Friday 22nd of February 2019 01:10:24 PM

“আমি এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছি।আমার মাত্র ৩ টি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।আমি কিভাবে পরীক্ষা দিবো ? নিহতের মেয়ে” 
সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালিঘাট ইউনিয়ন পরিষদের ভাড়াউড়া চা বাগানের দুর্গামন্দির সংলগ্ন (বালিশিরা ভ্যালির সভাপতি বিজয় হাজরার বাড়ির সামনে) গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১০ টায় এক বাগান শ্রমিক খুন হয়েছে।
নিহত বাগান শ্রমিক হলেন ভাড়াউড়া চা বাগান নিবাসী সুধীর হাজরা (৫৫)।সে পেশায় একজন নৈশপ্রহরী।তিনি ভাড়াউড়া চা বাগানের মৃত সরজু হাজরার ছেলে।মৃত্যুকালে সে ১ ছেলে,২ মেয়ে ও স্ত্রী রেখে যায়।
নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়,গতকাল রাত ১০ টায় সঞ্জু গড় ও সুধীরের বাগবিতণ্ডার জেড়ে সঞ্জু,সুধীরের মাথায় বরগা (কাঠের টুকরা ) দিয়ে জোড়ে আঘাত করে।এতে করে সুধীর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তবে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি।তবে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানায় নিহতের স্বজনরা।
পরিবার সুত্রে আরো জানা যায়,ঘাতক সঞ্জু এখনো পলাতক।তবে সঞ্জুর সহকারী দুই ঘাতককে আটক করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য,সঞ্জু উক্ত বাগানেরই একজন বাসিন্দা।পরিবারের সদস্যরা আমাদের আরো জানায়,সঞ্জু সবসময়ই নেশা করতো।সে নেশাগ্রস্থ হয়ে সুধীরকে হত্যা করেছে।
এদিকে গতকাল রাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে।এসময় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ থানায় নিতে গেলে বাগানবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে।
এসময় তারা নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নিতে দেয়নি।তবে আজ সকালে তাদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে নিহতের লাশ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।
ময়নাতদন্ত শেষে আজ দুপুর ১২ টায় নিহতের লাশ পরিবারের হাতে হস্তান্তর করে।দুপুর ১-৩০ টায় নিহতের লাশ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য কলেজ রোডস্থ বধ্যভূমি সংলগ্ন  শ্মশান ঘাটে নেয়া হয় এবং দুপুর  আড়াইটাই নিহতের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার কাজ শেষ করা হয়।
সরেজমিন থেকে জানা গেছে নিহত সুধীরের বাড়িতে গিয়ে দেখা য়ায়,স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা শোকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে।এসময় স্বজনরা তাদেরকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য অাপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।তারপরও থামছে না তাদের কান্না।শোকে স্তব্ধ পুরো বাগান এলাকা।
অপরদিকে অপর একটি সুত্রে জানা গেছে, সুধীর হত্যাকাণ্ডের জেড়ে সঞ্জুর পরিবারকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে বাগান পঞ্চায়েত কমিটি তবে তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ঘাতক সঞ্জুর বিচার দাবী করে নিহতের স্ত্রী বিসমতি হাজরা (৩৫) আমাদের বলেন”আমার স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।আমি এর বিচার চাই।আমি সঞ্জু গড়ের ফাঁসি চাই।আমার ১ ছেলে ও ২ মেয়েকে কে দেখবে?তার সব সম্পত্তি আমার ছেলে মেয়ের নামে দেয়া হক দাবী আমার”।
নিহতের মেয়ে মিনতি হাজরা শোকে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন,”আমি বলতে পারবো না।আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।আমি তার ফাঁসি চাই।আমি জানের বদলা জান চাই।
আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।আমি এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছি।আমার মাত্র ৩ টি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।আমি কিভাবে পরীক্ষা দিবো?আমাদের সংসার কিভাবে চলবে ? আমাদের দাবী সঞ্জু গড়ের বাড়িসহ সব সম্পত্তি আমাদের পরিবারের নামে লিখে দেয়া হোক”।
উল্লেখ্য,নিহত সুধীর হাজরার মেয়ে মিনতি হাজরা শ্রীমঙ্গল উদয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
এদিকে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম আমার সিলেটকে জানান,”সুধীর হত্যাকান্ডের বিষয়ে সন্দেহমূলক একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।আমরা এখনো অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ ছাড়াই তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছি এবং অপর সন্দেহজনকসহ মুল আসামিকে দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।আপডেট

ডেস্ক নিউজঃ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে পঞ্চমবারের মতো পুলিশ পদক পেলেন কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এবার বিপিএম (সেবা) পদক লাভ করেছেন তিনি। সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে পদক পরিয়ে দেন।

প্রতি বছর পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণের অসীম সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজ, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁদের বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম)-এর মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়।

এবার বিপিএম (সেবা) পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এর আগে তিনি পরপর দুইবার বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং দুইবার প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) পদক লাভ করেন। এর মধ্যে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে টানা দুইবার তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং ২০১৩ ও ২০১৪ সালে দুইবার প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) লাভ করেন।

ফলে এবার নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সম্মান ও গৌরবের পুলিশ পদক পেলেন কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকার সূর্য সন্তান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) গত বছরের ৪ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে যোগদানের পর একাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। এছাড়া তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে মাদক, ভূমিদস্যু, হকার, ঝুট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। শহরের যানজট নিরসনে অবৈধ সিএনজি, অটোরিকশার স্ট্যান্ড উচ্ছেদসহ হকার উচ্ছেদ করেছেন। এতে নারায়ণগঞ্জবাসীর ব্যাপক সমর্থন ও প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। তাঁর কর্মদক্ষতার কারণে তিনি পর পর দুইবার ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন। এবার বিপিএম পাওয়ায় সম্মানসূচক পুলিশ পদক পাওয়ার তালিকায় পাঁচবার তিনি তাঁর নাম লেখালেন।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর অধ্যুষিত মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের গর্বিত সন্তান।কিশোরগঞ্জ নিউজ

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: চুনারুঘাটে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম (আসাফো) এর ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট ২০১৯-২০২০ দুই বছরের জন্য চুনারুঘাট উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৩ ফেব্র“য়ারী রবিবার বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম (আসাফো) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এড. মো: নূরুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মো: আবু জাহিদ এ কমিটি অনুমোদন দেন।

উক্ত কমিটিতে এড. এস.এম মাসুক মিয়াকে সভাপতি, মো: ফখরুল ইসলাম চৌধুরীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মাষ্টার মো: মাসুক মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক ফারুক মিয়াকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক শংকর শীল, শফিকুল ইসলাম মুহরী ও আব্দুর রহিমকে সাংগঠনিক সম্পাদক, মো: কামাল মিয়া মুহরীকে অর্থ সম্পাদক, এড. সাবিনা ইয়াছমিনকে আইন বিষয়ক সম্পাদক, মাস্টার জাহাঙ্গীর আলমকে দপ্তর সম্পাদক, সুরত আলীকে নাট্য সম্পাদক করে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম (আসাফো) চুনারুঘাট উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে দুই কেজি ওজনের ১৭টি স্বর্ণের বারসহ শাহাবুদ্দিন সরদার (২৫) নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় একটি মোটর সাইকেলও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুটখালির মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শাহাবুদ্দিন সরদার পুটখালি গ্রামের উত্তর পাড়ার মোবারক সরদারের ছেলে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বিপুল পরিমান স্বর্ণের একটি চালান নিয়ে একজন স্বর্ণ পাচারকারী বেনাপোল বাজার থেকে পুটখালি সীমান্তের দিকে যাচ্ছে।

এ ধরনের সংবাদের ভিত্তিতে পুটখালি বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল পুটখালির মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্ট এলাকায় অস্থান নেয়। এ সময় শাহাবুদ্দিন নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারী একটি পালসার মোটর সাইকেল চালিয়ে সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরে মোটর সাইকেলে তল্লাশি করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দুই কেজি ওজনের ১৭টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা
খুলনা-২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নর অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার স্বর্ণ উদ্ধার ও পাচারকারী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক পাচারকারী শাহাবুদ্দিনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

“জৈন্তাপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিজিটাল হাজিরা,নিজ চেম্বারে ব্যস্ত চিকিৎসক, কর্মস্থল ফাঁকা, ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা”


রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: অনিয়ম ও দূর্নিতির মাধ্যমে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চললেও কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি কোয়ার্টাসে বসেই হাতিয়ে নিচ্ছেন শ্রমজীবি শ্রমিকের ঘাম ঝরানো কষ্টের লক্ষ লক্ষ টাকা। ৫০ শষ্যার হাসপাতালে উন্নিত করা হলেও প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় অব্যবহৃত অবস্থায় আছে নতুন ভবনটি।
সরেজমিনে যানা যায়- জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘ দিন হতে নানা অনিয়ম ও দূর্নিতি কর্মকান্ড চলেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরো এরিয়া পরিনত হয়েছে আর্বজনার ভাগার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে সেই ১০-১৫ বৎসরের পুরোনে বেড। সরকারী নিয়মানুযায়ী সকাল ৮টা থেকে মেডিক্যালে রোগী দেখার কথা থাকলেও তা কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। সন্ধ্যা হতে না হতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে উঠে মাদক সেবীদের নিরাপদ আস্থানায়। নিজপাট ইউনিয়নের বাসিন্ধা চিকিৎসা নিতে আসা শাহেদ আহমদ জানান- আমার বোনকে নিয়ে আমি ও আমার মা সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি, দুপর ১২টা পযর্ন্ত কোন ডাক্তার না পেয়ে বাধ্য হয়ে বোনকে হাসাপাতলে রেখেই এই চিকিৎসককে প্রাইভেটের ফি দিয়ে সেবা নিতে হয়েছে। কামরাঙ্গীখেল এলাকার বাসিন্ধা আব্দুল্লাহ জানান- আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ঘুরে যান- আমার ছেলেটিকে সকালে হাসপাতালে ভর্তি করেছি, কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত একজন ডাক্তার পেলাম না।
জৈন্তাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মাওলানা আলী আহমদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে স্যাটাস লিখেন- জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স “৫০শয্যায় উন্নিত হলে, উন্নিত হয়নি চিকিৎসা সেবার মান ও পরিবেশের” তিনি আরও লিখেন সকাল ১১টায় ভর্তি হলেও বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোন ডাক্তার এসে রোগী দেখে নাই। নার্সদের সাথে তিনি আলাপকালে জানতে পারেন বিকালের পর ডাক্তার রোগী দেখবে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেইসবুক স্যাটাস দেন।
অনেকেই জানান ডাক্তার উজ্জ্বল কান্তি দত্ত জৈন্তাপুরে যোগদানের পর থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও নাজুক পরিস্থিতি ধারন করেছে। তিনি নিজেও রোগী দেখতে ব্যস্থ দিন কাটান চেম্বারে। এছাড়া বিভিন্ন সময় থাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাহিরে চিকিৎসা সেবা দিতে পাওয়া যায়। যেখানে অফিস প্রধান আউটডোর ও প্রাইভেট চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্থ দিন পার করছেন সেখানে অন্যান্য চিকিৎসদের পাওয়া দুরহ।
সরজমিনে গিয়ে মেডিকেলের পরিসংখ্যানবিদের সাথে কথা বলে জানা যায় মেডিকেলে বর্তমানে ৭জন ডাক্তার কর্মরত আছেন তারা সকাল ৮টা হতে ২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী দেখেন। ৭জন ডাক্তার এর মধ্যে ১জন মিটিং আরও ২জন ট্রেনিং রয়েছেন। অন্যান্যরা নিজেদের চেম্বারে রোগী দেখন। তিনি আরোও জানান মেডিকেলে বসানো হয়েছে ডিজিটাল হাজিরা, যেখানে ডাক্তাররা হাজিরা দিয়ে চলে নিজ চেম্বারে রোগী দেখার কাজে। জরুরী বিভাগের রুটিনে দেখা যায় ২৪ঘন্টা কোন না কোন ডাক্তারের ডিউটি খাতায় হাজিরা রয়েছে বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল কান্তি দত্তের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন- তিনি জরুরী মিটিং রয়েছেন কোন তথ্য জানতে আপনি সুবল চন্দ্র বর্মন কাছে ফোন দিন।
সুবল চন্দ্র বর্মন কাছে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে চিকিৎসকের সহকারী বলেন স্যার (সুবল চন্দ্র বর্মণ) চেম্বারে আছেন। চেম্বারে গিয়ে দেখা গেল সুসজ্জিত চেয়ার টেবিল পড়ে রয়েছে কিন্তু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোথাও চিকিৎসক নেই।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি:  যশোর জেলার শার্শা উপজেলার সরকারী মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নবম শ্রেনীর ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান সাগর (১৫) নির্যাতিত হয়েছে। স্কুল ড্রেস না পরার কারনে সাগরকে বেদম প্রহার করে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।
সোমবার (৪/২/২০১৯ইং) তারিখ সকালে সাগর স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক এ ঘটনা ঘটায় বলে ঐ ছাত্রের পিতা মহিনুর রহমান কান্না কন্ঠে অভিযোগ করেন। ইট ভাটার শ্রমিক গরীব পিতাঃ মহিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন অভাব-অনাটনের কারনে স্কুল ড্রেস বানানোর জন্য  সাত দিনের সময় বেধে দেওয়া হয়। দুই দিন যেতে না যেতেই শুধুমাত্র স্কুল ড্রেসের মধ্য শার্ট পরে স্কুলে যাওয়ার কারনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ক্লাস রুম থেকে ডেকে নিয়ে স্কুলের ল্যাব রুমের মধ্য অমানবিক নির্যাতন করে। এর আগে অনেক ছাত্রকে এভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নামে।
ছাত্রের পিতাঃ মহিনুর তার ছেলেকে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলের কাছে নিয়ে যায়। ছাত্রের শরীরে তিনি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ ব্যাপারে তিনি প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে ছাত্রের পিতা মাতাকে আশ্বাস্থ করেন। মোঃ মেহেদী হাসান সাগর নবম শ্রেনীর মানবিক শাখার ছাত্র। প্রধান শিক্ষক শহিদুল ছাত্র সাগরকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের কারনে তার পিতা তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এর কাছে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি বলেন আজ আমি স্কুলের কোন রুমে প্রবেশ করি নাই। এই কথা টুকু বলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তার পরেও অনেকবার ফোন দেওয়ার পরেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এধরনের শিক্ষকদের অমানবিক নির্যাতনের কারনে অন্য ছাত্র-ছাত্রীরাও স্কুল বিমুখ হয়ে পড়েছে বলে অনেক অভিভাবকরা জানিয়েছেন। নাম না বলার শর্তে কয়েকজন অভিভাবকবৃন্দ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জেল পর্যন্ত খেটেছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল (বিপিএম), রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পদক লাভ করেছেন।

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন মাঠে এই পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলা সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল, বিপিএম জঙ্গি ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তিনি এই পদক যাচ্ছেন।
শাহ জালাল ২১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০০৩ সালে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে যোগদান করে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন শাখায় পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, শাহ জালাল ২০১৫ সালের ৬ জুলাই মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। পুলিশ সপ্তাহ ২০১৮ তে তিনি প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক বিপিএম -সেবা’ পদকে ভূষিত হন।সংবাদ লেখাকালীন পর্যন্ত সময়ে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুড়ারবন্দ গ্রামের মৃত আ: মনাফের কন্যা রুজিনা আক্তার (২২), বোন শ্রীকুটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী রোকসানা আক্তার (১৪), মাতা মনোয়ারা খাতুন (৫৫), বড় বোন আউলিয়া খাতুন (২৫) কে বসতবাড়ির জায়গাকে কেন্দ্র করে সৎ ভাই নূর ইসলাম দা কুপিয়ে ০৪ জনকে গুরুতর আহত করেছে।

জানা যায় যে, সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুড়ারবন্দ গ্রামে রুজিনা আক্তারের নিজ বসতবাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। আহতদের আত্ম চিৎকারে স্থানীয় আশপাশের লোকজনরা এগিয়ে এসে আহত ০৪ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মনোয়ারা খাতুন জানান, তাদের বসতভিটার জায়গার অংশকে কেন্দ্র করে কিছুদিন পূর্বে সৎ ছেলে নূর ইসলাম গংদের সাথে মারপিটের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় মনোয়ারা খাতুন বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় ০৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ৩১ (চুনা:), মিস ৩৮১/১৮।

উক্ত মামলায় সৎ ভাই নূর ইসলাম কোর্টে হাজিরা দিলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। গত রবিবার জামিনে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে এসে সোমবার দুপুর ২টার দিকে বসতবাড়ির জায়গার অংশকে কেন্দ্র করে সৎ মা মনোয়ারা খাতুনের সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাহার মেয়ে রুজিনা আক্তার বাধা দিলে সৎ ভাই নূর ইসলাম সহ তার সহযোগি একই গ্রামের উস্তার মিয়ার পুত্র রিপন মিয়া (২০), নুর ইসলামের পুত্র ধনু মিয়া (৪০) ও আপন মিয়া (২৬) গণ উত্তেজিত হয়ে তাদের হাতে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে রুজিনা আক্তার, আউলিয়া আক্তার, মনোয়ারা খাতুন ও রোকসানা আক্তারদেরকে ক্ষত-বিক্ষত ও সারা শরীরে মারপিট করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আলী আশরাফ একদল পুলিশকে ঘটনাস্থল পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ব্যাপারে মাতা মনোয়ারা খাতুন বাদী হয়ে সৎ পুত্র নূর ইসলাম সহ ৫ জনকে আসামী করে চুনারুঘাট থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে আহত সূত্রে জানা যায়।

“শার্শার নাভারণে মাদ্রাসা ছাত্রীর বিষপানে আতœহত্যার চেষ্টা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ”

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে বিষপানে মাদ্রাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রচেষ্টার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষককে দায়ী করে ছাত্রীর বাবা শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন । অভিযোগে জানা যায়, শার্শা উপজেলার নাভারণ মহিলা আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী সুমী খাতুন (১৫)কে একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এস এম রিজাউল বকুল অনুমান ভিত্তিক বিভিন্ন কুরুচিপূর্ন কাল্পনিক কাহিনী তৈরী করে শ্রেনী কক্ষে ছাত্রীদের কাছে কটাক্ষভাবে বর্ণনা করাসহ বিভিন্নভাবে কেফিয়ৎ তলব করা, অন্যান্য মেয়েদের সামনে তার সাথে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা, অপমানজনক কথা-বার্তা বলাসহ নানারকম আচরণ করার কারণে নিজকে অপমানিতবোধ করায় সোমবার মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরে অন্যদের অজান্তে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে বিষ নিয়ে সুমী নিজে বিষপানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কিন্তু তাৎক্ষনিক সুমীর বাড়ির লোকজন জানতে পেরে নাভারণ-বুরুজবাগান সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করায় এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যায়।
উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের নাসির উদ্দিনের মেয়ে সুমি জানায়, তার প্রতিবেশী বান্ধবী নাহিদা আক্তার তাদের পারিবারীক বিষয় নিয়ে তার মাদ্রাসার শিক্ষক এস এম রেজাউল বকুলের সাথে অশালীণ মন্তব্য, কুরুচিপূর্ণ খারাপ কথাবার্তা প্রকাশ করার পরে ক্লাসে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক একই বিষয় নিয়ে উপহাসের সাথে অপমান মুলক কথা বার্তা বলায় সে বাধ্য হয়ে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। বিষপান করলে তাকে দ্রুত বাড়ির লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে চিকিৎসা দিলে সে বেঁচে যায়। এমন ধরণের ঘটনা প্রায়ই শিক্ষক এস এম রেজাউল বকুলের দ্বারা ঘটতে থাকে। এ ছাড়া ইতিপুর্বে এই বকুল স্যার আমাকে বাজারে একটি ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে বেত দিয়ে ৩৩ টি আঘাত করেছিল। তাতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত বিক্ষত হয়েছিল।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক এস এম রেজাউল বকুল জনান, আমি সুমীর সাথে কোন খারাপ আচরণ করিনি। অন্যান্য মেয়েদের তার সাথে খারাপ আচরণ করতে নিষেধ করতাম। ইতিপুর্বে সুমীকে বেদম প্রহারের কথা তিনি স্বীকার করেন।
নাভারণ মহিলা আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আলেয়া পারভীন জানান, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে লেখা-পড়ায় অমনোযোগী হলে শিক্ষক শাসন করতে পারে-এটা কোন দোষের নয়। কিন্তু তা যদি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে তাহলে কিছু বলার নেই। আমরা চাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ম থাকুক। এস এম রেজাউল বকুলকে একজন ভাল শিক্ষক হিসাবে আমরা জানি। তবে সুমীর বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক এস এম রেজাউল বকুলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তার বিষয়ে আমাকে খতিয়ে দেখতে হবে।
নাভারণ মহিলা আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি সালেহ আহম্মেদ মিন্টুর কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে আমার এক আত্মীয়কে চিকিৎসার জন্য আমি ভারতে নিয়ে গিয়েছিলাম। রোববার দেশে ফিরে বর্তমানে আমি বাংলাদেশের শরীয়তপুরে আছি। মাদ্রাসার এমন ঘটনা আমাকে এখনও কেউ জানায়নি বা পুর্বের ঘটনাও আমাকে কেউ কখনও বলেনি।
নাম প্রকাম না করার শর্তে এলাকাবাসীরা জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক এস এম রেজাউল বকুল সম্ভবত ২০০৪ সালে একই মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেনীর তাওহীদা খাতুন নামের শিক্ষার্থীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর চাপের মুখে বিয়ে করতে বাধ্য হয়।
এ প্রসঙ্গে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডলের কাছে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তার জন্য একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর সত্য ঘটনা জানা যাবে।

এম এস জিলানী আখনজী,চুনারুঘাট থেকে:  হবিগঞ্জে চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও তৃণমূল নারী উদ্যোক্তাদের তৈরী বস্ত্র ও কুঠির শিল্প পণ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১ ঘটিকায় এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মঈন উদ্দিন ইকবাল। এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: লুৎফুর রহমান মহালদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাফিয়া খাতুন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: মাসুদ রানা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাহমিদা ইয়াছমিন, চুনারুঘাট থানার ওসি কে এম আজমিরুজ্জামান, এ আরপির নির্বাহী পরিচালক আসমা উল হুসনা, চুনারুঘাট রিপোটার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হক সুজন ও চুনারুঘাট সাংবাদিক ফোরামের অর্থ সম্পাদক এম এস জিলানী আখনজী প্রমূখ।

এ মেলায় ১৬টি পণ্যের স্টল বসে। মেলাটি চলবে আগামীকাল ৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার ও ৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার পর্যন্ত।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc