Tuesday 20th of November 2018 07:31:55 PM

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিম জোনের আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট যেন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। কাউন্টারে গেলেই সাফ জবাব আসন নেই। অথচ দ্বিগুণ মূল্যে বাইরের চা স্টল, ফলের দোকান ও বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে টিকেট। এতে করে যাত্রীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

জানা যায়, ঢাকাগামী একমাত্র নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি রয়েছে এ স্টেশনে। এমনিতেই স্টেশনটি থেকে প্রতিদিন রাজশাহীর বাগমারা, নওগাঁর রানীনগরের কিছু অংশ ও নাটোরের সিংড়া উপজেলাসহ আত্রাইয়ের বিপুলসংখ্যক যাত্রী নীলসাগর ট্রেনে ঢাকায় যাতায়াত করে থাকেন। ঈদ মৌসুমে যাত্রীদের এ ভিড় আরো প্রকট আকার ধারণ করে।

জানা যায়, আহসানগঞ্জ স্টেশন থেকে ঢাকার জন্য ৫২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তারপরও এ আসনগুলো কাউন্টার খোলার সঙ্গে সঙ্গে চলে যায় সিন্ডিকেটের হাতে। ফলে নির্ধারিত সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট পান না সাধারণ যাত্রীরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ- আত্রাই থেকে নীলসাগর ট্রেনের ভাড়া ৩৪০ টাকা। নির্ধারিত ভাড়ায় টিকেট নেয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তারা টিকেট পান না। অথচ পরক্ষণেই টিকেট পাওয়া যায় চা স্টলসহ বিভিন্ন জায়গায়। যেগুলো ৫শ থেকে ৬শ টাকায় কিনতে হয়। একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশে কালোবাজারিরা টিকেট নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা।

ট্রেনযাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, অক্টোবরের ৩ তারিখের টিকেট নেয়ার জন্য ওপেনিং তারিখে সকালে লাইনে দাঁড়ানোর পরও চাহিদা অনুযায়ী টিকেট পাইনি। অথচ ওই তারিখের টিকেট দেদার বাইরে বিক্রি হচ্ছে। কালোবাজার চক্রের কবল থেকে টিকেট উদ্ধার করতে না পারলে একদিকে যাত্রী হয়রানি বাড়বে, অন্যদিকে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষেরও সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে টিকেট নিয়ে প্রতিনিয়ত স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যাত্রীদের কথা কাটাকাটি লেগেই আছে।

এ ব্যাপারে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ছাইফুল ইসলাম বলেন, যারা বাইরে টিকেট বিক্রি করেন তারা যাত্রীবেশে কাউন্টার থেকে টিকেট কেটে নিয়ে যান। আর যতক্ষণ আমাদের কম্পিউটারে টিকেট শো করবে ততক্ষণ আমরা যাত্রীদের তা দিতে বাধ্য। যাত্রীবেশে কেউ যদি টিকেট কিনে নিয়ে ব্যবসা করেন এটা রোধ করা মুশকিল।

সচেতন মহল মনে করেন, স্থানীয় প্রশাসন মাঝেমধ্যে কাউন্টারের কম্পিউটার ও কালোবাজারিদের নির্ধারিত স্থানে অভিযান চালালে সিন্ডিকেট থাকবে না। এর সুফল ভোগ করতে পারবেন এলাকার বিপুলসংখ্যক ট্রেনযাত্রী।

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ী থেকে: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা (কোনাগাও) থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামি মখলিছ এর  বসত বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ২২০ পিছ ইয়াবাসহ ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার ও ইন্সঃ তদন্ত সুধীন চন্দ্র দাস, সংগীয় এস আই বেলায়েত, এএস আই ফাত্তার, এএস আই মনির, এএস আই সুমন, এই গোপন অভিযান পরিচালনা করেন।

আটককৃতরা হলেন, মখলিছ মিয়া (৪২) পিতা-মনসুর আলী,  সাং-ফুলতলা (কোনাগাও), আব্দুর রহমান (৩৫) পিতা-মৃত আলকাছ মিয়া, সাং-কোনাগাও,হায়দার আলী (৩৬) পিতা-ছোয়াব আলী সাং-বিরইতলা।

এ ব্যপারে জুড়ি থানার মামলা নং-০৪ তাং-২০/০৯/১৮ ধারা-১৯৯০ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ (১) এর টেবিল ৯ (খ) রুজু করা হয়।

প্রকাশ থাকে যে আসামীগন দীর্ঘ দিন যাবত একে অন্যের সহযোগিতায় মাদকসহ ইয়াবা বিক্রয় করিয়া যুব সমাজকে নষ্ট করিয়া আসিতেছে।

সিডনি রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে দলের ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা গত ২রা সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার সিডনিস্থ হাজী বিরিয়ানী ফাংশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার  মোঃ কামরুল ইসলামের শামীমের পরিচালনায় আর ও বক্তব্য রাখেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সহ সভাপতি মোঃ মোবারক হোসেন,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও যুবদলের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত সবুজ,সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি এএনএম মাসুম,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস শামাদ শিবলু,যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ খাইরুল কবির পিন্টু, বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন,নিউসাউথ ওয়েলস বিএনপির সভাপতি অনুপ আন্তনী গোমেজ,সাধারন সম্পাদক মোঃজসিম উদ্দিন,যুবদলের সাংগঠনিক জেবল হক জাবেদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন,স্বেচ্ছাসেবকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জুমান হোসেন,নিউ সাউথ ওয়েলস বিএনপির সহ সভাপতি মোঃমতিয়ার রহমান, বিএনপির  ক্রিড়া  বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল করিম,মিজানুর রহমান,জুবাইল হক মানিক,পক্জ বিশ্বাস, মাহবুবুর  রহমান সবুজ,আরিফুল ইসলাম,হারিসুল মাহমুদ,মাহবুবুর রহমান সবুজ,মোঃরুবায়েত আনোয়ার,মোঃজুহুরুল ইসলাম,কাজী শহিদুল ইসলাম,মোঃশাহজাহান সওদাগর,মোঃইসমাইল হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃমোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসের হিসাব নেয়া হবে। শুধুমাত্র  রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে মিথ্যা মামলা দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা কুক্ষিত করার জন্য দেশমাতাকে জেল আটকিয়ে রাখা হয়েছে ।

তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সাবধান হয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।আমরা ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছি। অথচ আমাদের চেয়ারপারসন আমাদের মাঝে উপস্থিত নেই, উনি জেলখানায়। বিষয়টি আমাদের জন্য একইসঙ্গে যন্ত্রণার, দুঃখ ও লজ্জার।  বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলোয়াত এবং বেগম খালেদা জিয়ার শাররিক সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সহ প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ জুমান হোসেন।

ডেস্ক নিউজঃ নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে নিয়ে সরস মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “আওয়ামী লীগের পক্ষে লিখতে বললেই উনি জুড়ে দেয় কান্না, তার নাম মান্না।”

নেপালের কাঠমান্ডুতে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে শেষে দেশে ফিরে গণভবনে রোববার (২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি নতুন জোট গঠনের বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ওই জোট এবং জোটের শরিকদের সম্পর্কে সরস মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঐক্য ভালো, সাধুবাদ জানাই। একটা ভালো জোট হোক, আমরা নির্বাচনে কনটেস্ট করি।

এরপর একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মাহমুদুর রহমান মান্না সম্পর্কে বলেন, ‘মান্না এক সময় আমাদের দলে (আওয়ামী লীগ) ছিলেন। তিনি বেশ ভালো লেখেন। যখন আওয়ামী লীগে এলেন, আমি বললাম যখন অন্য দল করতেন তখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বেশি বেশি লিখতেন। তো এখন আমাদের পক্ষেও কিছু লেখেন। এ কথা বললেই মান্না, জুড়ে দেয় কান্না।’

এ সময় বিকল্পধারা সভাপতি বি. চৌধুরী, আ স ম আব্দুর রব সম্পর্কেও সরস মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক লন্ডন প্রবাসীর বাসা দখল করতে গিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে ওই বাসার ভাড়াটিয়াদের উপর। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন বাসায় বসবাসকারী ভাড়াটিয়া জেসমিন বেগম।

এদিকে সন্ত্রাসীদের মহুড়া অব্যাহত থাকায় ফের হামলার ভয়ে আতংকে রয়েছেন বাসায় বসবাসকারী ভাড়াটিয়া পরিবারগুলো। রবিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন লন্ডন প্রবাসী শাহীবাগ এলাকার আবুবক্কর সিদ্দিক মোহনের মালিকানাধীন বাসায় ভাড়া থাকা সরাজ আলীর স্ত্রী জেসমিন বেগম।

জেসমিন বেগম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, শাহীবাগ এলাকার লন্ডন প্রবাসী আবুবক্কর সিদ্দিক মোহনের নিজ মালিকানাধীন বাসায় তিনি ভাড়া থাকেন। বাসায় আরও ৪/৫ পরিবার ভাড়া থাকেন। আবুবক্কর সিদ্দিক মোহনের নির্দেশে তারা তার মামা মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য মো. মশিউর রহমান রিপন এর কাছে বাসার ভাড়া প্রদান করে আসছেন।

গত ২১ আগষ্ট সন্ধ্যায় একদল সন্ত্রাসী হাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জেসমিন বেগমের বাসায় হামলা চালায় এবং শ্লীলতাহানি চেষ্ঠা চলে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী ও শ্রীমঙ্গল থানার এস আই জাকারিয়া ঘটনাস্থলে এসে জেসমিন বেগমকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় জেসমিন বেগম বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত এফ.আই.আর গ্রহনের জন্য শ্রীমঙ্গল থানাকে নির্দেশ দেন।

কিন্তু আদালতের নির্দেশের ৫দিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় এবং বাসার আশেপাশে অচেনা লোকজন নিয়ে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীরা ঘোরাফিরা করায় ফের হামলার ভয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন ভাড়াটিয়া পরিবারগুলো।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম জানান, আদালতের কোন নির্দেশনা তিনি এখনও পাননি। তবে নির্দেশনা পেলে সত্যতা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য একই ঘটনায় অপর পক্ষ ১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মার্কেটের মালিক আব্দুল হালিম তার ব্যবসায়ীদের আতংকের কথা জানান।আরও বিস্তারিতি জানতে নিচের লিঙ্কটি দেখেন-

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলা, ওয়ারেন্টভূক্ত এবং হত্যা মামলার আসামী সহ ৪জন আটক, পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি এলজি ওয়ান শুটার পাইপগান উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়- জৈন্তাপুর মডেল থানা উপজেলা জুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু করে। ১লা সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওয়ারেন্ট ভুক্ত দরবস্ত ইউনিয়নের উত্তর কাঞ্জর গ্রামের মৃত হাজী আমির আলীর ছেলে কুতুব উদ্দিন(৪৫), একই গ্রামের মৃত মছদ আলীর ছেলে তৈয়ব আলী(৪২) কে আটক করে।

উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার এজাহার ভূক্ত আসামী পশ্চিম ঠাকুরের মাঠি গ্রামের মোঃ নোয়াব আলীর ছেলে নূরুল ইসলাম পচাই(৩৫) এবং তার স্ত্রী শামীমা বেগম(৩০) কে আটক করে। অপরদিকে অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাঈনুল জাকির এর নির্দেশে জৈন্তাপুর মডেল থানার এস আই আজিজুল ও এস আই হাবিবুল্লাহর নেতৃত্বে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের করগ্রামের বাহারুল আলম বাহার চেয়ারম্যানের বাড়ীর পশ্চিম পার্শ্বে এবং বীরমুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলামের ধানক্ষেতের দক্ষিণ কোন এবং রাস্তার পাশ্ব হতে পেপার ও পলিথিন মোড়ানো অবস্থায় একটি এলজি ওয়ান শুটার পাইপগান পরিত্যাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মঈনুল জাকির বলেন- বিশেষ অভিযানের অংশ হিসাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রথম দিনের অভিযানে ১টি এলজি ওয়ান শুটার পাইপগান, ওয়ারেন্টভূক্ত এবং হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ৪জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। আমাদের চলমান ও নিয়মিত অভিযান অব্যহত থাকবে।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের আরাধ্য শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শহরের হবিগঞ্জ সড়কের শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের আখড়ায় বণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা ও সমাবেত প্রার্থনা।

রোববার সকালে সার্বজনীন শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ এর আয়োজনে চার দিনব্যাপী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাংসদ উপাধ্যক্ষ  মো. আব্দুস শহীদ।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশশেরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশরাফুজ্জামান।

পরে আখড়া প্রাঙ্গন থেকে একটি বণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন দেবতার সাজে সজ্জ্বিত হয়ে সনাতন ধর্মালম্বীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে আবার আখড়া প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। এদিকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন সেবা সংস্থা বৈদিক এর আয়োজনে ধর্র্মীয় আলোচনা সভা, সমবেত প্রার্থনা ধর্মীয়ষ্টানের আয়োজন করা হয়।

এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বৈদিক গীতা স্কুলের শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের ভিতরে খানাখন্দে ভরা রাস্তাঘাট, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম, খোঁড়াখোড়ির কারনে স্থানীয় জনসাধারণ ও পর্যটকদের চলাফেরা কার্যত অচল হয়ে পড়ছে। সবচাইতে দুর্ভোগের উৎস হলো শ্রীমঙ্গল শহরের পৌরসভার বিভিন্ন সড়কের ভাঙ্গা রাস্তা। ভাঙ্গা রাস্তার জন্য স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। তবে নিজেদের দায় অস্বীকার করে রাস্তার কাজটি সওজ এর আওতায় পড়েছে বলে দাবী করছে পৌরসভা। তাই শহরের খানাখন্দে ভরা দিয়ে দুর্ভোগ নিয়ে চলতে হচ্ছে পৌরবাসী কে৷
সরেজমিনে শ্রীমঙ্গল শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাট ঘুরে দেখা গেছে, শহরের চৌমুহনা চত্বর থেকে স্টেশন সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দে ভরা। শহরতলীর রেলগেট এলাকা থেকে সরকারি খাদ্য গুদাম পর্যন্ত রাস্তাটি শহরের সব চেয়ে খারাপ রাস্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। শহরের রেলগেইটের সামনের রাস্তার প্রায় ১০ ফুট অংশ চলাচল অনুপযুক্ত রয়েছে।
ফলে প্রায়ই যানজট ও ছোটখাট দূর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া, কিছুদিন পরপর শহরের ভিতর দিয়ে যাওয়া ঢাকা -সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের উভয়পাশ খোঁড়াখোড়ির কারনে মুল রাস্তার প্রায় ৪ফুট প্রশস্ততা কমে গিয়েছে, খোড়াখোড়ির পর আর রাস্তা সংস্কার করা হয় না। মাটি, কংক্রিটের কারনে রাস্তার পাশ উঁচু হয়ে পড়ে এবং সামান্য বৃষ্টি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অনেকেই বলছেন, সরকারের এ মেয়াদে উপজেলায় পিচঢালা রাস্তা নির্মান বৃদ্ধি পেলেও নিমার্ণ ত্রুটি ও রাস্তাঘাট নির্মাণের উপকরণ সঠিক মাত্রায় না থাকায় রাস্তা তৈরীর ছ’মাস বা বছর ঘুরতে না ঘুরতেই খানাখন্দে ভরে উঠছে। একশ্রেণীর রাজনৈতিক মদদপুষ্টরা এসব কাজ পেয়ে কোন রকমে কাজ সম্পাদন করে থাকে। আর সংশ্লিষ্ট দপ্তর এসব অনিয়মের ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে উপরন্তু নিজেদের মধ্যে যোগসাজসে এসব গুনগতমানহীন কাজের ব্যাপারে নীরব থেকে প্রকারান্তরে বৈধতা দিয়ে চলেছে বছরের পর বছর ধরে। ফলে, লোকদেখানো যে সংস্কারকাজ করা হয় সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্বের কারনে সরকারের উন্নয়নের প্রকৃত সুফল ভোগ করতে পারছে না এলাকার জনগণ।
শ্রীমঙ্গলে আসা বেশকিছু পর্যটক এর সাথে রাস্তার দুর্ভোগ নিয়ে কথা বললে তারা বলেন,  বেসরকারী উদ্যোগে বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরী না হলে তো একে শহর বা নগর বলা দুস্কর হতো। যেখানে, দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রামের অভাবনীয় উন্নয়ন হচ্ছে সেখানে একটা গুরুত্বপুর্ণ পর্যটন উপজেলা এভাবে অনুন্নত রয়ে গেছে তা দুঃখজনক।
স্থানীয় পলাশ মিয়া বলেন, “আমরা চাই উন্নত রাস্তা, কার অধীনে আছে আর কে কাজ করবে কে করবে না করবে, এসব দায়সারা কথা জনগণকে ধোঁকা দেবার শামিল। জনপ্রতিনিধিদের এসব কথা জনগণকে তোয়াক্কা না করারই শামিল।”
শ্রীমঙ্গল গ্রীনলিফ গেষ্ট হাউজের মালিক এসকে দাশ সুমন বলেন, শহরের ভিতরে এরকম ভাঙ্গা, পুরো উপজেলার চিত্র কি হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। শ্রীমঙ্গলে বেসরকারী খাতে কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন ব্যবসায়ীরা, কিন্তু হতাশার বিষয় সরকারি নজরদারি আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় এখানকার সামগ্রিক উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়ে আছে, ভাঙাচোরা আর বেহাল রাস্তা ঘাটের কারনে এখানকার পর্যটন শিল্পে স্থবির ভাব দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয়তা প্রয়োজন ৷
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসিন মিয়া জানান, শহরের ভিতরের যে রাস্তাগুলো ভাঙ্গা তা সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায়। এই রাস্তার কাজ তারাই করবে। পৌরবাসী ও পর্যটকদের চলাচলাচলের কথা ভেবে আমরা পৌরসভার পক্ষ থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অনেক বার বলেছি রাস্তার কাজটা করে দিতে। আমাদের দায়িত্বে না থাকার কারনে পৌরসভা কিছু করতে পারছে না।
সড়ক ও জনপথ মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মিন্টু রঞ্জন দেব বলেন, আমরা প্রায়ই সড়কে ছোট বড় গর্ত ঠিক করার কাজ করে আসছি। শ্রীমঙ্গল থেকে শমসেরনগর পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়কের বড় ধরনের সংস্কার কাজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে কাজটি শেষ করতে দেড় বছর সময় লাগবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc