Friday 26th of April 2019 03:37:22 PM

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: জৈন্তাপুরে পাহাড় কর্তনকারীরা বেপরোয়া, উপজেলা প্রশাসন নির্বিকার। সচেতন মহলের দাবী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ম্যানোজ করে পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে।

সিলেটের জৈন্তাপুরের প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ তৈল গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকা সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর। সম্প্রতি একটি চক্র উপজেলার হরিপুর, চিকনাগুল এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় পাহাড় ও টিলা কেটে মাটি বিক্রয় করে আসছে। এই পাহাড়খেকু চক্রের মধ্যে রয়েছে সরকার দলীয় এবং বিরুদী দলীয় নেতারা। পরিবেশ ধ্বংসে উভয়দলের নেতারা ঐক্যজোট হয়ে সমান তালে কাজ করছেন। তাদের এমন পরিবেশ বিধ্বংসী তৎপরতায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে।

সচেতন মহলের দাবী উপজেলা প্রশাসন মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে নাম মাত্র জরিমানা আদায় করে নিজেদের কর্মতৎপরতা দেখায়। সচেতন মহলের দাবী পাহাড় খেকু চক্রের সদস্যরা প্রাশাসনকে ম্যানোজ করে দিন রাত সমান ভাবে পাহাড় কর্তন করে যাচ্ছে।

সচেতন মহলের দাবীর প্রেক্ষিতে সরেজমিনে জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শিকারখাঁ এলাকায় ঘুরে দেখা যায় শিকারখাঁ গ্রামের হারিছ মাষ্টারের ছেলে ফখরুল ইসলাম, মাহমুদ আলীর ছেলে ইমাম উদ্দিন, বাবলু মিয়া দিন রাত সমান ভাবে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রয় করে আসছে।

সম্প্রতি শিকারখাঁ এলাকায় গ্রামীন ব্যাংক এর পাশ্ব দিয়ে সিলেট গ্যাস ফিল্ডের নতুন কুপ খনন কাজের ফিল্ড ও রাস্তার কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রভাবশালী চক্র শিকারখাঁ এলাকার বিভিন্ন টিলা ও পাহাড় কর্তন করে পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করলেও কোন কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহন করছে না বলে অভিযোগ করেন।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট মুনতাসির হাসান পলাশ বলেন- আমরা সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আসছি এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করছি। শিকারখাঁ এলাকার বিষয় আমার জানা নেই, তবে খোঁজ খবর নিয়ে পাহাড় কাটার ঘটনার সত্যতা পেলে কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজ ডেক্সঃ আসন্ন ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্র আ.লীগের বির্তকীত প্রার্থী মনোনয়ন করায় তৃর্ণমূল নেতৃবৃন্দরা জননন্দিত উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমদকে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহনের আহবান জানায়।

গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রিয় আ.লীগ ২য় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী চুড়ান্ত করে নাম ঘোষনা করার পর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের তৃণমূল নেতৃবৃন্দরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মন্তব্য করে। তবে তৃর্ণমূল নেতৃবৃন্দরা বলেন- কেন্দ্র ভূলপ্রার্থী নির্বাচন করলে আমরা কেন্দ্রের ভূল মেনে নিতে পারি না। যেহেতু আ.লীগের মনোনিত প্রার্থী লিয়াকত আলী একজন রাজাকার সন্তান তার হাতে স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আ.লীগের নৌকা তুলে দিয়েছে তাতে মুক্তিকামী জনতা মেনে নিতে পারে নাই। তারা জৈন্তাপুর উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জননন্দিত নেতা কামাল আহমদকে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে আসন্ন ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের দাবী জানান।

কারন লিয়াকত আলী একজন বির্তকীত নেতা, ভূমিখেকু, চিহ্নিত রাজাকার সন্তান তাই আমরা থাকে মেনে নিতে পারি নাই। সময়ের দাবী স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি ছাত্র রাজনীতি হতে উঠে আসা উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ, কর্মীবান্ধব নেতা। আমরা আশারাখি কামাল আহমদ সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে আসলে অবশ্যই তিনি নির্বাচিত হবেন।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) : নওগাঁর আত্রাই উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের বান্দাইখাড়া বাজারটি গড়ে উঠেছে আত্রাই নদীর তীরে। পাশেই গড়ে উঠেছে দুটি ইটভাটা। ভাটা দুটির ইটের প্রধান ক্রেতা আশপাশের গ্রামের মানুষ।
গ্রামের ভেতরের অধিকাংশ রাস্তাই কাঁচা ও সরু হওয়ায় ভ্যান-রিকশা চলাচলের উপযোগী নয়। তাই বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করতে হয় বাইসাইকেল।
এ বাইসাইকেলে পণ্য পরিবহনকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে একটি পেশা। কিছু মানুষ সারা বছর বাইসাইকেলে নানা পণ্য পরিবহন করেই জীবিকা নির্বাহ করে। তা দিয়েই চলে তাদের সংসার।
জানা যায়, এখানে বাইসাইকেল শ্রমিকদের সাতজনের একটি দল আছে। সাইকেলের মাঝখানে বিশেষ কায়দায় পাটের বস্তা ঝুলিয়ে ইট বহন করেন তারা। প্রতিটি সাইকেলে ৮০-৯০টি ইট নেয়া যায়। রাস্তা বেশ উঁচু-নিচু হওয়ায় পেছনে একজনকে ঠেলতে হয়।
বাইসাইকেল শ্রমিক জাকির হোসেন জানান, ভাটা থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে ইট বহনের কাজ করেন। প্রতি হাজার ইট ভাটা থেকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে ১ হাজার টাকা নেন। তবে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া কিছুটা কমবেশি হয়ে থাকে। প্রায় সারা বছরই তারা বাইসাইকেলে করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সাইকেলই তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস।
আরেক বাইসাইকেল শ্রমিক ইনতাজ হোসেন, সুমন ও ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত। তারা বলেন, একটি সাইকেলে প্রায় ৮০-৯০টি ইট নেয়া যায়। এ পরিমাণ ইটের ওজন প্রায় আট থেকে নয় মণ। ইটের মৌসুমে ইট বহনের কাজ করা হলেও অন্য সময়ে হাট-বাজারে ধান, সার ও সিমেন্টের বস্তা বহনের কাজ করেন তারা। এ থেকেই তাদের সংসার চলে।
হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস শুকুর বলেন, এই বাইসাইকেল চালিয়ে যে পরিমাণ আয় হয়, তা দিয়ে একটি সংসার খুব ভালোভাবে চলে যায়। এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্য এ পেশায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছে।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ  জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে যশোর জেলার শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মসিউর রহমান পুলিশের আইজি পদক অর্জন করেন। তিনি চাকরিতে যোগদানের পর থেকে জঙ্গিবাদ ও নাশকতা দমন, অস্ত্র উদ্ধার, আইন শৃংখলার উন্নতি, সন্ত্রাস দমন, চোরাচালান পণ্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসা নির্মূলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন।
বলা বাহুল্য যে, শার্শা থানায় যোগদানের পর থেকে ২টি বিদেশীসহ ৫টি পিস্তল, ১টি এয়ার পিস্তল, ১টি রিভলভার, ৪৩টি ওয়ান শুটারগান, ৭টি ম্যাগাজিন, ৭৪রাউন্ড গুলি, ৯৯টি অবিষ্ফোরিত হাত বোমা, ২৫টি পেট্রোল বোমা, দেশীয় অস্ত্রসহ ৯০জন আসামী গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করতে সক্ষম হন।
এসময় শার্শা থানা থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৩২কেজি হেরোইন, ১০হাজার বোতল ফেন্সিডিল, ৬৮কেজি গাঁজা, ৫০হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১২৯ বোতল মদ, ৭২লিটার দেশী মদ, ৭৬কেজি স্বর্ণ, ৩হাজার কেজি ভারতীয় চাপাতি, ২০টি ভারতীয় গরু, ৭টি ট্রাক, ৪টি প্রাইভেট কার, ১১টি মটরসাইকেল, ৩টি নছিমন, ২টি ব্যাটারী চালিত ভ্যানগাড়ীসহ ভারতীয় পেষ্ট, শাড়ী, থ্রী-পিস, চাদর, স্যান্ডেল, চুড়ি ও বিভিন্ন প্রকার বীজ। এ সংক্রান্ত কাজে জড়িত থাকার অপরাধে ১৫৮৭ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও দক্ষ পুলিশী পদক্ষেপের কারণে তিনি ১২ জন আন্ত:জেলা ডাকাত গ্রেফতার করে তাদের নিকট হতে অস্ত্র উদ্ধার করার ফলে এলাকার লোকজন ডাকাতির কবল হতে পরিত্রাণ পায়। এহেন দক্ষ তৎপরতা ও নিরলস প্রচেষ্টায় চিহ্নিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
দূরদর্শিতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। এ ধরণের কাজের মাধ্যমে এলাকায় মাদক মুক্তসহ সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হওয়ার ফলে পুলিশী কার্যক্রম সমাজে সমাদৃত হয়ে পুলিশের ভাবমূর্তিকে আরো উজ্জ্বল করেছে।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন। সম্প্রতি তিনি নারী ও শিশুবান্ধব ডেক্স চালু করেন এবং শার্শা থানাকে একেবারেই মাদকমুক্ত করার জন্য পাইলট প্রজেক্ট হাতে নেন। এসব মিলিয়ে কর্ম দক্ষতার গুণে তিনি এই বিশেষ সম্মামনা পদকে ভূষিত হয়েছেন।
প্রকাশ থাকে যে, যশোর জেলার শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মসিউর রহমান ১৯৯১সালের ৮জানুয়ারী বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ঢাকা ডিএমপিতে এসআই হিসাবে যোগদান করেন। তিনি চাকুরি জীবনে ঢাকা ডিএমপি, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, খুলনা ও সর্বশেষ যশোর জেলার শার্শা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসাবে কর্মরত আছেন। কর্মজীবনে এম মসিউর রহমান ১৯৯১ সালে পুলিশের এসআই এবং সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে ঢাকায় পদোন্নতি পান। তিনি ২০১৭ সালের ১০ আগষ্ট শার্শা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসাবে যোগদান করেন। শার্শা থানায় যোগদান করার পর থেকেই সন্ত্রাসী ও কুখ্যাত মাদক সম্রাটদের কাছে এক মূর্তিমান আতংক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রমাণ স্বরুপ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী দুঃখে কে আটক করতে সক্ষম হন।

তাছাড়া এ অঞ্চলের কুখ্যাত মাদক সম্রাটদের বেশ কয়েকজনকে নির্মূল করতে সক্ষম হয়। শার্শা সদর ইউনিয়নের ইসলামপুরের চাঞ্চল্যকর সিএ্যান্ডএফ কর্মচারী খুনের ঘটনায় ১২ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করে আসামীদের গ্রেফতার করেন। আর এই সব বিষয় বিবেচনা করেই তাকে আইজি পদকে ভূষিত করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে শার্শা থানায় কর্মরত অবস্থায় আইন-শৃংখলা, মাদকদ্রব্য নির্মূল, জঙ্গিবাদ দমন ইত্যাদির উপর যশোর জেলার মধ্যে ৬ বার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন। গোপালগঞ্জ জেলার মকছেদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এম মসিউর রহমান পারিবারিক জীবনে ১ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের সফল গর্বিত পিতা।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মসিউর রহমানের নিকট প্রতিবেদক জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এলাকার মানুষকে সেবা দিতে চাই। ভাল-মন্দ, সুখে-দুখে থেকে তাদের ভালবাসায় বিশ্বাসী হওয়ার জন্য আজ আমার এ অর্জন। আমার পুলিশের আইজি পদক অর্জন করা সম্ভব হয়েছে শুধু আমার সহকর্মীদের কার্যক্রম, জনগণ, সাংবাদিক ও সবার সহযোগীতায়।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ বলে অভিহিত করে বলেন “বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন প্রতিহত করতে সরকার সব গণমাধ্যমকর্মীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে। কারণ, গণতন্ত্রের জন্যই গণমাধ্যমকে স্বচ্ছ ও নিরাপদ রাখা জরুরি।”

শনিবার সকালে রাজধানীর মৌচাকে বার্তা সংস্থা ইউএনবি কার্যালয়ে তাদের জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

ইউএনবি’র প্রধান সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান বক্তব্য রাখেন।

তথ্যমন্ত্রী পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ভবিষ্যৎ আদালতই নির্ধারণ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার নামে যে আন্দোলন করেছে তা নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস আর সমন্বয়হীনতার কারণেই দুর্বল ছিল।’

“গত দশ বছরে বিএনপি’র রাজনীতি খালেদা ও তারেক জিয়াকে অপরাধের বিচারের হাত থেকে বাঁচানো, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টাতেই সীমাবদ্ধ ছিল, জনগণের জন্য কিছু ছিল না’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এসব করতে গিয়ে বিএনপি জনগণকে পুড়িয়ে মেরেছে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে। ফলে ক্রমেই জনগণ থেকে দূরে সরে গেছে তারা।”

বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে বিএনপি’র উপদেষ্টা পদ গ্রহণের কথা বলায় তথ্যমন্ত্রীর মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিজভী সাহেবের এ ধরনের মন্তব্য কতটা শালীন, তা ভাবা জরুরি। রিজভী সাহেব প্রতিদিনই একটা না একটা সংবাদ সম্মেলন করে কথা বলেন শুধু লাইমলাইটে থাকার জন্য।

বিকেলে তোপখানা রোডে ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির কার্যালয়ে সমিতির আলোচনা সভা ও মেধাবী শিশু-কিশোরদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

ডেস্ক নিউজঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টের নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে মামলা করবে বিএনপি। ৬৪টি জেলার যে কোন একটি আসনের অনিয়মের প্রামাণ্য তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হবে আদালতে। আইনি লড়াইয়ের জন্য একটি আইনজীবী প্যানেলও গঠন করবে বিএনপি। তারা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আদালতে মামলা দাখিল করবে বলে জানা গেছে।

গতকাল শনিবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৬০ জন প্রার্থীর সঙ্গে স্কাইপের মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্সে মামলা করার সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির জন্য আন্দোলনে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

দলের বরিশাল-১ আসনের এমপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন ইত্তেফাককে জানান, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবগুলো জেলার মধ্য থেকে যেকোনো একজন প্রার্থী সবার পক্ষ থেকে মামলা করবেন। এছাড়া আরো যতজন চাইবেন মামলা করতে পারবেন। সকলকে দলীয়ভাবে আইনগত সহায়তা করা হবে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন পরিচালনা বিধি-২০০৮ এর ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা যায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ আসনের ফলের গেজেট গত ১ জানুয়ারি প্রকাশ হয়। সে হিসাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মামলা করার সময় আছে। হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল সে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

বৈঠক সূত্র জানায়, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের দাবি তুলে দলগতভাবে মামলা করার কর্মসূচি ঘোষণা করলেও শেষ পর্যন্ত সরে এসেছিল বিএনপি। ট্রাইব্যুনালে মামলার বিষয়টি হয়ে পড়েছিল অনিশ্চিত। তবে নানামুখী আলোচনা-পর্যালোচনার পর শেষ পর্যন্ত মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো ।

দলের একজন নেতা জানান, বিচার বিভাগ যতই পক্ষপাতিত্ব করুক না কেন, তাদের দেওয়া তথ্য-প্রমাণকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। এমন বিবেচনা থেকেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতীকী মামলা করার সিদ্ধান্তটি নিয়েছে বিএনপি।

গতকাল বৈঠকে ৬০জন প্রার্থী তিনটি গ্রুপে পৃথকভাবে অংশ নেন। এসময়ে প্রায় প্রত্যেক নেতা নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী করণীয় নিয়ে বক্তব্য দেন। তারা বলেন, যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচনে রাতের অন্ধকারে ডাকাতি ও জালিয়াতি হয়েছে তা পৃথিবীর কোথাও হয়নি। কোন কারণে বিচার বিভাগে তারা সুবিচার না পেলেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ডকুমেন্টস হিসেবে এ মামলার গুরুত্ব রয়েছে।

একজন প্রার্থী বলেন, ৬৪টি জেলা থেকে একজন বা বহুজন মামলা করবেন নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে। প্রত্যেকটি আসন থেকে মামলাকারী প্রার্থীকেই একসঙ্গে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।

প্রার্থীদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভোলার মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, বরিশালে জহিরউদ্দিন স্বপন, পিরোজপুরের রুহুল আমিন দুলাল, পটুয়াখালীর এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মাগুরার নিতাই রায় চৌধুরী, পাবনার হাবিবুর রহমান হাবিব, ঢাকার নবীউল্লাহ নবী ও ইরফান ইবনে আমান অমি, ফরিদপুরের শামা ওবায়েদ প্রমুখ।ইত্তেফাক

সাইফুর রহমান চৌধুরী: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নৌকার টিকিট পেলেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক মো: কামাল হোসেন।

অন্যান্য উপজেলায় নৌকার টিকেট যারা পেলেন, কুলাউড়া উপজেলায়, মো: কামরুল ইসলাম,কমলগঞ্জ উপজেলায় মো: রফিকুর রহমান,বড়লেখায় রফিকুল ইসলাম সুন্দর, জুড়ী উপজেলায় গুলশানা আরা বেগম মিলি, রাজনগর উপজেলায় আছকির খাঁন, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় নৌকা মার্কা পেলেন ২বারের উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব।

উল্লেখ্য প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১০ মার্চ প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এর আগে শুক্রবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের এক যৌথসভায় প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপজেলাগুলোর আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে অন্তত ৪৮০টিতে এবার ভোট হচ্ছে। প্রথম ধাপে পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ জেলার উপজেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচন হবে।

প্রথম ধাপে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ১১ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৬ ফেব্রুয়ারি।

মার্চ মাসেই পরবর্তী চারটি ধাপের ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ  হবে ভোট। পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট হবে ১৮ জুন।

প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা:

রংপুর
জেলা: পঞ্চগড়- পঞ্চগড় সদর উপজেলায় আমিরুল ইসলাম,  তেঁতুলিয়ায় কাজী মাহামুদুর রহমান, দেবীগঞ্জে হাসনাৎ জামান চৌধুরী (জর্জ), বোদায় ফারুক আলম, আটোয়ারি চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম।

নীলফামারী
নীলফামারী সদর উপজেলায় শাহিদ মাহমুদ, ডোমারে তোফায়েল আহমেদ, ডিমলায় তবিবুল ইসলাম (মুক্তিযোদ্ধা), সৈয়দপুরে চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, কিশোরগঞ্জ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাবুল, জলঢাকা চেয়ারম্যান আনছার আলী (মিন্টু)।

লালমনিরহাট
লালমনিরহাট সদরে নজরুল হক পটোয়ারী ভোলা, পাটগ্রামে রুহুল আমিন বাবুল, হাতীবান্ধায় লিয়াকত হোসেন, আদিতমারীতে রফিকুল আলম, কালীগঞ্জে মাহবুবুজ্জামান আহমেদ।

কুড়িগ্রাম
নাগেশ্বরীতে মোস্তফা জামান, উলিপুরে গোলাম হোসেন মন্টু, চিলমারীতে শওকত আলী সরকার, রৌমারীতে মজিবুর রহমান, ভুরুঙ্গামারীতে নুরুন্নবী চৌধুরী, রাজারহাটে আবু নুর মো. আক্তারুজ্জামান, ফুলবাড়ীতে আতাউর রহমান, রাজিবপুরে শফিউল আলম, কুড়িগ্রাম সদরে আমান উদ্দিন আহমেদ।

জয়পুরহাট
জয়পুরহাট সদরে    এস এম সোলায়মান আলী, পাঁচবিবিতে মনিরুল শহিদ মণ্ডল, আক্কেলপুরে আব্দুস সালাম আকন্দ, কালাইয়ে মিনফুজুর রহমান, ক্ষেতলালে মোস্তাকিম মণ্ডল।

রাজশাহী
পবায় মুনসুর রহমান, তানোরে লুৎফর হায়দার রশীদ, পুঠিয়া জি এম হিরা বাচ্চু, দূর্গাপুরে নজরুল ইসলাম, বাঘায় লায়েব উদ্দীন, গোদাগাড়ীতে জাহাঙ্গীর আলম, চারঘাটে ফকরুল ইসলাম, মোহনপুরে আব্দুস সালাম, বাগমারায় অনিল কুমার সরকার।

নাটোর
নাটোর সদরে শরিফুল ইসলাম রমজান, গুরুদাসপুরে  জাহিদুল ইসলাম, বাগাতিপাড়ায় সেকেন্দার রহমান, সিংড়ায় শফিকুল ইসলাম, বড়াইগ্রামে সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, লালপুরে ইসাহাক আলী।

সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ সদরে মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, চৌহালীতে ফারুক হোসেন, কাজীপুরে খলিলুর রহমান সিরাজী, রায়গঞ্জে ইমরুল হোসেন তাং, উল্লাপাড়ায় শফিকুল ইসলাম, শাহজাদপুরে আজাদ রহমান, বেলকুচিতে আলী আকন্দ, তাড়াশে সঞ্জিত কুমার কর্মকার।

ময়মনসিংহ
জামালপুর সদরে মোহাম্মদ আবুল হোসেন, বকশীগঞ্জে এ কে এম সাইফুল ইসলাম, দেওয়ানগঞ্জে আবুল কালাম আজাদ, মেলান্দহে কামরুজ্জামান, মাদারগঞ্জে ওবায়দুর রহমান বেলাল, সরিষাবাড়ীতে গিয়াস উদ্দিন পাঠান, ইসলামপুরে এস এম জামাল আব্দুন নাছের।

নেত্রকোণা
নেত্রকোণা সদরে তফসির উদ্দিন খান, খালিয়াজুরীতে গোলাম কিবরিয়ার জব্বার, দূর্গাপুরে মোহাম্মদ এমদাদুল হক খান, মোহনগঞ্জে শহীদ ইকবাল, বারহাট্টায় গোলাম রসুল তালুকদার, কলমাকান্দায় আব্দুল খালেক, মদনে হাবিবুর রহমান, পূর্বধলায় জাহিদুল ইসলাম সুজন, কেন্দুয়ায় নুরুল ইসলাম।

হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জ সদরে মশিউর রহমান শামীম, নবীগঞ্জে আলমগীর চৌধুরী, লাখাইয়ে মুশফিউল আলম আজাদ, বাহুবলে আব্দুল হাই, মাধবপুরে আতিকুর রহমান, চুনারুঘাটে আব্দুল কাদির লস্কর, আজমিরীগঞ্জে মর্ত্তুজা হাসান, বানিয়াচংয়ে আবুল কাশেম চৌধুরী

সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জ সদরে খায়রুল হুদা, জামালগঞ্জে ইউসুফ আল আজাদ, শাল্লায় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, বিশ্বম্ভরপুরে রফিকুল ইসলাম তালুকদার, ধর্মপাশায় শামীম আহমেদ মুরাদ, ছাতকে ফজলুর রহমান, দোয়ারাবাজারে আব্দুর রহিম, দিরাইয়ে প্রদীপ রায়, তাহিরপুরে করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবলু, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আবুল কালাম।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল পৌর এলাকার চিলড্রেন ভয়েস্ স্কুলের ৪ দিন ব্যাপি বার্ষিক ক্রীড়া,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে স্কুল চত্বরে স্কুল কর্তৃপক্ষের আয়োজনে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা।
নড়াইল হোমিওপ্যাফিক মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ( অবঃ) ডাঃ সৈয়দ নাজমুস শাহাদাৎ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, নড়াইল পৌসভার প্যানেল মেয়র মোঃ রেজাউল বিশ্বাস, সাবেক ক্রীড়বিদ সৈয়দ হেদায়েত রহমান ।
স্কুলের পরিচালক নাজমুস সাকিব, অধ্যক্ষ শারমিন হক , স্কুলের শিক্ষক -শিক্ষার্থী,অভিভাবক, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ৩০ টি ইভেন্টে শতাধিক শিশু প্রতিযোগী এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্ভোধন করা হয়েছে।
শনিবার (০৯,০২,১৯) সকালে শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস (৬-১১বছর বয়সের শিশুদের নীল রঙ্গের ক্যাপসুল ও ১১-৫৯বছর বয়সদের লাল রঙ্গের ভিটামিন ক্যাপসুল) ক্যাপসুল খাওয়ান তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।
এসময় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম,তাহিরপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম,সিনিয়র ষ্টাফ নার্স দিপা রানী দাস,মিলা আড়ং,বর্ন্না মানকিন,রাবিয়া খাতুন,উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বেলায়েত হোসেন রুমি,মহি উদ্দিন বিপ্লব,মীর জাহানুর জুমন,এমটিএপিআই এ কে এম নজরুল ইসলাম,হেল্থ ইন্সপেক্টর চিত্তরঞ্জন,অফিস সহকারী আঞ্জুমন আরা কাগজী,রামচরন দাশ প্রমুখ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc