Friday 26th of April 2019 04:14:02 PM

বিপিএলের ব্যস্ত ক্রিকেট সূচির মধ্যে ৩ কার্যদিবস বাদে একাদশ সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে মাশরাফীকে তার নির্ধারিত আসনে দেখা যায়। এখন পর্যন্ত তিনি সংসদে রয়েছেন।

গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচিত হন মাশরাফী। নৌকা প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপির) চেয়ারম্যান এ জেড এম ফরিদুজ্জামান, তিনি পান ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট।চ্যানেল আই

বাঁশখালী নিবাসী বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাওলানা লিয়াকত আখতার ছিদ্দিকী লিখিত আত্মচরিত “জীবন প্রবাহ” গ্রন্থেও মোড়ক অনুষ্ঠান আজ ৬ ফেব্রুয়ারী দুপুর সাড়ে ১২টায় বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স এ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান ছিলেন বায়তুশ শরফের সম্মানিত পীর বাহরুল উলুম হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (মা:জি: আ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মাওলানা সাইয়্যেদ আবু নোমান। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মজলিসুল উলুমা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি মাওলানা কাজী জাফর আহমদ, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিন প্রমুখ।
লেখক অধ্যাপক মাওলান লিয়াকত আখতার ছিদ্দিকী আত্মজীবনী “ জীবন প্রবাহ” গ্রন্থে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়াদীকে সুচারুরূপে সহজ ভাষায় লিখেছেন। লিখেছেন দেশের খ্যাতিমান আলেম, পীর ও আউলিয়াদের জীবনীও। এছাড়াও তিনি দেশের এবং ইসলামের বেশ কিছু নিদর্শন ও ইতিহাস তুলে ধওে উক্ত বইকে সমৃদ্ধ করেছেন। তার লিখিত বইয়ের মোড়ক উম্মোচনকালে শাহ মাওলানা কুতুব উদ্দিন জীবন প্রবাহ বইয়ের প্রশংসা করেন। এবং লিখনির মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলমানদের জীবন প্রবাহ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সকলের প্রতি আহবান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সোলেমান আহমেদ মানিক,শ্রীমঙ্গল থেকেঃ শ্রীমঙ্গলে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী খানা শুমারি শুরু হয়রানী ছাড়াই অনলাইনে পাওয়া যাবে সনদ মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় শ্রীমঙ্গলে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী শুমারি ২০১৯। ‘নৃ গোষ্ঠিী খানার তথ্য জানান- সনদ সেবা সহজে পান’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়ে ৭ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় শুমারি চলবে।
বুধবার সকাল ১১টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা মিলনায়তনে শুমারির গণনাকারী প্রশিক্ষন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উপ-সচিব আশরাফুর রহমান।

এতে প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাঁওতাল নৃ গোষ্ঠীর মহেশ সাঁওতাল, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের পক্ষে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়, গণমাধ্যম কর্মীদের পক্ষে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালেহ এলাহী কুটি ও প্রমুখ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রশিক্ষনে উপজেলার খাসিয়া, মণিপুরী, ত্রিপুরা, মুন্ডা, সাঁওতাল, গারো ও উড়াং নৃ গোষ্ঠীর গোত্র প্রধান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মীসহ প্রশিক্ষনার্থীরা অংশ নেন। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহিদুল আলম ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা রাহুল ঘোষ পলাশ উপস্থিত ছিলেন।

শুমারি চলাকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় উপজেলার কেবল ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এলাকায় গিয়ে ২০ জন মাঠকর্মী ও ৪ জন সুপারভাইজার তাদের নির্দিষ্ট ফরমে ১১ টি তথ্য সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করবেন।

জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম উনার বক্তব্যে বলেন, আগে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সনদপত্র পেতে নানা প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানীর মুখে পড়তে হতো। প্রকৃত ক্ষুদ্র নৃ জাতীগোষ্ঠীর লোক হিসেবে যাচাই করাটাও একটা রিস্কি কাজ ছিল। যে কেউ ফোরজারী (প্রতারণা) করে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সার্টিফিকেট যোগার করে চাকুরী নিয়ে নিতে পারে। এক্ষেত্রে শুধু চাকরি ২য় ৩য় ৪র্থ শ্রেণীতে নয় বিসিএস ক্যাডারের কোটাতেও চলে আসতে পারে। আগে সনদ নেয়ার যে প্রসিজিউরটা ছিল এটা কিন্তু হেরাজমেনট ছিল, লেনন্থি ছিল। তাকে আগে দরখাস্ত করতে
হতো ইউনিয়ন পরিষদ বরাবরে। তারপরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পাঠাতেন গোত্র প্রধান কিম্বা স্থানীয় মেম্বারের কাছে। সেখান থেকে আসার পর চেয়ারম্যান আবার প্রত্যায়ণ করে পাঠাতেন উপজেলায়। উপজেলা থেকে যেত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। এভাবে ইউনিয়ন থেকে গোত্র প্রধান, উপজেলা এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যেতে প্রায় ১ দেড় মাস সময় লাগতো। কারণ এই সনদ জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরে সরাসরি দেয়া হয়।
তিনি বলেন, এখন এই শুমারির পর থেকে কাউকে আর সনদ নিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান, গোত্র প্রধান, উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। পুরো মৌলভীবাজার জেলার নৃ জনগোষ্ঠীর লোকজন কোনো প্রকারের হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই সনদপত্র পেতে পারবেন।

জেলা প্রশাসক তোফায়েল শুমারি চলাকালে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ জনগোষ্ঠীর তাদের পরিবার সমূহে হাতের কাছে জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম সনদপত্র রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যাতে শুমারি চলাকালে গণনাকারীরা সহজে খানা তথ্য লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই কার্যক্রমটির মাধ্যমে সকল ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর খানার আর্থ সামাজিক ও জন তাত্ত্বিক তথ্য সম্বলিত একটি সমৃদ্ধ তথ্য ভান্ডার গড়ে উঠবে।

যা ব্যবহার করে উপজেলার সকল ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী নাগরিকের সামাজিক নিরাপত্তা, সনদ সুবিধাসহ বহুবিধ সামাজিক সেবা প্রদান করা সহজতর হবে। এছাড়া এই শুমারির মাধ্যমে ক্ষুৃদ্র নৃ গোষ্ঠীর খানার মূল সংখ্যা ও তাদের আর্থ সামাজিক প্রকৃত অবস্থার চিত্র উঠে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোলে বাজারে ভুল চিকিৎসায় আবুল হোসেন (৫৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টার দিকে বেনাপোল বাজারে গনি হাজির ব্লিডিং এর নিচে ডা. আব্দুল মান্নানের চেম্বারে ওই রোগীর মৃত্যু হয়। নিহত আবুল হোসেন বেনাপোল ভবারবেড় গ্রামের মৃত্য আব্দুল মজিদের ছেলে। এঘটনায় নিহতের পরিবারের লোকজন ডাক্তার আব্দুল মান্নানের চেম্বারে তাকে মারধর করতে উদ্যত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় কৌশলে ডা. আব্দুল মান্নান চেম্বারের ভিতর পাশের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।
নিহতের মেয়ে স্মৃতি জানান, তার পিতা একজন ট্রাক ড্রাইভার। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তিনি ট্রাক চালান।  সোমবার তিনি বেনাপোল পোর্ট থেকে একটি ট্রাকের চ্যাচিজ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। ঢাকা যাওয়ার সময়ে টাঈাইলে পৌঁছালে অপর দিক থেকে একটি ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে তিনি আহত হন।  সেখান স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। দু’দিন থাকার পরে সে কিছুটা সুস্থ হয়ে যায়। এর পরে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হালিমা গতকাল মঙ্গলবার তাকে বেনাপোলে নিয়ে আসে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে হালিমা তার স্বামী আবুল হোসেনকে বেনাপোল বাজারে ডা. আব্দুল মান্নানের চেম্বারে নিয়ে যান। ডা. মান্নান রোগীকে দেখা-শোনার পরে রোগীর শরীরে একটি ইনজেশনক পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার কিছু সময়ের মধ্যে আবুল হোসেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এসময় রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেঁটে পড়লে ডা. মান্নান কৌশলে পালিয়ে যান।  তিনি জানান, তার বাড়িতে এখন শোকের মাতম চলছে। এ অপমৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার থানায় মামলা করবেন বলে জানান।
বিষয়টি নিয়ে ডা. আব্দুল মান্নানের ফোনে কয়েকবার ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। যে কারণে তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিস ইনচার্জ শেখ সালেহ মাসুদ করিম জানান, ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় এক রোগীর মৃত্যু খবর শুনেছি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করলে ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নাম পাঠিয়েছে সিলেট জেলা আ.লীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ৷ জৈন্তাপুর উপজেলাকে জামায়াত মুক্ত এবং অাল বদর, অাল সামস, রাজাকার মুক্ত করতে শিক্ষিত মেধাবী ও মাঠপর্যায় হতে রাজনীতি করে অাসা নেতাকে নৌকার মাঝি হিসাবে দেখতে চায় তৃণমূল নেতাকর্মী।
তৃণমূল নেতাকর্মীর দাবী সাবেক ছাত্রনেতা কামাল আহমদের হাতে নৌকা প্রতীক দিলে রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ উপহার দেয়া সম্ভব হবে এবং কামাল অাহমদ একমাত্র যোগ্য নৌকার কান্ডারী৷
প্রথমত: কামাল আহমদ শেখ হাসিনা তথা অা.লীগের জীবনবাজী রাখা বিশ্বস্ত সৌনিক ও সাবেক ছাত্রনেতা। এক সময় জৈন্তাপুরে বঙ্গবন্ধুর নামটি মুখে আনা দুঃসাধ্য ছিল এবং ছাত্ররাজনীতির অন্যতম সংগঠন ছাত্রলীগ করা তো দূরের কথা, জৈন্তার রাজপথে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া ছিল খুবই কঠিন৷ সেই সময় কামাল অাহমদ স্বাধীন বাংলার তেরেঙ্গা উড়িয়েছেন, রাজপথে জয় বাংলার শ্লেগানে মুখরিত রেখেছিলেন৷ দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন সেই সাথে রাজপথে লড়াকু শত শত ছাত্রনেতার সৃষ্টি করেছেন বীরের বেশে। জৈন্তার রাজপথে আজকের সুসময় প্রতিষ্ঠার কারিগর এই ছাত্রনেতা। দলের ক্রান্তিলগ্নে রাজপথে কাপিয়েছেন তিনি। দিনের পর দিন ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে ঘাম ঝরিয়েছেন কামাল অাহমদ।
দ্বিতীয়ত: ছাত্রলীগের কর্মী থেকে ছাত্রনেতা৷ ছাত্রনেতা হতে সরসরি উপজেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে নিজেকে স্থান করেনেন৷ পরবর্তীতে অা.লীগের সভাপতির মৃত্যুেত পদাধিকার বলে তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বপান৷ সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমায় রাজপথে ছিলেন এবং অাছেন। আ.লীগের দুঃসময়ে অনেকেই ছিটকে পড়েলে, কামাল আহমদ লেগেই অাছেন। দলের জন্য এবং তৃর্ণমুল নেতাকর্মীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ কামাল আহমদ তাই তিনি ধীরে ধীরে মূল সংগঠনের নেতৃত্বে আসনে অধিষ্টিত হয়েছেন। জৈন্তার মাটিতে আ.লীগের ভিত্তি শক্ত করতে কামাল আহমদের ভূমিকা সীমাহিন বিস্তৃত্ব। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে তার ভূমিকা অপরিসীম।
এ পর্যন্ত ছাত্র নেতা থেকে ইউপি চেয়ারম্যান এবং অা.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে উপজেলা আ.লীগের শীর্ষস্থানে থাকলেও তার বিরুদ্ধে কখনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি কিংবা মিডিয়াকর্মী নির্যাতন, সাধারন মানুষকে হয়রানির অভিযোগ আসেনি কোন মিডিয়াতে। তিনি উপজেলা অা.লীগের ক্লিন ইমেজের অধিকারী সুযোগ্য নেতা৷
তৃতীয়ত: বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করা ব্যক্তি কামাল আহমদ। তার ঈর্ষনীয় জনপ্রিয়তার প্রমাণ গত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রমাণ দিয়েছে এলাকার সাধারন লোকজন। বিগত উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় জননেতা কামাল আহমদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৯ হাজার ভোট পান। বিগত নির্বাচন কামাল অাহমদের জন্য বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ নির্বাচন ছিল বলে জনসাধারনে মুখে ছিল। কামাল আহমদ ২ মেয়াদে দরবস্ত ইউপি এক টানা ১৪ বৎসর সুনাম ও দক্ষতার সহিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতা৷
চতুর্থ: কামাল অাহমদ একজন সুমিষ্ট অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে তার ব্যাপক খ্যাতি বৃহত্তর জৈন্তাপুরে সুপরিচিত। চৌকস নেতৃত্বের কারণে তৃণমূলের কাছে তার ব্যাপক আবেদন ও আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। জৈন্তাপুরের সর্বস্তরের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে কামাল অাহমদের। তিনি সমাজের সকল মানুষের বিপদে আপদে সব সময় এগিয়ে যান। সাধারণ মানুষ কোন ধরনের সমস্যায় সম্মুখিন হলে সরসরি তার দ্বারস্থ হন এবং কখনো খালি হাতে ফিরতে হয়নি কাউকে। উপজেলার সর্বত্র জনসাধারণের হৃদয়ে কামাল আহমদের জন্য রয়েছে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।
পঞ্চমত: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা মতে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী মার্চ মাসে সারা বাংলাদেশে অনুষ্টিত হবে। জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ক্ষমতায় জামায়াতের সমর্থিত প্রার্থী। তাই বির্তকিত, ভূমিখেকু, পাথরখেকু, রাজাকার পরিবারের সন্তানের হাত থেকে উপজেলা পরিষদকে মুক্ত করতে কামাল অাহমদের মত নেতা এখনই প্রয়োজন৷
আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাই করা খুব কঠিন কাজ। প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্য গত ২৭ জানুয়ারি জৈন্তাপুরে অা.লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় জেলার নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে একাধিক প্রার্থী শান্তিপূর্ণ ভাবে মনোনয়ন চেয়ে তাদের নাম তালিকা ভূক্ত করেন৷ খুব কম সময় থাকায় দ্রুত কাউকে নৌকার মাঝি হিসাবে মনোনিত করা হয়নি৷ জামায়াতের শক্ত প্রার্থীকে পরাজিত করতে হলে আ.লীগের ঐক্যবদ্ধতা হওয়া একান্ত প্রয়োজন। সেই সাখে তৃর্ণমূল ভোটার ও নেতাকর্মীদের দাবী ক্লিন ইমেজদারী জননেতা কামাল আহমদ কে নৌকার মাঝি হিসাবে মনোনিত করা সময়েন একমাত্র দাবী৷ কামাল অাহমদ নির্বাচন করা ও পরিষদ চালানোর অভিজ্ঞতার সাথে সাংগঠনিক দক্ষতার বিচারে নিঃসন্দেহে তিনি অন্যসবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাই তৃণমূল ভোটার এবং নেতাকর্মীরা অাশায় রয়েছেন মুজিব অার্দশের লড়াকু সৈনিক কামাল অাহমদ কে নৌকার মাঝি হিসাবে মনোনয়ন দিবেন অাওয়ামী লীগের সভাপতি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা৷

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc