Tuesday 23rd of July 2019 05:10:52 PM

“অগ্নিকান্ডের ফলে ঘণ্টা ব্যাপী শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজার রোডে দূর পাল্লার গাড়ীসহ সকল প্রকার যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে”

 সাদিক আহমেদ,নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল শহরের মৌলভীবাজার রোডস্থ ১ নং পুলের আালাবক্স ম্যানশনের মেসার্স মদীনা এন্টারপ্রাইজের গোডাউনসহ রোমানিয়া,রিডিশা,প্রাণ,হক,মধুবন বিস্কুটের ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকান্ড ঘটে।আজ শুক্রবার দিবাগত রাত পোনে ১০ টায় অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।
এতে কয়েকটি  গোডাউন জ্বলে যায়।কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা না গেলেও পরবর্তিতে বলা হয় প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হতে পারে ।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের একাধিক টিম আাগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছিলো।অগ্নিকান্ডের কারণ তখন পর্যন্ত জানা যায়নি তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আাগুন লেগে থাকতে পারে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা সুবিধা করতে না পারায় এক পর্যায়ে স্থানীয় যুবকদের আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করতে দেখা যায়।

সরজমিনে দেখা যায় প্রায় ঘন্টাব্যপি কাজ করেও আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে পারেনি শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ইউনিট।এক পর্যায়ে স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে।

এসময় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিলো।আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করায় মৌলভীবাজার রোডের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে।এসময় ঘণ্টা ব্যাপী যানজটের সৃষ্টি হয় যাত্রীরা পরে হয়রানিতে।
ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি ফোর্স ঘটনাস্থলয়ে শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে।
এদিকে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনে খুব একটা সুবিধা করতে না পারায় তাদের সাহাজ্য করার জন্য ও আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  রাত সোয়া এগারোটা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছিলো শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিসের যৌথ টিম।
শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার আজিজুল হক রাজন আমার সিলেটকে বলেন,”প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় সম্পূর্ণ আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব হয়েছে।এতে আমাদের ২ টি ফায়ার ইউনিট কাজ করেছে।এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি।এদিকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত সম্পর্কে তিনি বলেন-“সুত্রপাত কিভাবে ঘটেছে তা সঠিক বলা যাচ্ছে না।তবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই সাধারণত বেশীরভাগ আগুন লেগে থাকে।এখানেও আগুন শর্টসার্কিট থেকেই লেগে থাকতে পারে”।
এদিকে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের ফায়ারম্যান ও কর্মীদের অদক্ষতা নিয়ে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এক পর্যায়ে।এসময় আগুন নিয়ন্ত্রনে স্থানীয়দের উদ্যোগ নিতে দেখা যায়।এ বিষয়ে রাজন বলেন”যখন এ ধরণের কোনো অগ্নিকান্ড ঘটে তখন আমরা এমনি মানসিক প্রেসার ও ডিপ্রেশনে থাকি।তাছাড়া যেহেতু অগ্নিকান্ডের শিকার বিল্ডিংটির সবকিছু সম্পর্কে আমাদের আইডিয়া নাই তাই একটু বিলম্ব হয়েছে।এক্ষেত্রে স্থানীয়রা আমাদের সাহাহ্য তো করতেই হবে”।
ফায়ারসার্ভিসের পানির টাংকির লিক নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজন বলেন”যখন আমরা পাম্প ফিটিং করি তখন কিছু পানি স্বাভাবিকভাবেই গড়িয়ে পড়ে।তবে এটা কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি নয়”।আপডেট

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে লোহাগড়ায় ঘুর্নীঝড় “ফনী” এর আক্রান্তদের মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকালে লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে লোহাগড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা এ ঢেউটিন ও অর্থ বিতরণ করেন ।
৩৪টি পরিবারের মাঝে প্রত্যেক পরিবারকে ১ বান্ডিল ঢেউটিন ও ৩০০০ টাকা করে মোট ৩৪ বান্ডিল ঢেউটিন ও ১লক্ষ ২ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্রের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শরফুদ্দিন, লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান রুনু,উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ,নলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ পাখি, জন প্রতিনিধি, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এম ওসমান : ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় কাজী ফারজানা ইয়াসমীন রচনা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। সে বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিল। ২০১৬ সালে সে জেএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল এবং ২০১৩ সালে ও সে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সানরাইজ পাবলিক স্কুল থেকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছিল।

তার পিতা সাংবাদিক কাজী শাহ্জাহান সবুজ দৈনিক ইত্তেফাক ও জিটিভি‘র বেনাপোল প্রতিনিধি এবং মাতা কাজী ফেরদৌসী বেগম একজন গৃহিনী। তার কৃতিত্বের জন্য বেনাপোল সানরাইজ পাবলিক স্কুলের সকল শিক্ষকের সহযোগিতার কথা স্মরন করেন সে। রচনা ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়। সে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোলে ছেলে ধরা সন্দেহে ফুল (৬৫) নামে এক রোহিঙ্গা নারীসহ দুই শিশু উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনগন।শুক্রবার (১০ মে) সকাল ৯ টার সময় বেনাপোল মাছ বাজারের পিছন থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বেনাপোল মাছ বাজারের পিছনে নাছিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া প্রদ্বীপ দাসের ছেলে কুমার (৫) ও আলেক হোসেনের ছেলে মুনছুর (৪) নামে দুই শিশুকে নিয়ে রোহিঙ্গা মহিলা মিষ্টি দিয়ে তাদের ভুলিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনগনের কাছে আটক হয়। রোহিঙ্গা ওই নারীর নিকট তার নাম বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে সে কোন কথা বলে না। এসময় রাগে ক্রোধে স্থানীয় এক যুবক তাকে থাপ্পড় মারার পর সে তার বাড়ি মায়ানমারে ছিল এবং তার নাম ফুল বলে শিকার করে।
পরে স্থানীয় জনগন রোহিঙ্গা ওই নারীকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই আব্দুল লতিফ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জায়গার খাজনা দেয় উপজেলা পরিষদ,আর বহুতল ভবন নির্মান করে ভোগ দখল করে আছে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা আ‘লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী। তিনি দলীয় ক্ষমতার দাপটে জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মান করে বে-আইনী ভাবে দখল করে আছেন। অথছ এই জায়গাটি জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ।
এই বহুতল ভবন নির্মান করে বসবাস করায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে জেলা প্রসাশক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের মানিগাঁও গ্রামের শাহ মোঃ আবুল কাশেম জেলা প্রশাসক বরাবরে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,জামালগঞ্জ থানাধীন ১৮নং জে-এল সংক্রান্ত কামলাবাজ মৌজার এসএ খতিয়ান নং ৮৩২,আর এস ১৩০৩ খতিয়ানের এসএ-৩৭৬১, আরএস-৭২৪৫দাগে জমির পরিমান-০. ১৬ একর ভূমি এল এ কেইস নং ০১/৬৫-৬৬ মূলে টিডিসি,জামালগঞ্জ এর নামে অধিগ্রহন করা হয়। যথারীতি তাহা গ্রেজেট ও প্রকাশিত হয়েছে। সেই সাথে ১২৯৫নং নামজারি খতিয়ানে সৃজন করা হয়েছে। যাহ এসএ ৩৭৬১দাগের ভূমি উপজেলা পরিষদের অধিগ্রহনকৃত হওয়ায় ভূমি মোকাদ্দমা নং ০৬/২০০৫মূলে উপজেলা পরিষদের নামে ২নং খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমানে এস.এ ৩৭৬১ নং দাগটি হালে ৭২৪৫ দাগে ভূমিতে উপজেলা পরিষদ জামালগঞ্জ দখলকার থাকিয়া যথারীতি ভূমি উন্নয়ন করও পরিশোধ করে আসছে।
নাম গ্রকাশে অনিচ্ছিক একাধিক লোক জানান,সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ সদরের বাসিন্দা মৃত আব্দুল লতিফ তালুকদারের ছেলে বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী একজন ধণাঢ্য ও প্রভাবশালী লোক হওয়ায় সরকারি ভূমিতে বৈআইনী ভাবে অভিজাত বহুতল ভবন নির্মান করে দখল করে আছেন। এমনকি মোহম্মদ আলী শুধুমাত্র প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতার জোরে তিনি জায়গাটি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন এলাকায় সবাই জানে কিন্তু মুখ খোলতে সাহস পায় না।
জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দাখিলের পর ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে এনিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

সরকারি ভূমিটি সার্ভেয়ার নিয়োগ করে এসএ ৩৭৬দাগের সরকারি ভূমি পরিমাপ করে জোরপূর্বক ভাবে দখলদার মোহাম্মদ আলীর অবৈধ স্থপনা উচ্ছেদ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে দখর উ”্ছদে করে সরকারি সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রনে রাখার জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
এব্যপারে উপজেলা আ,লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলীর কাছে জানতে চেয়ে একাধিকবার ফোন করলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল বলেন,অভিযোগটি দেখে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেব।
জেলা প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শফিউল আলম বলেন,লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার হাতে পৌঁছেনি। অভিযোগটি হাতে এলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

থানায় বিচারের জন্য আসা মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে অবশেষে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদর দফতরের এআইজি মো. সোহেল রানা।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত টিমের প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুসারে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গত ২ মে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পুলিশের আইজিপির কাছে জমা দেয় পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট শাখা।

এদিকে ঘটনার ৩৩ দিন পর বুধবার রাতে নুসরাতের শরীরের আগুন দেওয়ার সময় ব্যবহৃত কেরোসিনের গ্লাস উদ্ধার করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

নুসরাত হত্যার ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি তদন্তে গঠিত কমিটি ফেনীর পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার এবং সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, এসআই ইকবাল ও এসআই ইউসুফের গাফিলতির কথা উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছে।

সুপারিশ বাস্তবায়নের ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতরের একজন কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ পুলিশের সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিটই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে তিনি বলেন, ফেনীর পুলিশ সুপারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইত্তেফাক সুত্রে জানা গেছে এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সুপারিশ প্রতিবেদন গতকাল পর্যন্ত তিনি হাতে পাননি। পেলে সুপারিশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc