Friday 26th of April 2019 07:53:27 PM

বি বাড়িয়া প্রতিনিধিঃ বি বাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের বরইচারা গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রুকন উদ্দিন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত রুকন উদ্দিন বরইচারা গ্রামের সাদত আলীর ছেলে।সাদত আলীর ৪ ছেলের মধ্যে সে দ্বিতীয়।বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে ও জানা গেছে।

জানা গেছে নিহত রুকন উদ্দিন স্ট্রিলের নৌকার মাঝি ছিল। নির্বাচন উপলক্ষে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য সে বাড়িতে আসে।

ঘটনার সুত্রপাত, ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মো. এনামুল হক ও আওয়ামীলীগের বরইচারা ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়ার সূত্রে জানা যায়, ৩১মার্চ রবিবার বরইচারা ভোট কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে নৌকার সমর্থক রুকন উদ্দিনের সাথে শিবলী ও আবু ছায়েদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রুকন উদ্দিনের দলবলের সাথে আবু ছায়েদের দলবলের দাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার মীমাংসার জন্য গতরাতে তাদের নিজ নিজ গোষ্ঠীর লোকজন স্থানীয় মাদ্রাসা ঘরে বৈঠক বসে। বৈঠকের মধ্যেই কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।এতে আবু ছায়েদের পক্ষের একজন মারাত্মক আহত হয়। এরই জের ধরে আজ সকালে ভৈরব যাওয়ার পথে ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও আলমগীরকে আবু ছায়েদের লোকজন আক্রমণ করলে দুই পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হয়।সংঘর্ষে রুকন উদ্দিনের বুকের নীচে বল্লম বিধে যায়। তাকে সদর হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

অরুয়াইল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন খন্দকার রুকনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জেসমিন মনসুর: মৌলভীবাজার জেলার  সদর উপজেলার  ৬নং একাটুনা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দ্যোগে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবধনা শেষে গত ১ লা এপ্রিল  একাটুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একাটুনা ইউনিয়ন ডেভোলাপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব মৌলভীবাজারের অর্থায়নে নব-নির্মিত শহীদ মিনার পরিদর্শন করেছেন মৌলভীবাজার ও রাজনগর সাংসদ জননেতা নেছার আহমদ এমপি এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা মোহাম্মদ কামাল হোসেন. মৌলভীবাজারের এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি ও জানিয়েছেন।
এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আলহাজ্ব আনকার আহমদ.  মৌলভীবাজার কলেজের সাবেক ভিপি আলহাজ্ব  জয়নাল হোসেন. একাটুনা প্রধান শিক্ষিকা ম্যাডাম লাভলী দাশ. হোম চাইল্ড কেজি এন্ড ক্যাডেট স্কুল কমিটির সভাপতি আমিনূরজ্জামান বকস্, একাটুনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আসিকুর রহমান. একাটুনা ইউনিয়ন ডেভোলাপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  ফাউন্ডেশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ. সেক্রেটারি সেলিম রেজা তরফদার   একাটুনা  বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি  ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার মোহাম্মদ মুজিব মনসুর. একাটুনা ইউনিয়ন ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম ইমন.ডাঃ ইসমাইল হোসেন.মোহাম্মদ কামাল মনসুর. যুবনেতা আব্দুল আজিজ. রুমন আহমদ   ও মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ ফয়ছল মনসুর  স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষিকা সহ অন্যান্য প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
মৌলভীবাজার ও রাজনগর সাংসদ জননেতা নেছার আহমদ এমপি এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা মোহাম্মদ কামাল হোসেন একাটুনা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর সহ যে সব প্রবাসীদের অর্থায়নে এই শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ফাউন্ডেশনের বিগত দিনের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন.। এখানে উল্লেখ্য যে যাদের অনুদানে এই শহীদ মিনার প্রতিষ্টা হয়েছে এসব দানশীল প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে রয়েছেন কমিউনিটি লিডার আব্দুল লতিফ কয়সর. টিপু সুলতান চৌধুরী. শেখ শাহজাহান আহমদ তরফদার.মোহাম্মদ মকিস মনসুর. মাহবুবুর রহমান বুলবুল. আব্দুর নূর তরফদার ইকবাল.মিসেস হেলেন ইসলাম.মোহাম্মদ বশির খাঁন. মোহাম্মদ বাপু মিয়া. ফয়জুর রহমান চৌধুরী. এম নিয়াজ আহমদ লিটন. আব্দুর রুউফ তালুকদার,মোহাম্মদ হেলাল তরফদার. জয়নাল আবেদিন লিখন. মোহাম্মদ আমজাদ সানি. এম লুৎফুর রহমান. আজির উদ্দিন. মোহাম্মদ আনোয়ার মিয়া.আজাদুর রহমান. মামুন আহমদ. শেখ জাহিদুর রহমান.ও লুৎফুর রহমান সূইট।
এখানে উল্লেখ্য যে একাটুনা ইউনিয়ন ডেভোলাপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  প্রতিষ্ঠাতা ও প্রজেক্ট চেয়ারম্যান মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুরের  সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় একাটুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একাটুনা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশন শহীদ মিনার ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্টা করা হয়েছে। একাটুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির  দীর্ঘ দিনের দাবী ছিলো স্কুল প্রাংগনে একটি শহীদ মিনার নির্মান। সবার সহযোগিতায় আজ এই সপ্নের শহীদ মিনার দৃশ্যমান.। এই  শহীদ মিনার প্রতিষ্টা করায় এখন প্রতিবছর প্রতিটি জাতীয় দিবসগুলো যথাযথ মযাদার সাথে পালন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।

মৌলভীবাজার জেলাকে এ গ্রেডে পরিনত করা সহ দশ দফা দাবীতে  লন্ডনের  ৯ এপ্রিলের সভায় অংশগ্রহণের আহবান
লিমন ইসলাম: যদি লক্ষ থাকে অটুট,বিশ্বাসে ভরা হৃদয়” মহাণ আল্লাহ্‌র রহমতে ও সবার প্রচেষ্টায় মৌলভীবাজারে সরকারী মেডিকেল কলেজ হবেই হবে নিশ্চয়.. এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২৫ লক্ষ জনগনের প্রাণের দাবী মৌলভীবাজারে মেডিকেল কলেজও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চাই দেশে বিদেশে এই ক্যাম্পেইনে মৌলভীবাজারে সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন ওয়াটার্সআপ গ্রুপের মাধ্যমে মৌলভীবাজার জেলাবাসী আজ ঐক্যবব্ধ। দীঘ ১০ বছর ধরে এই দাবী আদায়ের লক্ষে জেলাবাসী ক্যাম্পেইনে চালিয়ে আসছেন।
ইতিমধ্যে মৌলভীবাজারে কয়েকটি সফল সভা. সমাবেশ. সেমিনার. গোল টেবিল বৈঠক ও সব বৃহৎ মানববন্ধন   ও জেলা ব্যাপী  গণ সাক্ষর অভিযান করা সহ মানণীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান ও  বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এবং সাস্থ্যমন্ত্রী. চীফ হুইপ. হুইপ ও লকাল সকল এমপি সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিশিষ্টজনের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে।
২৫ লক্ষ জনগনের প্রাণের দাবীতে দেশে বিদেশে মৌলভীবাজার জেলাবাসী ঐক্যবব্ধ হয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা. লন্ডন সহ আমেরিকা. কানাডা. কুয়েত. ইউরোপ. মিডিলিষ্ট মধ্যপাচ্য ও বিভিন্ন দেশে এমনকি বৃটেনের বিভিন্ন শহরে মতবিনিময় সভা- সমাবেশ গোলটেবিল বৈঠক  এর মাধ্যমে প্রবাসীরা ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি  ২০১৮ মৌলভীবাজার জেলা সদরে একটি ও  গত ১০ ই এপ্রিল  ২০১৮ বৃটেনের সেন্ট্রাল লন্ডনের অট্রিযাম হলে বৃটেনে বসবাসরত সকল মৌলভীবাজার জেলাবাসীকে নিয়ে আরেকটি ঐতিহাসিক গোলটেবিল বৈঠক  সম্পন্ন করা হয়েছে।  সেই ধারাবাহিকতায় আগামী  ৯ ই এপ্রিল লন্ডনের ব্রিকলেনের সোনার বাংলা রেষ্টুরেন্টে  সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে মৌলভীবাজারে সরকারী মেডিকেল কলেজ দ্রুত বাস্তবায়ন ও মৌলভীবাজার জেলাকে এ গ্রেডে পরিনত করা সহ দশ দফা দাবীতে আমাদের করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় ও ডিনারপার্টির  আয়োজন করা হয়েছে।  ওয়াটার্সআপ গ্রুপের উপদেষ্টা ড. ওয়ালি তসর উদ্দিন এমবিই ও গ্রুপ এডমিন মোহাম্মদ মকিস মনসুর সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
ইতিমধ্যে অনেকেই বিপুল উদসাহ ও উদ্দীপনার সাথে নাম তালিকাভুক্ত করা ও শুরু করেছেন। এ যেনো এক প্রানের বন্ধন.আত্তার আত্তাীয়তা. মৌলভীবাজার জেলাবাসীর এই  মতবিনিময় সভায় এখনও যারা নাম তালিকাভুক্ত করতে চান মৌলভীবাজারে সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই ওয়াল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন ওয়াটার্সআপ গ্রুপের এডমিন মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর সাথে 07984012425 (mob) mokismonsur@yahoo.co.uk এই ইমেইলে যোগাযোগ করার জন্য সকল মৌলভীবাজার জেলাবাসীকে বিনীতভাবে অনুরুধ করা যাচ্ছে।
এখানে উল্লেখ্য যে  মৌলভীবাজার জেলার ২৫ লক্ষ জনসাধারণের দশ দফা দাবীগুলো হচ্ছে:-
১। মৌলভীবাজারে সরকারি মেডিকেল কলেজ দ্রুত চুড়ান্ত অনুমোদন।
২। শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার শহর-সিলেট নতুন রেল লাইন চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ।
৩। মনু ও ধলাই নদীর বাধ পুন:নির্মাণ ও নদী খনন কাজ শুরু করা।
৪। মৌলভীবাজারের  ইকোপার্ক  উন্নয়নে  পরিকল্পনা গ্রহণ  ও  মনু নদীর উপর নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণ করা
৫। মৌলভীবাজার জেলার প্রধান সড়কগুলোকে চার লেনে উন্নীতকরণ।
৬। মৌলভীবাজার জেলায় একটি ল’ কলেজ /কারিগরী/পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন।
৭। শমশেরনগর বিমানবন্দরে অন্তত সাপ্তাহিক ফ্লাইট চালু।
৮। মৌলভীবাজার জেলার হাওরগুলোতে হাওর উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
৯। মৌলভীবাজার জেলা স্টেডিয়ামকে আধুনিকরণ ও সংস্কারকাজ সম্পাদন করা ও জেলা শহরে বিদ্যুতের একটি  সাবগ্রিড স্টেশন  স্থাপন করা
১০। মৌলভীবাজার জেলাকে এ গ্রেডে উন্নীত করতে আরেকটি উপজেলা গঠন ও জেলাকে পর্যটন জেলা ঘোষনা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়নে এই দাবীগুলো বাস্তবায়নে মাননীয় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন মহোদয় ও সম্মানিত জেলার সকল এমপিবৃন্দ. পৌরসভা মেয়রবৃন্দ ও  নব নির্বাচিত
উপজেলা চেয়ারম্যান ও  ভাইস চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং  রাজনৈতিক  সামাজিক সাংস্কৃতিক পেশাজীবি ও সাংবাদিক মহল সহ ও জেলার সকল ইউনিয়ন জন প্রতিনিধিদের  অগ্রাধিকার,গুরুত্ব এবং সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় এনে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন.।।

নবীগঞ্জ সংবাদদাতাঃ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বর্ষা চিন্তা করে প্রকল্প গ্রহণ করেন দুর্নীতিবাজরা। কিন্তু বর্তমান সরকার দুর্নীতিমুক্ত। তাই বড় প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। পৃথিবীর সব দেশের চেয়ে বাংলাদেশের মাটি নরম। যে কারণে জিও ব্যাগ এবং ব্লক দেওয়ার পরও নদীর বাঁধ রক্ষা করা যায় না। তাই বৃহৎ প্রকল্পের মাধ্যমে নদী শাসনের বিকল্প নেই।

২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক এলাকায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিস্তীর্ণ এলাকা যাতে নদীগর্ভে বিলীন না হয়, তাই পুরো নদীকে ঘিরে বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। কুশিয়ারার ভাঙ্গন মোকাবেলায় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে কি-না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্ষা চিন্তা করে প্রকল্প গ্রহণ করে দুর্নীতিবাজরা। কিন্তু বর্তমান সরকার দুর্নীতিমুক্ত। তাই বড় প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। পুরো টিমকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প অল্প সময়ে হয় না। সু-পরিকল্পনা ও চিন্তা-ভাবনার মাধ্যমে প্রকল্প হাতে নিতে হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল হাসান, প্রধান প্রকৌশলী নিজামুল হক ভূঁইয়া, যুগ্ম প্রধান মন্টু কুমার বিশ্বাস, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফজলুল জাহিদ পাভেল, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহীদুল ইসলাম, মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুস শহিদ, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ-বিন-হাসান, থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের
সদস্য ও জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী প্রমুখ। পরে স্থানীয় দীঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ মাঠে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট ৩য় বারের মত সিলেট বিভাগের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিরোপা জয় করে। ২০১০ সালে হতে ২০১৮ পর্যন্ত ৩বার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে জৈন্তাপুরের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বিজয়ের মকুট লাভ করে।
গতকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় শিরোপা লাড়াইয়ের জন্য মুখোমুখি হয় সিলেট বিভাগের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম রংপুর বিভাগের নীলফামারী সদরের দক্ষিণ কানিয়ালখাতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। খেলায় দারুন ক্রীড়া নৈপুন্য দেখিয়ে ১-০ গোলে প্রতিপক্ষকে পরাজীত করে নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করে সিলেট বিভাগের জৈন্তাপুর উপজেলা হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে ফুটবলাররা।
জৈন্তাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানায়ায় ২০১০সনে হতে শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রতিটি আসরের চুড়ান্ত পর্বে সিলেট বিভাগের জৈন্তাপুর উপজেলা ক্ষুদে ফুটবল টিম অংশগ্রহন করে আসছে।

এপর্যন্ত তিনবার শিরোপা অর্জন করে জৈন্তাপুর উপজেলা ক্ষুদে ফুটবল টিম, তারই ধারাবাহিক ভাবে কোন কোন আসরে জৈন্তাপুর উপজেলার ক্ষুদে ফুটবল দল রানার্স আপসহ তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। এদিকে দল বিজয়ী হওয়ার পর উপজেলা প্রতিটি স্কুলে বাজারে আনন্দের বন্যা বয়ে যাওয়া। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল শুরু হওয়া মানে জৈন্তাপুর উপজেলা টিম শিরোপা জিতার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া।

২০১০ সাথে প্রথম বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ শিরোপা জিতে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলা নিশ্চিন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০১৬ সালে একই উপজেলার করগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২০১৮ সনের শিরোপা জয়ের মুকুট অর্জন করে এই উপজেলার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
খেলা শেষে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে পুরুস্কার গ্রহন করেন সিলেট বিভাগের বিজয়ী দল। অপর দিকে ক্ষুদে ফুটবলারদের বরণ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে উপজেলা সর্বস্তরের ক্রীড়া প্রেমীরা।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc