Friday 26th of April 2019 04:03:31 PM

এক সময়ের ডাকসুর সাবেক ভিপি আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান ঐক্য  ফ্রন্ট থেকে অংশ গ্রহন করে জাতীয় সংসদের সদ্য নির্বাচিত সাংসদ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের ছোট ভাই সুলতান মোহাম্মদ মখছুদ আহমদ স্বপন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসে স্থানীয় সময় সাড়ে ৯টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

উল্লেখ্য, সুলতান মোহাম্মদ মখসুদ স্বপন সিলেট গর্ভনমেন্ট স্কুল থেকে এসএসসি, সিলেট এম সি কলেজ থেকে এইচএসসি, লস এঞ্জেলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন  বলে জানা যায়।

চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয় ছিলেন। সুলতান মোহাম্মদ মখছুদ দীর্ঘদিন ধরে স্বপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন।

ডেস্ক নিউজঃ কোনো নিরীহ জনগণ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে ব্যাপারে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে “পুলিশ সপ্তাহ”র উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

এ দিন সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা দেশের বিভিন্ন পরিবার থেকে এসেছেন। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে আপনাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করা আপনাদের দায়িত্ব। আপনাদের হাতে কোনো নিরীহ জনগণ যেন নির্যাতন বা হয়রানীর শিকার না হয়। বরং কেউ হয়রানি হলে আপনারা তাদের সর্বোচ্চ সহায়তা দেবেন। এটাই আপনাদের কর্তব্য।

শান্তিরক্ষা, জঙ্গি দমন ও মাদক নির্মূলে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে তা অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে বহির্বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে পুলিশ। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের জন্য রোল মডেলে। মাদক নির্মূলে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

সড়ককে নিরাপদ করতে পুলিশকে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সড়ককে নিরাপদ করতে হবে। এজন্য গণসচেতনতা গড়ে তুলতে পুলিশকে ভূমিকা রাখতে হবে। যখন তখন রাস্তা পার হওয়ার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। সেই সাথে নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হবে।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে এখন দশ লাখের উপর শরণার্থী, পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। নারী পুলিশরা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পারছে। ৯৯৯ নম্বরে কল করে ইমার্জেন্সি পুলিশি সেবার মাধ্যমে মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ডিজিটাল পদ্ধতি, অ্যাপ ব্যবহার করায় সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে। মানি লন্ডারিং, সাইবার ক্রাইম দমনে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এটা অব্যাহত রাখতে হবে।

পুলিশের জন্য তাঁর সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর ১১ হাজার ৯০০ টি পদ সৃষ্টি করেছিল। ২০০৮ সালের পর আমরা প্রায় ৯১ হাজার পুলিশের পদ সৃষ্টি করেছি ও নিয়োগ দিয়েছি। মানুষের সেবা পাওয়া সহজ হয়েছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে জটিলতা অবসান হয়েছে। এসআই-সার্জেন্টদের পদকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।

পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই, শিল্প পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তুলেছি। তাছাড়া এন্টি টেররিজম ও জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনে কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ সদস্যদের কল্যাণের জন্য তহবিল গঠন করেছিলাম। দায়িত্ব পালনের সময় মৃত্যুবরণ করেন, তাদের জন্য ৮ লাখ ও যারা আহত হয় তাদের জন্য চার লাখ টাকা দেয়া হবে। জনসংখ্যার অনুপাত ও ভৌগোলিক অনুপাতে পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি করব। তার পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি, যানবাহন, প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালে পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণের অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ৩৪৯ জনকে বিশেষ পুলিশ পদক দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৪০ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ৬২ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ১০৪ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা এবং ১৪৩ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা প্রদান করা হয়।

ইন্সপেক্টর মরহুম মো. জালাল উদ্দিন পিপিএম এবং কনস্টবল মরহুম মো. শামীম মিয়া এ দুজনকে বিপিএম-মরণোত্তর পদক প্রদান করা হয়েছে। তাদের পদক পরিবারের সদস্যরা গ্রহণ করেন।

পুলিশ সপ্তাহ ২০১৯ এর মূল প্রতিপাদ্য-‘পুলিশ জনতা ঐক্য গড়ি, মাদক-জঙ্গি নির্মূল করি’।ইত্তেফাক

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ):  ঋতুরাজ বসন্ত না আসলেও আমগাছে আসতে শুরু করেছে আমের মুকুল। বর্তমানে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত রাণীনগর উপজেলা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমের গাছে গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। এ যেন ঋতুরাজ বসন্তের আগমন বার্তা।

 কৃষিবিদ ও আম চাষীরা আশা করছেন বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার আমের ভাল ফলন হবে। আমচাষী ও বাগান মালিকেরা বাগান পরিচর্যা করছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগ থেকেই গাছে পরিচর্যা করছেন তারা। গাছে গাছে বালাইনাশক স্প্রে করার দৃশ্য চোখে পড়ছে।

 উপজেলার প্রতিটি একাজুড়ে এখন সর্বত্র গাছে গাছে শুধু আমের মুকুল আর মুকুল। মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ার উপক্রম যেন প্রতিটি আমগাছ। সেই সুবাদে মৌমাছিরাও আসতে শুরু করেছে মধু আহরণে। রঙিন-বন ফুলের সমারোহে প্রকৃতি যেমন সেজেছে বর্ণিল সাজে, তেমনি নতুন সাজে যেন সেজেছে আত্রাই উপজেলার আম বাগানগুলো। আমের মুকুলে ভরপুর আর ঘ্রাণে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সর্বত্র জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা। শোভা ছড়াচ্ছে নিজস্ব মহিমায়। মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে বাগানগুলো।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা, উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে আম চাষ না হলেও প্রাথমিক ভাবে এবছর ব্যক্তি উদ্যোগে উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টরের জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে আম বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। বাগানে আমরুপালি, ফজলি, খিড়সা, মোহনা, ল্যাংড়া, রাজভোগও গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও ছোট ছোট পরিত্যাক্ত এবং বাড়ীর আশেপাশের জায়গাগুলোতে অনেক গাছ রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু গাছে মুকুল আসতে শুরুও করেছে। আগামী ফাল্গুন মাসের ১ম সপ্তাহ নাগাদ মুকুলে ছেঁয়ে যাবে প্রতিটি আম গাছ। এ উপজেলার উৎপাদিত আম এলাকার চাহিদা পুরনের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়।

এব্যাপারে উপজেলার বজ্রপুর গ্রামের সফল আম চাষী মো. মেহেদি হাসান রুবেল জানান, পুরাপুরিভাবে এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি। কয়েক দিনের মধ্যেই সব গাছেই মুকুল আসবে। আমি এ আম থেকে অনেক টাকা আয় করেছি।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমচাষীরা জানান, এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি। কয়েক দিনের মধ্যেই সব গাছে মুকুল আসবে। প্রতি বছরই তারা আম গাছ থেকে অনেক টাকা আয় করে থাকেন। এছাড়াও অনেকেই আমের বাগান করেছেন তারাও প্রতিবছর আম থেকে অনেক টাকা আয় করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আম চাষীদের আম গাছে মুকুল আসার আগে এবং আমের গুটি হবার পর নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে আমসহ অন্যান্য ফল চাষে কৃষকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করা হচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমের ফলন ভাল হবে আশা করছেন তিনি।

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: আসন্ন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন কে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক প্রার্থী নৌকা প্রতীক পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদের ৪ জন প্রার্থী নাম ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রার্থীরা ঢাকায় অবস্থান করে নৌকা প্রতীক পাওয়ার জন্য তাদের বলয়ের নেতাদের মাধ্যমে আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন৷

জেলা আ’লীগের একটি সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে তৃনমূল ও জেলা নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে বাচাই করে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৩/৪ জন দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা সংগ্রহ করেন। শনিবার বিকাল ৩ টায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আ’লীগ নেতৃবৃন্দ জৈন্তাপুর উপজেলা আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ জনের নামের সিরিয়াল তৈরী করেন। এসময় চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী কামাল আহমদ, লিয়াকত আলী, মুহিবুর রহমান মেম, এড.আলতাফ হোসেন এর নাম৷ রাজনৈতিক পদ পদবী অনুসারে নামের সিরিয়াল তৈরী করে জেলা আ’লীগ নেতৃবৃন্দ ওই চার জন নেতার নাম কেন্দ্রীয় কার্যলয়ে পাঠান।
বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দরবস্ত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীগীরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমদ কে তৃণমূল নেতাকর্মীরা নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চান। তারা বলেন কামাল আহমদ আগেও একজন জনপ্রতিনিধি ছিলেন। জনগণের সাথে তার গভীর সম্পর্ক। তিনি জনগণের সুখ দুখে এগিয়ে আসেন। তাই তাকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায় তারা। অপর দিকে স্বাধীনতা বিরুদী রাজাকার, অাল বদর এবং অাল সামস এর সন্তানের হাতে স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা তুলে না দেওয়ার অাহবান জানায় জৈন্তাপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা৷

ডেস্ক নিউজঃ জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদ সিঙ্গাপুরে চিকিত্সা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরছেন। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিমানে রাত সাড়ে ১০টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার পৌঁছার কথা রয়েছে।

গত ২০ জানুয়ারি ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুরে গিয়ে সরাসরি সেখানকার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দেওয়ার পর শনিবার এরশাদ হোটেলে উঠেছেন। এরশাদের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে থাকা তার ব্যক্তিগত সচিব ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার টেলিফোনে ইত্তেফাককে জানান, এরশাদের শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় বেশ ভালো। নিজ থেকে উঠতে-বসতে পারছেন, এমনকি নিজে নিজে হাঁটাচলাও করতে পারছেন। যকৃতের সমস্যার উন্নতি হওয়ায় মোটামুটি খেতেও পারছেন। ফলে তার শারীরিক দুর্বলতা অনেকটাই কেটেছে।

উল্লেখ্য, একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে গত বুধবার থেকে। সিঙ্গাপুরে থাকায় নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি এরশাদ। আজ দেশে ফেরার পর দু’একদিনের মধ্যেই বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে তিনি সংসদে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।ইত্তেফাক

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc