Thursday 15th of November 2018 01:18:07 AM

“তাহিরপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধা সন্তানসহ ৫৫জনের বিরুদ্ধে মামলা,আটক-১৭,এলাকায় উত্তেজনা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন”

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে তাহিরপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক,মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ ৫৫জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১৭জনকে।
পুলিশ জানায়,গতকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে। এঘটনা সমাধান হলেও বিএনপি ও তার কর্মীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেবের বিরুদ্ধে তার বাস ভবননে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল,সদর ইউপি চেয়ারম্যান বুরহান উদ্দিন,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জলসহ ৫৫জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ১৭জনকে আটক করা হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান,ঐ ঘটনায় আমাকে ও আমাদের দলের নেতাকর্মীদের অন্যায় ভাবে মামলায় জরিয়েছে। মিছিল করেছে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। কিন্তু সেই বিক্ষোব মিছিল ও আমি সহ আ,লীগের অনেক সিনিয়র নেতাকর্মীরা এসে সবাইকেই শান্ত করি। এবং বিষয়টি মিমাংশা করার আশ্বাস দেই। এবং সেই অনুযায়ী কাজ করি। মিমাংশা হলে এরঅকার পরিবেশ শান্ত হয়। কিন্তু যারা মিছিল করেছে তাদের আটক ও মামলা না দিয়ে আমাকেসহ সবাইকে হয়রানী করা হচ্ছে।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নন্দন কান্তি ধর জানান,সরকারী বাসভবনে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগেই তাদের বিরোদ্ধে এসআই র্পাডন কুমার সিংহ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলার আসামীদেও মধ্যে ১৭জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
উল্লেখ্য,এলাকাবাসী সূত্রে আরো জানাযায়,উপজেলা সদরের বাজার সংলগ্ন পাঠলাই নদীর তীরে তাহিরপুরের ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেনের অটো রাইসমিল রয়েছে। শনিবার(০৩,১১,১৮)রাতে মিলের মাঠে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাথর ও বালু এনে রাখছিলেন। এসময় বেলায়েত হোসেনের অনুপস্থিতিতে তার শ্রমিকদের সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের শ্রমিকদের মধ্যে এনিয়ে কথা কাটাকাটি হলে তারা রাতে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে এসে বিষয়টি জানায়।

এতে ক্ষুব্দ হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূর্ণেন্দু দেব রাইস মিলের মালিক বেলায়েত হোসেনকে ডেকে এনে শারীরিক ভাবে লাি ত করেন। উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সামনে থেকে পরে তাকে দুজন লোক এগিয়ে এসে তাঁকে সরিয়ে দিলে তিনি সেখান থেকে চলে যান ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন। এই ঘনা জানাজানি হলে,নিরীহ ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেনকে নির্যাতনের প্রতিবাদে ইউএনও’র অপসারনের দাবীতে ঝাড়– মিছিল করে বিক্ষুব্দ জনতা।

রবিবার সকাল ১১টায় বিক্ষুব্দ জনতার জাড়ু মিছিলটি উপজেলা সদরের আব্দুজ জহুর চত্বর থেকে শুরু করে তাহিরপৃুর বাজার ঘুরে এসে উপজেলা পরিষদে আবারো জড়ো হয় এবং ঝাড়ু উছিয়ে অবিরত ইউএনওর অপসারন চেয়ে মিছিল করতে থাকে। মিছিলের সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে দ্রুত এসে উপস্থিত হন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল,তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর,উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি আলী মর্তুজা,তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন,উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিনসহ এলাকার গন্যমান্যসহ অনেকেই।

এই সময় উত্তেজিত জনতাকে তারা স্বান্তনা দিয়ে এই বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির করার জন্য আশ্বস্থ করলে উত্তেজিত বিক্ষুব্ধ জনতা শান্ত হয়। পরে উল্লেখিত ব্যাক্তিদের উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী ইউএনওর বাসভবনে বসে এর মিমাংশা হয়। এবং ভুল বোঝা বুঝির অবশান ঘটে। আর ভুলের জন্য ইউএনওর দুঃখ প্রকাশ করেন।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে আসামপাড়া আদর্শগ্রাম কোয়ারীতে বালু পাথর উত্তোলন করাকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের সাথে বিজিবি‘র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ শ্রমিক আহত হয়, প্রতিবাদে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক প্রায় ৩ ঘন্টা অবরোধ করে রাখে উত্তেজিত শ্রমিকরা। আজ মঙ্গলবার বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিকের ডাকে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার একমাত্র পাথর কোয়ারী শ্রীপুর আদর্শগ্রাম। পাথর কোয়ারীতে বিভিন্ন গ্রুপে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মরত আছে। তার মধ্যে ৫ নভেম্বর সোমবার দুপুর ১টায় প্রতিদিনের ন্যায় ট্রাকে পাথর লোড করেত যায় বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের আদর্শগ্রাম ইউনিটের শ্রমিকরা। পূর্ব কোন বাধাঁ ছাড়া ৪৮ বিজিবি‘র শ্রীপুর ক্যাম্পের জোয়ানরা সাধারন শ্রমিকের উপর হামলা চালায়। এতে বিজিবির জোয়ানদের লাঠির আঘাতে আহত হয় বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এসময় গুরুত্বর আহত হয় উপজেলার ডুলটির পাড় গ্রামের মুমিনুল হক এর ছেলে আব্দুল হান্নান (৩০), আদর্শগ্রামের সৈয়দ মিয়ার ছেলে সাইফুল আলম (২৮), গুচ্ছগ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ বিলাল(২৯) ও আদর্শগ্রামের আব্দুর রব এর ছেলে মনজু মিয়া(২৯)।

বর্তমানে আহতরা জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছে, অন্যদের নাম জানা যায়নি। হামলায় প্রায় ৫০টি বেলাচা ভাংচুর করে শ্রীপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা। শ্রমিকের উপর বিজিবির হামলার খবর দ্রুত উপজেলায় ছড়িয়ে পড়লে আসামপাড়া আর্দশগ্রাম এলাকায় জড়ো হয় বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন রেজী নং-চট্ট-১৯০৯ এর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা। বিজিবির হামলার প্রতিবাদে দুপুর ২টায় আদর্শগ্রাম এলাকায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ করে হামলার ন্যায় বিচার দাবী শ্রীপুর ক্যাম্পের সদস্যদের অপসারন এবং আহতদের সুচিকিৎসার দাবী জানায়।
তারা আরও বলেন- আমরা শান্তি প্রিয় পাথর শ্রমিক দীর্ঘ দিন হতে পাথর লোড-আনলোড পেশায় কাজ করে যাচ্ছি। আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে কখনো এই সংগঠনের অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। শ্রীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা রাতে অর্থের বিনিময় বিজিবি সীমান্ত এলাকা হতে পাথর আহরনের সুযোগ করে দেয়। আমরা আমাদের ভূখন্ডে পাথর লোড করতে গেলে বিজিবি হামলা চালায়। আমরা সুষ্ট বিচারের দাবীতে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ করি। অবরোধের ফলে রাস্তার উভয় পাশে যাত্রীবাহী, মালবাহী সহ পর্যটকবাহী কয়েক হাজার গাড়ী আটকা পড়ে।
এদিকে অবরোধের ঘটনার সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পুলিশ প্রেরণ করা হয়। ঘটনার খরব পেলে বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রব, ট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের জৈন্তাপুর আ লিক কমিটির সভাপতি মোঃ নুরু মিয়া, সহ বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং এলাকার গন্যমান্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান ঘটনাস্থলে যান এবং আন্দোলনকারী শ্রমিকনেতাদের নিয়ে আলোচনায় বসে ঘটনার সুষ্ট সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা সড়ক হতে অবরোধ তুলেনেয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এবিষয়ে শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুর এলাহী সম্রাট ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রব জানান- আমাদের সংগঠনের সদস্যরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এছাড়া আমার সংগঠনের সদস্যরা গর্ত হতে কিংবা সীমান্ত হতে বালু পাথর উত্তোলন করে না। তারা শুধুমাত্র ট্রাকে পাথর বোঝাইয়ের কাজ করে। বিজিবির এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং শ্রীপুর ক্যাম্পের সকল সদস্যদের প্রত্যাহার দাবী করেন একই সাথে আহতদের সুচিকিৎসা এবং তাদের বেলাচার ক্ষতিপুরন দাবী করেন। অন্যতায় তারা কঠোর কর্মসূচী দেবেন। এজন্য আমরা সংগঠনের জরুরী বৈঠক আহবান করেছি।
জৈন্তাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান বিজিবি কর্তৃক হামলার ও বেলচা ভাংচুরের ঘটনার বিষয় স্বীকার করে তিনি জানান- আমি নির্বাহী স্যারের আদেশ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা করে সুষ্ট বিচার পাওয়ার আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা সড়ক হতে তাদের অবরোধ তুলে নেয়। তিনি আরও বলেন শান্তিপ্রিয় এলাকায় অতিতে এ ধারনের কোন ঘটনা ঘটেনি আশা করি তাদের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমরা সুষ্ট বিচার পাব।
এবিষয়ে ৪৮ বিজিবির শ্রীপুর ক্যাম্পে মোবাইল ফোলে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও ফোন রিসিভ হয়নি।

এম ওসমান: প্রবীণ রাজনীতিক ও বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রীর লাশ সোমবার ৩টার দিকে যশোর এসে পৌছেছে। তাকে এক নজর দেখার জন্য তার বাসভবন যশোরের ঘোপে আত্মীয়-স্বজন, দলীয় নেতা-কমীদের উপচেপড়া ভিড় হয়। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন অনেকে।
বা’দ আছর যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাযা শেষে কারবালা গোরস্থানে তরিকুল ইসলামকে দাফন করা হয়।

রোববার বিকেল ৫টায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তরিকুলের বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বলে জানান শায়রুল।

সাবেক এই মন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তথ্য মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন তরিকুল ইসলাম।

যশোর-৩ আসন থেকে চার বার নির্বাচনে জিতে সংসদে যাওয়া তরিকুল ইসলাম চারদলীয় জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তরিকুল ইসলাম ছাত্র জীবনের বাম রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি জিয়াউর রহমানের সময়ে বিএনপিতে যোগ দেন।

অসুস্থতার কারণে গত কয়েক বছর ধরে দলীয় কার্যক্রমে অনেকটাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন তরিকুল। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে শেষবার তিনি অংশ নেন গত ফেব্রুয়ারিতে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে।

এম ওসমান, বেনাপোল: বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যমানের ২ টি স্বর্ণের বারসহ পাসপোর্ট যাত্রী শহিদুল ইসলাম ইসলাম (২৫) নামে একজন স্বর্ন পাচারকারীকে আটক করেছে । সে শরিয়াতপুর জেলার জাজিরা থানার কুনদেচর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
সোমবার (০৪ নভেম্বর ) সকাল ৯টার  সময় ভারতে প্রবেশ এর আগে সন্দেহ জনক হলে তাকে আটক করে শুল্ক গোয়েন্দার সদস্যরা। তার পাসপোর্ট নম্বর বিপি ০০৮৯২৭০।
বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দারা জানান, পাসপোর্ট যাত্রী শহিদুল ইসলাম ভারতে যাওয়ার জন্য প্যাসেন্জার টার্মিনালে অবস্থিত স্ক্যানার মেশিনে তার ব্যাগ স্ক্যান করে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করে ভারতে প্রবেশের জন্য রওনা দিলে শুল্ক গোয়েন্দাদের তার গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয়। এ সময় তাকে চেকিং রুমে নিয়ে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ২ টি সোনার বার পায়। এ সময় শহিদুল ইসলাম কে আটক করে শুল্ক কর্তপক্ষ।
শুল্ক গোয়েন্দার রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ আকবর হোসেন ১২ লাখ টাকা মূল্যমানের ২ টি সোনার বারসহ শহিদুল ইসলাম নামে একজন স্বর্ন পাচারকারী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান উদ্ধারকৃত সোনারবার সহ তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে ।

প্রিতম পাল,শ্রীমঙ্গল থেকেঃ ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শ্রীমঙ্গলে ঝঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখাসহ নানা অপরাধে জরিমানা ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৪অক্টোম্বর) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আল-আমিন এর নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়।

শহরের ভানুগাছ রোডস্থ পানসি রেস্টুরেন্টকে জরিমানা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ।

অভিযানে ওজনে কম দেওয়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হোটেলে খাদ্য তৈরি করা, মূল্য তালিকা না রাখা, খাদ্য পণ্যের প্যাকেটের গায়ে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না লেখা, একই মুরগির খাাঁচায় দেশী মুরগি ও পাকিস্তানী মুরগি রেখে বিক্রি করা, বিস্ফোরক আইনের শর্ত লঙ্ঘনকরে ঝঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রাখাসহ বিভিন্ন অপরাধে এ জরিমানা করা হয়।

ব্যাটকারা বা ইলেকট্রিক স্কেলে ওজন কম থাকলে পণ্যের ওজন ঠিক থাকবে কিভাবে ?

এসময় পানসী রেস্টুরেন্টকে ১৫ হাজার টাকা, মেসার্স রাহি এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা, মহিউদ্দিনের মাছের দোকানকে ৫শো টাকা, লোকোচ মিয়ার মুরগির দোকানকে ৭ শো টাকাসহ মোট ১৮ হাজার ২শো টাকা জরিমানা করা হয়। শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডেস্ক নিউজঃ আ’লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে বা কুটুক্তি করলেই কএই উপমহাদেশে কওমী শিক্ষা ধারাই হলো প্রথম শিক্ষা ব্যবস্থা। তাই দ্বীনি শিক্ষার মানুষেরা এদেশে কোনোদিন অবহেলিত হবেন না। কওমী শিক্ষার্থীদের দাঁড়াতে সরকার সব রকম সহায়তা করবে। আর সত্যিকার ইসঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। আমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না।

৪ নভেম্বর রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাইআতুল উলইয়া আয়োজিত “শুকরানা মাহফিলে” তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক অপপ্রচার হয়। কোনও অপপ্রচার বিশ্বাস করবেন না। লামে বিশ্বাসীরা সন্ত্রাসী হয় না। যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, তারা ইসলামে বিশ্বাস করে না। তাদের কোন ধর্ম নাই।

কওমি ওলামা-মাশায়েখের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,সামনে নির্বাচন। আল্লাহ যদি আমাকে আবার ক্ষমতায় আনেন, তাহলে দেশের খেদমত করব। ক্ষমতায় না আনলে কোন আফসোস নেই। কারণ আমি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, জনগণের জন্য কাজ করি। আমি একেবারে এতিম। আমরা দু’টি বোন আছি। আমাদের ছেলে মেয়েদের জন্য দোয়া করবেন। যেন আল্লাহ আমাদের ভালো রাখেন। সামনে নির্বাচন। সবাই দোয়া করবেন। গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক শুকরানা মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

উপস্থিতদের একাংশ

‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এই শুকরানা মাহফিলের আয়োজন করে। কওমি মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তরের স্বীকৃতি দেওয়ায় এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ ঘিরে ব্যপক প্রস্তুতি এবং প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে ব্যপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। ইসলাম ও আলেম সমাজের জন্য বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করি। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিশ্ব ইজতেমার জন্য টঙ্গীতে জায়গা দিয়েছিলেন। আজকের কওমি আলেমরা সবচেয়ে বড় কাজ করেন। তারা এতিমকে আশ্রয় দেন, গরীবের ছেলে মেয়েদের আশ্রয় দেন। এর চেয়ে বড় কাজ আর কি হতে পারে। এতিমরা যেন আশ্রয় পায়, তারা পড়ালেখা করে যেন কোথাও দাঁড়াতে পারে আপনারা এই বড় কাজটা করছেন। কিন্তু জাতির জনক সেটা করতে পারেননি। ১৯৭৫ সালে আমি পরিবারের সবাইকে হারিয়েছি। ১৯৭৭ সালে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা কওমির স্বীকৃতি দেওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি অবাক হয়েছিলাম।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা অপপ্রচার হচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই অপপ্রচার রোধ করার জন্য আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করেছি। কেউ অপপ্রচার চালালে এই আইনের মাধ্যমে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। উপস্থিত আলেম ও কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে নানারকম অপপ্রচার হয় এ সব অপপ্রচারে আপনারা কান দেবেন না। যারা অপপ্রচার করবে তাদের আমরা উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দেব। আমাদের ধর্ম ইসলাম ধর্ম এবং নবী করিম (সা.) সম্পর্কে কেউ কোনো অবমাননাকর কথা বললে, আইন দ্বারাই তার বিচার হবে। আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নেব না। আইনের মাধ্যমে তাদের বিচার করে উচিত শিক্ষা দিয়ে দেব, যাতে তারা কোনোভাবে এ ধরণের অপপ্রচার চালাতে না পারে। তিনি বলেন, যারা দ্বীন ইসলামের খেদমত করছেন, তাদের মধ্যে উপস্থিত হতে পারা একটা সৌভাগ্যের বিষয়। আমাকে যখন আল্লামা শফী সাহেব জানালেন, এই বিল পার্লামেন্টে পাস হওয়ায় তিনি সংবর্ধনার আয়োজন করবেন। আমি বললাম, সংবর্ধনা আমার জন্য না, এটা হবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা। আমরা এইটুকু যে করতে পেরেছি, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করতে চাই।
ইসলাম শান্তির ধর্ম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ইসলাম ধর্ম হচ্ছে শান্তি আর ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। ইসলাম ধর্ম মানুষকে শান্তির পথ দেখায়। আর সেই দ্বীন শিক্ষা যারা দেয় তারা কেন অবহেলিত থাকবে। কাজেই আলেমদের কখনো অবহেলিত থাকতে দেওয়া যায় না।
বঙ্গবন্ধু ইসলামী শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করেছেন উল্লেখ করে স্বাধীনতার পর ইসলাম শিক্ষার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাবার কাছ থেকে সব সময় এটাই শিখেছি। আমার পিতা আমাদের এই শিক্ষাই দিয়েছেন, মানুষের সেবা করো। আর সাধারণভাবে জীবনযাপন করো। আমরা সেই শিক্ষাই পেয়েছি। তিনি বলেন, পাক-ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের শিক্ষা গ্রহণ করবার একমাত্র প্রথম উপায়ই ছিল কওমি মাদরাসা। কওমি মাদরাসার মধ্য দিয়েই মুসলমানরা শিক্ষা গ্রহণ শুরু করে। পাশাপাশি কওমি মাদরাসা যারা সৃষ্টি করেছিলেন তারা ওই ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিলেন। কাজেই তাদের সব সময় আমরা সস্মান করি।
‘আমি সব সময় আল্লাহকে বিশ্বাস করি’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাসিত জীবনের পর যখন বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, তখন খুনিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি বিচার চাইতে পারি না। আমার বিচার চাওয়ার অধিকারও ছিল না। কারণ আইন করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বন্ধ করা হয়েছিল। তারপরও আমি বাংলাদেশের জনগণ এবং উপরে আল্লাহর উপর ভরসা করে আমাদের দল আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্বাচিত করলে দেশের মাটিতে ফিরে আসি। আমি শুধু আল্লাহর উপর ভরসা করেই চলে এসেছিলাম। ভেবেছিলাম, আল্লাহ হয়তো একটা পথ করে দেবেনই। আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে কষ্ট করে কোনমতে থেকেছি। আর দেশের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারণ আমার বাবা এই এদেশ স্বাধীন করেছেন। তিনি বলেন, আমার বাবার কাছ থেকে শিখেছি, একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করবে না এবং তিনিও করতেন না। আমিও তা করি না। শুধু আল্লাহর কাছে ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করি না। আল্লাহ ছাড়া কাউকে আমি ভয়ও করি না। শুধু আল্লাহর কাছে এইটুকু চাই, যেন মান-সম্মানের সাথে যেতে পারি এবং মানুষের সেবা করে যেতে পারি।
কওমি মাদরাসার স্বীকৃতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আজকে কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি এটা শুধু স্বীকৃতি না। আমি যেটা মনে করি, আমাদের দেশের লাখ লাখ ছেলেমেয়ে এই মাদরাসায় শিক্ষাগ্রহণ করছে। শুধু তাই না, সব থেকে বড় কাজ আপনারা করছেন। যখন যারা এতিম হয়ে যাচ্ছে, যারা একেবারে হতদরিদ্র, যাদের কোথাও থাকার-যাওয়ার জায়গা নাই। আপনারা তাদেরকে আশ্রয় দেন। তাদেরকে খাদ্য দেন শিক্ষা দেন। অত্যন্ত তারা তো একটা আশ্রয় পায়। এতিমকে আশ্রয় দিচ্ছেন, এর থেকে বড় কাজ কিছু হতে পারে না। কাজেই যেখানে আপনাদের স্বীকৃতি দেব না কেন? এটা তো হতে পারে না। তাই আমি যখনই আমি সরকারে এসেছি, আমরা চেষ্টা করেছি।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে শিক্ষার নীতিমালা ঘোষণা করেছি সেই নীতিমালায় ধমীয় শিক্ষাকে স্বীকৃতি দিয়েছি। কারণ আমি মনে করি একটা শিক্ষা তখনই পূর্ণাঙ্গ হয় যখন ধর্মীয় শিক্ষাও সেই সাথে গ্রহণ করা যায়। তখনই একটা শিক্ষা পূর্ণ হতে পারে। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে। অথচ তাদের সেই ডিগ্রীর যদি স্বীকৃতি না থাকে তবে তারা কোথায় যাবে কি করবে? কি করে তারা চলবে? এ লক্ষ্যেই সংসদে আইন পাস করা হয়েছে। আজকে আমরা করে দিলাম হয়তো কালকে আর কেউ ক্ষমতায় এলে সেটা আবার ওই ১৯৭৭ সালের মতো বন্ধ করে দিতে পারে। সেটা যাতে বন্ধ করতে না পারে তার জন্যই আমরা এটা করেছি। আপনারা সকলে এমনভাবে কাজ করবেন, এই মাদরাসা থেকে যারা শিক্ষা নেয় তারা দেশ ও জাতির জন্য যেন কাজ করতে পারেন। এই দেশকে যেন আমরা আরও উন্নত করতে পারি। বাংলাদেশে একটা মানুষ যেন গরীব না থাকে। একটা মানুষও যেন ক্ষুধার জ্বালায় কষ্ট না পায়। আমরা মানুষের সেবা করে যেতে পারি।
মসদিরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জীবনমান উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিয়েছি। এই কল্যাণ ট্রাস্টের মধ্য দিয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা যে কোনো সময় যে কোনো কাজে ভাতা নিতে পারেন সে বিষয়টি তুলে ধরে সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণে সউদী আরব সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনাদের কাছে দোয়া চাই দোয়া করবেন। এই দুনিয়া আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাটাও নড়ে না। আসলে যা কিছু সৃষ্টি ভালো মন্দ যা কিছুই আছে আল্লাহ করে দিয়েছেন। নবী করিম (সা.) আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছেন, সেই শিক্ষা নিয়েই আমরা পথ চলবো। আমরা কারো প্রতি বিদ্বেষ না, কারো প্রতি ঘৃণা না। কারো প্রতি কোনো খারাপ চিন্তা না। আমরা সব সময় মনে করি মানুষের কল্যাণ, মানুষের উন্নতি, মানুষের মঙ্গল। মানুষ যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে এবং শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিলেন আলেমরা
বহুল কাঙ্খিত কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়ন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে আলেমরা প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমি জননী’ উপাধিতে ভূষিত করেন। প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানাতে ‘শুকরিয়া মাহফিল’র শুরুর বক্তৃতায় গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি রুহুল আমিন ইসলামের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অবদানের কথা তুলে ধরে ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেন।
আল্লামা শফীকে স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবি
কওমি সনদকে মাস্টার্সের মান দেয়ায় শুকরানা মাহফিল থেকে হেফাজতে ইসলামীর আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবি করেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের প্রধান ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো আলেমকে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়নি। আমরা চাই আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শাহ আহম্মদ শফীকে আপনি স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন।
আল্লামা আহমদ শফীর সভাপতিত্বে শোকরানা মাহফিলের অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, বোর্ডের সদস্য মাওলানা আনোয়ার শাহ আজহারী, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ, মাওলানা রুহুল আমীন, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল জয়নুল আবেদীন, বেফাক মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন বেফাকসহ অন্যান্য বোর্ডের মাওলানা আবদুল বসির, মাওলানা আশরাফ রহমানি, মাওলানা আবু তাহের নদভী প্রমুখ। আল্লামা আহমদ শফীর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাওলানা নুরুল আমীন। মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা মাহফুজুল হক ও মাওলানা মাকসুদুল হক। বক্তব্য শেষে উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুকরানা স্মারক তুলে দেন আল্লামা আহমদ শফী। প্রধানমন্ত্রী সনদের স্বীকৃতির আইন আহমদ শফীর হাতে তুলে দেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc