Thursday 24th of January 2019 01:02:25 PM

নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট): জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার প্রতিটি মাঠ জুড়ে এখন সরিষা ফুলের হলুদ চাদরে ঢাকা পড়েছে বিস্তৃত প্রকৃতি। শীতের শিশির ভেজা সকালে কুয়াশার চাদরে ঘেরা উপজেলার বিস্তীর্ন প্রতিটি মাঠজুড়ে কেবল চোখে পড়ে সরিষার হলুদ ফুলের দিগন্ত বিস্তৃত প্রকৃতি। প্রান্তর জুড়ে উঁকি দিচ্ছে শীতের শিশির ভেজা সরিষা ফুলের দোল খাওয়া গাছগুলো। সরিষার সবুজ গাছের হলুদ ফুল শীতের সোনাঝরা রোদে ঝিকিমিকি করছে। এ এক অপরুপ সৌন্দর্য। যেন প্রকৃতি কন্যা সেজেছে “গায়ে হলুদ বরণ সাজে”। চারপাশের মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত ফসলের মাঠ।

উপজেলার প্রতিটি মাঠে এখন শুধু সরিষা ফুলের হলুদ রঙের চোখ ধাঁধানো বর্ণিল সমরাহ। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে পদার্পন এ অপরুপ প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই যেন মনোমুগ্ধকর এক মূহুর্ত। ভোরের বিন্দু বিন্দু শিশির আর সকালের মিষ্টি রোদ ছুঁয়ে যায় সেই ফুলগুলোকে।

গত ক’বছর ধরে সরিষা চাষে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ায় সরিষা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন এ উপজেলার কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে এ অ লে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এখন শুধু ভালো ফলনের আশায় উপজেলার কৃষকেরা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কৃষকের পাশাপাশি বসে নেই কৃষি কর্মকর্তারাও। এদিকে চলতি রবিশস্য মৌসুমে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ হানা না দেওয়ায় এবং সরিষা চাষের পরিবেশ অনুকূলে থাকায় সরিষার পাশাপাশি আলু, গম ও ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। গ্রামীণ জনপদের কৃষকরা এই সরিষা যথা সময়ে ঘরে তুলতে পাড়লে এবং বিক্রয় মূল্য ভাল পেলে বিগত দিনের লোকসান পুষিয়ে ইরি-বোরো ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১ হাজার ৩শত ৭৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শুরুতেই সরিষা ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের আনাগোনা দেখা দিলেও মাঠ পর্যায়ে সরিষা চাষিদেরকে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরী সহযোগিতার কারণে সরিষা ক্ষেত অনেকটা রোগ-বালাই মুক্ত হওয়ায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

যথা সময়ে সরকারী পর্যায় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মান সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সরিষার বীজ সহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হলেও মাঠ পর্যায়ে বেশ কিছু জমি চাষের উপযুগী না হওয়ায় কিছু কৃষকরা ঠিক সময়ে সরিষা বপণ করতে পাড়েনি। ফলে তারা অন্যান্য রবিশস্য চাষের দিকে ঝুকছেন। আগামী ইরি-বোরো ধান উৎপাদনের প্রস্তুতি হিসেবে প্রান্তিক চাষিরা কিছুটা বাধ্য হয়েই অন্যের জমি বর্গা নিয়ে সরিষা, আলু, গম ও ভোট্টা চাষে অতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

এব্যাপারে উপজেলার কানুপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, চলতি মৌসুমে আমি তিন বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। ফলন ভালো হলে প্রতি একর জমিতে অন্তত ১০মন হারে সরিষা উৎপাদন হবে।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম জানান, এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে সরিষার চাষ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে ও কৃষক বাড়তি মুনাফা পাবে বলেও মনেকরছি।

ফারুক মিয়া,চুনারুঘাট থেকে:  হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে আগামী ১৩ জানুয়ারি রবিবার থেকে ৩ দিনব্যাপী ৬৯৮তম পবিত্র বাৎসরিক ওরস মোবারক শুরু হচ্ছে। ওরস শেষ হবে ১৫ জানুয়ারি। মুড়ারবন্দ দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহম্মেদ (সফি) চিশ্তী বলেন, সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ) এর সাথী ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যে বহুল আলোচিত ব্যক্তিত্ব তরফ বিজয়ী সিপাহসালার (মদনী) হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রঃ) ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে সিলেট বিজয়ের পর তরফ রাজ্য বিজয় করেন। ১৩০৪ খ্রিস্টাব্দে মুড়ারবন্দ নামক স্থানে তরফ রাজ্যের শাসনকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হয়ে বসতি স্থাপন করেন।

তিনি মৃত্যুর পূর্বে বলেছিলেন তার দেহ মোবারক পূর্ব-পশ্চিমে দাফন করার জন্য, কিন্তু তার সঙ্গী সাথীরা এ আদেশ কেহই মানল না। শরিয়তের বিধানমতে মাজার উত্তর-দক্ষিণে দাফন করেন ভক্তবৃন্দ। দাফন করে সবাই ৪০ কদম দূরে যাওয়ার পর অলৌকিকভাবে মাজার পূর্ব-পশ্চিমে ঘুরে যায়। তার মাজার এখনো পূর্ব-পশ্চিমেই রয়েছে।

ইতিমধ্যে পবিত্র ওরসকে সামনে রেখে শতাধিক দোকানপাট বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বসতে শুরু করেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দেশের বিভিন্ন স্থান হতে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে মুড়ারবন্দ সিপাহসালার (মদনী) হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রঃ), হযরত সৈয়দ শাহ ইসরাইল ওরফে শাহ বন্দেগী (রঃ), হযরত সৈয়দ শাহ ইলিয়াছ ওরফে কুতুবুল আউলিয়া (রঃ) এর ওরসে যোগ দেবেন। ওরসে অংশগ্রহণের জন্য আশেকান ভক্তবৃন্দের প্রতি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহম্মেদ (সফি) চিশ্তী, কুতুবের দরগাহ খাদেম সৈয়দ মুরাদ আহাম্মদ চিশতী।

বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বিষয় ও উন্নয়নের সমন্বয় মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় শার্শা উপজেলা প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন যশোর-১ শার্শা আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দীন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা পুলক কুমার মন্ডল, শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) এম মশিউর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস প্রমূখ।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে হওয়ায় শার্শা উপজেলার সকল কর্মকর্তা, ভোটার ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন আগামী পাঁচ বছর এই আসনে নজির বিহীন উন্নয়ন করার চেষ্টা করা হবে। এই কাজের জন্য তিনি প্রশাসনের সকল কর্মকতাদের সহযোগীতা চান।
তিনি আরো বলেন, মনে রাখবেন একটি শব্দ মানুষের জীবনকে বদলে দিতে পারে, সেটি হলো শিক্ষা, শান্তি, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন। এজন্য সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার মাধ্যমে আপনাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে। প্রধান অতিথি শার্শা উপজেলার সকল সরকারী দপ্তরকে ১০০ দিনের উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা করার পরামর্শ দেন।

আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ রোজ বৃহস্পতিবার সিলেটের অন্যতম সুন্নি মার্কাজ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার “সিরাজনগর দরবার শরীফের ৪৪ তম উরসে আউলিয়া ও আন্তর্জাতিক সুন্নি মহা-সম্মেলন” সফল করার লক্ষে আজ ১০ জানুয়ারি সকাল ১১ ঘটিকায় দরবারের পীরছাহেব আল্লামা ছাহেব কিবলা সিরাজনগরী মা:জি:আ:এর সভাপতিত্বে সিরাজনগর দরবারের বড় ছাহেবজাদা সিরাজনগর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি শেখ শিব্বির আহমদ এর পরিচালনায় সিরাজনগর দরবার শরীফে  আসন্ন মাহফিল বিষয়ক পরামর্শ সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। 

৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি মুরব্বি, যুবকসহ উপস্থিত ছিলেন উপজেলার ৫নং কালাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতলিব, ওয়াহিদ মিয়া ডা: মুজিবুর রহমান,মাওলানা শেখ সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা শেখ জুবায়ের আহমদ রহমতাবাদী, মাওলানা শেখ দেওয়ান আহমদ, বদরুল আলম, আব্দুর রহমান,আনিসুল ইসলাম আশরাফি,আব্দুল মজিদ,আব্দুল মুকিত মেম্বার, কাজল মিয়া, আবু সুফিয়ান,আব্দুল মুবিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য মুরুব্বীগন। 

সভায় মুফতি শেখ শিব্বির আহমদ বলেন ২৪ জানুয়ারি সম্মেলন উপলক্ষে দেশ বিদেশের আলেম, ওলামা,মেহমান, দরবারের ভক্ত মুরিদানসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে থাকে, এলাকাবাসীসহ দরবারের খলিফা ও ভক্তগন সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি, প্রসঙ্গ ক্রমে আল্লামা সিরাজনগরী পীর সাহেব বলেন সিরাজনগর মাদ্রাসা, মসজিদ, এতিমখানা, হিফজখানা,হোস্টেল, পুকুর, পাকাঘাট, মসজিদ মার্কেট, রাস্তাঘাট, গাউছিয়া দারুল কেরাত, ছাত্রাবাসের জন্য আমার নিজস্ব ভুমি থেকে ৫০০ শতক (৫একর) জমি ওয়াকফ করে দিলাম, আল্লাহ যেন কবুল করেন-আমিন।

জানা গেছে,পরবর্তীতে আরও দুইটি মিটিং হবে।প্রত্যেক জেলা ঊপজেলাসহ দরবারের তরিকত সংগঠন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে ছালেকিনসহ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয় আজকের এই আলোচনা মাহফিলে। 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ  উপজেলায় একজন সাদা মনের মানুষ রয়েছেন তার কর্মের অনেক গুন। যে গুনের কারনে তিনি পছন্দের সর্বজন গ্রহনযোগ্য নিজ গুনে সমুজ্জল।আ’লীগের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনসাধারনে মাঝে তিনি।
কমলগঞ্জ উপজেলার নিবেদিত  আওয়ামীলীগ পরিবারের  সন্তান  সাবেক  ছাত্রলীগ নেতা সাংবাদিক শাব্বির এলাহি। এবার তিনি কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে  আগ্রহী, তৃনমূল আ’লীগ নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনসাধারনের দাবীর প্রেক্ষিতে। তিনি একজন লেখক ও সাহিত্যিক, বিভিন্ন প্রকাশনায় তাহার লেখা প্রকাশিত হয়েছে।  উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী , কমলগঞ্জ  শাখার সম্পাদক,  কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, সমকাল  সুহৃদ  সমাবেশ  ও নকশি কাঁথার সভাপতি শাব্বীর এলাহী বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সক্রিয় সম্পৃক্ত থেকে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে রয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে তার  মা বাবা দুজনেই প্রানের ঝুকি নিয়ে দেশের জন্য কাজ করেছেন। বিগত কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি থেমে থাকেনি।
শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে এ আসনে বিজয়ী করতে ছুটে বেরিয়েছেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। এই অঞ্চলে নৌকার বিজয়ে তার ভূমিকা অবিস্মরনীয়। সাংবাদিক শাব্বির এলাহী সকলের আস্তাভাজন তাই ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন নির্বাচনী প্রতিটি প্রচার প্রচারনায়ও। সাধারণ মানুষের সমর্থনে নিয়ে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে জনমত জরিপে অনেক অনেক এগিয়ে আছেন তিনি বলে মনে করছেন এ অঞ্চলের অনেকেই।
উপজেলাবাসীর প্রিয় মুখ,জনপ্রিয় জননেতা সাংবাদিক শাব্বির এলাহীকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যদি দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে তৃনমূলে কারো মনে কোন দ্বিধা দন্ধ থাকবে না এবং নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত হবে বলে সর্বমহলে আলোচিত হচ্ছে।কারন জনপ্রিয় আওয়ামীলীগ নেতা।
শাব্বির এলাহি সম্পর্কে তার অতিথ  কর্মকান্ড গুলো সবার জানা। শাব্বির এলাহি, কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের একজন শিক্ষা দরদী, মানবতা সেবী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। সাংবাদিক শাব্বির এলাহীর বাবাও ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আদমপুর ইউনিয়নের পরপর তিনবারের সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কাজ সম্পাদন শেষে উচ্ছিত বেশ কিছু টাকা উক্ত ইউনিয়ন তহবিলে জমা রেখে যান। যাহা  বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন চেয়ারম্যান হিসেবে বিরল প্রতিভা।
সৎ রাজনীতিবিদ, যোগ্য শাব্বির এলাহি তার বাবার দেখানো পথেই, তিনি হাঁটছেন নির্লোভ, সদালাপী সহজ সরল খ্যাত শাব্বির এলাহি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পেশায় জড়িত রয়েছেন।দীর্ঘ দিন ধরে  কমলগঞ্জের সকল মহলেই তিনি পরিচিত আওয়ামী লীগের ঘরানার মানুষও তিনি।এই শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সংসদীয় ৪ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক এমপি মরহুম এম. ইলিয়াস আলীর নিকট আত্মীয় ভাগিনা ও এই শাব্বির এলাহি।
“শাব্বির এলাহি  এমন একজন সাংবাদিক যিনি আমার সিলেট পত্রিকার জন্মলগ্ন থেকে প্রায় ৭ বৎসর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন বিনা পারিশ্রামিকে,দীর্ঘ ৭বছরে কোনো বানোয়াট বা অপসংবাদের লেশ মাত্রও নজরে পড়েনি তার প্রেরিত সংবাদ থেকে তা ছাড়া অনৈতিক কোন ফোন ও তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি যে কারনে এনিমেটরস বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক তাকে পুরস্কৃতও করেছে” আলোচনা প্রসঙ্গে এমন কথাই বলছিলেন আমার সিলেট সম্পাদক আনিছুল ইসলাম আশরাফী।
অনেকেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন শাব্বির এলাহীর মতো নির্লোভ মানুষ  যে কোনো পদে আসলে সমাজ আরো উন্নত ও এগিয়ে যাবে। এই প্রত্যাশা কমলগঞ্জ উপজেলা বাসি অনেকে সাধারন নাগরিকের।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র “ইউনিক কম্পিউটার ট্রেনিং এন্ড আইটি” সেন্টার এর প্রশিক্ষণার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা, সনদপত্র ও কম্পিউটার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সংস্থার ভানুগাছ বাজারস্থ কার্যালয় হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে সংস্থার চেয়ারম্যান সুমন দেববর্মা’র সভাপতিত্বে আলোচনাসভা ও প্রতিষ্ঠানের জুলাই-ডিসেম্বর ও অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮ সেশনের প্রশিক্ষণার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা, সনদপত্র ও কম্পিউটার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিসদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান।

ইউনাইটেড পরিবারের উপদেষ্ঠা সাংবাদিক অনুজ কান্তি দাশের স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার লিলি, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মো: হেলাল উদ্দিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন নাহার পারভীন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মৌসুমী পাল চৌধুরী, বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক রামভজন কৈরী, কমলগঞ্জ মডেল সরকরি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনেন্দ্র কুমার দেব, কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: হুমায়ুন কবির, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, বাংলাদেশ মণিপুরী ভাষা গবেষণা ইস্টিটিউট এর সাধারন সম্পাদক এল শ্যামল সিংহ, কারিতাস সিলেট অ লের প্রতিনিধি চয়ন চক্রবর্তী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক বিশ্বরাজ ধর পাপ্পু। এসময় কারিতাস বাংলাদেশ এর অর্থায়নে ১২জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে একটি করে কম্পিউটার বিতরণ ও “ইউনিক কম্পিউটার ট্রেনিং এন্ড আইটি” সেন্টার এর জুলাই-ডিসেম্বর ও অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮ সেশনের প্রশিক্ষণার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এম ওসমান, বেনাপোল : বেনাপোল কাস্টমস হাউস থেকে দেওয়া সিএন্ডএফ কার্ড নকল করে ভারতে প্রবেশের সময় দিদারুল (২৩)নামে এক পাচারকারীসহ ৪ জন কে আটক করেছে ৪৯ ব্যাটালিয়নের বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১০জানুয়ারি) দুপুর ১২ টার সময় নোম্যান্সল্যান্ড এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করেন। আটক পাচারকারী বেনাপোল থানার শাখারীপোতা গ্রামের সাইদুলের ছেলে।
বিজিবি আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আব্দুল ওয়াহাব  জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে সিএন্ডএফ কর্মচারীদের দেওয়া কার্ড নকল করে দিদারুল নামে এক পাচারকারী ৩জন লোক ভারতে পাচার করবে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে নকল কার্ড গলায় ঝুলানো অবস্থায় তাদেরকে আটক করা হয়। আটক পাচারকারী দিদারুল বিজিবি কাছে বলেন বিললাল নামে তার মাহাজোন ৩জনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে নকল কার্ড তৈরী করে তাদেরকে ভারতে পাচারের জন্য আমার হাতে তুলে দেয়। নোম্যান্সল্যান্ড এলাকা বিললাল থাকবে বলে জানাই। বিজিবির হাতে আটকের পর বিললাল পালিয়ে যায় বলে সে জানান । আটক জসিম, নাসির ও সেনু মিয়ার বাড়ি কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার মুগারচর এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা সোপর্দ করেছে।

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ ১০ জানুয়ারি,হাজার বছরেরর শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতার মহানায়ক,অবিসংবাদিত মহান নেতা,আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবতন দিবসবাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতা অর্জনের জন্য এই নেতাকে জীবনের বেশীটা সময় কাটাতে হয়েছিলো পাকিস্তানের কারাগারেদেশ স্বাধীন হবার পর ইতিহাসের এই অবিসংবাদিত নেতাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্থান সরকার১৯৭২ সালের এই দিনে দুপুর টা ৪১মিনিটে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে নিজ জন্মভূমি,স্বাধীন বাংলার মাটিতে পা রাখেন তিনি
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবতন দিবস উপলক্ষে কর্মসূচী পালন করেছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগ।বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলার হবিগঞ্জ রোডস্থ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় এ কর্মসূচীতারপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলের মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দরা

এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আছকির মিয়া,সাধারণ সম্পাদক এম মান্নানসহ উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগের নেতৃবৃন্দ প্রিন্ট ইলেকট্রিক মিডিয়ার স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ

“আজ ১০ জানুয়ারি,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস” 

বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ১০ জানুয়ারি এক অনন্য দিন। স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয় অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ঐতিহাসিক এই দিনে তত্কালীন পশ্চিম পাকিস্তানে দীর্ঘ বন্দিদশা শেষে সদ্য স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসেন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।দিবসটি পালনে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বঙ্গবন্ধুর এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘটনা বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ। স্বয়ং জাতির পিতা তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন “অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা”। তাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

৭ মার্চের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দিয়েছিলেন-‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্বপরিকল্পিত বাঙালি নিধনযজ্ঞের নীলনকশা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ বাস্তবায়ন শুরু করে। লাখ লাখ নিরীহ বাঙালি জনগণের ওপর আক্রমণ ও গণহত্যা চালায় তারা। এ প্রেক্ষাপটে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ লড়াই শুরু করার ডাক দেন।

স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসা থেকে গ্রেফতার করে তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালী কারাগারে আটকে রাখে। এ কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে কাটে বঙ্গবন্ধুর নয় মাস ১৪ দিনের কঠিন কারাজীবন। কারাগারে বন্দি করা হলেও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই চলে মুক্তিযুদ্ধ। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি বিজয়ের লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার বাধ্য হয়ে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দেয়।

৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। সেদিন বাংলাদেশে ছিল এক উত্সবের আমেজ। পুরো দেশের মানুষই যেন জড়ো হয়েছিল তেজগাঁওস্থ ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায়। বঙ্গবন্ধু বিজয়ের বেশে নামেন বিমান থেকে। পা রাখেন লাখো শহীদের রক্তস্নাত স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে। গোটা জাতি সেদিন হর্ষধ্বনি দিয়ে তেজোদীপ্ত ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে তাদের প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানায়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc