Monday 26th of October 2020 01:19:35 AM

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে আমন চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নড়াইল সদর উপজেলা খাদ্যগুদামে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা এ চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা সেলিম, সদর উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম, মিল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারিসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার মোট ৫০জন মিল মালিকের নিকট থেকে প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকা দরে মোট ২ হাজার ৪শ’ ৩০ মেঃ টন চাল সংগ্রহ করা হবে।

উদ্বোধনী দিনে মোট ৬০ মেঃ টন চাল সংগ্রহ করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি -২০১৯ পর্যন্ত এ সংগ্রহ অভিযান চলবে।

সাইফুর রহমান চৌধুরীঃ মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী, জেলা বিএনপি সভাপতি ও প্রয়াত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের পুত্র নাসের রহমান মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন রোডে ধানের শীষের সমর্থনে গণসংযোগ করেছেন।

১৭ ডিসেম্বর সোমবার মৌলভীবাজার জেলা,পৌর, সদর উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে গণসংযোগ করেন নাসের রহমান।

তিনি ভোটারদের কাছে বর্তমান সরকারের দূর্নীতি, শেয়ারবাজার কেলেংকারি, হলমার্ক কেলেংকারি, সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, ডেসটিনি, বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরি, কয়লা খনিতে দূর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, শিক্ষাখাতে ব্যাপক অনিয়ম, গুম, খুন, বিনা বিচারে হত্যা, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এবং ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।

এসময় নাসের রহমানের সাথে ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ুন, সাংগঠনিক সম্পাদক বকসি মিসবাউর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ  আয়াস আহমদসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল, জাসাসসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপনের তীব্র প্রতিবাদ

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) সিলেট জেলা সভাপতি কুতুব উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালিক রাজু এক যুক্ত বিবৃতিতে বেসরকারী এমপিও ভুক্ত  শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য অতিরিক্ত কর্তনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন নির্বাচনের মাত্র ১২ দিন পূর্বে শিক্ষক-কর্মচরীদের আন্দোলনের ফলে বাতিল হওয়া অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য অতিরিক্ত (২% + ২%) ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূণরায় ১লা জানুয়ারি ২০১৯ থেকে কার্যকর করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) মনে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে বিনা শর্তে শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা প্রদান করেছেন পাশাপাশি অবসর ও কল্যাণের জন্য ৭৭৭ কোটি টাকা প্রদান করে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন সেখানে নতুন করে অতিরিক্ত ৪% কর্তনের পরিপত্র জারি করা সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা স্বার্থান্বেষী মহলের নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত  করার এবং শিক্ষকদের ক্ষেপিয়ে তোলার ষঢ়যন্ত্রেরই অংশ। তাই আমরা অবিলম্বে এই প্রজ্ঞাপন স্থগিত করত: বাতিলের জোর দাবি জানাছি।প্রেস বার্তা।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কবিরুল হক মুক্তির সমর্থকদের ওপর হামলা মামলার আসামি কালিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) ভোরে কালিয়ার জোঁকা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে গত শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাতে কালিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খান শামীম রহমান বাদী হয়ে নড়াগাতি থানায় ৭৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত দু’দিনে বিএনপির ১৭ নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নড়াগাতি থানার ওসি আলমগীর কবির।
গত ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কালিয়া উপজেলার খাশিয়াল বাজার এলাকায় নড়াইল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের হামলায় খান শামীম রহমান, খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খান রাসেল সুইটসহ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পাঁচ সমর্থক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, কালিয়ার খাশিয়াল বাজার এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণাকালে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান শামীম রহমান কটূক্তি করেন। তবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকেরা অতর্কিত ভাবে কালিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা খান শামীম রহমান ওপর হামলা চালায়।

কাঙ্খিত উন্নয়নের জন্য মোমবাতিতে ভোট দিনঃএম এ মতিন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও কেন্দ্রীয় মহাসচিব জননেতা মাওলানা এম এ মতিন আজ ১৭ ডিসেম্বর রবিবার বিকালে আনোয়ারার বারখাইন ইউনিয়নের ঝিওরী মাজার গেইট, হাজির হাট, শিলাইগড়া, সৈয়দকুচাইয়া, বাদামতল, ভরাপুকুর পাড় ও পূর্ব বারখাইনে পথসভায় ও উঠান বৈঠকে মাওলানা এম এ মতিন বলেন, আনোয়ারাবাসী কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্ছিত। বর্তমানে পুজিঁপতিরা রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার ফলে ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে, গরীবরা নিঃস্ব হচ্ছে।

গরীব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির দুঃখ বুঝতে ও মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মধ্যবিত্ত থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করুন। তিনি আরো বলেন, ইসলামী ফ্রন্ট সাধারণ জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে চায়। তা কাঙ্খিত উন্নয়নের জন্য মোমবাতিতে ভোট দিন।

গণসংযোগকালে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ফ্রন্ট দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মাষ্টার আবুল হোসেন, সাবেক উপজেলা সভাপতি নাসির সিদ্দীকী, মাষ্টার ইয়াকুব আলী, আনোয়ারা উপজেলা সভাপতি কাযী মাওলানা বদরুজ্জামান নঈমী, সহ-সম্পাদক মোরশেদ আলম, হাফেয আবদুর রহিম, মুহাম্মদ ইছমাঈল, মুহাম্মদ জাকের, যুবনেতা মহিউদ্দিন, এনাম রেযা, , মুনিরুল ইসলাম, আবদুল মালেক সহ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার জেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ।

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ছাতকে নাশকতার মামলায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠন জামায়াত ইসলামীর দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ছাতক শহরের রহমতবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আকবর আলী উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের শেওতরপাড়া গ্রামের মদরিছ আলীর ছেলে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনসুর আহমদকে সিংচাপইড় ইউনিয়নের সিংচাপইড় গ্রামের আশরাফুল হকের পুত্র।
দুপুরে রহমতবাগ এলাকায় বিএনপির একটি নির্বাচনী সভা থেকে ফেরার পথে ছাতক থানার ওসির নেতৃত্বে তাদের গ্রেপ্তার করে তাৎক্ষনিক সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তাদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

ছাতক (সুনামগঞ্জ )প্রতিনিধি: সুরমার নদী ভাঙনে ছাতকের মুক্তিরগাঁও-পীরপুর সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।গত সোমবার রা‌তে সুরমা নদী‌তে পাকা সড়ক‌টি ভে‌ঙ্গে পড়ায় ৮টি গ্রামবা‌সি অর্ধলক্ষা‌ধিক মানুষ চরম দু‌ভো‌গে শিকার হ‌চ্ছে  সুরমা নদী ভাঙন এখন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে।

উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাঁও এলাকায় নদী ভাঙন এখন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। ভাঙনের কারনে একা‌ধিকবার  যানবাহন চলাচল বন্ধ হলে ও এলাকাবাসীর অনুদান ও স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙন এলাকায় গাছ-বাঁশ ও বালির বস্তা ফেলে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু দু’সপ্তাহ ব্যবধানে ভাঙনে সড়কের বেশ কিছু পাকা অংশ ও একটি কালভার্ট গিলে নিয়েছে রাক্ষসী সুরমা নদী।

ফলে এলাকার ৫০ হাজার জনসাধারন পায়ে হেটে চলাচলেও চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয় ৮টি গ্রামবাসী ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

গত ১৬ বছর পূর্বে এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ছাতক উপজেলা সদর থেকে কালারুকা ইউনিয়নের পীরপুর পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের (এলজিইডি) অধীনে সাড়ে ৮কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়। সড়কের রাস্তা পাকা হওয়ার পর থেকে মুক্তিরগাঁও, হরিষপুর, মিরাপাড়া, শিমুলতলা, নানশ্রী, মৃর্তগাঁও, গৌরিপুর ও পীরপুর ও সিলেটের কোম্পনীগঞ্জ উপজেলার শিবপুর, গোফরাপুর ও দূর্গাপুর এলাকার প্রায় ৫০হাজার জনসাধারন টেম্পু, লেগুনা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা দিয়ে যাতায়াত করতেন। কিন্তু গত সোমবার নদী ভাঙনে সড়কের বেশ কিছু অংশ বিলিন হওয়ায় এ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় একবছর পূর্বে পানি সম্পদ মন্ত্রীর নির্দেশে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। নদী ভাঙন রোধে জরিপ কাজও করা হয়। কিন্তু এরপর আর কোন অগ্রগতি দেখা যায়নি।

গত সোমবার ভাঙন কবলিত এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, পাকা সড়কে ২টি অংশ দেবে গেছে। আরও ২টি পাকা  নীচের অংশের মাটি সরে যাচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে এই ২টি পাকা বিলিন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভাঙনের পাশ দিয়ে বিভিন্ন গ্রামের লোকজন আতংক নিয়ে পায়ে হেটে চলাচল করছেন।

গত তিন বছরে ভাঙ্গনে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩শতাধিক বাড়ি-ঘর নদী গর্ভে তলিয়ে গেছে। আরো নদী ভাঙ্গনের আশংকায় অজানা আতংকে রয়েছেন অসংখ্য পরিবার। নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে প্রায় ২শ’৫০ফুট দূরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গনের প্রভাবে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম হুমকির মূখে পড়েছে কয়েকটি শিক্ষা-প্রতিষ্টানসহ পার্শ্ববর্তী অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর। ভাঙ্গন রক্ষায় স্থানীয় লোকজন ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজেদের উদ্যোগে বেশ কয়েক লাখ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে বাঁশেঁর বেড়া ও বালির বস্তা ফেলেও কোন লাভ হয়নি। রাস্তার এক তৃতীয়াংশ এরই মধ্যে গিলে নিয়েছে সুরমা নদী।

স্থানীয় সা‌বেক মেম্বার নুরুল হক, ম‌হিলাসদস্য ফু‌লেছা বেগম ও আ‌রিফুজ্জামান জানান, নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে সড়কটি রক্ষায় এলাকাবাসী বিভিন্ন গ্রাম থেকে একাধিকবার কয়েক লাখ টাকা চাঁদা তুলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করেও সড়কটি রক্ষা করা সম্ভব হয়‌নি। এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে সরকারী ভাবে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা কবে হবে, এর কোন সঠিক জবাব কেউ দিতে পা‌রে‌নি।

মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া আয়োজিত সংরক্ষিত অঞ্চল ও এর জীববৈচিত্রের ছবি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘উইকি লাভস আর্থ (ডব্লিউএলই)’ এর চূড়ান্ত বিজয়ী তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের তিনটি ছবি।  চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী সেরা ১৫টি ছবির মধ্যে বাংলাদেশের আব্দুল মুমিনের তোলা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের একটি ছবি তৃতীয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে তার তোলা বন বাটনের অপর একটি ছবি অষ্টম এবং শাহেনশাহ বাপ্পির তোলা কাঠ শালিকের একটি ছবি ১২তম স্থান লাভ করেছে। অপরদিকে, রাশিয়ার একাতেরিনা ভাসেজিনার তোলা সাখালিন দ্বীপের ছবি ও ইলায়া তিমিনের তোলা রাশিয়ান আর্কটিক জাতীয় উদ্যানের ছবি যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে। চলতি বছর এ প্রতিযোগিতায় ৩২টি দেশের ৭ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী প্রায় ৯০ হাজার ছবি নিয়ে অংশগ্রহণ করে।

গত সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিক ভাবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। এবার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পর্বে ৩৭১ জন অংশগ্রহণকারী ২৮০০ ছবি জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে বিজয়ী সেরা ১০টি ছবি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হয়।

প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক নাহিদ সুলতান বলেন, ‘প্রতিযোগিতাটি বিভিন্ন দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উইকিপিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করে। ২০১৭ সালের প্রতিযোগিতায় আমাদের একটি ছবি ১১তম স্থান লাভ করেছিল। এ বছর একইসাথে ৩টি ছবি এমন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্থান করে নেওয়া অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে এ প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। আন্তর্জাতিক এ আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা প্রতিবছর মে মাসে বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো স্ব-স্ব সংরক্ষিত অঞ্চলের ছবি নিয়ে অংশগ্রহণ করে। এ বছর প্রতিযোগিতার সহযোগী হিসেবে ছিল ইউনেস্কোর বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ নেটওয়ার্ক। আন্তর্জাতিক ভাবে বিজয়ী সবগুলো ছবি দেখা যাবে-প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

সাইফুর রহমান চৌধুরীঃ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর  আনন্দঘন পরিবেশে ও  যথাযোগ্য মর্যাদায় বৃটেনের ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফের শাহ্‌জালাল বাংলা স্কুলের উদ্দ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস পালন উপলক্ষে স্কুল  সেন্টারে  গত ১৬ ডিসেম্বর রোববার  সকাল ১১ ঘটিকায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্কুল পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ আলী আকবর এর সভাপতিত্বে এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত পোগ্রামের শুরুতেই বাংলা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা সহ বিজয় দিবসের ওপর কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ফাইমা বেগম, শিক্ষিকা হানিয়া জাহান চৌধুরী ও শিক্ষিকা রুজি সিদ্দীকার সাবিক ব্যাস্থাপনায় আয়োজিত এই সফল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আক্তারুজ্জামান কুরেশী নিপু, শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার, এস এ খান লেনিন, এম এ মান্নান,  কয়সর আলী, আনকার মিয়া, আব্দুল মুমিন, আব্দুল মোত্তালিব, বেলাল আহমদ ও মিজানুর রহমান সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
পবিত্র কোরআান থেকে তেলাওয়াত করেন স্কুলের ছাত্র আড়ীব আলী, কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন সাফা, তামিম, আমরিন আমিনা,  শাকিল,  জুমানা, ইয়াসিন, সামিরা, রাউফ, সালমান, জেইনা, আমিরা, আবিদা, জুনায়েদ, জাহিন, জুমাইয়া, তানিশা, ছাফা, তামজিদ ও আদিল সহ স্কুলের অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।
সভায় বক্তারা শাহজালাল বাংলা স্কুলের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করার জন্য ম্যানেজমেন্ট কমিটির  সবাইকে বিশেষ করে স্কুলের সেক্রেটারি ও শিক্ষিকা বৃন্দ এবং  সকল ছাত্র-ছাত্রীকে অশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে  সবার নিরবিচ্ছিন্ন সহযোগীতায় প্রিয় মাতৃভাষা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মতর বেঁচে থাকুক এই  কামনা সহ সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা জানান।  স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সেক্রেটারী মোহাম্মদ মকিস মনসুর ও  সভার সভাপতি আলহাজ্ব  আলী আকবর  সমাপনী বক্তব্যে নব প্রজন্মের  সন্তানদের  হাতে  মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষে  সবাইকে  এক যুগে কাজ করার আহবান জানিয়ে বলেন  আমাদের দেশপ্রেমের অনুভূতি, চিন্তা-চেতনা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। এ উন্নয়নে প্রবাসীদেরও ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা যাতে বজায় থাকে সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। প্রবাসীদের প্রত্যেককেই এক একজন ‘রাষ্ট্রদূত’ হিসেবে ভূমিকা রাখতে হবে।
আমাদের উচিৎ  নব প্রজন্মের  সন্তানদের  হাতে  মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষে  এক যুগে কাজ করা।
আমাদের নব  প্রজন্মের  সন্তানদের বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও অজন এবং বাংলাভাষা সম্মন্দে সম্মক ধারনা প্রদানের লক্ষে  আরও জড়ালো ভৃমিকা রাখতে হবে।
বংশের ধারায় আমাদের সন্তানরাও যেনো  মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সারাজীবন মানুষের সেবায় আত্মোৎসর্গ করতে পারে।  প্রজন্ম যাতে  কখনোই বিভ্রান্ত  না হয় সে জন্য মুক্তিযুদ্ধের  ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে হবে  আমাদের  প্রজন্ম থেকে  প্রজন্মে, এই হোক বিজয় দিবসে আমাদের দীপ্ত শপথ।

সাদিক অাহমেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম এর অফিসিয়াল ফেসবুক  “উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্রীমঙ্গল”  অাইডিতে সন্ধ্যা ৭ টায় একটি স্ট্যাটাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দাপ্তরিক নাম্বার ( ০১৭৩০৩৩১০৭২) এর হুবহু  নাম্বার থেকে কে বা কারা বিভিন্ন জনকে ইউএনও পরিচয়ে  কল দিচ্ছে বলে তিনি (ইউএনও) অভিযোগ করে জনগণকে সতর্ক করেছেন।নিম্নে হুবুহু স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

“দৃষ্টি আকর্ষণ 
সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক যাচ্ছে যে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রীমংগল এর দাপ্তরিক মোবাইল নম্বর (০১৭৩০৩৩১০৭২)থেকে কে বা কারা ইউ. এন.ও পরিচয়ে বিভিন্ন জনকে ফোন করছে বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যাদেরকে ফোন করা হয়েছে, সে ফোনকলসমূহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর উল্লিখিত দাপ্তরিক নম্বর থেকে করা হয়নি। এতে প্রতীয়মান হয় দাপ্তরিক নম্বরটি ক্লোন বা অন্য কোন উপায়ে কে বা কারা ব্যবহার করছে। এজন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রীমংগল পরিচয়ে উক্ত দাপ্তরিক নম্বর বা অন্য কোন নম্বর থেকে কেউ ফোনে কথা বলতে চাইলে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে কথা বলার জন্য অনুরোধ করা হলো”।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম এর সাথে আমার সিলেট প্রতিনিধির কথা হলে তিনি বলেন-  “বিষয়টি ক্লোন কিনা অন্য কোনো টেকনিক্যাল বিষয় তা অামি নিশ্চিত বলতে পারছি না।তবে হুবহু নাম্বার থেকে দুই জায়গায় ফোন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পেয়েছি।তাই অধিকতর নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় থানায় জিডি করা হয়েছে।জিডি নাম্বার-১০৫৯।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি : সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন, সমাজের বিবেক। সমাজের মানুষের মাঝে চিন্তা-চেতনা, বিবেক-বুদ্ধি ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে গণমাধ্যম। আর গণমাধ্যম পরিচালিত হয় সাংবাদিকদের দ্বারা। সাংবাদিকরা সমাজের, দেশের সার্বিক উন্নয়ন  গণমাধ্যম দ্বারা সমাজের মানুষের কাছে, দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে মানুষের বোধ শক্তিকে সুদৃঢ় করে।
তেমনই বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক উন্নয়ন দেশের জনগনের সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব গণমাধ্যম কর্মীদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক উন্নয়ন দেশের জনগনের সামনে উন্মোচিত হলে আবারও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনার জন্য মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকারকে ক্ষমতায় আনবে। যশোরের নাভারণে হক কমিউনিটি সেন্টারে শার্শা উপজেলার সাংবাদিকদের সাথে রোববার সন্ধ্যায় আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে  ৮৫ যশোর-১ শার্শা আসনের মহাজোটের নৌকা প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব শেখ  আফিল উদ্দিনের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে একথা বলেন। 
শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জুর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, শার্শা ইউনিয়ন পষিদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সরদার প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান। 

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ যুগোপযোগী অধুনিক মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নবদূত পাঠশালার উদ্বোধন হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর(রবিবার) এদিন বেলা আড়াইটায় উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ভাসানীগাঁও এলাকায় খাঁন মোহাম্মদ হুসাইনের স ালনায় ও সমাজসেবী আবদাল হোসেনর সভাপতিত্বে পাঠশালা প্রাঙণে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য ও আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছির, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার কমলগঞ্জ প্রতিনিধি শাব্বির এলাহী,কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাকের আলী সজিব, সাংবাদিক মোক্তাদির হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা জাকির হোসেন পান্না ও সুমন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নবদূত পাঠশালার অধ্যক্ষ রোজিনা বেগম, শিক্ষক হারুনুর রশিদ প্রমূখ।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের বেনাপোলে ফোরকান (৪৩) নামে এক ভুয়া কাস্টমস কর্মকর্তাকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
সোমবার সকালে আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্টে ভারত থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে পরিবহন থেকে এ ভুয়া কাস্টমস কর্মকর্তাকে আটক করেছে বিজিবি। আটক ফুরকান ঢাকা লালবাগের জিসানের পুত্র।
বিজিবি জানায়, ভারত থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে আসা একটি পরিবহন বাস আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্টে আসার পর চেকিং এর সময় তার কথাবার্তা ও গতিবিধি বিজিবি সদস্যদের সন্দেহ হলে চ্যালেঞ্জ করলে তার কাছ থেকে চট্টগ্রাম কাষ্টমস হাউজের ভুয়া আইডি কার্ড, মোবাইল সেট, চাদর ও থ্রীপিচ পাওয়া যায়।
আমড়াখালী বিজিবি চেক পোষ্টের হাবিলদার সাফিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আটককৃত ফোরকানকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।

এম ওসমান,বেনাপোল : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হচ্ছে। সকালে উপজেলার কাশিপুরে বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ স্মৃতিস্তম্ভে, বেনাপোলের কাগজপুকুর বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে ও বাগআঁচড়ার বঙ্গবন্ধু স্মৃতিস্তম্ভে সবাই ফুল দিয়ে সুভেচ্ছা জানান।
 
বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ স্মৃতিসৌধে স্থানীয় উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সিরাজুল হক মঞ্জুর নের্তৃত্বে আওয়ামীলীগ নেতৃবিন্দ, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলর নের্তৃত্বে উপজেলা পরিষদ, যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হকের নের্তৃত্বে বিজিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এই স্মৃতি সৌধে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি সন্মান জানান ও দোয়া অনুষ্টিত হয়।

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নিখোঁজের ৩ মাস পর নবীগঞ্জের হাওর থেকে সুজনা বেগমের (২৯) কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরনের কাপড় শাড়ি ও ওড়না দেখে সুজনা বেগমের পরিবারের লোকজন তার দেহাংশ শনাক্ত করেন। 

 শনিবার সন্ধ্যায় ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কইখাই গ্রামের ইলিমপুর হাওর থেকে মৃতের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কইখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে ও সুজনার প্রেমিক সাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। 

সুজনা নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের তোলাফর উল্লার মেয়ে।

জানা যায়, চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর খালার বাড়ি সৈয়দপুর যাবার পথে নিখোঁজ হয় সুজনা। এ ব্যাপারে তোলাফর উল্লা ওই দিনই নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। শনিবার বিকেলে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কইখাই গ্রামের ইলিমপুর হাওরে স্থানীয় লোকজন মৃত মানুষের হাড় ও কাপড় দেখে পুলিশে খবর দেন।

নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী, ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কঙ্কাল, ওড়নাসহ পরনের কাপড় উদ্ধার করেন। এ সময় সুজনার পরিবারের লোকজন কাপড় দেখে হাড়গুলো সুজনার বলে শনাক্ত করেন।

সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে এক দল পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুজনার প্রেমিক সাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন।

সুজনার ভাই সাহিনুর রহমান জানান, সুজনার সঙ্গে সাহিন মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে সুজনাকে তারা অন্য এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেন। সুজনার ৪ বছরের এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পরও সুজনা ও সাহিনের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এমতাবস্থায় সুজনা নিখোঁজ হয় বলে জানা যায়।

জানা গেছে সুজনা নিখোঁজের পর তার পরিবারের দায়েরকৃত জিডির ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহিনকে আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc