Monday 25th of March 2019 09:47:04 AM

ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ক্লাস ওয়ানে ভর্তির জন্য ছাপানো প্রশ্নপত্র দেয়া হয়। এই প্রক্রিয়াটি বাতিল করতে হবে। যদি ছাপানো প্রশ্নপত্র দিয়েই পরীক্ষা দিতে পারে, তাহলে আর ক্লাস ওয়ানে শিখতে যাবে কি? স্কুলে ভর্তি হওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অধিকার। প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির বয়স হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় স্কুলে শিক্ষার্থীকে ভর্তি করাতে হবে। শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাবে শিখতে, তারা তো আগে থেকেই পড়ে আসবে না। শিক্ষাকে আকর্ষণীয় করে তুলে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের যথাযথ বিকাশের বদলে শিশু অবস্থাতেই তাদের পড়াশোনার জন্য অতিরিক্ত চাপ না দিতে অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি সম্পৃক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে আমি এটুকুই বলব, কোনমতেই যেন কোমলমতি শিশুদের কোন অতিরিক্ত চাপ না দেয়া হয়। তাহলেই দেখবেন তারা ভেতরে একটা আলাদা শক্তি পাবে। আর তাদের শিক্ষার ভিতটা শক্তভাবে তৈরি হবে।

কোমলমতি বয়সে লেখাপড়ার কঠোর শৃঙ্খলে আবদ্ধ করাকে ‘এক ধরনের মানসিক অত্যাচার’ হিসেবে অভিহিত করে শেখ হাসিনা বলেন, শিশুরা প্রথমে স্কুলে যাবে এবং হাসি খেলার মধ্য দিয়েই লেখাপড়া করবে। তারা তো আগে থেকেই পড়ে আসবে না, পড়ালেখা শিখতেই তো সে স্কুলে যাবে। শিশুদের পাঠদান সম্পর্কে নিজস্ব অভিব্যক্তি সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে গিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ৭ বছরের আগে শিশুদের স্কুলে পাঠায় না। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক ছোটবেলা থেকেই বাচ্চারা স্কুলে যায়। কিন্তু তারা যেন হেসে খেলে মজা করতে করতে পড়াশোনাটাকে নিজের মতো করে করতে পারে সেই ব্যবস্থাটাই করা উচিত। সেখানে অনবরত ‘পড়’, ‘পড়’, ‘পড়’ বলাটা বা ধমক দেয়াটা বা আরও বেশি চাপ দিলে শিক্ষার ওপর তাদের আগ্রহটা কমে যাবে, একটা ভীতির সৃষ্টি হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার প্রতি সেই ভীতিটা যেন সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আমি আমাদের শিক্ষক এবং অভিভাবকদের অনুরোধ করব। অনেক সময় আমরা দেখি প্রতিযোগিতাটা শিশুদের মধ্যে না হলেও বাবা-মায়ের মধ্যে একটু বেশি হয়ে যায়। এটাকেও আমি একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলে মনে করি। সকল শিক্ষার্থীর সমান মেধা থাকবে না এবং সকলেই সবকিছু একরকম করায়ত্ত করতে পারবে না। তবে, যার যেটি যেভাবে সহজাতভাবে আসবে তাকে সেটি গ্রহণ করার সুযোগ দিতে হবে, যেন শিক্ষাটাকে সে আপন করে নিয়ে শিখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাটা যেন আরও উন্নত এবং মানসম্মত হয় তার প্রতি দৃষ্টি রাখছে সরকার। সকল শিশুর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৮-২০২৩ মেয়াদের জন্য ৩৮ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকার চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচী বাস্তবায়িত হচ্ছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয়ে সরকারের কোন কার্পণ্য নেই উল্লেখ করে তিনি তাঁর সরকারের শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের কল্যাণমূলক কার্যক্রমও আলোচনায় তুলে আনেন। তিনি বলেন, শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু, ঝরেপড়া রোধকল্পে বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে স্কুলের পোশাকসহ সকল শিক্ষা উপকরণ প্রদান, শিক্ষা ভাতা ও ক্ষেত্র বিশেষে পরীক্ষার ফি প্রদান করাসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য তাদের নিজেদের ভাষায় শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ এবং অন্ধদের জন্য ব্রেইল বই এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্যও বই প্রদান ও হেয়ারিং এইড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাঁর সরকার এজন্য প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশের জন্য এই মিনি স্টেডিয়াম ইউনিয়ন পর্যায়েও করে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। এসব স্টেডিয়ামগুলোতে সারা বছরই যেন বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলার আয়োজন থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্যও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় প্রতিটি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় তাঁর সরকার উদ্যোগ প্রহণ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এভাবেই শিক্ষাকে আমরা সর্বজনীন ও বহুমুখী করে দিচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করে বলেন, এর ফলে আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ফুটবল প্রতিভা বের হয়ে আসছে, যারা বিদেশ থেকে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় স্কাউটিং এবং কাবিং যেন প্রত্যেক বিদ্যালয়ে চালু হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি দেয়ার জন্যও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি তাগিদ দেন।

তিনি বলেন, স্কাউটিং-এর মাধ্যমে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়, তারা শৃঙ্খলা শেখে, নানা ধরনের উদ্ভাবনী কাজ করতে পারবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম আমরা করে দিয়েছি এবং এটা সকল জায়গায় পর্যায়ক্রমিকভাবে করে দেব ও মাধ্যমিকের ন্যায় প্রাথমিক পর্যায় থেকেও কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করে দেব এবং প্রতি দুই কিলোমিটারের মধ্যে যেন একটা বিদ্যালয় থাকে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই তার সরকার সমগ্র দেশে প্রায় ১৫ হাজার নতুন বিদ্যালয় করে দিয়েছে এবং উন্নতকরণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছে এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিয়েছে যাতে তারা ভালভাবে শিক্ষা দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে এজন্য কোমলমতিদের বেশি চাপ প্রয়োগ না করারও পরামর্শ দেন। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণে তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় শিক্ষাটাকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় ঝরেপড়া রোধকল্পে তাঁর সরকারের বৃত্তি ও উপবৃত্তি প্রদান, ১ কোটি ৪০ লাখ মায়ের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পৌঁছে দেয়াসহ সারাদেশে সরকারী-বেসরকারী এবং স্থানীয় উদ্যোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচীর কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রতিটি স্কুল দরকার হলে টিফিন তৈরি করে দেবে না হলে বাচ্চার মায়েরা তাদের সন্তানের জন্য টিফিন তৈরি করে দেবে। এটা প্রত্যেক মা এবং অভিভাবককেই উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচী চালুর ফলে আমরা দেখেছি অনেক জায়গাতেই এখন ঝরেপড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

সরকার প্রধান এ সময় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (অটিজম আক্রান্ত বা প্রতিবন্ধী) শিশুদের শিক্ষার বেলায়ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, সহপাঠী এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যতœবান হওয়ার আহ্বান জানান, যাতে মূল স্রোতে যুক্ত হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারের পিইসি এবং জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা শিক্ষা জীবনের শুরুতেই একটি সনদপত্র পাওয়ায় তাদের যেমন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে তেমনি পরীক্ষা ভীতিও দূর হচ্ছে। তিনি বলেন, এগুলো এজন্য করা হয়েছে যেন শিক্ষার্থীরা শিক্ষাটাকে কোন ভীতির বিষয় মনে না করে।

শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন প্রজš§ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী আজকের শিশুদের আগামীতে দেশের নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতা নিয়ে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন। তিনি শিক্ষকদের মানুষ গড়ার কারিগর আখ্যায়িত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার মানুষ হিসেবে যেন আজকের কোমলমতিরা গড়ে উঠতে পারে সেদিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্যও তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আকরাম আল হোসেন স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ বিতরণ করেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকান্ডের ওপর একটি ভিডিও চিত্রও প্রদর্শিত হয়। জনকণ্ঠ থেকে

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে.এম নূরুল হুদা’র জৈন্তাপুর পরিদর্শন।
গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে.এম নুরুল হুদা ব্যক্তিগত সফরে জৈন্তাপুর আসেন। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম নীল নদ খ্যাত সারী নদী পরিদর্শন করেন। পরে তিনি জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস এবং জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ পরিদর্শন করেন।
সারী নদী পরিদর্শন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন প্রকৃতিক নৌসর্গীক সৌন্দয্যের অপরুপ সৌন্দর্য্য বাস্তবে এই উপজেলায় রয়েছে না আসলে বুঝা যেত না। তিনি পর্যটন উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে অনুরোধ করবে বলে জানান। পরিদর্শনের সময় সাথে ছিলেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম, আ লিক সিনিয়র কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এ.বি.এম শাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) আবুল হাসানাত খান, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম, সহকারি কশিমনার (ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাইনুল জাকির, প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারি মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবুল হাসানাত।

আগামী ২০ মার্চ ফুটন্ত ফুলের আসরের উদ্যোগে খাজা আজমিরী (রহঃ) ও ইমাম শেরে বাংলা (রহঃ)’র অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা ফুটন্ত ফুলের আসর হাটহাজারী উপজেলার উদ্যোগে হাটহাজারী জাগৃতি অডিটোরিয়াম হলে আগামী ২০ মার্চ বুধবার বেলা ২টা হতে ভারত উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে খাজা মহিউদ্দীন চিশতী আজমিরী (রহঃ) ও সুন্নিয়ত প্রচার ও প্রসারে ইমাম আজিজুল হক শেরে বাংলা (রহঃ)’র অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হাটহাজারী দারুল মদিনা একাডেমীরর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম। উদ্বোধক থাকবেন ফটিকছড়ি গোলতাজ মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম। বিশেষ বক্তা হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ফুটন্ত ফুলের আসর চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সমন্বয়ক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন হাটহাজারী উপজেলার সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ গোলাম মাওলা, আল-আমিন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়া, ফতেপুর ইউনিয়ন কাজী মাওলানা আব্দুল করিম কাদেরী, ইসলামী ফ্রন্ট হাটহাজারী পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হারুন তাহেরি, রজভীয়া নূরীয়া ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শায়ের মাছুমুর রশিদ কাদেরী, ইসলামী ফ্রন্ট হাটহাজারী পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম কাদেরী, জাগৃতির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আজম সাইফু।

উক্ত আলোচনা সভায় সকলকে উপস্থিত হয়ে সফল করার জন্য ফুটন্ত ফুলের আসর হাটহাজারী উপজেলা সভাপতি মুহাম্মদ শফিউল আলম বিশেষভাবে আহবান জানান।

” বর্তমান চেয়ারম্যানসহ এ পর্যন্ত ১১ প্রার্থিকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা জরিমানা”

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে আজ বুধবার বিকালে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত ছিলো।আজ উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)  শাহেদুল আলম। 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদুল আলম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের  অভিযানে দেওয়ালে পোস্টার সাঁটানোসহ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের  দ্বায়ে আরও তিন প্রার্থীকে বিভিন্ন অংকের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

আসন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব (নৌকা) ১৫ হাজার টাকা, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী  মোঃ লিটন আহমেদকে (টিউবওয়েল) ১০ হাজার টাকা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শিরিন আক্তারকে (কলস) ১৪ হাজার টাকা জরিমানাসহ মোট ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)  শাহেদুল আলম আমার সিলেটকে বলেন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে গতকাল সোমবার ৮ প্রার্থীকে বিভিন্ন অংকে অর্থদন্ডে দণ্ডিত করা হয়।

তারা হলেন-চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকের পার্টির আব্দুল কাইয়ুম (গোলাপ ফুল) ১৫ হাজার টাকা, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আফজল হক (আনারস) ১৬ হাজার টাকা৷ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাগর হাজরা (তালা) ৮ হাজার টাকা,পরিমল দাশ (বাল্ব) ৮ হাজার টাকা ও মাওলানা এম এ রহিম নোমানী (মাইক) ৮ হাজার টাকা ৷

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা চৌধুরী (ফুটবল) কে ১২ হাজার টাকা,মিতালী দত্ত (পদ্মফুল) কে ৮ হাজার টাকা ও হাজেরা খাতুন (হাঁস) ৮ হাজার টাকা জরিমানা করে।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ গত রোববার নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সহ’সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর চরম ভরাডুবি হয়েছে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক (নির্বাচনের সময় অব্যাহতি প্রাপ্ত) ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের কাছে।

চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২শ ৩০ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী এড. আলমগীর চৌধুরী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন, ২৬ হাজার ১শ ১৩ ভোট। ভোটের ব্যবধান হচ্ছে ২১ হাজার ১শ ১৭ ভোট। উক্ত নির্বাচনী ফলাফল এর নেপথ্যর কারন নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা’সহ সর্বমহলে তীব্র আলোচনা হচ্ছে।

আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীকে সর্মথন দেয়া নিয়ে আওয়ামীলীগের মধ্যে কোন্দল শুরু হয়। উপজেলা যুবলীগের বৃহৎ অংশ ও আওয়ামীলীগের একটি অংশ আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের পক্ষে অবস্থান নেয়। ফলে যুবলীগের বর্ধিত সভা করে ৬ ইউনিয়ন কমিটি স্থগিত করা হয়। উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমকে নির্বাচনের সময় অব্যাহতি প্রদান করে নতুন আহবায়ক করা হয় যুন্ম আহবায়ক শাহ গুল আহমদ কাজলকে এবং আওয়ামীলীগ পৃথক একটি বর্ধিত সভা করে দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী সহ কতিপয় নেতাকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়। ওই দুটি বর্ধিত সভায় সিন্ধান্ত হয় দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করবে।

কিন্তু বাস্তবে প্রতিপক্ষরা আরো শক্ত অবস্থানে চলে যায়। আওয়ামীলীগের মধ্যে বাহিরের কোন কোন্দল প্রকাশ্যে না আসলেও ভিতরে একটি বৃহৎ অংশ দলীয় প্রার্থীর বিরোধীতা করেন। আর যুবলীগের বিদ্রোহীরা আধাজ্বল খেয়ে মাঠে নামে তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে। তারা দলীয় প্রার্থীর ভুল ত্রুটি জনসম্মূখে তুলে ধরেন। তাই দলের ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হয়।

ফলে আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত নবীগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি, জামাত’সহ নিরদলীয় ভোটারগণ আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের দিকে ঝুঁকে পড়েন। বিএনপি ও জামাত নির্বাচনে না আসায় তাদের নেতাকর্মী সর্মথক অনেকেই আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের ঘোড়াকে সর্মথন করেন।

তাদের ক্ষোভ হলো সেলিম জিতলে আওয়ামীলীগের ভরাডুবি হবে এবং তাদের জাতীয় নির্বাচনের একটি প্রতিশোধ হবে। তাই বিরোধী বলয়ে একটি ভোট আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী পাননি।

এছাড়া আওয়ামীলীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গুজব ছড়ানো হয় তিনি না কি দপ্তরী কাম নৈশ্য প্রহরী’সহ বিভিন্ন নিয়োগ বানিজ্যে জড়িত ছিলেন। এতে সাধারণ জনগনের তীব্র প্রভাব ফেলে। বিরোধী বলয়ে অপপ্রচার আর দলের একটি অংশের বিরোধীতার কারনে চরম ডুবি হয় আওয়ামীলীগ প্রার্থীর। বিএনপি জামাত বলয়ে ভোট সব একপক্ষে চলে যাওয়ার কারনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের ঘোড়াকে নিয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সহ’সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী বলেন, আমার সাথে দলের একটি বৃহৎ অংশ যুবলীগের কিছু লোক বেঈমানি করেছে। নবীগঞ্জ উপজেলা
আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী সরাসরি তার লোকজন নিয়ে আমার ও নৌকার বিরোধীতা করেছে। দলের সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কিছুতেই নৌকার পরাজয় হতো না। তারা জামাত বিএনপির সাথে হাত মিলিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজ করেছে। আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি সর্বদলীয় ভোটে জয়লাভ করলেও আমি আওয়ামীলীগ পরিবারের লোক। দলীয় রাজনীতির সাথে আছি থাকবো।

তিনি বলেন, আমি কারো সাথে আতাত করে জয়লাভ করি নাই, জনগন ভালবেসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাই চলার পথে সবার সহযোগিতা চাই। নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমি দলীয় প্রার্থীর বিরোধীতা করি নাই।

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৩ নং শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের বিষামনি গাংপার এলাকায় গত মাঝরাত আড়াইটায় কয়েকটি দোকানে আগুন লেগে প্রায় ১০-১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে ২ টি মুদি দোকান,১ টি গুদামঘর,১ টি ফার্মেসি,১ টি চায়ের স্টল ছিলো।

এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায়,গতকাল দিবাগত রাত আজড়াইটায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে এবং আগুন দোকানগুলোতে ছড়িয়ে যায়।এসময় বিষামনি গাংপার মসজিদের ইমাম সাহেব মাইকিং করে জানিয়ে দিলে এলাকাবাসী যার যার সাধ্য অনুযায়ী আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।সাথে সাথে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের ১ টি ইউনিট সেখানে পৌছে এবং ৪৫ মিনিটের চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সূচী মেডিসিন হলের মালিক শাহআলম জানান,তার ফার্মেসির প্রায় আড়াই লাখ টাকার ঔষধ পুড়ে গিয়েছে।বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে জানান তিনি।

ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মুদী দোকানের মালিক বিল্লাল মিয়া জানান,তার দোকানের প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গিয়েছে।আজ দিবাগত রাত আড়াইটায় আগুন লাগে।আমরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছি।ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ৪৫ মিনিট পর তারা পৌছে।

এদিকে শ্রীমঙ্গল ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার আজিজুল হক রাজন আমার সিলেটকে বলেন,খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।আমরা পৌছার আগেই প্রায় ৩ টি দোকান পুরে যায়।আমাদের একটি ইউনিট সেখানে পৌছে এলাকার একটি ছড়াতে পাম্প ফিটিংস করে ৪৫ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।

তিনি আমাদের জানান,প্রাথমিক ভাবে আমরা ধারণা করছি আগুন বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই লেগেছে।এতে প্রায় ১০-১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছি।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসা উক্ত এলাকা (৬ নং ওয়ার্ড) এর মেম্বার বিশ্বজিৎ দেব বর্মা জানান,এখানে যে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে এটা রাত আনুমানিক ২ টায় লেগেছে।স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেব মাইকে জানিয়ে দিয়ে সবাইকে বালতি নিয়ে আ সার জন্য আহ্বান করলে সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করে আগুন নেভানোর।তিনি জানান,তারা সাথে সাথে ফায়ারসার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতকে ফোন দেন।ফায়ারসার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।আরো জানান,আগুনে ১৫/২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন,ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারী সাহায্য দেয়া যায় কিনা সে ব্যাপারে আমি কথা বলেছি।

পরিদর্শনে আসা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানু লাল রায় আমার সিলেটকে বলেন,প্রতিদিনের মতো তারা দোকান বন্ধ করে বাসায় যায়।দিবাগত রাত ২/৩ টায় আ গুন লাগে।আমার ধারণা ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে পেরেছি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সুত্রপাত।

তিনি আরো বলেন,আগুনে প্রায় ৪ টি দোকান পুড়েছে,এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তাদের দোকানগুলো থেকে ১ টি টাকাও বের করে আনতে পারে নি।

ভানু লাল রায় আরো বলেন,ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেয়া হবে বলে আশ্বস্থ করেন তিনি।এছাড়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারী অনুদান দেয়ার একটি বিধান রয়েছে।আমি তাদেরকে লিখিত একটি আবেদন করার জন্য বলেছি।আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের যথেষ্ট পরিমাণমতো সহায়তা দিতে পারবো আশা করছি।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানগুলো পরিদর্শনে আসেন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আফজল হক,জাকের পার্টির আব্দুল কাইয়ুম।

আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত খলিফায়ে দরবারে আ’লা হযরত হযরতুলহাজ আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মুজিআ) পবিত্র ওমরাহ্ পালনের উদ্দেশ্যে আজ ১২ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দর হতে ফ্লাইট যোগে পবিত্র মক্কা ও মদিনা শরিফ যাচ্ছেন।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে সংগঠনের অক্সিজেনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়েজন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে আল্লামা নূরী কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় আল্লামা নূরী গত ৯ মার্চ চট্টগ্রাম লালদিঘী ময়দানে যৌতুক ও মাদকবিরোধী মহাসমাবেশ এবং বাদে মাগরিব হতে তাফসীরুল কুরআন মাহফিল সফল করায় দেশবাসীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামীতেও সকল কার্যক্রমে সহযোগিতার আহবান জানান।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ মুহাম্মদ নুরুল হক, দপ্তর সচিব মাওলানা আব্দুল কাদের রজভী, মুহাম্মদ আবুল হাসান, মুহাম্মদ জাহিদুল হাসান রুবায়েত, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, এস.এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকী, মুহাম্মদ সাফওয়ান নূরী, মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ শাকিল, মুহাম্মদ বরাত প্রমূখ। শেষে দেশ-জাতির সমৃদ্ধি, কল্যাণ এবং বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের শান্তি কামনায় মুনাজাত করা হয়।

“তরুণ প্রজন্মকে মাদকের সর্বনাশা চোরাবালিতে তলিয়ে দিতে দেওয়া যাবে না:সম্মেলন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় নজরল ইসলাম চৌধুরী এম.পি”

চন্দনাইশ বৈলতলী ইউনিয়নের সামাজিক সংগঠন ডেবারকূল ঐক্য সংঘের ২১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আজ ১২ মার্চ সকালে মাদকবিরোধী র‌্যালী, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ নানা আয়োজনে পালিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী এম.পি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজ দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি সোনার বাংলাকে অসম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা আপোষহীন কঠোর ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, চন্দনাইশকেও জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের কালো থাবা থেকে মুক্ত রাখতে হবে এবং তরুণ প্রজন্ম যাতে সর্বনাশা মাদকের চোরাবালিতে তলিয়ে না যায় সেদিকে সবার নজর দিতে হবে। তিনি সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী আন্দোলনে ঐক্য সংঘের কর্মিদের অবদান রাখার আহবান জানান। সংগঠনের সহ-সভাপতি খোরশেদুল আলম ইমতিয়াজ ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসান ফরহাদের যৌথ স ালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল জব্বার চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন খোরশেদুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডাইরেক্টর আবদুল কুদ্দুস, উপদেষ্টা  মাস্টার আবদুল হাই, পৃষ্টপোষক আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় ইউপি মেম্বার মুহাম্মদ আব্দুল হাই, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শফিকুল আলম, তোহিদুল ইসলাম, তাজ উদ্দিন, হামিদুল ইসলাম, আবু বক্কর, নুর হোসেন পিয়ারু, সাবেক সভাপতি ইমরান বকর, সাবেক সহ সভাপতি ফৌজুল আজিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী, আরাফাত হোসেন, সাদ্দাম হোসেন। সাধারণত সম্পাদক সাইফুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন সাঈদ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ডেবারকূল ঐক্য সংঘ ২১ বছর ধরে বাতিঘর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সমৃদ্ধ ও সুন্দর সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বিভিন্ন সেবামূলক ও সৃজনধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে । বক্তারা উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, শুধু পড়াশুনা আর ভাল ফলাফল অর্জন করলেই হবে না, পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেকে তৈরি করতে হবে। সমাজ ও দেশের মঙ্গলে নিজেকে নিবেদিত করার মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলারও পরামর্শ দেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন আবু  মুনছুর, জালাল উদ্দিন, রাশেদুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম, শাহেদ, আয়েছ হোসেন আরকান, এরফান, ফয়সাল, জাহেদ, মুছা, নাঈম, সুমন, রিফাত, করিম, হানিফ, নবী হোসেন, মোবারক, মামুন, সাজ্জাদ, জালাল, রানা, ইমন প্রমুখ।প্রেস বার্তা

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ী প্রতিনিধিঃ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেট আচরণ বিধি লঙ্গন করার অপরাধে নৌকার প্রার্থীসহ তিনজনকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাছুমা জান্নাত।যানবাহনে পোষ্টার লাগোনোর অপরাদে নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গুলশানা আরা মিলিকে ১২ হাজার টাকা, ঘোড়া প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী  কিশোর রায় চৌধুরী মনিকে ১০ হাজার টাকা ও বই প্রকিকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী
জুয়েল আহমদ কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাছুমা জান্নাত জানান,নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ট, নিরপেক্ষ  ও সবার কাছে গ্রহণ যোগ্য করার জন্য।আচরন বিধি না মানায় জুড়ীতে তিন প্রার্থীকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।আমাদের এই অভিযান অব্যাহত তাকবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc