Tuesday 21st of May 2019 08:23:12 AM

প্রেস বার্তাঃ গত ২রা মে রোজ বৃহস্পতিবার শ্রীমঙ্গলের ভৈরবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে অশেস্কা কর্তৃক আয়োজিত হয় ‘মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ’ অনুষ্ঠান।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৫নং কালাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মুজুল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভৈরবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু সুধাংশু শেখর পাল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অশেস্কার সভাপতি আয়ান রহিম, সহ-সভাপতি আল-আমিন রুবেল, সচিব মুহিবুর রহমান সাহান, কোষাধ্যক্ষ মাহবুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম সাকিব এবং অশেস্কার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। ভৈরবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক অবস্থান এবং পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে ২৫ জন শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নেয় অশেস্কা। এই শিক্ষার্থীদের পুরো বছরের বেতন, পরীক্ষার ফিস, খাতা-কলমসহ সকল শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহায়তা করবে অশেস্কা।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় অশেস্কার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন ৫নং কালাপুর ইউনিয়নে এই প্রথম কোনো সংগঠন এ ধরনের কার্যক্রম করেছে যা সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে। এ ধরনের কার্যক্রম উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকে তরাণ্বিত করবে। যা বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায়  ভূমিকা রাখবে। অশেস্কা একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। এই সংগঠনের কার্যক্রমগুলো আরো প্রসারিত করতে অশেস্কা সমাজের বিত্তবানদের পাশে চায়।তাই আমরা বলবো-২৫জন শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিয়েছে অশেস্কা,আপনিও পারেন।

যোগাযোগের ঠিকানা :

 অশেস্কা ,

ভৈরবগঞ্জ বাজার

শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

মোবাইল: ০১৭৪৯-৫৭৪৪২৫

ফেসবুক পেইজ: Oshesca

E-mail: oshesca@hotmail.com

এস এম সুলতান খান চুনারুঘাট থেকে: চুনারুঘাটের সকলের পরিচিত প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক আকসির মিয়াকে ১৫ দিন যাবৎ ভিক্ষা করতে না দেখে, চুনারুঘাট থানার ওসি খোঁজ নিয়ে জানলেন সে বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় আছে আজ রোববার দুপুরে তার পরিবারের জন্য ৩টি দেশী মুরগী,১টি রুই মাছ,৫০ কেজী চাউল ও নগদ ১০০০ টাকা নিয়ে বাড়িতে চলে যান চুনারুঘাটের মানবতাবাদী ওসি কে এম আজমিরুজ্জামান।
আকসির মিয়া তখন কেঁদে ফেলেন…..বলেন স্যার কোনদিন কোন ওসি সাব আমার বাড়িতে এভাবে আসেননি।তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যাতে পবিত্র মাহে রমজানের রোজা পালন করতে পারে সে জন্য তিনি খাদ্যসামগ্রী দিয়েছেন ।
ওসি কে এম আজমির বলেন,আমরা সকলেই আমাদের চারপাশের ২/১জন অসহায় লোকের সহযোগীতা করি, তাহলে দেখবেন সমাজের সকলেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধে চলছে।
তিনি সবাইকে আহবান জানিয়ে বলেন আসুন সকলে মিলে পবিত্র রমজান মাসে নিজ নিজ সমর্থ মোতাবেক আস-পাশের অসহায় দরিদ্রদের পাশে দাড়াই এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরসভার হাতুন্ডা এলাকার নিশিকান্ত শীল নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর ছোট ভাই রনজিৎ শীলের পালিত (মা) কে বিভিন্ন প্ররোচনা দিয়ে জমি আত্মসাৎ করে এ জমি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। পাওয়া তথ্য মতে, নিশিকান্ত শীলের ছোট ভাই রনজিৎ শীল ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ওনার আসল মা মারা যান। মারা যাওয়ার পর নিশিকান্ত শীলের পিতা জিতেন্দ্র শীল ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু পুত্র রনজিৎ শীল কে দত্তক দিয়ে দেন। পালিত মা ঊর্মিলা রানী শীলের নেই পুত্র সন্তান। উনার ৩ মেয়ে। রনজিৎ লেখাপড়া চলাকালে মারা যান ওনার স্বামী সতীশ চন্দ্র শীল। তখন তিনি অসহায় হয়ে পড়েন। দেখার মত কেউ ছিল না। এমতাবস্থায় সিলেট গোয়ালাবাজারে এক লোকের সহযোগিতায় রনজিৎ কে সেলুনের কাজ শিখার জন্য পাঠানো হয়। সেখানে কাজ শিখে সামান্য বেতনে সংসারে হাল নিলেন রনজিৎ।

হঠাৎ একদিন প্ররোচনা দিয়ে পৌরসভার হাতুন্ডায় বসবাসরত ৩ ভাই রনজিৎ কে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। রনজিৎ কে বিদেশে পাঠানোর নাম করে টাকা দাবি করে চাপ দিতে থাকেন। এমতাবস্থায় তিনি বাধ্য হয়ে নিশিকান্ত শীলকে ১ কানি জমি বিক্রি করে টাকা দেন। বর্তমান এই জমির মূল্যে ৯ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। এই জমির টাকা পেয়ে নিশিকান্ত শীল চুনারুঘাট বাজারে কাপড় দোকান দেন এবং রনজিৎ এর পালিত মা কে বলেন, বিদেশে যাওয়া বাতিল হয়ে গেছে। অসহায় মা নিশিকান্ত শীলের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি আর টাকা ফেরত দেননি। বরং জোরপূর্বক ভাবে উনার সমস্ত জমি আত্মসাৎ করে নেয়।

ঊর্মিলা রানী শীল জানান, ১৯৯৮ ইং সনে আমাকে বিভিন্ন প্ররোচনা দিয়ে নিশিকান্ত শীলের বাড়িতে নিয়ে যান। তার বাড়িতে নিয়ে আমাকে ঝিয়ের মত কাজ করিয়াছেন। আমাকে রনজিৎ ভরণ-পোষন দেন বলে নিশিকান্ত শীল সহ তার ছোট ভাইয়ের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করতো। আমার ছেলে ও ছেলের বউকে বিভিন্ন যন্ত্রণার শিকার হতে হয়েছে। নিশিকান্ত শীলের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে অসহায় মা বুক ভরা আশা নিয়ে চুনারুঘাট পৌরসভার মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসুর নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন।

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: চুনারুঘাট পৌর শহরের বাল্লা রোডস্থ  কথিত ভূয়া ডাঃ প্রদীপ চন্দ্র নাথের সনদপত্রসহ সকল কাগজ পত্র  উপজেলা প্রশাসন জব্দসহ চেম্বারে তালা দেয়। এর পর থেকে  প্রদীপ দৌর ঝাপ শুরো করেছে। এনিয়ে সচেতন মহলের মাঝে গুঞ্চন শোরু হয়েছে। গত ৬ মে সকাল ১১ টায় চুনারুঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স ম আজহারুল ইসলাম  ভূয়া ডাঃ প্রদীপ কুমার নাথের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে   ভ্রাম্যমাণ  আদালত এর মাধ্যমে তার সকল কাগজ পত্র জব্দ করেন এবং চেম্বারে তালা ঝুলিয়ে  দেন।
এর পর থেকে প্রদীপ দৌর ঝাপ শুরো করে। সে দির্ঘদীন যাবত ডাক্টার সেজে  ফার্মেসীর নামে অপচিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে। ভূয়া ডাক্টার নাম দারী অপচিকিৎসকদের বিরুদ্বে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জেন সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সু দৃষ্ঠি কমনা করছেন, চুনারুঘাটের সচেতন মহল।

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ৬৫ অভিবাসীর মধ্যে বেশির ভাগই বাংলাদেশি। এছাড়া ওই নৌকাডুবিতে যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়, তার ১৪ জনই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট।

দুর্ঘটনার শিকার নৌকাটি গত বৃহস্পতিবার লিবিয়ার জুয়ারা শহর থেকে ইতালির উদ্দেশে রওনা দেয়। এর মধ্যে গভীর সাগরে যখন তাঁদের বড় নৌকা থেকে ছোট নৌকায় তোলা হয়, তার কিছুক্ষণ পরই সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মুখে নৌকাটি ডুবে যায়।

তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বলেন, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ৭৫ জনের বেশি আরোহী ছিলেন। তাঁদের সবাই পুরুষ। তাঁদের মধ্যে ৫১ জনই বাংলাদেশি। তিউনিসিয়ার জেলেরা নৌকার আরোহীদের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করেন। তাঁদের মধ্যে ১ শিশুসহ ১৪ জন বাংলাদেশি। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা এখন তিউনিসিয়ার জারজিস শহরে হাসপাতালে রয়েছেন।

তিনি বলেন, “সাগরে বড় নৌকা থেকে তাদের ছোট একটি নৌকায় ঠাসাঠাসি করে তোলা হয়েছিল। এসময় অতিরিক্ত ভারে নৌকাটি ডুবে যায়।”

মঙ্গি স্লিম জানান, “উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা বলেছেন, রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অন্তত আট ঘণ্টা তারা সাগরের ঠাণ্ডা জলে ভাসছিলেন। জেলেরা তাদের দেখে উদ্ধার করে। যদি জেলেরা জীবিত অভিবাসীদের দেখতে না পেতেন তাদেরও সলিল সমাধি হতো। সেখানে যে নৌডুবি হয়েছে এ কথা আমরা কখনো জানতেও পারতাম না।”

লিবিয়ার ত্রিপোলিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ সিকান্দার আলী বলেন, তাঁরা দুর্ঘটনার কথা জানেন এবং তিউনিসিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব তাঁরা জারজিজে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি আরো বলেন, লড়াই চলার কারণে সড়কপথে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে তাঁদের আকাশপথে যেতে হবে।

শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনএইচসিআর ভূমধ্যসাগরে এমন ভবিষ্যত ট্রাজেডি এড়ানোর জন্য অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। ভূমধ্যসাগর বিষয়ক ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত ভিনসেন্ট কোচেটেল বলেছেন, “ওই অঞ্চলে আমাদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করা জরুরি। যদি এখনই আমরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিই তাহলে কয়েক সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে আরো এমন ট্রাজেডি দেখতে হবে আমাদের।“

ভূমধ্য সাগর পেরিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে এর আগেও নৌকা ডুবে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এ বছরের প্রথম চার মাসে সেখানে নৌকা ডুবে ১৬৪ জন মারা গেছে বলে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে মানবপাচারের ভয়াবহ চিত্রও বেরিয়ে আসছে।পার্সটুডে

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে নববধু আত্মহত্যা নিয়ে চাঞ্জল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী ইফতারি নিয়ে শাশুড়ী-বউয়ের ঝগড়া চলে। দুপরে শুনেন ফাঁস দিয়ে নব বধুর আত্মহত্যা।
গতকাল দুপুর ২টায় জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ঘিলাতৈল গ্রামের শামীম আহমদ এর স্ত্রী হেলেনা বেগম (২০) ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে।

এলাকাবাসী জানান- সকাল হতে শামীম আহমদের মা তহেরা বেগম নববধু হেলেনার সাথে ইফতারি নিয়ে কথা কাটাকাটি এবং ঝগড়া করতে শুনেছেন। এক পর্যায় তারা শুনতে পান তাহেরা বেগম চিৎকার করতেছে। এলাকাবাসী এগিয়ে গিয়ে দেখেন নববধু ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে।

পুলিশকে সংবাদ না দিয়ে নববধুর লাশ মাটিতে নামিয়ে ঘরের বারান্ধায় রাখা হয়। বেশির ভাগ গ্রামবাসী জানান- ইফতারির কারনে শাশুড়ির নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে নববধু হেলেনা আত্মহত্যা করেছে তার কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হেলেনা উপজেলা ২নং লক্ষীপুর ইউনিয়নের হোসেন মিয়ার মেয়ে।
শামীম আহমদ প্রতিবেদককে বলেন- আমি প্রতিদিনের মত আলু বাগান টিএসকো পাওয়ার লিঃ কোম্পানীতে কাজে যাই। যাওয়ার সময় হেলেনা কে হাসি মুখে রেখে যাই। তার সাথে আমার বিয়ের কেবল ৪মাস হয়েছে আমি সুখেই ছিলাম। কি কারনে এঘটনা ঘটেছে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। মায়ের সাথে ঝগড়ার বিষয় আমি কিছুই জানি না। আমি সংবাদ পেয়ে এসে দেখি হেলেনাকে বারিন্ধায় শুয়ে রাখা হয়েছে।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাইনুল জাকির বলেন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘাটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল তৈরী করে অধিকত্বর তদন্তের জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরনের ব্যবস্থা গ্রহন করছে। নববধুর নিকট আত্মীয়রা অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুর গ্রামে থামছে না অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। দীর্ঘদিন ধরে উজ্জলপুর গ্রামের মালিকানাধীন জমি হতে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুমতি ব্যতিরেকে দেদারছে সিলিকা বালু উত্তোলণ করে পাচার করছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট চক্র। প্রতিদিনই শত শত ট্রাক বালু উত্তোলণ করে পাচার করা হচ্ছে। প্রতিদিন লাখ টাকার বালু উত্তোলণ করা হচ্ছে উজ্জলপুর গ্রামের মালিকানাধীন জমি থেকে। এ ব্যাপারে গত ৯ মে বৃহস্পতিবার উজ্জলপুর গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মো: আব্দুল আজিম মালিকানাধীন জমি হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ করার জন্য চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুর গ্রামের মালিকানাধীন জমি থেকে জনৈক ছুরুক মিয়ার পুত্র হেলাল মিয়া, ময়না মিয়ার পুত্র রুমান মিয়া, আরমান মিয়ার পুত্র রহিম মিয়া, মৃত আ: আলী লস্করের পুত্র হারুন লস্কর গংরা সিন্ডিকেট বানিয়ে মালিকানা জমি থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ করে বালু পাচার করছে বালুখেকোরা। এতে করে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব। এদিকে উজ্জলপুর, হলহলিয়া, হলদিউড়া, সতং ও বদরগাজী গ্রাম সহ ৪/৫ টি গ্রামের লোকজনদের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ভেঙ্গে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিসাধিত হচ্ছে।

মালিকানা জমি থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু সতং-বদরগাজী রাস্তা দিয়ে পরিবহন করার কারণে ইকবাল আহমেদ সালেহ উচ্চ বিদ্যালয়, সতং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিউড়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও হলদিউড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা উক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

উল্লেখ্য যে, গত বৃহস্পতিবার খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম আজহারুল ইসলামের নির্দেশে ইউনিয়ন তহসিল অফিসার সুরঞ্জিত দেব ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ২টি ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করে দেন এবং এসব মালিকনাধীন জমি হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ রাখার জন্য নিষেধ প্রদান করেন। উজ্জলপুর গ্রামের মালিকানাধীন জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

বিনোদন ডেস্ক: আজ ১২ মে, রবিবার-রাত দশটার ইংরেজি সংবাদের পর প্রচারিত হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের হর্টিকালচার সেন্টারের অভ্যন্তরে আম্রকাননে ধারণ করা ইত্যাদি। আম্রকাননেই বাঙ্গালী ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ বরেন্দ্র অঞ্চল গৌড়ের, বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন ও প্রত্ন সম্পদে সমৃদ্ধ একটি জেলা যা সুলতানী আমলে গৌরবের শিখরে উন্নীত হয়। তাই ২০১৬ সালে বাংলা বছরের প্রথম মাসে ইত্যাদির ধারণ স্থান হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছিল এই চাঁপাইনবাবগঞ্জকে।

বিষয় বৈচিত্র্যে ভরপুর ইত্যাদির এই পর্বে রয়েছে বেশ কিছু মানবিক ও শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। অনুষ্ঠান ধারণস্থান চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং আম নিয়ে রয়েছে দু’টি তথ্যবহুল প্রতিবেদন। রয়েছে ফজলে রাব্বী রবিন নামে এক যুবকের সর্পপ্রীতির উপর একটি সচেতনতামূলক প্রতিবেদন। রয়েছে খুলনার ফুলতলা উপজেলার প্রচার বিমুখ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সেবায় নিবেদিত প্রাণ, শিক্ষানুরাগী মানুষ জনাব কুতুবুদ্দিন আহমেদ এর উপর একটি শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। বিদেশি প্রতিবেদন করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাশে অবস্থিত অষ্টাদশ শতাব্দীতে বাংলার নবাবদের আবাসস্থল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদে।
অনুষ্ঠানে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে নিয়ে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান এর লেখা ও হানিফ সংকেতের সুরে একটি গানের সঙ্গে স্থানীয় প্রায় শতাধিক নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে রয়েছে একটি জমজমাট নৃত্য। রয়েছে একটি বক্তব্যধর্মী মিউজিক্যাল ড্রামা। গানটিতে বিভিন্ন অফিসের কিছু অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন অভিনেতা প্রাণ রায় ও জয়রাজ।
দর্শকপর্বের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা দলকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। গম্ভীরা শিল্পী মাহাবুবুল আলম ও ফাইজুর রহমান মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং আমাদের লোকসঙ্গীত নিয়ে গম্ভীরা পরিবেশন করেছেন। তাদের পরিবেশিত গান থেকে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়েছে।
এছাড়া ইত্যাদি’র নিয়মিত পর্বসহ বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্রুপাত্মক নাট্যাংশ। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। একযোগে প্রচারিত হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলা শহরের শ্রীমঙ্গল রোডস্থ কদুপুর এলাকায় দুপুর দেড়টায় সিলেটগামী হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাসের নিচে চাপা পড়ে একটি সিএনজি দুমড়ে মুচরে যায়।এতে সিএনজিতে থাকা ৪ জন যাত্রীর মধ্যে  মহিলা (৪৫) ও এক অজ্ঞাত যুবক বয়স প্রায় (২৫) সহ ২ জন তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলেই মারা যায়।বাকি ২ জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষ্যদর্শিদের সুত্রে জানা গেছে।

স্থানিয়রা জানান “ওবারটেক করতে গিয়ে হবিগঞ্জি বিরতি রঙ সাইটে এসে সিএনজিকে পিষে ফেলে”

নিথর দেহ পরে আছে রাস্তার পাশে ,ছবি- সোহাগ

এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত (দুপুর ১ টা ৫৫ মিঃ ) গাড়ীর নিচে নিহত লাশ এবং গাড়ী রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় কেহ কেহ বলছে নিহত যুবকটি চালক হতে পারে । ওই সময় প্রশাসনিক কাউকে দেখা যায়নি,ফলে তাৎক্ষনিক কারো পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।বিস্তারিত আসছে……

বাসের নিচে পরে থাকা মহিলার নিথর দেহ ছবি- সোহাগ সিলেট।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc