ঘাগলি গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মোঃ রোমান (২৮)।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc