Wednesday 19th of December 2018 12:50:09 AM

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ছাতকে ধানের শীষ প্রতিকের নির্বাচনী প্রচারনা ও গণসংযোগ শুরু করেছেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। বিএনপি নেতা হাজী কদরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শাহজাহান চৌধুরী আব্দুল্লাহর পরিচালনায় কালারুকা ইউনিয়নের হাসনাবাদে, বিএনপির নেতা সামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও কবির আহমদের পরিচালনায় উত্তর খুরমা ইউনিয়নের ধারনবাজারে ও গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্টে পৃথক ৩টি পথ সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন।
পথসভায় কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন, মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় ছাড়া কোন বিকল্প নেই। তাই আগামী নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন, পৌর বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ তিতুমীর, জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাবেল, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, শামছুর রহমান শামছু, শফিকুল ইসলাম মতি, হিফজুল বারী শিমুল, সামছুর রহমান বাবুল, পৌর কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন, বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান, আতাউর রহমান এমরান প্রমুখ।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহবান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন মৌলভীবাজার জেলা কমিটি। বৃহস্পতিবার দুপুরে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুজনের মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সম্পাদক জহর লাল দত্ত।

সুজন কমলগঞ্জ উপজেলা কমিটির সদস্য লেখক ও গবেষক আহমদ সিরাজের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুজন কমলগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেত্রী প্রভাষক রাবেয়া খাতুন, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরাধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান চিনু প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান। সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থী নির্বাচন। অসৎ, অযোগ্য, অপরাধ প্রবণ, কালো টাকার মালিক, ‘উড়ে এসে জুড়ে বসা’ ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের পরিহার করা। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মনোনয়ন প্রদান। নির্বাচন কমিশন, সরকার, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহবান জানানো হয়।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়ে সুজন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে সকল দলের প্রার্থীদের সমাজ সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে হবে। আচরণ বিধি মেনে চলতে বাধ্য করতে হবে। মনোনয়ন পত্র জমাদানকারীদের হলফনামা বিধি মোতাবেক এই হলফনামা সুজনের কাছে প্রদান করলে সুজনই তা জনগণের কাছে প্রকাশ করতে পারবে। তাহলে প্রার্থীর স্বচ্ছতা সম্পর্কে জনগণ জানতে পারবে।

তাছাড়া সংশ্লিষ্টরা পক্ষপাতহীনভাবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। ভোট প্রদানকে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব মনে করে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে পাচাঁরের সময় ১টি নৌকা ও ২টি ঠেলাগাড়িসহ ৫মে.টন চোরাই কয়লা আটক করা হয়েছে। কিন্তু একাধিক মামলার আসামীরা বিজিবি ও পুলিশের নামে প্রতিদিন লক্ষলক্ষ টাকা চাঁদা উত্তোলন করে ভারত থেকে ওপেন ইয়াবা,মদ,গাঁজা,হেরুইন,পাথর,গরু,ঘোড়া,কমলা,অস্ত্র ও কয়লা পাচাঁর করলেও তাদেরকে কখনোই গ্রেফতার করা হয়না বলে জানা গেছে।

এব্যাপারে বিজিবি ও এলাকাবাসী জানায়,প্রতিদিনের মতো আজ ২৯.১১.১৮ইং বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় জেলার তাহিরপুর উপজেলার চাঁরাগাঁও সীমান্তের ১১৯৬নং পিলার সংলগ্ন বাঁশতলা এলাকা দিয়ে বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল আলী ভান্ডারী ১বস্তা কয়লা পাচাঁরের জন্য চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের নামে ১০০টাকা,থানার নামে ৮০টাকা চাঁদা নিয়ে মোট ১৫মে.টন কয়লা ও ৭কার্টন মদ ভারত থেকে পাঁচার করে ঠেলাগাড়ি দিয়ে চুনখলার হাওরে নিয়ে নৌকা বোঝাই করার সময় চাঁরাগাঁও ক্যাম্প কমান্ডার আইয়ুব খান অভিযান চালিয়ে ১টি কাঠের বারকি নৌকা ও ২টি ঠেলাগাড়িসহ ৫মে.টন চোরাই কয়লা আটক করেন। আর বাকি মালামাল নিয়ে চোরাচালানী আব্দুল আলী ভান্ডারী ও তার সহযোগী পালিয়ে যায়।

কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে বালিয়াঘাট সীমান্তের লালঘাট এলাকা দিয়ে মাদক,কয়লা ও চাঁদাবাজি মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া,জানু মিয়া ও জিয়াউর রহমান জিয়া বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার দিলোয়ারের নামে ১৫০টাকা,থানার নামে ১২০টাকা ও কয়লা চোরাচালান মামলার আসামী আব্দুর রাজ্জাকের নামে ৫০টাকা চাঁদা নিয়ে চোরাচালানী এহসান মিয়া,খোকন মিয়া,রহমত আলী,মানিক মিয়া,কাসেম মিয়া,গফুর মিয়াগংকে দিয়ে ২০মে.টন কয়লা ও ৫০০পিছ ইয়াবা পাচাঁর করে চুনাখলা হাওরে ১টি স্ট্রিলবড়ি ইঞ্জিনের নৌকা বোঝাই করে বানিয়াগাঁও ও তেলিগাঁও গ্রামে নিয়ে মজুত করার পরও এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি বালিয়াঘাট ক্যাম্পের বিজিবি।

এছাড়া টেকেরঘাট সীমান্তের চুনাপাথর খনি প্রকল্প ও লাকমা দিয়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজি মামলার আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী ল্যাংড়া বাবুল ১ বস্তা কয়লা থেকে থানার নামে ৮০টাকা,টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের নামে ১২০টাকা চাঁদা নিয়ে চোরাচালানী দূরবীনশাহ, বদিউজ্জামাল,আবুল মিয়া,মংলা মিয়াগংকে দিয়ে ১০মে.টন কয়লা ও ২০০পিছ ইয়াবা পাচাঁর করলেও তাদেরকে গ্রেফতার করাসহ অবৈধ মালামাল আটক করা হয়নি। এবং বীরেন্দ্রনগর সীমান্তের ১১৯৩পিলার সংলগ্ন বাগলী এলাকা দিয়ে বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী মস্তোফা মিয়া মস্তো,হযরত আলী ও মঞ্জুল মিয়াগং সম্প্রতি ২০০মে.টন কয়লা ও ২হাজার মে.টন চুনাপাথর পাঁচার করে ওপেন বিক্রি করার পরও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এব্যাপারে চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার আইয়ুব খান বলেন,নৌকা ও ঠেলাগাড়িসহ পাচাঁরকৃত কয়লা আটক করা হয়েছে কিন্তু চেরাচালানীদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। টেকেরঘাট কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার আনিসুল হক বলেন,পাচাঁরকৃত মালামালসহ চোরাচালানীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এম ওসমান,বেনাপোল:  বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১১৬২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি। এ সময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে সীমান্তে অভিযান চালিয়ে এ ফেনসিডিল উদ্ধার করেন।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদে জানতে পারি মাদক চোরাচালানীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল এনে শিকড়ী মাঠের মধ্যে অবস্থান করছে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে ২১বিজিবি উপ- অধিনায়ক মেজর সৈয়দ সোহেল আহম্মদ এর নেতৃত্বে পুটখালী ক্যাম্পের একটি টহলদল  সেখানে অভিযান চালিয়ে ১১৬২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। তবে বিজিবির উপস্তিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
খুলনা-২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার ফেনসিডিল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জুড়ী (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে থেকে নির্বাচন করতে বুধবার (২৮ নভেম্বর) আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয়পার্টি ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ হতে ৬ প্রার্থী সহকারি রিটার্নিং অফিসারের নিকট তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

প্রার্থীরা হলেন আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী হুইপ আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন, বিএনপি প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডঃ এবাদুর রহমান চৌধুরী ও শিল্পপতি নাসির উদ্দিন মিঠু, জামায়াত প্রার্থী (স্বতন্ত্র) মাওঃ আমিনুল ইসলাম, জাতীয়পার্টি প্রার্থী আহমদ রিয়াজ ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন (মেম্বার)।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৪ আসনে ১১তম নির্বাচনে উৎসব মুখর পরিবেশে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৬জন প্রার্থী। এরমধ্যে রয়েছেন আ.লীগ থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আ.লীগের সহ সভাপতি ইমরান আহমদ, বিএনপি থেকে সাবেক সংসদ ও কেন্দ্রিয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন সেলিম ও বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সহ সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রিয় সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট সামাসুজ্জামান জামান, জাতীয় পাটি থেকে রয়েছেন কেন্দ্রিয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ.টি.ইউ তাজ রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে জিল্লুর রহমান। মাঠ পর্যায়ে ৩প্রার্থীর জনসমর্থন রয়েছে উল্লেখযোগ্য। সিলেট-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা- ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪ শত ৫ জন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত মনোনয়ন দাখিলের শেষে দিনে ২৩২-সিলেট-৪ আসনে ৬জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত করেছে। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ (নৌকা প্রতিক) ৫বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, বিএনপি যৌথ প্রার্থী (ধানেরর্শীষ প্রতিক) সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম ও সামসুজ্জামান জামান, জাতীয় পাটির (লাঙ্গল প্রতিক) এ.টি.ইউ তাজ রহমান এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (খেজুরগাছ প্রতিক) মাওলানা আতাউর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা প্রতিক) জিল্লুর রহমান।
সিলেটের আলোচিত খনিজ সম্পদ ভরপুর ২৩২-সিলেট-৪ আসনে ৬জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করলেও মাঠ পর্যায়ে ভোটরদের জরিপে ৩জন প্রার্থী সর্বোচ্ছ এগিয়ে রয়েছে। বিগত বৎসর গুলোতে নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য এবং আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসাবে সিলেট-৪ আসন পরিচিত থাকায় শক্ত অবস্থানে রয়েছেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী ইমরান আহমদ। এছাড়া ৫বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকার কারনে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডের তার ভূমিকা ভাল থাকায় সাধারন ভোটারদের মধ্যে তিন উন্নয়নের প্রতিক হিসাবে অবস্থান তৈরী করে নিয়েছেন। বর্তমানে দলীয় কোন্দল না থাকায় নেতা কর্মীদের নিয়ে ভোটারদের কাছে চষে বেড়াছেন।
পিছিয়ে নেই ধানের র্শীষ প্রতিকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম। ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের প্রার্থীর নিকট পরাজিত হলেও হাল ছাড়েননি তিনি। বন্যা, সীমান্ত সমস্যা, নেতাকর্মীদের উপর হামলা মামলা, নির্যাতন নিপিড়ন কাঁদে নিয়ে নেতাকর্মীদের সুসংঘটিত করে বিচ্ছিন্ন ভাবে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যান। ৮ম সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হওয়ায় তিনি আসনটির সাধারন ভোটারদের কাছে বেশ পরিচিতি রয়েছে। দল অন্য প্রার্থী রাখায় এ আসনে কিছুটা বেকায়দায় রয়েছেন দলের কাছে। বিএনপির অপরপ্রার্থী সামসুজ্জামান জামান এ আসনে শুধুমাত্র দলীয় নেতাকর্মীর মধ্যে গ্রহনযোগ্যতা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের কাছে এ প্রার্থীর তেমন কোন অবস্থান তৈরী করে নিতে পারেননি। সিলেট-৪ আসনে ৩টি উপজেলা বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্তরা সামসুজ্জামনকে মেনে নিতেও নারাজ।
জাতীয় পাটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ.টি.ইউ তাজ রহমান শুধুমাত্র নিজ দলের নেতাকর্মী কাছে পরিচিত। দলের মনোনয়ন পাওয়ায় তিনি দলের নেতৃবৃন্দের সাথে অবস্থান করলেও সাধারন ভোটারদের সাথে পরিচিত না থাকায় ভাল অবস্থান তৈরী করতে পারবেন না বলে সাধারণ ভোটারদের মনে করে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নমিনেশন দিলেও অজ্ঞাত কারনে তা বাতিল হয়ে যায়। ফলে নেতা কর্মীরা হতাসাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। যার প্রভাব স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে।
সিলেট-৪ আসন বিশেষ করে কৌওমী মাদ্রাসা অধ্যুষিত থাকায় এ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের একটি অবস্থান রয়েছে। তারা বিগত কয়েকটি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে বিজয়ী প্রার্থীদের সাথে নিকটতম অবস্থান করে নেয়। ফলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আতাউর রহমান ভোটারদের কাছে বেশ পরিচিতি একজন সুবক্তা হিসাবে। তাছাড়া সিলেট-৪ আসনটি জমিয়তের ভোট ব্যাংক হিসাবে ভোটারের কাছে পরিচিত।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনিত প্রার্থী জিল্লুর রহমান এ আসনের ভোটারদের মধ্যে কোন পরিচিতি নেই। শুধৃু দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে দলের কাছে তিনি পরিচিত। বিগত দিনে জিল্লুর রহমানের দল কিংবা ব্যক্তির উল্লেখযোগ্য কোন সাংঘঠনিক কার্যক্রমে পালন করতে দেখা যায়নি।

সাদিক অাহমেদ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অাসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-০৪ অাসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ অাব্দুস শহীদ মনোনয়ন দাখিল করেছেন।অাজ বুধবার দুপুর ২ টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাচন অফিসে সহকারী রিটার্নিং অফিসার নজরুল ইসলামের কাছে ৬ষ্ঠবারের মত তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব,মৌলভীবাজার জেলা অাওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্বারিকাপাল মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক,হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব,শ্রীমঙ্গল উপজেলা অাওয়ামী লীগের সহসভাপতি অাছকির মিয়া,পৌর অাওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অর্ধেন্দু কুমার দেব,শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মসুদুর রহমান মসুদ,উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক রাজু দেব রিটন,পৌর ছাত্র লীগের সভাপতি মনজুর হোসেন সজীব,পৌর ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক অাবেদ হোসেন,কলেজ ছাত্র লীগের প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান সুজাত,সাধারণ সম্পাদক উজ্জল কান্তি দাশ,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অাব্দুল মোতালিব অাকিফ প্রমুখ।

তার অাগে দুপুর ১২ টায় শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডস্থ স্টার কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় মনোনয়ন পরবর্তী অানন্দসভা ও অালোচনা অনুষ্ঠান।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সদ্য মনোনয়ন প্রাপ্ত অাওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ অাব্দুস শহীদ।এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা অাওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,তাঁতী লীগ,কৃষক লীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে মৌলভীবাজার-৪ অাসনের নৌকার মাঝিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অাব্দুস শহীদ বলেন “৬ষ্ঠ বারের মতো অাওয়ামীলীগ সভাপতি,জননেত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অামাকে মনোনীত করেছেন।এ মনোনয়ন শুধু অামার একার নয়।এই মনোনয়ন শ্রীমঙ্গলের প্রত্যেকটি অাওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের।যারা মনোনয়ন কিনেছিলেন অামি তাদেরকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি”।
তিনি অারও বলেন “অামাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।যেকোনো মুল্যে নৌকাকে বিজয়ী করতেই হবে।মনে রাখতে হবে অামাদের কোনো গ্রুপ নেই।অামাদের একটাই গ্রুপ অামরা শেখ হাসিনার গ্রুপ”।
এসময় ৬ষ্ঠ বারের মতো মনোনয়ন প্রাপ্ত হওয়ায় শ্রীমঙ্গলে অাওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ও সর্বসাধারণকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ও দল মত নির্বিশেষে নৌকাকে ভোট দিয়ে অাওয়ামী লীগকে পূণরায় ক্ষমতায় এনে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জসহ সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে সকলের প্রতি অাহ্বান জানান।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে পৃথক পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার সাহেবগঞ্জ পালপাড়া ও বাঁকা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, উপজেলার সাহেবগঞ্জ পালপাড়া গ্রামের মৃত রাখাল চন্দ্র পালের ছেলে কালিচন্দ্র পাল (৬৫) ও বাঁকা গ্রামের ছাইফুল ইসলামের ছেলে ফিরোজ হোসেন (২৫)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদে ওই এলাকা গুলোতে রাত ১১টার দিকে এসআই ফিরোজ ও এসআই মোস্তাফিজুর রহমান নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এসময় কালিচন্দ্র পালের কাছে ৭৫ গ্রাম গাঁজা ও ফিরোজ হোসেনের কাছে ২৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

এব্যাপারে আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, উপজেলাকে মাদক মুক্ত করার লক্ষে প্রতিদিন আমাদের অভিযান চলছে। মাদক ব্যবসায়ী কালিচরণ ও ফিরোজকে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে বুধবার নওগাঁ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

নড়াইল প্রতিনিধি: মনোনয়ন পত্র জমা দানের শেষ দিনে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিশ্ব নন্দিত ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজার পক্ষে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগ ,সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ ।
বুধবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আনজুমান আরার নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, সহসভাপতি অ্যাডঃ ফজলুর রহমান জিন্নাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ সিদ্দিক আহম্মেদ, অ্যাডঃ সৈয়দ মোহাম্মদ আলী, নড়াইল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ^াস. সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ অচীন কুমার চক্রবর্তী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডঃ গোলাম নবী।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস বলেন, আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজাকে নড়াইল-২ আসনে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। আমরা জেলা আওয়ামীলীগসহ শরীকদল মিলে মিশে নৌকা প্রতীকে মাশরাফিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবো। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মুক্তিযুদ্ধের চেনতায় বিশ^াসী আওয়ামীলীগের দলীয় প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোটদানের আহবান জানান।

এছাড়া জেলা রিটার্ণিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কালিয়া-১ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনীত শরীক দল জাসদের শরীফ নূরুল আম্বিয়া, নড়াইল-২ আসনে বিএনপি সমর্থিত শরীফ কাসাফুদ্দোজা কাফী ও এনপিপির চেয়ারম্যান ডঃ ফরিদদুর জামান ফরহাদ,নড়াইল-২ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এ্যাডঃ ফায়েকুর জামান ফিরোজ, নড়াইল-১ আসনে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মিল্টন মোল্যা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এছাড়া কালিয়ায় সহকারী জেলা রিটার্ণিং অফিসার ও কালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নাজমুল হুদার নিকট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নড়াইল-১ আসনে আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি ও বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ^াস জাহাঙ্গীর আলম।

মনোনয়নপত্র জমাদানকালে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় চত্বরে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুব মহিলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ,কর্মি , নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত ছিলেন।
কালিয়া শহরে বর্তমান এমপি কবিরুল হক মুক্তির সমর্থনে কালিয়া ও নড়াইগাতি থেকে আশা বিপুল সংখ্যক আওয়ামীলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মি হাজির হয়।

এছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে জেলা বিএনপি সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর বাদে আরও একজন প্রার্থী কর্নেল সাজ্জাদকে ২০ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন দেয়ায় তার মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কালিয়া ও নড়াগাতি বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তারা তাকে আওয়ামীলীগের দালাল আখ্যয়িত করে তার মনোনয়ন বাতিলের জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানান।

বিনোদন ডেস্কঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় ও বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যের অপূর্ব লীলাভূমি সুনামগঞ্জ জেলার দুর্গম অঞ্চল সীমান্ত ঘেঁষা তাহেরপুর উপজেলার টেকেরঘাটে। হাওড়, বাঁওড়, পাহাড়, টিলা, ঝর্না, নদী, খনিজ সম্পদ এবং দিগন্ত বিস্তৃত ফসলি মাঠ প্রান্তর-সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জের এই অঞ্চলের সৌন্দর্য যেন প্রকৃতির শৈল্পিক হাতে সজ্জিত।

সুনামগঞ্জের লোক সংস্কৃতি আমাদের লোক সম্পদ। এ মাটিতেই জন্মগ্রহণ করেছেন সংগীত সাধক হাছন রাজা, রাধারমণ দত্ত, দুর্বিন শাহ, আরকুম শাহ, শীতালং শাহ, শাহ আবদুল করিমসহ আরো অনেকে।ঢাকা থেকে সিলেট-সুনামগঞ্জ-তাহেরপুর হয়ে প্রায় ৪ ঘন্টা নৌপথে টাঙ্গুয়ার হাওড় ও পাতলাই নদী পাড়ি দিয়ে ইত্যাদির বিশাল টিম নিয়ে বৈচিত্র্যের খোঁজে আমরা গিয়েছিলাম মেঘালয় সীমান্তবর্তী এই টেকেরঘাটে।
এত দুর্গম অঞ্চলে অনুষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও অনুষ্ঠানস্থলে প্রায় লক্ষাধিক দর্শক সমাগম হয়েছিল। সিলেট, বিশ্বনাথ, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ, বালাগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মটর সাইকেল এবং নৌকায় করে হাজার হাজার দর্শক অনুষ্ঠানস্থলে এসেছেন। কারণ অত্র অঞ্চলের প্রধান বাহনই হচ্ছে মোটর সাইকেল এবং নদীপথে নৌকা। আশেপাশের পাহাড় এবং টিলাগুলো দর্শকে পরিপূর্ণ হওয়ায় কিছু কিছু স্থানের দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছিল যেন মানুষের পাহাড় তৈরি করা হয়েছে।
আগামী ৩০ নভেম্বর, শুক্রবার, রাত ০৮টার বাংলা সংবাদের পর অনুষ্ঠানটি একযোগে প্রচারিত হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে।
বরাবরের মতোই ইত্যাদি রচনা,পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।ইত্যাদি নির্মাণ করেছেন ফাগুন অডিও ভিশন।

মিনহাজ তানভীরঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ৭ দিন ব্যাপী নামাজ কোর্স এর আয়োজন করা হয়েছে।জানা গেছে,ইসলাম মানবতার ধর্ম এবং এ কথা সর্বজনবিদিত।ইসলামের মহান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহকাল ও পরকালে পাপী উম্মাতের এক মাত্র কাণ্ডারী যিনি ঈমান আনয়নের পর পর যে সমস্থ ইবাদতের কথা বলেছেন এর মধ্যে নামাজ বা সালাহ সর্বোত্তম।প্রায় সাড়ে ১৪শত বছরের অধিক সময় পার হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত নামাজের সহীহ নিয়ম কানুনের ধারাবাহিক পদ্ধতি মুসলিম সমাজের অনেক ক্ষেত্রে অবহেলিত। ফলে শতকরা ৯০ ভাগ মুসুল্লিদের নামাজে প্রয়োজনীয় উপাদান অনুপস্থিত।

এ রকম উদাসীনতার কবল থেকে মুক্তির লক্ষ্যে দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এক মহতী উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। মৌলভীবাজার জেলার দাওয়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন আত্তারীর সাথে আমাদের এ প্রতিনিধির কথা হলে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ্‌ ! আপনারা জেনে খুশি হবেন যে,আগামী ৩০ নভেনবর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিরাজনগর গাউছুল আজম জামে মসজিদে ৭ দিন ব্যাপী নামাজ কোর্স এর আয়োজন করা হয়েছে।

নামাজ কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য দাওয়াতে ইসলামীর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মোবাল্লিগগণ উপস্থিত থাকবেন বলে তিনি জানান। সহীহ ভাবে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে যারা নামাজ কোর্সে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী,তাদেরকে এই ০১৭২২৫৯৪০১৮,০১৭৭৫৯৯৯০৩৬ নম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে দাওয়াতে ইসলামীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

নজরুল ইসলাম তোফা: আত্মতুষ্টি মানুষের সকল কর্মকাণ্ডের এক প্রেরণার উৎস। কোনো কাজ করে যদি মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায় তাহলেই মানুষ ঐ কাজের দিকে ধাবিত হবে। মানুষ সমাজিক ভাবে এ জগৎ সংসারে আগমন করে বিশেষভাবে কোনো না কোনো দ্বায় দ্বায়িত্ব নিয়েই। অর্থাৎ, বলতেই হয় এক ধরনের আদর্শ জীবন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। এ আদর্শের বিচিত্র কর্মকান্ডে সুন্দর জীবনকে যদি মুখরিত করে তোলা যায়, তবে জীবন যাপনের স্বার্থকতা প্রমাণিত হয় বৈকি। পরের জন্য নিজেকেই বিলিয়ে দিতে হবে আদর্শকে প্রতিষ্ঠার জন্য, তবেই হয়তো বা মানুষকে আনন্দ দান করা সম্ভব। এর মাঝে রয়েছে মানসিক প্রশান্তি। আর মহৎ কার্যাবলিই মানুষকে দিতে পারে সুখের সন্ধান। সুতরাং সুখের সন্ধানেই প্রবেশের ১ম দিক হচ্ছে শরীর ও মন। শরীর ও মনের সংমিশ্রণেই গড়া এই মানুষ। স্বাস্থ্য ভালো থাকলেই মানুষ সকল কাজে উৎসাহ পায়, তেমনি মনের প্রশান্তির জন্যেও দরকার আত্মতুষ্টি। আত্মতুষ্টি দেয় কর্মপ্রেরণা। তাই সন্তুষ্টির সাথে যেকোনো কাজ করলে তার ফলাফল সুদূরপ্রসারী হয়ে থাকে। জনতার জনপ্রিয় জননেত্রী ‘শেখ হাসিনা’ আজকের বাংলাদেশকে আত্ম বিশ্বাস কিংবা আত্মতুষ্টির সহিত পরিচালনা করে ফলাফল দাঁড় করাতে পেরেছে একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে।
তিনি সুস্বাস্থ্যের ও সাফল্যের মানুষ, তাই তো দেশের মানুষের জন্যে সু-চিকিৎসার বৃহৎ ভাবনা। আবারও যদি ক্ষমতায় আসে, বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করেই মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করবে বলেই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কখনো ছিল না, তা নির্মাণ করার পরিকল্পনা নিই। দেশের মানুষ সুলভে সুচিকিৎসা পাবে, তাদের সন্তান সেখানে পড়া শোনা করে খুব ভালো ডাক্তার হবে। জাতির পিতা প্রতিটি উপজেলায় দশ বেডের হাসপাতাল করেছিল, মানুষ সেখানেই স্বাস্থ্যসেবা যুগোপযোগী মানের পাশাপাশি ডাক্তার তৈরি বা মেডিকেল ‘ছাত্র/ছাত্রীরা’ চিকিৎসা পদ্ধতির বিভিন্ন ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেই যেন তাদের মননশীলতাকে বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এমন ধরনের হাসপাতাল গুলো নির্মিত ছিল। কিন্তু আজকে আর নেই ”জাতির পিতা”, তাঁর স্বপ্ন ‘শেখ হাসিনা’র’ চিন্তা চেতনায় রেখেছে এবং তা বাস্তবেই রূপ নিচ্ছে। তাই তো জননেত্রী শেখ হাসিনা, জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পুরনে ইতিমধ্যেই রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করেছে। তা ছাড়া, আরও একটি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুাব পাশও হয় পার্লামেন্টে । আরও বাঁকি “পাঁচটি” বিভাগীও শহরে ‘মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’ হাতে নিয়েছে। “আওয়ামী লীগ সরকার” আবারও ক্ষমতায় এলে সেই গুলোর কাজ শুরু করবে। এখানে স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশিও ছাত্র ছাত্রীদের সুশিক্ষার প্লাটফর্ম সৃষ্টি হবে। নওগা, নীলফামারি, মাগুরায় “মেডিকেল কলেজ” করাও হচ্ছে। চাঁদপুরেও একটি “মেডিকেল কলেজ” করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জানা যায় যে, এই খানে কর্মরত নার্সদের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী তাদেরও সরকারী ২য় শ্রেণীর মর্যাদা দেয়া হয়েছে। সুশিক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’ হবে, তাকেই ‘আধুনিক’ সেবা’র সঙ্গেই উন্নত শিক্ষার এক সেন্টার অব এক্সসিলেন্স তৈরি হবে। সুতরাং এ দেশে সু-চিকিৎসার সহিত শিক্ষা, মেধা বৃত্তি’র সহিত সু-চিকিৎসার প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পাশা পাশিও যেন সেখানে ডাক্তারদের গবেষণায় সমগ্র বিশ্ব থেকে বহু সহায়তা পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু’কে হত্যার পরে দেশে চিকিৎসা খাতে উন্নয়ন কিংবা গবেষণায় কোনো ধরনের অভূতপূর্ব বরাদ্দ ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ১ম থেকে বরাদ্দ দেয়ার প্রক্রিয়া চালু করে। সুতরাং উল্লেখ করার মতোই বহু উদহারণ রয়েছে। চিকিৎসার গুণ গত মানোন্নয়নের লক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হলো, শিশুদের টিকা দান কর্ম সূচির সাফল্য। এক্ষেত্রেই বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম আদর্শ দেশ হিসেবে পরিনত হয়েছে। এই দেশের টিকা দান কর্ম সূচিতে মুলত ৬ টি রোগের টিকা প্রদান করছে। যেমন হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া, হাম ও পোলিও মতো রোগের চিকিৎসাতে। এ চিকিৎসাতে জাতিসংঘ কর্তৃক পুরস্কৃত হয়েছে বাংলাদেশ। এমন দেশকে এখন পোলিও মুক্ত রাষ্ট্র ঘোষণা করাও হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জন অনেক। এ অর্জন গুলোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা থেকে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় শেষ করার মতো এমন এই স্বাস্থ্য এবং চিকিৎাসা’র খাত নয়। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সমস্যা অনেক ব্যাপক। তার সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক প্রভাব সুদূরপ্রসারী। বিদ্যমান স্বাস্থ্যখাত মোকাবিলা করেই জনস্বাস্থ্যে’র উন্নয়ন সাধনে স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কাজ করেছে এবং তারা ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট উন্নয়নে খ্যাতিও অর্জন করেছে। এমন অগ্রগতি ও অর্জনের মধ্যে ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হাম, কুষ্ঠ, যক্ষ্মা, হুপিং কাশি, পোলিও, মাইলাইটিস রোগ এর বিস্তার এখন অনেক নিয়ন্ত্রণে।
আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত করেছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও যা সত্য তা হলো, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে মৌলবাদীদের বাধা দেয়ার কারণেই এ দেশ আবার পিছিয়ে যায়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অর্জনেও বাধা হয়েছিল। এখন ‘দুর্ভিক্ষ’ কিংবা ‘মঙ্গা’ এইদেশে নেই। সে কারণে মানুষ আজ অনেক সুস্থতার মধ্যেই অবস্থান করছে। মানুষের সচ্ছলতাও বেড়েছে। তাই মানুষের গড়পড়তা ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণও যেন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মানুষের ”কর্মক্ষমতা” বেড়েছে। পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের উন্নতির ফলে গড় আয়ু বেড়ে ৭১.২ বছর হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের এমনই বহু সাফল্য “জাতি সংঘ ঘোষিত” সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারিত সময়ের দু’বছর আগে বাংলাদেশ তা অর্জন করে ফেলেছে। সুতরাং, এ আওয়ামী লীগের বলিষ্ঠ জনপ্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী “এমডিজি এ্যাওয়ার্ড ২০১০”, আবার তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ‘তথ্য প্রযুক্তি’র’ সফল প্রয়োগের জন্যে পায় ‘সাউথ-সাউথ এ্যাওয়ার্ড ২০১১’ সহ বেশকিছু আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পুরস্কার।
মহান স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে তোলা জাতিসত্তা তথা জাতীয় ঐক্য ও মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন, এ দেশের মানুষের চেতনায় যে কোনো কিছু অর্জনের ক্ষেত্রেই একধরনের অদম্য সাহস সঞ্চারও করেছে। সুতরাং, জানা যায়, এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক দেশে এখনো এই অদম্য সাহসের আলোকে টিকা দান কর্মসূচিতেই বাংলাদেশের মতো সফলতা পায়নি। এই সরকারের উল্লেখযোগ্য বিষয় তা হলো বাংলাদেশে এখন আর পোলিও রোগ নেই। অতএব বলা দরকার তাহলো, গ্রামীণ জনজীবনে “চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য” সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ সরকার ভ্রাম্যমান মেলাকে কার্যকর করে। এ ধরনের মেলার আয়োজনে থাকে বিষয়ভিক্তিক বহু চলচ্চিত্র, যাত্রা, কৌতুক, কথকতা কিংবা ক্রীড়া সহ বিভিন্ন বিষয়ের মাধ্যমেই স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেশ। এধরনের অনুষ্ঠান উপস্থাপনের মাধ্যমে স্কুল, কলেজ ও বিশ্বববিদ্যালয় এর ছাত্রছাত্রীরা গ্রামহিতকর স্বাস্থ্য রক্ষার কাজেও স্বেচ্ছাকর্মীর ভূমিকা রাখতে পারে, এমন অভিমতেই জননেত্রী শেখ হাসিনা’র বিশ্বস এবং আস্থা রয়েছে।প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের হাসপাতাল গুলো থেকে ভিডিও কনফারেন্স করেই অভিজ্ঞ ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়ার ব্যবস্থা করেছে। স্বাস্থ্য বাতায়নের এ প্রকল্পে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই যেন স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তির সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামের রোগীরাও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতামত পাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। সুতরাং এই বাংলাদেশের রোগীরা এখন উন্নত সু-চিকিৎসার জন্যে বিদেশে কম যাচ্ছে এবং ‘জটিল ও দুরারোগ্য’ রোগের চিকিৎসা দেশেই গ্রহণ করতে শুরু করেছে এবং তারা সু-চিকিৎসাতে সফলতাও পাচ্ছে। অনেক অটিস্টিক শিশুদেরকেই তিনি অবহেলার জায়গা থেকে আদর এবং বিশেষ মনোযোগের জায়গায় এনেই ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মানবিক ব্রত নিয়েছে। এভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে সম্মানিত হচ্ছে।
ইতিহাসেই বলে আওয়ামীলীগের সম্মেলনের একটি কর্মসূচী ঠিক করে বলেন, এমন দল ক্ষমতায় গেলে একটি চমৎকার অর্থনীতি চালু হবে। যেখানে সকল মানুষ, বিশেষত গরিব অসুস্থ মানুষের খাদ্য নিশ্চিত, শিক্ষা, বাসস্থান এবং চিকিৎসা সহ বাঁচার পরিবেশ পাবে। তারা সে কথাটি রেখেছে। আজ তারা সফল, স্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা দিয়েছে। সুতরাং বলতেই হয় যে, “আওয়ামী লীগ সরকার” কথা দিয়েই কথা রাখতে পেরেছে। স্বাস্থ্যখাতকে যুগোপযোগী করতে প্রণয়ন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা-২০১১। জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সুগভীর আলোচনাতে উঠে আসে যে গ্রামীণ জনসাধারণের বাড়ী বাড়ী স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দেয়ার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতি ছয় হাজার জনগণের জন্য ১ একজন করে ২,০৮,৮১ জন স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে তদারকীর করতে ১৩৯৮ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সহিত আরও ৪,২০২ জন সহকারী স্বাস্থ্যপরিদর্শক নিয়োগ করেছে। তারা বাড়ী বাড়ী ঘুরে জন্ম কিংবা মৃত্যু নিবন্ধন, ঝুঁকি পূর্ণ রোগী সনাক্ত করণ, সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ, মা ও নবজাতকের সেবা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষার পাশাপাশি এ দেশের ‘দরিদ্র’ জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য সচেতন করেছে।৪ দশকের অধিক সময় ধরেই মরণব্যাধি গুটিবসন্ত, ম্যালেরিয়ার মহামারি ডাইরিয়া নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৭৯ সালে দেশে মা ও শিশুর মরণ ব্যাধি সহ অসংখ্য রোগ বানাই থেকে রক্ষার জন্যেই যেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায়
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী (ইপিআই) চালু করা হয়েছে। তাই এমন কর্মটি ‘স্বাস্থ্য’ সহকারীর উপরেই বাস্তবায়নের গুরুদায়িত্ব প্রদান করেছে। বর্তমানের এক জরিপে “ইপিআই” কর্মসূচীর সাফল্য আসে ৮২ শতাংশ। সম্প্রতি এশিয়ায় মধ্যে মোট ১২ টি দেশেই জরিপ চালিয়ে ইপিআই কর্মসূচীতে এ দেশই প্রথম স্থান লাভ করে। এমন ধরণের চিকিৎসার উন্নয়নেই এক সময় বাংলাদেশের পরিচয় দিতে দেশের সকল জনগণ গর্ববোধ করবে। বাংলাদেশের এ স্বাস্থ্য খাত অবিশ্বাস্য ধরনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন, তা অবিশ্বাস্য হলেও ইতিবাচক। শুধুই ইতিবাচক নয়, ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন দেশগুলোর জন্যে বৈশ্বিক মডেল। সুতরাং প্রাসঙ্গিকভাবেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বৈপ্লবিক উন্নতি গুলো এখন সমগ্র পৃথিবীর স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী, স্বাস্থ্যবিষয়ক নীতি নির্ধারক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক দাতা সংস্থার কাছেই যেন রীতিমতো একটি মীরাকেল। ‘হাভার্ড’, ‘ক্যামব্রিজ’, ‘অক্সফোর্ড’, ‘লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন’, ‘জন হফকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়’, ও ‘ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর’ সহ বর্তমান পৃথিবীর সকল নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের জাদুকরী উন্নয়নের মডেল গুলো পড়ানো হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য, ‘লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন’, ‘জন হফকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়’, ‘আইসিডিডিআরবি’, ‘হাভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ’ এবং ‘ব্র্যাক’ এর সঙ্গেই বাংলাদেশেরও অনেক বড় বড় আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিষদ তা পরিচালনা করেছে এবং করছে। শহরের নিম্ন আয়ের মানুষ বা মধ্য বিত্তদের জন্য নতুন হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া উন্নত বিশ্বের মতো নতুন বিশেষায়িত হাসপাতালের ধারাবাহিকতায় নতুন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেও এবং আগামীতে আরও হবে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এ – ২৫ শয্যার একটিমাত্র বার্ন ইউনিট ছিল এখন সেখানে আলাদা ভবনে উন্নতি করে একে সম্প্রসারিত এক ‘আধুনিক বার্ন ইউনিট’ করা হয়েছে। এখন আলাদা এক ধরন ইনস্টিটিউট করেই বরাদ্দ করা এমন বড় জায়গাতে বিশাল আকারের- “বার্ন হাসপাতাল” নির্মাণ হয়েছে।এছাড়াও প্রতিটি সরকারী ও বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কিংবা জেলা হাসপাতালেও এই ধরনের সহায়কতামূলক “বার্ন ইউনিট” খোলা হচ্ছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ কিংবা গোত্র নির্বিশেষে বাংলাদেশের সব মানুষের শারীরিক, মানসিক, দুর্ঘটনায় অসুস্থতা নিয়েই এই আওয়ামীলীগ স্বাস্থ্যখাতে কাজ করেছে।

আজকের তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ গ্রহণ করেছে। তাই চিকিৎসা ক্ষেত্রকেই শুধু সু-বিস্তৃত নয়, আবার সমগ্র বাংলাদেশকে শুধু ‘চিকিৎসক’ দ্বারা পরিচালিত নয়, বহু ধরনের হাসপাতাল নির্মাণ করেও নয়, উন্নয়নের লক্ষ্যে গুণগত মানসম্পন্ন বিভিন্ন প্রকারের দেশী বা বিদেশী ওষুধের দিকে নজরও দিয়েছে। এই জন্যেই তিনি ওষুধ নিয়ন্ত্রণের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। ক্ষতিকর এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধকে নিয়ন্ত্রণ করা সহ বেশিদামী ওষুধের আমদানি বন্ধ এবং নিষিদ্ধও করেছে। তাছাড়াও এ ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদে ব্যবহার নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্ষতিকর ওষুধ বাতিল করে সেইসঙ্গে তিনি ওষুধের উৎপাদন বা মান নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ওষুধ প্রশাসন পরিদফতর গঠন করেছে। বহুজাতিক অথবা দরকার নেই এমন ধরণের অপ্রয়োজনীয় ওষুধ গুলোর কোম্পানি যেন বাতিল হয় তার যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। এই দেশের জনসাধারণ কম দামে ওষুধ খেতে পারে, যা আজও অব্যাহত রয়েছে। এই ভাবেই তিনি পূর্ণাঙ্গ না হলেও ওষুধ নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা তৈরি করেছে, যাকে এই বাংলাদেশের প্রথম ওষুধনীতি বলা যেতে পারে।
বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের হতদরিদ্র মানুষদেরই স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গড়ে তোলেছে মোট- ১২ হাজার ৭৭৯ টি কমিউনিটি ক্লিনিক। তাছাড়া ৩১২টি উপজেলা হাসপাতাল’কেও উন্নীত করেই ৫০ শয্যায় নিয়ে এসেছে। মেডিকেল কলেজ, জেলা হাসপতাল এ ২,০০০ শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। জননেত্রী ‘শেখ হাসিনা’ একটি পরিসংখ্যান উল্লেখ করেই যা বলেন, তাহলো:- এমন বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিশ্বের নিকট অনেক গুরুত্ব পূর্ণ উদাহরণ। যদি ১৯৮০ সালের দিকে এ বাংলাদেশের সন্তান জন্মদানের সক্ষমতায় দৃষ্টিপাত করা হয় তবে প্রতিটি নারী গড়ে সাতজন সন্তান জন্মদান করেছে। আর ২০১৫ সালের এক গবেষণার তথ্যানুযায়ী সেই সংখ্যা কমিয়ে এনে দুই জনে দাঁড় করেছে। সুতরাং, বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা অতুলনীয়। মাতৃ ও শিশুর মৃত্যুহার, জন্মহার হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তাই তো, পারিবারিক সেবাকে মৌলিক হিসেবে দেখেছে এবং সময়ের চাহিদা মনে করেছে। এই সেবাটি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে এসে তিনি নির্মাণ করেছে নতুন নতুন বারটির মতো মেডিকেল কলেজ, আর সেখানেই নিয়োগ দিয়েছে ৪৭ হাজারেরও বেশি জনশক্তি। “মন্ত্রণালয়” কিংবা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র এ প্রকল্পটি আরো অনেক বেশি করেই উন্নয়নে অগ্রসর হবে। আগামীতে যদি “নৌকা প্রতীক” বা ‘আওয়ামী লীগ’ ক্ষমতায় আসে।স্বাধীনতার পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন দেশটির হাল ধরলেন তখন সারাদেশে চিকিৎসা ব্যবস্থা ছিল বেহাল। তিনিই গরিব মানুষের জন্যে স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যেই এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করে। সুতরাং আজকে তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী ‘শেখ হাসিনা’ বিভিন্ন শ্রেণীর গরিবদের জনবান্ধব মনে করেই, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য এবং আদর্শকে মানুষ মুখী করার উদ্যোগ নিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে কাজের ফলেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত তৃতীয় বিশ্বের রোল মডেলে রূপান্তরিত হয়েছে। এই দেশের ‘স্বাস্থ্য’ খাতে অনেক ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রসারিত সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনের সফলতায় বাংলাদেশ বিশ্বের উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। কালা জ্বরে মৃত্যুর হার এখন শূন্যতেই রয়েছে। তাছাড়া ‘যক্ষ্মা’ রোগের চিকিৎসায় সফলতার হার এখন ৯৪%। এইচআইভি’র বিস্তারও থামানো গেছে। ২০১১ সালে বার্ড ফ্লু প্রতিহত করাও হয়েছিল বলে জানা যায়। ইনফ্লুয়েঞ্জা, হেপাটাইটিস-বি, মামস্ সহ রুবেলার টিকা এখন “সরকারী টিকা” কর্মসূচীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে ভিটামিন এ ক্যাপসুল বিতরণের প্রকল্পেও সফলতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
নিরাপদ খাদ্য আইন গঠিত হয়েছে, যাতে এইদেশের মানুষ শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারে। তাই খাদ্যে ভেজাল মেশানোর যে অপতৎপরতা তাকে নিয়ন্ত্রণে যুগোপযোগী করে ‘বিশুদ্ধ খাদ্য আইন ২০১৩’ জারি হয়েছে। তাছাড়াও ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৫ জারি কিংবা ফরমালিনের আমদানি কঠোর ভাবেই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে বাজারের সবজি, ফল, মাছ ও দুধে ফরমালিন মেশানোর প্রবণতা কমেছে। ভোক্তা অধিকার রক্ষা অধিদফতর স্থাপন করেছে। অতএব বঙ্গবন্ধুকন্যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য সেক্টরে এই উল্লিখিত কাজ গুলো ভবিষ্যত তরুণদের নিকটেই উদাহরণ স্বরূপ এক ইতিহাস হয়ে রবে।
লেখক,
নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

এম ওসমান, বেনাপোল: বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেন্জার টার্মিনালে সামনে থেকে ৩৮ কেজি ভারতীয় চন্দন কাঠ উদ্ধার করেছে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্প সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৭নভেম্বর) দুপুর ১টার সময়  এ চন্দন কাঠ গুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।
বিজিবি জানায়, গোপন  সংবাদে জানতে পারি চোরাচালানীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান চন্দন কাঠ এনে যশোর নেওয়া জন্য বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেন্জার টার্মিনালে সামনে অবস্থান করছে। এ ধরনের সংবাদের ভিত্তিতে আইসিপি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার আব্দুল ওয়াহাব, ল্যান্স নায়েক আব্দুর রহমান, ল্যান্স নায়েক নজরুল ইসলাম ও সিপাহী সিদ্দিকুর রহমান সেখানে অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে পাচার হয়ে আসা ৩৮ কেজি চন্দন কাঠ উদ্ধার করেন।যার বাজার মূল্য প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।
যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল হক চন্দন কাঠ উদ্ধার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় নড়াইল-২ আসনে নৌকার প্রার্থী জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার নির্বাচন পরিচালনার যাবতীয় দ্বায়িত্ব জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে অর্পন করলেন মাশরাফির পিতা গোলাম মোর্তজা স্বপন।

আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সভাকক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস বোসের সভাপতিত্বে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাশরাফির মনোনয়ন ফর্মসহ যাবতীয় কাগজপত্র মাশরাফির পিতা গোলাম মোর্তজা স্বপন আনুষ্ঠানিক ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস বোস ও সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুর কাছে প্রদান করেন।

গোলাম মোর্তজা স্বপন জানান, বুধবার মাশরাফির মনোনয়ন পত্র রিটানিং অফিসারের কাছে জমাদানসহ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল নির্বাচনী কাজ জেলা আওয়ামীলীগের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী হবে। আমরা সকলে সহযোগিতা করবো।

সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু বলেন, আমি নড়াইল-১ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলাম নেত্রী যেটা ভালো মনে করেছেন সেটাই করে শরিক দল জাসদের নুরুল আম্বিয়াকে দিয়েছেন। আমরা ২টি আসনেই নেত্রীকে নৌকা উপহার দিবো। তিনি আরো বলেন মাশরাফি ১৬ কোটি মানষের অহংকার হ্রদয়ের স্পন্দন তাই আমরা মাশরাফিকে সর্বোচ্চ বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করবো।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস বলেন,আজ থেকেই মাশরাফিকে বিজয়ী করার জন্য জেলা আওয়ামীলীগ কাজ শুরু করলো। আমরা নড়াইল-১ ও নড়াইল-২ আসনের জন্য নির্বাচনী পরিচালনা কমিটি গঠন করবো। কমিটিই নির্বাচনের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিবেন। আগামীকাল মাশরাফির পক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন ফর্ম জমা দেয়া হবে।

বিশেষ বর্ধিত সভায়  জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর  বিশ্বাস,সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ অচিন চক্রবর্তীসহ জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা ,থানা ও পৌর কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 উল্লেখ্য- নড়াইল-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি ও জোটের প্রার্থী হিসাবে জাসদ একাংশের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া  দুইজনকে মহাজোট থেকে টিকেট দেয়া হয়েছে এবং নড়াইল-২ আসনে জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টিকেট দেয়া হয়েছে।

ছাতক (সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার গিলাতলী খালে ব্রিজ নির্মাণ করেছে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ব্রীজটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বার্হী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম ও বংবাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেনে হোলেন স্টেইন।
লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশের সিমেন্ট ব্র্যান্ড সুপারক্রিটের নামে ব্রীজটির নামকরণ করা হয়েছেসুপারক্রিট সেতু। করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নির্মিত এই ব্রীজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ক্রিস্টফ হ্যাসিগ, প্রধান নির্বাহী রাজেশ সুরানা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিরেক্টর ই আরকিম, লিগ্যাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর কাজী মিজানুর রহমান, মার্কেটিং অ্যান্ড কমার্শিয়াল ট্রান্সফরমেশন ডিরেক্টর আসিফ ভূঁইঞাসহ কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজেশ সুরানা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শুরু থেকেই লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ সব সময়ই স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নানাবিধ কাজ করে আসছে। এই ব্রীজ নির্মাণের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হলো।
জানা যায়, এ খালটিতে সারা বছরই পানি থাকতো। কখনও হাটুপানি, কখনও কোমর পানি পার হয়েই নিত্যদিনের কাজ সারতে হতো এলাকাবাসীর। সবচেয়ে কষ্ট ভোগ করতে হতো এখানকার শিক্ষার্থীদের। খাল পার হয়ে ভেজা কাপড়েই তাদের যেতে হতো স্কুলে। বর্ষকালে অবস্থা হয় আরো করুণ। তখন কলাগাছের তৈরি ভেলাই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। অত্যন্ত খরস্রোতা হওয়ায় এর ঝুঁকিও বেশি। এমনই এক অবস্থায় এই ব্রীজ আশীর্বাদ হয়ে এসেছে এলাকার মানুষের জন্য। কোম্পানির নিজস্ব প্রযুক্তি ও কারিগরী সহযোগিতায় তৈরি ৩২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫ মিটারপ্রশস্থ অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এই ব্রীজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর সাথে কোম্পানির সম্পর্ক আরো দৃঢ় হলো বলেই মনে করছেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহি রাজেশ সুরানা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিডার নির্বাহি চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, “এমন প্রত্যন্ত এলাকায় ব্রিজ নির্মাণ করে লাফার্জ হোলসিম জনসাধারনের যে উপকার করেছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। যে জায়গাটাতে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে তাঁর দূরত্ব ছাতকে অবস্থিত লাফার্জ হোলসিম প্ল্যান্ট থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার। এমন নয় যে এই ব্রীজ তাদের প্রয়োজন ছিল। এটা সত্যিই শুধুমাত্র এই এলাকার মানুষের জন্য। এখানকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এই ব্রীজ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি।
গিলাতলী খাল সংলগ্ন এলাকাকে অত্যন্ত সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন উল্লেখ করে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেনে হোলেনস্টেইন বলেন, “সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র। বাংলাদেশে সামগ্রিক উন্নয়নে অংশীদার হতে চায় সুইজারল্যান্ড। লাফার্জ হোলসিম আজ যে ব্রীজটি এই এলাকার সকলের জন্য নির্মাণ করলো তা জনসাধারনের সমস্যার যেমন সমাধান করবে সেই সাথে তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ক্রিস্টফ হ্যাসিগ তার বক্তব্যে বলেন, লাফার্জ হোলসিম নির্মাণ খাতে বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় কোম্পানি এবং এই কোম্পানি টেকসই উন্নয়নে বদ্ধ পরিকর। পৃথিবীর সব দেশেই নিজস্ব প্ল্যান্টের পার্শ্ববর্তী এলাকার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিশ্বাস করে লাফার্জ হোলসিম।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc