Friday 26th of April 2019 07:44:10 PM

শাব্বীর এলাহী কমলগঞ্জ থেকেঃ ফুলের মতো ফুটফুটে এই মেয়েটির নাম সাগরিকা । জন্মের আগেই বাবাকে হারায় । মা শাবনুর বেগমের সাথে নানা বাড়িতে আদর সোহাগ আর সকলের ভালোবাসায় বাবার অভাব ভূলে গিয়ে বড় হতে থাকে । কমলগঞ্জের নন্দ রাণী চা বাগানের ট্রাক চালক মখলিছ মিয়ার মাটির ঘর হাসি আনন্দের স্বর্গীয় আলোয় ভরে দিত তার নাতনি সাগরিকা । হঠাৎ মাত্র তিন বছর বয়সে সাগরিকার শরীরে ধরা পড়লো ব্লাড ক্যান্সার । যে মেয়েটি সারা ঘর মাথায় তুলতো হৈ হুল্লোড় করে । সে এক বছর ধরে হাসপাতালের শক্ত বেডে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

প্রথম তিন মাস সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারের নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা আর শরীরে কাঁটা ছেঁড়ার যন্ত্রণা সইতে হয়েছে নিষ্পাপ অবুঝ এই শিশুকে । মা শাবনুর বেগমের তো আর কিছুই নেই, নানা মখলিছ মিয়ার সব উপার্জন আর নানী সেলিনা আক্তারের সমস্ত সঞ্চয় উজাড় করে দিলেন চিকিৎসার্থে । কোন লাভ হয়নি ।

অবশেষে আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীর সহযোগিতায় টাকা পয়সা যোগাড় করে সাগরিকা কে ভর্তি করানো হলো পি জি হাসপাতালে । ডাক্তার আফিকুল ইসলামের তত্তাবধানে চিকিৎসাধীন আছে সে । প্রতিদিন ছয় হাজার টাকা খরচ করতে হয় । এ খরচ যোগাতে সব সহায় সম্বল বিক্রি করে আজ নিঃস্ব অভাগী শাবনুর বেগমের পরিবার ।

শাবনুরের মা নাতনি সাগরিকার সুস্থতা কামনায় আল্লাহ্‌র দরবারে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে আজ শোকে পাথর । আর হাসপাতালে সাগরিকা কে ডাক্তার নার্স ইনজেকশন দিতে এলে কংকালসার সেই অসহায় শিশুটি ক্ষীণ কন্ঠে আর্ত চিৎকার করে বলে, ইয়া আল্লাহ আর কতো কষ্ট পেলে আমি ভালো হবো । মখলিছ মিয়ার আরেক মেয়ে টাইফওয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোহাজিরাবাদ হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করে আর এগোতে পারেনি । হয়তো লাখ তিনেক টাকা হলেই সাগরিকা ভালো হয়ে যাবে । শাবনুর বেগমের কোল ভরে উঠবে । আবারো মখলিছ মিয়ার মাটির ঘর হাসি আনন্দের স্বর্গীয় আলোয় ভরে উঠবে । আমরা কতো ভাবে কতো টাকাই তো খরচ করি, ফুলের মতো ফুটফুটে এই শিশুটির বাঁচার জন্য না হয় কিছু একটা করতেই পারি ।

যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন গ্রাম অঞ্চলে তাদেরকে গ্রামেই থাকতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রামে ধরে রাখার উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনমন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, একনেকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন মাঠ পর্যায় থাকেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে।

এম এ মান্নান বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা গ্রামে থাকতে চান না। আবার তারা গ্রামে থাকলেও তাদের পরিবার থাকে ঢাকায়। এ অবস্থায় তাদের মন পড়ে থাকে পরিবারের কাছে। ফলে জনগণকে সঠিক সেবা দিতে পারেন না। এ অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন পরিবার নিয়ে গ্রামের কর্মস্থলেই থাকতে পারেন। সেজন্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, গ্রামে এখন থেকে যেসব ভবন তৈরি হবে, সেগুলো যেন খোলামেলা হয়, যেন দর্শনার্থীরা সহজেই হাঁটাচলা করতে পারেন এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া যেসব পুকুর রয়েছে, সেগুলো কোনোভাবেই ভরাট করা যাবে না বলেও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আহত ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানা সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা গেছেন

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মী সোহেল রানার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ নয়, উপযুক্ত কেউ থাকলে তাকে চাকরি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দফতরে সোহেল রানার প্রথম জানাজা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফায়ারম্যান সোহেল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। ফায়ার সার্ভিসসহ আমরা সবাই তার পরিবারের প্রতি লক্ষ রাখব। তার পরিবারে যদি উপযুক্ত কেউ থাকে তাকে একটি চাকরি দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সোহেল রানার পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ক্ষতিপূরণ নয়, আমরা তার পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস তাকে সহযোগিতা করেছে, প্রধানমন্ত্রীও সহযোগিতা করবেন। ভবিষ্যতে আপনারা তা দেখতে পারবেন।

সোহেলের সাহসী উদ্ধার অভিযান নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সোহেল রানা মানুষকে ভালোবাসতেন, দেশকে ভালোবাসতেন- এর প্রমাণ তিনি রেখে গেছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এফআর টাওয়ারে উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তার মৃত্যুতে গোটা জাতি শোকাহত। তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

সোহেল রানার চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করেছি। প্রথমে তাকে সিএমএইচে নেয়া হয়েছে, এর পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়।

প্রসঙ্গত ২৮ মার্চ বনানীর এফআর টাওয়ারের ভয়াবহ আগুনে ঘটনাস্থলে ২৫ জন ও হাসপাতালে একজন নিহত হন। আগুনের ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে গিয়ে আহত ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানা সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার খাদ্যশস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত আত্রাই উপজেলার ৮ ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠ জুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। দিগন্তজুড়ে সবুজ আর সবুজ। ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশায় এবার কৃষকরা বুক বেঁধেছে। আত্রাইয়ের মাঠগুলো এখন কৃষকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জমিতে পরিমিত সার ব্যবহার, পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় সচেষ্ট হতে প্রতিনিয়ত পরামর্শ দিয়ে আসছেন। বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবরাহ, সারের কোন সংকট না থাকা ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ইরি-বোরো চাষে তেমন একটা বেগ পেতে হচ্ছে না তাদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ১৮ হাজার ৫০০ শত হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গতবারে শ্রমিক সংকটের কারণে এবারো ইরি-বোরো চাষ নিয়ে অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বোরো চাষ হয়েছে।

আত্রাই এলাকা বন্যাদুর্গত এলাকা হিসেবে এ অ লের কৃষকরা এবার বোরো চাষকে সৌভাগ্য হিসেবে মনে করছেন। এদিকে, উপজেলার ডিলারদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল ও সার পাওয়ায় কৃষকরা অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছেন। নওগাঁ জেলার খাদ্য উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে আত্রাই উপজেলা।

এ ব্যাপারে উপজেলার শাহাগোলা গ্রামের কৃষক আজাদ সরদার বলেন, ধান গাছে সময়মতো পানি পাওয়ায় এখন গাছ সবুজ বর্ণ ধারণ করেছে। এবার বড় ধরনের ঝড় বা শীলা বৃষ্টি না হলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার আমরা অধিকহারে বোরো ধান চাষ করেছি। আশা করছি, এবার বোরো ধানে বাম্পার ফলন হবে।

উপজেলা কালিকাপুর ইউনিয়নের শলিয়া ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কেএম মাহাবুব বলেন, ইরি-বোরো ধান চাষে কৃষকরা যাতে লাভবান হতে পারেন এবং কৃষকরা যেন বোরো চাষে কোনো প্রকার সমস্যায় না পড়েন এ জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছি। যেখানেই সমস্যা সেখানেই আমাদের উপস্থিতি এবং সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, অধিক ফলনের জন্য পরিমিত সার ব্যবহার, পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সচেষ্ট হতে আমরা সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে আসছি। এবার আত্রাই এলাকার কোথাও মাজড়া পোকার আক্রমণ নেই। ফলে আমরা আশা করছি, এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের ১২ রাউন্ড গুলি বর্ষণ

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের নড়াগাতি থানার কলাবাড়িয়া গ্রামে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আজিজুর রহমান কটাই শেখ নামে একজন নিহত হয়েছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল কাইয়ূম সিকদার এবং আবেদ শেখের গ্রুপের মধ্যে সোমবার সন্ধ্যায় সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আবেদ শেখ পক্ষের আজিজুর রহমান কটাইকে কুপিয়ে ও গুলি করে প্রতিপক্ষের লোকজন হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহত আজিজুর কলাবাড়িয়া গ্রামের ওলিয়ার শেখের ছেলে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শটগানের ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে।
আহতদের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।নড়াগাতি থানার ওসি আলমগীর কবির জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ জমি সংক্রান্ত বিরুদের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মুক্তিযোদ্ধা সহ আহত ৩, হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের, আটক-২।
এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় জমি জমা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সাথে দীর্ঘ দিন হতে প্রতিপক্ষের বিরুদ চলে আসছে। এনিয়ে শালিস বৈঠক বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। ৪শতক জায়গার বিরুধ নিয়ে শালিশ বৈঠক চলছে। ৬ এপ্রিল দুপুর ১টায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার মাটি খননের জন্য নিজ পুকুরের পানি সেচ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের উপর হামলা চালায়।

হামলা কারীরা হলেন জৈন্তাপুর উপজেলার পূর্ব গর্দ্দনা গ্রামের মৃত উসমান আলীর ছেলে আব্দুর রব(৬০), আব্দুল ওয়াহিদ(৪২), আব্দুল মতিন(৫৫) আরমান আলীর ছেলে আসাব আলী(৩৫), মৃত নিছার আলীর ছেলে নজির আহমদ(২২), সোয়াব আলী(২৫) আব্দুল মতিনের ছেলে ইসলাম উদ্দিন(৩০), মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে আজিজুল হক(৪২) পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাদের উপর হামলা করে। হামলায় আহত হন বীরমুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান(৬৫), তাহার ছেলে লুৎফুর রহমান(৩৫) এবং জসিম উদ্দিন(৩০) আহত হন।

তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে প্রতিপক্ষের কবল হতে আহতদের উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি প্রেরন করে। হামলার ঘটনায় বীরমুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমানের ছেলে জসিম উদ্দিন বাদী উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ অভিযোগটি তদন্তপূর্বক মামলা হিসাবে গ্রহন করে (মামলা নং-৪৬)। মামলা দায়ের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে পূর্ব গদ্দনা গ্রামের মৃত উসমান আলীর ছেলে আব্দুল ওয়হিদ(৪২) এবং মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে আজিজুল হক(৪২) কে আটক করে।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাইনুল জাকির বলেন- অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত পূর্বক মামলা গ্রহন করি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় এজাহার নামীয় ২আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকী আসামীদের আটকের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc