Monday 25th of March 2019 10:11:24 AM

চুনারুঘাট থেকে বিশেশ প্রতিনিধিঃ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে ইয়াবা বিক্রেতা ও সেবনকারীর সংখ্যা। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা সদর থেকে গ্রামে-গঞ্জে ঘটছে এর বিস্তৃতি। হাত বাড়ালেই মিলছে এই সর্বনাশা ইয়াবা। নতুন করে আসক্ত হচ্ছে উঠতি বয়সের তরুণ ও ধনাঢ্য ঘরের সন্তানরা।

মাঝেমধ্যে ইয়াবা সেবনকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান মূলহোতারা। যার ফলে, মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও ইয়াবা বেচাকেনার হাট চিহ্নিতকরণে পুলিশের আন্তরিকতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন অভিভাবকসহ উপজেলাবাসী। তাদের প্রশ্ন-এত ইয়াবা আসে কোথা থেকে? বেচাকেনার স্পটগুলো বা কোথায়? কিছু কিছু সময় পুলিশ ইয়াবাসহ ব্যবসায়ীদের আটক করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়েই চুনারুঘাটে আসে ইয়াবা। খোদ উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশকিছু হাটবাজারে অতি গোপনে চলে বেচাকেনা। ক্রেতাদের বেশিরভাগই উঠতি বয়সের তরুণ ও ধনাঢ্য ঘরের সন্তান। ইয়াবা আসক্ত অনেক প্রবাসী এটি সেবনের জন্য দেশে আসেন বলেও জানা যায়।

একটি সূত্র জানায়, চুনারুঘাটের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে ইয়াবার খুচরা বিক্রেতা। তারা নিজেরা সেবনের পাশাপাশি নানা কৌশল অবলম্বন করে অন্যের কাছেও এগুলো বিক্রি করে থাকে। তাদের টার্গেট উঠতি বয়সের তরুণ ও ধনাঢ্য ঘরের সন্তান। হাতের কাছে পাওয়া যায় বলেই তরুণেরাও সহজে আসক্ত হয়ে পড়ে এই সর্বনাশা ইয়াবায়। থানা পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র চুনারুঘাটে ইয়াবার বিস্তৃতির সত্যতা স্বীকার করে জানায়, স্পট চিহ্নিত করে মূলহোতাদের গ্রেপ্তার করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সচেতন অভিভাবক জানান, এ উপজেলায় যে হারে ইয়াবা বিক্রেতা ও সেবনকারীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে রীতিমত উদ্বিগ্ন আমি। মাঝেমধ্যে ইয়াবার খুচরা বিক্রেতাদেরকে গ্রেপ্তার করা হলেও তারা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে আসে। এই ব্যবসার নেপথ্যের মূলহোতাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা না হলে প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় সর্বনাশা ইয়াবা নির্মূল কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।

একটি সূত্র জানায়, চুনারুঘাটের ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে লাখ লাখ টাকার মালিক বনেছেন সীমান্তবর্তী গাজীপুর ইউনিয়নের শামছু মিয়া, লেংড়া শাহিন, শিংপাড়া গ্রামের রাসেল মিয়া, পাকুড়িয়া গ্রামের ফারুক মিয়া, বড়াইল গ্রামের লাল মিয়া, ধলাইপাড় গ্রামের কাজল মিয়াসহ ১০টি সিন্ডিকেট।

থানার ওসি কে এম আজমিরুজ্জামান বলেন, ইয়াবাসহ সবধরনের মাদকের বিরুদ্ধে আমরা শূন্য সহনশীল। ইয়াবার ডিলারদেরকে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছি। যদিও চুনারুঘাটে ইয়াবা বেচাকেনার স্পট খুব একটা নেই। তবুও, যেগুলো আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে।

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের সামনে থেকে জনৈক এক মহিলার টাকা ছিনতাইকালে চার ছিনতাইকারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুরে পৌর এলাকার শেরপুর রোডে।
আটককৃতরা হল,মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার উত্তর বালিগাঁও গ্রামের মৃত মতি মিয়ার পুত্র সালা উদ্দিন (৩৫), দক্ষিন রাসঠিলা গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে রফিক মিয়া (২৫) ও একই জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্বাশা এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া (৫৫), রামনগর গ্রামের মৃত সুধির কাপালীর ছেলে বিকাশ কাপালী (২৯)।

জানা যায়, উল্লেখিত সময় ওই মহিলা এক্সিম ব্যাংক থেকে একুশ হাজার পাঁচশত টাকা উত্তোলন করে বাড়ী ফেয়ার পথে এসময় পৌর এলাকার শেরপুর রোডে রাস্তায় ওৎ পেতে থাকা একদল ছিনতাইকারী তার হাত থেকে ওই টাকাগুলো ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন দেখে ছিনতাইকারীদের আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে দেয়।
এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলের আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্ট থেকে হুন্ডির টাকা পাচারের সময় এমএম পরিবহন ও মোটরসাইকেল থেকে ১০ লাখ টাকাসহ ৪ জনকে আটক করেছে। ১১ মার্চ (সোমবার) দুপুর ২টার সময় তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, বেনাপোল পোর্ট থানার বালুন্ডা গ্রামের মৃত ইনছার আলীর পুত্র সাহেব আলী (২৬), মাদারীপুর আদমপুর গ্রামের শামছুউদ্দিন ফকিরের পুত্র পলাশ (৩৫), শার্শার আমড়াখালী গ্রামের হযরত আলীর পুত্র মহিবুর রহমান (৩৫) ও বরিশালের কলস গ্রামের মন্টু লাল দাসের পুত্র শিপন দাস (৩৮)। 
যশোর-৪৯ বিজিবি’র বেনাপোলের বিএসবির হাবিলার রেজাউল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের আমড়াখালী নামক চেকপোষ্ট থেকে এমএম পরিবহন থেকে দুইজন অপরদিকে মোটরসাইকেল থেকে দুইজনসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়। পরে আটককৃত চারজনের শরীরের তল্লাশী করে যথাক্রমে ছয় লাখ ও চার লাখ টাকা মোট বাংলাদেশী ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত টাকা, মোটর সাইকেলসহ আসামি চারজনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হুন্ডি পাচারের মামলা দিয়ে হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি জানান।

চুনারুঘাট প্রতিনিধ: চুনারুঘাট এর আমুরোড বাজারে পতিপক্ষের হামলায় আফরোজ মিয়া খাদেম (৪৫) নামে এক ব্যাক্তি আহত হয়েছে। গুরতর আহত অবস্থায় তাকে চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায় গতকাল বিকালে আমুরোড বাজারে  উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গোছাপাড়া গ্রামের মস্তো মিয়ার পুত্র মোঃ আফরোজ মিয়ার উপর একই গ্রামের মোঃ সিরাজ মিয়ার ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম মাতাল অবস্থায়  হামলা চালায়। এসময় আফরোজ মিয়া  আহত হয়।
গুরতর আহত অবস্থায় চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি হয়। আফরোজ জানায় সাইফুল প্রায় সময়ই  নেশা পান করে মাতলামী করে আসছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ) এর মাজার সংলগ্ন জামেয়া ক্বাসিমুল উলূম মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি আবুল কালাম যাকারিয়া পরপারে চলে গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।
আজ সোমবার বিকেল ৫টার দিকে মাদরাসা থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।

আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

তাঁর মৃত্যুতে সিলেটের কওমি শিক্ষাঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে।

মাদ্রাসার সুত্র মতে তিনি দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের সিলেট জেলার আমীর এবং গুলশান আজাদ মসজিদের খতিব আল্লামা মাহমূদুল হাসানের অন্যতম খলিফা ছিলেন ।

মুফতি আবুল কালাম জাকারিয়ার জন্ম সুনামগঞ্জ জেলায়। পড়ালেখা করেন দরগাহ মাদরাসায়। সিলেট হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদ ও আম্ভরখানা জামে মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি খলিফায়ে মাদানি আল্লামা আব্দুল হক শায়খে গাজিনগরী (রহ.) এর জামাতা। তিনি ৩ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী ও ভক্ত রেখে গেছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্গন করে দেয়ালে পোস্টার সাঁটানোর অপরাধে প্রার্থীদের জরিমানা করা হচ্ছে ।  

জানা যায়,শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী ৮ প্রার্থীকে বিভিন্ন অংকে মোট ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। 

আজ সোমবার বিকালে উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)  শাহাদুল আলম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদুল আলম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানকালে দেয়ালে পোস্টার সাঁটানোসহ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৮ প্রার্থীকে বিভিন্ন অংকে অর্থদন্ডে দণ্ডিত করা হয়।

তারা হলেন-চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকের পার্টির আব্দুল কাইয়ুম (গোলাপ ফুল) ১৫ হাজার টাকা, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আফজল হক (আনারস) ১৬ হাজার টাকা৷ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাগর হাজরা (তালা) ৮ হাজার টাকা,পরিমল দাশ (বাল্ব) ৮ হাজার টাকা ও মাওলানা এম এ রহিম নোমানী (মাইক) ৮ হাজার টাকা ৷

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা চৌধুরী (ফুটবল) কে ১২ হাজার টাকা,মিতালী দত্ত (পদ্মফুল) কে ৮ হাজার টাকা ও হাজেরা খাতুন (হাঁস) ৮ হাজার টাকা জরিমানা করে।

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদুল আলম আমার সিলেটকে বলেন “আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং নির্বাচনী আচরণ বিধি যে কেহ লঙ্গন করবে আমরা তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিব।”  

ডেস্ক নিউজঃ  পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের কয়েক ধাপের মধ্যে প্রথম ধাপের ৭৮টির  বেশিরভাগ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৭৮ উপজেলায় কিছু বিক্ষিপ্ত সহিংসতা ছাড়া মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগে ২৮টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বেশকয়েকজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে ভোটকেন্দ্র থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রথমে ৮৭টি উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। প্রথম ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৫জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৭জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। জামালপুরের মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলা এবং নাটোরের সদর উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-এই তিন পদে জয়লাভ করেন বিধায় এখানে ভোট হবে না। প্রথম ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন চেয়ারম্যান ২০৭ জন, ভাই চেয়ারম্যান ৩৮৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান ২৪৯ জন।

রবিবার রাত ১০টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারিভাবে নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, জয়পুরহাট সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান এসএম সোলায়মাইন আলী (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়),ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) অশোক কুমার ঠাকুর, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) ফারহানা রহমান বীথি, কেন্দুয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) মোফাজ্জল হোসেন ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) সেলিনা বেগম সুমী। নাটোরের লালপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) মনোয়ার হোসেন মনি, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পারভীন আক্তার বানু। সৈয়দপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) আজমল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) সানজিদা বেগম লাকী। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর ভোট স্থগিত। রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন (আওয়ামী লীগ) (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) এসএম নাসিম রেজানুর দীপু, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা)

অধ্যক্ষ হাসনা হেনা, শাহজাদপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আজাদ রহমান (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) লিয়াকত হোসেন (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) এলিজা খান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়)। জয়পুরহাট সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান এসএম সোলায়মাইন আলী (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) অশোক কুমার ঠাকুর, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) ফারহানা রহমান বীথি, পাঁচবিবি উপজেলায় চেয়ারম্যান মনিরুল শহীদ মুন্না (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) সোহরাব হোসেন মণ্ডল, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) রাজিনারা আক্তার টুনি। আক্কেলপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আকন্দ (স্বতন্ত্র), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) জিয়াউল হক, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) রওশন আরা বুলবুলি, কালাই উপজেলায় চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলন (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) হেলাল উদ্দিন মোল্লা, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) সাবানা আক্তার ও ক্ষেতলাল উপজেলায় চেয়ারম্যান মোস্তাকীন মণ্ডল (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) শাহারুল ইসলাম বাবু, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) গুলনাহার। নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম গোকুল, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ), গুরুদাসপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) আলাল উদ্দিন শেখ, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) রোকসানা আক্তার লিপি, বড়াইগ্রাম উপজেলায় চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু, লালপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) মনোয়ার হোসেন মনি, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পারভীন আক্তার বানু ও সিংড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক (আওয়ামী লীগ), ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) কামরুল হাসান কামরান, ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) শামীমা হক রোজী।

প্রসঙ্গত, সারাদেশের উপজেলা গুলোয় এবার পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ করবে ইসি। দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ ও পঞ্চম ধাপে ১৮ জুন ভোটগ্রহন করবে নির্বাচন কমিশন।

ইয়েমেনের হুদায়দা প্রদেশে সৌদি আগ্রাসী জোটের ব্যাপক সেনা ও প্রচারণা অভিযান ইয়েমেনি সেনাদের তীব্র বাধার মুখে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে।

ইয়েমেনের সেনা-সূত্র ও গণবাহিনী বলেছে, অতি-সম্প্রতি হুদায়দার উপকূল ও অন্যান্য অঞ্চলে সৌদি জোটের তিন হাজারেরও বেশি সেনা হতাহত হয়েছে এবং এই জোটের ৩০০’রও বেশি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে ইয়েমেনিরা।

ইয়েমেনি সেনা-সূত্র আরও বলেছে, আলহুদায়দায় অভিযান চালাতে গিয়ে আগ্রাসী সৌদি ও তার অনুচর সেনারা প্রাণহানি এবং সামরিক সাজ-সরঞ্জামের দিক থেকে এত বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে যে তা তাদের জন্য এক কঠিন শিক্ষা হয়েছে এবং এটা তারা কখনও ভুলবে না।

আলহুদায়দা বন্দর দখল নিয়ে পরস্পর-বিরোধী নানা খবর এলেও গত বুধবার ফরাসি বার্তা সংস্থার এক খবরে বলা হয়েছে সৌদি জোটের কমান্ডাররা হুদায়দা বন্দর দখলের অভিযান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু ইয়েমেনের বিপ্লবী সরকারের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কমিটি বলেছে, হুদায়দা বন্দর ও শহর অঞ্চলে আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রয়েছে।

হুদায়দা অঞ্চল দখলের সৌদি চেষ্টা বার বার বিপর্যয় ও বুমেরাং হয়ে দেখা দেয়ায় ইয়েমেনে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি মার্কিন কর্মকর্তারাও ইয়েমেনে যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন সরকার এখন এটা বুঝতে পারছে যে ইয়েমেনে সৌদি জোটের জয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই সামরিক পথ ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক পথে ইয়েমেনের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য শান্তিকামিতার প্রচারণা শুরু করেছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পাশ্চাত্য।

কিন্তু ইয়েমেনের বিপ্লবী সরকার ও জনগণ সামরিক ক্ষেত্রের মত রাজনৈতিক ময়দানেও আপোষ করতে প্রস্তুত নয়, বরং সব ক্ষেত্রেই তারা প্রতিরোধ চালিয়ে যেতে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ। প্রতিরোধের মাধ্যমেই তারা সৌদি জোটকে যুদ্ধ-অবসানে বাধ্য করতে চায়।  ইয়েমেনে যুদ্ধ-অবসানের জন্য আবারও শান্তি-আলোচনা শুরু হবে -সেটাই এখন  বিশ্ব-জনমতের প্রত্যাশা।

সৌদি জোট ইয়েমেনে হামলা শুরু করে ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ। আগ্রাসীদের নির্বিচার হামলায় ইয়েমেনের নারী ও শিশুসহ প্রায় ৫ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটের আগেই বস্তাভর্তি সিল মারা ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শবনম জাহানকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নতুন প্রভোস্টের দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক মাহবুবা নাসরীন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, “বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের প্রাধ্যক্ষ ড. শবনম জাহানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিনকে নতুন প্রাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”

আজ (সোমবার) সকাল ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে একসঙ্গে ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটের চিহ্ন দেওয়া বস্তাভর্তি ব্যালট পেপার পাওয়া গেলে সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয়। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রব্বানী এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ সেখানে গেলে হলের গেইটে তাদের ঘিরে ধরে ভোট বাতিলের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে শিক্ষার্থীরা।

প্রভোস্ট অধ্যাপক শবনম জাহান 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এক পর্যায়ে হলে পুলিশ ঢোকার চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীদের বাধায় তারা ফিরে যায়। হল সংসদ নির্বাচনের বিপুল পরিমাণ ব্যালট দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের বলেন, আগের রাতেই এসব ব্যালটে ‘ক্রস চিহ্ন’ দিয়ে ভোটের চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে। যেসব নামে ভোটের চিহ্ন দেওয়া হয়েছে সেগুলো ছাত্রলীগের হল প্যানেলের প্রার্থীদের। তাদের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কুয়েত মৈত্রী হলে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে দেন।

সকাল ১০টার দিকে কুয়েত মৈত্রী হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই এই হলের প্রভোস্ট ড. শবনম জাহানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রভোস্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ড. মাহবুবা নাসরিনকে।’

এরপর সবার সহযোগিতায় আবার ভোট শুরু করার আশ্বাস দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী। এরপর বেলা ১১টা ১০ মিনিটে ভোট শুরু হয়েছে।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে দীর্ঘ লাইন

হলে হলে ডামি লাইন তৈরির অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে হলে হলে ভোটারের ডামি লাইন তৈরি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের ভোট দেয়া ঠেকাতে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোটা সংস্কার আন্দোলনের নূরুল হক নূর শহীদুল্লাহ হলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, একটি ছাত্র সংগঠন যারা হলে প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে, তাদের নেতৃত্বে ভোটার ছাড়াও অন্যদের দিয়ে দীর্ঘ জটলা তৈরি করে রেখেছে। তাদের কর্মীদের লাইনে দাঁড়িয়ে জটলা সৃষ্টির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের একটি লাইন থাকা সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক বাড়তি মানুষ প্রশাসনের আশ-পাশে ঘোরাফেরা করছে।

ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান এ সম্পর্কে বলেন, কয়েকটি হলে কৃত্রিম জ্যাম তৈরি করে রাখা হয়েছে। ছাত্রলীগই এই জ্যাম তৈরি করেছে। এছাড়া বহিরাগতরাও এই ভোটদানে অংশ নিচ্ছে।

তবে, এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান হলের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রভোস্ট এসএম মফিজুর রহমান বলেন, বাকি সময়ের মধ্যে ভোট সম্পন্ন করতে পারব। আমরা লাইনের র‌্যান্ডম চেক করছি, কাউকে এমন পায়নি।পার্সটুডে

সানিউর রহমান তালুকদার নবীগঞ্জ থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম (ঘোড়া প্রতীক)। তার প্রাপ্ত ভোট ৪৭২৩০, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ’লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আলমগীর চৌধুরী (নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ২৬১১৩।

স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী খালেদা সারোয়ার (দোয়াত কলম) প্রাপ্ত ভোট ৬২৬৮, আব্দুল হাই (কাপ প্লেইট) প্রাপ্ত ভোট ২৬২৪, ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী আবু সালেহ (মিনার) প্রাপ্ত ভোট ৫৩৪, জাতীয় পার্টি মনোনীত হায়দর মিয়া (লাঙল) প্রাপ্ত ভোট ২৫৭।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন এডভোকেট গতি গোবিন্দ দাশ (তালা)। তার প্রাপ্ত ভোট ২৮০৮০, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল (টিউবওয়েল) প্রাপ্ত ভোট ২০২৮৮, আবু ইউসুফ (চশমা) প্রাপ্ত ভোট ১৪০৭৪, শাহ আবুল খায়ের (উড়োজাহাজ) ১৩৬৪৩, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মুরাদ আহমদ (লাঙল) প্রাপ্ত ভোট ৩০৮৮, ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফ ফুরকানী (মিনার) প্রাপ্ত ভোট ৩০৪৬।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম (হাঁস) প্রাপ্ত ভোট ৪৯২০৭ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ ছইফা রহমান কাকুলি (ফুটবল) প্রাপ্ত ভোট ২৭৪৫১, সাজেদা মজিদ (কলস) প্রাপ্ত ভোট ৫৬৩৮

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc