Wednesday 18th of September 2019 05:10:38 PM

“হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত অতুলনীয় চরিত্রের অধিকারী”

খাজা-এ বাঙ্গাল ইমাম শেরে বাংলা (রহ.) সুন্নী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ৩০ মে বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত মওলা আলী শেরে খোদা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর শাহাদাত বার্ষিকী স্মরণে মওলা আলী কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চসিক ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মুহাম্মদ নুরুল হক। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন বোয়ালখালী হাওলা দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন পীরে তরিকত শাহসুফী মাওলানা সৈয়দ নঈমুল কুদ্দুস আকবরী (ম.জি.আ)।

উদ্বোধক ছিলেন, আনজুমানে খোদ্দামুল মুসলেমিন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন, ইমাম শেরে বাংলা (রহ.) সুন্নী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা মুছা কাদেরী। মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের স ালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খলিফায়ে আমির ভান্ডার আলহাজ্ব সৈয়দ সালামত আলী আল আমিরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় প্রচার সচিব মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মাস্টার আবুল হোসাইন, লালিয়ারহাট হোসাইনিয়া মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, ইমাম শেরে বাংলা (রহ.)’র দৌহিত্র শাহজাদা আজমুল হক টিপু, ইমাম শেরে বাংলা মডেল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ডি.আই.এম জাহাঙ্গীর আলম, নূরীয়া বিষু দরবার শরীফের প্রতিনিধি মাওলানা আবদুর রহমান, মাওলানা আবদুল মজিদ। আলোচনায় অংশ নেন, শেরে বাংলা (রহ.) ফাউন্ডেশন এর মহাসচিব এস এম নিজাম উদ্দিন, মহানগর যুবসেনার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন খান, কোতোয়ালি থানা ছাত্রসেনার সভাপতি মাহবুবুর রহমান বাহার, সাধারণ সম্পাদক নুর রায়হান চৌধুরী, ফাউন্ডেশন এর প্রচার সচিব ইয়াকুব আলী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি সৈয়দ নঈমুল কুদ্দুস আকবরী বলেন, ইসলামের ৪র্থ খলিফা হযরত আলী (রা.) কিশোর বয়সে ইসলাম গ্রহণের পর থেকে মহানবী (দঃ) এর সঙ্গি হয়ে ঘরে-বাইরে, স্বদেশে-বিদেশে, কথায়-কাজে, শারীরিক-মানবিক, আর্থিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অকৃত্রিম আন্তরিকতার সাথে সেবায় নিযুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন ভদ্র নম্র সভ্য সত্যবাদী। এক কথায় হযরত আলী(রাঃ) সর্বগুণে গুণান্বিত অতুলনীয় চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। শিক্ষা-দীক্ষায়ও হযরত আলী ছিল অনন্য।

এমন কোন বিষয় ছিলনা যা যা হযরত আলী(রাঃ) জ্ঞাতার্থ নয়। সাহিত্য, দর্শন, চিকিৎসা, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ধর্ম, বাণিজ্য প্রভৃতি সর্ব বিষয়ে ছিল তাঁর অগাধ পান্ডিত্য। এমনকি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন,আমি জ্ঞানের শহর, আর আলী ওই শহরের দরজা। নবুয়ত সমাপ্তির পর হযরত আলী (রাঃ) এর মাধ্যমে বেলায়ত শুরু। আমাদের মুসলিম সমাজকে সঠিক পথের দিশা পেতে হলে মওলা আলীর অনুসরণ ও অনুকরণ করতে হবে।

বক্তারা বলেন, হযরত মওলা আলী মরতুযা (রা.) বিশ্বজাহানের জন্য একজন স্মরণীয় বরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন আধ্যাত্মিক জগতে শ্রেষ্ঠ। সহনশীলতা ও ধৈর্য্যরে ক্ষেত্রে তিনি যেমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেমনি সাহসিকতার ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ পর্যায়ে। তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ ইবাদতকারী। নিঃস্ব ও সম্পদহীন, অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। দানশীল ছিলেন বলেই সম্পদ তাঁর হাতে গচ্ছিত থাকত না। তার সাহসিকতা, শৌর্য আর সংগ্রামী আত্মার মোকাবিলায় পাথর, শীলা বা ধাতুও গলে যায়। আবার তাঁরই চারিত্রিক কোমলতা মৃদুমন্দ বাতাসকেও লজ্জা দেয়। একই ব্যক্তির মধ্যে কোমলতা ও কঠোরতার এক অপূর্ব সমন্বয়। তাই সত্য প্রতিষ্ঠায় হযরত আলী (রা.) জীবনাদর্শ যুগ-যুগান্তরের কালচক্রে মানবজাতিকে আলোর পথ দেখাবে।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের পিংলি নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রুবেল মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।শুক্রবার দুপুরে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ওই লাশটি উদ্ধার করে। রুবেল মিয়া উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের মৃত খুরশেদ মিয়ার পুত্র।

জানা যায়, গত তিনদিন ধরে রুবেল মিয়া নিখোঁজ ছিল। শুক্রবার সকালে পিংলি নদীতে একটি অর্ধগলিত লাশ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক নবীগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন, ওসি (তদন্ত) গোলাম দস্তগীর আহমেদ সহকারে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে  লাশটি উদ্ধার করে হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক ভাবে তাকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকালে বেনাপোল আমড়াখালী চেকপোস্ট থেকে সর্ববৃহৎ একটি ডলারের চালান আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। এ সময় পাচারের সাথে জড়িত ৭ ডলার পাচারকারীকে আটক করে তারা। আটককৃতরা হলো- বিল্লাল হোসেন,আব্দুস সালাম, ইকবাল সরদার, মিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, কবির হোসেন ও সাইফুল ইসলাম। আটককৃতদের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র যশোর-৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি ভারতে থেকে বৃহৎ একটি ডলারের চালান নিয়ে বেনাপোল আমড়াখালী চেকপোস্ট দিয়ে পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে নিজস্ব গোয়েন্দা ও টহল দলের মাধ্যমে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা সাউত লাইনের একটি পরিবহনে সকাল ১১ টায় অভিযান চালিয়ে ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪ শত ইউএস ডলার, ৬৯ হাজার ৯শত পঞ্চাশ পাউন্ড, ৫ হাজার ৯০ ভারতীয় রুপি, মোবাইল ফোন ও ক্রেডিট কার্ডসহ ৭ পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করা হয়। আটকৃত ডলারের আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি টাকা।

পবিত্র জুমাতুল বিদা ও আন্তর্জাতিক “আল কুদস দিবস” পালিত হচ্ছে।আজকের দিনটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনে জুমআর নামাজ আদায়ের জন্য ব্যাকুল থাকেন বিশ্বাসীরা।মহান আল্লাহর দরবারে হাজিরা দিয়ে আবেগ আপ্লূত চিত্তে মাগফিরাত কামনা করেন বিশ্বের সকল বিশ্বাসীরা অপর দিকে পালিত হচ্ছে কুদস দিবস যা অনেকেই জানিনা।
ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে মদিনায় যখন রোজা পালনের বিধান নাজিল হয়, তখন থেকেই প্রতিবছর রমজানের শেষ জুমআকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে আদায় করছে বিশ্ব মুসলিম।পাশাপাশি এই একই দিন বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক “আল কুদস দিবস”। আল কুদস বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়তম স্থানগুলোর একটি।বায়তুল মুকাদ্দাস বা জেরুজালেম শুধু মুসলমান নয়, বিশ্বের ইহুদি ও খ্রিস্টানদের কাছেও প্রিয় ও পবিত্র স্থান।প্রিয় নবী মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র মেরাজ গমনকালে মসজিদুল আকসায় নামাজ আদায় করেন। তিনি ছিলেন নামাজে অংশগ্রহণকারী সকল নবী-রাসুলের ঈমাম। এ ছাড়া বনি ইসরাইলের নবী-রাসুলগন যেমন হজরত মুসা, দাউদ, সোলায়মান এবং ঈসা আলাইহিমুসসালামগন এর দ্বীন প্রচারের কেন্দ্র ফিলিস্তিন ভূমি।
হজরত ইবরাহিম আলাইহিমুসসালাম এর মাজার এখনো ফিলিস্তিনের আল-খলিল শহরে বিদ্যমান।হাজারো নবী-রাসুলের স্মৃতিচিহ্ন বুকে ধারন করে রেখেছে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে আল কুদস, মসজিদুল আকসা এবং আশপাশের এলাকাগুলো।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমরা অশুভ হৃদয়ের প্রেতাত্মাদের সাথে কত ধরণের দিবস পালন করি!কিছু দিন আগেও নাপাকদের দোসর শেপুদা নামে এক উচ্চ বিলাসীর ছবি লাগানো টি শার্ট গায়ে দিয়ে ঘুরতে দেখেছি কতেক যুবককে।এর কারণ ওরা জানেনা শেপুদা কে ? কি তার পরিচয় অনেকেই ভেবেছে শেপু একটি তামাশা ! কিন্তু শেপুর কিছু প্রেতাত্মা ছাড়া তার আসল পরিচয় তেমন কেহ জানতোনা।তার নাস্তিক মিশনের বিকৃত সন্তানরা দেশের উঠতি ছেলে মেয়েদের সরলতার সুযোগে শেপুকে আইডল বানিয়ে ফেলে যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। অথচ আমাদের তরুণ সমাজ, যুব সমাজের অনেকেই জানে না আজ “আল কুদস দিবস”। দিবসটি কে বানিয়েছে তা দেখে কি দরকার? জানার দরকার দিবসের ভিতরে কি রয়েছে তা।আমরা নিজেদের অধিকারের কথা বে মালুম ভুলে গেছি।বাহানা করছি নানা ফতুয়ার।তামাশা ভিন্ন কোন কিছু যেন আমাদের ভালই লাগেনা।

আল আকসা মসজিদের সম্মুখের অংশ

জানা আবশ্যক যে, নাপাক নাস্তিকদের ভূত ইহুদীবাদীরা অপবিত্র,খারাপ,খান্নাস আত্মাদের ওয়াসওয়াসায় গঠিত পৃথিবীব্যাপী সিন্ডিকেট করে জেরুজালেমের মুসলিমদের প্রথম কেবলা ও অগণিত নবী রাসুলের স্মৃতি বিজড়িত জমি,হজরত ঈসা ইবনে মরিয়মের পৃথিবীতে পুনরায় আগমনের সম্ভাব্য স্থান “বায়তুল আকসা মসজিদ” সহ মজলুম ফিলিস্তিনি জনগণের সকল অধিকার হরণ করছে আর আমরা নানান অজুহাতে আমার নির্যাতিত ভাই,বোন এমন কি অসহায় শিশুটির পক্ষে কথা বলা থেকে বিরত রয়েছি।যাদেরকে নাপাক অশুভ হৃদয়ের প্রেতাত্মারা নির্বিচারে গুলি করে গ্যাস মেরে হেসে খেলে পাখির মত হত্যা করছে! কথিত বিশ্ব মানবতা ও তাদের আজ্ঞাবহ জাতিসংঘ নীরবে সেভ করে যাচ্ছে ওদের আর আত্মরক্ষার অধিকার তো তাদেরও রয়েছে।
অপরদিকে অশুভ হৃদয়ের প্রেতাত্মারা একে অপরের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। শেয়াল বড় ছোট যাই হোক সব শেয়ালের এক “রা”।পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে সমস্থ নাপাকরা এক প্ল্যাটফর্মে অথচ পবিত্র আল কোরআন,প্রিয় নবীর নির্দেশ ও ইসলামী আকাবেরদের কোন নির্দেশনায় কথিত মুসলিম সমাজ ধারন করছে না।যেমন বলা হয়েছে “তোমরা পরস্পর রাসুল বিমুখ হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ো না” বলা হয়েছে-মুসলিমরা একে অপরের ভাই।অথচ আমরা ভাইকে শত্রু বানিয়েছি আর শত্রুকে বানিয়েছি গলার মালা আর এই সুযোগে সুবিধাভোগিরা আমাদের মাথায় রেখে কাঁঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছে আমরা সটান দাঁড়িয়ে আছি মীরজাফরের অনুগত সৈনিকদের মতো যারা একইভাবে বাংলার সালতানাত তুলে দিয়েছিল ব্রিটিশদের হাতে।
পরিশেষে বলবো হে বিশ্বাসী ! তুমি যদি নিজেকে একজন বিশ্বাসী (ঈমানদার) মনে করো আর শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামকে অনুসরণ অনুকরণ করে থাকো, তাহলে শত ভাগ নিশ্চিত করা যায় কখনো কোন অবিশ্বাসী বিশ্বাসীদের বন্ধু হয় না তার বিশেষ স্বার্থ ছাড়া। তবুও অবিশ্বাসীদের সাথে সতর্কতার সাথে সামাজিক,রাজনৈতিক সু সম্পর্ক স্থাপন করে ফ্যাসাদ মুক্ত সমাজ গঠনে ভুমিকা রাখতে হবে এটাও বিশ্বাসীদের একটি বড় গুণ।
সর্বশেষে সকলের কল্যাণ কামনা করছি এবং “আল আকসা মসজিদ”সহ বিশ্বে মুসলিমদের সকল বেদখল জমি,সম্মান,সম্পদ দ্রুত দখল মুক্ত হউক, ফিলিস্তিনী শহীদদের বিনিময়ে তাদের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকুক,দুশমনে রাসুলদের হেদায়েত নসিব হোক এই কামনা করি মহান আল্লাহর দরবারে। লেখকঃ  মুহাম্মদ আনিছুল ইসলাম আশরাফী।

ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আজ (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটায় দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনের রাইসিনা হিলে শপথ নেন মোদি। শপথবাক্য পাঠ করান ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ।

মোদি শপথ নেয়ার পর একে একে শপথ নিতে থাকেন তাঁর মন্ত্রিসভার ২৩ জন পূর্ণমন্ত্রী। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন ৯ জন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন ২৪ জন সাংসদ।

২৩ জন পূর্ণমন্ত্রীর মধ্যে নতুন মুখ ৭ জনই নতুন মুখ। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। চমক বলতে প্রাক্তন বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্কর। অরুণ জেটলি, সুষমা স্বরাজকে শারীরিক অসুস্থতার জন্য রাখা হয়নি মন্ত্রিসভায়। তবে বাদ পড়েছেন সুরেশ প্রভু, জে পি নাড্ডা, উমা ভারতী, মেনকা গান্ধী, অনন্ত গীতের মতো মন্ত্রীরা।

আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, নীতিন গড়করি, সদানন্দ গৌড়া, নির্মলা সীতারমন, নরেন্দ্র সিং তোমার, এনডিএ শরিক দল লোক জনশক্তি পার্টির নেতা রামবিলাস পাসোয়ান, রবিশংকর প্রসাদ, থাওয়ার চন্দ্র গেহলেট, এনডিএ শরিক শিরোমনি আকালি দলের নেত্রী শ্রীমতি হরসিমরত কাউর বাদল, সুব্রহ্মণম জয়শংকর, রমেশ পোখরিয়াল নিশান্ত, অর্জুন মুন্ডা, স্মৃতি ইরানি, হর্ষবর্ধন, প্রকাশ জাভড়েকর, পীযূষ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র প্রধান, মুখতার আব্বাস নাকভি, প্রহ্লাদ জোশী, মহেন্দ্রনাথ পান্ডে, অরবিন্দ গণপত সাওয়ান্ত, গিরিরাজ সিং, গজেন্দ্র সিং শেখওয়াত।

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সন্তোষকুমার গাঙ্গোয়ার, ইন্দ্রজিত  সিং, শ্রীপদ নায়েক, জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজেজু, প্রহ্লাদ সিং পটেল, রাজকুমার সিং, হরদীপ সিং পিরী, মনসুখলাল মান্ডবিয়ার।

এ ছাড়া, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ফগন সং পুলস্তের, অশ্বিনী কুমার চৌবে, অর্জুনরাম মেঘওয়াল, ভিকে সিংহ, কৃষ্ণপাল গুর্জর, মহারাষ্ট্র বিজেপির সভাপতি রাওসাহেব দাদারাও পটিল দানবে, জি কিষাণ রেড্ডি, গ্যাজরাট পতিদার আন্দোলনের নেতা পুরুষোত্তম রূপালা, রামদাস আঠাওয়ালে, সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি, সঞ্জীব কুমার বালিয়ান, সঞ্জয় ধোত্রে, অনুরাগ সিং ঠকুর, কর্নাটক থেকে নতুন মুখ সুরেশচন্দ্র বসাপ্পার, বিহার থেকে নতুন মুখ নিত্যানন্দ রায়, রতনলাল কাটারিয়া, বি মুরলিধরন, রেনুকা সিং সারুটা, সোমপ্রকাশ, রামেশ্বর তেলি, প্রতাপচন্দ্র সারেঙ্গি, কৈলাস চৌধুরী এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে শপথ নেন বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরী।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত  ছিলেন বিমস্টেক দেশের প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া বিদেশি অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ, কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সোরোনবে জিনবেকভ, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রভিন্দ জুগনউথ, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা।

মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা রজনীকান্ত। বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ আরো অনেকে।

বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পপতি ও বিশিষ্টজন মিলিয়ে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন আট হাজার অতিথি।পার্সটুডে

“ব্যাবসায়িদের দাবী অভিযানের আগে উৎকোচ দাবি করেন,না দিলেই জরিমানা।কোথাও এমন উদাহরণ নেই বলে  উল্টো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন উপ-পরিচালক মো. আল আমিন”

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আল আমিনকে অভিযানের সময় অবরুদ্ধ করে রাখে মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কের বিলাশসহ বিভিন্ন দোকানের ব্যবসায়ীরা।ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান করতে গিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও ব্যবসায়ীদের হাতে অবরুদ্ধের অভিযোগ করছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমীন। এসময় ব্যবসায়ীরা দোকান-পাট বন্ধ করে প্রায় ২ ঘন্টা সড়ক অবেরোধ করে রাখেন। পরে জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে জেলা শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কের বিভিন্ন দোকান ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর সরেজমিনে দেখতে যান ভোক্তা অধিকারের উপপরিচালক মো. আল আমিন।এ সময় ভোক্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ও নান অনিয়মের কারনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করেন।

অপরদিকে ব্যবসায়ীরা জানান কিছু দিন পূর্বে অভিযানের পর আবারো একই দোকান গুলোতে ঈদের আগে হঠাৎ অভিযান তাদের সন্দেহ হয়। তাই ব্যবসীয়ারা তার প্রতি পণ্যের দাম ও মান নিয়ে কথা কাটাকাটি করেন। তারপরও তিনি কয়েকটি দোকানে বড় অঙ্কের জরিমানা করতে থাকেন।
একপর্যায়ে তিনি বিলাসে বিদেশী পারফিউম ও অন্যান্য পণ্যের দাম অতিরিক্ত রাখা হয়েছে এমন মন্তব্য করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়েন বিলাসের মালিক সুমন আহমদ ও সুহাদ আহমদ। ভোক্তা অধিকারের ওই কর্মকর্তা তখন ক্ষেপে গিয়ে জরিমানার টাকা দেওয়ার কথা বলেন। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আশপাশের ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে এমন অভিযানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ব্যবসায়ীরা উপ-পরিচালক মো. আল আমিনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সড়কে অবস্থান নেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঈদের কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা। পরে জেলা প্রশাসক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতায় পুলিশ ভোক্তা অধিকারের উপ-পরিচালকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন জরিমানার সময় শুভ্র ভট্রাচার্য্য নামের একই ব্যক্তি সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান প্রতিবারই অভিযানে আসলে অভিযোগকারী ওই একই ব্যক্তিকে দেখানো হয়। তারা বলেন ভোক্তা অধিকারের ওই উপ পরিচালক আল আমিন ও তার সাথে একটি চক্র আছে। অভিযোগকারী শতকরা ২৫ ভাগ টাকা পায়।

বিলাসের সত্তাধিকারী সুমন আহমদ ও সুহাদ আহমদ অভিযোগ করে বলেন, “কিছু দিন আগে তাদের দোকানে অভিযান দেন ওই উপ-পরিচালক। পণ্যের ক্রয় মূল্য ও বিক্রয় মূল্যের তালিকা দেখানোর পরও তিনি কারণ ছাড়াই জরিমানা আদায় করেন। তারা জানান একটি বিদেশী ব্র্যান্ডের কোম্পানীর নকল পণ্য ধরে তারা তার কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলেও তিনি আমলে নেননি। অথচ অভিযোগ ছাড়া তিনি ঢালাও ভাবে অভিযানের নামে ব্যবসায়ীদের হয়রানী করছেন।” এমবির স্বত্তাধিকারী ডা. আব্দুল আহাদ জানান তার প্রতিষ্ঠানে বিদেশী পণ্যের দাম ও মান ঠিক থাকার পরও ওই উপ-পরিচালক জরিমানা করেছেন। তিনি বলেন, তার পরিচয় ও অভিযোগকারীকে এমন বিষয় জানতে চাইলে তিনি তার সাথে খারাপ আচরণ করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, অভিযানের আগে উৎকোচ দাবি করেন উপ-পরিচালক মো. আল আমিন। যারা তাকে উৎকোচ দেন তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ পেলেও তিনি অভিযানে যান না। ব্যবসায়ীরা দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অপসারণসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি করেন।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, যে সকল প্রতিষ্ঠানে অভিযান করা হয়েছে সে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের অতিরিক্ত দামসহ নানা সমস্যা ছিল। তাই আইনানুযায়ী ওই সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি বলেন “ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মৌলভীবাজার শহরের পশ্চিমবাজার এলাকায় অভিযান চলছিল। এ সময় রান্নাঘর অপরিষ্কার, পোকা বেগুন দিয়ে বেগুনি তৈরি, ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে চৌমুহনী রাজমহল মিষ্টি দোকানকে ৩০ হাজার টাকাসহ আরও কয়েক দোকানিকেসহ বাউটন গ্যালারিকেও জরিমানা করা হয়।”

“এরপর বিলাস ডিপার্টমেন্টালে বিদেশি প্রসাধনীতে নিজেরা মূল্য নির্ধারণ করে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি মূল্য নেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় এই স্টোরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ করা হয়। সঙ্গে সঙ্গেই স্টোরের মালিক সোহাদ আমার ওপর চড়াও হয় এবং আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।”

তিনি আরও বলেন, “ব্যবসায়ীরা আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ উৎকোচের যে অভিযোগ তুলেছেন তা ডাহা মিথ্যা। ৬ বছরের মৌলভীবাজার কর্মজীবনে কোথাও এমন উদাহরণ নেই বলে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।”

ঘটনার সময় এক ব্যবসায়ী কামরুল হাসান আফসোস করে বলেন “যেখানে সিন্ডিকেট সেখানে অভিযান করে লাভ নেই গত বছরে শ্রীমঙ্গলেও অভিযানের সময় এরুপ ঘটনা ঘটে, আসলে এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নিয়মিত ব্যবস্থা না থাকায় এবং শুধু মাত্র ঈদ মৌসুমে লোক দেখানো অভিযান করার কারনে জনগন এটিকে ভালো চোখে দেখেনা।তিনি বলেন ভেজালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান হলে জনগণের সহযোগিতা পাওয়া যাবে।”

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্র্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানের সময় কর্মকর্তা লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন।”

স্পোর্টস ডেস্ক: আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের এবারের আসরের উদ্ভোধনী ম্যাচে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে টুর্নামেন্টের আয়োজক ও হট ফেভারিট ইংল্যান্ড।বিশ্বকাপের উদ্ভোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ঝুড়িতে পুড়ে নিয়েছে পূর্ণ দুই পয়েন্ট।
লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ৩১১ রানের স্কোর গড়ে ইংলিশরা।২৩,৫০০ ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামটি ছিলো পুরোপুরি কানায় কানায় ভরপুর।ইংলিশদের পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৮৯ রান  আসে বেন স্টোকসের ব্যাট থেকে।৯ চারে সাজানো ছিলো তার ইনিংসটি।এছাড়া দলপতি মরগান ৫৭ ও রুট ৫১ রান করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে লুঙ্গি এনগিডি ৩ টি,রাবাদা ও তাহির ২ টি করে এবং পেহলুকাওয়ো ১ টি উইকেট নেন।
৩১২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৪৪ রানের মধ্যেই মার্করাম ও দলপতি ডু প্লেসিসকে হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা।দলীয় ১৫০ রানের আগেই সাজঘরে ফেরেন কুক,ডুমিনি ও প্রেটোরিয়াস।শেষ পর্যন্ত ৩৯.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২০৭ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।দলের পক্ষে ডাসেন সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন।
ইংলিশদের পক্ষে জোফরা আর্চার ৩ টি,স্টোকস ও প্লাংকেট ২ টি করে ও রশিদ ও মঈন ১ টি করে উইকেট পান।
প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ হয়েছেন ব্যাট হাতে ৭৯ বলে ৮৯ রান ও বল হাতে ২.৫ ওভারে ১২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেয়া স্টোকস।
আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচে ট্রেন্ট ব্রীজে বিকাল ৩:৩০ মিনিটে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

কুরআন শিক্ষার মর্যাদা দুনিয়ার সকল বিষয়ের শিক্ষার মর্যাদার চেয়েও উত্তমঃসাঈদ বিন নুরুজ্জামান আল মাদানি

তা‘লিমুল কুরআন সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত আল কুরআনের সুমহান মর্যাদা ও অধিকার শীর্ষক ইসলামি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৌদি দূতাবাসের রাজকীয় দ্বায়ী, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব সাঈদ বিন নুরুজ্জামান আল মাদানি বলেন- কুরআনুল কারিম লাইলাতুল কদরে নাজিল হয়েছে সে জন্য কদরের রাত সর্বোত্তম। কুরআনুল কারিম রমাদ্বানে নাজিল হয়েছে এ জন্য রমাদ্বান মাস সর্বোত্তম। যে বস্তুনী দিয়ে কুরআনুল কারিম বাঁধা হয় সেই বস্তুনী মাটিতে পড়ে গেলে আমরা চুমু খাই। এটাই কুরআনুল কারিমের মাহাত্ম। বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে বিশ্বে সারা বছরেই উল্কা পড়ে কিন্তু একটি রাত্রে উল্কা পড়ে না সেই রাত্রিই হচ্ছে লাইলাতুল কদর। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা সূরা ইয়াছিনে নিজেই বলতেছেন কুরআনুল কারিম হচ্ছে বিজ্ঞানময়। আর এ বিজ্ঞানময় কুরআন শেখার জন্য ও বুঝার জন্য আমরা টাকা খরচ করতে চাই না। আমার ছেলে ডাক্তার হবে অথবা ইঞ্জিনিয়ার হবে যতো টাকা প্রয়োজন আমরা খরচ করছি কিন্তু কুরআনের জন্য আমরা টাকা খরচ করতে চাই না। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। কিন্তু আমরা ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি, বায়োলজি শিখতে যতো টাকার প্রয়োজন হয় আমরা খরচ করি। কুরআন শিক্ষা মর্যাদা দুনিয়ার সকল বিষয়ের শিক্ষার মর্যাদার চেয়েও উত্তম।
তিনি গতকাল (বৃহঃস্পতিবার) তা‘লিমুল কুরআন সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত “আল কুরআনের সুমহান মর্যাদা ও অধিকার” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। তা‘লিমুল কুরআন সেন্টারের পরিচালক ক্বারী আবদুল বাছেত মিলনের সভাপতিত্বে ও সেন্টারের সহকারি শিক্ষক আব্দুল হাসিব জাহিদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ইসলামি সেমিনারে পবিত্র কুরআনুল কারিম থেকে তেলাওয়াত করেন সেন্টারের শিক্ষক হাফেজ আহমেদ কবির শামছ, ইসলামি সংগীত পরিবেশন করেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার জেড গোলাম মাহবুব, রেজওয়ানুর রহমান চৌধুরী, শেখ শাহিন আহমদ, সাজিদ আলী এবং প্রফেসর মোহন মিয়া প্রমুখ।প্রেস বার্তা

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,স্টাফ রিপোর্টার,ঠাকুরগাঁওঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ৩১শে মে শুক্রবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় ৮ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪ হাজার ৯ শত পরীক্ষর্থী অংশ গ্রহণ করবে বলে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম সাংবাদিককে জানান।
২০১৯ সালে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পীরগঞ্জের যে সব কেন্দ্র অনুষ্ঠিত হবে সে সব কেন্দ্র হলো- পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ, পীরগঞ্জ মহিলা কলেজ, পীরগঞ্জ বনিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,জাবরহাট উচ্চ বিদ্যালয়,ভোমরাদহ উচ্চ বিদ্যালয়, নাকাট্টী উচ্চ বিদ্যালয়,পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়,ডিএন ডিগ্রী কলেজ।

বাংলাদেশ মেরিনার্স সোসাইটির উদ্যোগে ২৫ মে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং নীলফামারিতে সর্বমোট ১৩টি এতিমখানা ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ইফতার করানো হয়।

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেরিনার্স সোসাইটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম, এ রশিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ক্যাপ্টেন ফরিদ তালুকদার (অর্থ সম্পাদক, বিএমএস), চিফ ইঞ্জিনিয়ার শামসুজ্জামান শামীম (ভি.পি. বিএমএস), ক্যাপ্টেন আমিনুল ইসলাম (উপদেষ্টা, বিএমএস), কমোডর মঈন আহমেদ ( অবঃ), ইঞ্জিনিয়ার শেখ আকরামুজ্জামান (ক্রীড়া সম্পাদক, বিএমএস) এবংজাহাজের ক্যাপ্টেন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও মেরিন অফিসারবৃন্দ।

এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ ও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। ইফতার মাহফিলে মেরিন অফিসারদের দেশ উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে, দেশ ও সমাজের শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।

একইভাবে চট্টগ্রামে “বায়তুশ শরফ এতিমখানা ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে” ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এখানে এতিম বালকসহ গরিব রোজাদারদের সঙ্গে বিএমএসের সদস্যরা ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

চট্রগ্রামের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ক্যাপ্টেন জামাল হোসেন তালুকদার (জিএম, এসপিডি, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন), ক্যাপ্টেন শফিক (জি এম, হক এন্ড সন্স), ইঞ্জিনিয়ার মারুফ ( এম.ডি, ওশান মেরিটাইম একাডেমী), ক্যাপ্টেন মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ( জিএস, মেরিন ফিশারিজ এক্স ক্যাডেট এসোসিয়েশ) ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল মাহবুব ( ভিপি, বিএমএস), ইঞ্জিনিয়ার আবু তাহের (টেকনিক্যাল সুপার, মেঘনা গ্রুপ),ইঞ্জিনিয়ার এরশাদ, এবং ইঞ্জিনিয়ার শেফাউল হক প্রমুখ। বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব মাওলানা আবুল হায়াত মোহাম্মদ তারেক ( সাবেক, বিভাগীয় মহাপরিচালক চট্টগ্রাম, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ) এবং দোয়া পরিচালনা করেন আলহাজ্ব মাওলানা শিহাব উদ্দিন সাহেব, বায়তুশ্বরফ, চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য মাদ্রাসাগুলোতে কমবেশি মেরিন অফিসার অংশ নেন।

সমাজের অন্যান্য সামাজিক সংগঠনগুলোর এভাবে এতিম-অর্থহীনদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে বলে মনে করেন সোসাইটির সভাপতি ও সদস্যরা। প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হবে বলেও জানানো হয়।

এবার ইফতারের আয়োজন করা হয় বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসা, বায়তুশ শরফ এতিমখানা ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স; শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জামিয়া ইমদাদীয়া দারুল উলুম (মাদ্রাসা ও এতিমখানা), মুসলিম বাজার, মিরপুর-১২; মু’ঈনুল কুরআন মাদ্রাসা, মিরপুর-১২; ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ) মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা, মিরপুর-১২; তা’লিমুল উলুম মাদ্রাসা লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানা, পূর্ব কাজীপাড়া, ঢাকা; বৃন্দাবন মসজিদ ও মক্তব মাদ্রাসা, দক্ষিণ উত্তরা, ঢাকা; খিলগাঁও বাগিচা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ্ বোর্ডিং, ঢাকা; দারুল হিকমাহ মে’রাজুল উলুম মাদরাসা, ঢাকা; ছোলমাইদ ইমদাদুল উলূম মাদরাসা ও এতিমখানা, ভাটারা, ঢাকা-১২১২; দিলু রোড মাদ্রাসা ও এতিমখানা, মগবাজার, ঢাকা; রহমাতুল্লাহ-নূর হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা; উওরা শশী রিয়াজুল উলুম নূরানী হাফেজিয়া (কওমী) মাদ্রাসা, গাবেরতল, নীলফামারী। এভাবে বাংলাদেশ মেরিনার্স সোসাইটির পক্ষ থেকে ব্যতিক্রমী ইফতার ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। যেখানে হাজার হাজার এতিম, ইমাম-মোয়াজ্জেম ও মেরিন অফিসার ইফতার ও দোয়ায় অংশ নেন।প্রেসবার্তা

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  চুনারুঘাটে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সিএনজি চালকের দু’পা ভেঙ্গে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের রাজাকোনা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন- উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের রাজাকোনা গ্রামের মৃত কাছুম আলীর পুত্র সিএনজি চালক নানু মিয়া (৩০), আতিকপুর গ্রামের মৃত আ: রশিদের পুত্র মুদিমাল ব্যবসায়ী আ: মালেক (২৫)। আহতদের আত্মচিৎকারে আশপাশের স্থানীয় লোকজনরা এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার নানু মিয়ার অবস্থা অবস্থা আশংকাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ও আহত মুদি ব্যবসায়ী আ: মালেককে চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত সিএনজি চালক নানু মিয়া জানান, আঠারভাগিয়া উত্তর বড়জুষ বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আ: মালেকের সাথে রাজাকোনা গ্রামের আব্দুল্লাহর পুত্র ফজু মিয়া (৪০) এর বিভিন্ন বিষয় নিয়া পূর্ব বিরোধ ও মনোমালিন্য চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার মুদি ব্যবসায়ী আ: মালেক চুনারুঘাট বাজার থেকে মালামাল ক্রয় করে সিএনজি চালক নানু মিয়ার সিএনজিযোগে বাড়ি ফেরার পথে আঠারভাগিয়া-রাজাকোনা রাস্তায় পৌছামাত্রই পূর্ব থেকে ওতপাতিয়া থাকা ফজু মিয়া (৪০), শামছুল হক (৫০), তাজু মিয়া (৪৫), মৃত সওদাগর উল্লার পুত্র আকতার মিয়া (২৫) গণ সিএনজি গাড়ির গতিরোধ করিয়া মুদি ব্যবসায়ী আ: মালেককে মারপিট করতে উদ্যত হলে সিএনজি চালক নানু মিয়া বাধা দিলে ফজু মিয়া ও তার সহযোগিরা উত্তেজিত হয়ে তাদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়া নিরীহ সিএনজি চালক নানু মিয়ার দুই পায়ে বারি মেরে দুটি পা ভেঙ্গে দেয় ও মাথায় বারি মেরে জখম করে।

এসময় ফজু মিয়া গংরা মুদি ব্যবসায়ী আ: মালেক কে এলোপাতারিভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম করে। তখন প্রতিপক্ষের লোকজন নিরীহ নানু মিয়ার সিএনজি গাড়িটি লাঠি ও লোহার রড দিয়া বাইরাইয়া ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করে ও সিএনজি চালক নানু মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

চুনারুঘাট সংবাদদাতাঃ পবিত্র কোরআন সুন্নাহ্সহ দেশের সরকারী আইন বিরুধী মনগড়া একক  সিদ্ধান্ত নিয়ে আগাম ঈদ পালনকারী আব্দুল মওফিক চৌধুরীর বিরুদ্বে জেগে উটেছে চুনারুঘাট তথা সিলেটের ছাত্র জনতা।বৃহস্পতিবার দুপুরে চুনারুঘাট পৌর শহরে এলাকার ছাত্র জনতা এক বিশাল লাটি মিছিল করেছে। মিছিলের পুর্বে ইসলাম ও রাষ্ট্র বিরোধীতাকারী আব্দুল মওফিকের অপতৎপরতার বিরুদ্বে জনসচেতনতার জন্য আল্লামা খাজা আজিজুল বারীর লিখিত ( দলিলসহ) প্রচার পত্র বিলি করেন।  তারা দীর্ঘ চার পাচ বছর যাবৎ সুনামগন্জের হুজুর আল্লামা  খাজা মুহাম্মদ আজিজুল বারী মুজাদ্দেদীর নেতৃত্বে ধর্মের নামে বিভ্রান্ত কারী ঐ মওফিক চৌধুরীর বিরুদ্বে প্রতিবাদ গড়ে তুলেন।
প্রতিবাদ সভায় আল্লামা খাজা আজিজুল বারী বলেন আগাম ঈদ পালনকারীরা মওফিক চৌধুরীসহ তার সহযোগিরা,  কোরআন সুন্নাহ্ এবং রাষ্ট্র বিরুধী  তাদের বিরুদ্বে আইনগত ভাবে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জোর দাবী জানান। তিনি আরও বলেন আগাম ঈদ পালনকারী মওফিকসহ তাদের অপতৎপরতার বিরুদ্বে বাহাছের চ্যালেঞ্জ  ঘোষনা করেছেন।
তিনি গত কয়েক দিন যাবত সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট, শায়েস্তগন্জ, মিরপুর, বি-বাড়ীয়াসহ বিভিন্ন স্থানে আগাম ঈদ পালনকারীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় ছাত্র জনতাকে নিয়ে প্রতিবাদ সভা সমাবেশ ও প্রচার পত্র বিতরণ চালিয়ে  যাচ্ছেন তিনি।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট ও চাঁনপুর সীমান্ত দিয়ে বেড়েছে চোরাচালান। আজ ৩০.০৫.১৯ইং বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় টেকেরঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে পাচাঁরের সময় ১মে.টন চোরাই কয়লা আটক করেছে বিজিবি। কিন্তু চোরাচালানীদের গ্রেফতার করাসহ তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ব্যাপারে নেওয়া হয়নি কোন উদ্যোগ।

এব্যাপারে বড়ছড়া ও চাঁরাগাঁও শুল্কস্টেশনের ব্যবসায়ীরা জানায়,সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে টেকেরঘাট কোম্পানীর লাকমা গ্রামের মৃত শফি মেস্তুরীর ছেলে অস্ত্র ও চাঁদাবাজি মামলার আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী ল্যাংড়া বাবুলের নেতৃত্ব চোরাচালানী মানিক মিয়া,বদিউজ্জামাল,আক্কাছ মিয়া,ফিরোজ মিয়া,কামাল মিয়া,রমজান মিয়া,ইউনুছ মিয়া,বিল্লাল মিয়া,আব্দুল মিয়া,ভুট্টো মিয়া,শফিকুল মিয়া,আব্দুল মিয়া,নাজিম মিয়া,শহিদ মিয়া,জাকির মিয়াসহ মোট ২৭জনকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেড তৈরি করে প্রতিদিন লাকমা ও টেকেরঘাট খনিপ্রকল্প এলাকা দিয়ে ভারত থেকে কয়লা,মদ,অস্ত্র ও ইয়াবা পাচাঁর করা হচ্ছে এবং পাচাঁরকৃত ১বস্তা কয়লা থেকে বিজিবি ও পুলিশের নামে ১শত টাকা,১হাজার পিছ ইয়াবার জন্য ৫০হাজার টাকা চাঁদা নিচ্ছে ল্যাংড়া বাবুল।

অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী বড়ছড়া ও বুরুঙ্গাছড়া এলাকা দিয়ে বিজিবি ও পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে চোরাচালানী ফিরোজ মিয়া ও কামাল মিয়া ৩০জনকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেড তৈরি করে প্রতিদিন কয়লা,অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে বিজিবি ও পুলিশের নামে চাঁদা উত্তোলন করছে। আর পাচাঁরকৃত অবৈধ কয়লা ক্রয় করছে বড়ছড়া শুল্কস্টেশনের চোরাই কয়লা ব্যবসায়ী সোহেল মিয়া ও তার এক সহযোগীরা। এছাড়া চাঁনপুর সীমান্তের বারেকটিলা,কড়ইগড়,রাজাই,চাঁনপুর ও যাদুকাটা নদী এলাকা দিয়ে বিজিবি সোর্স পরিচয়ধারী মাদক মামলার আসামী আবু বক্কর,জম্মত আলী ও রফিকুলের নেতৃত্বে ৩৫জন চোরাচালানীকে নিয়ে সিন্ডিকেড তৈরি করে প্রতিদিন ভারত থেকে গরু,ঘোড়া,বিড়ি,মদ,ইয়াবা ও অস্ত্র পাচাঁর করেছে এবং পাচাঁরকৃত ১টি গরু থেকে চাঁনপুর ক্যাম্পের নামে ২হাজার টাকা,থানার নামে ১হাজার টাকা,স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নামে ৮শত টাকা,দুই মেম্মারের নামে ৬শত টাকা,স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের নামে ৩শত টাকা চাঁদা নিয়ে সোর্স আবু বক্কর ও রফিকুল।

এব্যাপারে চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের সোর্স পরিচয়ধারী মাদক মামলার আসামী আবু বক্কর বলেন,আমাদের ব্যাপারে লেখালেখি করলে কিছুই হবে না কারণ আমরা যা করছি সবাইকে ম্যানেজ করেই করছি। টেকেরঘাট পুলিশ ক্যাম্পের সোর্স পরিচয়ধারী চাঁদাবাজি ও অস্ত্র মামলার আসামী ল্যাংড়া বাবুল বলেন,আমরা চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করবই,পারলে কিছু করে দেখান। টেকেরঘাট বিজিবির কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার লিয়াকত বলেন,চোরাচালানের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ মালামালসহ চোরাচালানীদেরকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করি এবং প্রায় প্রতিদিনই পাচাঁরকৃত কয়লা জব্দ করা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাকসুদুল আলম বলেন,সীমান্ত চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও চোরাচালান বন্ধের জন্য উপরের উল্লেখিত সোর্স পরিচয়ধারী ও চোরাচালানীদের গ্রেফাতারের জন্য প্রশাসনের উপরস্থ কর্মকর্তাদের সহযোগীতা কামনা করছেন তাহিরপুর উপজেলার ৩ শুল্কষ্টেশনের হাজার হাজার বৈধ ব্যবসায়ীরা।

শংকর শীল,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের অসহায় গরিব ও দুস্থদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। ৩০ মে বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় চুনারুঘাট পৌরসভা প্রাঙ্গণে এ চাল বিতরণ করা হয়েছে। ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আব্দুল হান্নান জানান, আমার ওয়ার্ডে অসহায় গরিব ও দুস্থ ৬২০ টি পরিবারের মাঝে প্রত্যেক কে ২০ কেজি করে এই চাল বিতরণ করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন,ঊষার আলো’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত।ঊষার আলো সমাজকল্যাণ সংগঠন, মৌলভীবাজার- এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, শহরের স্থানীয় জি,এফ,সি রেষ্টুরেন্ট-এ অনুষ্টিত হয়। অনুষ্টানে সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সভাপতি সাইদুল ইসলাম মান্নার সভাপতিত্বে,ও মিজানুর রহমান রাসেল -এর সঞ্চালনায়, অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ফজলুর রহমান,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মৌলভীবাজার জেলা শাখার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নওশের আলী খোকন, সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদ মৌলভীবাজার সভাপতি খালেদ চৌধুরী।

ঊষার আলোর সমাজকল্যাণ সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও শেখ বোরহান উদ্দিন (রঃ) ইসলামি সোসাইটি (বি,আই,এস) এর প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মৌলভীবাজার এম মুহিবুর রহমান মুহিব, পৌর সেচ্ছাসেবকলীগ-এর সভাপতি সৈয়দ জাকির হোসেন, জেলা ছাত্রলীগ মৌলভীবাজার- এর সভাপতি, আমিরুল হোসেন চৌধুরী আমিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দুরুদ আহমেদ,মিরাজ আলী,সাইফুল রহমান চৌধুরী,রুমেল আহমেদ,এস,এম গোলাম কিবরিয়া। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম,হাবিবুর রহমান,যুগ্ন সম্পাদক আরেফিন মামুন, প্রচার সম্পাদক শাহরিয়ার খাঁন সাকিব,সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর আহমেদ শাকিল,সহ মহিলা সম্পাদিকা সাদিয়া আক্তার লিপা,তারিন আক্তার মিমি, নাজমুন নাহার সাবনাজ প্রমুখ। বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন হজরত মাওলানা শাহজালাল আহমদ আখঞ্জী দেশ,জাতি ও সংগঠনের সার্বিক কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc