Sunday 16th of June 2019 02:46:50 PM

বেনাপোল প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার এএসআই ইছাহক ও পাটকেলঘাটা থানার এএসআই মামুন রেজাসহ ৪ জনকে ২ পিচ স্বর্ণের বারসহ নাভারন সাতক্ষীরা মোড় থেকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ। বুধবার বিকালে তাদের আটক করা হয়। আটক অপর দুজন হচ্ছে স্বর্ণ পাচার কারী মানিকগঞ্জের দক্ষিনধর এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে অসিম (৩২) ও পাটকেলঘাটা থানার এএসআই মামুন রেজার ছেলে আশিক রেজা (২০)। এসময় পুলিশ একটি সাদা রংয়ের (যশোর-খ ১১-০১১৫) প্রাইভেট কার জব্দ করে।
শার্শা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) শেখ তাসমিম আলম সাংবাদিকদের জানান, দুপুর ২টার দিকে নাভারন সাতক্ষীরা মোড়ে থানার এস আই আনোয়ারুল আজিম ডিউটিরত অবস্থায় থাকাকালে দেখতে পাই মোড়ে দুইজন লোক একজনকে জোরপূর্বক ধরে টানা-টানি করছে। দ্রুত সেখানে ছুটে যেয়ে বিষয়টি জানতে চায়। এসময় উক্ত দুইজন পুলিশ পরিচয় দেয়। বিষয়টি সন্দেহ হলে তাদেরকে আটক করে তল্লাশী করলে অসিম নামে উক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ২পিচ স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।

পরে তাদের প্রাইভেট কারসহ আটক করে শার্শা থানায় নিয়ে আসা হয়। জানা যায় ধৃত দুই এএসআই স্বর্ণ পাচার কারী অসিম এর কাছে থাকা ২ পিচ স্বর্ণের বার পূর্ব পরি কল্পনা মোতাবেক ছিনতাই পূর্বক আত্মসাত করার চেষ্টা করে। আটককৃত ব্যক্তিদের নামে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

আজকের দিনটা তোর জন্য বোনাস! কাল তোর রক্ত দিয়ে গোসল করবো-এই ধরনের কথা বলে মোবাইলে হত্যার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম (বোয়াফ) সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়কে।
‘আমার জীবনের জন্য হুমকি’র কথা উল্লেখ করে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিঁনি, যার জিডি নং ৪৬।
বুধবার (২ জানুয়ারি) সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাকিবের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, সুপ্রিম কোর্টের একজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলসহ আমি ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ, লাকসাম, লালমাই, কুমিল্লা, কচুয়া, দাউদকান্দির বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণ শেষে রাজধানীর জিগাতলা কেন্দ্রে এসে দিনের সময়টুকুর সমাপ্তি ঘটে। বেলা ১১:৩৩ মিনিটের সময় একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি শুরু করে। ‘তুই শেখ হাসিনার দালাল। তোকে শেখ হাসিনাও বাঁচাতে পারবে না। আজকের দিনটা তোর জন্য বোনাস! কাল তোর রক্ত দিয়ে গোসল করবো’-আমি কিছু বলার আগেই অপরিচিত লোকটি এমন ধরনের কথা বলতে থাকে।
কবীর চৌধুরী তন্ময় আরও বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নানা সময় অদ্ভুধ ধরনের ফোন কল, ফেসবুকে গালাগালি, ইনবক্সে অশ্লীল কথা পাঠালেও মোবাইলে এই ধরনের হুমকি বিব্রতকর। তাই এটি ‘আমার জীবনের জন্য হুমকি’ থেকে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ভানুবিল গ্রামে মোরগী ব্যবসায়ী রুশন মিয়া (৩২) নামের এক বখাটে যুবকের হাতে চতুর্থ শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ঘটলেও পরদিন ৩১ ডিসেম্বর কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর বিষয়টি জানাজানি হয়। ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রী বর্তমানে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বখাটে রুশন মিয়া ভানুবিল গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
কমলগঞ্জ থানায় করা নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ সূত্রে বুধবার বিকেলে সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আদমপুর ইউনিয়নের উত্তর ভানুবিল গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে বখাটে মোরগী ব্যবসায়ী রুশন মিয়া (৩২) গত রোববার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ১১টায় একা পেয়ে বাড়ি থেকে ছনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেীণর ছাত্রীকে (১০) ডেকে নিয়ে পাশের কামারছড়া রাবার বাগানের নির্জন স্থানে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। গ্রামবাসীরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে পরে পরিবার সদস্যদের নিয়ে থানা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে মৌলভীবাজারে সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। ঘটনার পরপরই বখাটে রুশন মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ৩১ ডিসেম্বর নির্যাতিতা ছাত্রীর মা (ছালাতুন বেগম-৪৫) বাদি হয়ে রুশন মিয়াকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য অভিযুক্ত রুশন মিয়ার সাথে কয়েকদফা যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান থানায় কিশোরী ধর্ষনের অভিযোগ গ্রহনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জোর পুলিশি তদন্ত চলছে। তদন্তক্রমে কঠোর হস্তে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের প্রস্ততি নিতে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকারকে এ চিঠি দেওয়া হয়।ইসি সচিবালয়ে সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ আজ সাংবাদিকদের বলেন, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের প্রস্তুতি নিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা এমপি হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শপথ নেবেন। নবনির্বাচিত নতুন এমপিদের গেজেট গতকাল রাতে প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। একাদশ সংসদে তারাই বিরোধী দল হতে যাচ্ছে। বিএনপি জোটের এমপিদেরা শপথ না-ও নিতে পারেন বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তারা ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ): উত্তরা লের শষ্যভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় চলতি রবিশষ্য মৌসুমে এবার আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার প্রতিটি মাঠ জুড়ে এখন আলু গাছের সবুজ পাতার রঙে মুখরিত ফসলের মাঠ। উপজেলার প্রতিটি মাঠে এখন শুধু সবুজ রঙের চোখ ধাঁ-ধাঁলো বর্ণীল সমরাহ। ভোরের বিন্দু বিন্দু শিশির আর সকালের মিষ্টি রোদ ছুঁয়ে যায় সেই সবুজ পাতাগুলোকে। এ অপরুপ প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই যেন মনো মুগ্ধকর।
এ বছর বন্যা না হওয়ার কারণে রোপা-আমন ধান কাটার সাথে সাথে রবিশষ্যের উপযোগি চাষযোগ্য জমিতে কৃষকরা আগাম জাতের আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। সরকার পর্যায় থেকে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণসহ রাসায়নিক সার বিনা মূল্যে যথা সময়ে বিতরণ করায় এই উপজেলার কৃষকদের আগাম আলু লাগানো সম্ভব হয়েছে।
ভালো ফলনের আশায় উপজেলার কৃষকেরা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কৃষকের পাশাপাশি বসে নেই কৃষি কর্মকর্তারাও।
এবারে চলতি রবিশস্য মৌসুমে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ হানা না দেওয়ায় এবং আলু চাষের পরিবেশ অনুকূলে থাকায় আলুর পাশাপাশি সরিষা, গম ও ভোট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। উপজেলার গ্রামীণ জনপদের কৃষকরা এই আলু যথা সময়ে ঘরে তুলতে পাড়লে এবং বিক্রয় মূল্য ভাল পেলে বন্যার কারণে রোপা-আমন ধানের ক্ষতি পুষিয়ে ইরি-বোরো ধান চাষে কৃষকদের আগ্রাহ বৃদ্ধি পাবে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন।
নওগাঁ জেলার খাদ্যশস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত আত্রাই উপজেলার মাঠগুলো এখন কৃষকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি রবিশস্য মৌসুমে এবারে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ২ হাজার ৮ শত হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও এবছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আলু চাষিদেরকে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরী সহযোগিতার কারণে আলু ক্ষেত অনেকটা রোগ-বালাই মুক্ত হওয়ায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। উপজেলার শাহাগোলা, ভোঁপাড়া, মনিয়ারী ও আহসানগঞ্জ ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।
উপজেলার রসুলপুর গ্রামের কৃষক আবুল কালাম আজাদ জানান, আমি এবছর ৫বিঘা জমিতে আলুর চাষ করেছি। হিমাগারে কিছু বীজ রেখেছিলাম আর বাঁকিটা কিনে জমিতে বপণ করেছি। আলুর গাছে ভালো হওয়ায় মনে হচ্ছে এবার আলুর আশানুরুপ ফলন পাব। দাম ভাল হলে বিগত দিনের বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে পুরোদমে ইরি-বোরো চাষ করতে পারবো।
বজ্রপুর গ্রামের কৃষক মেহেদি হাসান রুবেল জানান, আমি চলতি মৌসুমে প্রায় সাড়ে ৮বিঘা জমিতে লালপাকরী জাতের আলুর আবাদ করেছি। কোন প্রকার দূর্যোগ ও রোগবালাই না থাকায় এবছর আলুর বাম্পার ফলন পাব বলে আমি আশা করছি।
সরেজমিনে উপজেলার ভবানীপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শফি উদ্দিন আহম্মেদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, শুরুতেই আলুর ক্ষেতে নানা ধরনের পোকা-মাকড়ের আনাগোনা দেখা দিলেও মাঠ পর্যায়ে আমরা কৃষকদের কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরী সহযোগিতা দিয়ে আসছি। বর্তমানে আলু ক্ষেতে প্রায় শত ভাগ রোগ-বালাই মুক্ত হওয়ায় বাম্পার ফলনের আশা করছি।
এবিষয়ে আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, এবারে আত্রাই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বিগত বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি পরিমান আলু চাষ হয়েছে। যথা সময়ে জমি চাষ যোগ্য হওয়ায় এলাকার কৃষকরা সুযোগ বুঝে আলুর আবাদ করেছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাদেরকে যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে কোন প্রকার ক্ষতি না হলে আত্রাই উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।
শুধু তাই নয় আলু চাষের জমিগুলো উর্ব্বরতা বেশি থাকায় কৃষকরা ইরি-বোরো চাষেও এর সুফল পাবে।

শংকর শীল,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) থেকে: সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে এমপি নির্বাচিত হলেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মাহবুব আলী। বেসরকারি প্রকাশিত ফলাফলে এডভোকেট মাহবুব আলীর নৌকা মার্কা ৩ লাখ ১৪ হাজার ৯শত ৯৩ ভোট ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাদের ধানের শীষ মার্কা ৪৬ হাজার ৬শত ২০ ভোট পেয়েছেন। ২ লাখ ৬৮ হাজার ৩৩৭ ভোট বেশি পেয়ে এডভোকেট মাহবুব আলী আবারও এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

ডেস্ক নিউজঃ  সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেও সফল এক উৎসবের মধ্য দিয়ে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুল ও মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই দিয়ে নতুন বছর শুরু করল সরকার। বছরের প্রথম দিন শ্রীমঙ্গলসহ দেশের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া রূপসা থেকে পাথুরিয়া দেশজুড়ে স্কুলে স্কুলে উৎসবের মধ্য দিয়ে চার কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী হাতে পেল ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি নতুন ঝকঝকে পাঠ্যবই। শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে শামিল হয় উৎসবে। যুগান্তকারী এ কর্মযজ্ঞের হিসাব বলছে, ১০ বছরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২৯৬ কোটি আট লাখ বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করেছে সরকার। যে দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল। এ এক অন্যরকমের উৎসব। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য এ এক অন্যরকম দিন। বছরের প্রথম দিন খালি হাতে স্কুলে যাওয়া, আর সহপাঠীদের সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক উৎসবে শামিল হয়ে হাতে পাওয়া পুরো এক সেট ঝকঝকে নতুন বই। দেশজুড়ে স্কুলে স্কুলে মঙ্গলবার ছিল এমনই এক উৎসব যার আমেজ থাকবে বেশ কয়েকদিন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সারাদেশের শিক্ষার্থীদের অভয় দিয়ে বলেছে, বছরের প্রথম দিনই কোন কারণে বিদ্যালয়ে যেতে না পারলেও কিংবা কোন কারণে বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারলে উদ্বেগের কিছু নেই। বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ক্লাসে গেলেই হাতে পাবে নতুন বই। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা পাস করা শিক্ষার্থীদেরও নেই কোন চিন্তা। পরবর্তী ক্লাসে ভর্তি হলেও তারা পাবে নতুন পাঠ্যবই। জানা গেছে, নির্বাচনের কারণে এবার বইয়ের কাজ আগে শেষ করার টার্গেট নির্ধারণ করেছিল সরকার। ভালভাবে কাজ হয়েছে। রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেও তাই বছরের প্রথম দিনই শিক্ষার্থীর হাতে বিমামূল্যের নতুন ঝকঝকে পাঠ্যবই পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। উৎসবে শামিল হয়ে শিক্ষার্থীরা তাই হাতে পেল সকল পাঠ্যবই। রাজধানী থেকে শুরু করে উৎসব চলছে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামের স্কুলে স্কুলে।

এদিকে সরকারের এ বিশাল কর্মযজ্ঞের তথ্য দেখলেই স্পষ্ট হয় প্রায় প্রতিবছরই বেড়েছে বিনামূল্যের বইয়ের সংখ্যা। বেড়েছে শিক্ষার্থী বিশেষ করে বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা। শিক্ষাবিদসহ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে এনেছে। যা দেশের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে। তথ্য বলছে, গত ১০ বছর আগে দেশে বিদ্যালয়ে আসা শিশুদের হার ছিল ৮০ শতাংশের একটু বেশি। কিন্তু ১০ বছরের মাথায় আজ প্রায় শতভাগ শিশু আসছে বিদ্যালয়ে। বিষয়টি ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর উপস্থিতিকে বাংলাদেশের একটি বড় অর্জন বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে।

শতভাগ বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের প্রথম বছর বইয়ের সংখ্যা ছিল ২০১০ সালে ১৯ কোটি ৯০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৬১ কপি, ২০১১ সালে ২৩ কোটি ২২ লাখ ২১ হাজার ২৩৪ কপি, ২০১২ সালে ২২ কোটি ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৩ কপি, ২০১৩ সালে ২৬ কোটি ১৮ লাখ ৯ হাজার ১০৬ কপি, ২০১৪ সালে ৩১ কোটি ৭৭ লাখ ২৫ হাজার ৫২৬ কপি, ২০১৫ সালে ৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৩ কপি, ২০১৬ সালে ৩৩ কোটি ৩৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৭২ কপি, ২০১৭ সালে বই ছিল ৩৬ কোটি ২১, লাখ ৮২ হাজার ২৪৫ কপি। গত বছর বইয়ের সংখ্যা ছিল ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২ কপি। আর এবার ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি। এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. মিয়া ইনামুল হক রতন সিদ্দিকী বলছিলেন, গত ১০ বছরে সরকারেরর দেয়া বিনামূল্যের বইয়ের পরিমাণ ২৯৬ কোটি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১৭২ কপি। যাতে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি। তবে এ কাজ যুগান্তকারী। পৃথিবীতে এটা একটি নজির। তিনি আরও বলছিলেন, ২০১০ সালের আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনই ছাত্রছাত্রীরা যেমন পায়নি শতভাগ বিনামূল্যের বই তেমনি বছরের প্রথম দিনও পাঠ্যবই হাতেও পায়নি।

জানা গেছে, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার ১৯৮৩ সাল থেকে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে কিছু বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ শুরু করে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত কয়েকটি ক্যাটাগরির কেবল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অর্ধেক নতুন ও অর্ধেক পুরনো পাঠ্যবই বিনামূল্যে দেয়া হতো। এসব বইও সময়মতো শিক্ষার্থীরা পেত না।

বই পেতে পেতে মার্চ/এপ্রিল পার হয়ে যেত। এতে ক্লাস শুরু হতেও অনেক দেরি হত। প্রতিবারই অসাধু প্রেস মালিকদের সিন্ডিকেটের কবলে পড়ত পাঠ্যবই ছাপার কাজ। সময়মতো বই না পাওয়ায় এবং উচ্চদরে বাজার থেকে বই কিনতে না পেরে প্রতি বছর ব্যাপক সংখ্যক ছাত্রছাত্রী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তর থেকে ঝরে পড়ত।

হাতে গোনা কয়েকটি দেশ বাদ দিলে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই মোট জন্যসংখ্যাও নেই চার কোটি। সেখানে বছরের প্রথম দিনই মঙ্গলবার দেশের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চার কোটি ২৬ লাখ স্কুল শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দিয়ে ইংরেজী নববর্ষ শুরু করল বাংলাদেশ। আজ সকাল সাড়ে নয়টা কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীর আজিমপুর গবর্নমেন্ট গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে পাঠ্যপুস্তক উৎসবের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এরপরই সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রাথমিকের শিশুদের নিয়ে উৎসবে শামিল হয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে যেমন ছিলেন দেশের ছোট বড় সকল শিক্ষার্থীর প্রিয় মানুষ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত না থাকলেও ফোনে আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।

সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও কথাসাহিত্যিক ও প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক।

প্রথমে আজিমপুর সরকারী গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে নমুনা হিসেবে কিছু শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বই উৎসবের সূচনায় মন্ত্রী আজিমপুর গবর্নমেন্ট গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী নুসরাত ইশা, গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর সোলায়মান তানভীর রাজ, লালবাগ মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের মেহেদী হাসান অমিত, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল এ্যান্ড কলেজের আবিদ হাসান সিদ্দিকী, হাজারীবাগ গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজের কারিগরি ভোকেশনাল বিভাগের নবম শ্রেণীর জান্নাতুল আফরিন, হাফেজ আবদুর রাজ্জাক জামেয়া ইসলামিয়ার ষষ্ঠ শ্রেণী ছাত্রী ফাউজিয়া নওরিন বুশরার হাতে বই তুলে দেন। মিরপুর রূপনগরের বার্ডো স্কুল থেকে আসা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মোঃ ওবায়দুল হকও মন্ত্রীর হাত থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীর ব্রেইল বই নেয়।

উৎসবে ছিলেন এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আলমগীরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্মকে আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ গড়ায় বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছরই সরকার বছরের প্রথম দিনে বিনামূল্যে বই বিতরণের উৎসব করে আসছে। এমন উদ্যোগ পৃথিবীর কোন দেশেই নেই, সারা পৃথিবী বাংলাদেশের এই কাজে অবাক হচ্ছে।সংবাদ জনকণ্ঠ 

মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক ও উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত একটি জাতি গঠনে সরকার এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আগে বই পুস্তক ও শিক্ষা সরঞ্জামের অভাবে সবাই স্কুলেই যেত না, প্রতিবছরই অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ত। এখন সেই ঝরে পড়ার হার নেই বললেই চলে। শিক্ষার গুণগত মানকে বিশ্বমানের পর্যায়ে পৌঁছাতে হলে নতুন প্রজন্মকে আধুনিক যুগের শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বই প্রণয়ন করছে সরকার। জ্ঞান, প্রযুক্তি এবং দক্ষতা দিয়ে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার কাজ করছে।

নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি দেশের জনগণের আস্থা আছে বলে তারা একতরফা ভোট দিয়ে আমাদের বিজয়ী করেছে। আমরা এ আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়া হবে। বাঙালী জাতির হাজার বছরের গৌরব স্বাধীন বাংলাদেশ। আর এর মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমরা বিরাট সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আর নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, বই পড়ে সবাইকে পরীক্ষা দিতে হবে। কোথাও নকল করে পাস করার অপচেষ্টা করলে সেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে। এ জন্য শিক্ষকদের সঠিক দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ জানান তিনি।

অন্যদিকে শিশু শিক্ষার্থীদের উৎসব ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ। শিশুদের নিয়ে এ উৎসবের আয়োজন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বছরের প্রথম দিনে সকাল বেলা খুদে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হবে নতুন শ্রেণীর নতুন বই। মাঠ ভর্তি শিশুরা নেচে গেয়ে মেতেছে উৎসবে। এমন সময় মাইক হাতে মঞ্চে এসে দাঁড়ালেন প্রিয় মানুষ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা কেমন আছ? শিশুদের সমস্বরে উত্তর, ‘ভাল আছি।’ জাফর ইকবাল বললেন, ‘আমি তো মাস্টার মানুষ, ছেলে- মেয়েদের দেখলে আমি প্রশ্ন করি। তোমাদের একটা প্রশ্ন করব? বল দেখি, বাংলাদেশ কতগুলো বই সমস্ত ছেলে- মেয়েদের দেবে?’ উত্তর এল, ৩৩ কোটি। এরপর বলেন, এত বই পৃথিবীর কোন দেশ ছাপায় না। কোন দেশ ছাপাতে পারবেও না, শুধু বাংলাদেশ পারবে। এত কষ্ট করে এতগুলো বই কেন ছাপায়, বল। তোমাদের জন্য। তোমরা বইটা পড়বে তো? সারা পৃথিবীর কোন মানুষ এত নতুন বই পায় না। বাসায় গিয়ে আজকে রাতেই সবগুলো বই পড়ে ফেলবে, ঠিক আছে? শিশুদের উত্তর হ্যাঁ স্যার পড়ে ফেলব।

মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বই উৎসব পালন করছি। শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের মনোযোগ পৃথিবীব্যাপী তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আশা করব, আমাদের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হবে এবং সরকারের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন করে দেশকে স্বাবলম্বী করে তুলবে এবং উপযুক্ত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে- তাদের কাছে এই প্রত্যাশা রাখি।

উল্লেখ করার মত,শ্রীমঙ্গলে বই উৎসব পালনের সময় দুপুর আড়াইটায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি।
এসময় বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিলীপ কুমার বর্ধন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির শ্রীমঙ্গল শাখার সভাপতি জহর তরফদার, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অর্ধেন্দু কুমার দেব, জেলা পরিষদ সদস্য বদরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ। 
এবছর শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৩০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেনী পর্যন্ত , ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ম থেকে ৫ম শ্রেণী এবং ৫টি ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত দাখিল মাদ্রাসায় সর্বমোট ৩১ হাজার ১শত ৬২জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫শত ৩১টি বই বিনা মূল্যে বিতরন করা হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc