Tuesday 21st of May 2019 08:40:41 AM

“ওডিশায় আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার থাকতে পারে” 

 

ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ফণি ভারতের ওডিশা রাজ্যের পুরী উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে এ ঝড়।  ১৭০ থেকে ২০০ কিলোমিটার গতির শক্তিসম্পন্ন ফণি ওডিশায় আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে পড়বে।

আজ শুক্রবার সকালে ওডিশায় আছড়ে পড়ার সময় ফণির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ভারতীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ওডিশায় তাণ্ডব চালাবে ফণি। তারপর তা এগোতে থাকবে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দিকে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণি প্রায় অর্ধেক গতিবেগ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ পুরো বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সারারাত বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। সে সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার থাকতে পারে। ফণি সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল অঞ্চলের দিক থেকে ফরিদপুর, ঢাকা হয়ে ভারতের মেঘালয়ের দিকে যাবে।

ফণির প্রভাবে শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। মোংলা, পায়রা বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রাখা হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের জন্য জারি করা হয়েছে ৬ নম্বর বিপদসংকেত। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় এবার আগেভাগেই জানমাল রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর আগে ২০১৭ সালে ‘মোরা’ এবং ২০১৬ সালে ‘রোয়ানু’র প্রবল আঘাতের আগেও সরকারি তরফে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়। বিশেষ করে ২০০৭ সালে সিডর ও ২০০৯ সালে আইলার তাণ্ডবে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পর সরকারি তরফে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় অনেক বেশি সতর্ক অবস্থান দেখা যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের অস্তিত্ব দৃশ্যমান হওয়ার পর থেকেই সরকারি কর্মযজ্ঞও শুরু হয়ে যায়।

যুক্তরাজ্য সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। ফণির প্রভাবে হাওর ও অন্যান্য এলাকায় পাকা বোরো ধানের ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কায় কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার নির্দেশ দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

গত ১ মে বুধবার অনলাইন পত্রিকা দৈনিক হবিগঞ্জের সংবাদ ও আমার সিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকমসহ বিভিন্ন ফেসবুক আইডিতে “চুনারুঘাটে প্রতারকের সাথে বিবাহ পন্ড করে অন্যের সাথে সম্পন্ন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, আমার নাকি শাহনাজ পারভিন নামে একজন স্ত্রী রয়েছে এবং ২টি কন্যা সন্তানও নাকি রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমি এখন পর্যন্ত কোন বিবাহই করিনি। আমার সন্তান আসবে কোথা থেকে।

আমার মান-সম্মান ও ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য তথাকথিত শাহানাজ পারভিন নামে একটি মেয়ে আমাকে স্বামী ও দুই সন্তানের জনক বলে দাবি করছে এবং এলাকার কিছু কুচক্রী মহলের মাধ্যমে আমার বিবাহ অনুষ্ঠানটি বানচাল করে এবং ষঢ়যন্ত্রমূলকভাবে ছবি এডিটিং ও ভূয়া কাবিনের মাধ্যমে আমার মান-সম্মান ও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ করার লক্ষ্যে যে মিথ্যা সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে আমি তাহার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ বিষয়ে আমি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

আমি চুনারুঘাট উপজেলার ১০নং মিরাশী ইউনিয়নে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক পদে সম্মানজনক চাকুরী করার কারণে আমার একই এলাকার কিছু কুচক্রী মহল আমার এই সফলতার প্রতি ইর্ষান্বিত হইয়া আমার মান-সম্মান নষ্ট সহ আমাকে আর্থিক ও মানসিকভাবে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার মান-সম্মান নষ্ট করার পায়তারা করিয়া সাংবাদিক ভাইদেরকে ভুল তথ্য দিয়ে উক্ত অনলাইন পত্রিকাগুলোতে ভূয়া সংবাদটি প্রকাশ করে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী

(মোঃ মামুনুর রশিদ)

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক

পিতা- মৃত আব্দুল হাই

গ্রাম- গোবিন্দপুর

১০নং মিরাশী ইউপি

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

(নোটঃপ্রতিবাদটিতে একটি পত্রিকার নাম শুদ্ধসহ বাকি গুলো হুবহু প্রকাশিত হলো)

ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত ভারতের ওড়িশার বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। দেশটির ওড়িশা সান টাইমস নামের এক সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতের ওড়িশা রাজ্যের পুরীতে সকাল সাড়ে নয় টা নাগাদ আঘাত হানে ফণী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝড়ের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ২০০-২৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ওড়িশা সান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, কেদ্রপাড়া জেলার ৭০ বয়সী এক বৃদ্ধা আশ্রয় শিবিরে যাওয়ার পথে মারা যায়।

এছাড়া পুরী জেলার দুজন নিহত হয়। এদের একজনের বাড়িতে গাছ উপড়ে পড়লে নিহত হন এবং অন্যজনের ওপর ঝড়ো বাতাসে বাড়ির অ্যাজবেস্টস পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া সাক্ষীগোপাল জেলায় গাছ পড়ে ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর ও নয়াগড় জেলায় ৩০ বছর বয়সী এক নারী দেয়াল ধসে নিহত হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, ফণীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পুরী। পুরীর জগন্নাথ মন্দির সম্পূর্ণ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎহীন হয়েছে ওড়িশার পুরী, গোপালপুরসহ বিভিন্ন এলাকা।

এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ে ওইসব এলাকার উপড়ে পড়েছে অনেক গাছ। সেইসঙ্গে কিছু বাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, ফণীর গতিপথে ওড়িশার ১০ হাজার গ্রাম এবং ৫২টা শহর পড়বে। এছাড়া ফণীর কারণে শনিবার পর্যন্ত দেশটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে অন্তত ২৩৩ টি ট্রেন।

এছাড়া দেশটির কলকাতা বিমানবন্দর আজ রাত সাড়ে ৯টা থেকে আগামী কাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওড়িশায় আঘাত হেনে উপকূল বরাবর পশ্চিম বঙ্গের দিকে ধাবিত হচ্ছে ফণী।ইত্তেফাক

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ ২য় বারের মত নির্বাচিত চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্করকে চুনারুঘাট প্রেসক্লাব সংবর্ধনা দিয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল ২ মে বৃহস্পতিবার বাদমাগরিব প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন লিটনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংবর্ধিত ব্যক্তি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চুনারুঘাট পৌরসভার মেয়র মোঃ নাজিম উদ্দিন সামছু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আলমগীর হোসেন তালুকদার।

এতে বক্তব্য রাখেন মোঃ ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, আলহাজ্ব আব্দুল জাহির মেম্বার, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মহিদ আহমদ চৌধুরী, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাচ্চু, জুনাইদ আহমদ, সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক এস.এম সুলতান খান, দপ্তর সম্পাদক ওয়াহিদুল ইসলাম জিতু, সদস্য ফখরুদ্দিন আবদাল, এস.আর রুবেল, ছায়েব আলী মেম্বার, মোঃ ইমান আলী, সাংবাদিক মোঃ ফারুক মিয়া, মোজাম্মেল হক, শংকর শীল প্রমুখ।

মিজানুর রহমান, সৌদিআরব থেকেঃ সৌদি আরবের সাগরা এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো চারজন। গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দেশটির রাজধানী রিয়াদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের শহর সাগরায় যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সাগরা প্রবেশপথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি দুর্ঘটনাকবলিত হয়।
গাড়িতে চালকসহ মোট ১৭ জন ছিলেন বলে জানা গেছে।
১১ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে সাগরা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে। দুর্ঘটনায় আহত নাজমুল নামের এক বাংলাদেশি জানান, আমরা দু’জন সুস্থ আছি। তিনজনের অবস্থা একটু খারাপ। ১০ থেকে ১১ জন মারা গেছে।তিনি আরও বলেন, মাইক্রোবাসে ১৭ জন ছিলেন। ঘটনার আগের দিন রাতে দাম্মাম থেকে মদিনার দিকে যাচ্ছিলেন তারা। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় হঠাৎ গাড়ির চাকা ব্লাস্ট হয়। গাড়িটা ডিগবাজি খেয়ে পড়ে যায়। এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
তারা সবাই আল ফারুক ক্যাটারিং এ কাজ করেন বলে জানান নাজমুল।এদিকে এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসে ফোন দিয়েও বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc