Monday 25th of March 2019 09:13:27 AM

সোলেমান আহমেদ মানিক শ্রীমঙ্গল থেকেঃ  “প্রাথমিক শিক্ষার দিপ্তি উন্নত জীবনের ভিত্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের উদ্যোগে উপজেলা প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ ৯ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের স্টল প্রদর্শিত হয়েছে।

স্টল পরিদর্শন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বায়োজিদ খান, সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কিশলয় চক্রবর্তী ও মারুফ আহমেদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম তালুকদার, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ইসমাইল মাহমুদ, মামুন আহমদ প্রমুখ।

স্টল প্রদর্শনীতে আশীদ্রোন ইউপি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার প্রথম, শ্রীমঙ্গল সদর ইউপি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার দ্বিতীয় ও সাতগাঁও ইউপি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সপ্তাহ ব্যাপী এই শিক্ষা মেলা আগামী ১৯ মার্চ পযন্ত চলবে।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি হিসেবে বিজয়ী হওয়ার পর নুরুল হক নুর এখন রাজনৈতিক অঙ্গন এবং শিক্ষাঙ্গনে আলোচনার শিরোনাম। সাধারণ একজন শিক্ষার্থী থেকে ডাকসুর ভিপি হওয়ার- এই ঘটনাকে ‘চমক’ হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

সোমবার মধ্যরাতে ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময় ভিপি পদে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হককে সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হলে, ছাত্রলীগের কর্মীরা প্রথমে মেনে নিতে অস্বীকার এবং বিক্ষোভ করে। পরে অবশ্য ভিপি হিসেবে নুরুল হককে স্বাগত জানায় তারা।

ছাত্রলীগ, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে সাধারণ ছাত্রের ব্যানারে কতটা সাফল্য পাবেন সে নিয়ে অনেকের শঙ্কার মাঝেই নির্বাচনে প্রার্থী হন কোটা আন্দোলনের এই নেতা। পরে তিনিই প্রায় দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করেন। তার মোট প্রাপ্ত ভোট ১১ হাজার ৬২টি।

নুরুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে স্নাতকোত্তর পর্বে অধ্যয়নরত। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তিনি। বিতর্ক, অভিনয়সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকবার হামলার মুখে পড়েন তিনি।

নুরুল হকের জন্ম পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে পরিবারের তৃতীয় সন্তান নূর। তিনি তার মাকে হারান ১৯৯৩ সালে। সাধারণ একটি পরিবারে জন্ম নেয়া নূরের বাবা সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. ইদ্রিস হাওলাদার। তিনি জানান, ‘নূর মাতৃহারা হয়েছেন ১৯৯৩ সালে যখন তার বয়স আনুমানিক পাঁচ থেকে ছয় বছর। আমাদের যোগাযোগ সমস্যার কারণে তার মায়ের চিকিৎসা করাতে না পারার কারণে হয়তো সে ডাক্তার হতে চেয়েছিল।’

চর এলাকাতেই সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। এরপর গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চাচাতো বোনের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেন এবং কালিয়াকৈর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। এইচএসসি পাশ করেন উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে। মেডিকেল কলেজে সুযোগ না পেয়ে প্রথমে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান।

নুরুল হক কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্বের কারণে গণমাধ্যমে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠার পর থেকেই একদিকে শারীরিক নানারকম হামলার শিকার যেমন হয়েছেন, তেমনি সাইবার জগতেও শিকার হয়েছেন আক্রমণের। তিনি ‘শিবির-কর্মী’ বলে অনলাইনে প্রোপাগান্ডা চালানো হয়। এমনকি নির্বাচনের ফল ঘোষণার রাতে নূর-এর বিজয়ের খবরে ‘শিবিরের ভিপি মানি না’ এমন স্লোগানও দিয়েছিল ছাত্রলীগ।

তবে নুরুল হক কখনো শিবিরের রাজনীতিতে যুক্ত ছিল কি-না জানতে চাইলে তার পরিবার তা নাকচ করে দিয়েছেন। তবে নুরুল হক এর আগে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় হল কমিটিতে সক্রিয় ছিলেন। হাজী মুহম্মদ মহসিন হল ইউনিটের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপ-সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

নূর যেভাবে আজ পুরো দেশের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন সে প্রসঙ্গে তার বাবা ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, ‘রাজনীতি দুশ্চিন্তার বিষয়। নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকে, নানা ধরনের ঝামেলা থাকে, জেল জুলুম হয়, অন্যায় নির্যাতনের শিকার হতে হয়, এগুলো যন্ত্রণার ব্যাপার আছে। আমার ছেলে সব সাধারণ ছাত্রছাত্রীর জন্য আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এর শিকারও হয়েছে। তবু আমি চাই সে এটা চালিয়ে যাক।’

নূর-এর বাবা চান তার ছেলে যে ধারায় রাজনীতির মধ্যে এস পড়েছে সে ধারা ধরে রাখুক সততার সাথে। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে নষ্ট হয়ে যাক এটা আমি কখনোই চাই না। আমি চাই আমার ছেলের দ্বারা দেশের মঙ্গল হোক।’ সাধারণ পরিবার থেকে ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হলেও একেকটি আন্দোলন তাকে গড়ে তুলেছে বলে তার বাবা মনে করছেন।

ইদ্রিস হাওলাদার বলছেন, ‘অনেকেই বলছে সে সাধারণ পরিবারের-এটা ঠিক, তবে সে যে আন্দোলন করেছে সেটা সকল মানুষের আন্দোলন ছিল। সারা বাংলার মানুষের সমর্থন পেয়েছে সে। সড়ক দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে জনজীবনের নিরাপত্তার জন্য তারা আন্দোলন করেছে। সে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে, এইভাবে সে নিজেকে তৈরি করেছে। সুতরাং সে হঠাৎ করে এ জায়গায় আসেনি।’

তিনি জানান, ‘একবার ডিবি পুলিশ তাকে ধরেছিল এবং পরে ছেড়ে দিয়েছিল। তবে আমাদের কোন ভয়ভীতি নেই। আমার ছেলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেভাবে জড়িত না। কোনও রাজনীতির ব্যানারে নির্বাচন করেনি। সে এখন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী, তাকে জ্ঞান দেয়ার কিছু নাই। সে যা ভালো মনে করবে তাই করবে।’

একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বাবুল মুন্সী জানান, ‘নূরকে এখানকার মানুষ খুব একটা চিনতো না। তবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় এলাকার মানুষ তার কথা জানতে পারে। এখন তার এই অর্জনে চরাঞ্চলের মানুষকে আনন্দিত করেছে।’ সূত্র: বিবিসি বাংলা

বাংলাদেশ হাইকোর্ট মার্কিন বহুজাতিক কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক কোম্পানি কোকাকোলার বোতলে বিকৃত বাংলা শব্দের ব্যবহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছে বিজ্ঞ আদালত।

রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং বেভারেজ কোম্পানি কোকাকোলাসহ মোট নয় জন বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী মোঃ মনিরুজ্জামান রানা। কোকাকোলার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ আগামি ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ৩য় ধাপের উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে সদর উপজেলার ২ দিন ব্যাপী প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস, নড়াইল এর আয়োজনে এ
প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) ও সদর উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ ইয়ারুল ইসলাম,,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম(বার) , জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ রাজু আহম্মেদ, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন জেলা ও উপজেলার নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তাগণ, প্রশিক্ষনার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

১ম দিনে ৯১ জন প্রিজাইডিং ও ৫৪৯ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার এবং অতিরিক্ত ৩২ জনসহ মোট ৬৭২ জন প্রিজাইডিং ও সহকারি প্রিজাইডিং এবং ২ দিনে ১১৫৩ জন পোলিং অফিসারকে প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে।

এ প্রশিক্ষনে নির্বাচনী আইন ও আচরন বিধি,ভোট গ্রহনের পদ্ধতিসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ আন্তজার্তিক নদী কৃত্য দিবস-২০১৯ পালন উপলক্ষ্যে নড়াইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ( বাপা) নড়াইল জেলা কমিটির আয়োজনে নড়াইল আদালত সড়কে এ মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ( বাপা) নড়াইল জেলা কমিটি আহবায়ক খন্দকার শওকত আলী, অ্যাডঃ নজরুল ইসলাম ,নারীনেত্রী আঞ্জুমান আরা প্রমূখ।
বক্তরা বলেন, অবিলম্বে অবৈধ সুয়ারেজ, নদী দখল উচ্ছেদ এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য ড্রেজিংসহ নদী রক্ষার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের দাবি জানান।
এসময় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ( বাপা) নড়াইল জেলা কমিটি নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রিতম পাল,শ্রীমঙ্গল থেকে: বন্যপ্রাণীর শুভাকাঙ্ক্ষী তানিয়া ইন্তেকাল  করেছেন “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” দু’দিন হলেও স্মৃতির পাতা থেকে জানা যায় তার দিনকাটতো বন্যপ্রাণীদের নিয়ে। এর বাইরে যেন তাঁর আর কোনো জগৎই ছিলোনা। কখনও উদ্ধার হওয়া আহত বন্যপ্রাণীর সেবা-শুশ্রূষায় ব্যস্ত থাকতেন, কখনও বা নতুন কোনো বন্য প্রাণীর খোঁজে বনবাদাড় চষে বেড়াতেন। ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন বন্যপ্রাণী সেবাকেন্দ্র ‘সোল’ (সেভ আওয়ার আনপ্রোটেক্টেড লাইফ)।
অসুস্থ বন্যপ্রাণীদের উদ্ধারের পাশাপাশি নিজ ঘরে রেখে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলে আবারো তার আপন নিবাসে ফিরিয়ে দিতেন তিনি। কোন কোন প্রাণীর ক্ষেত্রে ৪/৫ মাস ঘরে রেখে চিকিৎসা দিতে হত। এখন পর্যন্ত ৩০/৩৫ প্রজাতির ৫ হাজারেরও অধিক পাখি এবং ৮/৯  প্রজাতির ৪ শতাধিক বন্যপ্রাণীকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন নিজের স্বেচ্ছাশ্রমে।
তিনি আর কেউ নন বন্যপ্রাণী সেবক ও সংরক্ষক তানিয়া খান। পড়াশোনা করেছেন ইংরেজি সাহিত্যে। হয়েছেন বন্যপ্রাণী গবেষক ও সংরক্ষক। মূলত, ২০০৬ সাল থেকেই বন্যপ্রাণীদের নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি ।
বন্যপ্রাণীর এই পরমবন্ধু বুধবার(১৩ মার্চ) সকালে হঠাৎই অকালে পাড়ি জমালেন পরপারে। বুধবার সকালে এলাকাবাসী কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন তানিয়াকে। প্রাথমিকভাবে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) শামসুল মুহিত চৌধুরী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তিনি ঘুমের মধ্যেই হার্টঅ্যাটাকে মারা গেছেন। উনার সাড়াশব্দ না পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লোকজন দরজা ভেঙে মৃত অবস্থায় পান উনাকে।
এসময় তিনি আরও বলেন, তানিয়া খান ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার এম মুনির আহমেদের স্ত্রী। বৈবাহিক জীবনে তিনি ৩ মেয়ে এবং ১ ছেলে সন্তানের জননী।
২০১৫ সালে তার স্বামী দুর্ঘটনায় মারা যান। তারপর থেকে তিনি বন্যপ্রাণী গবেষণার কাজে মৌলভীবাজারেই থেকে যান।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মৌলভীবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চারদিন আইসিইউতে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছিলেন।

গির্জায় শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধর্মযাজক জর্জ পেলকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। মেলবোর্নের প্রধান গির্জায় গায়ক দলের ২ সদস্যকে দিয়ে ওরাল সেক্স করান তিনি।

জর্জ পেল ক্যাথলিক খৃষ্টানদের প্রধান কেন্দ্র ভ্যাটিকানের কোষাধ্যক্ষ। প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু পেলকে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাধর ধর্মীয় গুরু বলা হয়।

পেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালে গির্জার গায়ক দলে থাকা ১৩ বছর বয়সী ঐ দু’ শিশু মদ্যপান করলে তাদের ‘পবিত্র’ করতে ডাকেন তিনি। পরে এক শিশুকে দিয়ে ওরাল সেক্স করান। এ ঘটনার এক বছর পর, অপর শিশুর সঙ্গেও যৌন আচরণ করেন।

মেলবোর্নের একটি আদালতের বিচারক পিটার কিড গতকাল (বুধবার) এ ধর্মযাজককে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি নির্লজ্জভাবে ও জোর করে দু’ শিশুর ওপর যৌন আক্রমণ চালিয়েছেন।

তবে ৭৭ বছর বয়সী জর্জ পেল তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানান।

এক সমীক্ষায় দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ার গির্জাগুলোয় যাজক ও পাদ্রীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার শিশুকে যৌন নির্যাতন করার প্রমাণ মিলেছে।

দেশটিতে শিশুদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তদন্তে গঠিত ‘রয়্যাল কমিশন’ এর এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ছ’ দশকে শিশুকামী যাজকদের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে প্রায় ৪,৪৪০ অস্ট্রেলীয় শিশু।সূত্র:বিবিসি, এএফপি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc