Tuesday 23rd of July 2019 07:04:52 PM

নড়াইল প্রতিনিধি: সন্মুখ সমরে জীবন বাজি রেখে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রতিষ্ঠিত করেও কাজী গোলাম আশরাফ খোকন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভূক্ত হতে পারেননি। গত প্রায় তিন বছর তিনি মারা গিয়েছেন। এখন তার অসুস্থ স্ত্রীর আকুতি স্বামীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে মরতে চান।
জানা গেছে, সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের পলইডাঙ্গা গ্রামের কাজী গোলাম আশরাফ খোকন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন বীর সেনানী ছিলেন। বাইশ বছরের টগবগে যুবক ভারতের উত্তর প্রদেশের টান্ডুয়া ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে ৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের দিকে দেশে ফিরে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে দেশকে শত্রু মুক্ত করেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৮০ সালের দিকে ভাগ্যের অন্বেষনে নিজ জেলা নড়াইল ত্যাগ করে নারায়নগঞ্জ জেলায় চাকরি করেছেন। জীবিত অবস্থায় প্রথম দিকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবার জন্য চেষ্টা করেননি। কিন্তু পরে যখন চেষ্টা করেন তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। গত ২০১৬ সালের ২০ জালাই তিনি ক্যান্সরে আক্রান্ত হয়ে নারায়নগঞ্জে মারা যান। বর্তমানে তিনি স্ত্রী, এক পূত্র ও তিন কন্যা রেখে গেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন কারনে যারা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি বর্তমান সরকার তাদেরকে ২০১৭ সালের জানুয়ারী মাসে অনলাইনে দরখাস্ত করতে বলা হয় এবং যাচাই-বাছাই শুরু হয়। তখন গোলাম মোর্শেদ খোকনের বড় মেয়ে ইশরাত জাহান তানিয়া এ বিষয়টি জানতে পেরে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তার বাবার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা-তদবির শুরু করেন। নড়াইলে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে দরখাস্ত করেন। কিন্তু তার নাম যাচাই-বাছাই-এর আওতায় এসেছিল কিনা বা খোকনের নাম জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে পাঠানো হয়েছিল কিনা তা খোকনের মেয়ে জানেন না। জানা গেছে, বিভিন্ন কারনে সরকার যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সদর উপজেলার কমান্ডার এস.এ বাকি বলেন, খোকন, ৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর নড়াইল মুক্ত দিবসে পাকিস্তানি হানাদার ও এদেশীয় রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। তিনি ক্ষোভের সাথে তার মতো একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কেন তালিকাভূক্ত হতে পারেনি, সেটাই আশ্চর্য়ের বিষয়। মৃত্যুর পর হলেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার স্বীকৃতি পাওয়া জরুরি।
১৯৭১ সালে তৎকালীন নড়াইল মহকুমা গেরিলা বেইজ ও ডেমুলেশন কমান্ডার অ্যান্ড পলিটিক্যাল মোটিভেটর অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জিন্নাহ এবং সদর উপজেলা মুজিব বাহিনীর কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা শরীফ হুমায়ুন কবির জানান, গোলাম আশরাফ খোকন আমাদের সাথে ভারতের উত্তর প্রদেশের টান্ডুয়া ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। পরে একসাথে দেশে ফিরে এসে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি। ১০ ডিসেম্বর নড়াইল মুক্ত দিবসে তৎকালীন ওয়াপদা ভবনে (বর্তমান পানি উন্নয়ন বোর্ড) অবস্থিত রাজাকার এবং পাকিস্তানি বহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে সে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর বঙ্গবন্ধুর কাছে আমরা একসাথে অস্ত্র জমা দেই। দেশ স্বাধীনের পর আর্থিক কারনে খোকন নড়াইল ত্যাগ করে নারায়নগঞ্জ গিয়ে । এখন ছোটখাট একটি চাকরি করতেন। তার পরিবারের অবস্থা এখনও স্বচ্ছল নয়। চলা যাওয়ায় একটি ব্যবধান তৈরি হয়। তার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পাওয়া দুর্ভাগ্যজনক।
গোলাম আশরাফের কন্যা ইশরাত জাহান (০১৭১৬-২০৯২৪০,০১৯১৪-১৯৩১১০) বলেন, ২০১৪ সালে ঢাকায় নড়াইল ফেসবুক ফ্রেন্ডস নামে একটি সংগঠন তার বাবাসহ নড়াইলের মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করেন। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন এ.্েক.এম মোজাম্মেল হক। জাসদ এবং ১৪ দলীয় জোট নেতা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শরীফ নুরুল আম্বিয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
গোলাম আশরাফের অসুস্থ স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৬০) কান্না জড়িত কন্ঠে এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমার স্বামী একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। আপনারা প্রমান করেন। তিনি তার জীবদ্দশায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে ভাবেন নি। কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হিসেবে আমি মরতে চাই। এাঁ আমার জীবনের শেষ ইচ্ছা। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহানুভূতি কামনা করেন।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের আমাদা গ্রাম আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (৫এপ্রিল) সন্ধ্যায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক গ্রুপের নেতা অহিদুর রহমান খান (৬৫) কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষ। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতাল পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় আমাদা গ্রামোর আলী আহম্মেদ খান গ্রুপের আপন ছোট ভাই অহিদুর রহমান খান আতœীয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে আমাদা সরকারি দাখিল মাদ্রাসার কাছে আসলে প্রতিপক্ষ কাশেম খান গ্রুপের ৩০-৩৫ জন লোকজন তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার অবস্থা আশংকাজনক। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লোহাগড়া উপজেলার আমাদা ও পার্শ্ববর্তী সদরের কামাল প্রতাপ গ্রামে দেশ স্বাধীনের পর থেকে আলী আহম্মেদ খান এবং কাশেম খান গ্রুপের মধ্যে বংশগত দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছে। গত ৪৬ বছরে দু’গ্রুপের ৪জন নিহত এবং ৫জন স্থায়ী পংগুত্বসহ এক হাজারের বেশী নারী-পুরুষ-শিশু আহত হয়েছে। গত ২০১৮ সালে ৬ বার সংঘর্ষে আমাদা ও কামালপ্রতাপ গ্রামে ৯০টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রন করতে গিয়ে আহত হয় ৪ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৪জন পুলিশ সদস্য। দু’পক্ষের ৭টি মামলায় ১শ৮৭ জনকে আসামি করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম জানান, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে দু’পক্ষের দু নেতা আবুল কাশেম খানসহ ও আলী আহম্মেদ খান আমাকে কথা দেয় তারা আর সংঘর্ষে লিপ্ত হবে না। কিন্তু তারা কথা দিয়ে কথা রাখেনি। তাদের সাথে পূনরায় কথা হয়েছে। এলাকার শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে স্থায়ী বিরোধ মিমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত বলে জানান।

বিশেষ প্রতিবেদক: গত কয়েক মাস ধরে যাত্রীবাহী ট্রেনে হিজড়াদের ব্যাপক উৎপাত শুরু হয়েছে। টাকা ওঠানোর নামে এরা ব্যাপক হারে টাকা আদায় করে। চাহিদা মত টাকা আদায় করতে এরা যাত্রীদের রীতিমত জিম্মি করে ফেলে। কোন কারণে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অথবা একটু দেড়ি হলেই নাজেহাল হতে হয়। অনেকে যাত্রী হিজড়া দেখলে ভয়ে আঁৎকে ওঠেন। তাই খুব তাড়াতাড়ি পকেট থেকে বের করে টাকা দিয়ে দেন। টাকা দিতে একটু দেড়ি হলেও তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করে। এমনকি ছেলে-মেয়েদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। আর যাত্রীদের কারো কোলে শিশু থাকলে বেশি টাকা আদায়ের জন্য নতুন ভঙ্গিমা শুরু করে ভীতিকর পরিবেশের সৃষ্টি করে। এমনকি ওই শিশুকে কোল থেকে জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে নাচানাচি করে। এতে শিশুটি ভয়ে চিৎকার শুরু করে। ফলে বাধ্য হয়ে চাহিদা অনুযায়ী মোটা অংকের টাকা দিতে হয় অভিভাবকদের।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, টাকা আদায়ের জন্য হিজড়ারা এতটাই জঘণ্য আচরণ করে এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে আশপাশের যাত্রীদের সামনে যাত্রীরা লজ্জায় পড়ে যান। অনেক সময় ছেলে-মেয়েদের সামনে মা-বাবাকে অপমান করে। গত বুধবার চট্রগ্রাম  স্টেশন থেকে শুরু করে দেশের যে প্রান্তেই যাওয়া হোক না কেন হিজড়াদের কবলে পড়তেই হয়। যাত্রী ভেদে ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকে এরা। কিন্তু চট্রগ্রাম, চাদপুর স্টেশনের মত জায়গায় যেখানে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন, সেখানে হিজড়াদের এই অত্যাচার মেনে নেয়া যায় না। তবে স্টেশন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে  জানা নাই বলে দায় এড়িয়ে যায়। তাদের বক্তব্য হলো- স্টেশনে মাঝে মধ্যে হিজড়াদের দু’ একজনতে দেখা যায়। তবে তারা চাঁদাবাজি করে বলে তাদের জানা নেই বলে জানান।
 এমনকি  আজ পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি বলে দায় এড়িয়ে যান কর্মকর্তারা।
গত বুধবার চট্রগ্রাম  থেকে ট্রেনে করে চাদপুর যান এক ব্যবসায়ী মোজ্জামেল হক। আবার বৃহস্পতিবার ফিরে আসেন। তিনি জানান, ওই দিন সকালে আন্তঃনগর ট্রেন তিস্তায় ওঠেন। সকাল ৮টার কিছুক্ষণ পরে চট্রগ্রাম  থেকে ট্রেন ছেড়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুজন হিজড়া এসে তার কাছে ৫০ টাকা দাবি করেন। টাকা বের করাতে একটু দেড়ি হওয়ায় দুজন হিজড়া অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি শুরু করেন। স্ত্রীর সামনে বেচারা অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়েন। তার পাশেই বসা ছিল একজন কলেজ ছাত্র। আমি ছাত্র আমি টাকা দেব না বলতেই তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন এক হিজড়া। সবার সামনে এমন ঘটনায় কয়েকজন প্রতিবাদ করলে আরও ক্ষেপে যায় ওরা।

চাঁদা না পেয়ে যুবকের দুই পায়ে ড্রিল করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার শমসেরপাড়া রেলগেইট এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

আমজাদের চাচাতো ভাই মো. নাসির জানান, হাদু মাঝির দোকান এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আজিম। তার কাছে একমাস আগে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে কথিত যুবলীগ নেতা এসরামুল হক এসরালের অনুসারী শমসের পাড়া এলাকার সন্ত্রাসী জালাল, মিলতাত, রাশেদ, নিশান ও দিদার। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা ওই সময় দোকানে হামলা চালায়। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন আজিম। বিষয়টি সন্ত্রাসীরা জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে স্বপরিবারে হাজীরপুল এলাকায় দাওয়াত খেতে যান মো. আজিম। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের রেখে একা সিএনজি অটোরিকশা করে বাসায় ফিরে আসছিলেন মো. আমজাদ। শমসের পাড়া রেলগেইট এলাকায় পৌঁছালে সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তাকে টেনে হেঁচড়ে নামিয়ে মারধর করা হয়। এরপর তার বাবাকে ফোন করে টাকা নিয়ে আসতে বলে সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মো. আজিম। টাকা না আনায় বাবার সামনে ছেলেকে ড্রিল মেশিন দিয়ে পায়ে ড্রিল করে তারা। তাকেও মারধর করা হয়। ভাই ও বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বেধড়ক মারধরের শিকার হন আরাফাত হোসেন। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তারা আহত বাবা ও দুই ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চান্দগাঁও থানার ওসি (তদন্ত) আবদুর রহিম বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাবা ও দুই ছেলেকে মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। একজনকে পায়ে ড্রিল করা হয়েছে। তারা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।’ইত্তেফাক

ফ্রান্স-বাংলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।  বুধবার (৩ এপ্রিল ২০১৯) বিকেলে প্যারিসের বাংলা ভিশন ব্যুরো অফিসে বিলুপ্ত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ দ্বীপের সভাপতিত্বে এবং  মোহা. আব্দুল মালেক হিমুর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের ফ্রান্স প্রতিনিধি দেবেশ বড়ুয়া, প্রবাসে বাংলার সম্পাদক অধ্যাপক অপু আলম, ফ্রি ল্যান্স সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন সেলিম, বাসুদেব গোস্বামী, জামিল আহমদ সাহেদ প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এটিএন বাংলার ফ্রান্স প্রতিনিধি দেবেশ বড়ুয়াকে সভাপতি এবং এসএ টিভির ফ্রান্স প্রতিনিধি মোহা. আব্দুল মালেক হিমুকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
এছাড়াও সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক অপু আলম, সহ-সভাপতি কানাইঘাট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি দেলওয়ার হোসেন সেলিম নির্বাচিত হন। সাবেক আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ দ্বীপ কে নতুন কমিটির ১নং সদস্য করা হয়। আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে ফ্রান্স-বাংলা প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা ঘোষণা করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।প্রেস বার্তা

“দুঃখ-দুর্দশার বাইরেও আমাদের দেশে সুন্দর প্রকৃতি পরিবেশ, গান, সংস্কৃতি ইত্যাদি আছে তা দেখানোর জন্য তাদেরকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে”পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন

 

মিনহাজ তানভীরঃ দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকা বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা শ্রীমঙ্গল। এর সৌন্দর্য উপভোগের জন্য  ঢাকায় নিযুক্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অর্থাৎ ৩৫ টি দেশ ও সাতটি  আন্তর্জাতিক সংস্থার ৫৭ জন কর্মকর্তার আগমন ঘটেছে চায়ের রাজধানী খ্যাত দুটি  পাতা ও একটি কুঁড়ির কুঞ্জবনে ।

সিলেটের কৃতি সন্তান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে দলটি আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা ত্যাগ করে শ্রীমঙ্গলে এসে পৌঁছে। আগামিকাল শনিবার তারা ঢাকায় ফিরবেন।

দুই দিনব্যাপী সফরের প্রথম দিন কূটনীতিকরা মৌলভীবাজারের ইস্পাহানি চা বাগানে যান এবং চা প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রত্যক্ষ করেন  এ সময় সফরকারী দলের সদস্যদের প্রক্রিয়াজাতকৃত চা উপহার দেয়া হয়।

চা বাগানে বিদেশীদের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের  বলেন, “ঢাকা একটা সীমাবদ্ধ জায়গা। বাংলাদেশকে জানার মতো কুটনীতিকদের তেমন সুযোগ হয় না। বাংলাদেশকে জানা ও বিনোদনের জন্যই চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে তাদেরকে নিয়ে এসেছি। আমাদেরও গর্ব করার অনেক কিছু আছে। দুঃখ-দুর্দশার বাইরেও আমাদের দেশে সুন্দর প্রকৃতি পরিবেশ, গান, সংস্কৃতি ইত্যাদি আছে তা দেখানোর জন্য তাদেরকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে”।

টি রিসোর্ট এন্ড গ্রান্ড সুলতানে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। সেখানে সন্ধ্যায় তাদের সম্মানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে আসা কর্মকর্তাদের মধ্যে কোরিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নেপাল, আফগানিস্তান, ভুটান, ব্রাজিল, কুয়েত, কানাডা, ফ্রান্স, তুর্কি, ইউএসএ, ওমান, জাপান, ফিলিপাইন, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানসহ ৩৫ টি রাষ্ট্রের দূত এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউএনডিপি, সার্ক, ব্রিমস্টেক, ইউএনএফপিএ, ইউসিকেইএফ বিডি, ইউএনএইচসিআর, ইউএসডিএসএস এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগন আছেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc