Tuesday 23rd of July 2019 08:17:05 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম প্রতিনিধি ও বাংলা টিভির সংবাদ দাতা সাংবাদিক বিক্রমজিৎ বর্ধনের বাবা অদ্য রোজ বুধবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টা ৫৫ মিনিটে পরলোকগমন করিয়াছেন।মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে,২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

বিক্রমজিৎবর্ধনের সাথে কথা বলে জানা যায়,তাহার বাবার শেষকৃত্য আগামী কাল বৃহস্পতিবারে সম্পন্ন হবে তবে এখনো সময় নির্ধারন করা হয়নি।  

পরলোকগামীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি “আমার সিলেট পরিবার” গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।  

ডেস্ক নিউজঃ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ৭ মার্চ ভোর ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

এ উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখবেন। আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।সুত্র-বাসস

খাম্বা অপসারনের দাবী এলাকাবাসীর

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে রাখা বিদ্যুতের খাম্বার সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলে উল্টে গেলে একজন নিহত হয় এবং ৩জন আহত হন।
৬ মার্চ বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে সিলেট তামাবিল মহাসড়কে বাঘের সড়ক এলাকায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা জাফলংগামী প্রাইভেটকার যাহার নং ঢাকা-মেট্রো-থ-২৯-০১৩০ দুর্ঘটনা পতিত হয়। ঘটনা স্থলে প্রাইভেটকার আরোহী ঢাকার উত্তরা ১৪নং সেক্টরের জাহিদ আহমদ(৩২) মারা যান। দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে স্থানীয় জনতা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। ঘটনায় আহতদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।
এলাকার বাসিন্ধা আব্দুল মালিক, সংবাদকর্মী শোয়েব উদ্দিন, মনজুর আহমদ সহ সচেতন মহলের দাবী দীর্ঘ দিন ধরে অপরিকল্পিত ভাবে রাস্তার পাশ্বে বিদ্যুতে খাম্বা রাখায় দূর্ঘটনা সহ আহত নিহতে ঘটনা ঘটে। ইতেপূর্বে খাম্বা বোঝাই ট্রাকের সাথে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় ২জন ব্যবসায়ি নিহত হন। একই ভাবে সিলেট পল্লী বিদ্যুত এলাকায় খাম্বা বোঝাই ট্রাকের সাথে বাস দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে শিশু সহ ৪জন নিহত হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ২জন নিহত হন। এই দূর্ঘটনার পর পর সিলেটের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্দেশ প্রদান করেন সিলেট তামাবিল মহাসড়কের সকল স্থান হতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের এসকল খাম্বা সমুহ সরিয়ে নিতে আদেশ জারী করেন। কিন্তু আদেশ জারী করার পরও ঠিকাদারী প্রতিষ্টান সমুহ খাম্বা না সরিয়ে রাস্তার পাশ্বে খাম্বা আরও দ্বিগুন ভাবে বৃদ্ধি করে। এসব খাম্বা এমন ভাবে রাস্তার পাশ্বে রাখা হয়েছে তাতে রাস্তার পাশ্ব দিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী সহ পথচারিরা যাতায়াতে মারাত্বক ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সচেতন মহলের দাবী গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের পাশ্ব হতে দ্রুত সময়ের মধ্যে খাম্বা সরানোর দাবী জানান।
হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা মাসুক আহমদ ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা নিহতের লাশ উদ্ধার করি। আহতদের পরিচয় সহ তাদের খোঁজ খবর নিতে হাসপাতালে লোক পাঠাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হবে।

সাদিক আহমদ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আসন্ন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী রনধীর কুমার দেবের নৌকা মার্কার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয় ০৫/০৩/২০১৯ইং মঙ্গলবার বিকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।

উপজেলার ৫নং কালাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনগুলোর আয়োজনে উক্ত কর্মীসভায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের প্রবীণ ও নবীন নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ নাগরিকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন যা একপর্জায়ে জনসভায় রুপান্তরিত হয়।

উক্ত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ আব্দুস সালাম,প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মুনসুরুল হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মতলিব ও বর্তমান চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মুজুল।
উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সমশের খান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন,জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি ফজলুর রহমান ফজলু ও জেলা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি শেখ উপরু মিয়া, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রাহিদ,উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহবায়ক কদর আলী, আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্জ  আব্দুল তোহায়িদ আকাশ, শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি  সাইদুর রহমান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সালেহ আহমদ প্রমুখ ।
এছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের বিভিন্ন সংগঠনের  নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় ভোটার বৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করা হয়।
বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে নৌকার কাণ্ডারি  রনধীর কুমার দেব তার নির্বাচনী বক্তব্যে বলেন, “আমাকে যদি আবারো আপনারা ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন তাহলে শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা হিসেবে গঠন করতে সর্বাত্তক চেষ্টা অব্যাহত রাখবো। তিনি আরও বলেন ” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা গ্রামকে শহরে রুপান্তর করার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি সার্বিক ভাবে কাজ করে যাবো।”
উল্লেখ্য,শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন,ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন নির্বাচন করছেন।

ইন-শা’আল্লাহ-সিন্দুরখান ইউনিয়নে নির্বাচনী জনসভায় আফজল হক

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ “আমি চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসার জন্য নির্বাচন করছি না,আমি শ্রীমঙ্গলবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য নির্বাচন করছি।উপজেলার মানুষ উন্নয়ন চায়।জণগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরবর্তীতে তাদের ভুলে যায় এমন চেয়ারম্যান শ্রীমঙ্গলবাসী চায় না।আপনারা আপনাদের মহামূল্যবান ভোটগুলো আমাকে দিয়ে,আমার আনারসকে জয়যুক্ত করে আপানদের সেবা করার তওফিক দিন।আমাকে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত করে দেখুন একবার।
যদি উন্নয়ন না হয়,উপজেলার চেহারা না পাল্টে তবে ৫ বছর পর আমাকে আর ভোট দিবেন না।ভোট চাইতে আসলে তাড়িয়ে দিবেন।যদি আল্লাহর রহমতে ও আপনাদের সহযোগিতায় চেয়ারম্যান হতে পারি তবে শ্রীমঙ্গলকে একটি মডেল উপজেলা বানিয়ে আপনাদের উপহার দিবো “ইনশাআল্লাহ” সিন্দুরখান ইউনিয়নের ষাড়েরগজে এলাকাবাসীর আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় এসব বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী,বাংলাদেশ কৃষকলীগ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি,বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি,বিভাগীয় সিলেট মিডিয়ার শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান,শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আফজল হক।
গতকাল ০৫ মার্চ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৭ টায় স্থানীয় এই জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্য এসব কথা তিনি বলেন।
উক্ত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষকলীগ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিতেশ চৌধুরী অপু,
উপস্থিত ছিলেন কৃষকলীগ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রশিদ তালুকদার,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজ শাখার জয়েন সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান।
এছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন সিন্দুরখান ইউপি সদস্য সাজিদ মিয়া,মকবুল হোসেন,কটাই মিয়া,শিপন আহমেদ,সায়েদ মিয়া,মোতাহার মিয়া,সোবহান মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন মাওলানা ক্বারী আলমগীর হোসেন।তারপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন পারভেজ হাসান।
জনসভাটির সভাপতিত্ব করেন ইলিয়াস মিয়া ও সঞ্চালনা করেন মোঃমাসুক আহমেদ।
পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি ইলিয়াস মিয়ার সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয় জনসভার মূল কার্যক্রম।পরিশেষে মাওলানা ক্বারী আলমগীর হোসে মিলাদ মাহফিল ও মুনাজাত পরিচালনা করেন।মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য,শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন,ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন নির্বাচন করছেন।

থামেনি লাইসেন্স বিহীন এল পি জি গ্যাস সরবরাহকারী অসাধু ব্যবসায়ীরা

এম ওসমান,নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমান সময়ে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে এল পি জি গ্যাস নিয়ে ভয়ংকর সব কথা। সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করেছে এল পি জি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার। তবুও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই এল পি জি গ্যাস খোলামেলা ভাবে বিক্রি করছেন এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা। 

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে পরপর সিলিন্ডার বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটলেও সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক বড়েছে কিন্তু থামেনি লাইসেন্স বিহীন এল পি জি গ্যাস সরবরাহকারী অসাধু ব্যবসায়ীরা।
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ছাড়াই ছড়িয়ে পড়েছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান। আইন-কানুন না মেনেই শুধু পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এ জ্বালানির অহরহ দোকানপাট খুলে নির্বিঘেœ ব্যবসা চলছে। এসব দোকানে নেই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে নেই প্রতিকারের ব্যবস্থা। দেশের প্রতিটি জনবহুল কিংবা আবাসিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এ ব্যবসার কারণে জনজীবন হুমকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিন বিভিন্ন বাজার ও ছোট বড় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ এ জ্বালানির যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা না রেখেই বিভিন্ন দোকান পাট ও মার্কেটের ভেতরে সিলিন্ডার রেখে খুঁচরা এলপি গ্যাস ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলপি গ্যাস প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর ডিলাররা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ নিলেও খুঁচরা ব্যবসায়ীরা সিলিন্ডার মজুদে আইন অনুসরণ করছেন না। বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪-এর ‘দ্য এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪’-এর ৬৯ ধারার ২ বিধিতে ‘লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ক্ষেত্রে এলপিজি মজুদ করা যাবে’ তা উল্লেখ আছে বলে জানা যায়।
বিধি অনুযায়ী, ১০ (দশটি) গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুদকরণে লাইসেন্সের প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ ১০টির বেশি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুদের ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে। একই বিধির ৭১নং ধারায় বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য স্থাপনা বা মজুদাগারে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম মজুদ রাখিতে হইবে। অথচ বিক্রেতারা ব্যবসা পরিচালনার সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করলেও ১০টির বেশি সিলিন্ডারে আবশ্যকীয় সনদ কিংবা আগুন নিভানোর জন্য স্থাপনা বা মজুদাগারে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম মজুদ নেই।
এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা জানান, তারা বেশির ভাগই আইনগত বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে অবগত। তার পরও সঠিক তদারকির অভাবে ঝুঁকি জেনেও তারা সনদ ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রাপ্তির দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে এবং বিভিন্ন কোম্পানির ডিলারদের বিপণন কৌশলে প্ররোচিত হয়েও তারা আইন অনুসরণ থেকে পিছিয়ে আসছেন।
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ ছাড়াই স্থানভেদে ১০ থেকে শুরু করে শতাধিক এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দোকানে মজুদ করেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। এসব দোকানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এলপি গ্যাসবোঝাই সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। দেখা গেছে, কোথাও কোথাও ব্যবসায়ীরা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদের আবেদন করলেও সেটি পাওয়ার অপেক্ষা না করেই দোকান ভাড়া নিয়ে সিলিন্ডার বেচাকেনা শুরু করেছেন। 
বিভিন্ন স্থানে হার্ডওয়্যার-সামগ্রী বিক্রেতা, এমনকি সিমেন্ট ও মনিহারি-সামগ্রীর দোকানেও এলপি গ্যাস বিক্রি চলছে। বিক্রি হচ্ছে মুদি দোকান ও ছোট বড় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। দেশে সাধারণত উৎপাদনকারীর কারখানা থেকে ডিলার হয়ে খুঁচরা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তাদের কাছে এলপি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার পৌঁছায়। এক্ষেত্রে উৎপাদনকারীরা ডিলারদের কাছে সিলিন্ডার সরবরাহের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদের বিষয়টি যাচাই করে থাকেন। কিন্তু সরবরাহ চেইনে সাধারণত এরপর আর তদারকি হয় না। 
যদিও আইন অনুযায়ী ১০টির বেশি এলপি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার বা গ্যাসাধার রাখলে যেকোনো ব্যবসায়ীর বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ নেয়া বাধ্যতামূলক। আর সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে প্রায়ই সব ধরনের দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৫টি, ১০টি বা তার বেশি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার ক্রয় বিক্রয় করছেন। সম্প্রতি দেশের রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা শহরে সিলিন্ডার বিস্ফোরনে ভয়াবহ আগুনের সুত্রপাত ঘটেছে। আর এ ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc