Wednesday 19th of September 2018 08:22:12 PM

নিউজ ডেস্কঃ প্রথম অধ্যায়ের আক্রমণেই পেনাল্টির দেখা মিলে গেল।তপু বর্মনের লক্ষ্যভেদে উচ্ছ্বাসে নেচে উঠল দর্শকরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাহবুবুর রহমান সুফিলের দুর্দান্ত গোলে আবারও গ্যালারিতে আনন্দে ভাসল হাজারো সমর্থক। ভুটানের বিপক্ষে মধুর প্রতিশোধ নিয়ে বাংলাদেশ পেল সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে শুভসূচনা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২-০ গোলে জিতে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২০১৬ সালের অক্টোবরে সর্বশেষ এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে ওঠার প্লে-অফে ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে হারের প্রতিশোধও নিল দল।

সাফে ভুটানের ওপর আধিপত্যও ধরে রাখল বাংলাদেশ। এ নিয়ে ছয়বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশের জয় ৫টি, অন্যটি ড্র। সাফ সুজুকি কাপে ভুটানকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে লাল সবুজের জার্সিধারীরা জিতেছে ২-০ গোলে। এই জয়ে একটা প্রতিশোধও নেওয়া হলো বাংলাদেশের। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে ওঠার প্লে-অফে ভুটানের মাঠে যে ৩-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।

সাফে অবশ্য ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশ কখনো হারেনি। এই নিয়ে দুই দলের ছয়বারের দেখায় বাংলাদেশ জিতল পাঁচবারই। অন্য ম্যাচটি হয়েছে ড্র।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় শুরু ম্যাচের প্রথম মিনিটেই কর্নার পায় বাংলাদেশ। কর্নার কিক নেওয়ার সময় ডি বক্সের মধ্যে সাদউদ্দিনকে ফাউল করেন ভুটানের থেরিং ধিরাজ। তাতে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন তপু বর্মন (১-০)।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৪৭ মিনিট) ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান সুফিল। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

২০০৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর কেটে গেছে প্রায় দেড় দশক, কখনো আর ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয়নি লাল-সবুজের জার্সিধারীদের।

শুধু দেড় দশকের ট্রফিশূন্যতাই নয়, সাফে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অবস্থা আরো করুণ। সর্বশেষ তিন আসরের কোনোবারই গ্রুপপর্ব পার হতে পারেনি বাংলাদেশ। তিন আসরে মোট ৯ ম্যাচ খেলে জয় মাত্র একটিতে, ড্র দুটি, বাকি ছয়টিই হার।

এবার ঘরের মাঠে টুর্নামেন্টে শুরুটা দুর্দান্তই হলো বাংলাদেশের। জিতল প্রথম ম্যাচেই। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে ৫ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে শিল্পী সুলতান মে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস.এম সুলতানের ৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৪ দিনব্যাপি সুলতান উৎসব শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজনের মধ্যে রয়েছে মধ্যে রয়েছে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ব^বিদ্যালয় ও কলেজের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অংশগ্রহনে আর্ট ক্যাম্প, চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার, সম্মাননা ও পদক বিতরণ এবং নৌকা বাইচ।

উৎসবের শেষ দিন শনিবার সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিকেলে শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত চিত্রা নদীতে নারী ও পুরুষের বিশাল নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছর এ নৌকা বাইচ অর্ধ লক্ষ মানুষ উপভোগ করে থাকে। নড়াইল জেলা প্রশাসন ও সুলতান ফাউন্ডেশন এবং এস.এম. সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডশন পৃথকভাবে এ উৎসবের আয়োজন করে থাকে। বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজ চত্বরে অবস্থিত শিল্পী সুলতান মে ছবি এঁকে সুলতান উৎসবের উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী।
শিল্পী সুলতান এদেশের মাটি, সাধারন মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, প্রকৃতি এসব নিয়ে ছবি এঁকেছেন। তিনি এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক, শ্রমিককে পেশীবহুল ও শক্তিশালী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
বরেণ্য এই শিল্পী ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন।
১৯২৪ সালের ১০ আগষ্ট শহরতলি মাছিমদিয়ায় বরেণ্য এই শিল্পী জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শিল্পী সুলতান মৃত্যুবরণ করেন।
উল্লেখ্য, গুণী এই শিল্পী ১০ আগষ্ট জন্মগ্রহন করলেও আগষ্ট মাস জাতীয় শোকের মাসের কারনে সুলতান উৎসব পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলের ভয়াবহ যানজট নিরশনে দু’দিনের অব্যর্থ অভিযানে ফুটপথ অবমুক্ত করলেন নাভারন হাইওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ পলিটন মিয়া। বিগত কয়েক বছর ধরে বেনাপোলের ফুটপথগুলো দখল করে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দোকানঘরগুলো উচ্ছেদ করে সাধারণ জনগণের ভালোবাসা অর্জণ করলেও কতদিন তা বলবৎ রাখতে পারবেন বলে সঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয় জনতা।
রবিবার ও সোমবার দু’দিনের কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে হাইওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ বেনাপোল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফুটপথের সকল দোকানঘর উচ্ছেদ করেন।

স্থানীয়রা জানান, বেনাপোল বাজারে ফুটপথ দখল করে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা একদিকে যেমন এখানে দোকানঘর বসিয়ে উপার্যিত অর্থ দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করছিলো। অপরদিকে বাজারের দু’ধারে শাক-সব্জিসহ বিভিন্ন ধরণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রি করায় ফুটপথসহ রাস্তার দু’ধার সকল সময় ভ্যান, ইজিবাইক দাড়িয়ে থাকাসহ ক্রেতাদের চলাচলে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হতো।

তাতে স্কুল, কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতসহ সকল ধরণের যানবাহন চলাচলে নানা ধরণের বিঘœতার সৃষ্টি হতো। প্রতিনিয়ত ঘটত ছোটখাট থেকে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। তবে বেনাপোল বাজার নিয়ন্ত্রকদের কাছে বাজারের আয়তন বাড়িয়ে এ সকল উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্থান করে দেওয়ারও আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্থানীয় জনতা।

এ বিষয়ে নাভারন হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ পলিটন মিয়া বলেন দীর্ঘদিন ধরে ব্যস্ততম নগরী বেনাপোল বাজারের ফুটপথগুলো দখল করে থাকা কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কারণে প্রতিনিয়ত এখানে যানজটের সৃষ্টি হয়।

তাতে স্কুল কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের চলাচলে একদিকে যেমন ভয়াবহ রুপ ধারণ করে, অপরদিকে বেনাপোল বাজারটি দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর এলাকা হওয়ায় আমদানি –রফতানিবাহী যান চলাচলে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। সেকারণে ফুটপথ অবমুক্ত করা হয়েছে। যা ভবিষ্যতে চলমান থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিচারের আশায় সন্তানকে নিয়ে পথে পথে 

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া গ্রামে স্বামী ও ভাসুর কর্তৃক ছাবিনা খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়া বড়বাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে ওমর আলী মালেশিয়া থাকাকালীন সময়ে ছাবিনার সাথে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিচয় হয়।

দীর্ঘ ৮ মাস সম্পর্কের এক পর্যায়ে ওমর আলীর ভাই আবু বক্কর সাবিনাকে দেখতে গ্রামের বাড়ী পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার আড়াইকুলা ইউনিয়নের বনগ্রাম যান। পরে আমার ভাসুর তার ভাই ওমর আলীর জন্য পছন্দ করেন। ওমর আলী মালেশিয়া থেকে দেশে ফিরে ২০১৪ সালে ১৫এপ্রিল সাবিনাকে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিয়ে করেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে সংসারে তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। বর্তমানে ছেলের বয়স সাড়ে ৩ বছর।

নির্যাতিত সাবিনা খাতুন বলেন, অনেকদিন যাবত আমার স্বামী ও ভাসুর আমাকে বিভিন্ন ভাবে শাররিক ও মানষিক ভাবে নির্যাতন করে এবং তালাক দেবে মর্মে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। আমার স্বামী ওমর আলী গত ১৯/৮/১৮ তারিখ মালেশিয়া থেকে ছুটিতে আসে। গত ৩০/৮/১৮ তারিখে আমার স্বামী একটি ভুয়া তালাকের ফটোকপির সাথে কিছু কাগজ জোরপূর্বক আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে।

এলাকার চেয়ারম্যান ও মাতবরদের কাছে গিয়ে বিচার না পেয়ে অসহায় গৃহবধূ একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে পথে পথে ঘুরছে। এদিকে গত ০৩/০৯/২০১৮ ইং তারিখে কোন রকম আইনের তোয়াক্কা না করেই ওমর আলী দ্বিতীয় বিবাহ করে। রাতের আঁধারে লোক চোক্ষুর আড়ালে ঝিকরগাছার উপজেলার মাটিকোমরা গ্রাম থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘরে আনে ওমর আলী।

এ ঘটনা জানা জানি হলে সচেতন এলাকাবাসীর মধ্যে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। অসহায় নির্যাতিত গৃহবধু ছাবিনা খাতুনের জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী ছাবিনা খাতুন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এবং সে পূর্বের ন্যায় স্বামী সংসার করতে চাই।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় ঐতিহাসিক জৈন্তাপুর ইরাদেবী মাঠে নিজপাট ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ২৩২-সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি প্রকৌশলী এজাজুল হক এজাজ উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।

আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে ও হাসান মোঃ বদরুলের পরিচালনায় নিজপাট ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমদ, জাতীয় শ্রমিকলীগ সিলেট জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আলম রুমেন, চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যন আইয়ুব আলী, জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি উপাধক্ষ্য শাহেদ আহমদ, নিজপাট ইউপি চেয়ারম্যান ও জৈন্তাপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মঞ্জুর এলাহী স¤্রাট, নিজপাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগর সভাপতি আতাউর রহমান বাবুল, জাতীয় শ্রমিকলীগ জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ফারুক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ।

জৈন্তাপুর উপজেল যুবলীগের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা কামরুজ্জামান চৌধুরী, আলা উদ্দিন, সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় শ্রমিকলীগ জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার নেতা ও কাতার শ্রমিকলীগ নেতা ফখরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আমিন আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা সুমন আহমদ, নিক্সন রায়, ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান সবুজ, পাপলু দাশ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন আওয়ামীলীগ সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন, থানা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছে। এছাড়া এ সরকারের আমলে আমাদের দেশ নি¤œ আয়ের দেশ হতে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকার ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ শক্তিশালী প্রদক্ষেপ পালন করবে।

আজকের দ্বি-বাষিক সম্মেলনে এমন এক শক্তিশালি কমিটি উপহার দিতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অনুরোধ করেন।

নড়াইল প্রতিনিধি:বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৭ শাহাদাতবার্ষিকী ৫ সেপ্টেম্বর বুধবার।  ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটিতে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন নূর মোহাম্মদ। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়। দেশের এ শ্রেষ্ঠ সন্তানের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নড়াইলের নূর মোহাম্মদ নগরে  মাজার জিয়ারত, কোরআন খানি , র‌্যালী, শহীদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সশস্ত্র সালাম , দোয়া মাহফিল এবং স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে ।

জানা যায়,১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর, বর্তমানে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ-বিজিবি) যোগদান করেন। দিনাজপুর সীমান্তে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই বদলি হন যশোর সেক্টরে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যশোর অ ল নিয়ে গঠিত ৮নং সেক্টরে দেশ মাতৃকার মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

এ সময় যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অ লে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন নড়াইলের এ সাহসী সন্তান। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল (অব) আবু ওসমান চৌধুরী এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর এস এ মঞ্জুর। ৫ সেপ্টেম্বর পাকবাহিনীর গুলিতে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলেও সহযোদ্ধাকে কাঁধে নিয়েই এলএমজি হাতে নিয়ে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে গুলি ছুঁড়তে থাকেন। এক পর্যায়ে পাকবাহিনীর একটি মর্টারের আঘাতে নূর মোহাম্মদের হাঁটু ভেঙ্গে যায়। শক্রমুক্ত করার জন্য প্রাণপণ যুদ্ধ চেষ্টা চালিয়ে যান। দেশ মাতৃকার জন্য এ অসামান্য অবদানের জন্য তৎকালীন সরকার তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি প্রদান করেন।

নূর মোহাম্মদ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন (বর্তমানে নূর মোহাম্মদনগর)। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc