Sunday 23rd of September 2018 08:56:01 PM

হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কখনো অঝোর ধারায় বৃষ্টি, কখনো বা থেমে থেমে, কখনো ঝম-ঝমিয়ে একেবারে ছালফাটা বৃষ্টি। শ্রাবণ মাস শেষে ভাদ্র মাসের শুরুতে তথা শরতের আগমনে বর্ষা ঋতুকে বিদায় জানিয়ে প্রকৃতি বরণ করতে চলেছে শরৎকালকে।

শরৎকে বলা হয় শুভ্রতার প্রতীক। শিউলি ফুল, স্বচ্ছ আকাশ, মায়াবী জ্যোৎস্নার কারণেই এমন নাম হয়েছে। তবে এর মধ্যে অন্যতম কাশফুল।আর শরৎকে স্বাগত জানাতে মেতে উঠেছে কাশ ফুলেরা।

পর্যটন নগরী খ্যাত সবুজের রাজ্য শ্রীমঙ্গলের বিটিআরআই সংলগ্ন সবুজ চা বাগানের মধ্যখানে ছড়ার পাড়ে মাথা উচু করে দোল খাচ্ছে শুভ্র সাদা এই কাশফুল গুলো। সেখানে প্রাকৃতিক নিয়মেই তৈরি হয়েছে কাশফুলের বাগান। আর এই নজর কারা কাশ ফুলের হাতছানি মানুষের মনকে ভীষন ভাবে কাশ ফুলের দিকে টেনে নিয়ে যায়।

এজন্য এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানীয়রা ছাড়াও শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে আসা পর্যটকরা প্রতিনিয়ত ভীড় জমাচ্ছে সেখানে।কাশফুল দেখতে আসা কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা বলেন “যান্ত্রিক নাগরিক জীবনের একঘেয়েমী কাটানোর জন্য এই কাশফুলের সান্নিধ্যে আসি,এই কাশফুলের শুভ্রতা মনকেও শুদ্ধ করে দেয় “
শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী কেয়া পাল তার বন্ধু বান্ধবদের সাথে নিয়ে এসেছেন থিম ফটোশ্যুট করতে,তিনি জানান  “সামনেই দূর্গাপুজা,আর দূর্গাপুজার সাথে কাশফুলের এক নিবিড় সম্পর্ক,তাই আমরা এখানে এসেছি কিছু ছবি তোলার জন্য ৷ এখানের দৃশ্যগুলো সত্যি খুব মনোরম,শুভ্রতার রেশ যেন চারদিকে ছড়িয়ে আছে “
নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো রুক্ষ এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের কোনো উঁচু জায়গায় কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। বাংলা সাহিত্যে কাশবনের বহু বর্ণনা পাওয়া যায়। কাশফুলের জাত ভাইয়ের নাম কুশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পুরাণ-এ কুশের স্থান খুব উঁচুতে। সাহিত্যে কাশফুলের কথা নানাভাবে এসেছে। রবীন্দ্রনাথ প্রাচীন গ্রন্থ কুশজাতক কাহিনী অবলম্বন করে শাপমোচন নৃত্যনাট্য রচনা করেছেন।
কাশফুলের ইংরেজী নাম Kans Grass ও উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক নাম – Saccharum Sportaneum। এটি ঘাসজাতীয় জলজ উদ্ভিদ। কাশফুলের মঞ্জুরী দন্ড ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার লম্ব হয়ে থাকে, বীজে সুক্ষ্ম সাদা লুম থাকে। কাশ উদ্ভিদ প্রজাতির, উচ্চতায় তিন মিটার থেকে পনের মিটার লম্বা হয়ে থাকে। আর এর শেকড় গুচ্ছমূল থাকে। পাতা রুক্ষ ও সোজা।
পালকের মতো নরম এর সাদা সাদা ফুল। কাশ ফুল শুভ্রতার অর্থেও ভয় দূর করে শান্তি বার্তা বয়ে আনে। আর এ জন্যই শুভ কাজে ব্যবহার করা হয় কাশফুলের পাতা বা ফুল৷ছবি সৌজন্যেঃ তারেক হাসান

বিক্রমজিত বর্ধন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার ছতিয়া গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা অসহায় খাতুন বেগমের কন্যা বাবলি আক্তার (৭) দুই বছর বয়স থেকে বিরল এই রোগে আক্রান্ত হয়। দীর্ঘ ৫ বছর যাবত শিশুটি এই ভয়ংকর রোগের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে।

আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও অজ্ঞতার কারণে অসহায় খাতুন বেগম (৩৫) কোনো সুচিকিৎসা করাতে পারছেননা শিশুটির। ভাল কোনো ডাক্তারও দেখাতে পারেননি। একদিকে রোগের যন্ত্রনা অন্যদিকে সংসারের অনটনে চিকিৎসার অভাবে যেন মেয়েটি মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি কোনো সহায়তা পায়নি এই অসহায় পরিবার । চোখের সামনে মেয়ের এমন অবস্থা দেখে শিশুটির মা খাতুন বেগম তাকে গ্রাম্য কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। অন্ধবিশ্বাসের কারনে ক্রমাগত রোগটি বাড়তে থাকে। প্রথমে তার ডানে পায়ে একটি ক্ষতচিহ্ন ছিল। পরে আক্রান্ত স্থান স্ফীত হয়ে ডান পা’টি অস্বাভাবিক বড় হয়ে যায়। তখন স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তারা রোগটি সনাক্ত করতে পারেনি। ততক্ষনে শিশুর আক্রান্ত স্থান বড় হয়ে মারাত্মক আকার ধারন করে।

স্থানীয়দের পরার্মশে পরবর্তীতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে কিছুদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর ডাক্তাররা রোগ সনাক্ত করতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে আক্রান্ত স্থানের কিছু অংশ(নমুনা) কেটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেওয়া হয় রোগ সনাক্ত করার জন্য। কবে আসবে ফলাফল ডাক্তাররা জানেন না বিধায় রোগাক্রান্ত শিশুকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন মা খাতুন বেগম।

এ বিষয়ে শিশুর মা কে জিজ্ঞেস করলে তিনি অসহায়ের মত কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি জানান, তিনি পাহাড়ে জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করে তা বাজারে নিয়ে বিক্রি করে যা পান তা দিয়ে কোনমতে অনাহারে-অর্ধাহারে চলে তার জীবন। মেয়ের চিকিৎসার প্রধান সমস্যা অর্থনৈতিক বাধা।

নিজের চোঁখের সামনে মেয়ের চিৎকার আর্তনাদ এখন দেখে যাওয়া ছাড়া তার আর কিছু করার নেই। তিনি সরকারের কাছে তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য আকুল আবেদন জানান। সরকার বা সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এসে যদি এই অসহায় শিশুটির চিকিৎসার ভার নেন তাহলে হয়তো নতুন জীবন ফিরে পেতে পারে শিশু বাবলী।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ড কাপ (অনূর্ধ্ব-১৭) ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার ফাইন্যাল ম্যাচ সম্পন্ন হয়েছে।
১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকলে উপজেলার ফেরীঘাট ক্যাপ্টেন রশিদ ফুটবল মাঠে নিজপাট ইউনিয়ন বনাম দরবস্ত ইউনিয়নের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্টিত হয়৷ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল অাবেদীন৷
উপজেলা নির্বাহীর অফিসার মৌরীন করিমের  সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরন অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল অাহমদ, সহকারী কমিশনার(ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাঈনুল ইসলাম, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহেদ অাহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা অাওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফয়েজ অাহমদ বাবর, ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর এলাহী সম্রাট, এখলাছুর রহমান, বাহারুলর অালম বাহার উপজেলা অাওয়ামীলীগের সাবেক সেচ্ছাসেক লীগের সভাপতি অাব্দুল কাদির, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রোসক্লাবের সভাপতি এম. এম রুহেল, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহজাহান কবির খান, সদস্য গোলাম সরওয়ার বেলাল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সোলাইমান হোসেন, যুবলীগের যুগ্ম অাহবায়ক কুতুব উদ্দিন, যুবলীগ নেতা অামিন অাহমদ, ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান সবুজ, মামুনুর রশিদ, কতুব উদ্দিন প্রমুখ৷
শুক্রবার ফাইন্যাল ম্যাচে নিজপাট ইউনিয়ন বনাম দরবস্ত ইউনিয়নের মধ্যকার খেলায় ৪-০ গোলে নিজপাট ইউনিয়ন দলকে পরাজিত করে দরবস্ত ইউনিয়ন (অনূর্ধ্ব-১৭) ফুটবল দল বিজয়ী হয়।

বর্তমান আওয়ামীলীগ জোট সরকার সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট্রের অনুকূলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা মঞ্জুর করেছে।

জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর পক্ষে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, সরকার ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ৩০৩ জন সাংবাদিককে ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা অনুদান মঞ্জুর করেছে। এছাড়া ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ২৩১ জনকে ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ১৯৬ জনকে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১৮১জনকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা, ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে ১৮৫ জনকে ১ কোটি টাকা ও ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ৬১ জনকে ৫০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা বলেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবাবায়নের পাশাপাশি গত ২৯ জানুয়ারি ৯ম ওয়েজ বোর্ড গঠন করেছে। এছাড়া সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা ২০১৭ প্রণয়ন করেছে। সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিট ২২ হাজার ৫৫৩ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সরকার জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা ২০১৪ প্রণয়ন করেছে এবং প্রস্তাবিত সম্প্রচার আইন ২০১৮ খসড়ার চূড়ান্ত পরিমার্জন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নারী সাংসদ বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারানা হালিম বলেন, বর্তমানে দেশে ৪৮৭টি দৈনিক পত্রিকা হতে শতকরা ২ভাগ সার্ভিস চার্জ হারে ৩২ লাখ ১৩ হাজার ৯৭৫ টাকা ২৬ পয়সা আয় হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১ হাজার ২২০টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে ৪৮৭টি দৈনিক পত্রিকা। ঢাকা থেকে দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয় ২১৪টি। এছাড়া ৪৪টি টেলিভিশন চ্যানেলকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে এবং বর্তমানে ৩০টি চ্যানেল সম্প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে থেকে জামাত-শিবির ৩শ’টি ফেইস বুক পরিচালনা করে সরকারের বিরুদ্ধে নানা গুজব সংবাদ পরিবেশন করছে। সরকারের বিরুদ্ধে গুজব সংবাদ প্রতিরোধে একটি সেল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এর কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি সকল মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের তাদের ফেইস বুক বিটিআরসির মাধ্যমে ভেরিফাই করে নেয়ার জন্য  সকলকে আহ্বান জানান।

‘চারপাশে ময়লা নাই, এমন একটা দেশ চাই’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় বা শ্লোগান কে সামনে রেখে পরিবর্তন চাই ট্রাস্ট সারা দেশব্যাপী ৪র্থ বারের মতো “দেশটাকে পরিষ্কার করি” দিবস পালন করতে যাচ্ছে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার। মূলত এই প্রতীকী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার আন্দোলন এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে আমাদের মাধ্যমে যে ময়লা গুলো হয়ে থাকে, যা পরিবেশে বিনষ্টের জন্য দায়ী যেমনঃ কলার খোসা, বাদামের খোসা, পলিথিন জাতীয় প্রভৃতি সেগুলো পরিষ্কার করা বা রাস্তা থেকে তুলে ডাস্টবিনে রাখা এবং মানুষকে বুঝাতে চেষ্টা করা যাতে এইগুলো যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলে।

দেশব্যাপী ১৬৪ স্থানে (জেলা ও উপজেলায়) প্রায় লক্ষাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার এই সচেতনতামূলক বৃহৎ ইভেন্ট পরিচালিত হবে।

সিলেট বিভাগের ৪টি জেলা সদর ও ৮ টি উপজেলা সদরে এই ইভেন্ট আয়োজিত হতে যাচ্ছে। আপনিও অংশ নিতে পারেন এই জনসচেতনতার বৃহৎ আয়োজনে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে আজ বিকাল ৪ ঘটিকায় সিলেট জেলরোড সংলগ্ন ‘পানসী ইন’ রেস্টুরেন্টে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট জেলা কমান্ডার আতিক রহমানের সঞ্চালনায় সভাতে বক্তব্য দেন পরিবর্তন চাই সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ বাদশা মিয়া, সিলেট জেলার সহকারী কমান্ডার মাহফুজুর রহমান সহ টিম লিডার হিসেবে আমন্ত্রিত বিভিন্ন সংগঠন, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবর্তন চাই সিলেট জেলার সিনিয়র সদস্য এবং ক্রাউন সিমেন্ট এর সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার এরিয়া ম্যানেজার ইকবাল হোসাইন।

মূলত দেশটাকে পরিষ্কার করি দিবস ২০১৮ সিলেটে সফল ও স্বার্থক করতে এই পূর্ব প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১৫ তারিখ সিলেট শহরে ক্বীন ব্রীজ থেকে সকাল ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে এই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতীকী আন্দোলন শেষ হবে। মূল প্রোগ্রাম ১১টায় শুরু হলেও রিপোর্টিং শুরু হবে সকাল ৯টা থেকে। উক্ত সভায় সিলেট শহরের সকল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে দিবসটিতে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc