Thursday 24th of January 2019 01:10:07 PM

আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন রুই হামেরীয়া মাস্কাট শাখার উদ্যোগে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষ্যে ০২ জানুযারী বিকেলে এক আজিমুশ্শান মিলাদ মাহফিল ও সংগঠনের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠান ওমানের হামেরীয়াস্ত স্পাইসি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব জাহেদ হাসান। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা জনাব নুরুল ইসলাম সিকদার।

প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন ওমান কেন্দ্রীয় পর্ষদের মাননীয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা সাইফুদ্দীন আল কাদেরী। প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন অত্র শাখার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা নাজমুল হক ফারুকী। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম মেম্বার আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক, মাওলানা মুহাম্মদ আলী তাহেরী, জনাব আবদুল্লাহ।

মুহাম্মদ শওকত আকবরের স ালনায় বক্তব্য রাখেন সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব জনাব আব্দুল মান্নান, কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সোহেল রেজা, কেন্দ্রীয় সহ অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ মহসিন, অত্র শাখার উপদেষ্টা নাছির আহম্মেদ লিপু ও মুহাম্মদ মাহাবুল আলম। কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব হোসাইন কবির মামুন প্রধান কাউন্সিলর হিসাবে কাউন্সিল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ শওকত আকবরকে সভাপতি, মুহাম্মদ এরশাদকে সাধারণ সম্পাদক, শায়ের মিজানুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাহেদুল আলম বাবলুকে অর্থ সম্পাদক করে আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন রুই হামেরীয়া মাস্কাট শাখার ২০১৮-২০২০সালের কার্যকরী পর্ষদ গঠিত হয়।

এসময় উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ আইয়ুব, ইমরান হোসেন বিডি, সাইফুল ইসালম আদর, হাফেজ রাজু, মুহাম্মদ মহসিন, মুহাম্মদ মঞ্জু, মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন বাপ্পি, কায়ছার হামিদ, মুহাম্মদ লোকমান, মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ, মুহাম্মদ মোসাররফ প্রমূখ। পরে মিলাদ কিয়াম ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

বেনাপোল থেকে এম ওসমান: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-১ আসন থেকে তৃতীয় বারের মত বিপুল ভোটে বিজয়ী আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিনকে মন্ত্রী হিসাবে দেখার জন্য জোর দাবি করেছে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো।
নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বিভিন্ন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে মন্ত্রী করার দাবি ক্রমেই জোড়ালো হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতার পর থেকে যশোর-১ আসনটি ছিল আওয়ামীলীগের দখলে। আলহাজ¦ শেখ আফিল উদ্দিন দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ায় গত তিনটি নির্বাচনেই তিনি জয়ের ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
যদিও সরকার বেনাপোল বন্দর থেকেই প্রতিবছর ৭ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে থাকেন। দেশের সর্ববৃহৎ এই স্থল বন্দরের সাথে ভারতের প্রতি বছর ৩০ হাজার কোটি টাকা বাণিজ্য হয়ে থাকে। অথচ অদ্যাবধি এই বন্দরের দেখভাল করার মত কোন অভিভাবক নেই।
ভারতের অল ইন্ডিয়া সিএইচএ সংগঠনের সভাপতি রাজু গোস্বামী বলেন, ভারতের সাথে বাণিজ্যিক উন্নয়নে বেনাপোল থেকে একজন মন্ত্রী হলে দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে আরো গতিশীলতা আসবে। বাড়বে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।
বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারীর বৃহওর সংগঠন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বলেন, বেনাপোল দেশের একটি সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর। এই বন্দর থেকে সরকারকে আমরা প্রতি বছর ৭ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব প্রদান করে থাকি। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্দর উন্নয়নে সরকারের কাছে জোর দাবি করছি সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শেখ আফিল উদ্দিনকে মন্ত্রী করার জন্য।
শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যন সিরাজুল হক মঞ্জু বলেন, এবার জাতীয় নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আলহাজ¦ শেখ আফিল উদ্দিনকে যশোর-১ আসন থেকে আমরা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৪৪৩ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছি। নিকটতম প্রার্থী পেয়েছে ৪ হাজার ৯৮১ ভোট। আমাদের প্রাণের দাবি আলহাজ¦ শেখ আফিল উদ্দিনকে এবার মন্ত্রী করা হোক।

“রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক প্রকাশ”

 

কিশোরগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান আওয়ামীলীগ নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (৬৬) চলে গেলেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে  আজ বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কিশোরগঞ্জ-১ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। এর পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। তার পিতা বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (জন্ম : ১ জানুয়ারি ১৯৫২ – মৃত্যু : ৩ জানুয়ারি ২০১৯ ) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র, জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে  কিশোর গঞ্থেজ ১ থেকে নির্বাচিত সাংসদ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। এর পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫০ সালের ১লা জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। যখন আব্দুল জলিল গ্রেপ্তার হন, তখন সৈয়দ আশরাফুল আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর কর্ম ও রাজনৈতিক জীবনঃ

১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর  ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্য তিন জাতীয় নেতার সাথে আশরাফুলের পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম  হত্যা করা হয়েছিল। পিতার মৃত্যুর পর সৈয়দ আশরাফুল যুক্তরাজ্যে চলে যান এবং লন্ডনের হ্যামলেট টাওয়ারে বসবাস শুরু করেন। লন্ডনে বসবাস কালে তিনি বাংলা কমিউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। সেসময় তিনি লন্ডনস্থ বাংলাদেশ যুব লীগের  সদস্য ছিলেন। আশরাফুল ফেডারেশন অব বাংলাদেশী ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (এফবিওয়াইইউ) এর শিক্ষা সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিল।

১৯৯৬ সালে আশরাফুল দেশে ফিরে আসেন এবং জুন ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১  আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মন্ত্রীসভা গঠিত হলে তিনি স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের   দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের ১০ম জাতীয় সংসদ  নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করেন। এক মাস এক সপ্তাহ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী থাকার পর ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রাখা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন।

ব্যক্তিগত জীবনঃ

ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দ আশরাফুল ব্রিটিশ ভারতীয় শীলা ঠাকুরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। শীলা লন্ডনে শিক্ষকতা করতেন এবং ২৩ অক্টোবর ২০১৭ সালে তিনি মৃত্যুবরন করেছেন। তাদের একটি মেয়ে রয়েছে (রীমা ঠাকুর), যে লন্ডনের এইচএসবিসি ব্যাংকে চাকরি করেন।

অসুস্থতাঃ

২৪ অক্টোবর ২০১৭ সালে সৈয়দ আশরাফুলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি প্রায়ই অসুস্থ হন। তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। নভেম্বর ২০১৮ সালে তার ফুসফুসের ক্যান্সার ৪র্থ ধাপে আছে।সুত্রঃবাংলা উইকিপিডিয়া

সদ্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৮,মৌলভীবাজার-০৪ আসনে টানা ষষ্ঠ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. উপাধক্ষ্য মোঃ আব্দুস শহীদ।এই নিয়ে দ্বিতীয় হ্যাট্রিক সাংসদ নির্বাচিত হলেন তিনি।ড. মোঃ আব্দুস শহীদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ব্যর্থতার ইতিহাস নেই বললেই চলে।রাজনৈতিক জীবনে পুরোপুরিই সফল তিনি।ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে ছাত্রলীগ কর্মী থেকে শুরু করে একে একে সফল রাজনৈতিক জীবন পার করছেন তিনি।

আওয়ামীলীগ সংসদে বিরোধীদল হিসেবে থাকার সময় তিনি বিরোধী দলীয় চীফ হুইফ ছিলেন।এবং সফলভাবে সে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি নবম জাতীয় সংসদের চীফ হুইফ ছিলেন।তাছাড়া বর্তমানে সরকারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।আওয়ামী পরিবারের একজন বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদ হিসেবে ইতমধ্যেই সকলের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি।শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের উন্নয়নের রুপকার বলা হয়ে থাকে তাকে।প্রবীণ এই আওয়ামী নেতা দলের দূর্দীনেও পিছপা হননি।

শত বিপদেও দলের সাথেই থেকেছেন বরেণ্য এই নেতা।শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জে সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজিসহ সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের পেছনে যে মানুষটি নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন তিনি ড. মোঃ আব্দুস শহীদ।তার অনুপম নেতৃত্বে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ আজ শান্তির নীড়।
ড. মোঃ আব্দুস শহীদ  ব্যপক ব্যবধানে জয়লাভ করে ষষ্ঠ বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এক লিখিত প্রেস বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম (http://www.amarsylhet24.com)এর সম্পাদক মুহাম্মদ আনিছুল ইসলাম আশরাফী,নির্বাহী সম্পাদক ফখরুল ইসলাম চৌধুরী,সহকারী সম্পাদক মনসুর আহমেদ,সহযোগী সম্পাদক আব্দুল মজিদ,সহযোগী সম্পাদক মকবুল হাসান ইমরান,আইটি সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সোহাগ,এনিমেটরস বাংলা মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক মুহাম্মদ ধন মিয়া,আমার সিলেট নিজস্ব প্রতিনিধি বিক্রমজিত বর্ধন ও আমার সিলেট নিজস্ব প্রতিনিধি সাদিক আহমদ ইমনসহ আমার সিলেট পত্রিকার অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

এক যুক্ত প্রেসবার্তায় তার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম পত্রিকার পরিবার।বার্তায় বলেন,আমাদের প্রত্যাশা আগামিতে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে অত্র অঞ্চলের উন্নয়নে জনগনের পাশে থাকবেন আর সেই সকল উন্নয়ন মুলক কর্মে অতীতের মত আমরাও আপনার পাশে থাকবো ইন-শা-আল্লাহ।

সিলেট-১ এর সাংসদ ড. মোমেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হচ্ছেন ? না একেবারে ঠিক করে বলতে না পারলেও নতুন মন্ত্রিসভায় সিলেট থেকে স্থান পাওয়াদের নামের শীর্ষে নবনির্বাচিত এমপি ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নাম উঠে এসেছে এতে কোন সন্দেহ নেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের ছোট ভাই তিনি। মোমেনের মন্ত্রীত্ব পাওয়ার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী নিজেই ইঙ্গিত করেছেন।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় সিলেটের যে তিনজন আছেন, তাঁরা আগামী মন্ত্রীসভায়ও থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সম্প্রতি অবসরের কথা বললেও এখন তিনি আরো এক বছর দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আগ্রহী। সিলেট ৬ আসনের এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদ আবারও শিক্ষামন্ত্রী এবং এম এ মান্নান ফের অর্থ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

তবে আগামী মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন ড. মোমেন। এমনকি মুহিত মন্ত্রিসভায় না থাকলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও মোমেনের ওপর বর্তাতে পারে বলে গুঞ্জন আছে। তবে অনেকেই মনে করছেন মুহিত সরে গেলে টেকনোক্রেট কোটায় অর্থমন্ত্রী হতে পারেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন স্বাভাবিকভাবেই কূটনীতিতে তাঁর দখল রয়েছে। অন্যদিকে অর্থনীতিতেও অভিজ্ঞ বর্তমানে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন ড. মোমেন। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই ড. মোমেন স্থান পাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর বড় ভাই আবুল মাল আব্দুল মুহিতই সে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেছেন, “আমার ভাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে থাকবে।”

ড. এ কে আব্দুল মোমেন যদি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্থান করে নেন, তবে প্রয়াত জাতীয় নেতা আব্দুস সামাদ আজাদের পর তিনিই হবেন এ মন্ত্রণালয়ে স্থান পাওয়া দ্বিতীয় সিলেটী নেতা। তাছাড়া নতুন মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ার ক্ষেত্রে আলোচনার সর্বাগ্রে  রয়েছে মোমেনের নাম।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুর উপজেলার কেন্দ্রি মৌজা গ্রামের ফখরুল ইসলাম। অন্যের জমি বর্গা চাষ নিয়ে নেমে পড়েন ভূই শষা চাষে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ছাড়াই স্বপ্ন পূরণ হয় ফখরুলের। প্রতি বছর তিনি অন্যের জমি বর্গা নিয়ে পুরো বছরের অর্থ সঞ্চয় করেন৷ ৪ সন্তানকে পড়াচ্ছেন স্কুলে।
সরেজমিনে জৈন্তাপুর ইউনিয়নের কেন্দ্রি মৌজার ভূই শষা ক্ষেত্রের মাঠ ঘুরে ফখরুল ইসলামের সাথে আলাপ করে জানা যায়- কৃষি বিভাগের পরমর্শ ছাড়াই প্রায় তিন একর জায়গায় ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে গড়ে তুলেছেন ভূই শসার মাঠ। বর্তমানে প্রতিদিন হাজার ১২শত টাকার শসা বিক্রয় করেন তার ভূই শষার মাঠ হতে।
তিনি জানান- এরই মধ্যে তিনি প্রায় ১০-১২ হাজার টাকার শসা বিক্রয় করেছেন। যেভাবে ফলন এসেছে সঠিক ভাবে উত্তোলন করতে পারলে তিনি ৩ লক্ষাধিক টাকার ফলন পেতে পারেন বলে তার অাশা৷ ফখরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- সরকারি সুযোগ-সুবিধা তিনি কখনো পাননি। ৭ বছর পূর্বে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষি কার্ড করেছিলেন। কিন্তু কোন সুফল পাওয়া তো দূরের কথা, কেউই তার সাথে যোগাযোগ পর্যন্ত করেনি। কার্ডের মাধ্যমে কৃষক হয়েছি কিন্তু সুবিধা পাই না, তাই তিনি মনে করেন কার্ডটি রাখার প্রয়োজন নেই। তাই তিনি ২ বছর পূর্বে কৃষিকার্ড জমা দিয়েছেন। তিনি চলতি বছরে প্রায় ১০ বিঘা জায়গায় ইরি ধান রোপণ করছেন। তাছাড়া কেন্দ্রি মৌজার বিভিন্ন প্রান্তিক কৃষকরা ও বিভিন্ন প্রকারের সবজি এবং ইরি ধান চাষ করছেন।
ফখরুল আরও বলেন- যদি কৃষকরা হালের গরু এবং নিজের মেধা কাজে লাগিয়ে ২০-৩০ হাজার টাকা ব্যয় করে পতিত ভূমিতে খন্ড কালীন চাষাবাদ করে তাহলে ৩-৪ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে ভাল রোজগার করা সম্ভব হবে এবং অভাব-অনটন থাকবে না।
জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান বলেন- তার ইউনিয়নে ব্যাপক হারে কৃষি সবজি চাষ হয়েছে। তবে বিশেষ করে সরকারি ভাবে অনেক প্রান্তিক কৃষকরা সুবিধা পাচ্ছে না। অামি উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাই অামার ইউনিয়নে বেশির ভাগ কৃষক সুবিধা বঞ্চিত রয়েছে তাদেরকে বিনামূল্যে সার বীজ ক্রীট নাশক সরবরাহ করার৷ সরকারি সম্পদ সীমিত কিন্তু কৃষি অফিসাররা কৃষকদের মধ্যে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ পরিচর্যা রোগ-বালাই ইত্যাদি সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা দিতেন তাহলে আমার ইউনিয়ন উপজেলার মধ্যে সেরা কৃষি নির্ভর ইউনিয়ন হিসাবে গণ্য হত৷ অামার ইউনিয়নে আগত কৃষকদেরকে সব সময় কৃষি বিপ্লবের জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। এক কথায় আমার ইউনিয়ন উপজেলার মধ্যে কৃষি বিপ্লবে এগিয়ে রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী মহাজোটের ২৮৮ এবং তিন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হল একাদশ জাতীয় সংসদের।শপথ অনুষ্ঠোনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সাত জনপ্রতিনিধি শপথগ্রহণ করেননি।

সংবিধান অনুযায়ী-২৯১ জনকে শপথবাক্য পাঠ করান দশম সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

নতুন এমপিরা একসঙ্গে সমস্বরে স্পিকারের সঙ্গে শপথবাক্য পাঠ করেন। সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর আগে নিয়ামানুযায়ী স্পিকার নিজেই শপথগ্রহণ করেন।শপথের পর নবাগত এমপিরা স্পিকারের সামনে শপথ ফরমে স্বাক্ষর করেন এবং গ্রুপ ছবি তোলেন।

এ অনুষ্ঠান কেন্দ্র করে সকাল ১০টা থেকেই এমপিরা সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে শুরু করেন। দশম সংসদের সংসদ নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একে একে প্রবেশ করতে থাকেন সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের শপথকক্ষে।

এমপিরাও হাত নেড়ে সংসদে প্রবেশ করেন। সব মিলে সংসদ ভবন এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশের তৈরি হয়।

এদিকে নির্বাচনে জয়ী হলেও শপথ নেননি বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। তারা ‘ভোট কারচুপি’ ও ‘অনিয়মের’ প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে সরকারের বৈধতা দেয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তবে আজ শপথ না নিলেও তাদের সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে তাদের শপথ নিতে হবে।সংবিধান অনুযায়ী-সংসদ অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে তাদের শপথ নিতে হবে, তা না হলে তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে।

আজ শপথ নিলেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের ২৮৮ সংসদ সদস্য। এ ছাড়া স্বতন্ত্র আরও তিন জনপ্রতিনিধিও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আসন গ্রহণের পর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ শপথগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

এ আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। পরে স্পিকার নিজে শপথবাক্য পাঠ করে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

বহুল আলোচিত-সমালোচিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী দু’টি বিষয় আমাকে দুঃখে কাতর করেছে এবং শোকে পাথর করেছে। হৃদয়ে রক্তক্ষরণও হয়েছে প্রচুর। এর একটি নির্বাচন চলাকালীন সময়ে বিনা অপরাধে খোদ ভোটকেন্দ্রের চৌহদ্দীতে শাসকদলের সন্ত্রাসী কর্তৃক আলোকিত সেনানী প্রিয়ভাই আবু সাদেককে হত্যা এবং অপরটি নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শাসক দলের অন্য সন্ত্রাসী ১০/১২ জন গুণ্ডা কর্তৃক ৪ সন্তানের জননী পারুল বেগমের ধর্ষন ও অমানুষিক নির্যাতন। এ দু’টি ঘটনায় আমি এতোই স্তম্ভিত হয়েছি যে, এ কয়দিনে এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি একটি শব্দও লিখতে পারিনি। কিন্তু আমার পাঠক/পাঠিকারা উপর্যুপরি অনুরোধ করেছেন- এই দু’টি বিষয়ে লেখার জন্য। আমার কয়েকজন পাঠক পারুল বেগমের অসহ্য যন্ত্রণাকাতর ও নির্যাতনের ভিডিও এবং স্থির ছবি সম্বলিত কয়েকটি পোস্টে প্রকাশ্যে মেনশন করেও এ বিষয়ে আমাকে লিখতে অনুরোধ করেছেন। তাঁদের ধারণা, যেন আমি লিখলেই এসব বর্বর দুষ্কর্মের বিচার হবে ! কিন্তু আমি এমনটি মনে করি না।
ওপরে বর্ণিত দু’টি ঘটনাই প্রকাশ্য ফৌজদারি অপরাধ। এই প্রকাশ্য ফৌজদারি অপরাধের জন্য আবার লিখতে হবে কেন? মানববন্ধন ও আন্দোলনই বা করতে হবে কেন? আইনের শাসন থাকলে এসব প্রকাশ্য ফৌজদারি অপরাধের বিচার তো এমনিতেই হওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, এই সব জঘন্য নির্মম ফৌজদারি অপরাধের জন্যও লিখতে হয় এবং বিচারও চাইতে হয়! এর কারণ হলো, আমাদের প্রশাসন ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন’ করে না। বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ‘দুষ্টের লালন ও শিষ্টের দমন’ করতেই দেখা যায়। এই সব ঘৃণ্য অপরাধের সাথে যদি রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ কিংবা ক্ষমতাসীন দলের গুণ্ডা-পান্ডারা জড়িত থাকে, তবে অপরাধ যতোই জঘন্য ও নির্মম হোক না কেন, সেক্ষেত্রে সহজেই প্রশাসন তড়িৎ পদক্ষেপ নেয় না। জনদাবির প্রেক্ষিতে অনেক দেরিতে পদক্ষেপ নিলেও পুলিশের দায়সারা প্রতিবেদনের কারণে অপরাধীরা অনায়সেই পার পেয়ে যায়। এ রকম বহু নজির আমাদের দেশে আছে।
‘আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলে’ এবং ‘আইন সকলের জন্যই সমান’ এই দু’টি আপ্তবাক্য আইনের বইয়ে লেখা থাকলেও বাস্তবে যে এর প্রয়োগ নেই- তা আমরা সকলেই কমবেশি জানি। কিন্তু আমরা যেটা আরো বেশি জানি, সেটা হলো- ‘আইন সব সময় ক্ষমতাসীনদের স্বার্থে, ক্ষমতাসীনদের রক্ষায় এবং ক্ষমতাসীনদের সাথেই চলে, পাশে থাকে।’ এটি আইনের শাসনের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং খোদ আইন রক্ষাকারী ও প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কর্তৃক দেশের জনগণের ওপর চরম জুলুম। পরিতাপের বিষয় হলো এই জুলুমটিকে সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কখনোই জুলুম মনে করে না। আর এটাই হচ্ছে ‘সবচেয়ে বড়ো জুলুম’।
বিশ্বাস করুন- এসব ঘৃণ্য ফৌজদারি অপরাধকে ছোট করে দেখা বা অপরাধকে ‘অপরাধ’ হিসেবে গণ্য না করার চেয়ে বড়ো জুলুম আর হতে পারে না। কারণ, যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয় ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমষ্টি দ্বারা ব্যক্তি বা ব্যক্তি সমষ্টির ওপর। কিন্তু সেই অপরাধকে ছোট করে দেখলে বা অপরাধই মনে না করলে তা পুরো জনগোষ্ঠির প্রতি জুলুম হিসেবে গণ্য হয় এবং এক্ষেত্রে সুবিচারের পথ রুদ্ধ হয়। আবার কোন অপরাধের বিচার না হলে এবং রাষ্ট্র ও সরকার কর্তৃক সুবিচারের দ্বার রুদ্ধ হলে সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সরকার হয় জালিম আর সেই রাষ্ট্রের জনগণ হয় মজলুম। আবার মজলুমরা যদি মনে করে এটাই তাদের নিয়তি, যার কোন প্রতিকার নেই এবং অপরাধের বিচার পাওয়া যাবে না- তাই চুপচাপ সহ্য করে যাওয়াই শ্রেয়, সেক্ষেত্রে পুরো জনপদের অধিবাসীদেরকেই ‘জালিম’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
আমাদের দেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে খোদ রাষ্ট্র ও সরকার কর্তৃক তার জনগণের ওপর অবর্ণনীয় জুলুম হতে আমরা বারবার দেখেছি। শুধু এই ধর্ষন ও নারীর প্রতি সহিংস আচরণ এবং নির্বাচন পরবর্তী নিপীড়ন আমরা বিএনপি-জামাতের আমলে পূর্ণিমা রাণীর বেলায় যেমন দেখেছি, তেমনি দেখেছি- দিনাজপুরের ইয়াসমিনের বেলায়ও। আরো দেখেছি- কুমিল্লার তনুর বেলায়, সরকারি দলের গুণ্ডা ‘তুফান’ তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড বগুড়ার অসহায় মা-মেয়ের বেলায় এবং এখন দেখছি সুবর্ণচরের পারুল বেগমের বেলায়। অতি তুচ্ছ কারণে কিংবা অকারণে নারীর প্রতি সহিংসতা ও ‘গ্যাংগ রেপ’ কিন্তু কোনকালেই থেমে থাকেনি। এর মধ্যে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে কোন কোনটি বিচারের মুখ দেখলেও অধিকাংশই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। সেইসাথে কোন কোন ভিকটিম পরিবার উল্টো নানাভাবে হয়রানির শিকার এবং সর্বশান্ত হয়েছে। কিন্তু দু’য়েকটি বাদে প্রায় সব ক’টি অপরাধের হোতারা ক্ষমতার দাপট, অর্থের জোর, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় পার পেয়ে গেছে। বলাই বাহুল্য, আর এটিই হচ্ছে- সবচেয়ে বড়ো জুলুম।
আমার কাছে সবচাইতে মারাত্মক পীড়াদায়ক যেটা মনে হয়েছে, সেটা হলো- এসব জঘন্য, ঘৃণ্য ও নির্মম অপরাধকে দলীয় দৃষ্টিকোণে দেখাটা। এবারের নির্বাচনোত্তর পারুল বেগমের ক্ষেত্রে যা হয়েছে- তা কিন্তু কোনভাবেই পূর্ণিমা রাণীর চেয়ে কম নয়। কিন্তু অবাক করা ব্যপার হলো- আমাদের দেশের মানবাধিকার সংগঠন, নারী সংগঠন, আইন ও শালিস কেন্দ্র এবং সুশীল সমাজের মুখচেনা লোকগুলো যারা পূর্ণিমা রাণীর বেলায় সোচ্চার ছিলেন, তারা পারুল বেগমের ব্যাপারে একেবারেই নিশ্চুপ! যারা সে সময় বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে এবং মানববন্ধন করে খবরের কাগজের পাতা ভরেছেন এবং মিডিয়ায় ঝড় তুলেছেন- তারা কোন এক অজ্ঞাত কারণে লুকিয়ে আছেন! একটি সভ্য সমাজে কেন এমনটি হবে? কেন অপরাধী ও ভিকটিমের ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ধর্মবিশ্বাসকে বড়ো বা ছোট করে দেখা হবে? কবে বাংলাদেশের আইন সকলের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা হবে? কবে প্রশাসন নিজের গরজে নিজ থেকে উদ্যোগী হয়ে এ সব ঘৃণ্য ও নির্মম অপরাধীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতমুক্ত হয়ে ব্যবস্থা নেবে? কবে আমাদের সরকার ও প্রশাসন বাস্তবিক ভাবেই দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করতে শিখবে? কবে আমরা সভ্য জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখবো? আর কতোকাল বিচারের বাণী নিরবে-নিভৃতে কাঁদবে? আমি জানি না এবং বলতে পারি না, আপনারা কি জানেন এবং বলতে পারেন?
তারিখ:আবছার তৈয়বী কবি ও লেখক।০৩ জানুয়ারি, ২০১৯ খৃ. আবুধাবি, ইউ.এ.ই।

আজ ৩ জানুয়ারি ২০১৯ইং রোজ বৃহৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যগন শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করেছেন। সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের ১ম লেভেলের (নিচতলায়) শপথ কক্ষে তাদের শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে তিনি নিজেও শপথ বাক্য পাঠ করেন। 

৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ২৯৮ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নাম-ঠিকানাসহ মঙ্গলবার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলাফলের গেজেটে তারিখ রয়েছে ১ জানুয়ারি ২০১৯। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, এই গেজেট গতকাল সকালে সংসদ সচিবালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ইসির পাঠানো গেজেট হাতে পাওয়ার পর এমপিদের শপথ পড়ানোর সময় নির্ধারণ করে সংসদ সচিবালয়।

অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর আগে আবারও এমপি নির্বাচিত হওয়া স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজে নিজে একাদশ সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তিনি রংপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

স্পিকারের কার্যালয় ও সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেওয়াজ অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগের সদস্যরা প্রথমে শপথ নেন। এরপর ক্রমানুসারে অন্যদের শপথ নেয়ার কথা। শপথগ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদ সচিবের কার্যালয়ের স্বাক্ষর খাতায় সই করেন এবং একসঙ্গে তাদের ছবি তোলা হয়।

সর্বমোট ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে গত রবিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। গোলযোগের কারণে ব্রাহ্মণবড়িয়া-২ (আশুগঞ্জ-সরাইল) আসনটির ফলাফল স্থগিত থাকায় ২৯৮টি আসনের ফল ঘোষণা করে ইসি। আর ভোটগ্রহণের আগে গাইবান্ধা-৩ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী মৃত্যুবরণ করায় ওই আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এই আসনে ইসি নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে ভোটগ্রহণ করবে। 

গেজেট হওয়া ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগসহ মহাজোট পেয়েছে ২৮৮টি আসন। মহাজোটের মধ্যে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল এবং এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টি (জাপা) ও অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা রয়েছে। জাপা ২২টি ও বিকল্পধারা ২টি আসন পেয়েছে। নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। আর এবারের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে ৭টি আসন; এরমধ্যে বিএনপি দলীয় প্রার্থীরা জিতেছেন ৫টি আসনে, আর ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরামের ২ জন প্রার্থী জয়ী হন। এছাড়া ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিজয়ী হন।

ঢাকা সিলেট শ্রীমঙ্গল সড়ক ভোর রাত থেকে বন্ধ রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।স্থানিয় সুত্র ধন মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী আমার সিলেটকে জানান,ঢাকা সিলেট শ্রীমঙ্গল সড়কের লছনা এলাকার অদুরে সাতগাও চা ফ্যাক্টরির সম্মুখস্থ সড়কে নতুন ব্রিজ তৈরির কাজ চলছে ফলে ব্রিজের পাশ দিয়ে করা বাইপাস  ডাইভারশনে শ্যামলিমা কোম্পানির একটি ভারী লড়ীট্রাক ক্রেনসহ দেবে যায় যার ফলে ভোর রাত থেকে সড়কটিতে দূর পাল্লার গাড়ীসহ সকল প্রকারের যানবাহন  চলাচল বন্ধ রয়েছে।যাত্রীদের চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। 

এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশের নান্নু মণ্ডল জানান,”সিলেটের শেরপুর থেকে একটি ক্রেন উদ্ধারের জন্য আসছে এটি আসার পর উদ্ধারের কাজ আরম্ভ হবে,তবে উদ্ধারে কতক্ষণ লাগবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছিনা কেননা ক্রেন এর গাড়ীটি তো অনেক ওজনের।” 

সোলেমান আহমেদ মানিক,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যান লাউয়াছড়ার মধ্যদিয়ে বয়ে চলা রেললাইন এবং সড়কপথে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা পড়ছে অসংখ্য নিরীহ বন্যপ্রাণী। আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা পড়লো এক মায়া হরিণ।
২ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে লাউয়াছড়ার ভেতরের রেল লাইনের পাশ থেকে একটি মৃত মায়া হরিণের নিথর দেহ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। আশংকা করা হচ্ছে ভোর রাতে কোন দ্রুতগামী ট্রেনের ধাক্কায় হরিণটি প্রাণ হারায়।
মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোনায়েম হোসেন জানান, বুধবার সকাল ১১টার দিকে রেললাইনের উপর মায়া হরিণটিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষ করে আজ রাতেই হরিণের মৃতদেহটি মাটিচাপা দেয়া হবে। রেঞ্জ অফিসার আরো জানান, প্রায়ই এখানে বন্যপ্রাণীগুলো চলন্ত ট্রেন ও সড়কপথে গাড়ির চাকার নিচে প্রাণ হারাচ্ছে। তাই লাউয়াছড়ার মূল্যবান জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে লাউয়াছড়ার রেলপথ ও সড়কপথটি অন্যত্র স্থানান্তর করা অত্যন্ত জরুরি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc