Sunday 16th of June 2019 02:59:18 PM

নজরুল ইসলাম তোফা: বই হলো, জ্ঞান অর্জন ১ম মাধ্যম। বই উৎসবটিই হচ্ছে ‘আলোর উৎসব’। নতুন বছরের শুরুতে বাংলাদেশের মানুষ বিজয়ের নতুন সূর্য দেখেছে। কোমলমতী শিশু, কিশোররা অন্তহীন আনন্দের মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জনের এমন এ উৎসব আগামী দিনের স্বপ্ন দেখতে প্রস্তুত হচ্ছে। সুনগারিক গড়ে তুলতে শিশু কিশোরসহ এই দেশের জনগণের হাতে বই তুলে দেওয়া প্রয়োজন। আসলেই বইয়ের মাধ্যমে নানা ভাবনার সংমিশ্রনে ব্যক্তিগত ধারনা ও বিশ্বাস দৃঢ় হয়। যে সকল নাগরিক নিজস্ব সু-চিন্তিত মতবাদের ওপর আস্থাবান তারাই গণতন্ত্রের সম্পদ। আর এমন রকম নাগরিক পেতে হলেই দেশের শিশু থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী, পেশার মানুষের হাতে বই তুলে দেয়ার বিকল্প নেই।

সারাবিশ্বের মনীষীদের বইয়ের নেশার প্রতি দৃষ্টি দিয়ে মানব জীবনকে এক দৃষ্টান্ত মূলক উক্তি দিয়েছিলেন টলস্টয়। সেটি ঠিক এমন, ”জীবনে মাত্র তিনটি জিনিসের প্রয়োজন বই, বই, এবং বই।” জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যমই হচ্ছে বই। তাই মানব জীবনযাত্রাকে সফলতার আলোকে আলোকিত করবার প্রধান উপায় হচ্ছে বই। সুতরাং ভালো বই পড়েই জ্ঞান অর্জন করে যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়েই সমাজ বা রাষ্ট্রের অনেক পরিবর্তনের চিন্তা করা বাঞ্ছনীয়।

বাংলা সাহিত্যে ‘বই পড়া’ আর ‘বই কেনা’ নিয়ে দুটি বিখ্যাত প্রবন্ধ আছে। শিক্ষিত লোকদের এই প্রবন্ধ দুটির সঙ্গে অল্পবিস্তর পরিচয় আছে। প্রথম ভারিক্কি প্রবন্ধটি প্রথম চৌধুরীর। আবার দ্বিতীয়টি রূপ-রস-গন্ধে ভরা রম্যলেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর। প্রথম চৌধুরীর বই না পড়ার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছে। তারপর তিনি এও দেখিয়েছে অর্থকরী নয় এমন সব কিছুই এই দেশে অনর্থক বলে বিবেচনায় নিয়েছিল। ঠিক তখন থেকে লোকজনের বই পড়ার প্রতি অনেক অনীহা। “প্রথম চৌধুরী” ব্রিটিশ আমলে বলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ জ্ঞান পূর্ণাঙ্গ নয়। পক্ষান্তরে যদি দেখি একবার বিদ্যাসাগরের বই চুরি গেল, দুষ্প্রাপ্য- “সংস্কৃত বই”। যিনি নিয়েছিল- তিনি ফেরত দেননি এবং সে কথা আর স্বীকারও করেনি বিদ্যাসাগর পড়েছিল মুসকিলে। বন্ধু জনকেই কিছু বলতে পারেনি। তাঁর বন্ধু সেই বই বইওয়ালার কাছে বিক্রি করেছে। তাই বই বা পুস্তক নিয়েও ভালো মন্দ অনেক কথাই রয়েছে। কিন্তু আবার যদি ‘বই’ পড়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করি তা হলে, ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ ও ‘মনোমোহন তর্কালঙ্কার’ কথা চলে আসে। যৌথভবে তাঁরা একটি বইয়ের দোকান দিয়েছিল। সেখানে বই বিক্রি করে লাভ করতে না পারলেও তাঁরা সবাইকে বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলেছি। সুতরাং, বলতে হয় যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহু অভিজ্ঞতার আলোকেই সকল জনগণকে বই প্রেমী করে তুলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সারা দেশের “কোমলমতি শিক্ষার্থীরা”- ২০১৯ সালে অর্থাৎ বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই হাতে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নতুন বইয়ের মৌ মৌ গন্ধে শিশুরা আনন্দিত, মাতোয়ারা। আবার শিক্ষা মন্ত্রীও বলেছে, দেশ ও পৃথিবীকেই ‘বই কিংবা সংবাদপত্র’ আমদের ঘরের মধ্যেই এনে দিয়েছে। ‘বই বা পত্রিকার’ প্রচার না ঘটলে জাতীয়তা বোধ ও আন্তর্জাতিক ভাবনায় কোন ধরনের বিকাশ ঘটত কিনা সন্দেহ। জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সরকার গ্রন্থ প্রকাশনা সহক করবার জন্য একটি জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রণয়ন করেছে। তাই, জ্ঞান অন্বেষনে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। সুতরাং, সারা বিশ্বের বরেণ্য মনীষীর জীবন ইতিহাস ঘাঁটলে অনেক কথার সত্যতা চোখে পড়বে। বইয়ের পাতায় পাতায় ডুবে দিয়ে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ইবনে সিনা, আল রাযী, ইবনে রুশদ, যুবরাজ ফাতিক, মাদাম মেরি কুরিসহ বাংলাদেশের কবি আল মাহমুদ এবং ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মতো বহুসংখ্যক জ্ঞান পিপাসুরাই ‘বই পাঠে’ ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সবার জ্ঞাতার্থের আলোকে মহৎ জীবনের আলোকে আজও তেমনি ভাবেই বই পড়ুয়া অসংখ্য ব্যক্তির সৃৃষ্টি হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে। 

নতুন প্রজন্মকেই আগামী দিনের “উন্নত বাংলাদেশ” গড়ায় বড় ভূমিকা পালন করবে এই ‘বই’। আধুনিক এবং উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত একটি জাতি গঠনে এই সরকার “বই বিতরণের উদ্যোগ” বাস্তবায়ন করেছে। এক সময় “পুস্তক অথবা শিক্ষা” সরঞ্জামের অভাবে কোমলমতী শিশুরা যেন স্কুলে যেত না প্রতি বছরেই অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ত। এখন সেই ঝরে পড়ার হার নেই বললেই চলে। টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বছরের ১ম দিনেই গত দশ বছরের মত ছাত্র/ছাত্রীরা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির পাশাপাশি নতুন নতুন স্কুলের ভবন পাচ্ছে ও হচ্ছে। বই নিয়েই যে হবে এমন নয়, পরিবেশের সহিত তাদের আর্থিক সচ্ছলতার প্রয়োজন আছে। তাই শিক্ষার উন্নয়নসহ দেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকাই বাঞ্ছনীয়।

আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার সেই ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর যেন বছরের ১ম দিনে বিনা মূল্যে বই বিতরণের উৎসব করে আসছে। ‘বই বা পুস্তক’ লেখা আর পাঠকের হাতে তা পৌঁছানোর জোর তাগিদও দিয়েছে।গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই বছর চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে- ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই। আর ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৯৬ কোটি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১৭২টি বই বিতরণ করা হয়েছে। আবার কিছু কিছু বিতর্কিত কথাও উঠে এসেছে তাহলো, বই ছাপানো নিয়ে বিতর্ক। এ বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রী নিজেও স্বীকার করেছে। তিনি বলেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটাকে অসম্ভব মনে করলেও এমন দেশে তা সম্ভব হয়েছে। বছরের প্রথম দিনেই “বই” তুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এখন আর বই সংগ্রহ করতে বছরের অর্ধেক সময়ে চলে যায় না। প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনা’ বলেন, বিগত দিনের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেই নতুন এই সরকার এই খাতকে আরও অগ্রাধিকার ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে। আগামী বছরগুলোতেও উৎসব মুখর ভাবেই ‘জাতীয় বই বিতরণের ধারাবাহিকতা’ বজায় রাখবে। “বই” উৎসবে শিক্ষার্থীদের কাছে এবার মূল প্রতিপাদ্য হলো- ‌বই পড়া, বই ছাপানো এবং বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করাসহ ইত্যাদি বিষয়েও সকল শিক্ষার্থী এবং জনগণকে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। যথা যোগ্য মর্যাদার সাথেই যেন-এই “বই বিতরণ উৎসব” পালিত হোক। “বই হোক নিত্যা সঙ্গী”।লেখক: নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১’এর শোক প্রকাশ।
জেসমিন মনসুর: জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের সভাপতি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ওয়েলস আওয়ামীলীগ লিডার মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর ও জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব লিয়াকত আলী  সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র.একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পরম আস্থাভাজন সিপাহসালা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক  সাধারন সম্পাদক, বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য, বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকার্ত পরিবারবর্গ এর প্রতি সমবেদনা সহ  মহাণ আল্লাহু যেনো উনাকে জান্নাতবাসী করেন এই দোয়া করার জন্য সবার প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।
শোক বাণীতে জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের সভাপতি ওয়েলস আওয়ামীলীগ লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর বাংলাদেশর রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করে বলেন সমকালীন রাজনীতিতে সততা,দূরদর্শিতা, সহনশীলতা ও বিচক্ষণতা দিয়ে যিনি একজন আদর্শ রাজনীতিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। দেশ ও জাতি একজন সত্যিকারের দেশ প্রেমিক  সৎ ও নিষ্টাবান প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন এক আপনজনকে হারালো বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ীঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাটিটিলা সড়কের নয়াবাজারে পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি শেষ পর্যন্ত ভেঙ্গে গেছে।
গত কালশুক্রবার রাতে ১০ চাকা বিশিষ্ট বালি বোজাই একটি ট্রাক এই ব্রীজটির উপরে আসলে সাথে সাথে ব্রীজটি ভেঙ্গে পরে।
ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে রাত থেকে জুড়ী শহরের সাথে লাটিটিলা, জামকান্দি,গোয়ালবাড়ী, নয়া বাজার এলাকার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
উল্লেখ্য এই ব্রীজটি ২০১৮ সালের মার্চ মাসে অতি বৃষ্টির কারনে ভেঙ্গে গেলে পরে মেরামত করা হয়। গত ৯ মাসের মাথায় আবারো এই ব্রীজটি ভেঙ্গে গেলো।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন বৃহস্পতিবার।আগামী সোমবার যাত্রা শুরু করবে নতুন সরকার। এর মধ্যেই সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যদের যোগদান নিশ্চিত করতে চায় দলের নিয়ন্ত্রণ কারীরা।বিভিন্ন সুত্রের ভিত্তিতে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সাবেক সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী এমপির সহধর্মিনি সায়রা মহসিনের মনোনয়নের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে, ৭ জানুয়ারি (সোমবার) মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথের ১৫ দিন পর অর্থাৎ ২২ জানুয়ারী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে। সে হিসেবে সব প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৯ এপ্রিল। ২০ মার্চ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের এমপিদের গেজেট প্রকাশ করা হয়। ২৩ মার্চ সকালে শপথ নিয়ে বিকালে তারা যোগ দেন অধিবেশনে।

আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা জানান, দশম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক ছাত্রনেত্রী, শিক্ষক, উদ্যোক্তা, অভিনেত্রী, শিল্পী, ব্যবসায়ী, দলের জন্য নিবেদিত অন্যান্য কর্মী বিশেষ করে মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ নেত্রীদের মধ্য থেকে নাম সংগ্রহ করছে আওয়ামী লীগ।

তারা বলেন, দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরই মধ্যে বেশ কিছু নাম তার খসড়া তালিকায় টুকে রেখেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তফসিল ঘোষণার পরপরই পূর্ণ তালিকা ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ।

আ’লীগের নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা যায়, দশম সংসদে সংরক্ষিত আসনে থাকা ৪২ এমপির অধিকাংশই এবার বাদ পড়ছেন। জেলা কোটা সমন্বয় করতে গিয়ে তারা বাদ পড়বেন। এ কারণে বিগত ৫ বছরে দক্ষতা দেখালেও থাকতে পারছেন না অনেকে।

তবে সংসদকে মাতিয়ে রাখতে পারেন, বক্তৃতায় পটু, টক-শোতে জোরালো অবস্থান রয়েছে- এমন কয়েকজন বর্তমান নারী এমপি পুনরায় থাকতে পারে। এদের মধ্যে তথ্যপ্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, মাহজাবিন খালেদ, সাবিনা আক্তার তুহিন, সানজিদা খানম, নিলুফার জাফর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট নাভানা আক্তার, অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পি, নূর জাহান বেগম মুক্তার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুনদের মধ্যে যারা এগিয়ে আছেন তারা হলেন- আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য উপকমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি, মৌলভীবাজারের সায়রা মহসিন, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা ক্রিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিরীন রোসানা, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার। বরিশালের জেবুন্নেছা আফরোজ, ময়মনসিংহের মনিরা সুলতানা, গোপালগঞ্জের আরিফা রহমান রুমা ও শেখ মিলি, নীলফামারীর অ্যাডভোকেট তুরিন আফরোজ, কুষ্টিয়ার সুলতানা তরুণ, চট্টগ্রামের চেমন আরা তৈয়ব অন্যতম এবং ঢাকার আসমা জেরিন ঝুমু।

এছাড়া বিশিষ্ট নাট্যাভিনেত্রী শমী কায়সার, জ্যোতিকা জ্যোতি, রোকেয়া প্রাচী, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী ও অরুণা বিশ্বাসও রয়েছেন আলোচনায়। এর বাইরে আরও ২৫ জেলায় স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নারীনেত্রীর নাম সন্ধান করছে ক্ষমতাসীন দলটি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট আসন পেয়েছে ২৫৭টি। প্রতি ৬ আসনে একজন করে সংরক্ষিত মহিলা এমপি নির্বাচিত করার বিধান আছে। সে হিসেবে আওয়ামী লীগ পায় ৪৩টি আসন। জাতীয় পার্টি ২২ এমপির বিপরীতে আসন পায় ৪টি। মহাজোটের অন্যান্য দলের ৬টি বা তার বেশি আসন না পাওয়ায় এককভাবে কেউ সংরক্ষিত আসনে মহিলা এমপির মনোনয়ন দিতে পারবেন না।

তবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটগতভাবে হিসাব করলে জোটটির মোট আসন ২৮৮টি। সে হিসেবে তাদের সংরক্ষিত মহিলা আসন দাঁড়ায় ৪৮টি। তখন জাতীয় পার্টিকে চারটি দিয়ে একটি আসন শরিকদের দিতে পারবে ক্ষমতাসীনরা।

দশম জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত আসনের ৪২টিই আওয়ামী লীগের। এর বাইরে জাতীয় পার্টির ৬টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির একটি করে সংরক্ষিত আসনের এমপি রয়েছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন নিয়ে সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে নির্বাচন কমিশন সংসদের কোনো সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ হইতে পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন সম্পন্ন করিবে এবং এ লক্ষ্যে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখ এবং ভোট গ্রহণের স্থান ও তারিখ নির্ধারণপূর্বক নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করিবে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা যায়, সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপণ করবে না তারা। দ্রুতই তফসিল ঘোষণা করবে ইসি। ৭ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথের পর সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন নিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২২ নারী ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ১৯ জনই ক্ষমতাসীন দলটির। জাতীয় পার্টি থেকে দুজন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে একজন নির্বাচিত হয়েছেন। দশম জাতীয় সংসদে সরাসরি নারী এমপি ছিলেন ২৩ জন।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়ায় হাজেরা বেগম (৯৫) নামে এক মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের সারোল-বাগডাঙ্গা গ্রামে এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই বৃদ্ধ মহিলা খুন হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত হাজেরা সারোল-বাগডাঙ্গা গ্রামের মৃত আমীর হোসেন খানের স্ত্রী।
পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়,শনিবার ভোরে স্থানীয় লোকজন হাজেরার লাশ বাড়ির পাশের্^র পুকুরের পাড়ে ঘাসের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এনে ময়না তদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। নিহত হাজেরার দু’ছেলে লুৎফার রহমান খান ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনষ্টেবল আকরাম হোসেন খানের সঙ্গে চাচাতো ভাই আবুল কালাম আজাদ খানের জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিনধরে বিরোধ চলে আসছিল।এ বিরোধের জের ধরে মাস দু’য়েক আগে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনষ্টেবল আকরাম হোসেন খানকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাই ও তার সমর্থকেরা। কেউ কেউ মনে করছেন এ বিরোধের জের ধরে হাজেরাকে খুনের ঘটনা ঘটতে পারে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ^াস জানান,হাজেরা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। আশাকরি দ্রুত এ হত্যাকান্ডের ক্লু উদঘাটিত হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

নড়াইল প্রতিনিধি: রাজনীতির মাঠে নেমেই বিশাল ছক্কা মেরে নড়াইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন নড়াইল এক্সপ্রেসখ্যাত মাশরাফি বিন মর্তুজা। মাশরাফি এখন দেশের জন্য খেলার পাশাপাশি নড়াইলের মানুষের সেবা করার জন্য প্রস্তুত। তাকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছে নড়াইলবাসী। নড়াইল বাসী চায় তারুণ্যের প্রতীক মাশরাফিই হোক নড়াইলের প্রথম মন্ত্রী। তারই দাবীতে নড়াইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট নড়াইলের সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু, সহ-সভাপতি আসলাম খান লুলু,সাধারন সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শরফুল আলম লিটু, পৌর কাউন্সিলর মোঃ রেজাউল বিশ্বাস,নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডঃ আলমগীর সিদ্দিকী,জাতীয় মহিলা পরিষদ নড়াইলের চেয়ারম্যান সালমা রহমান কবিতা,নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাাদক নিলয় রাায় বাধন, নারীনেত্রী আঞ্জুমান আরাসহ অনেকে।

বক্তরা বলেন, নড়াইল বাসীর এখন একটাই চাওয়া, অবহেলিত নড়াইলের উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হীরার টুকরা মাশরাফিকে মন্ত্রী সভায় স্থান দিয়ে আরেকটি উদাহরণ সৃষ্টি করবেন।
মানববন্ধনে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সদস্য, আইনজীবি,রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক,ব্যাবসায়ি, খেলোয়ারসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশারর মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

“মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিতে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা করতে হবে”

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নান বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নি। জনগণের রায়েরও সঠিক প্রতিফলন হয় নি। নির্বাচন কমিশন মানুষের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা জরুরী। তিনি আরো বলেন, ভোট বাংলাদেশের বড় একটি জাতীয় উৎসবে পরিণত হওয়ার কথা থাকলেও প্রহসন আর একতরফা নির্বাচনের কারণে তা হয় নি।

ভোট পরবর্তী বিরোধী পক্ষের প্রতি হামলাসহ ধর্ষণের মত ন্যাক্কারজনক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। হাটহাজারীতে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাম্মদ নঈমুল ইসলামের নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা সভা আজ ৫ জানুয়ারি সকালে হাটহাজারী উপজেলা ভবনস্থ ত্রিবেণী কমিউনিটি সেন্টারে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক সৈয়দ জালাল উদ্দীন আজাহারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দিকীর স ালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন।

পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নান। প্রধান বক্তা ছিলেন প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আইন সচিব আ্যডভোকেট মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স উ ম আবদুস সামাদ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আত সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব আ্যডভোকেট মোছাহেব উদ্দীন বখতিয়ার, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ নঈম উল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি মাওলানা উবাইদুল মোস্তফা কদম রসূলী, মাওলানা জুন্নুরাইন আলকাদেরী, নাছির উদ্দীন মাহমুদ, মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দিকী, শফিউল আলম, মাওলানা কাযী মুহাম্মদ খালেদুর রহমান হাশেমী প্রমুখ। পর্যালোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ফ্রন্ট নেতা মুহাম্মদ সাকুর মিয়া, সৈয়দ মুহাম্মদ মনিরুর রহমান খসরু, মুহাম্মদ হারুন সওদাগর, মুহাম্মদ কামাল পাশা চৌধুরী, মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়া, মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মদ আইয়ুব আলী, মাওলানা আবদুল মালেক, মাওলানা মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন,মোহাম্মদ এসকান্দর, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ আবু তালেব, মাওলানা মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন, মাওলানা মোহাম্মদ আলী মর্তুজা, যুবনেতা মুহাম্মদ এমরানুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দীন, মুহাম্মদ এসকান্দর, মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক আনসারী, মাওলানা নুরুল আমিন হোছাইনী,মুহাম্মদ আনোয়ার, এম এ মনসুর, মুহাম্মদ অহিদুল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল হামিদ আরজু, এস এম মামুনুর রশিদ জাবের, এম ছগির আহমদ, মুহাম্মদ অছি উদ্দীন, মাওলানা মোহাম্মদ লোকমান হোসাইন, হাম্মদ নেজাম উদ্দীন, মুহাম্মদ ফয়সাল করিম চৌধুরী, মাওলানা মুহাম্মদ সালাহউদ্দীন, মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন রুবেল, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, এম সাইফুল ইসলাম নেজামী, মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দীন চৌধুরী, মুহাম্মদ মাছুমুর রশীদ, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ সাহেদুল আলম, মুহাম্মদ শফিউল আলম, মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুল কাদের মজিদ, মুহাম্মদ আলা উদ্দীন, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মুহাম্মদ ফোরকান, মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান,মুহাম্মদ শফিউল আকবর, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন, মুহাম্মদ খোরশেদুল আলম, মুহাম্মদ মহিউদ্দীন।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর এলাকার লামাবাজার নিবাসি গাউছিয়া তাহেরিয়া মফিজিয়া সুন্নী জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠিতা সভাপতি ও কমলগঞ্জ উপজেলা গাউছিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মফিজ খান (লন্ডনি সাহেব) (৮০) শুক্রবার বিকাল ৩ টায় সিলেট নুরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন-ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।

মরহুমের জানাজার নামাজ  আজ শনিবার দুপুর  আড়াইটায় শিংরাউলি ইলিভেন ষ্টার ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হইবে। মৃত্যুকালে তিনি অগণিত আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সুন্নিয়তের নিবেদিত প্রাণ মফিজ খানের মৃত্যুতে মৌলভীবাজার জেলা আহলে সুন্নাতের সভাপতি পীর আলী নুরুল্লাহ, সেক্রেটারি জেনারেল কুতুব উদ্দিন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনিছুল ইসলাম আশরাফীসহ জেলার অন্যান্য সুন্নি নেতৃবৃন্দ মরহুমের মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তার পরকালিন শান্তি কামনা করেন এবং সকলকে তার জন্য দোয়া করার আহবান করা হয়। একই সাথে পরিবারের সকলের প্রতি সবুর করার জন্য অনুরোধ করা হয় ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc