Monday 25th of March 2019 09:39:52 AM

উইঘুর মুসলিমদের বন্দিশিবির সম্পর্কে তুরস্ক যদি সমালোচনা অব্যাহত রাখে তাহলে চীনের দূতাবাস সরিয়ে নেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে চীন। দ্য নিউ আরবের খবরে বলা হয়, গত শুক্রবার চীন আঙ্কারাকে এ হুমকি দেয়। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তুরস্ক যদি চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো অব্যাহত রাখে তবে তা অর্থনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব রাখবে।
আঙ্কারাস্থ বেইজিংয়ের ঊর্ধতন কর্মকর্তা ডেং লি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে হয়তো কোনো ধরনের অনৈক্য বা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। তবে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে আমাদের সব সমাধান করা উচিৎ। আপনার বন্ধুকে সব জায়গায় সমালোচনা করা কোনো সৃষ্টিশীল কাজ নয়। তিনি আরো বলেন, ‘আর যদি আপনি বেছে নেন সে পথ, তবে অবশ্যই অর্থনৈতিক সম্পর্কে সেটির ছাপ পড়বে।’
বর্তমানে চীন তুরস্কে কিছু মেগা প্রজেক্টে বিনিয়োগ করতে চাইছে। তবে উইঘুর অধ্যুষিত জিংজিয়াং নিয়ে তুরস্কের মন্তব্যে সেদিকে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তুরস্ক উইঘুর অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বরাবরের মতোই চীন তা অস্বীকার করে আসছে।

একই সঙ্গে কাশ্মীরে সাম্প্রতিক ‘সন্ত্রাসে’র ব্যাপারেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংস্থাটি

ডেস্ক নিউজঃ  জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন অব্যাহত রাখলো অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন কাউন্সিল বা ওআইসি। সেইসঙ্গে কাশ্মীরে ভারতের সাম্প্রতিক ‘সন্ত্রাসে’র ব্যাপারে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয় সংস্থাটির পক্ষ থেকে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সংস্থাটির ৪৬তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে শনিবার সমর্থনের বিষয়টি পুনঃনিশ্চিত করা হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্তণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে বলে খবর দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম ডন।
সম্মেলনের এক রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল কারণ হলো জম্মু ও কাশ্মীর। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে দেশটির পাশবিকতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা ওআইসির রেজ্যুলেশনে।

এ ছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্কট নিরসনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও আকর্ষণ করা হয় এতে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাকিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং আটক ভারতীয় পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ায় পাকিস্তানের প্রশংসাও করা হয়। সেইসঙ্গে দুই পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানানো হয় রেজ্যুলেশনে।
উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে অতিথি করায় ৪৬তম এই অধিবেশন বয়কট করে পাকিস্তান। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পরামর্শ না করেই সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতীয় প্রতিনিধিকে দাওয়াত করে বলেও এর আগে অভিযোগ করে ইসলামাবাদ।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ প্রাচ্যর অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশবিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে “সমাজ সেবা সম্পাদক” পদে অংশ নিচ্ছেন মৌলভীবাজারের চা-শ্রমিক সন্তান সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন।

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ওঠে আসা ছাত্র হলেন অঞ্জন। ’ছাত্র সমাজের সামাজিক উন্নয়নের জন্যে তথা সমাজ সেবার লক্ষ্যে ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষে স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে নমিনেশন ফর্ম তুলেছেন এবং জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। অঞ্জন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর চা-বাগানের বাসিন্দা মৃত সত্য নারায়ন রবিদাসের পুত্র।

পরিবারের এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে অঞ্জন দ্বিতীয়। বর্তমানে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত এবং জগন্নাথ হলের আবাসিক ছাত্র। অঞ্জন ‘বিশ্ববিদ্যালয় চা-ছাত্র সংসদ’ এর আইন বিষয়ক সম্পাদক, ‘একটি বিদ্যার্থীর দৃষ্টি সংঘের’ সভাপতি ‘বাংলাদেশ রবিদাস ছাত্র পরিষদের’ দপ্তর সম্পাদক এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি আল্যামনাই’ এর একজন স্বেচ্ছাসেবী সদস্য। সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন রবিবার বিকেলে বলেন, চা শ্রমিক সন্তানরা বুঝে একটি ভালো পরিবেশে আসতে কতটুকু কষ্ট ও সময় লাগে। আমি খুব অনুভব করি এই কষ্টগুলো।

আমি সেখানে থেমে থাকিনি, আমি এই ভালো পরিবেশের চূড়ায় উঠতে পেরেছি। সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমি ডাকসু নির্বাচনে সমাজ সেবা সম্পাদক নির্বাচিত হলে তাদেরকে সেবা করতে চাই যারা আমার মতো অবহেলিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী থেকে ওঠে এসেছেন এই সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে।

অনেকে অফিশিয়ালি প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন, আমি আগামীকাল থেকে তফসীল অনুযায়ী প্রচারণা শুরু করবো।

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ যতই দিন যাচ্ছে ততই জমে উঠছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।প্রার্থীগণ ব্যস্ত সময় পার করছেন নিজ নিজ প্রচারণায়।নিজেদের নির্বাচনী গাড়ী গুলো সকাল থেকেই রাত অবধি মাতিয়ে রাখছে পুরো শহরকে।

প্রসঙ্গত পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন নির্বাচন করছেন।ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী রণধীর কুমার দেব,বাংলাদেশ কৃষকলীগ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আফজল হক,জাকের পার্টি শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল কাইয়ুম।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন মোট ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন মোট ৪ জন।

এদিকে আজ ০৩ মার্চ (রোববার) সকাল ১০ টা থেকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ,লছনা বাজার,ভুনবীর বাজার,হুগলীয়া বাজার,আমরাইলছড়া,জাম্বুরা ছড়াতে নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি আফজল হক।

এসময় তিনি ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।ভোটারদের বিভিন্ন অভিযোগ,হতাশা,দাবী শোনে নির্বাচনে জিতলে সেগুলো পূরণ করবেন বলে ভোটারদের আশ্বাস দেন সাবেক এই চেয়ারম্যান।

চুনারুঘাট সংবাদদাতা: চুনারুঘাট উপজেলার বগাডুবী জামে মসজিদ মুসল্লীদের উদ্দোগে ৮ তম বার্ষিক সুন্নী মহাসম্মেলন গত ২ মার্চ শনিবার বাদ আসর হইতে মধ্যরাত পর্যন্ত স্থানীয় মসজিদ মাঠে মোঃ আকছির মিয়া তালুকদারের সভাপতিত্বে ও শামীম আহমদ এবং শফিকুল ইসলাম তালুকদারের পরিচালনায় অনুষ্টিত সুন্নী মহাসম্মেলন এ প্রধান অতিথি ছিলেন হাফেজ আল্লামা ওয়ালী উল্লাহ্ আশেকী, ঢাকা।

প্রধান আর্কশন হিসেবে বায়ান করেন আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব তাহেরী, বি – বাড়ীয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বায়ান করেন আলহাজ্ব আল্লামা ছোলাইমান খান রাব্বানী, মাওলানা মোঃ আব্দুল কাইয়ুম তরফদার, মাওঃ মামুনুর রশিদ প্রমূখ।

রাবিশ ও পর্যটকদের ফেলে রাখা পদার্থে ভরপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশের বৃহত্তম ও বিখ্যাত বনগুলোর মধ্যে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান অন্যতম একটি।পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের পরেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের অবস্থান।বৃহত্তর সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার প্রকৃতিকন্যা ও চায়ের রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাসরত কমলগঞ্জ উপজেলার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সংরক্ষিত বনাঞ্চল এটি।

১৯২৫ সালে তদানীন্তন বৃটিশ সরকার বৃক্ষায়ন করলে পরবর্তীতে গাছের সংখ্যা বেড়ে এটি উদ্যানে রূপ নেয়।শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার মৌলভীবাজার ফরেস্ট রেঞ্জের আওতাধীন ২৭৪০ হেক্টর আয়তনের পশ্চিম ভানুগাছ সংরক্ষিত বন ছিলো এলাকাটি।যার পূর্ব নাম ছিলো পশ্চিম ভানুগাছ সংরক্ষিত বন।

বনের অস্তিত্ব ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি প্রকৃতি ভ্রমণ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পশ্চিম ভানুগাছ বনের ১,২৫০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশোধন) আইন অনুযায়ী ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার  ‘জাতীয় উদ্যান’ হিসাবে ঘোষণা করে।পরবর্তীতে যার নামকরণ হয় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

প্রতিদিন দেশ বিদেশের অসংখ্য পর্যটন ভ্রমণ করতে আসে উদ্যানটি।সকাল শুরু হলেই পর্যটকদের অাগমনে মুখরিত হয়ে উঠে উদ্যানটি।দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইতোমধ্যে বিদেশী পর্যটকদেরও মন কেড়ে নিয়েছে উদ্যানটি।বিদায়ী ২০১৮ সালে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ভ্রমণ করতে অাসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক  মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এত জনপ্রিয়তা ও বিখ্যাত পর্যটনস্থান হওয়া সত্বেও বিভিন্ন ধরণের রাবিশ জাতীয় পদার্থ ও অপচনশীল প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ যেখানে সেখানে ফেলার কারণে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান হারাতে যাচ্ছে তার চিরচেনা রূপ।সংরক্ষিত স্থানে ময়লা ফেলার ঝুড়ি ও ডাস্টবিন দেয়া সত্বেও যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন রকমের অপচনশীল দ্রব্য।এসব কারণে একদিকে যেমন লাউয়াছড়া হারাতে যাচ্ছে তার চিরচেনা গৌরব অন্যদিকে ঘুরতে আসা অনেক পর্যটক মনে করছেন ভীতিকর এক ভবিষ্যতের।

ঘুরতে আসা বিভিন পর্যটকদের সাথে কথা বললে আমার সিলেটকে তারা নানারকম অভিযোগ ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

কুমিল্লা থেকে লাউয়াছড়া ভ্রমন করতে অাসা মোঃএপলু খান আমার সিলেটকে বলেন “বেশ জনপ্রিয়তা ও আগ্রহ থাকায় কুমিল্লা থেকে বেড়াতে এসেছি লাউয়াছড়া দেখতে।লাউয়াছড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অপরূপ শোভা দেখে অামি বিস্মিত।সত্যিই লাউয়াছড়া অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার।তবে উদ্যানের ভেতরে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ও বিভিন্ন গাছপালা,বসার বেঞ্চ ও যায়গায় বিভিন্ন ধরণের মানুষের নাম,কথাবার্তা লেখা দেখে খুব খারাপ লাগলো”।

ঘুরতে আসা স্থানীয় শ্রীমঙ্গলের এক পর্যটক তৌফিকুল ইসলাম তমাল বলেন”ভালো লাগে লাউয়াছড়ায় আসতে।প্রায় মাঝেমাঝেই আসি এখানে।গর্ব হয় অামাদের উপজেলার এই লাউয়াছড়া উদ্যানটিকে নিয়ে।কিন্তু মনটা তখনই খারাপ হয়ে যায় যখন এর ভেতরের বিভিন্ন অবস্থা দেখি।যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে ডাস্টবিন থাকা সত্বেও।তাছাড়া বসার জন্য যে জায়গাগুলো দেয়া হয়েছে ওখানে লক্ষ্য করলে দেখবেন নানান ধরণের আজেবাজে কথাবার্তা ও বিভিন্ন নাম।আসলে এগুলো দেখলে খুব খারাপ লাগে”।

প্রায় ৩ ঘণ্টা লাউয়াছড়া ঘুরে এসে তথ্য সংগ্রহ করাকালীন ঝাড়ুদার কিংবা কোনো পরিষ্কার-পরিচ্ছনতাকর্মীকে দেখতে পাইনি আমরা।যদিও লাউয়াছড়া বিট কর্মকর্তা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ভিন্ন কথা।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বিট কর্মকর্তা মো আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি আমার সিলেটকে  বলেন “আসলে লাউয়াছড়ার ভেতরে শোভা বর্ধনের জন্য কাজ চলছে তাই রাবিশ (কংক্রিট ও ইটের ভাঙ্গা অংশ) গুলো ভেতরেই রাখা হয়েছে।কিছুদিন পরেই রাবিশগুলো এখান থেকে সরানো হবে।
অপচনশীল প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের যেখানে সেখানে ফেলা নিয়ে জানতে চাইলে এ বন কর্মকর্তা আমাদের বলেন “আমাদের স্টাফরা কিছুক্ষণ পরপরই এসব পরিষ্কার করে থাকেন।তবে আমাদের একার পক্ষে কি সব সম্ভব?পর্যটকরা যদি সচেতন না হোন,ওনারা যেখানে সেখানে এসব জিনিস ফেললে অামরা কতটা সাকসেসফুল হবো ? আমরা পর্যটকদের সবসময়ই বনের ভেতরে এসব অব্যবহৃত দ্রব্য না ফেলার জন্য অনুরোধ করি”।

পযটকদের নিরাপত্তা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন”আমাদের টুরিস্ট পুলিশরা সর্বদা এখানে ডিউটিতে থাকেন।পর্যটকদের যেনো কোনোরকম অসুবিধা না হয় ও সার্বিক নিরাপত্তা দিতে সর্বদা আমাদের টুরিস্ট পুলিশ সজাগ থাকেন”।

প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি প্রকৃতি কন্যা শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি ব্যাপক জনপ্রিয় পুরো বাংলাদেশেই।তবে বনের ভেতরে বিভিন্ন রাবিশ জাতীয় পদার্থ যেখানে সেখানে ফেলার কারণে  বনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে হুমকির সমুক্ষিণ হচ্ছে।একদিকে যেমন মারাত্মক ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে বনটি অন্যদিকে বণ্যপ্রাণীদের জন্য উদ্যানটি হয়ে উঠছে বাসস্থানের অযোগ্য।এভাবে বনের পরিবেশ নষ্ট করলে অচিরেই লাউয়াছড়া হারাবে তারা চিরচেনা ঐতিহ্য ও গৌরব এমনটাই মনে করছেন উদ্যানটিতে আসা পযটকরা।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc