Thursday 23rd of May 2019 05:42:11 PM

বেনাপোল থেকে এম ওসমান: বেদানা, আনার বা ডালিম এর বৈজ্ঞানিক নাম: চঁহরপধ মৎধহধঃঁস এটি এক রকমের ফল। এর ইংরেজি নাম পমেগ্রেনেট (ঢ়ড়সবমৎধহধঃব)। হিন্দুস্তানী, ফার্সি ও পশতু ভাষায় একে আনার বলা হয়। কুর্দি ভাষায় হিনার এবং আজারবাইজানি ভাষায় একে নার বলা হয়। সংস্কৃত এবং নেপালি ভাষায় বলা হয় দারিম। বেদানা গাছ গুল্ম জাতীয়, ৫-৮ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাকা ফল দেখতে লাল রঙের হয়। ফলের খোসার ভিতরে স্ফটিকের মত লাল রঙের দানা দানা থাকে। সেগুলি খাওয়া হয়।
দানায় ভরপুর অথচ নাম বেদানা। এক সময়ের আমদানি নির্ভর ফলটির চাষ এখন দেশেও হচ্ছে। এমনই এক বেদানা চাষির নাম শামসু শেখ। তার বাড়ি যশোরের বেনাপোল পৌর এলাকার রাজবাড়ি গ্রামে। শামসু শেখ মূলত একজন নার্সারি ব্যবসায়ী। শত রকমের গাছের চারা বিকিকিনি করা তার কাজ।
এই পেশার সূত্র ধরে তার মাথায় চাপে বেদানার চাষ করার। যে চিন্তা সেই কাজ। চার বিঘা জমি লিজ নিয়ে রাজবাড়ির রাজভিটায় শুরু করেন বেদানার চাষ। আজ থেকে চার বছর আগের কথা এটি। এর আদি নিবাস ইরান এবং ইরাক। ককেশাস অঞ্চলে এর চাষ প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। সেখান থেকে তা ভারত উপমহাদেশে বিস্তার লাভ করেছে। বর্তমানে এটি তুরস্ক, ইরান, সিরিয়া, স্পেন, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরাক, লেবানন, মিশর, চীন, বার্মা, সৌদি আরব, ইসরাইল, জর্ডান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শুস্ক অঞ্চল, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং আফ্রিকায় ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। স্পেনীয়রা ১৭৬৯ সালে ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যালিফোর্নিয়াতে বেদানা নিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়া ও এরিজোনায় এর চাষ হচ্ছে। উত্তর গোলার্ধে এটি সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মৌসুমে জন্মে। দক্ষিণ গোলার্ধে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এটি জন্মে। বাংলাদেশেও এই ফলটির চাষ শুরু হয়েছে। অনেকে বেদানার চাষ করে ভাগ্য ফিরিয়েছেন।
কৃষিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের আবহাওয়াতে বেদানার চাষ সম্ভব। বীজ ও কলম দুটি থেকেই জন্ম নেয় বেদানা গাছ। বীজ থেকে বেদানার চারা সহজে উৎপাদন করা যায়। তবে বীজের চারার গাছে ফলের মাতৃত্বগুণ বজায় থাকে না। এজন্য শাখা কলম দিয়ে বেদানার চাষ করা লাভজনক। কলমের গাছে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ফল ধরতে শুরু করে। ফুল আসার পর পুষ্ট হওয়া পর্যন্ত সময় লাগে ছয় মাস। লাভজনক মাত্রায় ফল পেতে আট-দশ বছর সময় লাগে। একাদিক্রমে একটি গাছ ৩০ বছর পর্যন্ত ফল দেয়। সারা বছরই কিছু না কিছু ফল হয়। বসন্তকালে যে ফুল হয় তাতে ফল হয় গ্রীষ্মকালে। আর বর্ষার শুরুতে যে ফুল হয় তাতে ফল হয় হেমন্তকালে। গ্রীষ্মকালের ফল অপেক্ষা হেমন্তকালের ফল মানে ভালো হয়। প্রথম ফল ধরার সময় গাছপ্রতি ২০-২৫টির বেশি ফল পাওয়া যায় না। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফলন বাড়তে থাকে। দশ বছর বয়সের একটি গাছে গড়ে ১শ’-১শ’৫০টি ফল ধরে। তবে ভালো পরিচর্যা নিলে গাছপ্রতি ২শ’-২শ’৫০টি ফল পাওয়া যেতে পারে।
নার্সারির কেয়ার টেকার রমিজ উদ্দিন জানান, শামসু শেখ ভারত থেকে কলম সংগ্রহ করে বেদানার চাষ শুরু করেন। চার বছর আগে লাগানো গাছে ফুল-ফল আসা শুরু করেছে। কিছু কিছু ফল বিক্রিও করা হচ্ছে। তবে এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে লাভজনক হয়নি। এ অবস্থায় পৌঁছাতে এখনো কিছুদিন সময় লাগবে।
বেদানা গাছে পূর্ণমাত্রায় ফল আসার আগ পর্যন্ত বাগানের ফাঁকা জায়গায় অন্য ফসল যেমন শাক-সবজি বা বিভিন্ন ফলের চাষ করা যেতে পারে। রমিজ উদ্দিন বলেন, গাছের ফাঁকে ফাঁকে মরিচ রোপণ করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষেতের চারপাশে আমড়া গাছ লাগানো আছে। এই আমড়ায় বছরে ৬০ হাজার টাকা লিজ খরচ ও বেদানা বাগানের পরিচর্যা খরচ আরো ৪০ হাজার টাকা উঠে আসবে। বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে কলম তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি কলম ১শ’ টাকা থেকে ৩শ’ টাকায় বিক্রি হয়। এ থেকেও খরচের একটা বড় অংশ উঠে আসছে।
যশোর ভেষজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবু হানিফ জানান, বেদানা আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসার পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিউটেলিক এসিড, আরসোলিক এসিড এবং কিছু আ্যলকালীয় দ্রব্য যেমন সিডোপেরেটাইরিন, পেপরেটাইরিন, আইসোপেরেটাইরিন, মিথাইলপেরেটাইরিন প্রভৃতি মূল উপাদান থাকায় বেদানা বিভিন্ন রোগ উপশমে ব্যবহৃত হয়। কবিরাজী মতে, বেদানা হচ্ছে হৃদযন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম হিতকর ফল। এ ফল কোষ্ঠ রোগীদের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। গাছের শেকড়, ছাল ও ফলের খোসা দিয়ে আমাশয় ও উদরাময় রোগের ওষুধ তৈরি হয়। এই ফল ত্রিদোষ বিকারের উপকারী, শুক্রবর্ধক, দাহ-জ্বর পিপাসানাশক, মেধা ও বলকারক, অরুচিনাশক ও তৃপ্তিদায়ক। বেদানা বিশেষভাবে হৃদপিন্ড ভালো রাখতে, ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে, স্কীন ক্যান্সার প্রতিরোধে, রক্তস্বল্পতা দূর করতে, হাড় ভালো রাখতে, দাঁতের যতেœ, ডায়রিয়া প্রতিরোধে, সর্দি-কাশি থেকে বাঁচতে, কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল জানান, এই উপজেলায় যে সকল কৃষক ফল চাষে এগিয়ে আসবে তাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাণিজ্যক ভাবে এ সমস্ত ফল চাষ বৃদ্ধি করে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।

এম ওসমান,বেনাপোল: যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে অবস্থিত নাভারণ প্রতিবন্ধি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি ক্ষুদে প্রতিবন্ধি শিক্ষার্থীদের মাঝে সপ্তাহে একবার বিদ্যালয়ের টিফিন টাইমে টিফিনের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন উদ্ভাবক মিজান। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় টিফিনের খাবার বিতরণ করেন তিনি। পাশাপাশি এই সমস্ত শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে প্রত্যেক শিশুকে পরিবেশ বান্ধব গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামের কৃতি সন্তান মটর ম্যাকানিক উদ্ভাবক মিজান পরিবেশের উপর বিশেষ ভাবে অবদান রাখায় তার নিজস্ব ভ্রাম্যমান নার্সারীর পক্ষ থেকে এই গাছের চারা বিতরণ করা হয়। উদ্ভাবক মিজানের উদ্ভাবনার কথা বলে শেষ করা যাবে না। তিনি তার ছোট্র ক্ষুদে মস্তিস্ক দ্বারা একের পর দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য পরিবেশের জন্য জীবন উৎস্বর্গ করে চলেছেন। প্রাণ কাঁদে তার সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য।
এ জন্যই তিনি বিভিন্ন সময়ে পরিবেশ রক্ষায় গাছের চারা বিতরণ, প্রতিবন্ধিদের জন্য খাবার, সেচ্ছায় ধুমপান ছেড়ে দেওয়া মানুষের জন্য সুভেচ্ছা উপহার, গরীব শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং পরিবেশের ভারসম্য রক্ষায় বিভিন্ন পাখ পাখালির জন্য বাসস্থান গড়ে তোলাসহ নানান রকম চিন্তা চেতনায় এগিয়ে চলেছেন এবং সে মোতাবেক কাজ করে চলেচেন। প্রতিবন্ধি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খাবার এবং গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষিকা পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের নড়াগাতি থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে শাহাজান শেখের বাড়িতে চুরি করতে এসে গণপিটুনীতে বদর শিকদার (৩৫) নামে একজন মারা গেছে। নিহত বদর বাগেরহাটের চিতলমারি থানার কাঠিপাড়া গ্রামের মহব্বত আলী শিকদারের ছেলে।
শনিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে তার মৃত্যু হয়।
নড়াগাতি থানার ওসি আলমগীর কবির জানান, শুক্রবার রাত ৪টার দিকে লক্ষীপুর গ্রামে শাহাজান শেখের বাড়িতে এক ব্যক্তি চুরি করতে আসে। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে চোর, চোর বলে চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে গণপিটুনী দেয়।
গুরুতর অসুস্থ আহত বদরকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করা হলে শনিবার সকাল সড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
প্রথমে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে নথিভূক্ত হলেও শনিবার দুপুরে তার পরিচয় পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাপসাতালে পাঠানো হয়েছে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার কালিয়া-চাপাইল সড়কের নড়াগাতির থানার বাগুডাঙ্গা বটতলা এলাকায় ট্রাক ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত হয়েছে। এসময় অপর এক বন্ধু ও ট্রাকের হেলপার গুরুতর আহত হয়েছে। শনিবার দুপুরে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই বন্ধু হলো নড়াগাতি থানার যোগানিয়া গ্রামের মিলন ঘোষের ছেলে বিপ্লব ঘোষ (১৫) ও একই থানার নলামারা গ্রামের অজিত বিশ্বাসের ছেলে শান্ত বিশ্বাস (১৫)।

নড়াগতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আলমগীর কবির জানান, যোগানিয়া গ্রামের মিলন ঘোষের ছেলে বিপ্লব ঘোষ (১৫), বাবু সরকারের ছেলে বাঁধন সরকার (১৫) ও নলামারা গ্রামের অজিত বিশ্বাসের ছেলে শান্ত বিশ্বাস (১৫) মোটর সাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। এরা তিন বন্ধু বাগুডাঙ্গা থেকে চাপাইল ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। বাগুডাঙ্গা বড় মাঠ এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় তিনবন্ধু ও ট্রাকের হেলপার গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিপ্লব ঘোষ ও শান্ত বিশ^াসকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত অপর বন্ধু বাঁধন সরকার (১৬) ও ট্রাকের হেলপার বাগুডাঙ্গা গ্রামের কুদ্দুস মোল্যার ছেলে ইরশাদকে (২৮) গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বাধনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় গোপালগঞ্জ হতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ডেস্ক নিউজঃ  রাজধানীর সদরঘাটে বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় পিতা-পুত্রসহ আরও চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ওয়াজঘাট এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ভেসে ওঠে মরদেহগুলি।

এরা হলেন, দেলোয়ার (৩৮), তার ৭ মাসের ছেলে জনায়েদ, মিম (৪) ও মাহি (৬)। নিখোঁজ রয়েছেন মিম ও মাহির মা সাহেদা বেগম(৩২)।

ঘটনাস্থলে থাকা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোস্তফা মহসিন জানান, সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান চলছে। আজ চারটিসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার উদ্ধার করা হয় দেলোয়ারের স্ত্রী জামসিদার (২০) মরদেহ।

সদরঘাট নৌ পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ঘটনায় একজন নিখোঁজ রয়েছে। তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, কেরানীগঞ্জে বসবাসকারী শাহজালাল বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের বজেশ্বরে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদরঘাটের কাছে সুরভী-৭ লঞ্চের পেছন দিকের ধাক্কায় শাহজালালদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় লঞ্চের পেছনে থাকা পাখার আঘাতে শাহজালালের দুই পা কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। নৌকাডুবির এ ঘটনায় ছয়জন নিখোঁজ হন। এদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

নৌকাডুবির এ ঘটনা তদন্তে বিআইডাব্লিউটিএ শুক্রবার তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করেছে। তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবেন। এরপর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কথা বলতে পারছেন। তার শরীর থেকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার নলসহ সব ধরনের ডিভাইস খুলে ফেলা হয়েছে। এরপর তিনি চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা ও বলেছেন বলে সিঙ্গাপুরে কাদেরের সঙ্গে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী এ তথ্য সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “সেতুমন্ত্রীর শরীরের সব একস্ট্রার্নাল ডিভাইস খুলে নেওয়া হয়েছে। তার লাস্ট যে এন্ডোটাকিয়াটা ছিল, সেটাও খুলে নেওয়া হয়েছে। এখন উনি সব ডিভাইসমুক্ত। উনি আজকে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। সেকেন্ডলি উনার হার্ট ১০০ ভাগ স্টেবল আছে, উনার প্রেসার ঠিকঠাকমতো মেনটেইন হচ্ছে। রক্তে ইনফেকশন আগে থেকে কনট্রোলে চলে এসেছে। কিডনির অবস্থাও অনেক উন্নতি হয়েছে। এই মূহুর্তে তার সামান্য শারীরিক দুর্বলতা আছে। এই দুর্বলতা দুয়েকদিনের মধ্যে ওভারকাম করলে উনাকে আমরা কেবিনে নিয়ে যেতে পারব।”

বর্তমানে ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। কাদেরের চিকিৎসায় গঠিত পাঁচ সদস্যের চিকিৎসক দলের সিনিয়র সদস্য ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি তার চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি জানিয়ে শনিবার সকালে ব্রিফ করেছেন। এরপর তার বরাত দিয়ে ডা. আবু নাসার রিজভী এসব তথ্য জানান।

ডা. সেবাস্টিনের ব্রিফের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী  ইসরাতুন্নেসা কাদের, ছোট ভাই আব্দুল কাদের মির্জা, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ও ডা. আবু নাসার রিজভী।

গত ৩ মার্চ ভোরে হঠাৎ করে ওবায়দুল কাদেরের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিলে তাকে বিএসএমএমইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। দ্রুত এনজিওগ্রাম করার পর তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে একটি ব্লকে রিং পরানো হয়।

এরপর তার শারীরিক অবস্থার আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও করণীয় ঠিক করতে দুপুরেই ভারত থেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী প্রসাদ শেঠিকে ঢাকায় উড়িয়ে আনা হয়। ডা. দেবী শেঠির পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুর পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডেস্ক নিউজঃ পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজস্থানে গতকাল ভারতের একটি মিগ-২১ বাইসন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।বৈমানিক বিমান থেকে বের হতে সক্ষম হওয়ায় এ ঘটনায় কেউ হতাহত হন নি। ভারতীয় বিমান বাহিনী বা আইএএফ চলতি বছরের এ পর্যন্ত এ নিয়ে ৭টি বিমান হারালো।

কেবল ফেব্রুয়ারি মাসেই আইএএফ পাঁচ বিমান হারিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি নিয়ম মাফিক টহল দিতে যেয়ে বিধ্বস্ত হয় একটি মিরেজ ২০০০ বিমান। রাষ্ট্রীয় সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড বা এইচএএল প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ঘটানোর পরই উড়তে যেয়ে বিধ্বস্ত হলো এটি।

একই মাসের ১৯ তারিখে আইএএফের সূর্যকিরণ অ্যাক্রোবেটিক টিম বা বিমান কসরত দলের দু’টি বিমান বিধ্বস্ত হয়। কসরত অনুশীলন কালে মাঝ আকাশে ঠোকাঠুকিতে এ দুই বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং একজন বৈমানিক নিহত হন।

বিধ্বস্ত মিগের ফাইল ছবি

এদিকে, পাকিস্তানের বালাকোটে হামলার পরদিন অর্থাৎ ২৭ ফেব্রুয়ারি আকাশ যুদ্ধে বিধ্বস্ত হয় একটি মিগ-২১ বাইসন বিমান। অবশ্য, পাকিস্তান দু’টি বিমান ধ্বংসের দাবি করেছিল এবং অপরটি ভারতীয় এলাকায় পড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছিল।

মিগ-২১’এর বৈমানিক উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হলেও পাকিস্তানের হাতে বন্দি হন। তাকে ৫৯ ঘণ্টা পরে মু্ক্তি দেয় পাকিস্তান। পাকিস্তান বলেছে, শুভেচ্ছা নিদর্শন স্বরূপ তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

গোত্তা খাচ্ছে মিগ-২১

একই দিনে অর্থাৎ ২৭ ফেব্রুয়ারি আইএএফের একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের বাদগামে বিধ্বস্ত হয়। এতে ছয় হতভাগ্য আরোহীর সবাই নিহত হয়েছিলেন। এদিকে এর একদিন পরে ভারতীয় বিমান  বাহিনীর একটি জাগুয়ার বিধ্বস্ত হয় উত্তর প্রদেশে। অবশ্য, জাগুয়ারের চালক নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন।পার্সটুডে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে পাচাঁরের সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৮মে.টন চোরাই কয়লাসহ ১টি ইঞ্জিনের নৌকা আটক করেছে বিজিবি। কিন্তু অবৈধ কয়লা ও নৌকার মালিকসহ সোর্সদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি। আটককৃত নৌকাসহ চোরাই কয়লার মূল্য প্রায় ৬লক্ষ টাকা।

এব্যাপারে বিজিবি ও এলাকাবাসী জানায়,প্রতিদিনের মতো গতকাল ০৭.০৩.১৯ইং বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় জেলার তাহিরপুর উপজেলার বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা,লালঘাট ও টেকেরঘাট সীমান্তের চুনাপাথর খনি প্রকল্পের পুলিশ ফাঁসি এলাকা দিয়ে দুধেরআউটা গ্রামের সোর্স পরিচয়ধারী ইয়াবা ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজি মামলা নং-জিআর ১৬৩/০৭এর জেলখাটা আসামী জিয়াউর রহমান জিয়া ও সহযোগী লাকমা গ্রামের অস্ত্র ও চাঁদাবাজি মামলার আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী ল্যাংড়া বাবুল,লালঘাট গ্রামের কয়লা পাচাঁর মামলার আসামী জানু মিয়া রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে বিপুল পরিমান কয়লা,মদ ও ইয়াবাসহ অস্ত্র তৈরি মালামাল পাচাঁর করে জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিচনে অবস্থিত পাটলাই নদীতে নিয়ে,চোরাই কয়লা ব্যবসায়ী শ্রীপুর গ্রামের নেকবর আলীর ও দুধের আউটা গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী মনির মিয়ার কাছে বিক্রি করে এবং তাদের নিজের ইঞ্জিনের নৌকায় কয়লা বোঝাই করার সময় বালিয়াঘাট ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার হুমায়ুন অভিযান চালিয়ে ৫মে.টন চোরাই কয়লা বোঝাই ১টি ইঞ্জিনের নৌকা আটক করে। এসময় ইয়াবা ও মদ নিয়ে সোর্স জিয়া ও মনির পালিয়ে যায়।
এখবর পেয়ে টেকেরঘাট ক্যাম্পের বিজিবি পৃথক অভিযান চালিয়ে চুনাপাথর খনি প্রকল্প এলাকা থেকে আরো ৩মে.টন চোরাই কয়লা জব্দ করে। কিন্তু ল্যাংড়া বাবুলকে গ্রেফতার করেনি। কারণ পাচাঁরকৃত ১বস্তা কয়লা থেকে ১৫০টাকা,১কার্টন মদ থেকে ৫শ টাকা ও ইয়াবা পাচাঁরের জন্য সাপ্তাহিক ২০হাজার টাকা চাঁদা বিজিবি,পুলিশ,র‌্যাব ও সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে উত্তোলন করে সোর্স জিয়াউর রহমান জিয়া,ল্যাংড়া বাবুল ও আব্দুর রাজ্জাক।

বড়ছড়া শুল্কষ্টেশনের কয়লা ব্যবসায়ী আশরাফ উদ্দিন,মাহিনুর মিয়া,রজব আলী,সাহাব উদ্দিন,দুলাল মিয়াসহ আরো অনেকেই বলেন,সোর্স কালাম মিয়াকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানোসহ সোর্স আব্দুল আলী ভান্ডারীর বাড়ি থেকে মদের চালান আটক করে বিজিবি থানায় মামলা দায়ের করছে কিন্তু তাদের গডফাদার আব্দুর রাজ্জাক ও জিয়াউর রহমান জিয়াসহ ল্যাংড়া বাবুলকে গ্রেফতার না করার কারণে সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বন্ধ হচ্ছে না,লক্ষলক্ষ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাকসুদুল আলম বলেন,সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ঋণের দায়ে কিটনাশক গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে শ্রীমতি আরতি রাণী (৬০) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। নিহত আরতি রাণী উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্রী নকুল সুত্রধরের স্ত্রী।

জানা যায়, শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, আরতি রাণী এলাকার অনেকের কাছে টাকা ধার নিয়েছিলো। পাওনাদাররা টাকার জন্য চাপ দিলে শুক্রবার সকালে সে পরিবারের লোকজনের অজান্তে কিটনাশক গ্যাস ট্যাবলেট খায়। এক পর্যায়ে পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেলে সাথে সাথে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করে এবং শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আরতি রাণী কিটনাশক গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঋণের বিষয়টি আমার জানা নেই। তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ডের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বদরুল মনসুরঃ হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ফেইসবুক পেইজের পক্ষ থেকে ইউনেস্কো’র মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ উপলক্ষে গত ৭ ই মার্চ বৃহস্পতিবার  লন্ডনের ভোর বেলায় বৃটেনের ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফের গ্রামীণ যুবরাজ কনফারেন্স হলে এক লাইভ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ফেইসবুক পেইজের  এডিটর  ও এডমিন সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই লাইভ প্রোগ্রামের আলোচনায় অংশ নেন ওয়েলস আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম নজরুল. সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মালিক. যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  আলহাজ্ব লিয়াকত আলী,  ওয়েলস যুবলীগ সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ. সাধারন সম্পাদক মফিকুল ইসলাম।
জাস্টিন ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের কার্ডিফের সভাপতি আলহাজ আসাদ মিয়াসহ সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল .বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরাম ইউকের নিউপোটের সেক্রেটারি সিতাব আলি,  সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ জাংগাীর, ওয়েলস কৃষক লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মোত্তালিব. ওয়েলস যুবলীগের  সহ সভাপতি  কবির মিয়া. ওয়েলস আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এম এ রউফ. ওয়েলস ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বদরুল মনসুর. আব্দুল ওয়াহিদ মিয়া.এম এ সালাম সহ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
আলোচনায় বক্তারা  ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ  নিয়ে বলেন.।মাত্র বিশ মিনিটের এই ভাষনে বঙ্গবন্ধুর দৃপ্ত ঘোষণা- বাঙালীর হাজার বছরের স্বপ্নের  স্বাধীনতা সংগ্রামে উজ্জীবিত করনের  জন্য ছিলো এক মূলমন্ত্র.  মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে  বাঙালিরা তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে স্বাধীনতা অর্জন করে আমরা পেয়েছি লাল বৃত্ত সবুজ পতাকা.  হৃদয়ে বাংলাদেশ ; হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন ৪৮ বছর আগে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন।
১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওই দিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’  বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত হয়েছে। এটা আমাদের জন্য জাতির জন্য গৌরবের।
পরিশেষে উপস্থাপক মোহাম্মদ মকিস মনসুর ওয়েলস যুবলীগের ২০০৬ সালের প্রকাশিত ঐতিহাসিক  হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু  ম্যাগাজিন থেকে বঙ্গবন্ধু মানে বাংলার মানচিত্র লেখা নিজের কবিতা আবৃত্তি করে আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc