Friday 26th of April 2019 04:01:50 PM

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য বিদ্যাপিঠ দেওয়ান শামসুল ইসলাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারাদেশের ন্যায় একযোগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীর উদ্ভোদন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিনয় পাল।এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মকবুল হাসান ইমরান,সহকারী শিক্ষিকা প্রভাতী দত্ত,সহকারী শিক্ষিকা সুনেত্রা দত্ত,সহকারী শিক্ষিকা শারমিন সুলতানা,সহকারী শিক্ষিকা সুপ্তি ভট্টাচার্য্য,সহকারী শিক্ষিকা রহিমা বেগম,অভিভাবক বুলবুল এনাম প্রমুখ।এসময় শিক্ষকবৃন্দের সাথে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিনয় পাল বলেন”শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক স্তর থেকে শিক্ষার্থীরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বেড়ে উঠলে তারা সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন মনমানসিকতা সম্পন্ন হয়ে উঠবে।সুস্থ পরিবেশ সুস্থ মনমানসিকতার পরিচয়।আমি মনে করি আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এ শিক্ষা কাজে লাগাবে”।
উল্লেখ্য,আজ থেকে সারাদেশে প্রতি বৃহস্পতিবার একযোগে প্রতিটি স্কুলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচী পালিত হবে।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করতে চান মাছুমা সিদ্দিকা। তিনি গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের রানাপিং পূর্ব চন্দনভাগ গ্রামের বদরুল ইসলাম বাচ্চুর স্ত্রী এবং বিয়ানীবাজার থানার রামধা বাজারের খাশা গ্রামের মরহুম বদরুল হক সিদ্দিকির ছোট মেয়ে।

মাছুমা সিদ্দিকা সকলের দোআ ও আশীর্বাদ নিয়ে গোলাপগঞ্জ উপজেলার দুঃখী, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের পাশে থেকে উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজ করতে চান।

ডিসেম্বর ৩০ ২০১৮ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত দেশের জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ  বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের নির্বাহী পরিচালক আবেদ আলী।

এসময় তিনি আরো বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের দিন কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, এছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে ২২টি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।পূর্বের নির্বাচনের চেয়ে এবারের নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনেক ভাল ছিল। তাছাড়া এবারের নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত ছিল।

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ আসন্ন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল ও বর্তমান ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান পদের জন্য মনোনয়ন গ্রহণ করে জমা দিয়েছেন ৯ জন প্রত্যাশী।
তাদের মধ্যে আওয়ামী মনোনয়নে সবচেয়ে বেশী এগিয়ে আছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব।তিনি বর্তমানে হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ঐক্যজোটের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তাছাড়া তিনি টানা ২ মেয়াদে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।আওয়ামী পরিবারের একজন বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদ হিসেবে উপজেলা নির্বাচনে রনধীর কুমার দেবের বিকল্প কেবল তিনিই।উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী তিনি।এদিক থেকে নিঃসন্দেহে বলা যায় সংখ্যালঘুদের অধিকাংশ ভোটই পেতে পারেন তিনি।

আওয়ামী রাজনীতিতে রণধীর কুমার দেবকে ক্লিন ইমেজের রাজনীতিক বলা হয়ে থাকে।সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী মনোনয়ন পেতে পারেন প্রবীণ ও ত্যাগী এই আওয়ামী নেতা।

মনোনয়নের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে আছেন আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ রহিম।প্রবীণ এই আওয়ামীলীগ নেতা শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।এম এ রহিম শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।জনমুখে প্রায়ই শোনা যায়,শ্রীমঙ্গলের উন্নয়নে এম এ রহিমের অবদান।শ্রীমঙ্গলের প্রতিটি রাস্তাঘাট এম এ রহিমের হাতে গড়া এমনটাই বলে থাকেন উপজেলার  কিছু কিছু ভোটাররা।একজন ত্যাগী,সৎ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে শ্রীমঙ্গল বাসীর মনে আস্থা করে নিয়েছেন সাবেক এই চেয়ারম্যান।তাই ত্যাগী ও আওয়ামী পরিবারের এই বিশ্বস্থ নেতা যদি উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পান তবে সেটা অকল্পনীয় কিছু হবে না এমনটাই মনে করেন এই অঞ্চলের ভোটাররা।

মনোনয়ন দৌড়ে মোটামুটি বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে আছেন আফজল হক।তিনি ৩ নং শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ছিলেন।ক্ষমতা থাকাকালীন শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের ব্যপক উন্নয়ন করেছেন সাবেক এই চেয়ারম্যান এমনটাই বলছেন ভোটাররা।কর্মগুণে তিনি ১৯৯৮ ইংরেজী সনে সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে স্বর্ণপদক লাভ করেন।মূলত ন্যায়পরায়ণ,সৎ,যোগ্য ও বিচারিক হিসেবে পুরো শ্রীমঙ্গলে আফজল হক বেশ পরিচিত।সৎ বিচারিক হিসেবে শ্রীমঙ্গলের প্রতিটি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় মনে জায়গা করেছেন এই রাজনীতিবিদ।তিনি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে পারেন প্রবীণ আরেক নেতা আছকির মিয়া।তিনি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।প্রবীণ এই নেতা আওয়ামীলিগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে তিনিও সবার কাছে বেশ সুপরিচিত।

মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারেন এম মতলিব।তিনি কালাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক উপজেলা কমান্ডার হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে সেটা খুব বেশী একটা চমক হবে না।

এদিকে মনোনয়ন জরিপে এগিয়ে আছেন প্রবাসী যুবনেতা কামরুজ্জামান জুয়েল।নবীন এই মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।শ্রীমঙ্গলের উন্নয়নমূলক সামাজিক সংগঠন হৃদয়ে শ্রীমঙ্গল এর প্রতিষ্ঠাতা এডমিন হিসেবে ইতোমধ্যেই শ্রীমঙ্গলবাসীর মন জয় করেছেন তিনি।আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এই যুবনেতা একজন সৎ,পরিচ্ছন্ন,ও নবীন প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী মনোনয়ন পেতে পারেন যা চমক হিসেবে ধরে নিতে পারে জনগণ।

অপরদিকে কিছুটা আলোচনায় আছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী তফাজ্জল হোসেন ফয়েজ।তিনি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।আওয়ামী পরিবারের একজন বিচক্ষণ নেতা হিসেবে আলোচনায় আছেন তিনিও।

বিশেষ করে মনোনয়ন জরিপে অনেকাংশেই এগিয়ে আছেন এম এ মান্নান।একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা,মুজীব আদর্শের সৈনিক আওয়ামীলীগের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে এম এ মান্নান ব্যপক আলোচনায় রয়েছেন।তিনি ৩ নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

একটি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চা বাগান পরিবেষ্টিত শ্রীমঙ্গল উপজেলার মোট আয়তন ৪২৫.১৫ বর্গ কি.মি.।উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২,৮৭,৯৮০ জন।যার মধ্যে পুরুষ ১,৪৭,২২০ জন এবং নারী ১,৪০,৭৬০ জন।(সুত্র ২০০১,উপজেলা ওয়েবসাইট থেকে)।
উপজেলার মোট ভোটার ১,৭৩,৩৫১ জন।যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৫,৫০৪ জন এবং নারী ভোটার ৮৭,৮৪৭ জন।(সুত্র ২০০৮ ভোটার নিবন্ধন,উপজেলা ওয়েবসাইট থেকে)

উল্লেখ্য,প্রথম পর্যায়ে ১০২ টি উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন জমা  দেয়ার শেষ সময় ছিলো ২৫ জানুয়ারী এবং মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের শেষ দিন ছিলো ২৭ জানুয়ারী।নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২ ফেব্রুয়ারী।এর আগে ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি ৪৮০টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।প্রতি পাঁচ বছর পরপর চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদ। এখন মাঠে মাঠে জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-শ্রমিক। তবে বিদ্যুতের মাঝে মাঝে লো-ভোল্টেজের কারণে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অপরদিকে, লোকসান ঠেকাতে আগামী বোরো ক্রয় মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার দাবী জানান তারা। চাষিরা বলছেন শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমতো থাকলে সুষ্ঠু ভাবে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।

ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে চলছে পানি সেচ, জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনের ব্যস্ততা। শার্শা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, গভীর নলকুপ দিয়ে আমাদের চাষাবাদ করতে হয়। সবাই একসাথে জমি তৈরী করতে নলকুপের উপর কিছুটা চাপ পড়েছে। অপরদিকে বিদ্যুতের মাঝে মাঝে ভেলকিবাজী চলছে। দিনে কয়েকবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। সাথে রয়েছে বিদ্যুতের লো-ভল্টেজ। গভীর নলকুপ থেকে ঠিকমতো পানি না পাওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

কৃষক মজিবুর রহমান বলেন, ডিএপি ১বস্তা ১৩শ’ টাকা, এমওপি ১ বস্তা ৮শ’ টাকা, ইউরিয়া ১বস্তা ৮শ’ টাকা, কীটনাশক ১১শ’ টাকা, জমি চাষ ও রোপন ২ হাজার টাকা, পানি সেচ ১ হাজার ৫শ’ টাকা এবং কাটা-মাড়াই প্রায় ২ হাজার টাকাসহ প্রায় ১০ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা বিঘা প্রতি খরচ হয়ে থাকে। বিঘা প্রতি ফলন হয় বিঘা প্রতি ২০-২২ মন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম ৬৫০ টাকা করে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কিছু থাকে।
কিন্তু যারা বর্গাচাষী তাদের কিছুই থাকেনা। এতে করে প্রতিবছর আমাদের লোকসান গুনতে হয়। সরকার যদি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে তাহলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে। উপজেলায় চলতি মৌসুমে চাষিদের মধ্যে বোরো চাষের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে শার্শা উপজেলায় এবার ২২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৫শ’ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রি-ধান ২৮, ব্রি-ধান ৫০, ব্রি-ধান ৬৫, ব্রি- ধান ৬৭, ব্রি-ধান ৮১ সহ হাইব্রিড মিনিকেট ধান চাষ হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, প্রতিবছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। এ মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। ফলে শীত এবং কুয়াশার প্রকোপ অনেক কম থাকায় বোরো ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে কম এবং চারাও সুস্থ সবল হয়েছে। যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে তাহলে এবছরও বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৌতম কুমার শীল জানান, চলতি বছরের বোরো মৌসুমে ৪শ’ কৃষককে প্রনদনা কর্মসূচীর আওতায় ১ বিঘা জমি প্রতি সার, বীজ সহায়তা প্রদান এবং ৯৩ জন কৃষক/কৃষানীকে এনএডিবির আওতায় সার, বীজ বিতরণসহ বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুরে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ৪টি পাকাবাড়ী, ১টি পাকা দোকান ও ৬টি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অভিযান কারীদল।
৩১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের গুয়াবাড়িতে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেনের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গুয়াবাড়ীতে তিনটি কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে সেগুলো হল- সরকারী খাঁস জায়গায় অবৈধ বাড়ী ঘর নির্মাণ, পাহাড় কর্তন এবং অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা কালে অবৈধ ভাবে নির্মান করা ৪টি পাকাবাড়ী, ১টি পাকা দোকান ও ৬টি বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট আশরাফুল হক, দুর্নিতি দমন কমিশন সিলেট বিভাগের সহকারি পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহকারী পরিচালক মঞ্জুর আলম, জৈন্তাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ, সিলেট পুলিশ লাইনের অফিসার ইনচার্জ মোঃ আক্কাস, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের সিনিয়র কেমিষ্ট মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ সঙ্গীয় ফৌস উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেনে- পরিবেশ রক্ষা করতে এবং অবৈধ স্থাপনা অপসারন এবং পাহাড় কর্তন বন্দ করার লক্ষ্যে উচ্ছেদ অভিযান। সময় সল্প থাকার কারনে আরও অবৈধ স্থাপনা রয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে বাকী স্থাপনায় সরাতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করব।
এলাকাবাসী সাথে আলাপকালে তারা জানায়- আমরা ৩০/৪০বছর যাবত বসবাস করে আসছি, হঠাৎ করে কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে অভিযান পরিচালনায় আমাদের ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,গণতান্ত্রিক ধারায় সমালোচনা সব সময় গুরুত্বপূর্ণ, তিনি বলেন, আমি এইটুকু আশ্বাস দিতে পারি এই সমালোচনা আমাদের বিরোধী দলে যারা আছেন, তারা যথাযথভাবে করতে পারবেন। এখানে আমরা কোনো বাধা সৃষ্টি করবো না। কোনো দিন বাধা আমরা দেইনি, দেবো না।
বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত অনেক চড়াই-উৎড়াই পার হয়ে আমরা একটা গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছি। কারণ এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ মা বোনেরা, প্রথম যারা ভোটার তারা, তরুণ ভোটাররা সকলে স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। একটি সফল নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এই সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এবং কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি বলেন, সংসদ নেতা হিসেবে আমার দায়িত্ব সংসদের সকল সদস্যের অধিকার যেমন দেখা এবং সেই সাথে আপনি স্পিকার হিসেবে সকল সদস্য যাতে সমানভাবে সুযোগ পায়, এখানে সরকারি দল বিরোধী দল সকলেই যেন পায় অবশ্যই আপনি সেটা দেখবেন। এ ব্যাপারে আমরা আপনাকে সব রকমের সহযোগিতা করবো।
সংসদ নেতা বলেন, গণতন্ত্রই একটি দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় আর তা আজ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রমাণিত সত্য। আজ আমরা আর্থ সামাজিক ভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেয়ে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছি। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশের জনগণকে একটি ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্রমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে স্বপ্ন, যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি এ দেশকে স্বাধীন করেছিলেন, সেই ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলা আমরা ইনশাল্লাহ গড়ে তুলবো। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেহেতু ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচিত করে এবং আমরা যারা প্রতিনিধিরা বসেছি সকলেই কিন্তু আমরা বিভিন্ন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছি। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে আমরা আমাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে আমাদের ভোটাররা, যারা নির্বাচিত করে এখানে পাঠিয়েছে তাদের সার্বিক উন্নয়ন, তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং দেশে দেশে যেন একটা শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে। বাংলাদেশ জঙ্গীমুক্ত, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ যেন গড়ে ওঠে এবং দেশের মানুষের জীবনে যেন শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় সেটাই আমাদের সব সময় লক্ষ্য রাখতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, অতীতে একটা চমৎকার পরিবেশে সংসদ পরিচালিত হয়েছিল বলেই আমরা মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছিলাম। আবার আমরা যেহেতু সংসদে নির্বাচিত হয়ে এসেছি অবশ্যই জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এটাই আমাদের লক্ষ্য। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আছে।
তিনি বলেন, এই সংসদে বাংলাদেশের জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। আজকে সেই সংসদ আপনাকে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করেছে এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে আমাদের ফজলে রাব্বী সাহেবকে নির্বাচিত করেছে। আমি আপনাকে এবং ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

সাইফুর রহমান চৌধুরী: ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে সন্ধা ৭টায় আর,এস কায়রান রেস্টুরেন্টে আমাদের ৮নং কনকপুর ওয়াটস্আপ গ্রুপ ও সবুজ শ্যামল মৌলভীবাজার ওয়াটস্আপ গ্রুপের উপদেষ্টা বাংলাদেশ এর কমিটির সদস্য মাওলানা গিয়াস উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও আহমদ ফরুক এর পরিচালনায়, গ্রুপের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযাদ্ধা আলহাজ্ব ইখতিয়ার উদ্দিন যুক্তরাজ্য, উপদেষ্টা  সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মাহমুদ যুক্তরাজ্য ও আহাদ আহমদ যুক্তরাজ্য -কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন  বিশিষ্ট সমাজসেবক মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের ১০ নং ওয়ার্ড সদস্য ও ৮নং কনকপুরের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ চৌধুরী, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদ এর সভাপতি খালেদ চৌধুরী, রুহেল আহমদ চৌধুরী, শেখ বোরহান উদ্দিন (রঃ) ইসলামী সোসাইটি এর চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমান মুহিব, কনকপুর ইউ,পি ২নং ওয়ার্ড মেম্বার খুর্শেদ মিয়া, মমসাদ সুমিত, শাহ্ মোস্তফা রক্তসেবা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান সাইফুর রহমান চৌধুরী।
এছাড়া উপস্হিত ছিলেন গ্রুপের সদস্য আসিক মিয়া, আলাল আহমদ, নাবিদ আহমদ, মনওয়ার আহমদ, রুমেল আহমদ, সুজেল কাইয়ুম, সুমন আহমদ, করিম আহমদ, কামাল আহমদ, জুয়েল খান, ওয়াজী মিয়া, প্রমূখ।
উলেখ্য যে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বিপুল রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। রক্তমূল্যে অর্জিত স্বাধীনতায় ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা থেকে শেষ পর্যন্ত গৌরবজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছে ৮নং কনকপুর ইউনিয়নের অনেক মুক্তিযাদ্ধা একই ভাবে অবদান রেখেছে মৌলভীবাজার জেলার অনেক মুক্তিযাদ্ধাগন। ১৯৭১ সনে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়। পৃথিবীর মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত প্রান্তিক অ লের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাসুদ চৌধুরী হাই স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী-২০১৯ এর মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠান ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল হক তরফদারের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক আজহারুল ইসলাম ও কেফায়েত উল্লাহ’র যৌথ স ালনায় মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ৯নং রানীগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল মোনীম চৌধুরী (ফারুক)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চুনারুঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার রাসেল আহমেদ, প্রভাষক আব্দুল করিম, গভর্নিং বডির অন্যতম সদস্য মুশফিক আহমেদ চৌধুরী।

এতে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার, চুনারুঘাট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: ফারুক মিয়া, কলেজের প্রভাষক হুমায়ুন কবির, বিটন কান্তি বৈদ্য, সারোয়ার জাহান, শিরিন আক্তার সহ প্রমুখ। সভায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন- অধ্যক্ষ ফজলুল হক তরফদার, চৌধুরী মামুন ইউসুফ রেজা, রামেন্দ্র ভট্টাচার্য্য, সিনিয়র শিক্ষক ফজল তরফদার।

পরে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হুমায়ুন কবির। দোয়া মোনাজাত শেষে ছাত্র-ছাত্রী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের মাঝে তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানের সমাপ্ত হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত এখন সোর্স পরিচয়ধারী বিভিন্ন মামলার আসামীদের নিয়ন্ত্রণে। সোর্সরা সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে কয়লা ও পাথরের সাথে অবাধে মদ,গাঁজা, ইয়াবা,নাসিরউদ্দিন বিড়িসহ গরু ও ঘোড়া পাচাঁর করলেও তাদেরকে কখনো সহজে গ্রেফতার করা হয়না। ভারত থেকে পাচাঁরের সময় ২টি গরু ও ৩জন চোরাচালানিকে গ্রেফতার করে আজ ৩০.০১.১৯ইং বুধবার সকাল ১০টায় জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়,জেলার তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট ও চাঁনপুর সীমান্তের বড়ছড়া,বুরুঙ্গাছড়া,রজনীলাইন,নয়াছড়া ও রাজাই এলাকা দিয়ে প্রতিদিনের মতো গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টায় বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী মাদক মামলার আসামী ফিরোজ মিয়া,কামাল মিয়া,হান্নান মিয়া,আবু বক্কর,আলমগীর ও রফিকুলের নেতৃত্বে ভারত থেকে কয়লার বস্তার ভিতর করে মদ ও ইয়াবাসহ বারেকটিলা দিয়ে গরু পাচাঁর শুরু হয়। এখবর পেয়ে বিজিবি অভিযান চালিয়ে রজনীলাইন এলাকা থেকে চোরাচালানী সিরাজ মিয়া(৪৫) ও আশিকনুর(২৫)কে গ্রেফতার করাসহ বারেকটিলা থেকে ২টি গরু আটক করলেও সোর্সদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

অন্যদিকে লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার হাবিব এর নেতৃত্বে জাদুকাটা নদী ও সাহিদাবাদ এলাকা দিয়ে পাথরের সাথে মদ,গাঁজা,ইয়াবা,নাসিরউদ্দিন বিড়ি,গরু ও ঘোড়া পাচাঁর করছে তারই একান্ত সোর্স জজ মিয়া,নবীকুল,আমিনুল,নুরু মিয়া,শহিদ মিয়া,সেলিম মিয়া,আনসারুল,জসিম মিয়াগং। আর পাচাঁরকৃত ১লড়ি পাথর থেকে ২০০টাকা,১টি গরু ও ঘোড়া থেকে ৫হাজার টাকা,১ বস্তা কয়লা থেকে ১৫০টাকা করে চাঁদা নিচ্ছে সোর্স এরশাদ মিয়া ও দিলহাজ মিয়া। তাই এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া বালিয়াঘাট সীমান্তের লালঘাট এলাকা থেকে ভারতে নারী পাচাঁরের অভিযোগে চোরাচালানী রবি মিয়া(২৮)কে গ্রেফতার করা হয়।

কিন্তু তার সহযোগী একাধিক কয়লা,মাদক,অস্ত্র ও চাঁদাবাজি মামলার আসামী সোর্স কালাম মিয়া,জানু মিয়া,জিয়াউর রহমান জিয়া,বাবুল মিয়া,আব্দুর রাজ্জাক ও ল্যাংড়া বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়নি। এবং চাঁরাগাঁও সীমান্তে বিজিবির ওপর হামলার মামলার আসামী বিজিবির সোর্স আব্দুল আলী ভান্ডারী,রমজান মিয়া,হরমুজ আলী,জয়নাল মিয়া,খোকন মিয়া,ফালান মিয়া,মোবারক মিয়া,বাবুল মিয়া ও ফরিদ মিয়াসহ বীরেন্দ্রনগর সীমান্তে সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়কের সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানী হযরত আলী,মঞ্জুল মিয়া,আলী হোসেন ও মস্তোফা মিয়া মস্তো রয়েছে দাপটের সাথে।

এছাড়াও গরু চুরির মামলার আসামী লাউড়গড় গ্রামের আক্তার মিয়া নিজেকে সিলেট সেক্টর কমান্ডার ও সিও’র সোর্স পরিচয় দিয়ে পুরো সীমান্ত এলাকায় গিয়ে করছে ওপেন চাঁদাবাজি। এব্যাপারে সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাকসুদুল আলম বলেন,সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কোন সোর্স নাই,যারা বিজিবি সোর্স পরিচয় দিয়ে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করছে তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য,এর আগে সোর্সদের পাচাঁরকৃত ৮০মে.টন চোরাই কয়লাসহ ৩চোরাচালানীকে গ্রেফতার করলেও সোর্সদেরকে গ্রেফতার করা হয়নি।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর(সিলেট) প্রতিনিধি: ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের জৈন্তাপুরে সম্ভাব্য প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা রয়েছে দুই মেরুর দুই প্রার্থীকে কেন্দ্র করে৷ যদিও ক্ষমতাসীন অা.লীগ এখন প্রার্থী চুড়ান্ত করেনি তার পরও উপজেলা নির্বাচন কে নিয়ে  নানা মূখী অালোচনা সমালোচনার আমেজ বইছে উপজেলা জুড়ে৷ অাওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হতে দৌড়ঝাঁপ শুরু হলেও বিএনপি উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ গ্রহন না করায় মনোনয়ন দৌড়ে নেই কেউই৷ থাকা মার্চে মাসে অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ভোট যুদ্ধে লড়বেন জামায়াত সমর্থীত এবং দুই বারের নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল অাবেদীন৷ এ নিয়ে ভোটারসহ সাধারণ জনগণের মধ্যে জল্পনা-কল্পনার কমতি নেই৷
সাধারন ভোটাররা বলেন পূর্বের নির্বাচনের মত জৈন্তাপুর উপজেলা অা.লীগ প্রার্থী নির্বাচনে ভূল সিদ্ধান্ত গ্রহন করে তাহলে বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নাল অাবেদীন তৃতীয় বারোর মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অা.লীগের ঘাটিতে হেট্টিক করবেন৷ তৃর্ণমূল অা.লীগ কর্মী সমর্থকদের দাবী বিগত নির্বাচনে অা.লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনী ভোট যুদ্ধে তুমুল প্রতিদ্ধন্ধিতা করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও দুই বারের নির্বাচিত দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল অাহমদ৷ তৃর্ণমূল অা.লীগ ভোটাররা মনে করেন প্রার্থী নির্বাচনে অা.লীগ ভূল করলে জামায়াত সমর্থীত প্রার্থীই অা.লীগের ঘাটিতে হানা দিয়ে হেট্টিক করবে৷
অপরদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন উপজেলা অা.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল অাহমদ, সাধারনণ সম্পাদক লিয়াকত, সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুহিবুর রহমান মেম, সাবেক অাইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. অালতাফ হোসেন৷ এছাড়া সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে রয়েছেন জামায়াত সমর্থীত বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল অাবেদীন৷ যদি বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেনা এমন সিদ্ধান্তের পরও উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য তৎপর রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনায়েত উল্লাহ, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অাব্দুল মতিন, জেলা পরিষদের সদস্য সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুহিবুল হক মুহিব, চিকনাগুল ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান এবিএম জাকারিয়া, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের অাহবায়ক অালতাফ হোসেন বেলার, জাতীয় পাটি থেকে মোঃ ইসমাইল অালী অাশিক নাম শুনা যাচ্ছে৷
মনোনয়ন পাওয়ার অাগেই প্রার্থীরা ইতোমধ্যে সাধারন ভোটারদের নিজেদের পক্ষে টানতে বিরামহীন গণসংযোগ, প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
জনসংযোগের শীর্ষে রয়েছেন অাওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল অাহমদ৷ সার্বিক দিক বিবেচনা করে দেখা যায় উপজেলা নির্বাচনের শুরুতেই কামাল ও জয়নাল দুজনই উপজেলা নির্বাচনে অালোচনার কেন্দ্র বিন্দু৷
এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির অাহমদ বলেন- বর্তমান সরকার স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকার তাই অামি অাশাবাদি অাল বদর, অাল সামস, যুদ্ধাপরাধী ও রাজেকারদের সন্তানদের হাতে স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা তুলে দিবে না৷ এছাড়া অা.লীগের মনোনয়ন দৌড়ে থাকা এম লিয়াকত অালী একজন রাজাকার সন্তান, তাছাড়া চিহ্নিত ভূমিখেকু, পাথরখেকু, দূর্নীতিবাজ, দখলবাজ, গনমাধ্যমকর্মী নির্যাতনকারী বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক বার মিডিয়া তার অপকর্ম তুলে ধরেছে ফলে অা.লীগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে এবং হচ্ছে৷ এমন ব্যক্তিকে দলের টিকেট দিলে মুক্তিকামী সাধারন জনগন তা বর্জন করবে৷ তার মতে উপজেলা অা.লীগের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একজন তৃর্ণমুল থেকে রাজনীতি করে উঠে অাসা জননন্দীত নেতা, সাধারন মানুষের সুখে দুঃখে যাকে কাছে পেয়ে থাকে এবং শিক্ষিত, উদীমান রাজনীতিবিদ এলাকায় রয়েছে ব্যাপক জন সমর্থন থাকেই অা.লীগ মনোয়ন দিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবে বলে জানান৷
সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক শাহেদ অাহমদ বলেন- অামি মনে করি দল প্রার্থী নির্বাচনে কোন ভূল সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে না৷ দল এমন একজন প্রার্থী নির্বাচন করবে যার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই এবং জনসমর্থন রয়েছে এছাড়া দলের জন্য ও দেশের জন্য কাজ করবে৷ দল যাকে যোগ্য মনে করবে অামরা তার পক্ষে কাজ করব৷
নাম প্রকাশে কয়েকজন শিক্ষক বলেন- অামরা মনে করি অা.লীগ সব সময় তাদের সিদ্ধান্ত নিতে ভূল করেনি এবারও তার ব্যতিক্রম করবে না৷ ক্লিন ইমেজদারী এবং সাধারন জনগনের সাথে সম্পৃক্ত কোন ভাবে বির্তকিত নয় এমন প্রার্থীর হতে স্বাধীনতার প্রতিক নৌকা তুলে দিবে৷
এব্যাপারে কথা হলে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা অা.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল অাহমদ জানান- আমি আমার দলের জন্য রাজনীতি করি, আওয়ামী লীগ আমার শেষ পরিচয়, নৌকা অামার ঠিকানা। আমি বিশ্বাস করি নেতাকর্মী আর জনগণ আমার সঙ্গে অতিতে ছিলেন বর্তমানেও আছেন। তারা আমাকে পছন্দ করে, আমি তাদের মতামতের ভিত্তিতেই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। মনোনয়নের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী, আমার বিশ্বাস তৃণমূল থেকে শুরু করে সবাই যদি আমাকেই নৌকার মাঝি হিসেবে মনোনীত করে ইনশাআল্লাহ নৌকার সুনিশ্চিত বিজয়ী হবে। আমি মনে করি সবাই আমাকে সহযোগিতা করবেন।
এদিকে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন জানান- অামি দুইবার সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে জনগনের ভালবাসা নিয়েই নির্বাচিত হয়েছি৷ নির্বাচিত হয়ে তাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন করেছি৷ অামি অাশাবাদী এবারও জনগন তাদের ব্যালেটের মাধ্যমে অামাকে নির্বাচিত করবে৷ আমি প্রার্থী হিসেবে আছি মনোনয়নপত্রও জমা দিব। ফেয়ার নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্ট হয় তাহলে আমিই তৃতীয় বারের মত বিজয়ী হবো।
উপজেলা বিএনপি একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাসীরা জানান- হাই কমান্ড ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে না যাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে এজন্য অামরা প্রহশনের নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছি না৷ তবে দল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অামাদের কাউকে মনোনিত করে তাহলে অামরা তার পক্ষে কাজ করব৷

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মকর্তাদের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিএসএফ প্রতিনিধি দলটি সকালে চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে পৌঁছালে ৪৯ বিজিবি কর্মকর্তারা তাদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। পরে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে তাদের সভা স্থলে নেওয়া হয়।
বৈঠকে বিএসএফের ১২ সদস্যের নেতৃত্ব দেন বিএসএফের ডিআইজি মৃদুল সনোয়াল। বিজিবির পক্ষে ছিলেন ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল হক ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুনায়েদ।

বিজিবি সূত্র জানা গেছে, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারী থেকে ২০ ফেব্রুয়ারী ৩ দিনের জন্য রিজিওন কমান্ডার পর্যায়ে যশোরে সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এটা তার প্রস্তুতিমূলক সভা। ইতোমধ্যে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের যৌথ টহলে চোরাচালান ও পাচার কার্যক্রম পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

এ সভার মধ্য দিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে যেমন সৌহার্দ্য মনোভাব বাড়বে, তেমনি উভয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে সীমান্ত সুরক্ষায় আর বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানা যায়।

বেনাপোল থেকে এম ওসমান : বেনাপোল সীমান্ত থেকে সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন পরিচয়দানকারী শংকরাজ মজুমদার (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার সকালে বেনাপোল সীমান্তের চেকপোস্ট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে থেকে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। আটক শংকরাজ বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর গ্রামের শংকর মজুমদারের ছেলে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র যশোর-৪৯ ব্যাটালিয়নের বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ক্যাম্পের সুবেদার মনির হোসেন জানান, সকালে ওই যুবক চেকপোস্ট শুন্য রেখায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তার স্বজনদের অপেক্ষায়। এ সময় তাকে একটু সরে দাঁড়াতে বললে তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন পরিচয় দেয়। এসময় তার কথা বার্তায় সন্দেহ মনে হলে ক্যাম্পে ডেকে নিয়ে জিঞ্জাসা করা হয়।

পরে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তিনি মিথ্যা পরিচয় দিয়েছেন। আটককৃতের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

সাদিক আহমদ নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পেশাগত  কাজের প্রতি সততা নিষ্ঠা ও জঙ্গি তৎপরতা কঠোরভাবে দমন ও সর্বোচ্চ সাহসিকতার কারনে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল, বিপিএম, এবার রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত হয়েছেন। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে এই পদক গ্রহণ করবেন  তিনি।

অপরাধ দমনে সাহসিকতা, সেবা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে সারা দেশে ৩৪৯ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হয়। আজ মঙ্গলবার উপসচিব ফারজানা জেসমিনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বছর পুলিশের ৪০ জন সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ৬২ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক দেয়া হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণে প্রশংসনীয় অবদান রাখায় ১০৪জনকে বিপিএম-সেবা ও ১৪৩ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পিপিএম-সেবা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী পুলিশের সেরা কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতিবছর বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভূষিত করেন পেশাগত জীবনে সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ ও সেবামূলক কাজের বিবেচনায় এ পদক দেয়া হয়।

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ঃ চুনারুঘাটের কালাপুর শাহ-জালাল আজিজিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসার দাখিল পরিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে বার্ষিক  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয় ।
গতকাল সোমবার  সকাল ১১ টায় মাদ্রাসা প্রাংগনে মাদ্রাসা প্রতিষ্টাতা শেখ মোঃ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আহলে  সুন্নাত ওয়াল জমাআতের সাধারন সম্পাদক ও আদমপুর সুন্নীয়া মাদ্রাসার সুপার মাওঃ আব্দুল কাইয়ুম তরফদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক এস এম সুলতান খান, সহ সুপার মাওঃ মুশাহিদুল ইসলাম, ইমাম হুসাইন( রাঃ) সুন্নীয়া টাষ্টের চেয়ারম্যান হাফেজ শেখ  মোঃ তাজুল ইসলাম,মাওঃ শেখ মোঃ সাহিদুল ইসলাম,  শিক্ষক মাওঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাস্টার মোঃ মুখলিছুর রহমান প্রমূখ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc